আমার প্রিয় পোস্ট
- ৩ - হাসান মাহবুব
- আমরা খুঁজেছি যারা স্বর্গের পথ... - খারেজি
- সিরাতাল মুস্তাকিম! - খারেজি
- বাংলাদেশে 'সেক্যুলারিজম' এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস - খারেজি
- স্বর্গচ্যুত হবার প্রথম অভিজ্ঞতা - খারেজি
- চিনপন্থীরা কী চিজ! :: মাওবাদীদের নিয়া কিছু কথা - খারেজি
- গ্রাম পতনের শব্দ - খারেজি
- মানুষ কেন অন্যমনস্ক হয়... - খারেজি
- ছোট্ট আরেক রাজপুত্র... - খারেজি
- পুরান আর রূপকথা নিয়ে আরও কিছু কথা... - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
বাংলাদেশে 'সেক্যুলারিজম' এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
রমনা কালীবাড়ি মন্দির ও শ্রী মা আনন্দময়ী আশ্রম ।
প্রতিষ্ঠানটি মোঘল আমালের, তবে কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার নির্দিষ্ট সন তারিখ পেলাম না। পাশেই শাহবাজ খার মসজিদ। সেটাও মুঘল আমলের। সম্ভবত দুটি প্রতিষ্ঠান কাছাকাছি সময়ের।
পাশাপাশি দুটো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত চলে যাচ্ছিল দুই ধর্মের মানুষের দিনকাল।
প্রধান পুরোহিত পরমানন্দ গিরির দোস্তি মসজিদের খাদেম আবদুল আলী ফকিরের সাথে। একসাথে বাজারে যান। গালগপ্প করেন। বিকালে স্বামীজি মসজিদের চত্বরে কিংবা খাদেম চলে আসেন মন্দিরের আঙিনায়। অশিতীপর খাদেম সাহেব এখনও স্মরণ করেন তার চাইতে বয়েসে সামান্য বড় ভোলানন্দ গিরি-র স্নেহমাখা কথা।
পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ মন্দিরে গোলাবর্ষণ করে, সেখানাকার কয়েক শত নারী-পুরুষ ভক্তকে হত্যা করে। সেই নির্মম দৃশ্যের সাক্ষী অসহায় খাদেম সাহেব।
স্বাধীনতার পর গণপূর্ত বিভাগ বুলডোজার চালিয়ে ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে নেয়, মন্দিরের ২০ একক সম্পত্তি গণপূর্ত বিভাগের হাতে তুলে দেয়া হয়।
বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেয়া ভক্তরা আবার এখানে জড় হন, অস্থায়ী আশ্রম গেড় তোলেন।
এবার আবদুল আলী ফকির উদ্যোগী হন। হয়তো মৃত বন্ধুর প্রতি দায় মেটানোর তাগিদেই তিনি ভক্ত-শিষ্য ও বাসিন্দাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন এবং এই ঐতিহাসিক মন্দিরটি পুননির্মাণের জন্য একটি স্মারকলিপি দেন।
তাদের প্রত্যাখ্যান করা হয়। (উনি স্মারকলিপিটি তোফায়েল আহমদের হাতে দেন, তিনি তা দুমড়ে বাতিল কাগজের ঝুড়িতে ফেলেন... এই হল কয়েকজন বয়বৃদ্ধের ভাষ্য।)
১৯৭৩ সালে এই সব বাসিন্দা-ভক্ত-শিষ্যকে পোস্তগোলায় ঠেলে দেয়া হয়, সেখানে শ্মশানসংলগ্ন বালুর মাঠে তারা ছাউনি ফেলে বাস করতে থাকেন।
১৯.?( সালটা পাইনি) জিয়াউর রহমান পুলিশ পাঠিয়ে বন্দুকের নলের মুখে তাদের উচ্ছেদ করেন সেখান থেকেও।
আজও রমনার কালীবাড়ি ও মা আনন্দময়ীর আশ্রম অস্থায়ী কাপড়ের ছাউনিতে কাজ চালাচ্ছে। ঘুরে আসুন। আর বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর সাম্প্রদায়িকতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা আর্ একবার ঝালাই করে নিন।
সাথে পরমানন্দগিরি আর আবদুল আলী ফকির এর প্রীতির কাহিনীটাও ভুলবেন না। বদমাশদের বিভেদনীতির বিপক্ষে এদের সরল প্রীতিই বাংলার অসাম্প্রদায়িকতার সত্যিকারের ইতিহাস। কাগুজে সংবিধানের অসাম্প্রদায়িকতায় বাবরি মসজিদ টেকে নাই, রমনার কালীবাড়ীও রক্ষা পায় নাই।
এখনও যা কিছু টিকে আছে, তা টিকে থাকুক মানুষের শক্তিতে।
.........
(সাথে একটা গপ্প জুড়ে দেই: ক্ষতি খুব নাই। প্রতিনিধি দলটার সাথে গেছিল আশ্রমের সন্ন্যাসিনী জটালী মা। মুজিবুর রহমান তাদের প্রত্যাখ্যান করার পর মা অভিশাপ দেন: "তুই মাকে আশ্রয়চ্যুত করলি! নির্বংশ হবি তুই।" আমাকে যিনি গল্পটা বলছিলেন, সেই বৃদ্ধের কুংস্সকারাচ্ছন্ন চোখ চকচক করছিল, মায়ের তেজের সত্যতার প্রমাণে।
পুরানতত্ত্ববিদরা বলবেন: এইভাবে পুরানের জন্ম হয়। নিন্মবর্গের ইতিহাসবিদরা বলবেন, এইভাবে দমিত তার প্রতিশোধ খুঁজে পায়। সুশান্ত কিন্তু বাকশাল সৃষ্টির ইতিহাসের সাথে এর সম্পর্ক পাবে না। অবসরের গান তার পোস্টে কোন একদিন এক দুষ্ট শাসকের উৎপাতে বঙ্গদেশে সাম্প্রদায়কিতার উদ্ভব বিষয়ে পোস্ট লিখবে।
আর মা আনন্দময়ী ঘোরকলিতে নির্বাক দেখে থাকবে, কিংবা কে জানে, গোপনে মায়ের হয়তো আর কোন বাসনা আছে; আমরা, ক্ষণকালের বাসিন্দারা কি মহাকালের গতিধারা বুঝতে সক্ষম!)
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আইজ কমেন্টের উত্তর দিতে দিতাছে দেইখা পোস্ট দিলাম।
পয়লা পাতায় যায় না। পরের পোস্টে কমেন্টও করতে পারি না।
আছি ভাল। সব ভাল তো?
মনির হাসান বলেছেন:
নতুন অনেক কিছু জানলাম ... সিদ্ধান্তে নতুন মোড় আসল বোধ হয় ... সেজন্য ধন্যবাদ খারেজি ভাই ...অ.টঃ উস্তাদ ... কি অবস্তা এহন ... বহুদিন পর আপনারে পাইলাম ... ভক্তের অবহেলা বা বৈরাগ্য ক্ষমা কইরেন ... সব জায়গায় ফাপর মারতে মারতে ... সময় কুলায় উঠতে পারিনা ।
লেখক বলেছেন: মনির আছেন কেমন?
মনির হাসান বলেছেন:
পোস্ট পর্যবেক্ষনে থাকলো ...
অলস ছেলে বলেছেন:
আল্লাহ সবাইরে সুমতি দিক। সবকো সুমতি দাও ভগওয়ান।
আয়াত বলেছেন:
পাশাপাশি ছিলো, কিন্তু ঠাসাঠাসি একবাক্সে ঢুকাইতে গিয়া ঝামেলা বাধাইলো...
লেখক বলেছেন:
বুঝলাম না কি বুঝাইলেন, কি বুঝলেন তাও বুঝি নাই।
পড়ছেন, তাই শুকরিয়া।
লেখক বলেছেন:
কই আনব্যান!
আনব্যান তো সেই কবে থাইকা। কেবল এদ্দিন কমেন্ট কর্তে পারতেছিলাম না, এখন নিজের পুস্টে পারি। পরের পুস্টে পারি না।
লেখক বলেছেন:
আমি তো যাই নাই, খেদায়া দিসে।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
আগে চোখে পড়েনি কেনো? +++
লেখক বলেছেন: পড়ে নাই, কারন প্রথম পাতায় পোস্ট-কমেন্ট কিছুই যায় না।
ভাল আছেন তো?
শয়তান বলেছেন:
যেমনে বলছিলাম ঐটা করেন ।
লেখক বলেছেন:
কি জানি কৈছিলেন? হাজেরানে মজলিসে বলেন!
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
ভাল লাগলো!
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ, ভাই।
আপনের নিকটা ব্যাপক পছন্দ হৈছে। প্রোফাইল পিকটাও।
লেখক বলেছেন: আপনার গল্পটাও ভাল লেগেছিল, কিন্তু প্লাসিয়েই কেটে পর্তে হয়েছে, পরের পোস্টে আমার কমেন্ট করায় মানা
কি আর করা, ভাল লাগা এইখানেই জানিয়ে রাখলাম, যদি আবার আসেন, তো জানাজানি হবে।
শয়তান বলেছেন:
নাকে খত ।
লেখক বলেছেন:
হায় হায়!
পিলিজ পিলিজ!!
লেখক বলেছেন:
আমি তো চাইলাম অপরাধবোধ জাগাইতে!
আমাদের গর্বের রাষ্ট্রটা একেবারে জন্মলগ্ন থাইকা সাম্প্রদায়িক। ক্রমশ অধিকতর সাম্প্রদায়িকরা পূর্বসূরীদের হটাইছে।
সবই ধারাবাহিকতা মাত্র।
শয়তান বলেছেন:
সেইটাই । একদিকে পিলার পুলার দিয়া সংবিধান রচণা করতেছিল কিন্তু অইন্য দিকে এই আকাম । হিপোক্রেটস ।
লেখক বলেছেন:
পিলার পুলার!
বহুতক্ষণ বুঝতে পারি নাই।
বুঝার পর হাসিও পাইসে, দুঃইখও লাগসে।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
আপনার ভাল লাগার ব্যাপারটা জানলাম ব্রাদার! ধন্যবাদ!
কমেন্ট করতে মানা?
কমেন্ট ব্যান? খাইসে! এইহানে দেহি সক্কলেরই কমেন্ট ব্যান হইতাসে!
যাই হোক! দেখেন কত তাড়াতাড়ি ব্যান মুক্তি পান! শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন:
আর কয়েন না। অভ্যাস হয়া গেসে প্রায়।
এই দফায় কয় মাস যে হৈল, ভুইলাই গেসি। মনে হয় মে মাসের কোন একদিন ব্যান খাইছিলাম। কারণ প্রায় অকারণ।
জাতেমাতাল বলেছেন:
এই লেখাটি আগে পড়ার সুযোগ হয়েছিল। নতুন করে আবার পড়লাম...যাই হোক, খারেজির পোষ্ট সবসময়ই আকর্ষনীয়, অল দ্য বেষ্ট, খারেজি।
লেখক বলেছেন:
আহা!
কতদিন পর পায়ের ধুলি দিলেন!
(কথার উত্তর দিতে পাইরাও যে কি ভাল লাগতেসে!)
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম!
জানায়া গেলাম
ভালো থাকেন&শুভেচ্ছা
ব্যানমুক্তির দোয়া করি
কবুল হইবো না মনে হয়!
লেখক বলেছেন:
জানি পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত, তাও পক্ষপাতের ঝোলটা নিজের পাতে দেখলে কার্না ভাল্লাগে
আল্লায় আরও কিছু প্রিয়পোস্টে নেবার মত প্রিয় মানুষ দিক!!
মনজুরুল হক বলেছেন:
২০ দিন পর ফিরে আবার তিন দিনের জন্য হাওয়া হয়ে গেছিলাম। আজই ফিরলাম। এই লেখাটা আগে পড়া তাই লেখা বিষয়ে কিছু বলছি না।
আপনি লিখছেন সেটাই আনন্দের। আনন্দঘন কুয়াশায় আনন্দ যতই ধোঁয়াটে দেখাক একসময় ধোঁয়া কেটে আলো হেসে উঠবেই। এই আকালের দেশে সেই হাসিটুকুরই বা কদর কে দেয়!
লেখক বলেছেন:
মনজু ভাইয়ের কবিতাতুল্য কমেন্ট!
নিশ্চয় সামু বুঝবে আপনাকে প্রথম পাতায় লিখতে না দিয়ে আমাদের পোষ্টগুলোতে লিখতে না দেবার, সমৃদ্ধ না হতে দেবার ক্ষতি সামু-রও।
আপনার পোষ্ট প্রসঙ্গে আসি।
বাংলাদেশে হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান ঐক্য পরিষদ বলে একটা কী যেন আছে না, ওদের সাথে কথা বলে ওদের এবিষয়ে মন্তব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে যদি যোগ করতে পারতেন - তবে আপনার পোষ্ট বেশ সমৃদ্ধ হত, মজাও হ্ত। শুনেছি ওদের এক নেতাকে নেপাল এমবেসিতে চাকুরি দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে "সেক্যুলারিজম" বা বিশ্বের "সেক্যুলারিজম" ভাবনার বাংলাদেশি চাপ্টার উদোম হয়ে গেছে অনেক দিন থেকেই। যদিও মৃত লাশটা বয়ে বেড়ানোর লোক এখনও পাওয়া যাবে। তবু আর উদোম করে কথা সেখানেই থেমে যেয়ে লাভ নাই।
কথা হলো, সামনে বাড়তে হবে, এগুলো নিয়ে কথা তুলতে হবে। আমাদের রাজনীতি, কনষ্টিটিউশন, রাষ্ট্র - কী মন্দির ভাঙবে, উচ্ছেদ করবে না গড়ে দিবে নাকি মুখ ফিরিয়ে চুপচাপ সেকুলারিজম জপবে -এসব নিয়ে বাস্তব ঘটনার উছিলা থেকে কথা তুলতে হবে। রমনা কালীবাড়ি উচ্ছেদের এই বাস্তব ঘটনা নিয়ে আগে যাই হোক এখন কে কীভাবে দেখে তা নিয়ে কথা বলা দরকার; আ.লীগ, বিএনপি এমনকি জামাত সবার সাথেই।
এগুলো আপনাকে আমার পরামর্শ নয়, আমার কামনা।
লেখক বলেছেন:
আপানার মন্তব্যে অনুপ্রেরণা পেলাম।
জামাত-বিএনপি আজকের দিনে কী মনে করে সেইটা একটা ভাল বিবেচনার বিষয় হতে পারে, কিন্তু আমার লেখার প্রসঙ্গে মনে হয় সেটা আসে না।
কারণ এদের শাসনের ধারাবাহিকতা দেখানোই তো এই লেখার উদ্দেশ্য। এদের মনে করা বা না করা তো সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী বদলায়, কিন্তু মৌল চরিত্র রাষ্ট্রের মতই প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
১২ তারিখের পরে অনেকদিন কেটে গেল, খারেজি আপনি কোথায়...? ব্যাস্ত আছেন, নাকি আবার মডুরা আপনাকে আটকাইছে...?কুশল কামনা করি, দোয়া গো...
লেখক বলেছেন:
আটকায় নাই, নিজেই একটু উদাস ছিলাম।
ভাল আছেন আপনে!
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
নতুন লেখা কৈ?
লেখক বলেছেন: আর কয়টা দিন!
প্রমিজ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সুদীপ।
আপনার লেখা পড়ি নিয়মিত, কিন্তু কমেন্ট কর্তে দেয় না তে!
লেখক বলেছেন: বিলোপেই ক্ষমতার একমাত্র নিরাময়।
ভাল থাকবেন।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
"স্বল্প পরিসরে গল্পের বিস্তারিতটা বলে ফেলা" আমার কাছে এই হচ্ছে খারেজির চরিত্র। আপনাকে ফিরতে দেখে ভালো লাগছে। কমেন্ট কি এখনও ব্যান?
লেখক বলেছেন:
আপনার পক্ষপাত বরাবরই সাহস যোগায়।
.....
হু, কমেন্ট ব্যান।
কঁাকন বলেছেন:
স্ট্যাটাস কি এখনো চেন্জ হয়নাই?
লেখক বলেছেন:
ইট্টু পাল্টাইছে।
অহন নিজের পুস্টে ঘাউ ঘাউ কর্তারি।
লেখক বলেছেন:
নতুন পোস্টও I.C.U'তে
লেখনি ও অনুভব বেশ লাগলো! আপনাকে আরও পড়তে হবে দেখছি!
লেখক বলেছেন: অশেষ কৃতজ্ঞতা জানবেন।
লেখক বলেছেন:
এতো পুরনো কথা মনে রেখেছেন!
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রসূন।
আপনাকে দেখলাম ফেসবুকে!!!
লেখক বলেছেন:
আর আপ্নে যুদি রিফ্যুজ করেন!
রাতমজুর বলেছেন:
খুক খুক
লেখক বলেছেন:
উপায় কী? যে ধুলা আইজকাইল শহরে!
আদা চা খান। আর রুমাল ব্যবহার কর্বেন। ধুলা কম যাবে।
রোজনামচা বলেছেন:
দুনিয়াদারীর বর্ষাফলকে কত শত হাড় গাথা হলো দুনিয়ায়!
লেখক বলেছেন: বর্শাতলোয়ার সামনাসামনি ধরলে ডরাই কম, কিন্তু পিছে ছুরি মারে আর সামনে অসাম্প্রদায়িকতা ফলায়, তাগোরে থাইকা সাবধান থাকা ভাল।
রোজনামচা বলেছেন:
ধর্মগুরু ধর্মচেলাসকলেরই প্রিয় খেলা
বিধর্মীর রক্তে কাটাকুটি
(মন্দাক্রান্তা সেন)
আর ধরেন, যে ধর্মের আখেরাত এই দুনিয়ার জমিনেই; যে খোদা 'অসাম্প্রদায়িক' নাগরিক বান্দা কবুল করেন; যে খোদায়ী মুলুকে সামনে ছুরি মারা 'শরিয়ত বহির্ভূত; কিন্তু যেখানে একই সাথে খোদাবৃন্দ বিশেষ আশরাফ সম্প্রদায়ের-- সেখানে পেছনে ছুরি না মেরে উপায় কি? মহাত্মা খারেজি!
লেখক বলেছেন: কথা সেইটাই। ভোটের হিসাব বুর্জোয়া শরা মাইনা চলে না সর্বদা।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
?????
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















++
কেমন আছেন?