উপাসনা উপাস্য সাম্য-অসাম্য বিষয়ক ভাবনা
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:২৬
মানুষ কেনো উপাসনা করে?
এই প্রশ্নটার উত্তর বিষয় নিরপেক্ষ থেকে দেওয়ার প্রচেষ্টা করে দেখা যাক, অবশ্যই অতিমাত্রার বিমুর্ততা না রেখে, সাধারন কিছু শব্দ ব্যাবহার করে উত্তরটা খোঁজার চেষ্টা করা ভালো। শব্দের ঝংকারে মানুষের ভাবনা বদলে যেতে পারে।
উপাসনার বিষয়টা সন্তোষের। এখানে প্রশান্তি পাচ্ছে কে? যে উপাসক সে প্রশান্তির জন্য উপাসনা করে নাকি যে উপাস্য তার প্রশান্তির জন্য উপাসক উপাসনা করে।সত্ত্বা 2টা। এক জন যার উপাসনা করা হচ্ছে এবং অন্য জন ভক্তপুরুষ যে উপাসনার অং বং চং উচ্চারণ করছে, বিভিন্ন প্রক্রিয়ায়, দৈহিক কসরতে নিজের ভক্তি নিবেদন করছে।
প্রণত হওয়ার বিষয়টা নিজের হীনতাকে স্ব ীকার করে নেওয়া। সভ্যতার ইতিহাস তাই বলে। মানুষকে উপাস্য বানানোর সময়, ক্ষমতাধরদের সামনে কুর্নিশের প্রক্রিয়াটাকেও উপাসনা বলতে হবে, নিজের দুর্বলতা, অক্ষমতা এসব মেনে নিয়ে অন্য একজন বলিষ্ঠপুরুষের সামনে আত্মসমর্পনের বিষয়টাকে উপাসনা বলা যায়।
প্রার্থনার এই শব্দরূপে কারো কারো তীব্র আপত্তি থাকতে পারে, তারা কিভাবে সংজ্ঞায়িত করে প্রার্থনাকে আমার জানা নেই তবে আমার কাছে প্রার্থনার অর্থ এরকমই,
আত্মসমর্পন, নিজের হীনতা, দূর্বলতা এবং অক্ষমতা মেনে নিজে বলিষ্ঠ কোনো সত্ত্বার সামনে নতজানু হওয়া। তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা, তার সন্তোষ বিধানের চেষ্টা করা যেনো সে কূপিত হয়ে তোমার ক্ষতি না করতে পারে। বলিষ্ঠের আঙ্গুলি হেলনে যদি পাহাড় ভেঙে যায় তাহলে সামান্য খরকুটো মানুষ কোথায় দাঁড়াবে, সুতরাং একটা অসমান চুক্তি সম্পাদন করা, আমি তোমার অনুগত একান্ত বাধ্য হয়ে থাকবো আমার কোনো ক্ষতি হটে দিয়ো না। প্রার্থনার অন্য একটা অংশ আছে যেটাকে কেউ বলে ভালোবেসে আত্মসমর্পন। প্রেমভাবে উপাসনা। তবে এটাকে হিসাবের বাইরে রাখা ভালো, অন্তত ইসলামি ভাবনায় যেখানে ইশ্বর নপুংশক, সেই ধর্মের বিধানে ইশ্বরের প্রতি প্রেমভাব নিয়ে কেউ প্রণত হয় না।
ইতিহাসের রমনীরা বলিষ্ঠ পুরুষের সন্তান চাইতো, তাদের ভক্তি কিংবা আত্মরতির জায়গাটাতে গিয়ে বলা যায় সেখানেও আসলে লেন -দেনের সম্পর্কটাই প্রধান ছিলো। ইশ্বরের সাথে আমাদের সম্পর্কও আসলে এরকম জাবেদাখাতায় লিখে রাখা সম্পর্ক। আমরা ইশ্বরের বিধানের অনুগত থাকলে, তার কথা পালন করলে, তার অনুশাসন মেনে তাকে উপাসনা করলে ভবিষ্যতে মোক্ষ লাভের সম্ভবনা আছে। ভক্তের প্রাপ্তি এই নিশ্চয়তা, টোকেন বলা যায় এটাকে, পরকালে অনন্ত সময় সুখে শান্তিতে ভোগের জীবনযাপনের লোভ।
অবশ্য মানুষের ইশ্বরের প্রয়োজন যতোটা ইশ্বরের মানুষের প্রয়োজন তার চেয়ে বেশী। তার উপাসনা করার জন্য মানুষকে তৈরি করা হয়েছে এমন মতের সাথে সহমত যারা তারা এই ফাঁকির জায়গাটা অনুভব করতে পারে কি না জানি না। মানুষ সৃষ্টির সময় যখন ইশ্বরকে বলা হয়েছিলো মানুষ সৃষ্টির প্রয়োজন কি, আমরা সবাইতো তোমার উপাসনা করছি দিবারাত্র, তবে কেনো উপাসনার জন্য ভিন্ন একটা প্রজাতি তৈরি করা, কেনো এত ঝামেলা করে বিশ্ববহ্মান্ড তৈরি করা।
ইশ্বরের গটিল উত্তর ছিলো- আমি যা জানি তা তোমরা জানো না, মানুষকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আমার প্রতিরূপ হিসাবে। আমার প্রতিনিধি হিসেবে মানুষ জগতে থাকিবে। সমস্তনিখিল তাহার সেবায় নিয়োজিত হইবে, তা বাছারা তোমরা ফেরেশতাকূল এবার আদমকে সেজদা করো।
আদম থেকেই মানুষের উৎপত্তি এমন অসম্ভব বিশ্বাস নিয়ে যারা ইবনে হিশামের সীরাতুন্নবী পড়েছেন তাদের সামনে প্রশ্ন- ইবনে হিশাম একটা বংশলতিকা দিয়েছিলো মুহাম্মদের, আদম থেকে শুরু করে মুহাম্মদ অবধি এসেছিলো সেই বংশলতিকা। সেটার সাথে আবার ইহুদিদের তালিকার মিল আছে, সেইসব হিসাব করে যারা এই গল্প ফেঁদেছিলো 5000 বছর আগের কোনো এক দিনে ইশ্বর আদমকে সৃষ্টি করেছিলো তাদের জন্য বিশেষ কিছু বলার নেই। মানুষের ইশ্বর চেতনা, একত্ববাদী ধারনার জন্ম সেই সময়ের আশে পাশে, এই হিসাবে বলা যায় একক ইশ্বরকে সৃষ্টি করেছে মানুষ 5000 বছর হলো। এর আগের ইশ্বরেরা মানুষের সাথেই রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতো। দেবরাজ জিউস যেমন বিভিন্ন সময়ে এসে পৃথিবীর মানবীদের গর্ভসঞ্চার করিতেন তেমন ভাবেই দেবতারা মানুষের পাশাপাশি লড়াই করতো, এর আগের উপাসনার বিষয়বস্তু ছিলো প্রকৃতি, সেখানে প্রাকৃতিক দুর্বিপাকের বিপরীতে নিরাপত্তার জন্য মানুষ প্রকৃতিকে তুষ্ট করার চেষ্টা করছে। এই সময়টাকে উপাসনার অর্থই আসলে তোয়াজ করা। আমাদের দেখে রাখো, আমাদের নিরাপত্তা দাও, ঝড়, মারী বন্যার কবল থেকে রক্ষা করো আমাদের।
4000 বছর আগের কোনো এক সময় ইব্রাহিম(কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র নাও হতে পারে, হতে পারে কোনো একটা গোত্রের সম্মিলিত প্রধানের চরিত্র) তবে নমরূদের সমসাময়িক, সাদের বেহেশত তৈরির সময়কালে দেখা যায় ইশ্বরের সাথে মানুষের সম্পর্ক ঘনিষ্ট, বেশ ঘনিষ্ট, একটা গল্প আছে, হাঁসের পিঠে চেপে কেউ একজন( নমরূদ বা ফেরাউন) ইশ্বরকে তীরবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলো এবং মাছ তার রক্ত দিয়েছিলো, মরা মাছ খাওয়া হালাল হওয়ার পেছনে এটাও একটা গল্প।
যতই অসম্ভব হোক ভাবনাটা, যতই হাস্যকর হোক না কেনো, আমার ভাবতেও অবাক লাগে সেই সত্য যুগে ইশ্বর মানুষের মাথার 3 মাইল উপরে বসবাস করতো। সেখানে তীর ছুড়লে ইশ্বরের বাসস্থানেও পৌঁছে যেতো সে তীর।
এই সম্পুর্ন প্রক্রিয়াটাকে মানুষের সচেতন বিমূর্তায়ন বলা যায়। যেখানে মানুষের রূপটাকে ক্রমশ বিলীন করে দিয়ে একটা পরম সত্ত্বাকে কল্পনার চেষ্টা করা হয়েছে যদিও এই কল্পনা মানুষের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারে নাই অনেক সময়ই।
যদি-কোনো এক আশ্চর্য উপায়ে সত্যি সত্যিই কোনো ইশ্বরের খোঁজ পাওয়া যায়, সম্ভবনা নেই কোনো তারপরও যদি, তার নিজের স্তুতি শোনার কোনো প্রয়োজন কি আদৌ আছে?এটাও একধরনের মানবীয় দুর্বলতা, প্রশংসায় বিগলিত হওয়া, সেটা আবার তার ইশ্বর হওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে যাবে, ইশ্বর মানবীয় দুর্বলতার উর্দ্ধের এক সত্তা, মানব যেসব কারনে তুষ্ট হয় সেই একই কারনে ইশ্বরের তুষ্ট হওয়ার জায়গা থেকে বিচার করলে একটা ঠিক স্রষ্টার গুনাবলীর সাথে যায় না।
মানুষ কেনো প্রার্থনা করে, কেনো শরণ প্রার্থনা করে, কেনো উপাস্যের পায়ে গড়াগড়ি দেয়, এসব প্রশ্নের উত্তর সেই 6000 বছর আগেও যা ছিলো, এখনও তাই আছে, অনিশ্চয়তা, ভয় এবং রহস্যময়তা ভেদ করার ব্যার্থতা। তবে অনিশ্চয়তার ধরন বদলে গেছে, ভয়ের মাত্রাও বদলে গেছে, নৃশংসতার মাত্রায় বদলেছে, রহস্যময়তার বিষয়গুলো স্পষ্ট হতে হতে এখন বেশ কিছু সুক্ষ দাগ রয়ে গেছে যেখানে আমরা বিজ্ঞানের আপো ফেলতে পারি নি। আমরা অনেক বড় বড় প্রাকৃতিক দুর্বিপাক থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারি না, ভূমিকম্প নামক প্রাকৃতিক ঘটনাকে কোনো মতে ব্যাখ্যা চেষ্টা করলেও এটার কোনো পুর্বাভাষ দিতে পারছি না এটাও সত্য, তবে বেশ কিছু প্রকল্প আছে মানুষের হাতে যা বড় মাত্রার ভূমিকম্প সম্পর্কে মানুষকে আগেই সাবধান করতে পারবে। এই সব প্রাকৃতিক দুর্বিপাকের থেকে আমাদের উত্তরন ঘটলে, কোনো অমীমাংসিত রহস্য না থাকলে মানুষের ইশ্বর চেতনায় কি থাকবে বলা মুশকিল। হয়তো সেই বিশ্বাসীর শেষ আশ্রয় থাকবে ইশ্বরের অভিপ্রায় তাই মানুষের হাতে বিজ্ঞানের হাতে এসব রহস্য উদঘাটনের ভার সমর্পন করেছেন তিনি।
আর মানুষের ভয়ের জায়গাগুলোই অনেকটা চিহি্নত, মানুষের মৃতু্য আর জরাকে জয় করা গেলে মানুষ এই 2 অনিশ্চয়তার কারনে ইশ্বরমুখাপেক্ষি হবে না। বিজ্ঞানের কাছে আশ্রয় চাইবে, অনন্তকাল বেঁচে থাকা বিষয়টা আমার কাছে তেমন আকর্ষনীয় না লাগলেও মানুষের বয়সসীমা বেড়েছে গত 100 বছরে 2গুনের বেশি। এখন পৃথিবীতে যে পরিমান শতবর্ষি মানুষ আছে তার কণামাত্র ছিলো না 1400 বছর আগে তাই মুহাম্মদ বলতে পেরেছিলো আজ থেকে 100 বছর পরে কোনো মানুষ থাকবে না যারা আজ আছে। হয়তো আরও সময় যাবে মানুষের আয়ু বাড়বে আরও হয়তো 120-150 অতিক্রম করে কেউ কেউ 200 বছর বাঁচবে ভবিষ্যতে,সমস্ত বিশ্বের গড় আয়ু এখন 60 এর কাছাকাছি। উন্নত বিশ্বের মানুষের গড় আয়ু 70 ছাড়িয়েছে, আগে সেটা ছিলো 30 থেকে 40র কোঠায়।সুতরাং আমাদের মৃতু্যভয়কে আমরা প্রায় 20 বছর দুরে সরিয়ে দিয়েছি, কৈশোরের রোমাঞ্চময়তা বাদ দিলে- একমাত্র কৈশোরেই মানুষের মৃতু্যবিষয়ক রোমান্টিসিজম তুঙ্গে থাকে, মানুষ পরবর্তি সময়টাতে মৃতু্য নিয়ে ভাবে কম, তাই ধর্মের হোল সেলার যারা তারা সারা ক্ষন মৃতু্য বিষয়ক কথামালা প্রচার করে, ধর্মের ব্যাবসা হয় মৃতু্যকে পুঁজি করে।
এই মৃতু্যপরবর্তি জীবনের অনিশ্চয়তা মানুষকে আরও ইশ্বরঅভিমুখী করে, অনেকগুলো ফাংশন আছে যার সম্মিলিত রূপ মানুষের উপাসনা, ইশ্বরপ্রেমকে নিয়ন্ত্রন করে তবে মূল ফ্যাক্টরগুলো হাতে গোনা যায়-
মৃতু্য ভয়, অনিশ্চয়তা, বিপদ আপদ থেকে নিরাপত্তা চাওয়া, নিজস্ব প্রয়োজন পূরণের কামনা, আরও কিছু খুঁজে বের করা যাবে, এসব মুখ্য পার্থিব উদ্দেশ্য বাদ দিয়ে অপার্থিব জগতের কামনায় ইশ্বরমুখাপেক্ষি হওয়া মানুষের খোঁজ নেওয়া দরকার আসলে। তারা পৃথিবীতে বসবাস করে আসলেই?
আমার সিদ্ধান্ত হলো ইশ্বরের প্রয়োজন, ইশ্বরকে উপাসনার প্রয়োজন মানুষের যতটা এর চেয়ে অনেক বেশী প্রয়োজন ইশ্বর নামক ধারণাটাকে অবিকৃত রাখার জন্য ধর্মের হোল সেলারদের প্রচেষ্টা।
আমার আগের কোনো এক পোষ্টের মন্তব্যের কিছু অংশ দেখে আমি বেশ মুগ্ধ, ধর্মের মাদকতার মাত্রা চিন্তা করে, ধর্মের উৎপত্তি সামাজিক অসাম্য নির্মূল করা- এটা কতটা মিথ্যা এটা যে বলেছে সে নিজেও উপলব্ধি করে নি, ধর্মের কাজ হলো এই অসাম্যকে একটা বিধান বলে মানুষকে নমনীয় হতে শেখানো, ধনী গরীবের ব্যাবধান, মানুষের মানুষের ভেতরের গোত্র বর্ণের দ্্বন্দ্ব দুর করনের কোনো প্রচেষ্টা নেই ধর্মে তবে ইশ্বর উপাসনার জায়গাটাতে তাদের সাম্যতা দেওয়া হয়েছে। পার্থিরব জগতের কথা বললে বলতে হয় এই সামাজিক অর্থনৈতিক অসাম্যতাকে মেনে নিয়েই এবং যাদের হাতে ধন আছে তাদের তোয়াজ করেই ধর্ম এগিয়েছে, ধর্ম বেশিরভাগ সময়ই ক্ষমতাবানদের তোয়াজ করেছে, এটা যেমন সত্য ইসলামে তেমন সত্য সনাতন ধর্মে।আর উচ্ছিস্টাংশ বিনিময় করে সামাজিক সাম্যতার যে ধারনা সামনে নিয়ে আসে ইসলাম, ধনীদের দেওয়া 2.5% আয়ের অংশ দিয়ে সাম্যবাদ তৈরির যে কামনা করে সেটার সম্ভবপরতা নিয়ে কেউ গবেষনা করে নাই। তবে ধর্মের হোলসেলাররা এটাকে ভালোভাবেই প্রচার করে কাল্পনিক হিসাব দেখিয়ে, এই চ্যারিটি দিয়ে সামাজিক অসাম্যতা নির্মুল করা সম্ভব।
সমাজতন্ত্র যদি ইশ্বরের নামে বেঁচা হতো তবে এই ধর্মে র অনুসারী হতে সবাই। কিন্তু সমাজতন্ত্র কোনো ভাববাদী বিলাস নয়, নেহায়েত একটা সামাজিক বস্তুগত প্রক্রিয়া, পূঁজিবাদের সাথে ধর্ম যায়, মূলত ধর্ম পূঁজিবাদী অস্ত্র, সমাজতন্ত্রের সাথে ধর্ম যায় না।
মানুষে মানুষে সমতার ধারনা ইসলামে আছে?? এমন কোনো দাবির কোরানিক ভিত্তি বা হাদিসের ভিত্তি কেউ দেখাতে পারবে?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
অপবাক আমার পোস্ট টা একটু দেইখেন তো.
অপ বাক বলেছেন:
মিথোলজির উপস্থাপনয়ায় একটা সময় দেবতাদের শয্যাসঙ্গিনি হতো নারী। পুরুষ সে যুগে দেবতার প্রেমে পড়তো এমন মিথ চোখে পড়ে নি আমার, নারী দেবতার প্রেমে পড়েছে, শত সন্তান বরদান চেয়েছে, পুরুষের প্রেমে পড়েছে দেবী, এবং পুরুষের বীজ নিয়ে গেছে স্বর্গে, উপস্থাপনাগুলো এমনই ছিলো,তিনি কাউকে জন্ম দেন না, কেউ তাহাকে জন্ম দেয় না, এই বানীর পর ইশ্বরের প্রতি প্রেমভাব জাগা এবং পুরুষের প্রেমভাব জাগা বিষয়টা আমার কাছে খুব বেশি সুন্দর লাগছে না।
প্রেম শব্দটার সাথে যা যা অনুভব আসে তার একটা আসঙ্গলিপ্সা, ইশ্বর এবং পুরুষ সে বিচারে যাচ্ছে না, নারী ও ইশ্বরের প্রেমভাবের জায়গাটাতে সমস্যা একই শতপূত্র চাইলেই পাবে না,
ভক্তের অন্ধবিশ্বাস কিংবা মোহমুগ্ধতার শব্দরূপে প্রেম ব্যাবহার করা সঠিক অর্থের কাছাকাছি যায় না, ইনফ্যাচুয়েশন শব্দটার প্লেটনিক বাংলা প্রতিশব্দ হতে পারে প্রেম তবে বৈষ্ণব প্রেমের মিলনের আকুতির সাথে ইসলামী প্রেমের মিলনের আকূতিকেও এক ব্রাকেটে রাখা যায় না। শব্দটার ব্যাবহারটা দৃষ্টিকটু হলেও আসলে বিকল্প যোগ্য শব্দের অভাবেই নপুংশক ইশ্বরের প্রতি প্রেমভাব অংশটাকে আনা হয়েছে।
অতিথি বলেছেন:
মানুষে মানুষে সমতার ধারনা ইসলামে নাই কে বলল? আমার এ বিষয়ে কিনচিত জ্ঞান তো অন্যরকম বলে। আর 1500 বছরের পুরোনো একটি ধর্মকে আজকের দিনে পুর্নভাবে, রাষ্ট্রে বা জীবনে হুবহু ভাবে ধারনের প্রচেষ্টাতেই গলদ।
আজকের পশ্চিমা দুনিয়ায় চার্চগুলো দর্শনীয় স্থান হয়ে যাচ্ছে। কারন মানুষের কাজে এখন ধর্ম নিজস্ব ব্যাপার । কোন সামষ্টিক আচার নয়। কোন বাধ্যবাধকতা নয়।
কোন ধর্মই মানুষের অকল্যানের জন্যে তৈরি হয়নি। কাজেই ধর্মের ছিদ্র খোজার চেয়ে মানুষের চোখ খোলার দিকে দৃষ্টি দিলেই জগতের মঙল।
বর্তমান কালের এই অরাজকতা দেখে মনে হয় অন্ধবিশ্বাসীদের জন্যে আরেকবার ওহী নাজিল হওয়া প্রয়োজন।
অতিথি বলেছেন:
রেজওয়ান ভাই আসলে কথাটা সত্য না, মুক্ত মানুষের সমতা আছে আবার যুদ্ধবন্দির বিষয়ে নিয়মটা ভিন্ন, 1 পুরুষ = 2 নারী,এটাও ঠিক মানুষে মানুষে সমতার কথা বলে না,আর ভন্ড নবীর সাথে যুদ্ধের সময় সেই নবীর অনুসারীদের সাথে কৃত ব্যাবহার অনুসরন করলে আরও পরিস্কার ভাবে বিষয়টা বুঝতে পারবেন।
ধর্মবর্ণগোত্র নির্বিশেষে মানুষের সমতার ধারনা এনেছে আধুনিক সমাজ আর সাম্যবাদী চেতনা আরও কিছু অধিকারকে মানবীয় অধিকার চিহি্নত করে তা পূরণ করার দায়িত্ব দিয়েছে রাষ্ট্রকে, এই ধারাটা সমাজতন্ত্র।
অতিথি বলেছেন:
শরীয়া আইনে একজন পুরুষ স্বাক্ষীর সমান কয়জন মহিলা স্বাক্ষী ? ইসলাম কি একজন মহিলা কে বিচারক হবার অধিকার দেয়?
অতিথি বলেছেন:
শিরিন এবাদী র জীবনী পড়তে পারেন ।ইরানে ইসলামী বিপ্লবের আগে শিরিন বিচারক ছিলেন , কিন্তু বিপ্লবের পর তাকে অপসারন করা হয় কারন ইসলাম মেয়েদের এই অধিকার দেয়নি ।
এটা যদি মানুষের সমানাধিকার হয়, তাহলে কিছু বলার নেই ।
অতিথি বলেছেন:
1পুরুষ = 2 নারী?কোথায় পেলেন কে জানে।
তাহলে পুরুষদেরও গলা ছেড়ে কাঁদা উচিৎ কারণ, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত বলা হয়েছে... বাবা সম্পর্কে তেমন কোন কথা নেই।
ইসলামে স্রষ্টার কাছে মানুষের মর্যাদা সমান। একজন চুরি করলে তাকে মাফ করে দেয়ার মধ্যে সমতার প্রকাশ হয় না, বরং তাকে শাস্তি দেয়ার মাধ্যমে তার প্রকাশ হয়। কারণ, যেই করুক কাজটা, সে একই শাস্তি পাবে। শুধু মাত্র এটাই অন্যদের উপর 'ফেয়ার'।
"Never will I suffer to be loss the work of any of you be it male or female: you are members of one another ..." (Qur'an 3:195)
If any do deeds of righteousness be they male or female and have faith they will enter paradise and not the least injustice will be done to them. (Qur'an 4:124)
অতিথি বলেছেন:
আস্ত:আপনি শরীয়া আইনটা একটু দেখেন প্লিজ ।
একজন পুরুষ স্বাক্ষী আর একজন মহিলা স্বাক্ষী কে সমনা ধরা হয় কিনা?
অতিথি বলেছেন:
আস্ত মেয়ে কি বাহির করলা এইটা, সম্পত্তি ভাগের হিসাবটা দেখো-সাক্ষির বিষয়টা দেখো,
বিয়ার সময় এক পুরুষ সাক্ষি দিতে পারবে কিন্তু যদি মেয়ে সাক্ষি হয় তাহলে 2 জন মেয়েরে সাক্ষ্য দিতে হবে।
মায়ের পায়ের তলে সন্তানের বেহেশত হইলেও, পোলা সাক্ষ্য দিলে যত জোড় হইবো ঐ জোড় দিতে হইলে 2টা মায়েরে সাক্ষ্য দিতে হইবো।
অতিথি বলেছেন:
সাক্ষ্যটা শুধু মাত্র লিগাল ব্যপারে, যেখানে বিচারের প্রসংগ আসে। আরও শর্ত আছে তো, যে সাক্ষ্য দিবে, সে মিথ্যাবাদী হতে পারবে না। এই ব্যপারের খুটিনাটি নিয়ে বই লেখা হয়েছে, সব এখানে দেয়া যাবে না এই স্বল্প পরিসরে। আগ্রহীরা দেখতে পারেন ইন্টারনেটে বইটার কপি:
http://www.witness-pioneer.org/vil/Books/
Q_WI/misconception.htm#
Distinctions%20justified
আর সম্পত্তি? হ্যা, যখন বলা হয়েছে, একজন নারী বিয়ের সময় 'মোহরানা' পাবে, পুরুষ পাবে না, তখনও তো অবিচার হয়েছে তাই না? আর যখন পুরুষের উপর 'ফরজ' করে দেয়া হয়েছে, তার সম্পদ থেকে নিজের পরিবারের জন্য খরচ করতেই হবে, কিন্তু নারীকে বলা হয়েছে, তার সম্পত্তি যেখানে খুশি সেখানে খরচ করতে পারবে, পরিবারের জন্য খরচ করতে বাধ্য না। তার উপার্জনও নিজের, যেখানে স্বামীর উপার্জনে স্ত্রীর অধিকার আছে, বাবার উপার্জনে সন্তানের অধিকার আছে... আচ্ছা এটাও কি অসমতা?
অতিথি বলেছেন:
ওই ভাবে 1 = 2 হিসেব করলে, যখন পরিবারে খরচের প্রসঙ্গ আসে, তখন তো একজন নারীর নফল খরচের বিপরীতে একজন পুরুষের ফরজ খরচ আসছে। তার মানে কি, একজন পুরুষ কখনও নারীর সমান অধিকার অর্জন করতে পারবে না? মোহরানার সময়ও কি তাই বলা যাবে?
অতিথি বলেছেন:
বি স্পেসিফিক আস্ত ।আমার বাবার সম্পত্তি'র আমি যতটুকু পাব , আমার বোন পাবে তার অর্ধেক । এইতো !
এবার আমি বিয়ে করার সময় কতো মোহরানা দেবো, আমার বোন তার বিয়েতে কতো দেনমোহর পাবে... এসব এসাম্পসন দিয়ে হিসব-নিকাশ টা গোজামিল না?( কে বিয়ে করবে , না করবে, কতটুকু মোহরান দেবে না দেবে সেটা কি বাবার সম্পত্তি ভাগের সময় অনুমেয়?)
সাক্ষ্যটা তো লিগাল ব্যপারই । শরীয়া আইনে, মুসলিম আইনের ক্ষেত্রে এটা আছে । তো এই লিগাল ক্ষেত্রে 1:2 র স্পষ্ট উল্লেখ থাকার পর ও এটাকে সমানাধিকার বলা টা কি লিগ্যাল?
অতিথি বলেছেন:
আমি খুবই স্পেসিফিক। ইসলামে মানুষের মর্যাদা সমান করার পরেও, একজন শাসককে বলা হয়েছে শাসিতের চেয়ে বেশি কঠোর বিচার করা হবে। এখানে একটা লুডুর বদলে আরেকটা লুডু টাইপের হিসাব না। পুরা কনটেক্সটে ব্যালেনস করা হয়েছে। একটা একটা করে না।একটা পুরুষ আর নারীর সম্পত্তি অভার অল ব্যালেনস করা হয়েছে। পুরুষদের জন্য মোহরানার কনসেপ্টই নাই, তার মানে কি পুরুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে? সেটা নিয়ে কেউ চিল্লাপাল্লা করে না কেন? নারীর সম্পত্তিতে বলা হয়েছে পুরুষের [গাঢ়]অধিকার[/গাঢ়] নেই, কিন্তু উলটাটা সত্যি। কেন? তার মানে কি পুরুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে?
পুরুষকে ইনিশিয়ালি বেশি সম্পত্তি দেয়ার কারণ এটাই। খরচের দিক দিয়ে দায়িত্ব বেশি দেয়া হয়েছে। নারীর সম্পত্তি শুধু মাত্র নিজের জন্য।
অতিথি বলেছেন:
পুরুষের জন্য মোহরানার কনসেপ্ট নেই কেনো? কারন একটা মেয়ে বিয়ের আগে বাবার অধিকার ভুক্ত । স্বামী বাবার কাছ থেকে এই মেয়ের অধিকার গ্রহন করছে । মেয়েটার শারীরিক মানসিক সব অধিকার গ্রহনের বিনিময়ে তাকে অর্থমুল্য দিচ্ছে !বিয়েটা যদি লিগাল কন্টাক্ট হয় আর কন্টাক্টের দুই পক্ষ সমমর্যাদার হয় তাহলে ভতর্ুকী দেয়া কেনো?
মোহরানা হচ্ছে মেয়েদের দাসত্বের আরেক ফরমান ।
যা হোক আপনার ব্যখ্যাটা মজার ।
শরীয়া আইনে এক পুরুষের স্বাক্ষী র সমান দুই মহিলার স্বাক্ষী আর মেয়ে দের বিচারক না হবার পক্ষে আপনার যুক্তি গুলো কি?
অতিথি বলেছেন:
এই আলোচনা আমরা কোন সময়ে করছি?একটা মেয়ে বিয়ে করতে পারে নাও করতে পারে। ওভার অল হিসাবের সময় সবগুলা সম্ভবনাকেই পরখ করে রাখা উচিত। আইন থাকলে আইনের প্রায়োগিক দিকে অনেকগুলা ধারা দিয়া নির্দিষ্ট করা যায়।
এই খানে বলা হলো একজন অবিবাহিত মেয়ে কেনো তার বাবার সম্পত্তির ভাগের সময় ছেলের সমান ভাগ পাবে না এই কথা, তুমি আবঝাব হিসাব দেখাচ্ছো কেনো, এমনও হতে পারে একটা মেয়ে পুরুষের চেয়ে বেশী উপার্জন করছে, সেটা তার ব্যক্তিগত উপার্জন, দেন মোহরানার হিসাবটাও কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু না, কয়েকটা খেজুর থেকে শুরু করে যেকোনো অঙ্ক হইতে পারে, এই অনির্দিষ্ট বিষয়টাকে সামনে এনে সম্পত্তির অর্ধেক ভাগীদারের হিসাবটা কেনো করছো এটাও বুঝলাম না।
আর দেন মোহরানা সঠিক অর্থে যৌনাঙ্গ ভোগ করার অধিকারের বিনিময়ে প্রাপ্ত দর্শনী।
যদি কেউ যৌনাঙ্গে শিশ্ন প্রবেশ না করায় বিয়ার হক আদায় হবে না এবং তার মোহরানা পাওয়ার অধিকার থাকবে না।
এটা হাদিসের আইন।
এমন নিয়মটাকে অন্য একটা ধারনার সাথে গুলিয়ে ফেললে বিপদ।
তুমি তোমার যৌনাঙ্গ ছেদের মুল্য নির্ধারন করবে সেটা তোমার সম্পদ। সেটা কোন যুক্তিতে বাবার সম্পত্তির সাথে ঐক্যতানিক হয়? তোমার যৌনাঙ্গ কখনই তোমার বাবার হেফাজতে ছিলো না। তোমার বাবার কোনো অধিকারও নেই সেখানে।
অতিথি বলেছেন:
হাসান মোরশেদ, বাবার 'অধিকারভুক্ত' না, বাবার দায়িত্বে। দুইটায় আকাশ পাতাল তফাৎ। আমি কারও সম্পত্তি না, কিন্তু আমার ভাল মন্দ দেখার দায়িত্ব আমার বাবার, এবং এই দায়িত্ব অবহেলা করলে ধরা হবে আমার বাবাকে। শাস্তি দেয়া হবে।
বিয়ের পরে যদি স্বামীর সম্পত্তি হতো, তাহলে এটা বলা হতো না, 'তোমাদের মধ্যে সেই প্রকৃত মুমিন (অথর্্যাৎ যার বিশ্বাস আছে) যে তার স্ত্রীর কাছে ভাল'।
মোহরানা মূল্য না, বরং একটা মর্যাদার প্রতীক। একটা নারীকে পাওয়ার জন্য কিছু আত্মত্যাগ করতে হবে, সেটাই এর মূল কথা। খুব সম্ভবত উম্মে সালমা... বিয়েতে মোহরানা হিসেবে নিয়েছিলেন তার স্বামীর ইসলাম গ্রহণ করা। অর্থ না।
যদি অবিবাহিতের কথাও বলি, তাহলেও, বাবার পরে একটা ভাইয়ের দায়িত্ব হচ্ছে তার বোনের দেখাশোনা করে, আর্থিক ভাবে, মায়ের দেখাশোনা করা। এটা কিন্তু অবিবাহিত মেয়েটার দায়িত্ব না।
অরূপ বলেছেন:
খাইতেই আছি, খাইতেই আছি!
অতিথি বলেছেন:
হ্যা, কারও ভাল কিছু না থাকলে একা খাওয়াই ভাল। থাপপড় আর গালাগালি এক মাত্র সম্পত্তি, সম্বল হলে অন্যকে অফার না করাই উত্তম।
অতিথি বলেছেন:
এইটাই ও কিন্তু স্পেসিফিক হলোনা ।সম্পত্তির একটা গোজামিল দিলেন , স্বাক্ষী আর বিচারক হবার ক্ষেত্রে বৈষম্যের একটা সমাধান দাঁড় করাবেন না?
এবার যদি বাকী বিল্লাহ র পোষ্টের মতো এইখানেও উপসংহার টানেন ''পোষাইলে মানেন, না পোষাইলে নাই'' । তাহলে অবশ্য ঠিক আছে ।
এতো এতো বৈষম্যের পর ও চিৎকার করেন ইসলামে নারী-পুরুষ সবার অধিকার সমান ।
কি আসে যায়?
অতিথি বলেছেন:
অধিকার সমান? না তো, কে দাবী করল... একটা সন্তানের উপর মায়ের যেই অধিকার বাবার অধিকার তার চেয়েও কম। সমান কখনোই না। যেখানে অধিকার বেশি, সেখানে কর্তব্যও বেশি। মায়ের অধিকার বেশি, কারণ সন্তানকে দুধ পান করানো মায়ের কর্তব্য, দায়িত্ব। ইসলামে অধিকার আর দায়িত্বের সুপারফিশিয়াল ধারণা নেই, পুরোপুরি পূর্ণাঙ্গ ধারণা। যার যে দিকে করার ক্ষমতা বেশি, তাকে সেদিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বেশি আর সেই অনুযায়ী কিছু সুবিধা দেয়া হয়েছে।
হ্যা, মর্যাদা আল্লাহর কাছে নারী পুরুষ সবার সমান। সেটা আমি যেই আয়াতগুলোর রেফারেনস দিয়েছি সেখানে দেখতে পারেন।
অরূপ বলেছেন:
আজকে দেখি একাধিক তালগাছ.. ভাগ বাটোয়ারা কইরা নিলেই হয়!!
অতিথি বলেছেন:
আপনার এই মারফতি কথা ও কিন্তু স্বাক্ষী এবং বিচারক সংক্রান্ত বৈষম্যের সমাধান দিলোনা ।নাকি বাদ দেবো আলোচনা?
যান বাদ দিলাম ।
অরূপ বলেছেন:
মোরশেদ ভাই,তালের বড়া বানাইতে থাকেন। আজকে তালগাছ নিয়ে আর কাইজা হবে না, নারিকেল গাছ খোজা হচ্ছে, পাইলে উহা লইয়া কাইজা হইব!
অতিথি বলেছেন:
মারফতি কথা? মারফতি কথার মানে জানি না। হ্যা, জানি, এটাই নতুন ফ্যাশন... 'মারফতি কথা', 'কপি পেস্ট কালচার', স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান', ইত্যাদি ইত্যাদি বলে মূল দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরানো। আর সাক্ষী সংক্রান্ত ব্যপারের ব্যাখ্যা আবার কি? বলা হয়েছে একজন পুরুষ বা দুই জন নারী। এও বলা হয়েছে, যদি নারীদের একজন ভুলে যায়, তাহলে অন্যজন যেন তাকে মনে করিয়ে দিতে পারে।
"And get two witnesses out of your own men. And if there are not two men (available), then a man and two women, such as you agree for witnesses, so that if one of them (two women) errs, tile other can remind her. And the witnesses should not refuse when they are called on (for evidence). ( Surah 2:282)
এটা প্রতিটা ব্যপারে সাক্ষী না, শুধু মাত্র ক্রিমিনাল এক্টের ব্যপারে। এখানে মেয়েদের সেনসিটিভ নেচারকে শ্রদ্ধা করা হয়েছে, কারণ হত্যার মত ব্যপারে ঘটনার চাপ একজন নারীর মানসিকতার উপর যতখানি প্রভাব ফেলে, পুরুষের ব্যপারে তার চেয়ে কম পড়ে। কারণ আল্লাহই বলে দিয়েছেন। এর আর কি ব্যাখ্যা লাগবে?
এটা শুধু মাত্র ক্রিমিন্যাল ল' এর ক্ষেত্রে প্রজোয্য আর কোন ক্ষেত্রে না।
অতিথি বলেছেন:
ইয়ে ,তালের রস আর নারিকেলের নাড়ু দুইটাই বড়ো চিত্ত উত্তেজক ।রাত্রি চতুর্থপ্রহর । অধিক বিলম্ব হইলে নিদ্্রাদেবী অভিমান বশত: শয্যাপাশে স্থান নাও দিতে পারেন ।
অতিথি বলেছেন:
তারপরে বেত গাছও খোঁজা শুরু হবে, তালগাছের জন্য যুদ্ধে জিতিতে।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
খালি উপর দিয়ে যায় ,,,,,,,ডুবি তবু ভাসি না?
অতিথি বলেছেন:
অনুপাতটা নিয়ে কথা হচ্ছিল, তবে মেয়েদের দূর্বলচিত্ত ভাবার কোনো কারন নাই, এবং মেয়েরা ভুলে যায় এ জন্য 2 জনকে লাগবে এটা হুইল চেয়ারে বসে থাকা যুক্তি।
অতিথি বলেছেন:
মেয়েরা ভুলে যায় এজন্য 2 জনকে লাগবে! ওরে আমারে ধর তোরা! আমি গেলাম গো কাকু! আমার সব কিছু ভোলা শেষ!
অতিথি বলেছেন:
আরে, এইখানে দেখি মোটামুটি একটা ভালোই টানাটানি হইয়া গেছে তালগাছ নিয়া।আস্তা, তুমার ওই 'বিতর্ক নাকি অর্থহীন ঝগড়ার নামান্তর ' নীতিতে অবিচল থাহনই ভালো। সবাইরে দিয়া সবকিছু হয় না, ডিয়ার।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















তবে এটাকে হিসাবের বাইরে রাখা ভালো, অন্তত ইসলামি ভাবনায় যেখানে ইশ্বর নপুংশক, সেই ধর্মের বিধানে ইশ্বরের প্রতি প্রেমভাব নিয়ে কেউ প্রণত হয় না।
বিষয়টা এমন ভাবনার প্রেম কি?
5000 হাজার বছর আগে মানব ইতিহাসের বৃত্তান্ত ও কল্প কাহিনী আসলে সাহিত্যের একটা মাত্রা বৈকী অন্য কিছু নয়। বুঝতে হবে প্রাগৈতিহাসিক কালে জীবন দর্শন ও সাহিত্যের ব্লেন্ডেড ছিল এক একজন পথ পদর্শক, যারা জীবনে প্রতিফলন করতেন কিছু আদর্শ ও তার সাথে মৌখিক সাহিত্য। মানুষ আকৃষ্ট হতো কথা শুনে, যাতে থাকতো মিষ্টতা। তখনকারের সে সাহিত্য রূপকতা, কল্পনা, ইশ্বর প্রশ্বস্তিতে আজগুবি বিষয় তো থাকবে। দেখবেন ওগুলো শুধু অতীতেই ঘটেছিল। বর্তমানে কখনো ঘটে না। সেই অতীতকালেও বলা হতো অতীতে ঘটেছে।
যা তখনকার প্রয়োজন মিটিয়েছে সবচেয়ে আধুনিকতম উপস্থাপনে, মানুষ তাতে আকৃষ্ট হয়েছে। আজকেও তো সে ধারা অব্যহত। মানুষ এ সময়ের উপলব্ধ সরূপে তা বিশ্লেষণ করবে, তাকে ভুল প্রতিপন্ন করবে। তৈরী হবে এসময়ের ধারা।