ঝরা ফুলের আনন্দরে...
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:২৬
একটা মেডিকেল টিম এর সাথে বরগুনা গেলাম ক'দিন আগে।
আমাদের ক্যাম্পে আসা প্রায় সব শিশু তীব্র অপুষ্টির শিকার। চোখগুলো সাদা, শরীরে পানি জমে ফুলে ঢোল কিংবা শুকিয়ে প্যাকাটি।
বড়দের গ্যাস্ট্রিক এবং আলসার স্থায়ী সঙ্গী।
কিন্তু মায়েদের কথা বলতে চাচ্ছি। কোন কোন গাছ আছে না, ফুল ধরার সাথে ক্রমশ: গাছ শুকোতে থাকে... ফল পূর্ণ হলে একেবারে মরে যায়, গর্ভবতী কিংবা সদ্য মায়েদের দিকে তাকিয়ে সেরকম মনে হল। অনেকগুলো চোখ দেখলেই বুঝবেন চোখের মালিক এই জগতে আর বাস করছে না।
এদের আনন্দকে কোন ফল প্রাণে ধরবে তা বিধাতাই জানেন।
প্রথম দিন ৬ ঘন্টা পর অসুধ শেষ হওয়ার পর কি মিথ্যা প্রতারণা করে আমরা পালিয়ে এসেছিলাম, তা বিধাতাই জানেন।
খোদা, মানুষের এই প্রাণের কোন বিনিময় দিও।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রিলিফ ওয়র্ক ;
খারেজি বলেছেন:
কিছুই করতে পারছি না।আমার সহজ বুদ্ধিতে এটা আসে যে উপদ্রুত এলকার ডাক্তারদের বাধ্যতামূলক সপ্তাহে একদিন মেডিকেল ক্যাম্প করা বাধ্যতামূলক করা উচিত।
আর, আপনি কি মনে করেন না, সরকার যদি আহবান করে যে তারা সকল প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করবে, অন্য এলাকার ডাক্তাররা মাসে তিনদিন প্রয়োজনীয় সেবা দেবেন... কসাই সম্প্রদায়ের মাঝেও বহুজনকে পাওয়া যেত যারা এই কাজে যেতেন।
আমি যে ডাক্তারের পথপ্রদর্শক হিসেবে গিয়েছিলাম, তিনি প্রায় নিজের উদ্যেগে পুরোটা ওষুধ যোগাড় করেছিলেন, পথ খরচটা আমরা ভাগাভাগি করেছিলাম।
কানা বাবা বলেছেন:
ডাক্তাররা ফকিন্নিগোরে মাগনা সেবা দ্যাওনের লিগ্যা টাহা-পুইসা খর্চা কইরা ন্যাকাপরা শিকচে নিহি?
তাছাড়া সুমাজের অন্যইন্যরার চায়া হ্যারার ইজ্জতও তো ম্যালা বেশী; অপুষ্টির শিকার প্যাকাটিপানা আমপাব্লিকের হাত ধইরা নাড়ি দ্যাখলে হেই বাড়তি ইজ্জত কি ফর্দাফাই অয়া যাইবো না?
মানী লুকেরে মান দিয়া কতা কওন আগে হিকেন মিয়া; পরে এইসব আগডুম-বাগডুম প্যাঁচাল পাইরেন...
তয় আফনে যে কইছেন "কসাই সম্প্রদায়ের মাঝেও বহুজনকে পাওয়া যেত যারা এই কাজে যেতেন।"; এইডা হাচা কতা।
কারন কসাইরা " .... ...."(জঘন্য গাইল, ল্যাকতে ঘিন্না লাগলো; নিজ দায়িত্বে বুইজ্যা লন) অইবার পারে; মহামান্য ডাক্তারগণেরা তো আর হেই চিজ না...

















