ও আমার দেশের মাটি
তোমার পরে ঠেকাই মাথা...
যে মাটি আর মানুষের মনে এমন অন্প্রাণতা.. সেই দেশের দিন বদলের সোনার ছেলে ছাত্রলীগ কর্মীরা একি করলো!!!!!!!!!!!!!
শিক্ষককে পিটিয়েছে!!!!!!
যেখানে বাদশাহ আলমগীরের সেই কবিতা দিয়ে শৈশবের পাঠ...
বাদশাহ অসন্তুষ্ট তার ছেলে শিক্ষকের পায়ে শুধূ পানি কেন দিচ্ছিল? কেন নিজে হাত দিয়ে পা ধূয়ে দেয়নি!!!
এই আদর্শ শিক্ষার দেশে একি ইতিহাস!!! মুক্তবুদ্ধি, স্বাধীনতার চেতনা আর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের দলের ছেলেদের এ কেমন দিন বদল!!!!!!!!!!!!!!
খুলনা ব্যুরো
দাবি মতো ভর্তির কোটা বরাদ্দ করতে অস্বীকার করায় খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তিন শিক্ষককে ছাত্রলীগ কর্মীরা পিটিয়েছে। পুলিশ এ ক্ষেত্রে রহস্যজনক কারণে প্রথম থেকেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন। পরে অবশ্য আহত তিন শিক্ষককে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও ছাত্ররা জানান, প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রমের শুরু থেকে ছাত্রলীগ দুই শিফটে ১০০টি করে দলীয় কোটা দাবি করে। ইতোমধ্যে প্রথম শিফটের ৪৩২টি আসনে ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বুধবার দ্বিতীয় শিফটে ভর্তির ছিল দ্বিতীয় দিন। ছাত্রলীগ তাদের দাবি মতো কোটা না পেয়ে সকাল ১০টার দিকে অধ্যক্ষের কক্ষে হামলা চালায়। এ সময় অধ্যক্ষকে রক্ষা করতে সব শিক্ষক এগিয়ে গেলে ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে তাদের তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক মোঃ ফরিদউদ্দিন, ইলেকট্রিক্যালের শেখ মাহফুজুর রহমান ও পাওয়ার বিভাগের মোঃ তাওহীদ গুরুতর আহত হন। আহত তিন শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের অধ্যক্ষের রুমে ঢুকিয়ে তারা দরজায় তালা লাগিয়ে দেয়। ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীরা এ সময় ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় ্লোগান দেয়।
ছাত্রলীগ কর্মীদের একাংশ মেইন গেটে অবস্থান নিয়ে পুলিশ ও র্যাবকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা দেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে দুপুর দেড়টায় পুলিশ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আহত শিক্ষকদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তবে ছাত্রলীগ কর্মীদের উচ্ছৃঙ্খলতা নিয়ন্ত্রণে কোনো ব্যবস্থা পুলিশ নেয়নি।
অপর দিকে ছাত্রলীগ দাবি করেছে, শিক্ষকরা তাদের দলের তিন কর্মীকে রুমে আটকে মারধর করেছেন। এতে আহত তিন কর্মী তানভীর, রেজাউল ও সজলকে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মামুন অভিযোগ করেন, ওয়েটিং লিস্ট থেকে ভর্তির ব্যাপারে শিক্ষকরা অনিয়ম করছিলেন। এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের কর্মীদের মেরেছেন। তবে শিক্ষক পেটানোর অপরাধ ঢাকা দেয়ার জন্য ছাত্রলীগের তিন কর্মী আহত হওয়ার ভান করে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে উল্টো শিক্ষকদের দোষারোপ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
তাদের অভিযোগ সম্পর্কে শিক্ষকরা বলেন, কোনো অনিয়ম করা হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনেই ভর্তি করা হচ্ছে।
সূত্র :http://www.dailynayadiganta.com/fullnews.asp?News_ID=157787&sec=4

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


