আমার প্রিয় পোস্ট

ইশ্বর উপসনার প্রয়োজন কি??

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

ধর্ম ও বিজ্ঞানের ভেতরের সম্পর্ক গড়তে চেয়ে অনেকেই দুটোকেই কলুষিত করে ফেলছে, বিষয়টা ভয়াবহ, তবে মানুষের সচেতনতা কম বলেই তেলে জলে মিশে না জেনেও তারা মেশানোর নানাবিধ প্রচেষ্টা করছে।
ধর্মের সংজ্ঞা দেওয়ার লক্ষ্য আমার নেই, তবে নিজস্ব উচ্চাকাংক্ষা বা নিজস্ব বিশ্বাসের প্রতি অতিরিক্ত সম্ভ্রম কিংবা গুরুত্ব আরোপ করতে চেয়ে কেউ কেউ সুন্দর করে বলে ফেলেন অন্য ধর্ম এবং ইসলাম আলাদা।
ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান, কোরান ঐশী গ্রন্থ এবং এতে বিজ্ঞানবিরোধি কিছু নেই, কোরান বিজ্ঞানের সাথে হাত ধরাধরি করে চলে। বিজ্ঞানের কর্মপ্রনালী সম্পর্কে নিতান্ত অনভিজ্ঞ যারা, যারা বিজ্ঞানকে যাদুমন্ত্র ধাঁচের বিষয় মনে করেন তারা সব সময় ধরেই নেন এটা ম্যাজিকের মতো, কোনো একটা পদ্ধতি আছে, সুইচ টিপলেই বাতি জ্বলে, সুইচ চাপলেই আওয়াজ করে, এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ডের চিরায়ত শিশুদের জন্য এই পোষ্টের অবতারনা।
মুগ্ধতার কিছু নেই, প্রায়োগিক দিক বাদ দিলে বিজ্ঞানের খোলসটা শুধুমাত্র কিছু অবশ্য পালনীয় নীতির উপরে দাঁড়িয়ে এবং এই নীতিগুলোকে বা শর্তগুলোকে পুরন করেই নতুন সিঁড়ি পাততে হবে।
এখন আমরা কোথায় উঠছি তা নিশ্চিত জানি না, তাই আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র আমাদের প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করা। বিজ্ঞান শুধুমাত্র এই কাজটাই করে প্রকৃতিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এই ব্যাখ্যা করার প্রক্রিয়ায় তারা যেসব তত্ত্ব খুঁজে পায়, যাকে বস্তুর ভৌত গুন বলা যায়, সেই ভৌত ধর্মের একটা প্রায়োগিক দিক খুঁজে বের করে সেটাকে বানিজ্যিক ভাবে ব্যাবহার করে। আমাদের ঘরে ব্যাবহৃত ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রগুলো খুবই সামান্য কিছু নীতির উপর ভিত্তি করে চলছে, এই নীতিগুলো চেষ্টা করলেই একটা পাতায় লিখে রাখা যায়।
তবে এই একটা পাতায় লেখা যাবে এমন সরলীকরন করতে বিজ্ঞানকে পাড়ি দিতে হয়েছে সভ্যতার সমান সময়। এখন আমরা বিজ্ঞানকে যেভাবে দেখছি, বিজ্ঞানের যেসব নীতির কথা বলছি সেগুলো জড়জগতের চালিকা শক্তি। ঘটনার ব্যাখ্যা করতে যাওয়ার সময় যদি প্রায়োগিক বা বানিজ্যিক কোনো উপলক্ষ্য না থাকে তবে সেসব বিষয়ে গবেষণা কম হয়, একটা উদাহরন দেই-
সভ্যতার শুরু থেকেই হয়তো মানুষ চিংড়ি মাছ খাচ্ছে, তবে চিংড়ি সিদ্ধ করলে কেনো ওটা লাল রং ধারন করে এটার ব্যাখ্যা এসেছে সম্ভবত গত বছর কোনো এক সময়। কেউ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে জীবনপাত করে নাই। বিশেষত জীববিজ্ঞানের সম্পুর্ন শ্রেনীবিন্যাস প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত থাকায় যত সব জৈববিজ্ঞান বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর ধীরে ধীরে পাওয়া যাচ্ছে। এটা এখনও একটা নির্দিষ্ট আকার পায় নি, তবে সেই 1700 সালে নির্দিষ্ট করা নিয়ম এখনও বস্তুজগত মেনে চলছে। বস্তুজগত আগে থেকেই মেনে চলতো তবে এটাকে একটা সুত্রের আকার দিয়েছিলো 1700 সালে ল্যাভয়েসিয়ে, যেখানে বলা হয়েছে- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না। কেউ 10 গ্রাম কার্বন আর 15 গ্রাম অক্সিজেন নিয়ে কাজ শুরু করলে যদি কোনো কিছু বাইরে না চলে যায় তবে কাজ করা শেষ করার পর সেখানে 25 গ্রাম কার্বন ও অক্সিজেন পাওয়া যাবে।
নতুন করে কিছু সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যাবে না। বস্তু জগতের এই ভরের অবিনশ্বরতার ধারনাটা একেবারে বদলে গেলো গত শটাব্দিতে এসে।
পল ডিরাক নামের একজন ভদ্্রলোক অস্থায়ি কনিকার ধারনা জানালেন। পজিট্রন নামের এই কনিকার ভর ইলেকট্রনের সমান তবে এর আধান ইলেকট্রনের বিপরিত, এবং কি আশ্চর্য পজিট্রন নামক কনিকাটাকে দেখা গেলো পরীক্ষাগারে। তবে সমস্যা হলো শুধুমাত্র পজিট্রন কোথাও তৈরি হয় না, পজিট্রন তৈরির সময়ে একটা ইলেকট্রনও তৈরি করতে হয়।
আইনস্টাইন নামক একজন আসলেন, তিনি ঘোষনা করলেন আলোর গতিবেগ শুন্য মাধ্যমে নির্দিষ্ট এবং এটার নড়চড় হয় না।100 বছর আগের এই নীতি অবশ্যই মেনে চলতে হবে বস্তুজগত কে , যা বলছে বস্তু যার ভর আছে, তার গতিবেগ কখনই আলোর সমান হতে পারবে না। এই যে একটা নিয়ম নির্দিষ্ট করে দেওয়া, নিজ্ঞান বদল হলেও এই নিয়মটা বদলাবে না।
বিজ্ঞানের পরিবর্তনগুলো হয় কিছু মুলনীতিকে অক্ষুন্ন রেখে প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোকে ব্যাখ্যা করার ভিন্ন প্রয়াসে। নতুন ব্যাখ্যা আরও বড় পরিসরে ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে, কিছু নতুন ভবিষ্যতবানী করে। এবং এই ভবিষ্যতবানীৗলোকে পরীক্ষাগারে প্রামন করা সম্ভব হলে সেই নতুন ব্যাখ্যা টিকে যায় পরবর্তি অন্য কোনো পরীক্ষা যদি সরাসরি এই ব্যাখ্যাকে বাতিল না করে তত দিন পর্যন্ত।
যেহেতু 100 বছরের ক্রমাগত টানা হ্যাঁচরাতে আইনস্টাইনের নীতির পরিবর্তন হয় নি তাই বলা যায় ওটা টিকে থাকবে চিরকাল। ম্যাক্সওয়েল নামক একজন 1865 সালে 4টা সুত্র একটা পাতায় লিখেছিলেন, সেই সুত্রের বদল হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। আমরা এত যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করছি তার পেছনে এই 4টা মাত্র সূত্র কাজ করছে।
নিউটন 1700 সালের কাছাকাছি সময়ে মহাকর্ষ বলে একটা ধারনার জন্ম দিলেন, সেই মহাকর্ষ ধারনাটাও টিকে আছে। এবং যত দিন আশে পাশে ভর আছে ততদিন এই সূত্র সামান্য বিচু্যতি ছাড়া ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারবে।
বস্তুর জগতের ঘটনা প্রবাহ মূলত বস্তুর উপর মহাকর্ষের প্রভাব আর বস্তুর উপর তড়িৎচুম্বকীয় বলের প্রভাব। এর বাইরে যেই 2 জাতের বল force এর ধারনা দেওয়া আছে তার প্রভাব বস্তুজগতে নগন্য।
যাই হোক তত্ত্ব কথার আড়ালে যা বলতে চেয়েছি তা সরাসরি বলি।
বিজ্ঞান বস্তুজগতের ব্যাখ্যার জন্য যেই নীতিগুলোকে তৈরি করেছে তার অনেকাংশই পূর্নাঙ্গ, তবে কিছু বিচু্যতি আছে, সেই বিচু্যতিগুলো দুর করার জন্যই পৃথিবী জুড়ে বিজগানীরা গবেষণা করছে। এবং অনিশ্চয়তার মান এই ক্ষেত্রেই সীমিত। এবং যেহেতু চিরায়ত বলবিদ্যার দ্্বারা বস্তুজগত যতটুকু ব্যাখ্যা করা হয়েছে তার ভেতরে মহাবিশ্বের সৃষ্টিটা এখনও সম্পুর্ন হয় নি, সেই সৃষ্টিতত্তবটুকু বাদ দিলে বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আমরা স্পষ্ট বলতে পারি এসব নীতি অলংঘনীয়।
বিজ্ঞান কার্যকরন ব্যাখ্যা করে, বলে কারন ছাড়া কিছুই ঘটে না, আমরা যদি বস্তু জগতে পরিবর্তন ঘটাই, সেটার প্রভাব আমরা যন্ত্রের সাহায্যে নির্ণয় করতে পারবো।
যারা বড় গলায় বলছে ইশ্বরের অস্তিত্ব বিজ্ঞান অপ্রমান করে নাই তাদের উদ্দেশ্যে বলা ইশ্বরের প্রভাবের ধরনটা কেমন তা কেউ যদি পরিস্কার করে বলে দেয়, ইশ্বর ধরার যন্ত্র আবিস্কার করতে সময় লাগবে 2 দিন, তবে কেউ আসলে বলতে পারে না ইশ্বর কিভাবে ক্রিয়া করে।
প্রকৃতি নিয়ম শাসিত, এবং এই নিয়মের লংঘন করা সম্ভব না। একেবারে হুলুস্থুল করে ফেলার মতো কোনো ইশ্বরের জন্ম হয় নি প্রকৃতিতে। যদি ইশ্বর নামক কোনো অস্তিত্ব থাকে মহাবিশ্বে তবে তাকে বিজ্ঞানের নীতি মেনে চলতে হবে, তার 1000 বছর আগের স্বেচ্ছাচারিতার যুগ শেষ। বস্তু কিভাবে অন্য বস্তুর উপর প্রভাব বিস্তার করে?
মূলত মহাকর্ষ এবং তড়িৎচুম্বকীয় বলে দ্্বারা। মহাকর্ষ বলছে এটা স্থান কালের বক্রতার উপর নির্ভর করে কাজ করে। আর তড়িৎ চুম্বকীয় সব প্রভাব আসলে আলোর বিনিময়। সে আলো দৃশ্যমান হতে পারে আবার দৃশ্যমান নাও হতে পারে। আমরা রেডিও শুনি তাও আলোক তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ছে বলে। আমরা এক্স রে দিয়ে হাড়ের ছবি তুলছি তাও তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ, এদের কোনোটাই আমরা চোখে দেখি না, তবে তাদের উৎপত্তি কিভাবে হয় তা আমরা জানি, আর জানি বলেই তা দিয়ে যন্ত্র তৈরি করে ব্যাবহার করছি।
অর্থ্যাৎ ইশ্বর বলে যদি কোনো কিছু থাকে তাকেও যোগাযোগ করার জন্য এই 2 মাধ্যমের একটা ব্যাবহার করতে হবে। ইশ্বর মহাকর্ষ ব্যাবহার করে যোগাযোগ করতে চাইবেন না, তার মতো মহা ক্ষমতাধর ইশ্বরের আগমনের মহাকর্ষিয় প্রভাব হবে ভয়াবহ। সৃষ্টি বলে কিছু থাকবে না।
বাকি থাকলো আলোক তরঙ্গ, খুবই ভালোএকটা প্রশ্ন, কোরানে বলা হয়েছে ফেরেশতারা সব আলোর তৈরী, অতএব কোরান সত্য- সমস্যা হলো আলোর সাথে তথ্য পাঠালেই হবে না, সেটাকে বদলে ফেলার উপযুক্ত যন্ত্র লাগবে। অন্য রকম আয়োজনের কথা বলা যায়, কোনো ভাবে আলোক রশ্মি দিয়ে মানুষের চেতনাকে নিয়ন্ত্রন করা, চমৎকার যুক্তি হতে পারে এটা। তবে সবার মস্তিস্কই তাহলে এই উদ্দিপনায় সাড়া দিতো। এখনকার বিজ্ঞানের গবেষণায় মানুষের মস্তিস্কের ভেতরের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গগুলো পরিমাপের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এবং সেখানে দেখা গেছে মোটামুটি একই রকম উদ্দিপনায় সবার মস্তিস্কই একই রকম সাড়া দেয়। তাই ইশ্বর যদি মুহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করতে চান তাহলে তার আশে পাশের মানুষের উপরেও এর প্রভাব থাকবে, এর পিছনেও যুক্তি দেওয়া যায়, খুবই সামান্য বিচু্যতি হয় এমন তরঙ্গ ব্যাবহার করলেই চলে। যুক্তির খাতিরে ধরে নেওয়া হলো এমন কোনো ব্যাবস্থা করেছেন ইশ্বর, তিনি কোনো ভাবে একটা যন্ত্র ব্যাবহার করেছেন যা শুধু মুহাম্মদের মাথা বরাবর তাক করা থাকতো এবং তার পাঠানো তথ্যগুলো মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বের হয়ে যেতো, যেমন রেডিও অন করলে আমরা দেখতে পাই, মুহাম্মদ কি তবে রেডিও? কোনো দুরনিয়ন্ত্রিত রোবট?
সকল নবীই কি তবে রোবট পর্যায়ভুক্ত। না কি তারা মানুষ? উটকো প্রশ্ন করতে চাইলে বলা যায় মুহাম্মদের পর আর নতুন কোনো রোবট তৈরি হলো না কেনো ইশ্বরের কারখানায়? ইশ্বরের বাজেট নিয়ে টানাটানি চলছিলো?
যারা এই প্রকল্পে বেশ খুশী তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে এই ইশ্বরের মহাবিশ্ব সৃষ্টির ক্ষমতা এবং একে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা সীমিত। এবং এই মহাবিশ্বের ভেতরে বসবাসকারী ইশ্বর অবিনশ্বর নয়, বরং তার জীবনকাল মহাবিশ্বের সাথেই শেষ হয়ে যাবে।
এবং তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারিও নন। কিছুটা খর্বিত ইশ্বর আসলে এই ইশ্বর। এমন কি বর্তমানে তিনি গোপনে আগমন করতে পারবেন না পৃথিবীতে।
তার 99 গুনাবলীর অনেকগুলোই তাকে ত্যাগ করে ইশ্বর হতে হবে। তিনি চাইলেই বারি বর্ষণ করতে পারবেন না, তিনি চাইলেই খরা দিতে পারবেন না, এমন কি বস্তুজগতে সমান্য একটা খড় তোলার ক্ষমতাও তার নেই।
অন্য একটা সম্ভবনা হতে পারে ইশ্বর মহাবিশ্বের বাইরের কোনো অস্তিত্ব, তিনি মহাবিশ্ব তৈরি করেছেন। সাদিক যেমন করে বলতে চায় মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময়ে কিছু অনুপাতের একটু এদিক ওদিক হলেই বিশ্ব আর এরকম থাকতো না, সেই অনুপাত গুলো তারই তৈরি করে দেওয়া, তবে তার ভুমিকা সেটুকুই, সেই ইশ্বর আবার 1400 বছর আগে আরবে এসে মুহাম্মদকে কোরান দিয়ে যেতে পারবে না।
তবে মহাবিশ্ব যখন ধংস হবে, যা কোরানে বলা আছে পরিস্কার ভাবেই, সে সময়ে ইশ্বরেরও স্মৃতি ধংস হয়ে যাবে।
পরবর্তি সমস্যাগুলোর মধ্যে যেসব প্রধান সমস্যা রয়েই গেলো আলোচ্য আলোচনায় তা হলে, পৃথিবীতে গোর আযাব হবে না, এমন কি আরাফাতের ময়দানে উঠিয়ে শাস্তিও দিতে পারবে না ইশ্বর। কোনো স্বর্গ নেই এই নিধানে। কোনো নরক নেই। ভালো থাকার বা মন্দ থাকার কোনো কারন নেই। মানে ঐশী কারনে ভালো থাকতে হবে এমন কোনো প্রয়োজন নেই।
মর্গের লাশের কোনো বিকৃতি চোখে পড়ে নাই কারো। এমন কি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা লাশের গায়েও কোনো আযাবে চিহ্ন চোখে পড়ে নাই। সেই কবর দিয়ে চল্লিশ কদম সরে গেলেই ফেরেশতা হাজির হয়ে যাবে এটা সম্পুর্নই একটা বুজরুকি।
এখন আমার প্রশ্ন হলো, খর্বিত ইশ্বর, যার ক্ষমতা সীমাবদ্ধ তাকে সর্বেশ্বর ভেবে সান্তনা পাওয়া কি আছে?
যেই ইশ্বর নিজের ধ্বংস রোধ করতে পারে না তাকে উপাসনার প্রয়োজন কি?
ঐশি গ্রন্থে যেভাবে পুরস্কৃত ও তিরস্কার বিধান রাখা হয়েছে মহাবিশ্বের ভেতরে ইশ্বরকে স্থাপন করলে সেই বিধাংুলো পালন করা সম্ভব না। তাহলে কিসের আশাস্বে মানুষ সৎ কর্ম করবে,
যে ইশ্বর নিশ্চিত মরে যাবে একটা সময়ে তার জন্য উপাসনার প্রয়োজন কি?
যে ইশ্বর আকে অবমাননা করা বা তাকে উপাসনা করার কোনো প্রতিদান দিতে পারবে না তাকে উপাসনার প্রয়োজন কি?

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৯
অতিথি বলেছেন: 'ভগবান'' খায় দ্যাখো ডিগবাজী কুড়িটা
২. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৭
অতিথি বলেছেন: পড়ে হাসি পেল কেন বলি। আপনি আস্তিকদের মূল লজিকই বুঝতে পারেন নি।

ঈশ্বর হচ্ছেন 'বিশ্বজগতের' স্রষ্টা। সমস্ত বিশ্বজগত। আর স্রষ্টা সৃষ্টির মধ্যে থাকে না, সৃষ্টির বাইরে থাকে। বিশ্বজগত একটা 'সিস্টেম'। তিনি এই 'সিস্টেমের' বাইরে। তাই নশ্বরতা, সময়ের শুরু বা শেষ হওয়ার কনসেপ্ট... এগুলো কিছুই তাঁকে স্পর্শ করে না। তাই সব কিছু ধ্বংশ হয়ে গেলেও তিনি থাকবেন। সব কিছুর আগেও যেমন ছিলেন।
৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৯
অতিথি বলেছেন: পঞ্চ ভূতের ফাঁদে পড়ে
ব্রম্ম ব্যটা কাইন্দা মরে !
৪. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৪
অপ বাক বলেছেন: আস্ত মেয়ে মূল বিষয়টা অনুধাবন করতে পারো নি বোধ হয়। মহাবিশ্বের বাইরে থাকা ইশ্বর কোনো উপায়েই মুহাম্মদকে কোরান পাঠাতে পারবে না। ডিভাইন বুক হিসেবে কোরানের এক পয়সাও মুল্য নেই এই তোমার ভাবনায়।
আর এর সাথে মুহাম্মদের মিরাজ জাতীয় বুজরুকিও চলবে না, ইশ্বর মহাবিশ্বের বাইরে কোনো কিছুই নিয়ে যেতে পারবেন না। এটা মেনে নিতে চাও?
৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:১৩
অতিথি বলেছেন: আচ্ছা বিশ্বজগতের বাইরে ইশ্বর। ইশ্বর ও বিশ্বজগত নিয়ে যে জগতটা সেটা আরো বড়, বিশ্ব বিশ্ব জগত। সেখানে ইশ্বর একা। সে বিশ্ব বিশ্ব জগনেতর যে সিস্টেম - সেখানে যোগাযোগের একটা মিডিয়ামই হচ্ছে আসলে ধর্ম - ত াই মনে হচ্ছে।

একটা এত বিশাল কিছুতে বিশ্বাস থাকা অথবা কোন কিছুতে বিশ্বাস না থাকা একই মনে হচ্ছে। দূদলের লক্ষ্য এক। দুদলই আসলে এক মহাশূণ্যতাকে লক্ষ্য করে বিশ্বাসগ্রস্থ।
৬. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৩
অপ বাক বলেছেন: কল্পনা যখন করবো আরও একটু গভীর মানবিয় কল্পনা করি, মানুষের ইশ্বরচেতনার সীমা রেখা যেখানে এই মহাবিশ্ব এবং মহাবিশ্বের বাইরে থাকা ইশ্বরকে নিয়ে তাহলে ওটাকে একটা কম্পিউটার ধরে নেই, এই মহাবিশ্ব নামক কম্পিউটারের অপরেটর এক ইশ্বর। সেই এখানে যতসব প্রোগ্রামিং করছে, সেই ইশ্বর তার মহা মহা বিশ্বজগতে একাকি থাকবে কেনো, আরও অনেকগুলো কম্পিউটারে আরও অনেক ইশ্বর বসিয়ে দেওয়া যাক। তাহলে প্রতিটা ইশ্বরের ভাগে একটা করে মহাবিশ্ব প্রতিপালনের ভার পড়লো।
তবে সমস্যা হলো সেই ইশ্বরেররা ইন্টারন্যাল নেটওয়ার্কিংয়ে বিশ্বাসি না, তাই পৃথক পৃথক মহাবিশ্ব নামক কম্পিউটারের ভেতরে কোনো যোগাযোগ নেই।
সেই অসংখ্য সংখ্যাক ইশ্বরকে চালনা করার জন্য আরও এক মহা ইশ্বর, আবারও এক মহা মহা মহা বিশ্ব, এবং পৌপুনিকতা। পিয়াজের খোসার মতো ইশ্বর, মহা ইশ্বর, মহা মহা ইশ্বর চক্র চলতেই থাকুক, সেই কাছিমের পিঠে আরেকটা কাছিম, তার পিঠে আরেকটা কাছিম। এভাবে অসীম সংখ্যক মহা মহা ইশ্বরের পর- যার কোনো শেষ নেই- চমৎকার সায়েন্স ফিকশনের প্লট হতে পারে এটা।
৭. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:০৪
অতিথি বলেছেন: অপবাক - ইউ আর ইক্রেডিবল, দারুন একটা প্লট। নেক্সট লেখাটা এর উপরে চাই। অবশ্য চাই। আপনি পার্ফেক্ট এ বিষয়ে লেখার জন্য। কি লিখবেন?

প্লিজ লিখে ফেলুন।
৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৩
অতিথি বলেছেন: আহ কল্পনা তো করতেই পারেন। চমৎকার সায়েনস ফিকশনের প্লট সত্যিই। কিন্তু মুশকিল হল, আপনি যদি এও বলেন যে মুহাম্মদ (সা) নিজে কুরআন লিখেছেন (নাউজুবিল্লাহ), তাহলেও তিনি আপনার চেয়ে অনেক অনেক বেশি বুদ্ধিমান ছিলেন। জানতেন, ঠিক কোন ধরণের প্রশ্ন মানুষের মনে আসবে, এবং রাস্তাগুলো বন্ধ করে দেয়া। কেউ যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করে, সে এসব সহই বিশ্বাস করে। আর জানে, মানুষের স্রষ্টা বলেই তিনি মানুষের প্রকৃতি জানতেন, তাই এই অতিমানবীয় (ডিভাইন) গ্রন্থ পাঠানোর পরেও সেটা মানবীয়-ফ্রেন্ডলী।

- বলুন তিনি আল্লাহ। এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কারও বংশধর নন। তাঁর বংশধর কেউ নেই। তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। (সুরা ইখলাস)

- তিনি (আল্লাহ) কারও অনুরূপ নন। তাঁর মত কেউ নেই। (ইউনিক)। (42:11)
[তাই পেঁয়াজের খোসা ছাড়ায় খালি নিজেকেই কনফিউজড করা হবে। দেয়ার ইজ নো পেঁয়াজ।]

ঈশ্বর মহাবিশ্বের বাইরে কিন্তু সৃষ্টি তাঁর। প্রতিটা ডিটেইলস জানেন। সব কিছু তাঁর জন্য একসিসেবল। কেন পারবেন না মুহাম্মদ (সা) কে দিয়ে ডিভাইন গ্রন্থ পাঠালে তা বুঝলাম না। সৃষ্টি তাঁর তাই ইচ্ছা করলেই আমরা বুঝতে পারি না এমন কিছু করতেই পারেন!

লাশের উপর শাস্তির কথা বলছেন? বুছেন নি হয়তো, শাস্তিটা আমাদের 'দেহের' উপর হয় না, আসল স্বত্ত্বা, আত্মার উপর হয়। 'সোল'। এবং ইসলামের কনসেপ্ট হল, দেহটা কেবল সাময়িক ধারক। এই দেহে আসার আগেও আত্মা ছিল, পরেও থাকবে। অত্যাচার নশ্বর দেহে হয় না, আত্মায়। তাই মর্গে পরে থাকা লাশের উপর যত খুশি কাঁটা ছেড়া চলতে পারে, সেটা আসল সত্য কে একটুও বদলায় না।
৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৫৯
অপ বাক বলেছেন: ঠিক বলেছো আস্ত মেয়ে আত্মার স্মৃতি থাকে, দেহের স্মৃতি, আমার মনে হয় না তুমি গোর আযাবের উপর কিছু পড়েছো। পড়ে দেখো, সেটা শাররীক না আত্মার, কবর চেপে ধরবে- আত্মার আকার আছে ধরে নিলেও সেটাকে চাপাচাপি করবে কিভাবে কবর? ওটাতো একটা গর্ত মাত্র।
আর আমি পিঁ্যাজের খোসা কল্পনা করছি না, একটা সম্ভবনা তুলে ধরছি- এমনও হতে পারে এক মহা মহা ইশ্বর আছে, সকল ইশ্বরের উপর কতৃত্বকারী। আমাদের ইমিডিয়েট বসেরা শুধু ডাটা এন্টরি করছে। তাদের ইশ্বর ভাবছি কেনো- এমন অসংখ্য ইশ্বর থাকলেও তা কোনো সমস্যার কারন হবে না, অন্য এক ইশ্বর এই কম্পিউটারে এসে ডাটা নিয়ে মাতলামি করবে নিশ্চিত ভাবে।
১০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:০৫
অতিথি বলেছেন: ঈশ্বর?
উপাসনা?
প্রয়োজন! কার প্রয়োজন?

তিনটার কোনটাই ঠিক মতো বুঝি নাই আজ পর্যন্ত। বুকে হাত দিয়া কেউ কইতেও পারতাছে না, কেউ সত্যি সত্যি বুঝছে কি না।

অপবাক বোধ হয় বুঝছে ... আপনি যদি একটু বুঝায়ে বলতেন, সুবিধা হইতো।
১১. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:১৭
অতিথি বলেছেন:
সাদিক ভায়া ইশ্বর বুঝে না, উপসনাও বুঝে না? তবে প্রয়োজনটা বুঝে ষোলো আনা।
খারাপ না ভায়া তোমার ইশ্বরকল্পকাহিনি চালায়া যাও। 26 মাত্রার জগত আর 10 দরজা নিয়া একটা পোষ্টাইবা না ভাইটু।
তিন গর্ভে আছে রে এক ছেলে এইটা নিয়াও পোষ্টাইতে পারো, ভাব আছে এইটার অতীত ভবিষ্যত বর্তমান সবই মাইনষের ভিতরে কইয়া এক প্যাঁচ লাগায়া দিতে পারো।
১২. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২১
উৎস বলেছেন: মিস্টিক -> ধোয়াটে -> ধুরন্ধর, প্রয়োজন না বুঝলে কি আর জগৎ চলে।
১৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩২
অপ বাক বলেছেন: সাদিক পোষ্ট পড়ে মন্তব্য করলে ভালো হয়, অযথা শিরোনাম পড়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।
১৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
অতিথি বলেছেন: অপ বাক,
পোস্ট পড়েছি কি পড়ি নাই, নিশ্চিত না হয়ে, অযথা মন্তব্য পড়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।

আপনি কি নিশ্চিত আমি পোস্ট পড়ি নাই?

মন্তব্যে আপনার জন্য 3টা প্রশ্ন ছিলো। আশা করি উত্তর দিবেন।
১৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: উহ! অনেকক্ষ লাগল এতসব পড়তে...............
পড়তে পড়তে মনে হলো আমি শত মাত্রা চাড়িয়ে যাচ্ছি.................ওত বেশী মাত্রায় গেলে কেই আর হুদাই ঝগড়া করেনা। আমিও করুম না।
তয় মেট্রিক্স ছবিটা আমার মনে ধরেছে..............বিশ্বাসের কথা বলছি। লজিক আছে...............
মহা মহা ইশ্বর জানব কেমনে..........আমার ডাইরেক্ট ঈশ্বর কেই নিয়ে সমস্যা এখনও সমাধান তরতে পারলামনা। ...................
আমাকে কেউ সৃষ্টি করেছে এটা নিগুড় সত্য ............তাইতো কোথায় যেন কথন মনে হয় .,,,আমি আমার না..............
১৬. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৫৬
অতিথি বলেছেন: ঈশ্বরের উপাসনা কেন মানুষ করে, তার একটি ধর্মীয় ব্যাখ্যা আছে, তারা বলতে চায় উপাসনার জন্য হাত-মুখ ধোয়া, ওঠা-বসা করা, প্রার্থনা করা ইত্যাদি শরীর ও মনের জন্য হিতকর।

তবে ফ্রয়েডের তত্ত্বটা খারাপ না। এইসব ইবাদত, উপাসনা হচ্ছে কালেকটিভ নিউরোসিস। ব্যক্তিগত নিউরেসিস তৈরি করতে পারে না বলে অনেক মানুষ কালেকটিভ নিউরোসিসে বিশ্বাস গাঁড়ে।
সেই শুচিবায়ুগ্রস্ত মহিলার মত। যে পৃথিবীর তাবৎ জিনিষ দূষিত মনে করে পাক থাকার ইচ্ছায় সারাক্ষণ হাত ধোয়।
১৭. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
অতিথি বলেছেন: এই লেখার একটা বেসিক ফ্ল হচ্ছে পূর্ব ধারণা করে নেয়া যে ঈশ্বর 'বস্তুজগতের' অংশ। এই রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সূরা বাক্বারার শুরুতেই, যেখানে বলা হয়েছে ঈশ্বর, ফেরেশতা, কিতাব, নবী রাসুলের ধারা, আখিরাত, এগুলোতে বিশ্বাস করা হচ্ছে 'গায়েব' বা অদৃশ্যে বিশ্বাস করা। গায়েবের সংজ্ঞা শুধু যা চোখে দেখা যায় না তাই না, ওগুলো সব আত্মিক জগতের অংশ। ইসলামে আত্মিক জগত আর বস্তু জগত আলাদা করা হয়েছে। মানুষের দেহ মানুষের আত্মিক জগত দেখার, স্পর্শ করার, গন্ধ শুঁখার, শোনার ক্ষমতা নিয়ে নেয়। গায়েবে কেবল বিশ্বাস করা সম্ভব। গায়েব থেকে আমাদের দেখা সম্ভব, প্রভাবিত করা সম্ভব। কিন্তু বস্তু জগত থেকে, গায়েবের অনুমতি ছাড়া গায়েবের কিচ্ছু টের পাওয়া সম্ভব না। এই অনুমতি যাদের উপর এসেছে তারাই নবী রাসুল।

বিজ্ঞানের কাজ কেবল বস্তুজগত নিয়ে। বস্তুজগতের যেই নিয়ম স্রষ্ট তৈরি করে দিয়েছেন, সেই নিয়ম আবিষ্কার করাই বিজ্ঞানের কাজ, বিভিন্ন ঘটনার পিছনে কার্যকারণ খুঁজে বের করা বিজ্ঞানের কাজ। বিজ্ঞান দিয়েও মানুষ কখনও গায়েব আবিষ্কার করতে পারবে না। কারণ যা পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা যায়, তার অস্তিত্বে 'বিশ্বাস' এর প্রশ্ন আসে না। তখন অবিশ্বাস করলে বরং নিজেতেই অবিশ্বাস করা হয়। 'বিশ্বাস' এর প্রশ্নে কোন পরীক্ষা নেয়া নেয়ি হয় না।
১৮. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫
অতিথি বলেছেন: গায়েব হ্যাক করা যায় না?
১৯. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
অতিথি বলেছেন: বিজ্ঞানের কাজ কেবল বস্তুজগত নিয়েই, যা কি না পঞ্চইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করা সম্ভব।

এক মানুষের শরীরটাই একটা অবাক করা ব্যাপার। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষে প্রতি মুহূর্তে এমন অদ্ভূত শৃংখলার সাথে কাজ হচ্ছে যে থমকে থেমে ভাবতে হয়, এগুলো কি এমনিই এমনিই হচ্ছে? স্রেফ প্রাকৃতিক নিয়ম?

এই প্রশ্ন এখনও জাগে বলে এখনও ঈশ্বরের প্রয়োজন আছে। মানুষের মস্তিষ্কের বেশির ভাগ অংশের কাজ এখনও অজানা। খুব নিকট ভবিষ্যতে ঈশ্বরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবার কোন সম্ভবনা দেখি না!
২০. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:২৭
অতিথি বলেছেন: গায়েবের সিস্টেম জানা লাগবে তো সুমন চৌধুরি। অ্যাপারেন্টলি সেটাই রহস্যময় এবং আমাদের পক্ষে কখনও জানা সম্ভব না। :)
২১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
অতিথি বলেছেন: সেই একই রকম এই কথা সেই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলা। যা অদৃশ্য যা অনুভবের বাইরে সেটা অস্তিত্ব মেনে নেওয়াটা চমৎকার হাইপোথেসিস হতে পারে সাদিয়া তবে সেটা সব সময় বিতর্কের উর্ধে না। অদৃশ্য থেকে দৃশ্যমান জগতের উপরে ছড়ি ঘোরানোর বিষয়টা কোনো না কোনো ভাবে বস্তুগত- আর এই বস্তুগত বিষয়টা সব সময়ই পরিমাপ করা যায়।
২২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৩
অতিথি বলেছেন: সেটাইতো সমস্যা..যে কারণে গায়েব ঠিক কাকে বলে সেটাই স্পস্ট নয়। x অবস্থানের গায়েব আর x1 অবস্থানের গায়েব মেলে না বলে গায়েবকে অ্যাবসলু্যট ধরে নেবার সুযোগ নেই...গায়েবের সাথে যোগাযোগের কোন সূত্র নেই..সুতরাং গায়েব হইতে প্রেরিত বিষয়ে স্পিকারকে ''মাইনে নিনু'' বলে তাৎক্ষণিক জটিলতা এড়ানোর একটা কায়দা ইবাদত হতেই পারে...তবে সেক্ষেত্রে গায়েবের অসীমে আস্থা রেখে অঙ্গভঙ্গীতেও অসীম সংখ্যক বৈচিত্র আনা যেতে পারে.....
২৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
অতিথি বলেছেন: পারভেজ সাহেব,
আমার আসল নাম ব্যবহার করার কোন দরকারই ছিল না মন্তব্যের জবাব দেয়ার জন্য। ভেবেছিলাম আপনি ব্লগারের পিছনের ব্যক্তিকে স্পর্শ করার ব্যাপারটা পছন্দ করেন না। আমার নাম আমি কখনও ব্লগে ব্যবহার করি নি। আমি যাদেরকে নিজে নাম বলেছি তারাও কখনও ব্যবহার করে নি। আমি আপনার সম্পর্কে ব্লগে এমন কিছু কখনও বলি নি যা ব্লগে ছিল না। যথেষ্ট বুঝদার আপনি, এতটুকু সম্মান একজন নাগরিক হিসেবে হলেও আমার প্রাপ্য--এইটা না বুঝার কথা না।

যাই হোক, প্রতি উত্তর:
বিতর্কের উধের্্ব থাকলে তো সবাই বিশ্বাসী হতো। কিন্তু বস্তুগত বলতে কি বুঝাচ্ছেন? বস্তুর উপর প্রভাব? কুরআনে স্রষ্টার অস্তিত্বের প্রমান হিসেবে সৃষ্টির নিখুঁত হওয়া, সুন্দর হওয়ার কথা বলা হয়। এটাই একমাত্র 'বস্তুগত' প্রমান যা দেয়া হয়। স্রষ্টার পরীক্ষা বা শাস্তির একমাত্র বস্তুগত প্রমান বিপদে পড়া।
স্রষ্টার ইচ্ছাই সেই ইচ্ছা একজিকিউট করার জন্য "যথেষ্ট"। এটাই তো ইসলামের স্রষ্টা-ধারণার মূলরেখা।
২৪. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১:০০
অতিথি বলেছেন: সুমন চৌধুরির কথা বুঝি নি। একটু ব্যাখ্যা প্লীজ!
২৫. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯
অতিথি বলেছেন: আবার ও শুরু হলো??

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবু ও মানুষ কাঁদে
অধিকার চায় একটি শিশুর
তবুও মানুষ বাঁচে
কার হাতে অধিকার
মানুষ না যীশুর............

অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্্বৈত্বতার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ