আমার প্রিয় পোস্ট

--------

দুহাই লাগে হুজুর, বাটন চাঁইপেন না :| :|

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

শেয়ারঃ
0 1 0

[২০.০২.২০০৯ এর প্রেক্ষাপটে লেখা।]

১.
স্টুডেন্টরে ক্ষেত্রফলের অংক করাইতাছিলাম, এমন সময় স্টুডেন্টের মা আইসা কইল, বিকালে না-কি জে.এম.বি. ধরা পড়ছে। অরা শহীদ মিনারে বোমা ফাডানোর প্রিপারেশ্যন নিতেছিল। ধরা পইড়া পুলিশ-সাংবাদিকের উপর মারছে। শুইনা মেজাজটা গরম অইয়া গেল। কইলাম,যামু না কালকে ফুল দিতে।
হালারা পুরা ঢাকা বিরান কইরা দিব মনে হইতাছে। ঢাকায় আমি ছাড়া আমার বংশের আর কেউ নাই। তাই কাউরে নিয়া বিশেষ চিন্তাও নাই। থাকনের মদ্যে খালি আছে এক "ভূতের মা"। অরে নিয়াই চিন্তা হইতাছিল। ভূতের মা কয়দিন ধইরা বাচ্চাগো ফ্রী ডায়েট ঠিক কইরা দিতাছে। এক সুপার মার্কেটে ছুডো একটা চেম্বার বানাইয়া বইছে। ব্লগার অগ্নিকন্যারে বিশ্যুদবারে না-কি ডায়েট দিছিল। এখন আবার অগ্নিকন্যারে নিয়াও টেনশ্যনে পড়লাম- এই মাইয়াডাও ঘুরাঘুরি কম করে না। যাই হোক ঠিক করলাম, ভূতের মারে তাড়াতাড়ি হলে ফেরত পাঠানি দরকার। কিন্তু ঐখানেও সমস্যা আছে। অরে যদি কই জে.এম.বি. বোমা মারছে, তাইলে কাঁপতে কাঁপতে আর বওয়া থেকে খাড়াইতেই পারব না। আমি আছি গুলশান-১ এ- এইখান থেকে তো যাওয়াও কঠিন। বুদ্ধি কইরা কল দিলাম, কইলাম, লক্ষীসোনা, তাড়াতাড়ি হলে যাইয়া ফ্রেশ হইয়া আমারে একটা কল দাও। তোমার সাথে খুব গল্প করতে ইচ্ছা করতাছে। কইয়াই পড়লাম বিপদে। কয়, এই পাঁচ বছরে একদিনও তো এই ভাবে কথা কইলা না। আমার তো সন্দেহ হইতাছে। পাসওয়ার্ড দেও। আমি পাসওয়ার্ড দিলাম। সেই সাথে জোর কইরা কয়েকটা কাসিও দিলাম। কইলাম, শরীলডা বাল্লাগতেছে না। তোমার সাথে কথা বলতে মন চাইতেছে। আমার পাচ বছরের অভিজ্ঞতা হইল, অভুক্ত এবং অসুস্থ্য প্রেমিকের আব্দার মেয়েরা ফেলতে পারে না। যাই হোক কাজ হইল, ভুতের মা তখনই হলের দিকে রওনা দিল। আর অগ্নিকন্যারে আমি কল দিতে পারি নাই। কারন, কয়দিন আগে মোবাইল চুরি যাওয়ায় সব নাম্বার হারাইয়া ফালাইছি।

রাত তখন আট-টা। স্টুডেন্টরে তাড়াতাড়িই ছাইড়া দিলাম। বাস পামু কি-না চিন্তা করতাছিলাম। ১ নাম্বার মোড়ে একটা ৬ নাম্বার বাস দেইখা তাড়াতাড়ি উইঠা পড়লাম, সিটও পাইলাম। যারা ৬ নাম্বারে জার্নি করছেন তারা জানেন এই বাসে সিট পাওয়া কত টাফ!

২.
ছুটির দিনের রাইত। তাই রাস্তা অন্যান্য দিনের চেয়ে ফাঁকা ফাঁকা লাগতাছিল। বাইরে থেকে নজর বাসের ভিতরে আনলাম। চোখ ঘুরাইয়াই আমার কইজাডা শুকাইয়া গেল! সামনের সিটে দেহি আপাদমস্তক সাদা কপড়ে ঢাকা একটা লাশ বইয়া রইছে। ভাল কইরা খেয়াল করলাম-মুখে লম্বা কালা দাড়ি ঝুলতাছে।চোখ পিটপিট করতাছে। বাম হাতে দেহি শক্ত কইরা একটা কালা ব্যাগ ধইরা রইছে। আমি একটা হার্ট বিট মিস করলাম। তখনই মনে পড়লো- বাসে উঠার দোয়া পড়া হয় নাই। দুয়া পড়লাম। দেরিতে পড়লাম কারনে কাম নাও হইতে পারে, তাই রিইনফোর্সমেন্ট হিসাবে বেহেশতে গাছ লাগানির দুয়াডা কয়েকবার পড়লাম। পঞ্চইন্দ্রীয় ডাইকা লাগাইয়া দিলাম হুজুরের পিছে। পেট একটু ফুলাফুলা লাগতাছে। বোমা বাইন্দা রাখছে কি-না সিউর হইতে পারতাছিলাম না। দেখলাম তারতুর কুথাও ঝুইলা রইছে কি-না। নাই। এমন সময় আকামডা অইলো। উল্টা ঘুইরা সোজা আমারে জিগাইলো, এইডা কী গুলশান? আমার পঞ্চইন্দ্রীয় জানান দিল, এই বেডা গুলশান চিনে না। যে পাডাইছে হে খালি কইছে, গুলশানে মাইয়ারা ন্যাংটা হইয়া ঘুইরা বেড়ায়। ধর্মের পঁচন আগে শুরু অয় গুলশানে, পরে ক্যান্সারের মত পুরা বাংলাদেশ ছড়াইয়া যায়। ধর্ম রক্ষা করতে অইলে অইখানে একটা ফাডানি লাগবো। আমি তাড়াতাড়ি রাস্তায় চোখ ঘুরাইলাম, কোন আধা ন্যাংটা মাইয়া দেখা যায় কি-না। নাই। একটা বেশরম বিলবোর্ড আছিল- হেইডাও দেখলাম অন্ধকারের জন্য বুজা যাইতাছে না। কইলাম, এইডাই গুলশান। মুবাইল বাইর কইরা হে একটা কল দিল। আমার কান তখন দুনিয়ার যেকুনো ফ্রিকোয়েন্সী ধরতে পারে। হুনলাম কারে জানি কইতাছে, আজকে রাতটা মহাখালী থাকবো। কাইল কী যেন কাম আছে। মনডা শান্ত হইলো। যাক্, কালকের আগে অন্ততঃ এর মরার প্ল্যান নাই। আমি কুনো মতে মহাখালী পর্যন্ত যাইতে পারলেই বাঁচি। কাইল ফকির খাওয়ামু কয়ডা। তাও সজাগ থাকলাম- কওন তো যায় না, আমারে দোকাও দিতে পারে। পুলিশ-সাংবাদিক গোই যেইবাবে দিল।

৩.
আইজকা মনে অইতাছে, বাসে না যাইয়া হাইট্টা গেলেও আগে যাওন যাইতো। ওয়ারলেছ গেট আসার পর কয়েকজন নাইমা গেল। এমন সময় নাকে কিসের জানি সুবাস আইসা লাগলো। আমি বইছিলাম দরজার সাথে। দেখলাম সামনে দিয়া আরেকটা সাদা লাশ ভিতরে উঠতাছে। এর চোখে আবার চশমা। মনে অইলো, ব্যাগ ভরা মওদুদী বই নিয়া উরছে। এইগুলা তো আরও ভয়ংকর! হুশিয়ার থাকলাম। ঠিক করলাম এইডা যদি আগেরটার লগে কথা কয়, বা চোখের দিকে চায়- আমি বাস থেকে লাফ দিমু। আমার মায়ের চেহারাডা চোক্খের সামনে ভাইসা উঠলো। এইবার বাড়ীত যাইয়া দেইখা আইছি, আমার মায়ে মাদ্রেসায় সাহাইয্য দেওয়া বন্ধ কইরা দিছে। মাদ্রেসার পুলাপান ট্যাকা চাইতে আইলে গেইট খুলে না, কুনো কতাও কয় না। সব দুষ দিলাম আমার মায়েরে। মায়ে ট্যাকা দিতাছে না বইলা এইসব ভবিষ্যত নিয়া শংকিত মাদ্রেসার পুলাপানগুলারে পাকিস্তানী জারজগুলা কিইন্যা নিতাছে। আর অগোর দিয়া বোমা ফাডাইতাছে। আমি ঠিক করলাম, এইবার বাড়ীত যাইয়া ট্যাকা দেওয়া আবার চালু করমু যদি আইজকা জান নিয়া বাসায় যাইতে পারি। বাস একটু তাড়াতাড়িই আইলো মনে হইলো। মনে অইলো মাদ্রেসার পুলাপানগুলারে ট্যাকা এইবার দিওনই দরকার। বাস থেকে নাইমা বুকে তিনডা বড় বড় ফুঁ দিলাম।

৪.
নিকুঞ্জ যাওয়ার এই অইলো এক ঝামেলা- গুলশান থেকে ডিরেক্ট কুনো বাস সার্ভিস নাই। আমতলী নাইমা লুকাল বাসে উঠতে হয়, নইলে হাইটা হাইটা ফ্লাইওভারের মাথায় যাইয়া সিটিং বাসে। আমি এইখান থেকে লুকাল বাসে উঠি না, ফ্লাইওভারের মাথায় যাইয়া সিটিং বাসে উঠি। বাসের কাউন্টারে আইসা মাথা ঘুরাইয়া গেল। সব কাউন্টারই বন্ধ হইয়া গেছে। একটা চালু আসে- তাও আবার না-কি লাস্ট ট্রীপ আইতে পারে। ১০ মিনিটের মধ্যে না আইলে কাউন্টার বন্ধ কইরা যাবো গা- তাই টিকেট দিতাছে না। আর সবার সাথে আমিও খাড়াইয়া রইলাম। একজনে হাঁক দিল, বাস আইছে। অমনি সবাই একসাথে কাউন্টারম্যানরে চাঁইপা ধরলো। আমি ভীড়ের মধ্যে মানিব্যাগ আর মুবাইল সামলাইয়া গুতাগুতি শুরু করলাম। এমন সময় নাকে এক নূরানী গন্ধ আইসা লাগলো। ঘাড় ফিরাইয়া দেখলাম, বাসের চশমায়ুলা লাশটা আমার পিছে খাড়াইয়া ধাক্কাধাক্কি করতাছে। আমি কোন দিকে না চাইয়া এক লাফে তিন হাত পিছাইয়া গেলাম। পিছাইয়াই দে দ্দৌড়...। আইজকা আমি নিকুঞ্জ দৌড়াইয়াই যামু...

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
দুরের পাখি বলেছেন: খিক খিক । অগ্নি মনে হয় ঠিকই আছে । ফেসবুকে দেখলাম লয়া ছবি আপলুড করছে, কাইল্কা । বুমে হাত ঠ্যাঙ ভাঙলেতো করতারত না ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস গড। আমি আবার ফেসবুকে নাই অনেকদিন- ডিএক্টিভেট কইরা রাখছি।

২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: কী হইল দেশটার ! মাইনসে যাইব কই ?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আমজনতার দৌড় ছাড়া কুনো গতি নাই।

৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ভালই লেখছেন। অগ্নি কেমন আছে?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আমার সাথে কয়েকদিন যোগাযোগ নাই। দুরের পাখি আভাস দিল- ভাল আছে।

৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আব্বে অয়ে।। মিয়া বাই ত পুরা কাহিনী জমায়া দিছেন। বুজছি, আপনি বড় হইয়া আমার মত আইবেন। খ্যাক খ্যাক ।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: যদি পাগলা হওয়ার লোভ দেখান- তাইলে রাজি। আমার মনে হয় পাগলদের উপরই এখন কারো নজর নাই। ;)

৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন: চরম লেখেছেন, পড়ে ভালো লাগল। কিন্তু এভাবে ভীতির মধ্যে আর কতদিন?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আমাকে যদি পার্সোনালি জিজ্ঞাসা করেন তাহলে বলি, ধর্মের কুলাংগার মারার জন্য আমি এক পায়ের উপর খাড়া। কিন্তু সমস্যা হইতাছে ওদের মাথা বিগড়াইয়া গেছে কারনে ওরা ডেডিকেটেড। জীবন বাজী রেখে লড়ার মতো ডেডিকেশ্যন আমাদের মধ্যে যত দিন না আসবে, ততদিন আমরা দৌড়ের উপরই থাকবো।

৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমার পাচ বছরের অভিজ্ঞতা হইল, অভুক্ত এবং অসুস্থ্য প্রেমিকের আব্দার মেয়েরা ফেলতে পারে না।

জটিল গুরু...এইরম কিছু এক্সপেরিয়েন্স আমগো চুডু ভাইগোরে জানান দেন;)
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: :P যাও পড়তে বস।

৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
হাল্ক বলেছেন: কমেডি ভালা হইছে।

তোর ভূতের মা কি বিশেষজ্ঞ চেম্বার দিছে? আমারে ঠিকানা দিলি না। একটু ঘুইরা আইতাম।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: হ, একমাসের জন্য। ২-৮ বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য। বাচ্চা থাকলে আমারে কল দিস। নিয়া যামু নি :)

৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
অচেনা সৈকত বলেছেন: অসাধারণ লেখা। ঘুমোতে যাবার আগে পড়ে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেল।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ঘুম আবার ভাইঙ্গা গেল না-তো স্যার! :)

আর, আপনি আমার একজন প্রিয় লেখক।

৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
সীমানাহীন বলেছেন: @অচেনা সৈকত আপনি বুয়েটের কোন ডিপার্টমেন্টের টিচার?
১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
হাল্ক বলেছেন: তোর ব্লগ প্রিয়তে নিলাম । অনেকদিন পর ভালো কমেডি পড়লাম। দ্বিতিয়বার পড়ার সময় মনে হইল তুই এই লাইনে ভালো করতে পারতি। ইকনোমিক্স নিয়া লেখনের জন্য লুকের অভাব নাই, সত্যিকারের রম্য লেখকের খুব অভাব।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: খারাপ কস নাই।
কিন্তু সমস্যা হইতাছে, পাওয়ার স্ট্রাকচারের উপর আমার আগ্রহ বেশি। এই লাইনে মন-প্রান দিয়া নামছি। বেকুব না হইলে এই লাইনে কি আর আমি আইতাম! পইড়া থাকতাম ঐ মেশিনের চিপায়।

১১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
হাল্ক বলেছেন: আমি যেইটা বিশ্বাস করি, পেটের জন্যে যে পড়াশুনা, সেইটারে অইখানেই ফেলে রাখা উচিত। এই কারনেই fluid mechanics বা hydrology নিয়া আমি বহু ব্লগ লিখতে পারলেও কখনো লেখি না।

ব্লগে আসি ফুর্তি করতে। সিরিয়াস আলোচনা করার জন্য না। আরেকটা কথা, If u are good at something, never do it for free.
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি ব্লগে আসছিলাম বাজারের হালচাল ব্লগে ছড়াইয়া দেওয়ার জন্য। পরে তো আমি ব্যাখ্যা করছিই যে, ব্লগ ঐ প্যাঁচালের জন্য না। কিন্তু সিরিয়াস বিষয় নিয়া মস্করা করতে আমার খুব কষ্ট লাগে। তারপরও মস্করাই করতে হইতাছে।

১২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
ডেমিয়েন থর্ন বলেছেন: আমার পাচ বছরের অভিজ্ঞতা হইল, অভুক্ত এবং অসুস্থ্য প্রেমিকের আব্দার মেয়েরা ফেলতে পারে না



সহমত। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গ্যালো
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: :) :) :)

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
দ্বিধা বলেছেন: চরম হইসে... ;)
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: হুমম্ ... ;)

১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
জান্‌নাতী বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে পুরোটা। ভূতের মাকে শুভেচ্ছা (রাতে কি তার সাথে বাত-চিত হয়েছিলো শেষতক?)। লেখাটা মজার হলেও রাস্তায় আসলেই সাবধানে চলাফেরা করা চাই।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যা, বাতচিত করতে যাইয়া প্রথমে কিছুক্ষন গালি খাইছি। :P
রাস্তায় চোখ-কান খোলা রাইখেন।

১৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
জান্‌নাতী বলেছেন: জ্বি ভাই, আমাদের এখানে তো ভয়াবহ টেনশানে সময় কাটাই।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাদের ওখানকার কালচারাল ইনফো দেন... তাইলে বুঝা যাইবো কার ঘাড়ে চাইপা শয়তান রাস্তায় নামছে। ;)

১৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৮
অগ্নিকন্যা বলেছেন: আমি খুবই অবাক হলাম!!!!! তুমি আমাকে নিয়েও চিন্তা করেছ??? তোমার এই ফিলিংস আমাকে হতবাক করলো।



আমি ভালো আছি। তোমরা ভালো থাক সবসময়। শোন আমি তোমাদের বিয়েতে তোমার বৌকে সাজাবো, হলুদের সব দায়িত্ব আমার। খুব মজা করবো।











২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: ১.তোমাকে নিয়া চিন্তা করছি বইলা আসমানে উইঠো না। নেহাত ভুতের মার সাথে দেখা করছিলা বইলা তোমার নামডা মাথায় আসছিলো। ;) মাথার আর দোষ কি বল! এইডারে তো আমি আর বাইন্দা রাখি নাই

২.ভাল আছো শুইনা ভাল লাগলো।

৩.আমরা বিয়েতে একটা পয়সাও খরচ করতাম না। তোমার ট্যাকা দিয়া করতে চাইলে খালি হলুদ ক্যান, মাইয়ার বাড়ী-জামাইর বাড়ী সব তুমিই সাজাবা

১৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
মেঘ বলেছেন: ভালো লাগলো
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: আমারে ধন্য করলেন

১৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
মদন বলেছেন: জটিলসসসসসসসসসসসসস :)
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: হাতের কলাটার দিকে নজর পড়ছে ;)

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২২
অচেনা সৈকত বলেছেন: সীমানাহীন@ আমি আই.পি.ইতে পড়াতাম। এখন শিক্ষা-ছুটিতে আমেরিকায় আছি।
২০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
হাল্ক বলেছেন: কিরে বিয়াতে টাকা খরচ করবি না ক্যান?
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: আমি বিয়ার অনুষ্ঠানগুলা ভালা কইরা অবজার্ভ কইরা দেখছি- এইগুলান সব লোক দেখানো, মানুষ খালি ক্যাচালের তালে থাহে। তার চেয়ে ট্যাকাগুলা দিয়া নিজেরা ফুর্তি করলে আত্মা শান্তি পাব।

২১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
জান্‌নাতী বলেছেন: আমাদের এখানকার অবস্থা তুলনামূলক ভালোই। কিন্তু একটা টেনশান কাজ করে (কেউ অন্যভাবে নেবেন না আশা করি)- মৌলবাদীদের হুমকি এখানে খুব বেশি আতঙ্কের বিষয়! আর কে না জানে, ওসামা বিন লাদেন বা এইজাতীয়দের পরবর্তী টার্গেট সম্ভবত লন্ডন। সবমিলিয়ে ভালো লাগে না ভাই।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: লন্ডনের ব্যাপারে আমার নজর খারাপ। ঐখানে যা হয় সেইগুলারে আমি পূর্ব পূরুষদের পাপের ফল বা ইতিহাসের প্রতিশোধ বইলা ধইরা নেই। কিন্তু এই দেশের নিরীহ মানুষগুলা পুরা ইতিহাস জুইড়াই গুতা খাইতাছে। এরা এগুলা ডিজার্ব করে না আর।

২২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
হাল্ক বলেছেন: নিজেরা ফুর্তি করবি শালা!! আমাগো অন্তত একবেলা খাওয়াবি না।

বদদোয়া দিমু কইলাম।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: অনুষ্ঠান করমু না, কিন্তু বন্ধু গো কোন চীপ রেস্টুরেন্টে খাওয়াইয়া দিমু। চিন্তা করিস না

২৩. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
কালপুরুষ বলেছেন: এতো বড় লেখা আমা অহন পড়তে পারুমনা। পরে পড়ুম। এমনেই আমা গদ্য কম পড়ি আর উপর বেঢইক্কা সাইজ।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: :( ঈমানে কইলাম, একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠতে পারতেন না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ;)

২৫. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বহুৎদিন পর কমেন্ট করার মত একখান পুস্ট পাইলাম। হাসতে হাস্তে হাস্তেই থাকলাম... :) :)
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: হাসেন... হাসলে হার্টের ব্যায়াম হয় ;)

২৩ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪১

লেখক বলেছেন: তিন মাস পর আপনার হাসি আসলো!!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৮০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘাস কাটি
nossho.raj@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই