আহমাদিয়াদের অমুসলিম বলা হবে কেনো?
২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৩৭
সংশোধনবাদীতায় কেউ কম যায় না, আহমদীয়া সমপ্রদায়ের বিশ্বাস এবংইসলামকে দেখার ভঙ্গি একটু আলাদা, খাতমে নবুয়তের ধারনাটা এমন ভাবে প্রচলিত যে মুহাম্মদই শেষ নবী এবং প্রেরিত রসুল, আহমাদীয়াদের ধারনায় বিষয়টা আরও একটু আলাদা, তাদের ভাবনায় নবুয়তের মোহর শব্দটা ধরা দিয়েছে ভিন্নার্থে, তাদের বক্তব্য মুহাম্মদের মোহরানা থাকবে পরবর্তি নবীদের উচর, মুহাম্মদের স্ব ীকৃতি অনুসারে পরবর্তি নবী আসবে। ইহুদিদের ধারনায় নবী শব্দটা শিক্ষক এবং পথপ্রদর্শকের, মুহাম্মদের শিক্ষা প্রচারের জন্য যুগের বদলের সাথে নতুন শিক্ষক আসবে এই ধারনাটা বেশ চমৎকার একটা ধারনা,
ইহুদিরাও এমনটাই ভাবে যে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই বনী ইসরাইলকে পথ দেখানোর জন্য একজন আসবে পৃথিবীতে। মুহাম্মদের অনুসারীদের ভেতরেও এমন একটা ধারনা আছে, সত্যের সৈনিক হিসেবে ইমাম মেহেদির আগমন ঘটবে। তার উপরে নতুন কোনো কেতাব অবতীর্ব হবে না তবে তিনি মুহাম্মদের এবং একত্ববাদের ধারনাকে নতুন প্রান দিবেন।
এই ধারনাটার বদল হবে যুগের সাথে, ধর্ম পরিবর্তনশীল, যুগের দাবি পূরন করতে গিয়ে ধর্ম সংস্কারের প্রয়োজন চলে আসছে, বিশ্ব জুড়ে ইসলামী স্কলাররা এই কাজটাই করছেন, তারাও ধর্মের নতুন ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, ছবি তোলার বিষয়টা একেবারে নিষিদ্ধ হলেও যুগের প্রয়োজনের ধর্মপ্রাণ মুসলিম রা ছবি তোলাতেও আপত্তি করছে না, তাদের ঘরে ছবি সাজাতেও আপত্তি নেই, কিন্তু এই শিক্ষক মেনে নেওয়ার ঘটনায় এক দল মানুষ একটা ইমামের শিক্ষা মেনে নিচ্ছেন- তার ব্যাখ্যা করা ইসলামের অনুভব ধারন করছেন- কোরান হাদিসের স্পষ্টতার অভাবটা এভাবেই তারা নিজের মনমতো পূরন করছেন। কোরানে বর্নিত আছে শুধু মাত্র চারপেয়েদের তৈরি করা হয়েছে চলাচলের সহায়ক মাধ্যম হিসেবে, উট ঘোড়া, এসবের পিঠে চেপে ইসলাম সামনে এগিয়েছে, এখন প্লেন, বাস, ট্রেন এসব নিয়েও চলছে, পর্দাপ্রথার বিষয়েও বিভিন্ন ব্যাখ্যা আছে, এসব শিক্ষা মানতে পারলেও তাদের স্পষ্ট আপত্তি নবী শব্দটাতে, এছাড়া সমস্যাটা নেই, যদি আহমাদিয়া সমপ্রদায় তাদের নেতাকে নবী ঘোষনা না দিয়ে ইমাম ঘোষনা দিতো হয়তো তাদের প্রতি সহানুভুতিশীল আচরন করে একটু বিবেচনার চেষ্টা করতো মুসলিমেরা। বাংলাদেশের পীরের শিক্ষায় শিক্ষিত মুসুল্লি কম নেই, তারাও এই ব্যাখ্যা মেনে নিয়েছে, অথচ সেই সব পীরের মুরিদানরা কোনো মতেই আহমাদিয়া সমপ্রদায়কে মেনে নিতে নারাজ।
সমস্যা কি ? কেতাব আছে 1400 বছর পুরোনো,এখনও মানুষ জন সেইগুলোকে নতুন আলোকে দেখছে, বুকাইলি সাহেব সৈদি সরকারের টাকায় আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে কোরানের সঙ্গম ঘটিয়েছেন সফল ভাবে, কোরানের আয়াতের ব্যাখ্যার এই নতুনত্ব মেনে নিতে আগ্রহী হলেও আহমাদিয়াদের কোরানের ব্যাখ্যা মেনে নিতে সমস্যা কি?
তারা থাকুক তাদের বিশ্বাস নিয়ে, তাদের উপাসনাপদ্ধতি তাদের অনুভব একটু আলাদা হলে কোনো ক্ষতি নেই,
নবুয়তের সিলমোহর বলে বিবেচিত মুহাম্মদের বিষয়ে এই ব্যাখ্যাটা আমার কাছে যুক্তিসংগত মনে হচ্ছে, সিল মোহর যদি বলাই হয় তাহলে মুহাম্মদ কোথায় মোহরানা বা নিজের নামাংকন করবে? আহমাদিয়া সমপ্রদায় বলছে মুহাম্মদের মোহরানা অংকিত হলেই নতুন যুগে নতুন নবী আসবে, ইসলামের শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার চেষ্টায় সংস্কারের চেষ্টায় যুগে যুগে শিক্ষক আসবেন-
আব্দুল কাদের জিলানীর বিষয়েও এমন কিছু ধারনা প্রচলিত, তাকে মেনে নিতেও কোনো সমস্যা নেই কারো।
বান্না সাহেবের র্যাডিক্যাল ইসলামের ব্যাখ্যা, মাওদুদির ইসলামের ব্যাখ্যা, তাবলিগ এ জামাটের ইসলামী ব্যাখ্যা ও শিক্ষা গ্রহন করার মানুষ আছে অথচ আহমাদিয়াদের বিষয়টা মেনে নিতে সমস্যা কি?
আহমাদিয়ারা কিছুটা শক্ত, নিজস্ব বিশ্বাসকে শুদ্ধ মনে করলে এমন একটা অবস্থান চলেই আসে, মুসলমানরা শুধুমাত্র কেতাবধারীদের বিয়ে করতে পারবে, তবে মুসলিম মেয়েদের জন্য শুধুমাত্র মুসলিমকে বিয়ে করার রেওয়াজ, আহমাদিয়ারাও একই রকম ধারনায় বিশ্বাস করে, দোষের কিছু নেই , তারা অন্য আহমাদিয়া ইমাম ছাড়া অন্য কোনো ইমামের পেছনে নামাজ পড়বে না, কোনো মুসলিম গীর্যার ফাদারের ইমামতিতে নামাজ পড়ে না। কোনো মুসলিম োান্য ধর্মের কোনো মানুষের জানাযায় অংশগ্রহন করে না, আহমাদিয়ারাও অন্য ধর্মের মানুষদের জানাযায় অংশগ্রহন করে না, মুসলিমদের যা যা দোষ আছে আহমাদিয়া সমপ্রদায়ও ঠিক সেই সেই নিয়মে নিজেদের বন্ধ রেখেছে,তারাও আহমাদিয়া ছাড়া অন্য কারো সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনে নারাজ- তারাও আহমাদিয়া না হলে তাদের জানাযায় অংশগ্রহন করতে চায় না, তারা আহমাদিয়া বিশ্বাসের বাইরের ইমামের পেছনে নামাজ পড়তে ইচ্ছুক না,
মুসলিমদের ধারনায় মুহাম্মদকে বিশ্বাস না করা সকল মানুষই কাফের, আহমেদিয়ারাও ঠিক একই রকম দঃারনায় বলছে, যেহেতু নবুয়তের সিলমোহরের দঃারনাটাকে ভিত্তি করে আমাদের ঘোষনা আমাদের শিক্ষক এসেছেন, তার শিক্ষায় বিশ্বাস করা সবাই মুসলিম এবং এর বাইরে যারা আছে তারা কাফির।
বেশীর ভাহ মুসলিমের এই ধারনা পছন্দ হচ্ছে না, তারা নিজেদের কাফের ভাবতে রাজি না।
তবে যুক্তিগুলো ভেবে দেখতে পারে। অন্য সব ধর্মেই এমন কিছু সমপ্রদায় আছে যারা বিভিন্ন বিশ্বাস নিয়ে চলছে, তাদের আলাদা ব্যাখ্যা আছে, এবং তারা সেই ব্যাখ্যামোতাবেক জীবন যাপন করে।এবং তাদের ব্যাখ্যা যারা মেনে চলে না তাদের অশুদ্ধ ধর্মাচারি ভাবে,
আহমাদিয়ারাও এমন ধারনা নিয়ে চলছে, তাদের মুসলিম না বলার কোনো যৌক্তিক কারন নেই।
প্রকাশ করা হয়েছে: দিনলিপি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অপ বাক বলেছেন:
বিষয়টা ক্ষমতার দ্্বন্দ্ব, মাওদুদি সাহেবের লেখা পড়ে এমনটাই মনে হচ্ছে আমার, তার যুক্তি হলো এরা মুসলিম উম্মাহর ভেতরে থেকে অর্থনৈতিক বিভক্তির সূচনা করছে, তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা বাড়ছে, অন্যসব মুসলিম ভিন্নামতালম্বিদের বিষয়ে তার যুক্তিটাও এমনই ঘোলাটে, তারা নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে এবং তাদের অমুসলিম বলাটার ঔচিত্য নিয়েও মাওদুদি সাহেবের মাথা ব্যাথ্যা নেই, সমস্যা কাদিয়ানিদের অর্থনৈতিক ক্ষমতা।
সাইফ ভুইয়া বলেছেন:
ইসলামকে দুনিয়া থেকে উৎক্ষাত করার জন্য এক কাদিয়ানীদের ভ্রান্তীই যথেষ্ট। খাতামুননায়ীন বলতে শেষ নবী কেই বুঝায়। তার পর শিক্ষকরা আসতে পারে, স্কালার রা আসতে পারে কিন্তুনবী আসতে পারে না। সে জন্যেই মহান আল্লাহ এই ব্যবস্থা করেছেন। যদি ঐ পথ খোলা থাকতো তো অপবাক নামের নবীর অভাব হইত না। তবে কাদিয়ানী নিয়ে কিছু উগ্রপন্থিদের কর্মকান্ড কখনই সমর্থন যোগ্য নয়। কাদিয়ানিরা কাফির যারা তাদের মুসলিম হিসাবে মেনে নিবে তারাও কাফির । এটিই ইসলামের বিধান।
অপ বাক বলেছেন:
নবী শব্দটার মূলগত অর্থ শিক্ষক, পথপ্রদর্শক, কুরানের বর্ননা মতেও অর্থটা সেরকমই, নতুন কেতাব আসার অর্থ কিছু নিয়মের বদল, এবং যারা কেতাবপ্রাপ্ত নবী তাদের রসুল বলে, একেবারে প্রথমিক পর্যায়ের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলাটা কি ঠিক হচ্ছে?আহমাদিয়ারা বলছে না তাদের উপর নতুন কেতাব আসছে, তারা পূর্ববর্তিদের শিক্ষা প্রচার করছে এবং মুহাম্মদের শিক্ষার প্রতি অনুগত থেকেই করছে কাজটা। যে অর্থ ইমাম শিক্ষক সেই অর্থ নবিও শিক্ষক,
আর কাদিয়ানিরাও একই কথা বলছে মুসলিমদের নিয়ে, তারা সরাসরি মুসলিমদের বিভ্রান্ত বলছে, বলছে তারা খতমে নবুয়তের অর্থটাকে উপলব্ধি না করেই ফিৎনার সূচনা করছে, তারা মুসলিমদের সাথে সম্পর্ক ছেদ করেছে, ঠিক যেভাবে মুসলিমরা ইহুদি নাসারাদের থেকে সম্পর্ক ছেদ করেছিলো।
মুসলিমদের দোষ যা তার পরিপূর্ন নিদর্শন আছে কাদিয়ানীদের ভেতরে, আয়নায় নিজেদের ছায়া দেখে আঁতকে উঠার কিছু নেই।
অতিথি বলেছেন:
ফাইনালিটি অফ পফেটহুডের ক্ষেত্রে লাহোর আহমেদিয়া মুভমেন্ট কমিটি কিন্তু মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানীকে নবী মনে করেন না। তবে কাদিয়ানীদের অর্থণৈতিক ক্ষমতার বিষয়ে আরো ব্যাপক তথ্য চাই। আমি একদম কিছুই জানি না এ বিষয়ে।
সাইফ ভুইয়া বলেছেন:
কাদিয়ানিরা মুসলিমদেরকে মুসলিম মনে করে না । মুসলমানদের কি এমন দায় ঠেকেছে তাদের মুসলিম হিসাবে মেনে নেবার? বুঝি না।
অতিথি বলেছেন:
রাষ্ট্রের কি এমন দায় পড়েছে কে মুসলিম কে মুসলিম না তার কোষ্ঠিবিচার করার ?
অপ বাক বলেছেন:
ঠিক বলছেন সাইফ সাহেব, তাদের ধারনা মেইন স্ট্রিম মুসলিমরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে দুরে সরে গিয়েছে তাই তাদের মুসলিম বলা উচিত না। তারাই বিশুদ্ধ ইসলামের চর্চা করছে, এখন আপনি বলেন আপনি বিশুদ্ধ ইসলাম চর্চা করতে চান কি চান না?
অতিথি বলেছেন:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত গতকাল দাত কেলিয়ে বললেন যে ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম তাতে তাদের আপত্তি নেই। সংবিধানের প্রথমে বিসমিল্লাহির রাহমানির থাকা নিয়ে আওয়ামী লীগের কোন অসুবিধা নেই। আওয়ামী লীগের হাতে সংখ্যালঘুরা কিভাবে নিরাপদ থাকে আমি বুঝি না।
অপ বাক বলেছেন:
কাদিয়ানীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতার বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হুজুরে আ'লা মাওদুদি বলেছেন, তারা সরকারী অফিসে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে, তাদের কারনে মুসলিমদের ভেতরে বিভেদ বাড়ছে, পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে, তারা নিজেদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র চাইছে,তারা মুসলিমদের ভেতরে বসবাস করে এসব বাড়তি সুযোগ পাচ্ছে যা সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিমদের বঞ্চিত করছে- তাই তাদের অমুসলিম ঘোষনা দিতে হবে। দাবির বিষয়বস্তু অনেকটা এরকমই।
অতিথি বলেছেন:
সরকারি অফিসে কিভাবে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে?নিজেদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র চাইছে?
বিষয়গুলো বোধহয় প্রমানিত হওয়া উচিত। এখানে কাদিয়ানী কেউ থাকলে জেনে নেয়া যেত।
অতিথি বলেছেন:
অ্যা!
অপ বাক বলেছেন:
উহু এটা অনেক আগের রচনা, 1953তে মাওদুদি সাহেব যা লিখেছিলেন তার ভিত্তিতে বলছি, বর্তমানের বাংলাদেশে কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে এই রচিত কিতাবখানাই।তবে বাংলাদেশের আহমাদিয়া সমপ্রদায়ের বিষয়ে বোধ হয় এমন সব অপবাদ দেওয়া যাবে না, তারা নিরিহ গোছের মানুষ, তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতাও সীমিত,
তবে আহমাদিয়াদের এই ধারনাটা মোটেও দোষের না, যদিও বাংলাদেশের আহমাদিয়া সমপ্রদায় বাকি সব মুসলিমদের কাফের ভাবে না, আমি যে কয় জনকে চিনি তারা যথেষ্ট শোভন এবং ভদড় মানুষ, তবে আহমাদিয়া নিষ্পেষনের খবরটা প্রচলিত, একজনকে তার চাকুরি থেকে বহিস্কার করা হয়েছে এজন্য, আরেক জনকে তার কর্মস্থলে যোগ দিটে বাধা দেওয়া হচ্ছে,
হযবরল বলেছেন:
বদ্দা যেটা কইছে আমিও সেটা কই ।র্ধমের বিধায়ক যদি উপরওয়ালা হন , তবে তিনিই ঠিক করবেন কে মুসলিম, কে মুসলিম না, কে ঈমানদার , কে ঈমানদার না।
Who the hell we are to decide who is muslim or who is not ?
এটাতো এক র্অথে খোদার উপর খোদাগিরি।
কাদিয়ানিরা মুসলিমদের মুসলিম মনে করে না ? ভেরি গুড ওরা তলোয়ার নিয়ে রাস্তায় তো নামে নাই।
সারা দেশে কি অরাজকতা শুরু করছে এই মোটা বুদ্ধির মানুষেরা । এখন আবার কওমীরা ও যোগ দেবে বুদ্ধিবৃত্তিক কতল এ।
মজার বিষয় হচ্ছে সারা বাংলাদেশে কোন কাদিয়ানীর বিরুদ্ধে কোন পুলিশ কেইস নেই , ওদের শিক্ষার হার 80% এর উপরে।
লেট দেম লিভ, কিক ইউর এস আউট অফ দিস টপিক এন্ড গো টু বায়তুল মোকাররম। (ফর অল দোস ওভার মুসলিমস)
থ্যাংকু অপবাক।
অতিথি বলেছেন:
আমার দাদার বোনের বিয়ে হয়েছিল কাদিয়ানীর সাথে। আমার দাদা তার সাথে আর যোগাযোগ রাখেননি। সেই দাদির একছেলে কাদিয়াণীদের আমীর ছিলেন - চট্টগ্রামের। তাদের বাসায় ছোট বেলা বেড়াতে গেছি। কখনও কোন ধরণের মটিভেশন দেখিনি। নাতিদের একজন বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ছিলেন। তারা দেখতাম ভীষণ নিরীহ। যদিও চট্টগ্রাম বেইজড কাদিয়ানীদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল দেখেছি। কিন্তু কখনও নিজেদের কালচারের বাইরে যেতে দেখিনি। আমাদের প্রজন্মের ঐ ফ্যামিলির সদস্যদের বিয়ে হয়েছে সুন্নীদের সাথে। স্ট্রং কোন বিশ্বাস দেখলাম না। হার্মফুলও মনে হলো না। যদিও পারিবারিকভাবে আমাদের সাথে কোন যোগাযোগ নাই। তাদের একজন আমার ঘনিষ্ট বন্ধু হওয়াতে - মাঝে মাঝে যা ইমেইলাপ। কিন্তু - অমুসলিম ঘোষিত হলে তারা নিশ্চিত ভীষনভাবে আহত হবে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
কাদিয়ানী আর আহলে হাদিস কী এক জিনিস?
অতিথি বলেছেন:
আহলে হাদিস সম্ভভত হাম্বলী কাস্টের একটা অংশ। নট সিওর।
অতিথি বলেছেন:
কাদিয়ানী রা হলো অমুসলিম আর আমরা হলাম পাক্কা মুসলমান.তাইতো সারা পৃথিবীতে পাক্কা মুসলমানরা পিটা খাচ্ছে.পাক্কা মুসলমানের দেশ সৌদি আরব আমিরিকার পা চাটে.এই পৃথিবীতে মুসলমান দের উপর যে এত কষ্ট তা কিন্তু মুসলমানদের কারণেই হচ্ছে.আল্লাহ পৃথিবীতে আজাব পাঠায় মুসলমানরা কি করছে তা দেখ অমুসলমান রা কি করছে তা দেখ না.আমরা নিজেরাই ঠিক নাই আরেক জনের কথা কি বলব.
হাবিবমহাজন বলেছেন:
কারো ধর্ম বিশ্বাসের উপড় জোড় জুলুম ইসলাম সমর্থন করে না। আহমদিয়াদের উপড়ও জুলুম করা অন্যায় হবে।
আমি অপবাকের কথা মেনে নিলাম নবী অর্থ শিক্ষক । কিন্তু কাদিয়ানিরাতো নবীকে শিক্ষক ভাবছেনা। তাছারা ধরলাম এরা নবীকে শিক্ষক মনে করছে,কিন্তু যারা সাধারণ মুসলমান তাদেরকে কাদিয়ানিদের এ ধারনা বিভ্রান্তিতে ফেলে দিচ্ছে। সুতরাং রাষ্টিয় ভাবে এদেরকে অমুসলিম ঘোষনা করলে সাধারন মুসলমানরা বিভ্রান্তিতে পরবে না।
মুসলমান হতে হলে যে দুইটি বিশ্বাস থাকতে হয় তা হলো:- আল্লাহ এক তার কোন শ্বরিক নাই। হযরত মোহাম্মদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত রাসুল এবং তিনি শেষ নবী। উনার পরে কোন নবী আসবেনা।
কাদিয়ানিরা আমাদের দেশের নাগরিক এরা এ দেশেই খাকবে। কিন্তু এ বিশ্বাস নিয়ে মুসলমান বলে নিজেদের কে পরিচয় দিয়ে অমুসলিম কার্যকলাম চালিয়ে সাধারণ মুসলমান দের কে বিভ্রান্তিতে ফেলার কোন অধিকার নেই এদের।
বকলম বলেছেন:
এতদিন কোন ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামাইনি। এমনকি নিজের ধর্ম নিয়েও না। কখনও প্রয়োজন অনুভব করিনি। আমার মতে ধার্মিক হওয়া অনেক বড় বিষয়। ডাঃ লুৎফর রহমানের একটা বইয়ে পড়েছিলাম "ধার্মিক হওয়ার আগে ভদ্র হও"। এই ভদ্রতা হলো, মিথ্যা না বলা, গলার স্বর কখনও উঁচু না করা, বিনয়ী হওয়া, অপরকে সন্মান করা, চুরি না করা, কম বলা আর বেশি বেশি শোনা, হাসিমুখে সবার সাথে কথা বলা ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমার কাছে ইসলামের গাইডলাইন খুবই পরিষ্কার, তা হলো, ইসলাম বলে, আল্লাহ এক, তার কোন অংশীদার নেই, মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল। আল্লাহ তার রাসূল (সাঃ) এর মাধ্যমে ধর্ম কিভাবে পালন করতে হয় তা শিক্ষা দিয়েছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ , রোজা, সামর্থবানদের জন্য যাকাত ও হজ্জ্ব এটা যথাযথ ভাবে পালন করা (অবশ্যই এগুলো পালনের উদ্দেশ্য মাথায রেখে) এবং এর সাথে মুহাম্মদ (সাঃ) এর মানবীয় গুনাবলী অবশ্যই নিজের মধ্যে ধারন করার নামই আমার কাছে ইসলাম (Very simple to understand, but very few people obey it properly.)।এর বাইরে তেমন চিন্তা করার প্রয়োজন কখনো অনুভব করিনি। কিন্তু এখন দেখছি ইসলাম নিয়ে রীতিমত গবেষণা শুরু করতে হবে!।
মওদুদী কে? মিজর্া গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী কে? এরা কারা, এদেরকে স্বীকৃতি দেয়া যায় কিনা? আবার যদি স্বীকৃতি দেই তো আমাকে আমার ধর্মপদ্ধতি বদলাতে হবে কিনা!? আমি আমার ঈমান হারাবো কিনা!? কেন শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামায, রোজা, যাকাত , হজ্জ্ব আমার জন্য enough নয়?!! আমি যদি তাদের স্বীকৃতি দে ই (by the by, আমিই বা কে তাদের স্বীকৃতি দেয়ার!!?) বা তাদেরকে OK মনে করি তারা কি তাদের মতাদর্শ আমার উপর চাপিয়ে দিবে?!, যখন তারা শক্তিশালী (সংখ্যায়, অর্থে, ক্ষমতায়)হবে? আর যদি এটা মনে করি যে No, They are not OK তাহলে আমার তাদের ব্যাপারে আমার ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ। তাদের সাথে কিরুপ ব্যবহার করব? ইসলাম এ প্রসঙ্গে কি বলে??
আর এসব না জেনে কি মন্তব্য করব?
আমরা দেখি প্রায় সব দেশে সামরিক বাহিনী আছে। কিন্তুকেন আছে? আছে কারন তাদের কথা হচ্ছে, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাসে বিশ্বাসী, আমরা কারো উপর আক্রমনে বিশ্বাসী না, কিন্তু কেউ যদি আমার জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায় তো আমাকে রক্ষার অধিকার আমার আছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমার কাছে আমার মতাদর্শ রক্ষার ঢাল কি আছে? আজ যেমন আমেরিকা তার নিজের অস্তিত্বের হুমকির বাহানা দিয়ে একের পর এক মুসলিম দেশ কে আক্রমন করে যাচ্ছে, কাদিয়ানী, মওদুদী বাদীরা যে শক্তিশালী হলে আমার মতাদর্শ পরিবর্তন করতে বাধ্য করবে না আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি আঘাত হানবে না তাঁর নিশ্চয়তা কে দেবে?! আমি কি করে বুঝব যে, দুধ কলা দিয়ে আমি বিড়াল পুষছি, নাকি সাপ পুষছি?
(আরও লেখার ইচ্ছা ছিল, আজকের জন্য এতটুকুই)
বকলম বলেছেন:
এতদিন কোন ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামাইনি। এমনকি নিজের ধর্ম নিয়েও না। কখনও প্রয়োজন অনুভব করিনি। আমার মতে ধার্মিক হওয়া অনেক বড় বিষয়। ডাঃ লুৎফর রহমানের একটা বইয়ে পড়েছিলাম "ধার্মিক হওয়ার আগে ভদ্র হও"। এই ভদ্রতা হলো, মিথ্যা না বলা, গলার স্বর কখনও উঁচু না করা, বিনয়ী হওয়া, অপরকে সন্মান করা, চুরি না করা, কম বলা আর বেশি বেশি শোনা, হাসিমুখে সবার সাথে কথা বলা ইত্যাদি, ইত্যাদি। আমার কাছে ইসলামের গাইডলাইন খুবই পরিষ্কার, তা হলো, ইসলাম বলে, আল্লাহ এক, তার কোন অংশীদার নেই, মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল। আল্লাহ তার রাসূল (সাঃ) এর মাধ্যমে ধর্ম কিভাবে পালন করতে হয় তা শিক্ষা দিয়েছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ , রোজা, সামর্থবানদের জন্য যাকাত ও হজ্জ্ব এটা যথাযথ ভাবে পালন করা (অবশ্যই এগুলো পালনের উদ্দেশ্য মাথায রেখে) এবং এর সাথে মুহাম্মদ (সাঃ) এর মানবীয় গুনাবলী অবশ্যই নিজের মধ্যে ধারন করার নামই আমার কাছে ইসলাম (Very simple to understand, but very few people obey it properly.)।এর বাইরে তেমন চিন্তা করার প্রয়োজন কখনো অনুভব করিনি। কিন্তু এখন দেখছি ইসলাম নিয়ে রীতিমত গবেষণা শুরু করতে হবে!।
মওদুদী কে? মিজর্া গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী কে? এরা কারা, এদেরকে স্বীকৃতি দেয়া যায় কিনা? আবার যদি স্বীকৃতি দেই তো আমাকে আমার ধর্মপদ্ধতি বদলাতে হবে কিনা!? আমি আমার ঈমান হারাবো কিনা!? কেন শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামায, রোজা, যাকাত , হজ্জ্ব আমার জন্য enough নয়?!! আমি যদি তাদের স্বীকৃতি দে ই (by the by, আমিই বা কে তাদের স্বীকৃতি দেয়ার!!?) বা তাদেরকে OK মনে করি তারা কি তাদের মতাদর্শ আমার উপর চাপিয়ে দিবে?!, যখন তারা শক্তিশালী (সংখ্যায়, অর্থে, ক্ষমতায়)হবে? আর যদি এটা মনে করি যে No, They are not OK তাহলে আমার তাদের ব্যাপারে আমার ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ। তাদের সাথে কিরুপ ব্যবহার করব? ইসলাম এ প্রসঙ্গে কি বলে??
আর এসব না জেনে কি মন্তব্য করব?
আমরা দেখি প্রায় সব দেশে সামরিক বাহিনী আছে। কিন্তুকেন আছে? আছে কারন তাদের কথা হচ্ছে, আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাসে বিশ্বাসী, আমরা কারো উপর আক্রমনে বিশ্বাসী না, কিন্তু কেউ যদি আমার জন্য হুমকি হয়ে দাড়ায় তো আমাকে রক্ষার অধিকার আমার আছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমার কাছে আমার মতাদর্শ রক্ষার ঢাল কি আছে? আজ যেমন আমেরিকা তার নিজের অস্তিত্বের হুমকির বাহানা দিয়ে একের পর এক মুসলিম দেশ কে আক্রমন করে যাচ্ছে, কাদিয়ানী, মওদুদী বাদীরা যে শক্তিশালী হলে আমার মতাদর্শ পরিবর্তন করতে বাধ্য করবে না আমার ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি আঘাত হানবে না তাঁর নিশ্চয়তা কে দেবে?! আমি কি করে বুঝব যে, দুধ কলা দিয়ে আমি বিড়াল পুষছি, নাকি সাপ পুষছি?
(আরও লেখার ইচ্ছা ছিল, আজকের জন্য এতটুকুই)
ওয়ালী বলেছেন:
"যদি আহমেদিয়া সম্প্রদায়... তাদের প্রতি সহানুভতির আচড়ন করে একটু বিবেচনার চেষ্টা করতো মুসলিমরা।"আপনার লেখাতা অনেকগুলো বিশেষণ (সম্প্রদায়) থেকে আপনি কিন্তু নিজেই স্বীকৃতি দিয়েছেন তারা একটি আলাদা সম্প্রদায়। এবং মুসলিমদের বিবেচনা করতে বলছেন। প্রকারন্তরে আহমেদিয়ারা যে মুসলিম নয় সেটা আপনার অনুধাবনে ভালই প্রতিভাত হয়েছে। এজন্য অবশ্যই আপনার ধন্যবাদ প্রাপ্য।
জানাযা মুসলমান ছাড়া অন্য কোন স্প্রদায়ের হয় না। জানাযার অনুষ্ঠান তারা তাদের মনের ইচ্ছে মতো করবে তাতে কেনাই সমস্যা নেই যেমন সমস্যা নেই ফিনারেল, শবদাহ করা হয়ে থাকে। তারা মুসলমানদের অনুসরণ করবে কিন্তু মুসলমানদের জানাযাতে অংশগ্রহন করবে না।এটা স্ববিরোধীতা। শুধ এটা নয় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা মুসলমানদের থেকে নিজেদের আলাদা রেখেছে। তারপরেও কি ভাবে তারা মুসলমি সম্প্রাদয় ভূক্ত হতে চায়?
এতে করে ইসলামের অনুসারীররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর সেই জন্যই তাদেরকে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত হতে দেয়া যায় না। আর তারা যদি তাদের ভুর শুধরে সম্প্রদায়ভুক্ত হতে চায় তবে কোন মুসলমানের কোন কালেই অপত্তি অতীতেও ছিলো না ভবিষ্যতে থাকবেনা। আর সেই জন্য আপনার মাধ্যমে একটা পরামর্শ দেয়া যেতে পারে নদীর গন্তব্যস্থল সমুদ্র। তাই নদীর উচিত হবে মহা সমুদ্রে মিলিত হওয়া। না হলে কালক্রমে এভাবে চলতে থাকলে নদী তার নাব্যতা হারিয়ে চরাভূমিতে পরিনত হবে অথবা আবার প্লবনে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমুদ্রেই মিলবে। মাঝেরই সময়টুকু ক্ষতিগ্রস্থ হবে মানব সম্প্রদায়। যা মানুষ হিসেবে কারো কাম্য নয়।
অতিথি বলেছেন:
ওয়ালী জানাযা আসলে কি? সৎকার রীতি, কবরে ঢোকানোর আগে অং বং চং, হিন্দুরা রাম নাম সত্যা হে বলে খই মুড়ি ছড়াতে ছড়াতে যায়। খ্রিস্টানরা আমেন বলে প্রার্থনা করে, মুসলমানেরা এর বাইরে বিশিষ্ট কি করে যে মুসলমানরা একেবারে আলাদা,"শুধু মুসলমানদের জানাযা হয়" এই শব্দগুচ্ছের অর্থ কি?তবে ধর্মের প্রথা বদলের ধারনাটা বা প্রার্থনার রীতি পরিবর্তনের ধারনাটা ধর্মের বিভেদকে স্থায়ি রূপ দেওয়ার চেষ্টা। এমন কি প্রার্থনার তারিক নির্ধারন, স্থান নির্ধারন সব কিছুই পুরোনো ধর্মের চেয়ে আলাদা না হলে কিভাবে ধার্মিকরা বুঝবে এটা আলাদা ধর্ম?
ইহুদিদের প্রার্থনার রীতি, খ্রিস্টানদের প্রার্থনার রীতি, মুসলিমদের প্রার্থনার রীতির পার্থক্য এই বোধটাকে তুলে ধরার জন্য। মৃতের সম্মানে, মৃতের শান্তির জন্য প্রার্থনা করা সকল ধর্মের রীতি, এটাকে মুসলিমবিশিষ্ট করে তোলা অর্থহীন।
সহজ জিনিষ সহজ ভাবে বুঝতে হ, জাত অভিমান আসলে সামপ্রদায়িকতাকে তুলে ধরতে পারে।
অপ বাক বলেছেন:
ওয়ালি বিরোধের জায়গা মাত্র একটা, একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বিষয়টা বুঝতে পারতে, এবং বিরোধটা মাত্র একটা শব্দের ব্যাখ্যা- নবুয়তের সিল মোহর শব্দটাকে কিভাবে গ্রহন করা হবে, এটাই মৌলিক বিরোধ। ইমাম মাহদির আগমনের বিষয়টা নিয়ে মুসলিম মুসলিমে বিরোধ নাই, ইমাম মাহদি আসবে, ইসলামের শিক্ষাকে সম্পুর্ন করতে- এই বিশ্বাস ধারন করাটা যেমন মৌলিক একটা বিশ্বাস, এই বিশ্বাসটাকে একটু ভিন্ন ভাবে দেখাটাও সেই একই বিশ্বাসের অংশ।সব ধর্মই এই জায়গাটাকে গ্রহন করছে, মুহাম্মদ, মুসা, ঈসা, কেউ এই সম্ভবনাকে এড়িয়ে যাচ্ছে না, যখনই প্রয়োজন হবে একজন ধর্মবেত্তা এসে মানুষকে আলোর পথ দেখাবে- এই মৌলিক বিশ্বাসটাকে ধারন করে আছে ধর্ম।আহমাদিয়ারাও একই বিশ্বাস ধারন করছে, ব্যাখ্যাটা বা ধারনাটাকে ব্যাক্ত করার জন্য গৃহীত শব্দে আপত্তি থাকতে পারে তবে ধারনাটাতে আপত্তি করলে তুমি মুসলিম থাকবে না।
ধর্মবেত্তাকে ইমাম নামে ডাকো আর নবী নামে ডাকো, পরিবর্তন হয় না কিছুই। আর এই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়া এটাই ইসলাম বলে, এটাই কোরান বলে, এটাই হাদিস কোরান ঘেঁটে পাও তুমি, নিজেদের বিশ্বাসকে শুদ্ধ রাখার জন্য ত্যাগ করতে হবে, প্রিয়জন কেউ না, আশেকে আল্লাহ- আশেকা রাসুল, এরাই শুদ্ধতম মানুষ, আহমাদিয়ারা এই বিশ্বাসের চর্চা করছে, এটাকে বাধা দিতে হলে ইসলাম ছেড়ে চলে যাও- সমাধানটা সহজ তবে গ্রহন করতে পারবে না এই যা।
বিশ্বাস স্থাপন, ইমামের পতাকা তলে নিজেকে রাখা, বিশ্বাসিদের দলে যোগ দেওয়া, সব বিষয় একেবারে সিরাতুল মুস্তাকিম, সহজ সরল পথ আসলে।
যে কারনে মুহাম্মদ মককা ছেড়ে মদীনায় হিজরত করেছিলো, যে কারনে মুসলিম মেয়েদের বিধর্মি বিয়ে করা মানা, যে কারনে অমুসলিমের মৃতু্য হলে ইন্নালিল্লাহে ইন্ন ইলাইহে রাজেউন বলা মানা, বিরোধের জায়গাটা সেখানে স্থাপিত, এটা ইসলামের মুলিক জায়গা, এটাকে অস্ব ীকার করে কেউ আসছে না, আহমাদিয়াদের কিভাবে তুমি দোষারোপ করো আলাদা সমপ্রদায় বলে, নিজের আয়নায় যা দেখবে সেটা আহমাদিয়াদের দিকে তাকিয়ে দেখতে পাবে- সত্য বলে মাওদুদী যা গেলাচ্ছে সেটা সত্য নাও হতে পারে, হতে পারে আহমাদিয়ারা যা বিশ্বাস করে সেটাই সত্য পথ- এই সম্ভবনাকে এড়িয়ে যাবে কিভাবে?
70টা পথে আলাদা হয়ে যাওয়া মুসলিমদের মধ্যে এক দল থাকবে সত্য পথে, তুমি কিভাবে বলতে পারো আহমাদিয়ারা সেই একটা দল না?
অতিথি বলেছেন:
আহমাদিয়া জন্ম এই উপমহাদেশে । একটা শব্দ অর্থ নিয়ে এবং গরীব জনগন কাছে এরা সুযোগ নিতে চায় । মাওদুদী কথা বলেও...। অপবাক থেকে সাবধান । ঊনি বিভ্রন্তি ছড়াচ্ছেন ।
অতিথি বলেছেন:
আহমদিয়ারা ইসলাম থেকে অনেক দূরে। ওদের পক্ষে কথা বলা নাফরমানি। মাওলানা মওদুদী (রহঃ) কে এক পাল্লায় ফেলার কোনো কারণ দেখি না। আমি বলবো, খায়রুল বাসার সাহেব থেকেও সাবধান।
অপ বাক বলেছেন:
বাসার সাহেব আমি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছি এইরকম রাজনৈতিক প্রচারনার অর্থ কি?আমি যা বলছি সেই ভাষ্যে যদি সন্দেহ থাকে হুজুরে আ'লা মাওদুদির গ্রন্থখানা পড়ে দেখতে পারেন।
অতিথি বলেছেন:
গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ! আহ বেচারা নবী দাবীদার কাদিয়ানী শেষে কি-না পায়খানার ভিতর মৃতর্্যু বরণ করল ।
অতিথি বলেছেন:
আপনার শিরোনাম আর মাওদুদি সাহেবের লেখার সাথে মিল পাওয়া যায় না । এজন্য ঊনি ফাসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন ।কাদেয়ানীরা নিজেদেরকে আহমদিয়া বা কাদেয়ানী ধর্মের লোক বললে তো লেটা চুকে যায় ।
অপবাক : আপনার লেখা আমার ভাল লাগে শুধু এ লেখা ছাড়া ..তাই
অপ বাক বলেছেন:
আমি লেখা পড়তে বলছিলাম সিদ্ধান্ত যা নিয়েছে সেটার সাথে আমার আপত্তি আছে-মওদুদী সাহেবের যুক্তির ভেতরের দুর্বলতা আমার ভেতরে এই বোধটা প্রতিষ্ঠা করতে পারে নাই যে আহমাদিয়াদের অমুসলিম বলতে হবে- আমি ওদের অমুসলিম বলার কারন খুঁজে পাই নাই, এটাই বলছি এ জন্য ওদের ওদের মতো থাকতে দেই, অমুসলিম ঘোষনা করার ভেতরে কোনো মাহত্ব্য নেই,
অতিথি বলেছেন:
প্রিয় অপবাক, মাওলানা মওদুদী (রহঃ) সম্পর্কে আপনি কতোটা জানেন?
অপ বাক বলেছেন:
মওদুদী সম্পর্কে আমার জানার আগ্রহ কম, তার লেখা বই পরার চেষ্টা করছি কারন এখানের অনেকেই তার প্রশংসা তার বিশ্লেষন নিয়ে বেশ মুখে ফেনা তুলে প্রশংসা করছে। তাদের এই প্রশংসা আর উন্মাদনার ভেতরে কি রহস্য তা জানার চেষ্টা করতেছি।
অতিথি বলেছেন:
কেউ তাঁর গুণের কারণে তাঁকে পছন্দ করলে আপনি অবশ্যই বাধা দিতে পারেন না। ফেনা তোলা শব্দটা খুব আপত্তিকর।
অপ বাক বলেছেন:
ধর্মের ব্যাখ্যা দেওয়াটাকে গুনবাচক কিছু কি বলা যায়? আমিও ধর্মের ব্যাখ্যা দিচ্ছি এখানে এটাকে আমার গুন বলা হবে তাহলে?আমার সম্মান বিষয়টা নেই মওদুদি এবং তার অনুসারিদের প্রতি, আমি সন্দেহের চোখে দেখি ওদের, এমন কি ওদের শাখা যেসব জায়গায় দেখছি, সব খানেই ওরা একটা না একটা ফ্যাসাদ বাঁধিয়ে রেখেছে,
ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, যে খানেই এই বিশেষ ভাবধারার মানুষ আছে, তারা উলটাপালটা কাজ করতেছে। এবং এই একটা লোকের বিষয়ে প্রশংসায় গদগদ হওয়াটা আদৌ উচিত কি না, টাকে ফিৎনা সৃষ্টিকারী মোল্লা বলে তার সব নীতিকে অগ্রাহ্য করা উচিত কি না, কিংবা যেভাবে অন্য এক স্কলার বলেছে তার সম্পর্কে সেভাবে বলা যায়
তাকে অসদাচরনের জন্য মাদ্্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিলো আর এই ধর্মিয় শিক্ষার অসম্পুর্নতা তার ব্যাখ্যাকে দুর্বল করেছে, সে ইসলাম বুঝে নি, তার ইসলাম বুঝার মধ্যে ভুল আছে।
অনেকেই অনেক কে সম্মান করে, আমি তাদের পিছে গিয়ে কোনো সমস্যা করছি না আমি আমার অভিমত জানাচ্ছি।বাধা দেওয়া শব্দটা এখানে সঠিক ভাবে ব্যাবহৃত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।
অতিথি বলেছেন:
আপনার কথায় যুক্তি আছে। কিন্তু এটা আপনার ব্যক্তিগত অভিমত। কেউ যদি তাঁর ধর্মের ব্যাখাকে মেনে নিয়ে গুণ হিসেবে দেখে, তাহলে আপনার কি বলার আছে?উনি ধর্মের কি কি ব্যাখ্যা খারাপ দিয়েছেন, তার কিছু বিবরণ পেতে পারি কি? না হলে মনে হবে আপনি সবকিছুই ব্যক্তিগত বিদ্্বেষবশতঃ বলছেন।
অপ বাক বলেছেন:
আমি এখনও সবগুলো পড়ে শেষ করতে পারি নি তাই এখনই কোনো মতামত জানানো ঠিক হবে না, আহমাদিয়াদের নিষিদ্ধ করার বইটা পড়ে আমার কাছে তার যুক্তির চেয়ে ক্ষমতার ভাগ পাওয়ার ক্ষেত্রে কাল্পনিক বিভাজনের ধোঁয়া তুলে একটা বিশ্বাসকরে দমিয়ে রাখার চেষ্টা মনে হয়েছে।আমার কিছুই বলার নাই, কে কোনটাকে গুন বলবে, কে কোনটাকে দোষ বলবে এটার নির্ধারক আমি না, আমি আমার নৈতিকতা নির্নয় করি, অন্য কারো নৈতিকতা তৈরির কোনো চেষ্টা করি না, আর মওদুদীর আদর্শের সাথে বিরোধটাকে ব্যাক্তি বিদ্্বেষ পর্যায়ে নামনো ও ঠিক না, মওদুদি আমার ইহকালীন বা পরকালীন কোনো বিষয়ে বাধা দিচ্ছে না, বিষয়টা সামষ্টিক বিবেচনায়, তার আদর্শ মেনে চলা এক দল মানুষ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, এবং তারা এখনও বিভিন্ন ভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করছে। এটা ঘৃনা হতে পারে, বিরোধ হতে পারে তবে বিদ্্বেষ স্বার্থান্ধতাদোষে দুষ্ট।
অতিথি বলেছেন:
আপনার লেখাটা মনযোগ দিয়ে পড়লাম অপ বাক। কেউ ঠিক সত্যি পয়েন্টে রিফিউট করে নি। আমি করতে চাই। আপনার লেখাটা শ্রদ্ধার সাথেই পড়লাম, উত্তরটা লিখতে আধা ঘন্টার মত সময় লেগেছে। আমি আশা করব, আমার কথাগুলোর উত্তর দেয়ার সম্মানটুকু আমার প্রাপ্য। অন্তত:, সাধারনত যা হয় আর কি, গালাগালি বিদ্রুপ করে ব্যপারটা হালকা করে গায়ে হাওয়া লাগিয়ে চলে যাওয়া হয়। আমি সেটা আশা করি না।তার আগে পিয়ালের প্রশ্নের জবাব: না, কাদিয়ানীরা আহলে হাদীস না। আহলে হাদীস হল যারা নিজেদের হাদীসের অনুসারী বলে। তারা কোন মাজহাব অনুসরন না করে সরাসরি হাদীস ব্যাখ্যা করেন নিজেরা। ইজমা, কিয়াস এই দু'টোকে মানেন না। আহলে হাদীসরাও কাদিয়ানীদের অমুসলিম বিবেচনা করেন।
এখন অপ বাক:
ইসলামে বিশ্বাসের তিনটা মূল ধারা আছে। স্রষ্টার একত্ববাদ (এবং সংশ্লিষ্ট গুণাবলী), নবী রাসুলদের স্বরূপ এবং মৃত্যুর পরের জীবন।
এই বিশ্বাসগুলোর কোনটা অসম্পূর্ণ থাকলে, বা অস্বীকার করলে সে মুসলিম হয় না।
কাদিয়ানী/আহমাদিয়াদের অমুসলিম বলার ভিত্তি এটাই, ওদের নবী রাসুলদের স্বরূপের ব্যাখ্যায় ভুল আছে।
'মুহাম্মাদের শিক্ষা প্রচারের জন্য যুগের বদলের সাথে নতুন শিক্ষক আসবে এই ধারণাটা খুব চমৎকার একটা ধারণা'... আপনার জন্য চমৎকার ধারণা, কিন্তু মুসলিমদের জন্য না।
ইহুদীদের 'ধারণায় নবী শব্দটা শিক্ষক এবং পথপ্রদর্শকের'...
সমস্যা হল, আপনি ইহুদীদের ধারণা নিয়ে ইসলামের ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছেন!
ইসলামে নবীর ধারণা কি সেটা জানুন।
নবী আর রাসুল: দু'জনই ইসলামে [ইটালিক]আল্লাহ দ্বারা বিশেষ ভাবে নির্বাচিত [/ইটালিক] মানুষ। এরা দু'জনই আল্লাহর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন, যেটা সাধারণ মানুষেরা করে না। রাসুলরা আল্লাহর কাছ থেকে 'খুঁটি নাটি নির্দেশ' বা শরীয়ত পান (পথ, বা দ্বীন কিন্তু একটাই থাকে)। নবীরা আসেন রাসুলের পথ থেকে সরে যাওয়া মানুষদের পথ দেখিয়ে দেয়ার জন্য। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। ওদের নিজেস্ব শরীয়ত থাকে না।
নবীদের মর্যাদা কিন্তু একজন শিক্ষকের চেয়ে অনেক বেশি। কারণ তারা আল্লাহর কাছ থেকে সরাসরি গাইডেন্স পান, কথা বলেন, খুঁটি নাটি সমস্যার সমাধান পান। ইবরাহীম (আ) একজন নবী ছিলেন (রাসুল না), নূহ (আ) একজন নবী ছিলেন, সুলায়মান (আ) একজন নবী ছিলেন। নবী ব্যপারটা খুব পবিত্র, সাধারনের বাইরে।
'খাতমে নবুয়াতের ধারণা এমন ভাবে প্রচলিত যেন মুহাম্মদ (সা) ই শেষ নবী এবং রাসুল'... ঠিক বলেছেন। কারণ কোরআনে সেভাবেই বলা আছে। কিন্তু নিউ ওল্ড সব টেস্টামেন্টের পাতা উল্টে দেখেন... ওল্ড টেস্টামেন্টে দেখবেন নবী রাসুলের ধারা কখনও শেষ হবে ওমন কোন ইংগিতই নাই। আর নিউ টেস্টামেন্টে একটা 'মাসীহ' (তখন শব্দটা খুব সম্মানিত বুঝাতে ব্যবহার করা হত) আসবে, খুব জোড় দিয়ে বলা। কিন্তু কোরআনের কোথথাও শুধু ইসা (আ) এর পূর্নবর্তন ছাড়া আর একবারও কোন নবী রাসুল আসার কোন ইংগিত দেয়া হয় নি। ব্যপারটা একটু বড় রকমের ভুল হয়ে গেল না? বিশ্ব জগতের স্রষ্টা ঘোষণা দিয়ে দিচ্ছেন, "আজ তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে সম্পূর্ণ করলাম" (মায়িদা: 3)... কি নিশ্চয়তার সাথে একটা উপসংহার, দাড়ি টানা, পূর্ণতা... পূর্ণতার পরেও আবার কি দরকার?... তিনি কি এতই অবিচারক, যে একবারও জনগণকে মনে করিয়ে দিলেন না পুরো ছয় হাজারের বেশি আয়াতে: এর পরেও যুগে যুগে নবীরা আসবে? যদি কোরআন পড়ে 1400 বছর ধরে মানুষের ধারণা হয়ে থাকে যে রাসুল (সা) এর পরে আর কোন নবী বা রাসুল আসবে না, তার মানে কি আল্লাহ মানুষের সাথে ইসলামে বিশ্বাসের অতি বড় একটা স্তম্ভের ব্যপরেই ঠিক মত কমিউনিকেইট করতে ব্যর্থ হয়েছেন? (নাউজুবিল্লাহ)। দু:খিত, কোন মুসলিম আল্লাহ সম্পর্কে এত বড় অপবাদ দিতে পারবে না... তাই ওদের যুক্তি কনভিনসিং লাগে না।
্
তবে হ্যা, শিক্ষক আসার আইডিয়াটা ভালই... হাদীসে (আবু দাঊদ: হাদীস নং 4770) 'শিক্ষক' এর কথা বলা হয়েছে, যারা এক একটা যুগে আসবে, এবং দ্বীনকে আগের অবস্থায় নিয়ে যাবে। শিক্ষক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে 'মুজাদ্দিদ' (নবী না, অর্থ্যাৎ এরা আল্লাহর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেন না, কিন্তু জ্ঞানী। চিন্তাশীল।) শব্দটা। আর 'আগের অবস্থায় নিয়ে যাওয়া' বলতে আসলে 'সংস্কারের' আরবি প্রতিশব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ইন্টারেস্টিং ব্যপার হচ্ছে 'সংস্কার' বলা হয়েছে। রেনোভেইট। রিনিউ বা রিবিল্ড না। একটা বিল্ডিং রেনোভেইট করার সময় চেষ্টা থাকে কাঠামোটা পুরোপুরি আগের মত রাখতে। কিন্তু যুগের উপযোগী ইট সিমেন্ট রং ব্যবহার করা হয়। একশ বছর আগে হয়তো এসিড বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার জন্য কোন প্রিকশন দরকার ছিল না, পরিবর্তিত অবস্থায় এটা মনে রেখে, নতুন ব্যবস্থা করতে হবে। বুঝাতে পারছি?
'ছবি তোলার ব্যপারটা একেবারে নিষিদ্ধ হলেও'... কোথায় পেলেন ফতোয়া? 'একেবারে নিষিদ্ধ' পুরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রথমে কোরআন এবং তারপরে হাদীসের দিকে তাকাতে হয়। কোরআনে কোথায় নিষেধ আছে 'ছবি তোলা'র ব্যপারে, আমাকে দেখান। চ্যালেঞ্জ করলাম। হাদীসে কোথায় আছে ছবি তোলার ব্যপার, চ্যালেঞ্জ করলাম
ছবি তোলার ব্যপারটা একটা পরিবর্তিত অবস্থা। কারণ ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলার জন্য কোন গুণ বা অর্জিত জ্ঞান দরকার হয় না। শুধু বোতাম টিপলেই রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কাজ হয়ে যায়। কোন 'সৃষ্টিশীলতা' দরকার নেই। কিন্তু ছবি অাঁকার জন্য একজন 'স্রষ্টার' অনেকগুলো গুণই লাগে... ইনক্লুডিং সৃষ্টিশীলতা...
আপনি ব্যবহারিক দিক আর বিশ্বাসের দিকটা গুলিয়ে ফেলছেন। ব্যপার না, এরকম একজন বলেছিল সিংকে হাত ধুবে না কারণ তা বিদাত!
যাই হোক, পার্থক্যটা বুঝাই।
মুহাম্মদ (সা) 23 বছর ধরে ইসলাম প্রচার করেন। এই 23 বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসের কম্পোনেন্টটা: অর্থ্যাৎ আল্লাহ, রাসুল আর আখিরাত, এই তিনটা কনসেপ্টের একটুও অদল বদল হয় নি। একটুও না।
কিন্তু অন্যান্য দিক, ইনক্লুডিং নামায...
নামায ফরজ করা হয়েছে রাসুল ইসলাম প্রচার শুরু করার 11/12 বছর পরে, পর্দাপ্রথা ফরজ হয়েছে 15 বছর পরে। ব্যবহারিক নির্দেশ গুলো আস্তে আস্তে এসেছে। অভ্যস্ততার প্রশ্ন আছে। 23 বছর ধরে আস্তে আস্তে অভ্যস্ত করে এই দিকগুলো ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্বাসের দিকটা পুরোই আলাদা, সংরক্ষিত ছিল বরাবর। এই ধারণার একটুও বিবর্তন হয় নি! রাসুল (সা) প্রথমদিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত বিশ্বাসের ব্যপারে যা বলেছেন, তা পুরোপুরি কনসিস্টেন্ট। একদম এক। তাই ব্যবহারিক দিক ফ্লেক্সিবিলিটি অনেক। ব্যবহারিক দিকে কোরআনের কিছু নির্দর্েশ অমান্য করলেও তাকে অমুসলিম বলা যাবে না। মিথ্যা বলা, মানুষকে গালি দেয়া, মানুষের পিছনে কথা বলা, অপমান করা, এগুলো সব কোরআনে [গাঢ়]নিষিদ্ধ[/গাঢ়] (সুরা হুজরাত: 11)। এই ভিত্তিতে (ব্যবহারিক দিকে গলদ থাকার ভিত্তিতে) মানুষকে অমুসলিম বলা হলে, এই ব্লগে অনেকেই অমুসলিম হয়ে যেত!
যাই হোক, নতুন নবুয়াতের দাবী ব্যপারটা কিন্তু একটা নতুন সমস্যা। এটা রাসুলের যুগে ছিল না। রাসুলের মৃত্যুর পরে মুসাইলিমা নামে একজন নিজেকে দাবী করেছে নবী হিসেবে এবং আবু বকর (রা) তাকে অমুসলিম ঘোষণা করেছিলেন। আবু বকর (রা) রাসুল (সা) এর নির্বাচিত খলিফা ছিলেন। নতুন উদ্ভাবিত একটা সমস্যা আমাদের চেয়ে জ্ঞানী কেউ কি করে সমাধান করেছিলেন, সেটা দেখার মাধ্যমেই সমাধানের আশা করা যায়, তাই তঁাঁর পন্থাটা অবলম্বনের চেষ্টা করা হচ্ছে মাত্র!
অতিথি বলেছেন:
আস্তা, তোমারে ওয়েলকাম। ব্লগের শিরা উপশিরায় তোমার অস্তিত্ব অনুভব করতাম; কিন্তু নিজের নামে লগইন না করাতে ঠিক পাইতাম না। বহুৎ মিস করেছি। কেমন ছিলা?
অতিথি বলেছেন:
এতবড় রচনা পরার সময় পরে ম্যানেজ করুম। তয় ভুইলা যাওনের আগে ইসলামরে, কুরআনরে 'রেনোভেট' করার মহান দায়িত্ব পালনের জন্য জনাবে আলা মওদুদী মিয়ারে একখান সালাম জানাইয়া রাখি।
অপ বাক বলেছেন:
ভালো লাগলো পড়ে তোমার এই পরিধি বরাবর ঘুর্ণন তবে সারবস্তুবিহীন মন্তব্যের ক্ষেত্রে যা হয় তাই হয়েছে,কোরানের নবীসকল ইহুদি ধর্ম থেকে ধার করা, ইহুদিরা যাদের নবী বলেছে কোরানেও তাদের নবীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে- সংজ্ঞার বিষয়ে তারা আলাদা হবে কিভাবে? ইহুদিরা নবীর যে সংজ্ঞা নির্ধারন করেছে তার ভিত্তিতেই তাদের নবী ধারনা প্রচলিত হওয়াটা যথেষ্ট যুক্তিসংগত একটি বিষয়-সেই সংজ্ঞাটা যদি কোরান বদলে দেয় তাহলে ইহুদিদের ইশ্বর এবং কোরানের ইশ্বরের ভেতরেও একটা পার্থক্য চলে আসে। ইহুদিদের একত্ববাদ কোরানের একত্ববাদ ভিন্ন হয়ে যায়- নাকি শুধু মাত্র অযথা তর্কের খাতিরে ইহুদিদের নবী ধারনাকে বদল করে বাকি সংজ্ঞা এবং বিবেচনাগুলোকে ধরে রাখতে হবে?
আবু বকর মুহাম্মদ কতৃক নির্ধারিত খলিফা ছিলো না, অযথা প্রমানের চেষ্টা করলে তো হবে না যে মুহাম্মদ নিজের উত্তরসুরী হিসেবে আবু বকরকে মনোনীত করেছে। এটাও দাবী হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়( প্রয়োজনে সীরাতুন্নবী ঘেঁটে দেখতে পারো, সেখানে এই বিবাদের বিষয়টা পরিস্কার বলা আছে)
ছবি তোলার প্রসঙ্গে তোমার 3 কি 4 খন্ডের একটা আলোচনা আছে ওটা এবং সেই আলোচনা যেই ব্যাক্তির ওয়েবসাইট থেকে চোথা করা 2টাই পড়লাম, থোড় বাড়ি খাড়া খাড়া বাড়ি থোড়,সেই একই পরিধি বরাবর ঘুর্নন, অনেক রকম বাক্যব্যায় যা কখনই কোনো একটা বিন্দু অভিমুখী নয়, যাকে সহজ বাংলায় বলে অযথা অনেক প্যাঁচানোর শেষে কোনো রকম কারন দর্শানো ব্যাতিরকে একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে দেওয়া, যার প্রবল প্রভাব তোমার ভেতরেও। তুমিও অনেক ফেনিয়ে অনেক কথা বলে প্রায় অকারনেই একটা অযৌক্তিক বিষয়কে প্রতিপন্ন করতে চাও।
সুর বাংলা বলেছেন:
হতাইতো দেকবার লাগচি!
অপ বাক মিয়া একই জায়গায় দাড়িয়ে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে। বের হওয়ার পথ পাচ্ছে না।
রায়হান আবির বলেছেন:
অত্যন্ত দারুন একটা লেখা। প্রিয় পোস্টে রাখছি।আসলে আহমদিয়াদের মাঝে আবার দুইটি ভাগ আছে। একটা লাহোর আহমদিয়া, আরেকটি আহমদিয়া মুসলিম কমিউনিটি। লাহোর আহমদিয়ারাই আমার জানা মতে সংখ্যা গরিষ্ট এবং সঠিক। তারা মির্জা গোলাম আহমেদ কে নবী বলেনা। তিনি একজন ঈমাম বলে মনে করে। তাত্ত্বিক অর্থে একজন নবী হলেও বাস্তবিক অর্থে নয়। দ্বিতীয় যারা আছে তারা গোলাম আহমেদ কে নবী মানে। তাদের মতে খতমে নব্যুয়াত মানে মহানবী (স) এর পর আর কোন নবী আসবে না, তা না। নবী আসতে পারেন, তবে তার উপর কোন কিতাব নাজিল হবেনা, নতুন কোন নির্দেশও না। অর্থাৎ তিনি নবী (স) এর থেকে দেখান পথ থেকে বিচ্যুত মানুষকে আগের পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন।
আমার ১০০ ভাগ দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের অনেক ওলামা রা এই সম্পর্কে জানেন না। জানলেও তা ভাসা ভাসা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আর কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মওলানারা এ শংকাটাই করছে যে তাদের তো এ বিশাল জনগোষ্ঠীতে একসেস নেই বা এত কষ্ট স্বীকার করে পাবলিকরে বুঝানোর টাইম নাই বা ইচ্ছে নাই - কি ব্যতিক্রমগুলো - তার চেয়ে যদি একটা আইন করে দেয়া যায় তাদের অনুসারী ইসলাম ঠিক থাকলো আবার নিজেদের পরিশ্রমও করতে হলো না।
মাঝখান থেকে নাম হলো - নেতৃত্ব হলো।