কেউ বলে ডিজিটাল টাইম, কেউ বলে হাসিনার টাইম। ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে নেওয়ার ১ মাস পুর্ন হল আজ। যতদুর জানি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্যই ঘড়ির কাটা ১ ঘন্টা এগিয়ে নেওয়া। কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে বলেতো মনে হয় না। আগের মতই লোড শেডিং হচ্ছে। এমনকি আগের চেয়েও বেশি। গতকাল আমাদের এলাকায় সন্ধ্যার পর লোড শেডিং হয়েছে ৩ বার। পড়শুদিন হয়েছিল ৪ বার।
এখন অফিসে আসতে হচ্ছে বর্তমান সময় ৯টায়, মানে আগের সময় ৮টায়। একটু তাড়াহুড়া হয়েই যাচ্ছে। সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের। যাদের স্কুল আগে ৮টায় শুরু হত তাদের এখন ৮টায়ই শুরু হচ্ছে, অর্থাৎ আগের সময় ৭টায়। এটা তাদের জন্য বেশ কষ্টকরই বটে। বাচ্চাদের স্কুলের সময়সুচির সাথেতো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কোনো বিষয় জড়িত নাই। তাই আগে যাদের স্কুল ৮টায় শুরু হত বর্তমান সময় অনুযায়ী তাদের স্কুল ৯টায় শুরু করা উচিত বলে আমি মনে করি।
আগে যারা ১:৩০ মিনিটে লাঞ্চ করত, এখন দেখতে পাচ্ছি তারা ২:৩০ মিনিটে লাঞ্চ করছে। কারণ সারাজীবন তারা এই সময়ই লাঞ্চ করতে অভ্যস্ত। আগে যারা রাত ১২টায় ঘুমাতে যেত তাদের অধিকাংশই এখন ১টায় ঘুমাতে যাচ্ছে। ফলে সকালে উঠতে এক ঘন্টা দেরি হচ্ছে। অফিসে আসতে বেশ তাড়াহুড়া করতে হচ্ছে। সকাল বেলা হাটাহাটি, জগিং করাও হচ্ছে না।
কলেজ ভার্সিটির অনেক ছাত্রই সন্ধ্যার পর টিউশনি করে থাকে। এখনতো সন্ধ্যা হয় ৭:৪৫ মিনিটে। পড়ানো শুরু করতে তাদের ৮ টা, ৮:৩০ বেজে যাচ্ছে। কারণ বিকালে কেউ পড়তে চায় না। বিকালে তারা খেলাধুলা করবে, আড্ডা দেবে এটাই স্বাভাবিক। যারা সন্ধ্যার পর দুইটি টিউশনি করে তাদের বাসায় ফিরতে প্রায় ১১ টা বেজে যাচ্ছে। এর পর আর সময় কই?
যাই হোক, যে আশা নিয়ে সরকার ঘড়ির কাটা ১ ঘন্টা এগিয়ে নিয়েছিল তা সফল হয়নি নি:সন্দেহে বলা যায়। কোনো লাভই যখন হচ্ছে না তখন আর এক ঘন্টা এগিয়ে রেখে লাভ কি? আমার মতে এখনই ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা পিছিয়ে আবার আগের নিয়মেই ফিরে যাওয়া উচিত।
জানি লেখাটা একদম খারাপ হয়েছে। তারপরও লিখলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


