আদুরে স্বভাবে নুিড়য়া মনের মাঝে সুখ।
একমাত্র কন্যা বাবার কলেজ পড়ুয়া,
অবসরে উপন্যাস েশষটা স্বপ্ন দেখিয়া।
আহা নুরু, কি সুন্দর চাহনি তোমার!
শুধু পয়সা কড়ি কম, তাতে কি?
ছুটির দিনে নক্সি কাঁথা ভাঁজে ভাঁেজ ছন্দ,
কবে আসবে পি্্য়তম!
স্বপ্নের পঙ্খিরাজে করে, নিয়ে যাবে আমায়?
মাতিয়ে দিবে আদরে, আলিঙ্গনে।
পাড়ার বুড়ির ঘ্যানঘানানি,
ফরসা চামড়া, লম্বায় কম নয়।
আ-হা-হা যেন স্াক্ষাৎ রাজ কুমার,
বিদেশ থাকা ছেলে, কত টাকা!
ক' জনার ভাগ্যে জোটে এমন!
বাবার কানে বাজল যেন টাকারই ঝণঝণানী,
আ..রে নুরু, কি আছে ওর?
কন্যাদানে পটু বাবা, দায়মুক্ত গর্বিত।
পয়সা ওয়ালার শশুর আমি বিদেশী জামাই,
আহা কি ভাগ্যবতী মেেয় আমার!
আরো একবার দু' নয়ন ভরে দেখে নেয় নুড়িয়া,
নুরু, গ্রাম, পথ -ঘাট, নকশী কাঁথা, আরো কত কি!।
থাকনা এসব, স্বামী ঘরেই তো যাচ্ছি।
শুরু হয় খেলা
গুমড়ে কেঁদে ওঠে নুড়িয়া,
হায়! ছিল কি এই মোর কপালে
নেশাখোর স্বামী, নারি নেশায় মত্ত।
বলি শোন স্বামী-
ভাল হও, জানবেনা তো কেউ,
তোমায় নিয়া বাঁচব আমি, মরনেও যদি পাই।
শুধাল স্বামী!
শোন বেটি,
বেঁচে দিয়েছি তোকে আমি, থাকবি শুধু রাত।
টাকা কড়ি কামাতে যে এটাই আমার পথ।
মিিষ্ট কথা বলে আমায় হবেনাতো লাভ,
সংসারে বিশ্বাসী নই, টাকা চাই টাকা।
চিৎকার করে কাঁদে নুড়িয়া কে শোনে কার কথা,
বাবা কেন দিল আমায় এমন সুখের আশা।
জানালায় তাকায় নুড়িয়া এটাই বুঝি পথ,
মরনে সুিখ হব, কেঁদে নাহি লাভ ।
গভীর রাতে নুড়িয়া ঝাপ দিল মরণে,
মরণ ও নিলনা হায় ভাবে জ্ঞান ফিরে।
পঙ্গু হয়ে রাস্তায় বসে সাহায্যের হাত বাড়ায়,
ভালো লোক ও আছে বুঝি এই দুনিয়ায়।
বাবা মাকে পায় নুড়িয়া তবু ভাগ্যগুনে,
না জানি কতক নুড়িয়া'রা কাঁদে, সেটাই শুধু ভাবে।।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



