পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা...

২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

পুরান আর রূপকথার মাঝে পার্থক্য কী? একটা বড় পার্থক্য রূপকথা অপেক্ষাকৃত ব্যক্তিগত, এর নায়করা ধর্মীয় বা অন্যকোন মর্যাদা দাবি করে না। পুরানের নায়করা কিন্তু তুলনামূলকভাব জনগোষ্ঠীর মহানায়ক, অতিরথী! তারা জনগোষ্ঠীর সকলের তরফে কোন একটা যৌথদায়িত্ব পালন করেন। কোন একটা রোমাঞ্চের আহবান তাদের কাছে আসে, তারা সাড়া দেন, অভিযানে নামেন এবং বিজয়ী রূপে ফেরত আসেন। তারপর থেকে সেই সমাজে আমূল একটা বদল আসে, বলা যেতে পারে একটা প্যারাডাইম শিফট ঘটে যায়। তাদের বেদনা বা অর্জন সকলের সামগ্রিক বেদনার ভাষাকে মূর্ত করে, সকলের অর্জনের খাতায় তা যুক্ত হয়। রূপকথায় তাই যেমন থাকে ব্যক্তিগতভাবে সকলের বিকাশের কাহিনী, পুরানে থাকে জনগোষ্ঠীর যৌথ বিকাশের জমাটবাধা অভিজ্ঞতা।

মহাভারত কিংবা কিতাবুল মুকাদ্দিস বলে পরিচিত ইহুদি জাতির গল্পগাথা তো রূপক, প্রতীক আর অতিরঞ্জণের চাদরে মোড়ানো দুটো আদিম গোত্রবদ্ধ জনগোষ্ঠীর কুয়াশামোড়ানো ইতিহাসই বটে। কি আছে সেই কিতাবে? পশু, নারী, খাদ্য, জমি আর নিরপত্তার মত অতি লৌকিক অথচ অনিশ্চিত কতগুলো তুচ্ছ নৈমত্তিক দাবি দাওয়া ছাড়া আর কি; আর সব গোত্রই যেমন নিজেদের স্থাপন করত দুনিয়ার কেন্দ্রে, তারাই একমাত্র বাছাইকৃত জাতি, এরাও তা থেকে আলাদা হবে কেন?
ব্যক্তিগত না বলেই পুরানের ভাবনাগুলো আরও গভীর, আরও প্রত্যক্ষ। তার বোধগুলো আমাদের চেতনায় এমন ভাবে মিশে আছে যে তার উদ্ঘাটনে সর্বদা আধা-ভূতুড়ে মনোবিশ্লেষণবিদ্যার হাতুড়ি না ঠুকলেও চলে। এদের মাঝে সবচে' মর্মস্পর্শী হল সেই রূপকথাগুলো যার হাহাকার চিরকালের মানবীয় সীমাবদ্ধতা। যেমন গিলগামেশ এর কাহিনী।
অমরত্বের সন্ধানে গিলগামেশের অভিযানের কথা তো সকলেই জানেন। কিন্তু এই কাহিনীর-ই আর একটা অংশ হল এনকিডু (এনকিড়ু, এনকেদু)। ছিল সে বর্বর বুনো, বনের পশুদের সাথে ছিল তার মিতালী, নাগরিক হয়ে তার মর্মস্পর্শী অভিশপ্ত মৃত্যু। বনের পশুদের বাচাতে প্রায়ই সে শিকারীদের ফাদ ছিড়ে ফেলত, আর কোন শিকারীর সাহস হয় তার সাথে লড়ার। নালিশ গেল গিলগামেশের কাছে, গিলগামেশের ফন্দি মত এই দানবকে বশ করার জন্য পাঠান হল মন্দিরবেশ্যা শামহাত-কে। (ভারতীয় একটি গল্পেও পাওয়া যাবে ঋষি একশৃঙ্গী-কে বশ করার জন্য পাঠানো হচ্ছে এক নগরবেশ্যাকে। বুদ্ধদেব বসু এ নিয়ে একটা অসাধারণ নাটক লিখেছিলেন, তপস্বী ও তরঙ্গীনি নামে)। যৌনতা আর প্রেমের দেবী ইশথার এর পুজারী শামাহাত বুনো এনকিডুর মাঝে জাগিয়ে তুলল কাম। তারপর তাকে পোষমানিয়ে নিয়ে এল ইরেক নগরে। সেই এনকিডু যখন ঐশী অভিশাপে মৃত্যুপথযাত্রী, তখন সে ঠিক বিলাপ করছে কেন তাকে সবুজ সেই প্রান্তর ছেড়ে আসতে হল, সেই বেশ্যা শামাহত তো তার এই কলঙ্কজনক মৃত্যুর জন্য দায়ী। দেবতারা তার উত্তর দিলেন, এই যে নগরের জীবন, পোষাক, পানীয় আর সন্মান তুমি পেয়েছো, তা তো ঐ শামাহাতের কল্যাণেই!
এনকিডু আসলে প্রাককৃষি জনগোষ্ঠীর প্রতীক, মেসোপটেমীয় নগর সভ্যতার স্পর্শে এসে যে হারিয়েছিল তার সহজাত বৈশিষ্ট্যাবলি।যা হারিয়েছো তা-ই কি ছিল ভাল, না যা পেলো-- এই দোটানা তবে তো নতুন কিছু নয়! নগর-সভ্যতা নিয়ে এরকম আরও বহু চকিত সমালোচনা পাওয়া যাবে আরও বহু জাতির কাহিনীতে। যেমন এটা নিয়েছি হেরোডোটাস এর গ্রন্থটি থেকে। বীর নগরী স্পার্টায় প্রচলিত একটি কিংবদন্তীর কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন তার এই অমর গ্রন্থে।একদা পরপর অনেকগুলো যুদ্ধে সুবিধা না করতে পেরে তার দৈববাণী চেয়ে পাঠায়। বাণী পাওয়া গেল, এক পূর্বপুরুষ বীরের দেহ খুজে আনতে হবে আরেক নগর থেকে, সুত্র হিসেবে বলা আছে অমঙ্গলজনক একটা কিছুর নিচে আছে তা। নজি নগরের মঙ্গলের জন্য একজন দায়িত্ব নিয়ে যায় ঐ নগরী। হঠাত করেই তার চোখে পড়ে কামারশালা, হাপড়ের সাহায্যে লোহার জিনিসিপত্র বানাচ্ছে কামার। তার হঠাত করেই মনে হয়, লোহার আবিষ্কারের চেয়ে অমঙ্গলকর আর কি আছে! ভাবতেই সে বুঝে যায়, বীরের দেহটাকে কোথায় খুজতে হবে।

এখানে গল্পের মাঝে একটা যৌথউপলদ্ধিই আসলে বলা আছে। লোহার প্রবর্তন অন্যান্য সকল অঞ্চলের মতই গ্রিসেও যুদ্ধকে অনেক সহজসাধ্য করে তোলে, ক্ষয়ক্ষতি আর সহিংসতায় লিপ্ততার মাত্রা বেড়ে যায় বহুগুন। তাই কামারশালা সঙ্গতকারণেই সেই অমঙ্গলের প্রতীক।
মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী অনুদিত বুখারী শরীফ পড়তে গিয়ে এমনই আরও একটা অদ্ভুত পুরান কাহিনী পাওয়া গেল: পচনশীলতার উতপত্তি কিভাবে? কোন বস্তু কেন পচে যায়? একসময় পৃথিবীতে কোনকিছুই পচত না, এবং পচনের গুনটি পৃথিবীতে আনার জন্যও দায়ী সেই ইহুদীরাই! ইহুদীরা মুসার সাথে ঈশ্বর প্রতিশ্রুত ভূমির খোজে মিশর থেকে বেড়িয়ে এসে ৪০ বছর মরুভূমিতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল (পড়ুন দখল করার মত একটা দুর্বল জাতি খুজে বেড়াচ্ছিল), আল্লা তাদেরকে সেই অনুর্বর মরুভূমিতে খাওয়ার জন্য দিলেন মান্না আর সালওয়া।

এগুলো ইসরায়েলের সন্তানদের ওপর অঝোর ধারায় ঝরত। খাবার দু’টি আদৌ কি তা নিয়ে তর্ক আছে, মোটামুটি মান্না হল কোন একটা সব্জি বা দানাদার শস্য আর সালওয়া হল কোয়েল জাতীয় একটি পাখি। ইহুদীরা মুসার কাছে এই একঘেয়ে খাবার নিয়ে ক্রমাগত ঘ্যানঘ্যান করে যেতে থাকল আর অনুযোগ করল মিশরে তারা কত আনন্দে ছিল। তারপর তারা আরও একটা গুরুতর অন্যায় করল: খাদ্য মজুদ করাটা তাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল। প্রতিদিনের খাবার প্রতিদিন সংগ্রহ করতে হত। কেবলমাত্র পবিত্র ছুটির দিবসের জন্যই খাবার আগেরদিন জোগাড় করে রাখা যেত।
নির্বোধ ও লোভী ইহুদীরা কিন্তু আল্লার ওপর ভরসা না রেখে মান্না আর সালওয়া মজুদ করা শুরু করল। মজুদের ধরনটা স্মরণ নেই, যাহোক আল্লা তখন তাদের শাস্তি দেবার জন্য খাদ্যবস্তুর পচনের গুনটি পৃথিবীতে পাঠালেন। সেই থেকে দুনিয়ায় কোন বস্তুর পচন শুরু হল, এর আগে কোন বস্তু পচত না।
এখানে দুটো দেখবার মত বিষয়: বাইবেলে শুধু নিষেধের কাহিনীটা আছে। সেখানে এর উদ্দেশ্য হল বিশ্রামবার এর প্রথাটা যে বহু প্রাচীন কাল থেকে চালু আছে, তা প্রতিপাদন করা। সেজন্য ইসরায়েলে তারা স্থায়ী হবার পরেকার সময়ের ঘটনা হলেও আগেকার কাহিনী হিসেবে এটা চালিয়ে দেয়া হয়েছে। এই হল প্রথম শিক্ষা: কোন কিছুকে সহজে মানাতে চাইলে পূর্বপুরষ ধরে যে তা চলে আসছে, তেমন কোন গল্প উদ্ভাবন করা।
কিন্তু পচনশীলতার গুনের সাথে এই গল্পের কোন যোগ কিতাবুল মুকাদ্দিস ঘেটেও যখন পেলাম না, একটু সন্দ জন্মাল মনে। কাহিনীটা তো থাকা উচিত ছিল। তারপর এক্সোডাস কিতাব খানার একটা মূল্যবান টীকাভাষ্য সস্তায় পেলাম নীলক্ষেতের সৌজন্যে। ওমা, সেখানেও নেই। তাহলে এই পচনকাহিনী আরও পরের আবিষ্কার!
ইসরায়েলের দখল নেবার বহুদিন পর ইহুদীরা ধীরে ধীরে নগর সভ্যতা গড়ে তুলেছে, তাদের নিজেদের মাঝে ধনববৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জমির মালিকানা আদিতে ছিল পবিত্র এবং প্রত্যেকের জমির পরিমান ছিল প্রায় সমান, এমনকি ঋণের দায়ে কেড়ে নেয়া জমিও একটা নির্দিষ্ট সময় পরে প্রথাগত মালিকের কাছে চলে যেত। ফলে মজুদদারী বা মুনাফাখোরী বলেও কিছু প্রায় ছিল না, বাণিজ্য নিজেই ছিল অপরিচিত। সুদ ছিল কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। মুদ্রার ব্যবহার বলেও কিছু ছিল না। কালক্রমে অল্পকিছু লোক পরাক্রমশালী হয়ে ওঠে এবং আদিম এই সকল অধিকার ভূলুণ্ঠিত হয়। এবার কিন্তু মজুদদারী লাভজনক হয়ে ওঠে, কেননা জমি নেই এমন বহু মানুষ সমাজে আছে। এরা শস্য ক্রয় করতে বাধ্য।
এভাবেই বহু পরে তৈরি হল ঐ একই গল্পের দ্বিতীয় তাৎপর্য নির্মাণ। হারানো এক অতীতের স্মৃতিকল্পনায় এই কাহিনীটি আবিষ্কৃত হল, যখন কেউ মজুদ করত না, খাবার অপচয়ও হতো না, আর ঈশ্বর সেগুলো পচাতেনও না। ইহুদীদের পুরনো কিতাবের কাহিনীতে তাই পচনশীলতার কারণটি নেই, কারণ সেটি তৈরি হয়েছে ইসরায়েল দেশটির জন্মের শুরুতে। দ্বিতীয়টি হলো প্রথমটিরই উপকাহিনী, যেটি ইহুদী ও অইহুদী সকল আরবের মাঝে প্রচলিত ছিল। সেই উত্তরাধিকারেই তা মুসলমানদেরও সম্পত্তি হয়েছে।
এই কিংবদন্তীটার বিশেষণ­ খুবই কৌতুলহলোদ্দীপক হতে পারে। এটাকে অর্থনীতির ভাষায় বলা যায় ব্যবহার মূল্যের (যখন তা কেবল সমান সময়ের শ্রমে অর্জিত পণ্যের বিনিময়ে প্রাপ্য, ইউজ ভ্যালু) বিনিময় মূল্যে রুপান্তরের (যখন তা বিনিময় হয় বাড়তি মুনাফায়, এই মুনাফা একের বাড়তি ভোগে যায় কিংবা নতুন পুঁজি গঠন করে এবং অপরের ভোগের পরিমান কমিয়ে দেয় এবং তাকে দরিদ্রতর করে) ধারণার একটি রূপক-উপলদ্ধি। এবং (আমার বিবেচনায়) এটি একটি তুমুল অসাধারণ কাহিনী, রাজনৈতিক-অর্থশাস্ত্রের একটা সারশিক্ষা ঘুঁটে দেয়া আছে এই আপাত নিরীহ গল্পে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের হতাশা, ক্ষোভ ও ঐশী হস্তক্ষেপের ওপর ভরসা এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। আর চাপা শ্লেষও কি নেই কিছুটা!
পুরান কাহিনীতে এই অতীতের স্বর্গপ্রায় জীবন বারবার এসেছে নানান রুপে। ভারতে সত্য যুগ কিংবা গ্রিক পুরানের স্বর্ণমানবদের যুগ সেই ফেলে আসা গোত্রীয় মৈত্রীর কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই গোত্রসমাজ ভাঙার পর বর্তমানে সর্বদাই চলে আসছে কলি যুগ, দ্বাপর বা ত্রেতার ধারণাটা আসলে ক্রমঅবক্ষয়ের। গ্রিসেও তাই, স্বর্ণ মানবদের পর তামা ও পেতল পার হয়ে এখন লোহার যুগ চলছে... চলছে তো চলছেই।

রূপকথায় সমাজের পরিবর্তন কিভাবে লিপিবদ্ধ থাকে তার আরেকটি নজির সেই মুচি বুড়ো ও সাত বামনের কাহিনী। এর আরও ক’টি সংস্করণ পাওয়া যায়, একটিতে বামনের বদলে আসে পরী। কিন্তু বামন বা পরী যাই হোক, মূলভাবের তাতে বদল হয় না। এমন একটা রূপকথা না শুনিয়ে যাই কি করে, সংক্ষেপেই বলি:
বুড়ো মুচি দারুন জুতো বানাত। হপ্তায় কয়েক জোড়া মোটে। দারুণ যতœ করে তার বানানো জুতোগুলো এত টেকসই হতো যে এগুলোর কদর ছিল অনেক। হঠাতই এক বনিক কোত্থেকে এসে হাজির হল, তার পসরা সাজানো রঙবেরঙের সস্তা বাহারী জুতো। লোকে হুড়মুড় করে তার জুতো কিনতে থাকল, ওদিকে মুচির না খেয়ে মরার দশা। তারপর মুচি একদিন আবিষ্কার করে কে যেন তার জন্য জুতো বানিয়ে রেখে যায়, তার নির্মাণশৈলীও দারুণ। সেই অদৃশ্য হাতে-বানানো জুতো দ্রুতই বিক্রিও হয়ে যায় অনেকগুন বেশি দামে। লুকিয়ে মুচি দেখে জুতো বানিয়ে দিয়েছে জনা কয়েক বামন!
তাদের কথা বার্তা শুনে বোঝা গেল বামনরা চাচ্ছে মুচির জুতো বিক্রি হোক, কেননা তাতে ঐ বনিক পথে বসবে আর তাদের সাথীদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। মুচি তাদের জন্য লুকিয়ে কিছু মাপমতো পোষাক রেখে যায়।
পরের ঘটনা ঘটে খুব ঝটপট। বামনদের সহায়তায় বানান মুচির জুতোগুলো লোকে আবার কেনা শুরু করে, ওদিকে বণিকের সস্তা জুতো তো বিক্রি হয়ই না, বরং মানুষজন তাকে তাড়া করে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়া জুতোর ক্ষতিপূরনের জন্য। বামন কারিগররা মুক্ত হয়। সবাই আবার সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে থাকে।
মধ্যযুগের ইউরোপের অর্থনৈতিক-ইতিহাস জানা থাকলে আর নজরটা একটু সতর্ক হলেই এই গল্পের বেদনাটা ঝা করে বুকে এসে লাগবে। আর তখন জানা যাবে এই গল্পেরও মাঝে আছে এক শ্রেণীগত ইচ্ছাপূরণের-গল্প, কোনদিন যা আর পূরণ হবার নয়।
মধ্যযুগের মাঝামাঝি সময়েই সামন্ত ইউরোপের আটসাট বাধন আলগা হতে থাকে। কোন পেশাই আর আর গিল্ডভুক্ত কারিগরদের একচেটিয়া অধিকারে রইল না। ক্রেতাও আর আগের মত নিজ গায়ের বা পাড়ার লোক আর নয় শুধু। নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে এল সস্তা রঙবাহারী এবং নাজুক পণ্যের জোয়ার। পুরনো ওস্তাদ কারিগরদের পেটে টান পড়ল। তাইতো আমাদের বুড়ো মুচির জুতো আর বিক্রি হয় না, যদিও জুতো বানায় সে নিজ হাতে আর তা টেকসইও হয় খুবই। বণিকটা হলো নতুন ম্যানুফাকচারারদের প্রতিনিধি, নিজে সে কিছুই উৎপাদন করে না। কিন্তু অগুনিত বামনকে জোর করে বেধে রেখে সে সস্তায় পণ্য তৈরি করে, তারপর তা বেচে মানুষের কাছে।
কিন্তু যাদেরকে বেধে রেখেছে, তারা বামন কেন! প্রশ্নটা মাথায় যদি কুড়মুড় করতেই থাকে, তাকাও না কেন নিত্য তোমার পাশ দিয়ে শশব্যাস্তে গার্মেন্টসে হেঁটে যাওয়া পাণ্ডুর মুখগুলোর দিকে, জবাব আপনাতেই মিলবে। গিল্ডগুলোতে কারিগর আর তাদের শিক্ষানবীশরা ছিল একই কাতারের, কষ্ট করে কাজ শিখলে সব শিক্ষানবীশেরই একদিন ওস্তাদ কারিগর হবার আশা ছিল। যন্ত্রপাতিও লাগত যৎসামান্য। তারা খেত-পড়ত প্রায় একই মানের। গিল্ডগুলো নিজেদের ভেতর প্রায় সাম্যবাদ চর্চা করত, সে কারণেই ভারতে এই পেশাজীবীদের মাঝে ধর্মের অপেক্ষাকৃত সাম্যবাদী ব্যাখাগুলোই বেশি জনপ্রিয় ছিল, য়ুরোপেও তাই। কিন্তু এই নতুন বনিকযুগে কারখানার উৎপাদনের উপায়ের মালিক সকলেই হতে পারত না, তার জন্য চাই বিপুল পুঁজি। আর সস্তা পণ্যের কারণে কৃষি ও গিল্ড থেকে উচ্ছেদ হওয়া চাষা ও কারিগরদের কেউ কেউ সেই কারখানাতেই পেটে-ভাতে কাজ শুরু করল। জুতো, কাপড়, লোহা বা রুটি বানানোতে পারিবারিক ওস্তাদিরও আর দরকার নেই কারখানায় তেমন, এখন কাজ হবে যান্ত্রিক একঘেয়েমীতে। লন্ডন, লিভারপুল, মার্সেই এর মত ব্যস্ত শিল্প-নগরীগুলো গড়ে উঠবার এই হলো আদি ইতিহাস।
কিন্তু গল্পটা ইচ্ছা পূরনের গল্প কেন?
কেননা, মানসম্পন্ন পণ্যের যুগ বাতিল হয়েছে। বাজারের প্রধান অংশই এখন থেকে নিয়ন্ত্রণ করবে কারখানায় লাখে লাখে কোটিতে কোটিতে বানান একই রঙের, একই ছাপের একই নক্শার পণ্য। চাষার বানানো মদিরার বদলে এবার এল বিয়ার আর সস্তা অ্যালকোহল, এখন যেমন সুতোকে হটিয়ে দেয় সিনথেটিক। কাজেই বামনদের মুক্ত করে দিয়ে পুরনো কারিগরদের সুদিন আর ফেরত আনা যাবে না, রূপকথার যুগ তাই আসলেই অপসৃত হয়েছে। এখন এসেছে পাভেল করচাগিনের যুগ, খোদ কারখানাটাকেই দখল করে যে বামনদের দেবতার আসনে বসাতে চায়, কারখানাতেই স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
ইতিহাস লেখার চল অনেক নতুন, কিন্তু পুরান আর রূপকথার মাঝেই প্রাচীন দুনিয়ার ইতিহাসের চাবিকাঠি আছে। যেমন মহাভারত বা রামায়ন। এই অতিরঞ্জিত পুরান কাহিনী খুড়ে খুড়েই প্রাচীন ভারতের যা কিছু ইতিহাস নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। মহাভারতের খাণ্ডব দাহন কাহিনীটাই দেখুন, অগ্নির ক্ষুধা মেটাবার জন্য খাণ্ডবারণ্য পুড়ে ফেলল পাঁচপাণ্ডব মিলে। রোমিলা থাপারের হিস্ট্রি এন্ড বিয়ন্ড (মাস্টারপিস, মাস্টরিড) সংকলনটাতে দেখলাম ওটা আসলে মহাঅরণ্য পুড়িয়ে একটা এলাকাকে চাষের আওতায় নিয়ে আসার কাহিনী! কিন্তু এমন সব কিছু শেষমেষ ঠাঁই পেয়েছে মহাভারতের পাঁচনায়কের কীর্তি হিসেবে।
একই রকম কাহিনী আমাদের বাংলায়ও আছে, কালকেতু ও ফুল্লরার উপাখ্যান, শুধু তফাত এই যে এর ব্যাখা জানার জন্য রিচার্ড এম ইটন এর আগমন পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষায় থাকতে হল। বাংলায় তুলনামূলকভাবে আর্দ্র এলাকা বলে এখানে পুড়িয়ে জঙ্গর সাফ করা যায় না, তাই কালকেতু জঙ্গল কেটে সাফ করে। মোঘল আমলের একটু আগে আগে বাংলা এলাকায় যে প্রাচীন অরণ্যানী বিনাশ করে কৃষিভূমি লাঙলের ফলার নিচে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তারই রূপক ওই কালকেতু ফুল্লরার উপাখ্যান।

শেষে দুটো আধুনিক পুরান নিয়ে বলি, প্রথমটা সালমান রুশদীর হারুন অ্যান্ড দ্যা সি অব স্টোরিজ (এই দুর্দান্ত বইটা চুরি গেছে!)। হারুণ এক কিশোর, বাপ তার রশিদ খলিফা। রশিদকে বন্ধুরা বলে ওশেন অব নোশনস (ভাবের সাগর হবে কি!), শত্র“রা বলে শাহ্ অব্ ব্লা (বায়োজিদ... কর্তৃক উপন্যাসটির বাংলা অনুবাদের নামকরণ করা হয়েছে গুলোর বাদশা নামে, শাহ্ অব ব্লার ভাবটা এতে এসেছে বটে)! বুঝতেই পারছেন রশিদ কথার রাজা সে গল্প বেচে খায়। পলিটিশিয়ানদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না, কিন্তু তারা সর্বদা দাবি করে সত্যি বলছে বলে। ওদিকে রশিদ কিন্তু আগেভাগেই বলে নেয় সে যা বলছে, তা গোটাটাই আকাশকুসুম। আশ্চর্য, লোকে তার কথাই শুনতে চায়।
কিন্তু গল্প বলে লাভ কি? যে গল্প সত্যি না, সেই গল্প কেন শুনব? রশিদের বৌকে এই নিত্যদিন করে চলে এক ব্যাংকার। বৌ ভেগে যায় একদিন। সেই দিন থেকে
তাইতো ক্ষমতাধর রাজনীতিবিদরা রশিদকে ভাড়া করে নির্বাচনের আগে... পাবলিককে জনসভায় মজা দেবার জন্য। ভারতের নির্বাচন নিয়ে রুশদীর মত এত কঠিন ঠাট্টা বোধ হয় আর কেউ করেনি (সঞ্জয় গান্ধীর আমলের জোরপূর্বক ভ্যাসেকটমিকরণের পর্ব নিয়েও তার আরেকটা অবিস্মরণীয় গল্প আছে)। সেইরকম একবার কাশ্মীরের একনেতা তাকে ভাড়া করে। আর সেখানেই বোঝা যায় রশিদ খলিফা তার গল্প বলার ক্ষমতা হারিয়েছে।
পরের কাহিনী এক রীতিমত রোমাঞ্চকর। রাতের বেলা হারুণ এক ওয়াটরজিনি (জলদেও!) কে ধরে ফেলে, যে এসেছে তার বাবার গল্প বলার ক্ষমতা কেড়ে নিতে। তার বাবা নাকি আগে কাহিনী নামের যে গ্রহ থেকে গল্পের সরবরাহ আসে, তার আর গ্রাহক নেই (ইঙ্গিতটা রশিদের স্ত্রীবিচ্ছেদজনিত গল্পবলার অক্ষমতায় রশিদের বাপকে নিয়ে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হবার )! হারুণ জোড় দিয়ে সেই জলদেও কে জানায় যে, কোন একটা ভুল হচ্ছে। তারপর তারা পৌছে যায় সেই গ্রহে, সেখান থেকে পৃথিবীতে গল্পের সরবরাহ হয়। এই প্রক্রিয়াটা "টু কমপ্লিকেটেড টু এক্সপ্লেইন" যে এমনিতেই বুঝে নিতে হয়।
কিন্তু সেখানে তখন তুমুল যুদ্ধপ্রস্তুতি চলছে। সেই গ্রহে দুটো নগর, গাপসিটি আর চুপসিটি। চুপসিটির প্রধানের নাম খতমশুদ, তার উপাস্য বেজবান। কথা বলা সেখানে বারণ, হাসা তো নিষিদ্ধ। গল্প বলার প্রশ্নই আসে না। তাদের সেনারা হিংস্ত্র। তাদের দিনভর একমাত্র কাজ প্রশিক্ষণ। কেবলমাত্র ইশারায় তারা কথা বলে। তাদের মাঝে যারা উচ্চমার্গে পৌছে গেছে, তারা তো দেহ থেকে ছায়াকে পৃথক করে ফেলেছে!
আর গাপসিটির লোকেরা সারাদিন হৈহল্লায় ব্যস্ত। তাদের সেনাপতির নাম জেনারেল কিতাব! রাজকুমারীর নাম বাতচিত, আর তার বিয়ে হবে রাজকুমার বোলো’র সাথে। কিন্তু বাতচিতকে ধরে নিয়ে যায় চুপসিটির সীমান্তরক্ষীরা। শুধু কি তাই, সর্বগ্রাসী এক যুদ্ধে নেমেছে চুপসিটি গাপসিটির বিরুদ্ধে। তারা গল্পের দরিয়াকে দূষিত করে দিচ্ছে, সেখানে ছেড়ে দিচ্ছে অ্যান্টিগল্প। এমনকি গল্পেরমহাসাগরের যেখানটাতে রূপকথা গল্পগলো জমাটবাধা আছে, সেগুলোকেও নষ্ট করে ফেলা শুরু করেছে।
পারবে কি গাপসিটি চুপ সিটির সাথে? সবারই তাই ভয়। এই হল্লাবাজ সিভিলিয়ানরা কি করে পারবে সুদক্ষ প্রশিক্ষিত চুপবাহিনীর সাথে? পৃষ্ঠা, অক্ষর আর শব্দ যাদের সৈনিক। কিন্তু কাজের বেলায় দেখা গেল সেই শৃঙ্খলাপরায়ন বেজবান-বাহিনী নতুন কোন সমস্যায় পড়লেই আর সমাধা করতে পারে না, অথচ গাপসিটির বৈচিত্রপূর্ণ মানুষেরা দ্রুতই নতুন নতুন সব সমস্যার ঝটপট সমাধান করে ফেললো।

কাহিনীটার কথা বাড়তি মনে পড়লো এইদফা ব্লগে এসে সম্ভবত দূরের পাখির পোস্টে এক ব্লগারের ’অন্ধকারের টর্চ’ কেন বানানো যাবে না, এমন একটা আজব প্রশ্ন পড়ে। চুপসিটি আর গাপসিটির গল্পে আসলেই আছে: চুপসিটির লোকেরা অন্ধকারের জীব, তারা অন্ধকারের টর্চই ব্যবহার করে। গাপসিটির লোকেরা আর কি করে: তারা অন্ধকারের বিপরীতে আলোর মশালই ছুড়ে মারে... আলোতে ছায়ার মত অদৃশ্য হয়ে যায় বেজবানের চ্যালারা।
হারুণ অ্যান্ড দা সি অব স্টোরিজ যেন ঠিক আমাদের সময়ে তৈরি হওয়া পূরান, মানে যে কায়দায় পুরান নির্মিত হয়, তাই এখানে অনুসরণ করা হয়েছে। কার্টুনচরিত্র, বাস্তব নায়ক আর প্রতিনায়ক, বিজ্ঞান আর প্রতিবিজ্ঞান, ভাবসমাহার সবকিছু মিলিয়েই তার মাঝে পূরানতুল্য একটা মহত্ব আছে।

আর শেষটা করি আরেকটা প্রিয় রূপকথার বই দিয়ে, ম্যালাকাইটের ঝাঁপি। উরাল অঞ্চলের দামি পাথড়ের লোভে সেখানকার আদিবাসীদের হটিয়ে রুশ জারেরা দখল করে এলাকাটা। এবার জমি পত্তন দেয়া হল, অভিজাতেরা একেকটা খনি কিনে নিলেন। সেখানে এবার সারা রুশভূমি থেকে ভূমিদাসদের জোর করে ধরে এনে ম্যালাকাইটসহ আরো সব দামী পাথর উত্তোলনের কাজে লাগান হল। মাত্র কিছুদিন আগে হয়তো যে ছিল চাষা, আজ সে খনিশ্রমিক! খনিশ্রমিকেরা বেশি দিন বাঁচে না, হাড়ভাঙা পরিশ্রমে তাদের যৌবন ফুরোয় অচিরেই। আর আছে ভূমিধ্বস। বাড়তি আছে তদারকারীদের চাবুক, শাস্তি, গুম হয়ে যাওয়া। খনি শ্রমিকদের মাঝে যারা ভাগ্যবান, তাদের কেউ কেউ শিল্পীর কাজ পায়, নানান রকম সুক্ষ নক্শা তারা আঁকে পাথরের নানান জিনিসপত্রের ওপর। তারা সন্মান একটু পেলেও জমিদার-বনিকেরাই মুনাফার পুরোটা নিয়ে নেয়। তাই এমনকি এত দারুন শিল্পকর্ম করেও অভাব তাদের আর ঘোচে না। এইসব দুঃখী, দুঃসাহসী, বেপরোয়া, উদাসী অথচ গভীর শিল্পীমনের সৃিষ্ট হল ম্যালাকাইটের ঝাঁপির রূপকথাগুলো। কাজেই এর তুলনা মিলবে, এমন রূপকথা আর থাকতেই পারে না!

ম্যালাকাইটের ঝাঁপির সবচে' মজার চরিত্র হল তামাপাহাড়ের ঠাকুরন। এইদেবী কখনো রাশভারি বিচারক, কখনো কিশোরী-প্রেমিকা, কখনো মানবীরপ্রতি ঈর্ষাকাতর, কখনো অকারণে ক্রুদ্ধ, সাধারণত চপলমতি। খনিমজুরদের কাউকে তার মনে ধরলে আর কথাই নেই,তাকে তার চাই-ই চাই। বিশেষকরে তার লোভ ভূমিদাসশিল্পীদের প্রতি, হুম, তাদের কেউ তার নজরে পড়লেই তাকে নিয়ে যাবে তার ম্যালাকাইটের জগতে, সেখানে তার নিজস্ব সবকিছু তৈরি করাবে এই শিল্পীকে দিয়ে। আর যতই এড়াতে চাও, তার পছন্দ হলে কিন্তু আর কোনই উপায় নেই (কে এড়াতে চায়!)। তবে সাধারণত তার রাগ জমিদার, তদারককারী আর তাদের চ্যালাপ্যালাদের প্রতি। তারই ক্রোধের ফলে কোন খনিতে হঠাতই পাথর পাওয়া বন্ধ হয়ে যায় কিংবা পানি উঠে পড়ে, ঝোপঝাড়ে পাওয়া যায় নিষ্ঠুর কর্মচারীর লাশ (মজুরদেরই কাজ কি?)।
ফলে নানান রহস্যসয় সব ঘটনা ঘটে সেই খনির জগতে। কোন গরিব খনিশ্রমিক হঠাতই গুপ্তধন পেয়ে বড়লোক হয়ে যায়, কিনে নেয় স্বাধীনতা। আরেকগল্পে একজন তার ভাইকে প্রতারিত করায় দেবী তাকে দেখা দেয় লালচুলের এক তরুণী আকারে। যাদের যাদের ছিল শিল্পীমন, তাদের প্রত্যেকেই কোন না কোন ঘোরে হারিয়ে যায় আজব এক উন্মার্গ নিয়ে... কাউকে কাউকে আবার ঘরের বৌয়ের প্রতি মায়া করে দেবি ফেরত দেন। কিন্তু শিল্পীর ঘোর যে আর কাটে না।
ম্যালাকাইটের দেবী সাধারণভাবে তার প্রজাদের প্রতি দয়ালু হলেও তার খাই বড় বেশী। মতিও বড় চঞ্চলা। ফলে, যে তার দেখা পায়নি, সে বড় অভাগা।
আর যে তার দেখা পেল, তার কপালেও সুখ বিশেষ একটা নাই।




সংশোধনী: সোহানা মাহবুব বুদ্ধদেব বসুর নাটকটির নাম সংক্রান্ত একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যভ্রান্তি ধরিয়ে দিয়েছেন, কৃতজ্ঞতা জানাই। তার কমেন্টটা এত দেরীতে চোখে পড়েছে বলেই ত্রুটি সংশোধনেও দেরী হল।



আগের অংশের জন্য দেখুন:
রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে
Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
খারেজি বলেছেন: দ্রষ্টব্য: রচনাটিতে মগ্নতার অভাব আছে। সম্ভাব্য একটি ভাল লেখার অপমৃত্যর জন্য ক্রুদ্ধ পাঠক সেজন্য অবশ্যই গাছে ঢিলছোড়ার অভ্যেস আছে, এমন চপলমতিদের পাওনা অভিশাপটা দিয়ে দেবেন।
২. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৬
লুথা বলেছেন: আপনার এই লিখাটা বেশি বেশি বড হয়ে ব্লগ মহাভারত হয়ে গেছে...
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: কাঁচিডা খুইজা পাইতাছি না...

২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া, ঘনাদা।

৪. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২২
মনজুরুল হক বলেছেন:

স্ক্রিনে এতবড় লেখা পড়া দুষ্কর। কেন এই শাস্তির বিধান ভ্রাত ?

এবার সিরিয়াস কথন:
আমার শিক্ষাগুরু বলতেন: যদি তুমি দার্শনিক হতে চাও, শিক্ষাকে ব্রত ভাবতে চাও, তাহলে বিস্তর পড়াশনো করো। আর যদি তুমি বিপ্লব করতে চাও, তাহলে সিলেক্টিভ কিছু পড়াশুনো করো, শ্রেণীর ভেতরে প্রবিষ্ট হও, শ্রেণীকে জানো, দ্বন্দ্বের বিকাশকে চেনো।
রাজ্যের বইপত্তর পড়ে জ্ঞানার্জনের শেষে দেখবে সময় শেষ!

সো, রিড রেডবুক এন্ড দ্যাট ইজ টু বি ডান।
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: হুম, হোয়াট ইজ টু বি ডান পড়ে আসলেই কাজ নাই।

৫. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

অট. এই ভোররাতে কোত্থেকে উদয় হলেন ? আমার তো যাবার সময় হলো............
কাজী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বর্ধমানীর গানের কথা মনে পড়ে গেল ;)
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: তাই তো! তবে উপায়!!

৬. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
-----------------------------------------------------------------------------
"হারুন অ্যান্ড দ্যা সি অব স্টোরিজ"--এর ব্যাখ্যাটা চমৎকার লাগলো। মনে পড়ে অনেক আগে এবিষয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম। তখন এতো বিশদ কিছু মাথায় আসে নাই।
------
তারপর বামনের গল্পটাও এবং সেই সূত্রধরে পূঁজিবাদের রেশ, খান্ডব দাহন, কালকেতু ও ফতুল্লা, ইহুদীদের নিয়ে গল্পটা সাথে টুকরো ইকোনমিক্স---
সব মিলে অনেক জানা গেল এক পঠনে।
------------------------------------------------------------------------------
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সুদীপ চৌধুরী।
ভাললাগলো আপনার কমেন্ট।

৭. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯
মাষ্টার_মশাই বলেছেন: পুরান আর রূপকথার মাঝে পার্থক্য কী?

একদম সিম্পল কয়েক"শ বছর পর আপনার পোস্টটি রূপকথার গল্প হয়ে যাবে;)

পোস্টে +
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাস্টার_মশাই।
আর্শীবাদ মাথায় পেতে নিলাম।

৮. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
কঁাকন বলেছেন: এই পর্বটা অনেক কঠিন লাগলো :(

জ্বরজ্বারি গেছে
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: একমত কাঁকন। এই পর্ব ঠিক জমে নাই।

জ্বরজ্বারি যায়-আসে, লাইফটা প্রায় গেছে।

৯. ২৬ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: খারেজী-জী, ঘোষনা দিয়া আপনার পাঙ্খা হইলাম ... সরাসরি প্রিয়তে

গোস্তাখী নিয়েননা, তবে এত চমৎকার এ্যানালইসিসটাকে পরে কখনও সময় হইলে আবর একটু রিভাইজ করে সামারাইজ কইরেন
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: জ্বিনজী, পট্টি দিয়েন না, জ্বরের ঘোরে আধা হুশে লেখছি।

এখন আবার পইড়া দেখি ফার্মান্টেশন হয় নাই ঠিক মতো।

২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, বাফড়া।
পোস্টবহির্ভূত কিছু উপকারের জন্য কৃতজ্ঞতা।

১১. ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:২২
পারভেজ বলেছেন: অসম্ভব সুখপাঠ্য। কোথাও কোথাও মনে হয়েছে লেখকের একটু তাড়া ছিল। আরেকটু জমিয়ে গল্প করা যেত।
আরো আসুক সামনে।
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ, ত্রুটির কারণটা কিছুটা বলা আছে প্রথম কমেন্টে।

১২. ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
তনুজা বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। প্রিয় পোস্টেও রাখলাম না সেটার কলেবর বৃদ্ধির ভয়ে --------কৃতজ্ঞতা


পুরোটা পড়লাম না একবারে, এমনকি অর্ধাংশ দুইবারে
দুটো জিজ্ঞাস্য--আপনি সুস্থ হয়ে রিপ্লাই করলেই হবে

১। রূপকথায় তাই যেমন থাকে ব্যক্তিগতভাবে সকলের বিকাশের কাহিনী, পুরানে থাকে জনগোষ্ঠীর যৌথ বিকাশের জমাটবাধা অভিজ্ঞতা ------একটা অভিনব কথা যা চেনা মনে হল কিন্তু আগে এভাবে খুজে দেখা হয়নি । প্রশ্নটা হল এটা কি লেখকের নিজস্ব উপলব্ধি না এরকম চিন্তার খোরাক পেয়েছেন অন্য লেখায়ও--মানে আমি আপনার অভিজ্ঞতাই জানতে চাইছি। আপনার অগোচরে অন্যত্র থাকলে সেটা বিষয় না । তবে কথাটা ইন্টারেসটিং হয়তো আরও কার্যকর ভাবে প্রকাশ করা যেত আরো যথাযথ শব্দ ব্যবহারে

২। কিতাবুল মুকাদ্দিস বলে পরিচিত ইহুদি জাতির গল্পগাথা ---কিতাবুল মুকাদ্দিস সম্পর্কে আরেকটু বলা যায়? এটা কি বই? রচনাকাল? মহাভারত কোন সময় কাল?


এবার দুটো শব্দের কথা বলছি, ১। অতিরথী --রথী/মহারথী শুনেছি --এটা কি নতুন প্রয়োগ না অনিচ্ছাকৃত

২। মহাভারত কিংবা কিতাবুল মুকাদ্দিস ---------আদিম গোত্রবদ্ধ জনগোষ্ঠীর --------আদিম না প্রাচীন --কোনটা বেশি উপযোগী?
একাডেমিক চোখে 'আদিম' বলতে কি কোন সময়কালের মধ্যে পড়ে যাই নাকি সাধারণ সাহিত্যভাষার মত সর্মাথক আদিম ও প্রাচীন


শুভকামনা , পরের অংশের কথা পরেই বলব
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: ১. ভাবনার শুরুটা হয়েছিল ইউনি থাকতে একটা বই পড়ে, জোসেফ ক্যাম্পবেল এর হিরো উইথ এ থাউজেন্ড ফেসেস। হয়তো কিছু নিজম্ব ঢঙে বাক্য বা শব্দ ব্যবহার করেছি, কিন্তু পুরান বা রূপকথার বিশ্লেষণে তার কাঠামোর বাইরে যাবার সাধ্য আমার নাই... ওনার পূর্ব/পরবতর্তীরা প্রায় সব রাস্তাই এক্সপ্লোর করে ফেলেছেন। বাকি আছে বড়জোড় জানা গল্পগুলোর ব্যাখ্যারকরণ। ঐ বাক্যটা সম্ভবত আমি ব্যবহার করেছি, কিন্তু সেটা পূর্বসুরীদের কাজকেই প্রকাশ করে।

আরো যথাযথ শব্দ ভাবতে আপত্তি নাই... সহায়তা করুন।

২. কিতাবুল মুকাদ্দিস বলতে ওল্ড টেস্টামেন্ট বুঝিয়েছি। বাযতুল মুকাদ্দিস নামে একটা মসজিদ আছে জেরুজালেমে। এখানকার গল্পগুলো হলো ইহুদীদের বিশ্ববীক্ষা, তাদের উতপত্তি, সৃষ্টির শুরু, আদম, হাওয়া, আদিপাপ, নুহের প্লাবন, ইব্রাহিম, মিশর দেশ থেকে ইহুদীদের নির্গমন... এই সব এর বিষয়। রচনাও বহু শতক ধরে, সম্ভবত খ্রিস্ট জন্মের সাত আটশ বছর আগে শুরু।

এটা তাদের ধর্মগ্রন্থ, খ্রিষ্টান এ মুসলমানরাও একে পবিত্র বলে মানে।

মহাভারত তো আর্যাবর্তে নগর সভ্যতা গড়ে ওঠার পর (খৃস্টীয় দশম শতাব্দী আগে বা কাছাকাছি সময়ে সম্ভবত) গোত্রগুলোর আন্তবিরোধ এর বিষয়। তবে খ্রিস্টিয় ২য় শতকেও এর পরিবর্তন হয়েছে, এমন ইঙ্গিত পরিষ্কার। মানে মহাভারত সত্যিঅর্থেই জমাটবাধা সংস্কৃতির স্মৃতি, নারীরা বহু পতি ধারণ করতো এমন প্রথা, অপহরণ করে অজর্ন (সুভদ্রা), থেকে শুরু করে মালিকানার বিকাশ ও রাষ্ট্র গঠন পর্ব পর্যন্ত বহু ধরনের সমাজব্যবস্থা তাই এতে ঠাই পেয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বারবার সংস্কার করে সামাজিক চাহিদাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে... ফলে এটা ভারতের্ ইতিহাস জানার অন্যতম চাবি হিসেবে কাজ করেছে। আর পঞ্চপাণ্ডব সম্ভবত পাচটি মিত্র গোত্র।


ক. অতিরথি শব্দটা মহাভারতেই আছে। মহারথিরও ওপরের ধাপ অতিরথী।

খ. আদিম বেশি উপযুক্ত। প্রাচীন সভ্যতাও থাকতে পারে। কিন্তু আদিম হলো উৎপাদন ব্যবস্থার ধরন। মানে আধুনিক কালেও কোন জাতি আদিম আহরণ জীবী থাকতে পারে।

কিতাবুল মুকাদ্দিসের বেলায় প্রয়োগটা তাই যথাযথ। কেননা মিশর থেকে বেরুবার পর তারা পশুপালকে পরিনত হল, কৃষিসভ্যতায় তারা আবার ফেরত গিয়েছে বহু পরে। মহাভারতের বেলায় প্রয়োগটা যথাযথ নয়। কারণ মহাভারত নগরসভ্যতার কাহিনী।

কিন্তু বেদের বেলায় এটা প্রযোজ্য, বেদ আদিম গোত্রবদ্ধ পশুপালক জীবনের স্মৃতি স্মরণ করায়া, ক্রমশ তাদের যুদ্ধ, অর্জন আর কৃষিসভ্যতায় বিকাশের নিয়মকানুন সুত্রবদ্ধ করে।


আপনার মত পাঠক পাওয়া ভাগ্যের কথা। পরের অংশটুকুও পাঠের সময় আপনার আশা করি হবে।

১৩. ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১১
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বিরাট লেখা
মনে হয় অনেক ভালো লেখছেন
বুকমার্ক করে রাখলাম
পরে নিবো!
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: মনে হয় না অনেক ভাল লেখা হৈছে।
এইট হৈলো 'কোন রকমে কুইতা কুইতা' লেখা।
তাও ভাল কইলে ভালই লাগে।
কমেন্ট জানায়ো, ভাই।

১৪. ২৬ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
শয়তান বলেছেন: ’অন্ধকারের টর্চ’ এর লিংকটা দেন । পড়বো ।
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: পুস্ট নিয়া কি কুন কতাই নাই, মহামান্য শয়তান?
দিবো না অন্ধকারের টর্চ এর লিংক।

(বেকুবির আর্কাইভের শেষে কাকন লিংকটা দিছিল... ওখানে কমেন্টে পাবেন টর্চের কথাটা। কষ্ট করেন)

১৫. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ম্যালাকাইটের ঝাঁপি দেইখ্যা ঢুকলাম, ছোডকালের ননিবাবু আর বাবাইয়াগাগো কথা মনে পড়লো। +
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস ম্যালাকাইটের ঝাঁপির কথা লিখছিলাম!

ননিবাবুর কাছে বাংলাঅনুবাদ সাহিত্যের অনেক ঋণ, কিন্তু উনি মৌলিক রচনা বন্ধ করে বাংলাভাষার কত ক্ষতি করেননি।

১৬. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
জাতেমাতাল বলেছেন: খারেজির পোষ্ট পড়ে মনে হলো, খারেজির একজন পেশাদার এডিটর প্রয়োজন।

পশ্চিমে ক্রিয়েটিভ লিখকদের সাহায্য করার জন্য এডিটরটা এগিয়ে আসেন। তারা ঠিক করে দেন--পুরা লিখাটার সাইজ (ভল্যুম) কেমন হবে, অধ্যায় গুলো কিভাবে বিভক্ত এবং সন্নিবেসিত হবে, কোন শিরোনাম-উপশিরোনাম থাকবে কিনা, ফন্ট সাইজ কেমন হবে, ছাপার কালির রঙ কি হবে...... ইত্যাদি বহুত কিছু।

এডিটরদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিত্তি হলো--কোন ধরনের পাঠককে উদ্দেশ্য করে রচনাটা লিখা, সামগ্রিক ভাবে কোন ধরনের বক্তব্যটা তুলে ধরতে চান লেখক, বিশেষ কোন প্রচলিত মতবাদকে দ্বন্ধে বা বিতর্কে আনতে চান কিনা, ইত্যাদি বহুত কিছু।

আমার ধারনা খারেজি বিষয়গুলো ভালই বোঝেন, এবং পেশাদার লেখক হওয়ার সময় এই পদ্ধতিগুলোই অনুসরন করবেন।


২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন:
কথাটা মাতাল ভাই ঠিকই তুলছেন।
তবে খারেজি পশ্চিমের ক্রিযেটিভ রাইটার হৈতে চায় না।
ফলে বাহুল্য দোষ যদি প্রায়ই চইলা আসে, আতিশয্য প্রায়ই গতিধীর করে... তাও হৃদয়ের ভার ওতেই সবচে' বেশি নামে।

তবে লেখার বিষয়ে মতামত সাদরে গ্রহণে আপত্তি একদমই নাই।

২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: আর এই লেখাটা এডিট লেখক নিজেই করতে পারে নাই।

আজ সকালে আবার পড়ে তো মনে হল পোস্টানোই উচিত হয় নাই।
খুবই খাপছাড়া লেখা।

১৭. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
শয়তান বলেছেন: পয়লাটার মতন হয় নাই
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: এইটা তো তুলনামূলক আলোচনা হৈল।

আর সেই ইঙ্গিত তো পয়লাকমেন্টে আছেও।
তাও লেখকে যারা ধ্যানে থাকতে দেয় নাই, তাগো দোষ ধরি নাই, তাদের ইগনোর করতে না পারাটাও লেখকেরই দায়।

১৮. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
আকাশ অম্বর বলেছেন:

+ দিয়া গেলাম। পড়িয়া লইবো।
ধন্যবাদ।
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অম্বর।
পুস্ট পছন্দ না হৈলে কিন্তু পেলাস ফেরত দেওয় হয় না।

১৯. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
মার্ক জুবাবের বলেছেন: পোষ্ট পইড়া আমার মনে হইছে, কাল রাতে খারেজি ফাঁসির হুকুম শুনছে (আল্লাহ আমারে মাফ করুক)। আয়ূ বড়জোর এই জুম্মা। তো খারেজি এখন কি করবো?

চারটা পোষ্টের মালমশলা ঠেইল্লা ঢুকাইলো এক পোষ্টে, মারা যাবার আগে সব কথা সে কইয়া যাইতে চায়...

ও খারেজি, তুমার এত তাড়া কিয়ের ভাই......? আল্লার কিড়া কেউ তুমারে ফাঁসি দিতাছে না...
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: তাড়া যারা দিছে তারা তো এহন গাইল পাড়ে তাড়াহুড়ায় আগের মতন ভালা হয় নাই বইলা, আমার তারাখ্যাতি গেল গো...

২০. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
শয়তান বলেছেন: ধ্যানে থাক্তেন । মানা করসিল কে ।

এনিওয়ে বামন আর মুচির প্রসংগটা মনে ধরছে বেশী । কিন্তু প্রকাশ করার ইচ্ছা হৈতেসিল না । এ্যাস্পেকটেশন আরও বেশী আছে আপনার হাত থিকা । নিরাশ কৈরেন না পরেরবার ।
২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: খারাপ কত কওনের সময় তো মুখ আটকায় না।
দিনে দুইচাইরডা বালা কতা কন; তাতেও এত কুণ্ঠা!

আর মহামান্য, এক্সপেক্টেশনের চাপে কত পেলেয়ারই কাবু হয়া যায়... আবার কাবুরে গাইল পাড়লে হয় আরও কাবু।

ন্যাচারালি খেলতে দেন... মাল থাকলে বাইরাইবে।

২১. ২৬ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
জুল ভার্ন বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখা! হয়ত লেখাটায় আপনি যথেস্ট মনযোগী ছিলেননা-তারপরেও খুব সুন্দর হয়েছে।

কিন্তু এত লম্বা লেখা পড়ে........." ক্লান্তি আমায় ক্ষমা কর প্রভু"-রবীন্দ্র সংগীত গাইতে ইচ্ছে করে.........।
২৬ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জুল ভার্ন।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ক্লান্ত হয়েও কমেন্ট করেছেন, এই কৃতজ্ঞতা ভুলতে অনেকদিন লাগবে।

২২. ২৬ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
শয়তান বলেছেন: আইচ্ছা ।

ন্যাচারালিই খেলেন।
২৬ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপ্নেরে কি অভিমান মানায় মহামান্য!

২৩. ২৬ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
শয়তান বলেছেন: না । মানায় নাহ জানি

আর সেজন্যই তো মন থিকা কৈলাম । নিজের মত চলেন :)
২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ভরসা পাইলাম মহামান্য।

তবে নিজের মত চলতে চাই না।
অতটা এলিট আমি না।
খালি নিজেরে হারাইতে চাই না।

২৪. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

লিখাটি আবার পড়লাম। থেমে থেমে পড়লাম। সব কমেন্টগুলোও যথেষ্ট মনযোগ দিয়ে পড়লাম। উত্তরও তাই। এবার সিদ্ধান্ত নিলাম হুল ফোঁটানো মনে হলেও কথাগুলো বলতেই হবে, কেননা আপনার কাছ থেকে কি চাই সেটির একটা রূপক আপনার জানা দরকার।

আদ্যপান্ত লিখাটি শেষ পর্যন্ত কি উদ্দেশ্যে, কেন তা বুঝতে ব্যর্থ হলাম। আমার প্রথম কমেন্টটি এই আঙ্গিকেই করা হয়েছিল। আমি মনে করি কোন লিখাই এমনি এমনি নয়। প্রত্যেকটি লিখারই একটা বা একাধিক উদ্দেশ্য থাকে। আমরা যদি ইতিহাস জানতে চাই, তাহলে জানতে হবে-কোন ইতিহাস? যদি ইতিহাসের তুলনামূলক বিচার করতে চাই, তাহলে জানতে হবে কার সাথে কার তুলনা, বা শেষে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য তুলনা?

যেমন ধরুন আমাদের জানা আছে, সম্রাট আকবর একটি ধর্ম প্রবর্তণ করেছিলেন। দ্বীন-ই-ইলাহী। তাকে আমরা মহান শাসক হিসেবে জানি। এখন তারই একটি আদর্শ আমাকে গেলাতে চাইলে আমি ফ্রাঁসোঁয়া বর্ণিয়ের এর "টাইম অব এম্পায়ার" তুলে আনব। সেখান থেকে কোট করব। তেমনি আমাকে যদি কোনও ভাবে চারটি ধর্মের তুল্য বিচার করে একটিকে ধর্তব্যে আনতে বলা হয়, তাহলে আমি রাহুল সাংকৃত্যায়নে আশ্রয় খুঁজব। ব্যাপারটা এরকমই।

কিন্তু এই লিখাটি আমাকে কোন এক স্থান থেকে অন্যত্র নিয়ে গেল না। ইতিহাস হিসেবে ঋগ্ধ, কিন্তু অনুপান হিসেবে কিছুই বার্তা বহন করে সামনে এলো না। সম্ভবত আমি গুছিয়ে বলতে পারলাম না। পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় বস্তুর স্থানন্তরকেই কাজ বলেনা। বস্তুর গুণগত পার্থক্য বা পরিবর্তনকে কাজ বলে.......

যেমন: একটি থান ইঁট হাতে করে সারাদিন বয়ে বেড়ানো কোন কাজ নয়। সেই ইঁট খানা দিয়ে কারো মাথা ফাঁটিয়ে দেওয়া কাজ বটে। আবার সেই ইঁট খানা মাটিতে রেখে তার উপর দাঁড়িয়ে কোন কিছু পেড়ে নেওয়াও কাজ বোঝায়...... আমি বোধহয় এমনতর কিছু বলতে চাইছি...............................................
২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন:



মনজু ভাই,
আপনার সমালোচনা আমি ধরতে পারছি।
সমালোচার বিষয়টার সাথে একমত, পুরাটাই।

প্রায়ই আমরা খেলা ধুলায় মত্ত থেকে খেলার মাঠটাই যে বেদখল হয়ে যাচ্ছে, তা খেয়াল করি না-- যতক্ষণ না সেটাকে গ্রিলের বেড়া দিয়ে আটকে দেয়া হয়।

কিন্তু এই লেখাটার একটা উদ্দেশ্য আছে। আগেরটাতে তা কম প্রকাশিত ছিল, বরং তাতে খেলধূলা ছিল বেশি। তাই দেখেন সবাই সেটা পছন্দ করল। সেটাতে ব্যক্তিগত বেড়ে ওঠার হারানো স্বাদ পেল অনেকেই, বাহবা দিল।

আজকেরটা একটু বিস্বাদ, আনন্দ বা বেদনা-- প্রায় কোন স্মৃতিই খেয়াল করিয়ে দেয় না। কাঠখোট্টাও।

কিন্তু এর একটা গোপন লক্ষ্য ছিল-- ডিমিস্টিফিকেশন বলে যে কায়দাটা জানা থাকলে; আর সাথে একটু অর্থনীতি-সমাজবিদ্যা-ইতিহাস- আর সর্বোপরি কাণ্ডজ্ঞানের সহযোগে আমাদের চেনা পৌরানিক কিংবদন্তী, ধর্মীয় কাহিনী আর রূপকথার মাঝে যে সমাজবাস্তবতাই ফুটে উঠেছে ছদ্মইতিহাসের আড়ালে-- সেটার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়াই ছিল লক্ষ্য।

আর সেই লক্ষ্য যদি পূরণ নাও হয়, কেবল স্রেফ সমঝদারের মত খেতে জানলে চিরচেনা খাবারগুলোর স্বাদই বহুগুন বাড়ে; সেই আর্টঅ্যাপ্রেসিয়শন ও যদি সামান্য হয়, ক্ষতি কি!

ম্যালাকাইটের ঝাঁপির ভেতরে চিরকালের যে দুঃখ সুখ থরে থরে সাজান, তা কি আজকের বিপ্লবী তরুণকে বুক ভরে দম নেয়ার শক্তিটাই বাড়ান না, মহাকালের সাথে নিজেকে মেলাবার আকুতিতে কি প্রাণ উথলে ওঠে না!

আমার তো ওঠে, মনজু ভাই। তাই তো বেঁচে থাকি, তাই তো বিপ্লব চাই, তাই তো অসম্ভবের পায়ে মাথা কুটে মরি!

(লেখাটা ভাল হয় নাই, তার দায় কিছুটা মহামান্য শয়তানের, আরও কারও কারও, কিন্তু মহামান্য অভিযোগ করছেন বারেবারে, তাই তার নামটাই ফাঁস করলাম ।)


২৫. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৬
শয়তান বলেছেন: আম্রা আশা করলে কি লাভ ? লেখকের ইচ্ছা থানইটা ভাংগা । ভাইংগা আধলা বা তিন পোয়া বানাইয়া ঐগুলা ব্যবহার করবো সে ।

থাউক হকভাই । খারেজিরে ন্যাচারালিই খেলতে দেন ।
২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: হ, খারেজি তো পাগলা।
অহন ইট ভাঙতাছে।
পড়ে মিনায় শয়তানের স্তম্ভে মারার জন্য সাপ্লাই দিবে।

২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: হ, খারেজি তো পাগলা।
অহন ইট ভাঙতাছে।
পরে মিনায় শয়তানের স্তম্ভে মারার জন্য সাপ্লাই দিবে।

২৬. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৫
জাতেমাতাল বলেছেন: এই পোষ্ট নিয়ে খারেজি যতটা মনোকষ্টে ভুগছেন এবং ব্লগারদের কমেন্টের জন্য নিজের সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করছেন তা পুনরায় বিবেচনা করার জন্য খারেজিকে অনুরোধ করছি। এই পোষ্ট এত অসফল, এভাবে ভাবার কোন কারনই আদতে নাই।

আমার ব্যক্তিগত সমালোচনার জায়গাটা হলো একই পোষ্টের মধ্যে গুরুত্বপুর্ণ একাধিক বিষয় বস্তুকে জায়গা করে দেওয়া। ফলে বিস্তারিত আলোচনার স্পেসটা কমে গেছে বলে আমার ধারনা। এবারের খারেজির পোষ্টের বিষয়বস্তু তুলনায় আগের চেয়ে অনেক বেশী সিরিয়াস এবং গভীর বলে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার খায়েস করেছিলাম।

আমার ধারনা এই পোষ্টের কনটেন্ট নিয়ে অন্ততঃ গোটা চারেক আলাদা পোষ্ট হতে পারতো… আমি শুধু এটুকূই বলতে চেয়েছি।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জাতে মাতাল।
তবে তালে আপনি বরাবর ই ঠিক।

২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: আবার পড়লাম আপনার কমেন্ট।
চারটা আলাদা পোস্ট হতে পারতো হয়তো, তবে গুছিয়ে যদি বলতে পারতাম, এক পোস্টে সমস্যা কি?

২৭. ২৬ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৩
শয়তান বলেছেন: টেক সাম রেস্ট এগেইন!
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: রেস্টটা য্যান কে নস্ট করছিল?

২৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:২০
তনুজা বলেছেন: ১। মহাভারত তো আর্যাবর্তে নগর সভ্যতা গড়ে ওঠার পর (খৃস্টীয় দশম শতাব্দী আগে বা কাছাকাছি সময়ে সম্ভবত) গোত্রগুলোর আন্তবিরোধ এর বিষয়। তবে খ্রিস্টিয় ২য় শতকেও এর পরিবর্তন হয়েছে, এমন ইঙ্গিত পরিষ্কার ------------১০ম আর ২য় টাইপো?

২। পচনের ইতিহাস এখানে কয়েকবার দেখেও একটা ব্যাপার পরিষ্কার বুঝলাম না --কবে কখন পরিমার্জিত হয়েছে, আগে কতটুকু ছিল --পরে কোন অংশটা যোগ হয়েছে

৩। ম্যালাকাইটের ঝাঁপির সাথে একটা অপ্রাসঙ্গিক কথা মনে পড়ল। কয়লা শ্রমিকদের একটা ব্যান্ড আছে নামকরা জানেন কি?

৪।গিল্ডগুলো কি?


৫। ধন্যবাদ পরিশ্রমসাধ্য লেখার জন্য। আবারো কৃতজ্ঞতা। সম্ভব হলে এর সামারিটা পরে দেবেন। প্রতিটা পার্টে একটা করে উদাহরণ দিয়েছেন প্রায়ই একটা স্টেটমেন্টও আছে---সেগুলো আলাদাকরে এবং সম্পূর্ণটার মূলকথা যা বারবার আসলে ভাল হয়--মানে আমাদের একটু উপকার করলেন এই আর কি

৬। জাতে মাতালের মন্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।

আবারো ব্রেক নিলাম । আধুনিক পুরাণ পড়ে গেলাম --এখনও আত্মস্থ হল না । সহযোগী পোস্ট আসলে বা আলোচনার ক্রম ধরে হয়ত নিতে সহজ হবে
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ১. প্রথমটাতে টাইপো হয়েছে, খৃস্টপূর্ব দশম থেকে নবমের মাঝে কুরুবর্তে এই যুদ্ধটা হয়েছিল বলে ধরে নেয়া হয, ওই সময়ে এখানে লোহার ব্যবহার প্রচলিত হয়েছিল যা উৎপাদন ও সমরশক্তিতে ভারসাম্য পাল্টে দিয়েছিল বলে অনেকে মনে করেন।
আর মহাভারতের টেক্সট এর বদল ২য় খৃষ্টাব্দে বা তার পরেও হয়েছিল বলে নিশ্চিত প্রমান আছে। ভাষারীতি, আলোচ্য বিষয় এগুলোকে থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। যেমন একটা বিখ্যাত অংশ আছে পাঞ্জাব এলাকার মানুষের ধর্মাচার, যৌনাচার নিয়ে ঠাট্টা। এটা নুতন শক্তি মগধের রাজার তুষ্টি সাধনের জন্য করা হয়েছিল।

২. আদি কাহিনীতে পচন নিয়ে কিছুই ছিল না। কেবল মান্না আর সালওয়া খাবারটা মাগনা দেবার কথা ছিল। ওল্ড টেস্টামেন্টে তাই তা এখনও নাই। খালি ছুটির দিনের পবিত্রতা রক্ষার জন্য শনিবার খাদ্য সংগ্রহ বারণ ছিল। গোত্র সমাজের বিকাশের ধারায় যখন ব্যক্তিগত মালিকানা এল, ভূমিহীন মানুষ তৈরি হল যারা দিনমজুরি করে ও খাবার কিনে খায়, তখন মজুতদারি লাভজনক হল। তো এটাকে শ্লেষ করার জন্যই, মজুদদারির কাজটাকে হেয় করার জন্যই পচনের গল্পটার উদ্ভব, আরবের সব ধর্মেই মজুদদারিকে হেয় ও নিরুতসাহিত করা হয়েছে। কিন্তু গল্পটা আদৌ ইহুদীদের মাঝে জন্ম নিয়েছে, তেমন কোন প্রমাণ আর নাই, এটা নাও ঘটতে পারে। কারণ ইহুদীরা আরবে ব্যবসা, শিক্ষা ও জমিজমাতে এগিয়ে ছিল বাকিদের চেয়ে। ফলে বাকি আরব গোত্রগুলোও এই গল্পটা তৈরি করতে পারে। যাই ঘটুক, এটি হাদিসের বর্ণনায় ঢুকে পরে ধর্মীয় মর্যাদা পেয়েছে।

৩. নামটা বলেন, গানশুনতেমনচায়।

৪. গিল্ড। এগুলো ছিল পেশাজীবীদের সংঘ। কোন গিল্ড সদস্য না হলে মধ্যযুগে ইউরোপে আপনি নির্দিষ্ট কোন পণ্য তৈরি করতে পারতেন না, বিক্রি করতে পারতেন না। এমনকি কাঁচামালও কেনার অধিকার থাকত না। যেমন ছিল রুটি তৈরির গিল্ড, লোহার কারবারের গিল্ড, তাতীদের গিল্ড... সব কিছুর গিল্ড। ইউরোপের বেশিরভাগ পুরনো মধ্যযুগীয় নগর এদের তৈরি। এগুলোর কোনটা ছিল আঞ্চলিক, একটা নগরেই দৌড়। কোনটা ছিল আন্তর্জাতিক।

সবচে' বিখ্যাত ছিল হ্যান্সএশিয়াটিক গিল্ড, আমার কাছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের একটা দারুন সংখ্যা আছে এদের নিয়ে। অস্টাদশ শতকেও এদের দাপট ছিল লোহার কারবারে, এমনকি লন্ডন নগরেও বৈধ ভাবে এরা ইয়র্ড পরিচালনা করত, এবং একচেটিয়া ছিল। মধ্যযুগে একটা পর্যায়ে গিল্ডগুলো এত শক্তিশালী হয় যে, তারা রীতিমত বাহিনী পুষত এবং রাজা-জমিদারদের সাথে লড়াই করত। প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে প্রতিযোগিতার বৃদ্ধির ফলে ধীরে ধীরে গিল্ডসংঘ অকার্যকর হয়ে পড়ে, গিল্ডের মাঝে কেউ কেউ হয়ে পড়েন ম্যানুফাকচারার আর বনিক; বাকি গিল্ডভাইয়েরা হলেন শ্রমিক।


৫. দেব। আরেকটু উৎসাহ দিয়েন, অবশ্যই দেব।

৬. জাতে মাতালকে জানিয়ে দেয়া হল: তনুজা তার সাথে একমত।

২৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আরো কয়েকবার পড়তে হবে কিছু অংশ পরিষ্কার হবার জন্য...




অফঃ- ম্যালাকাইটের ঝাঁপি বইটায় আমার প্রিয় একটা গল্প ছিলো
দানিলা আর কাতিয়ার গল্পটা।
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: বৃত্ত, আমার ও ওইটা সবচে' প্রিয় গল্প।

চিমটি!!!!!!!!!!

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: আপনে হ্যা?
বিরল একটা ঘটনা, মহামান্য শয়তান হ্যা!

৩১. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০১
ফারুক৫৫ বলেছেন: আপনি অন্য একজনের পোস্টে আমাকে উৎসাহ দিয়ে যে কমেন্ট করেছেন , তার জন্য ধন্যবাদ। তবে দুঃখের বিষয় পোস্ট টা কতৃপক্ষ delete করেছে।

আসলেই আপনার লাইন ও আমার লাইন ভিন্ন।

কোথায় যেনো পড়েছিলাম , স্বপ্ন দেখাটা ব্রেনের Normal function এর জন্য জরুরী। পরীক্ষা করে দেখা গেছে , কাউকে যদি কয়েকদিন স্বপ্ন দেখা থেকে বঞ্চিত রাখা হয় ঠিক স্বপ্ন দেখার সময়ে(rem) ঘুম ভাঙ্গায়ে দিয়ে, তখন সে জেগে থাকা অবস্থায় স্বপ্ন দেখে।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ফারুক,
আমি হৃদয় থেকে সহানুভূতি জানাই।
আপনার পোস্টটা আমার ভাল লেগেছিল বলে শুধু নয়, অপরাধমূলক নয় এমন কোন পোস্ট মোছাই গর্হিত বলে।
আন্তরিক সমবেদনা।

৩২. ২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
অগ্নির বলেছেন: ম্যালাকাইটের ঝাঁপি----- আমার অসম্ভব প্রিয় বই। কত হাজারবার যে পড়েছি। মনে হয় এই বইটা আমাকে অনেকখানি বড় করে দিয়েছিলো অত ছোটবেলায়ও । সেই ছোট্টবেলার সব রাশান রূপকথাগুলোও মনে পড়ছে। রূপকথা আর মিথলজী দুটোই আমার খুব আগ্রহের বিষয়।
২৭ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: ম্যালাকাইটের ঝাঁপির মত আর কোন বই আসলেই নাই-- মলাটাটাই যেন টুই টুকরো ম্যালাকাইট পাথর!

আর ম্যালাকাইটের ঝাপির মত শিল্পীদেরও আমি আর কোথাও দেখি নাই-- আর কেউ কি সেইরকম?
আমার চেনারা সব কয়টা বইয়ের প্রচছদ হল, তাই নিয়া গর্ব করে! ম্যালাকাইট-দেবীর দেখা পাইতে ভয় সবার।

২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: মহামান্য,
আমার লেখার লিংক আমারে দেখতে বলার কি মাজেজা!
যদি এট্টু বুঝায়া কইতেন!

২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: স্যার, এগল কি?
পেটের মইধ্যে গুড়গুড় করতাছে।

৩৫. ২৭ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
শয়তান বলেছেন:
শয়তান বলেছেন: আমি না

লেখক বলেছেন: আপনে হ্যা?
বিরল একটা ঘটনা, মহামান্য শয়তান হ্যা!

--- এগুলা কমেন্ট নম্বর । প্রমান দিলাম । আমি যে না ।
৩৭. ২৭ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
জাতেমাতাল বলেছেন: ......আবার পড়লাম আপনার কমেন্ট।
চারটা আলাদা পোস্ট হতে পারতো হয়তো, তবে গুছিয়ে যদি বলতে পারতাম, এক পোস্টে সমস্যা কি?...... তথ্যসুত্র ২৬।

এক পোষ্টে সমস্যা আছে... যে বিষয়গুলো তুলে এনেছেন যেমন লিখার প্রথম অংশ যা পুরান নির্ভর, তা নিয়ে প্রচুর বিস্তর আলোচনা এখানে তুলে আনা যায়। মনজুরুল হক যে ভাবে বলেছেন- জমিয়ে গল্প করা যেত।

শুধু মাত্র গজব হিসাবে খাদ্যে পচন বা মজুত বিরোধী অংশটুকু যদি ধরি, ধর্মে এখানে কেন মজুত করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে, তার ইশারা, নোশনটা যদি আমরা ঠিক মতো ধরতে পারি—ধর্মের পর্যালোচনার কাজটা আমরা অনেকটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। আমরা দেখছি শ্রম বিচ্ছিন্ন একটা শ্রেণীই পয়দা হচ্ছে যারা প্রতিদিনের খাদ্য সংগ্রহ করার এই নির্দেশ লঙ্ঘন করছে... মজুত বিরোধী ধর্মের যে দার্শনিক অবস্থান তা কি আমাদের কোন দিক নির্দেশনা দেয় না?

ধর্মের দর্শনের এই ব্যাখাগুলোর ভিতর দিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়েই তো আমরা ধর্মকে অতিক্রম করে যেতে পারি, তার নির্য্যাসটুকু সাথে নিয়ে।

এক পোষ্টের মধ্যে এই বিশদ আলোচনা আপনি কিভাবে তুলবেন? যেখানে পুরানের কিতাবুল মোকাদ্দেস থেকে সালমান রুশদি, সবার আলোচনা আপনি জড়ো করেছেন…

আলোচনার জন্য একটা ব্রেদিং স্পেস তো দরকার, খারেজি ভায়া……
২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন:


এইটা হলো সেই নির্যাস আহরণের চেষ্টা যেটা ধর্ম-বিরোধী আধুনিক রুশদীর গল্প আর মজুতদারী বিরোধী মানুষের ক্ষোভ জমে তৈরি হওয়া গল্প উভয়কে আমার কাছে এক জায়গায় দাঁড় করায়; দুয়েকেই আমি পূর্ণত গ্রহণ করতে পারি না, কেননা এইটুকু আত্মা বাদ দিলে দু'জন দু'রাস্তায় হাঁটেন। একজন আত্মাবিক্রি করেন পশ্চিমের কাছে, অন্যজন অতীতের হারানো স্বর্গে ফেরার আকুলতায় হাউমাউ কাঁদছে।

এইখানে, কোন একটা কমন জায়গা আছে, রুশদীতে, ভাঙাগিল্ডের সেই মুচিতে আর পচনের উৎপত্তি খোঁজা খোজা গল্পগাথায়, তা কে ছুঁতে চেয়েছি এই লেখাটিতে।

সেই চেষ্টা ব্যর্থ, সন্দেহ নাই কোন। আলোচনায় কি এতটুকু সাফল্য আসে নাই?

যদি আসে, সকলের মত আপনিও তার কৃতিত্বের ভাগীদার।

৩৮. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: জ্ঞানের ব্যাপক অভাববোধ করতাছি:(
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: মাফ করো রে ভাই।
আর এমন ভুল করবো না।

৩৯. ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আজ দুপুরে খুব তাড়াহুড়া করে একবার পড়লাম। মনে হোল বোঝার জন্য ধীরে পড়তে হবে সময় নিয়ে।
বিকালে বসলাম আবার পড়তে পড়লাম। ভালো লাগল। কিন্তু এত বড় যে প্রথম থেকে শুরু করে শেষে এসে মনে হল কি যেন বলতে চেয়েছেন আমি ভুলে গেছি। তাই এখন আবার পড়লাম।

আপনার ঠিক কি যে বক্তব্য আমি আসলে বুঝিনি। লোহা আবিস্কার মানে মানুষ হোয়ে উঠল আত্মকেন্দ্রিক। তারপর পুঁজিবাদ, আবার দুঃশাসন লোভ এরফলে আত্মপীড়নে উন্মাদতা---------আমি কি ঠিক পথে চলছি!!!
ধন্যবাদ।
২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন: আপনি অনেকটাই ঠিক পথে আছেন।

তবে ঠিক লোহা আবিষ্কারের সাথে মানুষের আত্মকেন্দ্রীক হয়ে ওঠার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নাই। প্রাচীন পৃথিবীর সবগুলো বড় আবিষ্কারই সমাজে এমন ওলটা পালট নিয়ে এসেছে যে তার ফলে গোত্রের সাথে গোত্রের এবং একই গোত্রের মাঝে সবল-দুর্বলের সম্পর্ক বারবার পরিবর্তিত হয়েছে।

আমি কেবল কতগুলো ছাড়া ছাড়া গল্প বাছাই করেছি, এক একটা পরিবর্তন কি ধরনের গল্পের জন্ম দেয় তা বোঝার জন্য- এইশুধু।

তবে তাই বলে আবিষ্কারকে একতরফা খারাপ বলার কিছু নাই... এই উদ্ভাবনগুলোকে আমরা একেবারে নতুন ধরনের মানব সমাজ গঠনেও ব্যবহার করতে পারবো নিশ্চয়্ই।

৪০. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: তনুজা রে থ্যংকি্উ অতিরথী নিয়া পশ্নটা করার জন্য... এইটা আমার মনেও আসছিল... ভালোই হইল... অহন পরিচিত লোকদের সাথে কথা বলার সময় ''অতিরথী'' শব্দটা ব্যাভার কইরা চমকায়া দেওন যাইব :)

সবাই পোস্ট টারে সামারাইঝ করার কথা কইতাচে ক্যান বুঝলাম না :(? আমার মতে এইটারে আরো ডিটেইলে নেন.. ঘটনা টা কি বুঝি? :)

ক্যান যে কৃতগ্যাতা পকাশ করলেন বুঝলাম না!!! অবশ্য বুঝায়া কওয়ার দরকারও নাই... :)
২৮ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জোনস।
তনুজারেও ধন্যবাদ। সে বিলাপবাদীদের হাত থেকে পোস্টটারে উদ্ধার করছে।

৪১. ২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: সরি.. নিক ম্যাল-ফাংশান হইছে:(!!!!
২৮ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: সেটা হইলে কি হয়?
সেইটা কেমনে হয়?

৪২. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
শয়তান বলেছেন: ঐ মিয়া আম্রা বিলাপবাদী কেন কৈলেন ? জাইত্তা ধর্লে কৈলাম খপরহৈয়া যাইবো। হ
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: বিলোপবাদী তো কই নাই।

মাইনসে খালি বিপ্লবী-তত্ত্বই চর্চা করব, ভারহীন কথাবারতা কইব না?

সেই টা বুঝাইছি খালি।

৪৩. ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

শয়তান বলেছেন: ঐ মিয়া আম্রা বিলাপবাদী কেন কৈলেন ? জাইত্তা ধর্লে কৈলাম খপরহৈয়া যাইবো। হ

কাউন্ট ডাউন. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: মনজু ভাই,
আপ্নে এই সব পুলাপানের মধ্যে কি করেন?
শয়তানের কাম শয়তানরে করতে দেন...

৪৪. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৮
শয়তান বলেছেন: এই যে পিসলাইলো ইয়া খারেজি । খিকজ
২৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: হাতে ছাই মাইখা আসেন, নাইলে বিলাপই সার হৈব।

৪৫. ২৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
শয়তান বলেছেন: হাউ এ্যাবাউট গ্লাভস ? :)
২৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: গ্লাভসও মন্দ না, তয় অভ্যাস থাকা চাই।

৪৭. ০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৩
আবু নাঈম বলেছেন: লেখাটা ধারাবাহিক আকারে দিলে ভাল হত। এত বড় লেখা এক টানে পড়া, বিশেষ আগ্রহী ছাড়া, সবার ধৈর্যে কুলাবে কি?
ধন্যবাদ।
৫০. ১০ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
দেশী পোলা বলেছেন: এত্ত মেধা নিয়া তোমার মত মহামানব আৎকা ব্যান খাইলে আম-জনতা কি খাইবে?
৫১. ১২ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২০
শয়তান বলেছেন:
আপনারে না বলে ব্যান করছে ?

এখন কি আনব্যানড ?
৫২. ১২ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
শিকস্তি বলেছেন: @ শয়তান হেতে বে-জবান আপ্নার জন্য উনার অন্য ব্লগের ঠিকানাটা উনার অনুরোধেই দিয়া গেলাম ।

http://www.amarblog.com/khareji/58269
৫৪. ১২ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:১৬
মনজুরুল হক বলেছেন:

মাথার উপর অন্য ব্লগের বিজ্ঞাপন ভাল লাগল না। কিছুটা খেলোমি মনে হলো।
৫৬. ১৩ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
মনজুরুল হক বলেছেন: @খারেজি। হ্যাঁ, আপনার জবাব পেয়ে গেছি। ধন্যবাদ।

হুম। দেখে এলাম। আপনি ভুল লিখেছেন। কোন ব্লগকেই বাড়ি ভাবতে বলিনি। বলেছি এক ব্লগের বিজ্ঞাপন আর এক ব্লগে দেওয়া নিয়ে। ভাল লাগেনি সেটা বলেছি, বাকিটা আপনার অভিরুচি।

@ দেশী পোলা। আমি কাউকে দস্তখত বা বিবেক বন্ধক দেই না। তা সে যে পরিসরেই হোক, ব্লগ তো কোন ছার! আপনাদের কথিত "ওই পাড়ায়" এক সময় আমার একাউন্ট ছিল। কোন একটি ইন্সিডেন্টে সমস্ত পোস্ট মুছে আইডি ডিলিট করে চলে এসেছি। আমি ফালতু আন্দোলন-আন্দোলন খেলি না। কোথাও ভাল না লাগলে নিজেকে গুটিয়ে সরে যাই। সমাজে বদলানোর জন্য অনেক কিছু পড়ে আছে, সেসবের দিকে নজর দেওয়া কর্তব্য মনে করি। প্রফাইল পিক বদলে প্যান প্যানও করি না।

আপনার জ্ঞাতার্থে; আমি নির্মাণ ব্লগে , সাদা-কালো ব্লগেও লিখি। আমার ব্লগে না লিখলেই কি সামুতে "শপথ" করা বোঝায় ? অবাক করলেন !!

৫৭. ১৪ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:১২
শয়তান বলেছেন: এ স্মল নোট টু ইয়াখারেজিঃ

আমার শয়তানের ১ বছর ৫ মাস ব্লগ জীবনের ছয় মাসই কমেন্ট ব্যান অবস্থায় কাটাইছি । নিজের সমস্যায় আরও ছয়মাস অনুপস্থিত ছিলাম ব্লগ থেকে ।

কৈ তারপরও কেউ বলতে পারবো না আমি পোলাপাইন্যা তর্পাইছি । কমেন্ট ব্যান লৈয়াও সুষ্ঠ নীতিমালার আন্দোলনে সবার সাথে একত্রে সংগ্রাম করে গেছি।

আসলে নিজের নৈতিকতাবোধটুকুই আসল ।
৬০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
খারেজি ভাই এতদ্দিন কৈ আছিলেন?
৬২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
সোহানা মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ একটা লেখা। যদিও আমি দেরীতে পড়লাম, তবু খুঁজে পেতে একটা এতো ভাল লেখা পেয়েছি ভেবে খুশি লাগছে।

চমৎকার বললে কম বলা হয়।
+++

( একটা জায়গায় মনে হয় টাইপো হয়ে থাকবে, যেখানে আপনি বলেছেন বুদ্ধদেব বসুর একটি কাব্যনাটকের কথা- "তটিনী ও তরঙ্গীনি"। আমি যতদূর জানি, বইটির নাম "তপস্বী ও তরঙ্গিনী"।)

সবশেষে আপনার জন্য নিরন্তর শুভকামনা রইল।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৩০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এইপথে আলো জ্বেলে এ পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে, সে অনেক শতাব্দীর মনীষির কাজ.....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই