তোমাকে লেখা এটা আমার শেষ চিঠি। চলে যাব তোমায় ছেড়ে অন্যের হাত ধরে আর মাত্র ৩০ মিনিট পরে।
পড়ে রবে শুধু তোমার স্মৃতিগুলো, কত কথা,কত ব্যাথা, সুখ-দু:খ, বিরহ গাঁথা।
আমি স্বীকার করছি, দিয়েছ তুমি আমায় অনেক কিছুই, আবার নিয়েছ অনেক কিছুই। দেয়া নেয়ার নেয়ার হিসাব মিলিয়ে লাভ কি বল!
আসলে সবই নিয়তির খেলা! তুমি আিম চাইলেই খন্ডাতে পারিনা।
তবে তোমার দেয়া কিছু ব্যাথা, প্রতারনাকে আশ্রয় করেই ভুলে যেতে চাই পেছনের দিন গুলোকে।
সামনে দিনগুলোকে করতে চাই সতোজ্জল, উদ্দীপনাময়।
মনে করতে চাইনা তোমার সেই দিনগুলোক
যেদিন সিডরে ভাসিয়ে নিলে আমার পরম আপন জনকে, আইলার আঘাকে করেছ জরাজীর্ণ।
মনে করতে চাইনা তোমার প্রতারনাকে-
বড় আশা করেছিলাম ডিজিটাল হবার কিন্ত তুমি আমায় আজও এনালগ করেই রেখেছ।
আমাদের মত গরীব দু:খীরা ৩৫টাকার চাল খেয়ে কিভাবে ডিজিটালের স্বপন্ দেখি বল!
আমি বুঝে গেছি এ সবই তোমার বাহানা।
আজ আমি ২০১০ইং এর নিমন্ত্রনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে চাইনিজ খেয়ে দেয়ে ডিজটাল হবার স্বপ্নে বিভোর।
তুমি যদি আমায় একবারের জন্য ও ভালোবেসে থাক তবে দোহাই তোমার, আমায় দোয়া কর যেন ২০১০ এর সাথে আমি যেন ভাল থাকতে পারি। আর যেন আমার দেশের একটি পরিবার ও অভুক্ত না থাকে।
একটি বোন ও যেন ধ্বর্ষিত না হয়, একটি মানুষ ও যেন খুন না হয়, একটি মানুষ ও যেন প্রতারিত না হয়।
আর আমার দেশের সকল নেতা নেত্রিরা যা বলে তা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। জিনিষ পত্রের দামটা যেন সহণশীল থাকে। রাস্তায় যানযট যেন না থাকে। আইনের প্রয়োগ যেন সঠিক থাকে। মানুেষর মন যেন ফুেলর মত পবিত্র থাকে। দেশে যাতে অার কোন চোরাকারবারী না হয়, তাহলেই আমি সুখী হব।
আস্তে আস্তে তোমায় ভুলে যাব।
যতটা সুখ তুমি আমায় দিয়েছ, তাও মনে রাখব আমি। যতটা আদর্শ ছিল তোমার সেটা ও ধরে রাখব আমি কথা দিচ্ছি তোমায়।
জানিনা তোমর কাছে যখন এ চিঠিখানা পৌছবে তখন হয়তো আমি ও চলে যাব ২০১০ এর কাছে। ক্ষমা করে দিও আমায়।
ভালো থেক প্রিয়তম -২০০৯ইং
ইতি-
তোমারই ছেড়ে যাওয়া প্রিয়তমা
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



