কোন কোন শহরের একটি প্রতীক বা সুনাম থাকে। যার উল্লেখ করলে চোখের সামনে ভেসে উঠে সে শহর। যেমন আইফল টাওয়ার বললে প্যারিস বা বিগবান বললে লন্ডন। তেমনি আমাদের এ বাংলাদেশেও বিভিন্ন শহরে রয়েছে প্রতীক বা সুনাম। সেই প্রতীক বা সুনামের কথা উঠলেই অনায়াসেই সেই শহরের কথা বলে দেয়া যায়। যেমন মৌসুমী ফল কাঁঠালের কথা বললেই সাভার অথবা কলার জন্য পরিচিত নরসিংদী। সেরকমই জ্যৈষ্ঠের এ মধুমাসে আম বা লিচুর কথা বললে সহজেই বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তর বিভাগীয় শহর রাজশাহীর কথাই চলে আসে।
বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত এই শহরটি যেমন রয়েছে অনেক ঐতিহ্য তেমনি সুপরিচিত মধুর মাসের ফল আমের জন্য। পাশাপাশি লিচু তো রয়েছেই। বর্তমানে মৌসুমী ফল আম-কাঁঠাল লিচুতে বাজারগুলো সয়লাব। ফলের প্রতি দুর্বলতা কম-বেশি সবারই রয়েছে। বাজার থেকে কিনে ফল খাওয়ার চেয়ে যদি সেই ফলের বাগান থেকে ফল খাওয়া যায় তবে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন ধাঁচেরই হয়। আর এ ভিন্ন ধাঁচের আয়োজন করেছে পর্যটন কর্পোরেশন। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটকদের জন্য গ্রীস্মের ছুটি কাটাতে পাঁচটি ভ্রমণ প্যাকেজের আয়োজন করেছে। এ ছুটি কাটানোর পাশাপাশি দেখে আসতে পারেন রাজশাহীর আম্রবাগান।
পর্যটন প্যাকেজে যা থাকবে : বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন তিন দিনব্যাপী যে ভ্রমণ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে, তাতে থাকবে নসি বাসে অথবা মাইক্রোতে যাতায়াত ব্যবস্থা, থাকার জন্য পর্যটনের নিজস্ব রেস্ট হাউজ এবং উন্নতমানের খাবার ব্যবস্থা। এছাড়াও এ প্যাকেজের মাধ্যমেই রাজশাহীর দর্শনীয় স্থান যেমন পুটিয়া, বড়কুঠি, দীঘাপাতিয়া, নাটোরের রাজবাড়ী, চলনবিল, সোনাদীঘি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বৃহত্ততম সুন্দরী নদী পদ্মা ছাড়াও আরো অনেক জায়গা। তবে এ প্যাকেজের ম্যানেজমেন্ট অফিসার জয়নুল উদ্দিন আকবর জানালেন প্যাকেজের মূল আকর্ষণই হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম্রকানন, কানসাট পাইকারি আমের হাট, গৌড়ের ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ ও শাহ্ মখদুম (রাঃ) মাজার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


