ইসলামে পতিতাবৃত্তির অনুসন্ধান
২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৩
ধর্ম বিষয়ে আমাদের নিজস্ব উন্নাসিকতা আছে। আমরা প্রায় সবাই জন্মসূত্রে ধর্মকে অধিকার করেছি বলেই সম্ভবত আমাদের ভেতরে তেমন যাচাইয়ের প্রবনতা গড়ে উঠে নি। আমাদের লৌকিক বিশ্বাস, আমাদের সামাজিক সংস্কার, আমাদের মানবীয় আবেগের উচ্চারণ সবই আমরা ধরে নেই ধর্মের লিখিত এবং অলিখিত বিধান হিসেবে।
মূলত অনুসন্ধিৎসার অভাবটা আমাদের মজ্জাগত। এটা নিয়ে কাউকে দোষারোপ করা চলে না, কে বিষয়ে আগ্রহী হবে, কে বিষয় অধ্যয়ন করবে এটা নিয়ে কোনো জোরজবরদস্তি চলে না।
ইসলামে পতিতাবৃত্তি সম্পর্কে জানবার জন্য একটু খোঁজখবর করে যতটুকু জানলাম তার প্রথমাংশ পড়েই মানুষের নিজস্ব সামাজিক অনুশাসনের পতাকা পতপত উড়তে শুরু করলো। আমাদের সামাজিক বিধানে পতিতারা কেহই সমাজের মান্যগন্য হবার যোগ্যতা ধারণ করে না, আমাদের সামাজিক বিধান এমনই যে পতিতাদের আলাদা বেশবাস আলাদা আচরণ এবং আলাদা কারাগার নির্মান করেছি আমরা।
সেই ভাবনার জড়তা নিয়ে পতিতাবৃত্তি সম্পর্কে ইসলামি অনুশাসনের অনুসন্ধান করবার তাগিদ তৈরি হয় না। মনের ভেতরে দৃঢ় একটা বিশ্বাস জন্মে যায় আমাদের সমাজের প্রচলিত সামাজিক ঘৃনাও ইসলাম বহন করে।
আবরে দাস ব্যবসার প্রসার ছিলো, অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের সাথে সঙ্গমও বৈধ ছিলো। দিল্লীর কাজি সম্মানিত পরিব্রাজক ইবনে বতুতাও এই অভ্যাসের বাইরে ছিলেন না, তাহার অধিকারভুক্ত সুন্দরী দাসীদের সাথে নিয়েই তিনি বিভিন্ন সফর করেছেন। তিনি বিভিন্ন অঞ্চলে যেহেতু সম্মানিত কাজী ছিলেন তাই তাহার ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান বিষয়ে অবজ্ঞা প্রদর্শনের উপায় নেই এখানে।
দাসীদের নিজস্ব সম্পদের অধিকার ৈলো না, দাস- দাসিদের নিজস্ব উপার্জনের জন্য ব্যবহার করবার অধিকার ছিলো মালিকের। মালিক চাইলেই তাকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করিয়ে নিতে পারতেন, তাকে বাইরেও কাজের জন্য নিযুক্ত করতে পারতেন।
সে সময় আরবের অবস্থাসম্পন্ন সকল মানুষেরই কয়েকজন দাস থাকতো- মুহাম্মদ- বিবি খাদিজা, আয়েশা, ফাতিমা, মুহাম্মদের সম্মানিত বিবিগণ সবারই অধিকারভুক্ত দাসদাসী ছিলো- মোহাম্মদের মৃত্যুর পরে তাহার অধিকারভুক্ত দাস-দাসীগন তাহার ওয়ারিশদের ভেতরে বাটোয়ারা হয় ইসলামি শরিয়া আইন মেনেই।
সে সময় আল্লাহর বান্দা আবদুল্লাহ বিন উবাই বিন সালুলের নিজস্ব অধিকারভুক্ত দুই দাসী মুসাইকা এবং উমাইমাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিয়াছিলো আল্লাহর দাস আবদুল্লাহ।
মুসাইকার নিজের পছন্দ হয় নি এই ব্যবস্থা। তাই সে সোজা গিয়ে মোহাম্মদের দরবারে বিচারের আর্জি জানালো। মুহাম্মদের সহায়ক হিসেবে নাজিল হলো সুরা নুরের ৩৩তম আয়াত- তোমরা তোমাদের দাসীদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করিও না যাহারা সতী থাকিতে চায়।
সমস্যা হলো মুসাইকা নিজে পতিতাবৃত্তিতে গররাজি ছিলো- কিন্তু সবাই কি গররাজি ছিলো? তখন কি এমন কোনো প্রবনতা ছিলো- যেহেতু দাসীদের সবকিছুর অধিকার ছিলো মালিকের এবং দাস দাসীদের আচরণ বিধি বিষয়ে মুহাম্মদের নিজস্ব কিছু বক্তব্যও ছিলো তাই দাস= দাসীদের কিভাবে কি কাজে ব্যবহার করা হবে এ নিয়েও কিছু বক্তব্য ছিলো। দাসের স্বাধীনতা নেই কোনো- তারা মানুষের চেহারায় পশুরও ইতর জীব। তাহাদের নিজস্ব জীবনের স্বাধীনতাও ছিলো না। তাই মালিক যদি তাদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে তাহলেও সেটাতে কোনো দোষনীয় বিষয় ছিলো না।
কথা হলো দাসীদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানোর কোনো প্রবনতা ছিলো কি না সে সময়ে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় সে রকম প্রবনতা ছিলো প্রবল ভাবেই- তাই আব্দুল্লাহ বিন উবাইয়ের বিন্দুমাত্র সন্দেহ হয় নি এটা অনৈতিক কোনো কাজ, এমন কি মুসাইকা নিজে গিয়ে অবিচারের বিচার না চাইলে হয়তো সুরা নুরের ৩৩তম আয়াতের উদ্ভব হতো না।
সেখান থেকেই পরবর্তী ধাপে আসলো দাসীর পতিতাবৃত্তির টাকা ভোগ করবার অধিকার নেই মালিকের।
মালিক যদি পতিতাবৃত্তির টাকা ভোগ করতে না পারে তাহলে সে দাস দাসীদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করাবে কেনো? সমাধানটা সহজ হলেও অনেক ভাবেই দাসী উপহার দেওয়ার প্রবনতা থেকে বুঝা যায় সুঠাম দেহের অধিকারিনী দাসীরা মালিকদের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ছিলো ।
উসমান তার খুতবায় বলেছিলো তোমরা তোমাদের অযোগ্য দাসীদের অর্থ উপার্জনের জন্য বাধ্য করিও না- যেহেতু তাদের কোনো কাজ করিবার দক্ষতা নেই তাই তাহারা পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য হবে- এটা মুসলীমের একটা হাদিস-
Book 54, Number 54.16.42:
Malik related to me from his paternal uncle, Abu Suhayl ibn Malik, that his father heard Uthman ibn Affan say in a khutba, "Do not oblige the slave-girl to earn money unless she has a skill. When you oblige her to do that, she will earn money by prostitution. Do not oblige the child to earn money. If he does not find it, he will steal. Have integrity since Allah has integrity with you, and you must feed them good food."
যাহাই হোক পতিতাবৃত্তির ইতিহাস ছিলো ইসলামী সমাজে- কে ছিলো তাহাদের ভোক্তা ?
Book 12, Number 2258:
Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As:
The Prophet (peace_be_upon_him) decided regarding one who was treated as a member of a family after the death of his father, to whom he was attributed when the heirs said he was one of them, that if he was the child of a slave-woman whom the father owned when he had intercourse with her, he was included among those who sought his inclusion, but received none of the inheritance which was previously divided; he, however, received his portion of the inheritance which had not already been divided; but if the father to whom he was attributed had disowned him, he was not joined to the heirs.
If he was a child of a slave-woman whom the father did not possess or of a free woman with whom he had illicit intercourse, he was not joined to the heirs and did not inherit even if the one to whom he was attributed is the one who claimed paternity, since he was a child of fornication whether his mother was free or a slave.
এই হাদিসের শেষের অংশ চমকপ্রদ- সম্ভবত আবু দাউদ কিংবা মিশাকতের হাদিস এটা-
যেকোনো স্বাধীন নারীর সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্কের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তান উত্তরাধিকারি হিসেবে স্বীকৃত হইতে পারিবে না।
কিংবা এমন কোনো দাসীর সাথে সঙ্গমের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তান যাহার মালিক ছিলো না মৃত ব্যক্ত সেও সম্পত্তির ওয়ারিশ নয়।
কথা কিংবা প্রশ্ন হইলো নিজে যে দাসীর মালিক নয় সেই দাসীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপিত হইতো কিভাবে?
যাহাই হোক বুখারির হাদিসে ফিরে আসি-
Volume 2, Book 23, Number 440:
Narrated Ibn Shihab:
The funeral prayer should be offered for every child even if he were the son of a prostitute as he was born with a true faith of Islam (i.e. to worship none but Allah Alone). If his parents are Muslims, particularly the father, even if his mother were a non-Muslim, and if he after the delivery cries (even once) before his death (i.e. born alive) then the funeral prayer must be offered. And if the child does not cry after his delivery (i.e. born dead) then his funeral prayer should not be offered, and he will be considered as a miscarriage. Abu Huraira, narrated that the Prophet said, "Every child is born with a true faith (i.e. to worship none but Allah Alone) but his parents convert him to Judaism or to Christianity or to Magainism, as an animal delivers a perfect baby animal. Do you find it mutilated?" Then Abu Huraira recited the holy verses: 'The pure Allah's Islamic nature (true faith i.e. to worship none but Allah Alone), with which He has created human beings.' " (30.30).
এই হাদিসের বক্তব্য নিজে কিছু অনুবাদ করলাম না, যারা এখানে লেখা পড়ে তাদের ইংরেজি জ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি পতিতাবৃত্তি তেমন অনাহুত ছিলো না ইসলামী সমাজে। পতিতারা সগৌরবেই ছিলো, কখনও তারা ছিলো স্বাধীন দেহ পসারিনী কখনও তারা ছিলো আজ্ঞাবহ দাসি যারা মালিকের জন্য বাধ্য হয়েছিলো পতিতাবৃত্তিতে।
সর্বশেষ বুখারির হাদিস যা আরও উপাদেয়-
মুহাম্মদের তীব্র কুকুর ভীতির কারণ জানা নেই তবে সেই ঘৃন্য কুকুরকে পানি খাওয়ানোর জন্যও এক পতিতার বেহস্ত নসিব হয়েছিলো।
Volume 2, Book 23, Number 441:
Narrated Abu Huraira :
Allah's Apostle said, "Every child is born with a true faith of Islam (i.e. to worship none but Allah Alone) but his parents convert him to Judaism, Christianity or Magainism, as an animal delivers a perfect baby animal. Do you find it mutilated?" Then Abu Huraira recited the holy verses: "The pure Allah's Islamic nature (true faith of Islam) (i.e. worshipping none but Allah) with which He has created human beings. No change let there be in the religion of Allah (i.e. joining none in worship with Allah). That is the straight religion (Islam) but most of men know, not." (30.30)
অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অপ বাক বলেছেন:
Volume 4, Book 54, Number 538: Narrated Abu Huraira:
Allah's Apostle said, "A prostitute was forgiven by Allah, because, passing by a panting dog near a well and seeing that the dog was about to die of thirst, she took off her shoe, and tying it with her head-cover she drew out some water for it. So, Allah forgave her because of that
কোনো এক অজানা কারণে এটা হবে শেষ হাদিসটা-সেটা অন্য কিছু এসেছে, এজন্য দুঃখিত।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
মাতা ঘুরাইতাসে আমার
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অসাধারণ জ্ঞানগর্ভ লেখা। আরও অনেক অলেক লেখা চাই আপনার। এ ধরনের লেখা যেন না থামে। অসাধারণ একটি বিষয় নিয়ে লিখলেন। তবে একটি প্রশ্ন ছিল আমার। ইসলামে কি দাস ব্যবসা হারাম, যেমন হারাম মদ ?
রণদীপম বসু বলেছেন:
ভালো পোস্ট। ভালো লাগলো পড়ে। তবে ঐ যে বললেন @মূলত অনুসন্ধিৎসার অভাবটা আমাদের মজ্জাগত। এটা নিয়ে কাউকে দোষারোপ করা চলে না, কে বিষয়ে আগ্রহী হবে, কে বিষয় অধ্যয়ন করবে এটা নিয়ে কোনো জোরজবরদস্তি চলে না।কিন্তু আমার তো মনে হয়, অনসন্ধিৎসার ইচ্ছাটাই আমাদের মজ্জাগত। এই ইচ্ছার স্বাভাবিকতায় যদি কেউ এমন ভয়ঙ্কর প্রশ্নের ধারাবাহিকতা সৃষ্টি করে যুক্তিহীন কল্পকাহিনীকে দুমড়ে দিয়ে সত্যের অপলাপটুকু বের করে ফেলে, তাই হয়তো সীমা লঙ্ঘন না করার বাধ্যবাধকতা তৈরি করে অনুসন্ধিৎসাকে চাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সব ধর্মেই এক অবস্থা।
আশা করছি এই লেখার ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকবে। আরো পড়া ও জানার অপেক্ষায় রইলাম। ধন্যবাদ।
েক আিম বলেছেন:
ভাই আপনারা এত নিচে নামসেন বুঝতে পারি নাই। প্রথম হাদিসে বলা হইছে, কোন দাস বা দাসী বা কোন শিশুকে আয় করতে বাধ্য না করতে, যদি তার আয় করার skill না থাকে, এই skill কাজের skill, কারন বাধ্য করলে হয়তো মালিকের ভয়ে পতিতাবৃত্তি করে আয় করবে, শিশু চুরি করবে। আর আপনি কি মানে করলেন এই হাদিসের!!!আর কোন লোক তাঁর দাসীর সাথে সংঙ্গম করে সন্তান হলে, সে সন্তান সকল উত্তরাধীকার পাবে। আর বাহিরে কারো সাথে সংঙ্গম করলে তো তার শাস্তি ইসলামে স্পষ্ট। এই হাদিসটি সে সময়ের জন্য , যখনো ইসলামে দাস প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়নি, এবং আরবের সেই সময়ের দাসীদের গর্ভে মালিকের সন্তানদের অধিকার এর জন্য। এর পরে আনেক হাদিস ও কোরানের আয়াতে দাস প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তৃতীয় হাদিস টা যে সামান্য ইংরেজী পারে সেও বুঝবে, মানব শিশুর কি মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সমাজের সবচেয়ে ঘৃনিত পতিতার সন্তানেরও মর্যাদাবান মানুষের মতো সমান সম্মানে শেষকৃত্য পাবার অধিকার আছেঅ আর এইটার কি মানে করলেন আপণি!!!!
আর শেষ হাদিসের আরো অনেক আলোচনা আছে, আপনি ইসলাম বিষয়ে সামান্য ঙগান রাখেন না এই হাদিসটির ব্যাবহার তার প্রমান। আল্লাহ শুধু দুটি অপরাধ ক্ষমা করবেন না: ১) শিরক ২) অন্যের হক নষ্ট করা। বাকি সব অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, খালি অপরাধের জন্য তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
ইসলামে বিবাহ বহির্ভূত সকল যৌন সম্পর্ক কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।
ভাই আপনি যেই হোন, যাই বিশ্বাস করেন, কেন অন্যের বিশ্বাসে বিনা কারনে, স্রেফ মিথ্যা আর ম্যানিপুলেটেড তথ্য দিয়ে আঘাত করবেন!!!!
লেখক বলেছেন: তথ্যের ম্যানিপুলেশন কোথায় ভাই- বিশ্বাসীর আশ্রয় ঠিক এখানেই তারা খড় কুটা না পেলে মাথার চুল আঁকড়ে ধরে ভেসে থাকতে চায়-
খুতবা কি জন্য দেওয়া হয় জনাব?
খুতবার দেওয়ার প্রয়োজন ছিলো কারণ জুম্মায় সবাই উপস্থিত থাকতো, এ সময়টাই উপযুক্ত ছিলো সবাইকে একসাথে কোনো রাষ্ট্রীয় কিংবা ধর্মীয় বক্তব্য প্রদানের জন্য-
কথা হলো পরিস্থিতি কি রকম পরিস্থিতিতে পৌঁছালে খুতবায় এই অনুরোধ আসে- এটা কিন্তু কোনো আদেশ নয়- মোহাম্মদের আদেশের পালন করবার তীব্রতা মত্ততা ছিলো না এই আদেশে- তাই এই কোমল অনুরোধ বিষয়ে বলা যায় এটা একটা অনুরোধ মাত্র ছিলো সেটা মানা এবং না মানা দাস মালিকের মর্জির উপরে নির্ভরশীল ছিলো।
অপ বাক বলেছেন:
ইসলামে দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ হয় নি- সর্বপ্রথম ইংল্যান্ড এর পরে ধারাবাহিক ভাবে নানা দেশ দাস ব্যবসা নিষিদ্ধ করেছে- যুক্তরাষ্ট্রে দাস ব্যবসা নিয়ে গৃহযুদ্ধ হয়েছে- পরিশেষে নিষিদ্ধ হয়েছে- তবে এখনও মুসলিম আলেমরা দাস ব্যবসা নিয়ে কোনো অবস্থান গ্রহন করে নি, দাস ব্যবসা দাস রাখবার অধিকার এখনও বলবত আছে-কয়দিন আগেও এক ইসলামী বিশেষজ্ঞ বললো ইসলাম দাসের অধিকার নিশ্চিত করেছে-
ভবিষ্যতের পৃথিবীতে দাস আসলে দাসের কর্মপরিধি এবং দাসের অধিকার নিশ্চিত হবে- ইসলাম অবশ্যই আধুনিক ধর্ম- যেখানে স্বনামধন্য আলেমও দাস ব্যবসার বিরুদ্ধে কিছু বলেন না-
অবশ্য সেই আলেম মনে হয় টেক্সাসের মানুষ- সেখানের মানুষ এখনও বর্ণবাদী- ঐতিহ্য ধরে রাখাটা শুধু কাঠমোল্লাদের একান্ত নিজস্ব সমস্যা না।
েক আিম বলেছেন:
আমি আপনাকে প্রতিটি হাদিসের সঠিক মানে বলার পর আপনি নিয়ে আসলেন খুতবার কথা, বলেন কে খড় কুটা আর চূল খুজতেছে???ভাই আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে দাস প্রথা নিষিদ্ধ করেছে ইসলাম। যদি তার আগে ইংল্যান্ড দাস প্রথা নিষিদ্ধ করে থাকে, কিচ্ছু বলার নাই!!
আর গোলাম আযম বা আপনাকে দেখে কেউ যদি ইসলামকে চেনার চেষ্টা করে, তাইলে তো দোষটা ইসলামের না।
লেখক বলেছেন: কে দাস প্রথা নিষিদ্ধ করেছে এটা যদি বলতেন হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিভ্রষ্ট মানুষ তাহলে ভালো হতো- উসমান যখন অধিকারভুক্ত দাস=দাসীর কথা উল্লেখ করছেন তখন সেটা মুহাম্মদের মৃত্যুর ১৫ বছর পরের ঘটনা। সে সময়ে অধিকারভুক্ত দাসেরা থাকলে মুহাম্মদ নিজে দাসপ্রথা বিলোপ করে যায় নি-
যদি মুহাম্মদ না করে তাহলে সেটা কে করেছে ১৪০০ বছর আগে?
এই ১৫০০ সালেও দিল্লীর দরবার দাসেরা ছিলো- তার আগেও ছিলো- ইবনে বতুতা যখন দিল্লীর কাজী তখনও তার দাসী ছিলো- কোন সময়টাতে নিষিদ্ধ হলো এটা যদি জানতে পারতাম সুখী হতাম।
তবে অনুভবের বাইরে আবেগের বাইরে গিয়ে আলোচনা করলে ভালো লাগতো-
অন্ধ বিশ্বাসী মানুষের সাথে আলোচনা করায় আনন্দ নেই কোন।
এর পরে যদি কোনো বুদ্ধিদৃপ্ত মন্তব্য করেন তাহলেই প্রত্যুত্তর পাবেন, অযথা হাবিজাবি বলে ফেলা সুস্থ মস্তিস্কের মানুষের পরিচয় বহন করে না।
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
আপনি কোন সূত্র ধরে কয়েকদিন যাবৎ এইসব গাঁজাখুরী লেখা লিখতাছেন ?
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
অপ বাক, অনুসন্ধিতসু মানুষের মনে প্রশ্ন আসবে এটাই স্বাভাবিক। আপনার মনে আসা প্রশ্নগুলোকে তাই দোষ দিব না। মনে প্রশ্ন আসলে তার উত্তর খোজা মানুষের স্বাভবিক প্রবৃত্তি। কিন্তু আপনার লেখা পড়ে আমার মনে হয়েছে, আপনার মনে যতটা না ছিল জানার ইচ্ছা তার চাইতে অনেক বেশী ছিল ইসলামকে খাটো করার ইচ্ছা। আপনি আপনার ব্লগে Click This Link পোস্টে আপনার মনে উদয় হওয়া কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। আপনার লেখার একটা বড় অংশ জুড়ে আছে সূরা আন-নুরের ৩৩ নং আয়াত। আপনি আয়াতটির আংশিক উল্লেখ করে আয়াতটির সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা করেছেন। পাঠকের সুবিধার্তে আমি সূরা আন-নুরের ৩৩ নং আয়াত এর সম্পূর্ণ অর্থ পেশ করছি।পবিত্র কোরআন শরীফের সূরা আন-নুরের ৩৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন,
"যারা বিবাহে সমর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জানো যে, তাদের মধ্যে কল্যান আছে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে অর্থকড়ি দিয়েছেন, তা হতে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা তাদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যাভিচারে বাধ্য করনা। যদি কেহ তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করে, তবে তাদের জোর-জবরদস্তির পর আল্লাহ তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালূ।"
- এই আয়াতে আল্লাহ বলতে চেয়েছেন, সে সময় আরববাসীরা চাইলে তাদের দাষীদের বিয়ে করতে পারবেন। তবে অবশ্যই সেইক্ষেত্রে তাদের সম্পত্তির বন্টনসহ পূর্ণ স্ত্রীর মর্যাদা দিতে হবে। আর একই সাথে আল্লাহ আরববাসীদের হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, "তোমাদের দাসীরা তাদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যাভিচারে বাধ্য করনা।" - অর্থাৎ দাসীরা যদি সম্পত্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা সত্ত্বেও বিবাহে আবদ্ধ হতে না চায় সে ক্ষেত্রে কোনভাবেই যেন তাদের পার্থিব জীবনের সম্পদের লোভ দেখিয়ে বিবাহপূর্ব সম্পর্কে জড়ানোর জন্য জোর না করা হয়। অথচ আপনি সম্পূর্ণ আয়াত না বুঝেই সম্পূর্ণ লেখা জুড়ে চেষ্টা করেছেন ইসলামে নাকি পতিতাবৃত্তির স্বপক্ষে কথা বলা হয়েছে। অদ্ভুত!!!
শুধু তাই নয় আপনার পুরো লেখা জুড়েই ছিল ইসলামকে ছোট করার চেষ্টা। সূরা আন-নুরের ৩৩ নং আয়াতটির আংশিক উল্লেখ করে আয়াতটির সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা ছাড়াও আপনি আপনার পোস্টে যে যে ধৃষ্টতামূলক কথা বলেছেন তা খেয়াল করুন। আশা করি নিজের ভুলগুলো বুঝতে পেরে শুধরে নেবেন।
১ম কথা, মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাম বলার পর একটা বারও আপনি "(সাঃ)" বলেননি। "(সাঃ)" বলার মাধ্যমে আমরা নবীজী (সাঃ) এর উপর দরুদ পেশ করি। যে অধিকার স্বয়ং আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। আর এই "(সাঃ)" না বলাটা নবীজী (সাঃ) কে অসম্মান করা। অথচ আপনার সম্পূর্ণ পোষ্টের একটা জায়গাতেও মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর নাম বলার পর আপনি "(সাঃ)" বলেননি। আপনি এতকিছুর ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। আর সেই আপনি এত বড় ভুল করলেন কিভাবে? ভবিষ্যতে আপনি যে কোন কথা বা প্রশ্ন করলেও তাতে নবীজী (সাঃ) এর যেন কোন অসম্মান না হয় তা খেয়াল রাখবেন আশা করছি।
২য় কথা, আপনি আপনার লেখার একপর্যায়ে বলেছেন,
"উমাইমাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিয়াছিলো আল্লাহর দাস আবদুল্লাহ।" - "আল্লাহর দাস আবদুল্লাহ" না বলে তো আপনি শুধু "আবদুল্লাহ"ও বলতে পারতেন। এটা কি আপনার "আল্লাহ" শব্দটার প্রতি কোন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ? যদি তাই হয় তবে বলছি, নিজেকে সংযত করুন।
৩য় কথা, আপনি আপনার লেখার শেষ পর্যায়ে বলেছেন,
"সর্বশেষ বুখারির হাদিস যা আরও উপাদেয়- মুহাম্মদের তীব্র কুকুর ভীতির কারণ জানা নেই তবে সেই ঘৃন্য কুকুরকে পানি খাওয়ানোর জন্যও এক পতিতার বেহস্ত নসিব হয়েছিলো। Volume 2, Book 23, Number 441: Narrated Abu Huraira : Allah's Apostle said, "Every child is born with a true faith of Islam (i.e. to worship none but Allah Alone) but his parents convert him to Judaism, Christianity or Magainism, as an animal delivers a perfect baby animal. Do you find it mutilated?" Then Abu Huraira recited the holy verses: "The pure Allah's Islamic nature (true faith of Islam) (i.e. worshipping none but Allah) with which He has created human beings. No change let there be in the religion of Allah (i.e. joining none in worship with Allah). That is the straight religion (Islam) but most of men know, not." (30.30) অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?"
অপ বাক, আমার প্রশ্ন আপনার লেখা শেষ বাক্যটি নিয়ে। "অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?" - আপনার এই বাক্যটি উপরে ইংরেজীতে লেখা হাদিস সর্ম্পকে যে না তা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে। কারন, "অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?" - এই বাক্যটির সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন বাক্যই উপরের ইংরেজি লেখা হাদিসটিতে নেই। সে ক্ষেত্রে আপনার এই বাক্যটি সম্ভবত ইংরেজিতে লেখা হাদিসটির উপরের লেখাটির সাথে সম্পর্কযুক্ত। সেক্ষেত্রে লেখাটি এ রকম দাড়াচ্ছে -
"সর্বশেষ বুখারির হাদিস যা আরও উপাদেয়- মুহাম্মদের তীব্র কুকুর ভীতির কারণ জানা নেই তবে সেই ঘৃন্য কুকুরকে পানি খাওয়ানোর জন্যও এক পতিতার বেহস্ত নসিব হয়েছিলো।" "অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?"
অপ বাক, "অন্য কোনো কারণ কি ছিলো?" - এই প্রশ্নটির মাধ্যমে আপনি এখানে কি ইংগিত দিতে চেয়েছেন??? আপনি যে ইংগিত এখানে দিতে চেয়েছেন তা কতটা ধৃষ্টতাপূর্ণ তা কি আপনি জানেন??? আপনার লেখা দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনার এই লেখায় যতটা না সত্য জানার ইচ্ছা ছিল, তার চাইতেও বেশী ছিল মহানবী (সাঃ) কে ছোট করার ইচ্ছা। আমি একজন মুসলমান হিসেবে আপনার এই পোস্টের তীব্র প্রতিবাদ করছি। তীব্র প্রতিবাদ করছি। তীব্র প্রতিবাদ করছি।
লেখক বলেছেন: .
024.033
YUSUFALI: Let those who find not the wherewithal for marriage keep themselves chaste, until Allah gives them means out of His grace. And if any of your slaves ask for a deed in writing (to enable them to earn their freedom for a certain sum), give them such a deed if ye know any good in them: yea, give them something yourselves out of the means which Allah has given to you.
But force not your maids to prostitution when they desire chastity, in order that ye may make a gain in the goods of this life.
But if anyone compels them, yet, after such compulsion, is Allah, Oft-Forgiving, Most Merciful (to them),
এটা ইউসুফ আলীর আররী থেকে অনুবাদ করা অংশ, এখানে কোথাও কি ব্যাভিচার শব্দটা আছে? সম্ভবত আমাদের শালীনতাদুষ্ট অনুবাদকের সুশীলতার নমুনা এটা। যাই হোক মুসাইকার অভিযোগের ভিত্তিতেই যে সুরা নুরে এই আয়াতটা এসেছিলো তার একটা প্রমাণ পেশ করি
Book 043, Number 7180:
Jabir reported that 'Abdullah b. Ubayy b. Salul used to say to his slave-girl: Go and fetch something for us by committing prostitution. It was in this connection that Allah, the Exalted and Glorious, revealed this verse:" And compel not your slave-girls to prostitution when they desire to keep chaste in order to seek the frail goods of this world's life, and whoever compels them, then surely after their compulsion Allah is Forgiving, Merciful" (xxiv. 33).
যাই হোক আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
মুহাম্মদ বিষয়ে আপনার আবেগ এবং আমার আবেগ ঠিক এক সুতায় গাঁথা নয়- আমার লেখা ধারাবাহিক ভাবে পড়লে এটা বুঝা যাবে।
আব্দুল্লাহ- শব্দটা এসেছে যেখান থেকে তার অর্থ আল্দাহর বান্দা- আল্লাহর অনুগত দাস- সেটার অনুবাদ এসেছে আল্লাহর বান্দা শব্দটাতে-
শেষ প্রশ্নের উত্তরে বলি
ঠিক ৩ নম্বর মন্তব্যে এটা ঠিক করা হয়েছে- কোনো এক কারণে ভুল হাদিসের কপি হয়েছে- সেটা পোষ্টে ঠিক করা সম্ভব হয় নি কোনো এক অজানা কারণে পোষ্ট এডিট করতে বাধা দেয় আমাকে-
ইসলামে পতিতাবৃত্তির বিপক্ষে কিছু দেখলাম না- সে সময় সমাজে পতিতাবৃত্তির চর্চা ছিলো এবং সেটা সবাই গ্রহনযোগ্য মনে করেছে- সেটাকে কেউ জোরপূর্বক বাধা দেয় নি- বরং মৌন সম্মতিতেই ইসলামি সমাজে পতিতাবৃত্তি চলছে- এটাকে যদি আপনার আপত্তিকর মনে হয় আমাকে না ধরে খোলাফায়ে রাশিদুনদের অভিযুক্ত করেন- ধর্ম বিষয়ে এবং এর চর্চা বিষয়ে তারা যে মতামত প্রদর্শন করেছেন সেটাই অনুসৃত হচ্ছে।
আমাকে ঘৃনা করে লাভ নেই- এইসব মানবীয় বোধ আমাকে আক্রান্ত করে না, বিমর্ষ করে না, কোনো রকম মানসিক অভিঘাত তৈরি করে না আমার ভেতরে- কোনো একটা বোধ বোধ করলেই সেটা প্রদর্শন করাও ঠিক না সময় সময়।
মাইনুল বলেছেন:
আপনি অদ্ভুত অদ্ভুত যক্তি দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন আর মানুষ কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। আগের পোস্টে আপনি একটা হাদিসের রেফারেন্স দিয়েছেন। হাদিসটি হল -Volume 7, Book 63, Number 259:
Narrated Abu Juhaifa:
The Prophet cursed the lady who practices tattooing and the one who gets herself tattooed, and one who eats (takes) Riba' (usury) and the one who gives it. And he prohibited taking the price of a dog, and the money earned by prostitution, and cursed the makers of pictures.
এই হাদিসে বলা হচ্ছে রাসুল (সাঃ) পতিতাদের অর্জিত টাকা নিতে নিষেধ করেছেন। আপনি এরমানে করেছেন, পতিতা পেশা ইসলামে জায়েজ। আপনার এইটা বুঝার সাধারন বুদ্ধী নাই যে মুসলিমরা শুধু মুসলিম দেশে থাকেনা। অনেক দেশেও থাকে যেখানে পতিতা পেশা লিগাল। এমন কি রাসুলের (সাঃ) জমানায় ও অনেক দেশে মুসলিমরা ইসলামের দাওয়াত দিতে যেত যেখানে পতিতা পেশা ছিল। সেজন্য ই পতিতাদের টাকা পয়সার ব্যাপারে বলা হয়েছে।
একই কথা এই পোস্টেও আরেকটি হাদিস দিয়ে বলেছেন্ এবং হাদিসটা হচ্ছে।
The funeral prayer should be offered for every child even if he were the son of a prostitute as he was born with a true faith of Islam (i.e. to worship none but Allah Alone). If his parents are Muslims, particularly the father, even if his mother were a non-Muslim, and if he after the delivery cries (even once) before his death (i.e. born alive) then the funeral prayer must be offered.
এইখানেও তার একই হাস্যকর যুক্তি। আরে ভাই কোন মুসলিম মহিলা যদি অন্য কোন দেশে গিয়ে পতিতা পেশায় যুক্ত হয়, তাহলে কি পতিতা পেশা জায়েজ হয়ে যাবে ? একজন চোর যদি চুরি করে এবং কখনো ধরা না পরে তাহলে কি চুরি করা জায়েজ , সেই চুরির পয়সা নেয়া জায়েজ? কেউ যদি বলে চুরির পয়সা নিওনা তাহলে কি সে বলছে চুরি করা জায়েজ?
আপনি আর যেসব কথা বলেছেন তার জবাব ব্লগার কে আমি সুন্দর ভাবে জবাব দিয়েছেন। আমি আর রিপিট করতে চাই না।
এই রকম হাস্যকর যুক্তি দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন, বা কেন ই বা মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছেন, সেইটা ও আমার বুঝে আসছেনা !
লেখক বলেছেন: ভাই মইনুল আপনার যুক্তি শুনে মাঝে মাঝেই নির্বাক হয়ে যাই বিস্ময়ে। অবাক বিস্ময়ে ভাবি আপনার এক কানে ফুঁ দিলে কি অন্য কান দিয়ে বাঁশী শোনা যায়?
আপনি যে রকম সম্ভবনার কথা বললেন, যেমন যুক্তির বিস্তারে, তাতে একটা প্রশ্নই জাগে, যে মুসলিম দাওয়াত দেওয়ার জন্য অন্য কোনো অমুসলিম দেশে গেলো সে কেনো সেখানে গিয়ে পতিতার টাকা নিবে? কারণটা কি? একটা যৌক্তিক কারণ বলেন আমাকে যে কারণে তারা সেই দেশে গিয়ে পতিতার সাথে যোগাযোগ করবে এবং তাদের কাছ থেকে টাকা নিবে?
ভাই পতিতা না থাকলে কি পতিতার সন্তান জন্মায়? প্রথমে পতিতার অস্তিত্ব থাকতে হবে, এর পরে সেই পতিতাকে পতিতাবৃত্তি করতে হবে, এবং এই কাজ করতে গিয়ে যদি তার সন্তান জন্মায় তাহলেই সেই সন্তানের মৃত্যু হতে পারে, এবং যদি সেই সন্তানের মৃত্যু হয় তাহলেই সেই সন্তানের জানাযার প্রশ্ন আসে।
কথা হলো আপনার গাছ নেই- তবে গাছের ফল ধরে মরে যাচ্ছে-
মানুষকে বিভ্রান্ত করবার কোনো প্রচেষ্টা থাকলেও আপনার মতো ভীমবুদ্ধিমানেরা আছেন, তারা বিভ্রান্ত মানুষকে সঠিক পথ দেখাবেন। যেমন এখানে নিজের বুদ্ধিমত্তার সাক্ষর রাখছেন।
েক আিম বলেছেন:
ভাই আপনি কতোটা প্রতিহিংসা পরায়ন হলে আমাকে 'হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিভ্রষ্ট মানুষ' বল্লেন, যখন আপনি মিথ্যা যুক্তি দিয়ে আমাদের ধর্মকে হেয় করার চেষ্টায় লিপ্ত, তখনো আমি আপনাকে ভাই বলে ডাকছি। আসলে যখন যুক্তি শেষ হয়ে যায় তখনি বিদ্বেষ এসে ভদ্রতা নষ্ট করে দেয়।ভাই আপনি অনেক যুক্তিবাদী মানুষ, বাকিরা সব হাবিজাবি লিখে। আনেক তো জানেন ইসলাম নিয়ে, মোহাম্মদ নিয়ে, একটু বিবেককে প্রশ্ন করেন না? যা লিখছেন, সত্য লিখছেন কিনা??
আর ইসলামে যে দাস-দাসীর কথা বলছেন, উসমান এর কথা বল্লেন: সেই দাস বলতে কেনা গোলাম বোঝায় নারে ভাই।
আর মুসলিম নামের কেউ যদি পতিতা পাড়ায় যায়, তার মানে এই নয়, ইসলাম পতিতা পাড়ায় যাবার অনুমতি দিয়েছে।
চেঙ্গিস খানের জন্য যেমন সব মুসলমান দজ্জাল না, হিটলারের জন্য সব খৃষ্টান ইহূতি হন্তা না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আচ্ছা, 'সব মুসলমান ভাই ভাই', অথবা, 'ইসলাম হল জীবন বিধান' এইসব আজগুবি প্রবচন কে চালু করেছিলো বলেন তো, @কেআমি?
েক আিম বলেছেন:
কে বলল আপনাকে @ আরিফুর রহমান যে আমি অপ বাক কে মুসলমান হিসেবে ভাই ডেকেছি???? ডেকোছ ভদ্রতা করে।আর যে বিশ্বাস করে ইসলাম একটি জীবন বিধান, তার বিশ্বাসে আঘাত করার কেন এত ইচ্ছা আপনাদের??
আমার মতো যারা শুধুই ধর্ম হিসেবে ইসলাম মানে, যারা সহমতে বিশ্বাস করে, যারা আপনাদের নাস্তিকতাকেও স্বাদাবিক হিসেবে নেয়: কেন ভাই তাদের বিশ্বাসে আঘাত করেন।
জেনারেল বলেছেন:
টারটেল ওরফে চিকন মিয়া হাদিসরে মাইনাচ দিলা, তুমার উপরে আল্লাহর গজব পরব।
------------------
অনেক সুন্দর পোষ্ট, প্রিয়তে যোগ করলাম।
অপ বাক বলেছেন:
চন্দন কিছু কিছু সীমা কখনও অতিক্রম করা ঠিক না। যদি কোনো পাল্টা বক্তব্য থাকে যা কোনো উৎসসহ তুমি লিখে জানাতে পারো জানাও।আমার জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কাজটা আমাকেই করতে দাও। ওখানে তোমার কিছুই করার নেই- আর যদি সেটা না পারো তবে নিজের সীমানাটা বুঝে চলো। সেটাই সবচেয়ে ভালো।
সীমানার বাইরে পা ফেলা সব সময়ই ছাগলদের জন্য খারাপ, ভিন্ন মানুষ এসে খোঁয়ারে ভরে ফেলবে।
যদিও সম্পূর্ণই অযাচিত ব্যক্তি আক্রমন এটা তবে কোমল অনুরোধ রইলো এই চর্চাটা অবিলম্বে স্থগিত করা।
কতৃপক্ষ নামক অন্ধ এবং বধিরের কাছে এই সংক্রান্ত কোনো চাহিদা উপস্থাপনের নির্লজ্জতা করতে চাই না। তাদের অনেক সমস্যা অনেক রকম মাথাব্যাথা অনেক রকম দাঁড়িপাল্লায় নিজেকে মেপে চলতে হয়।
ভদ্রজনোচিত আচরণ যেহেতু তাদের কাছে আমি প্রত্যাশা করি না তাই পরবর্তীতে কেউ যদি এমন আচরণ করে তবে আমার লেখা সীমিত কিছু মানুষের জন্যই উন্মুক্ত রাখতে বাধ্য হবো এবং সেখানে আমার মনে হয় না তোমার নামটা থাকবে।
সব জ্ঞান সবার জন্য না।
অপ বাক বলেছেন:
Book 12, Number 2262: Narrated Zayd ibn Arqam:
I was sitting with the Prophet (peace_be_upon_him). A man came from the Yemen, and said: Three men from the people of the Yemen came to Ali, quarrelling about a child, asking him to give a decision. They had had sexual intercourse with a woman during a single state of purity.
He said to two of them: Give this child to this man (the third person) with pleasure. But they (refused and) cried loudly. Again he said to two of them: Give the child to the man (the third person) willingly. But they (refused and) cried loudly. He then said: You are quarrelsome partners. I shall cast lots among you; he who receives the lot, will acquire the child, and he shall pay two-thirds of the blood-money to both his companions. He then cast lots among them, and gave the child to the one who received the lot. The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) laughed so much that his canine or molar teeth appeared.
Book 12, Number 2263:
Narrated Zayd ibn Arqam:
Three persons were brought to Ali (Allah be pleased with him) when he was in the Yemen. They and sexual intercourse with a woman during a single state of purity. He asked two of them: Do you acknowledge this child for this (man)? They replied: No. He then put this (question) to all of them. Whenever he asked two of them, they replied in the negative. He, therefore, cast a lot among them, and attributed the child to the one who received the lot. He imposed two-third of the blood-money (i.e. the price of the mother) on him. This was then mentioned to the Prophet (peace_be_upon_him) and he laughed so much that his molar teeth appeared.
কথা একটা থাকেই ইয়ামেনের সেই মেয়েটার সাথে একই সময়ে ৩ জন যৌন সম্পর্ক স্থাপন করলো কিভাবে?
এটা যদি বৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক হতো তাহলেও মেয়েটাকে অন্তত ২ মাস সময় কাটাতে হতো।
আলীর কাছে আসবার নানাবিধ ব্যখ্যা তৈরি হতে পারে- ইয়ামেনে আলীর উপস্থিতি কেনো ছিলো? ইয়ামেনের স্থানীয় নেতার কাছে না গিয়ে চিহ্নিত মুসলমান আলীর কাছে আসবার কারণ এমনটাই হওয়া যুক্তি সংগত যে সেই লোক ৩ জন মুসলিম ছিলো- এখন তাই যদি হয় তবে সেই ৩ মুসলিম ব্যভিচার বিষয়ক এত আয়াত এবং কঠোর শাস্তির বিধান থাকা সত্ত্বেও কেনো ৩ জন ধারাবাহিক ভাবে মিলিত হয়েছিলো একই রমনীর সাথে?
মাইনুল বলেছেন:
আপনি আবার আপনার হাস্যকর যুক্তির পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন। আপনাকে একটা সহজ উদাহরন দিয়ে বুঝিয়ে দিই। আমেরিকায় তো অনেক মুসলিম থাকে। মনে করেন তারা কোন এলাকায় একটা মসজিদ করতে চাইছে। এই মসজিদের জন্য টাকা তুলছে। এমন সময় একজন পতিতা এসে কিছু টাকা দিতে চাইল মসজিদের জন্য। এই পতিতা মুসলিম ও হতে পারে আবার ননমুসলিম ও হতে পারে। এই টাকা নেয়া কি জায়েজ হবে? ওই হাদিস মতে হবে না। আবার যে মুসলিম মেয়েটি আমেরিকায় পতিতা হয়েছে, তার কি সন্তান হতে পারে না? এই বার আশা করি এই সহজ বিষয় টি আপনার ক্লিয়ার হয়েছে। আর লাস্টে যে ইয়েমেনের ব্যাপারে যে বর্ননা দিলেন তার উত্তর তো আপনি নিজেই দিয়েছেন। ঐ লোক গুলি মুসলিম ছিল না।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
ছাঘলীয় পোস্ট। চাঘলীয় যুক্তি। জামাতি আর অতি-নাস্তিক ছাঘলে ব্লগ ভরে গেল।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
ফালতু লেখায় হাগু
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
ইসলাম তখনই মানবিক হয়েছে যখন সে অন্য কোন দেশে বিদ্যমান মানবতার সাথে যুক্ত হয়ে একটি তৃতীয় ধর্মে পরিণত হয়েছে। যেমন ইসলামী মতে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করার জন্য তার পূর্ববর্তী স্ত্রীদের অনুমতির ধার ধারে না। বাংলাদেশের আইন আবার ইসলামের এই বিভৎস নিয়মের ধার ধারে না। তাই এক্ষেত্রে ইসলামকে অমানবিক মনে হয় না ইসলাম-অজ্ঞদের কাছে। সৌদিতে অর্ধেক মাটিতে পুতে কোন কোন অপরাধীদেরকে পাথর ছুড়ে ছুড়ে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়। নানান অপরাধে সেখানে আদিম উল্লাসে শরীর থেকে মাথা আল্গা করে ফেলা হয়। বাংলাদেশে তা হয় না। তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে ইসলামের সেই বিভৎস দিকের সাথে পরিচয় নেই। ইসলামী রাষ্ট্রে বিধর্মীদের কাছে জিজিয়া কর নেয়া হতো। বাংলাদেশের হিন্দু, খৃষ্টানদের কাছ থেকে আলাদা কোন কর নেয়া হয় না। বাংলাদেশের মানুষের কাছে তাই ইসলাম বৈষম্যমূলক নয়। আর দাসীদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন যে যায়েজ তা নিয়ে যে কত আয়াত এই কোরানে রয়েছে তাও বাংলাদেশে পালন হয় না। তাই কোন মালিক যদি এখানে তার দাসীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে সেই মালিকের স্ত্রী এবং পাড়া-প্রতিবেশী সেটা নিয়ে তোলাপাড় তোলে।
আমি এখন যে ঘটনার কথা বলবো তা হাদিসে রয়েছে। এই মূহুর্তে কোন হাদিসগ্রন্থ, কত নম্বর হাদিস তা বলতে পারবো না। তবে তা রয়েছে এবং প্রয়োজনে প্রমাণ করা যাবে।
একবার কোন এক যুদ্ধে সাহাবীরা বিজিত নারীদের সাথে সঙ্গম করে। এবং এই সাহাবীদের কেউ কেউ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়- এর ফলে যদি ধর্ষিতাদের গর্ভে মুসলমানের সন্তান এসে যায় তাহলে কি হবে? তাই তারা রজম করে (চূড়ান্ত মূহুর্তে বাইরে বীর্যপাত করা)। এ নিয়ে তারা মোহাম্মদের সাথে আলাপও করে।
মোহাম্মদ কিন্তু একবারের জন্যও বলেনি, তোমরা বিবাহ-বহির্ভূত যৌনসঙ্গম করে ব্যভিচারের পাপ করেছ। মোহাম্মদ কি বলল জানেন? সে বলল তোমরা কেন রজম করতে গেলে? কারো যদি জন্ম হওয়ার থাকে তাহলে তা হবেই হবে। রজম করলেও, না করলেও।
আমরা ততখানিই মানবিক, ততখানিই সভ্য যতখানি আমরা ইসলাম পালন করি না। ধন্যবাদ।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্ট।
পারভেজ রানা বলেছেন:
এই বিতর্কের অবসান হোক। আমরা ভালো করে জেনে বুঝে ইসলাম নিয়ে লিখি, বহুত ফায়দা হবে। যদি মুসলমান হন, মুহাম্মদ-এর পরে (সঃ) পড়ুন।
শেলী বলেছেন:
ইসলামী মতে স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করার জন্য তার পূর্ববর্তী স্ত্রীদের অনুমতির ধার ধারে নাআল্লাহ এর সীমা ঠিক করে দিয়েছেন। আর সবার সমান অধিকার রাখা খুব কম মানুষের জন্য সম্ভব।
কোন কোন অপরাধীদেরকে পাথর ছুড়ে ছুড়ে নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়।
একটা অপরাধের জন্য এই শাস্তি আর সেটা ব্যভিচার,তাও বিবাহিতদের। আর প্রমাণও খুব কঠিন।
ইসলামী রাষ্ট্রে বিধর্মীদের কাছে জিজিয়া কর নেয়া হতো
যাকাতের বদলে জিজিয়া কর অনেক সুবিধাজনক হত। এর বিনিময়ে জানমাল নিরাপদ হয়ে যেত আর war এ যেতে হতনা।
কোন মালিক যদি এখানে তার দাসীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে ।
বাংলাদেশে কোনো দাস system নাই। Servant system আছে। দুটি এক জিনিষ না।আর দাসদের অনুমতি ছাড়া সম্পর্ক করা যায়না।
মোঃ এনামুল কবীর বলেছেন:
সত্যি আপনি একজন বড় পন্ডিত ? আপনাকে আল্লাহ তা'লা আপনাকে হেদায়েত দান করুন। কেননা প্রত্যেকেই তার কৃতকর্মের ফল অবশ্যই ভোগ করবে..........................
ভাবসাধক বলেছেন:
চন্দন বলেছেন: @অপ বাকতুমার জন্ম কি কোন পতিতার ঘরে ? কেন অপ ব্যাখ্যা দাও ?
Click This Link
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















মাইনাচ