আমার প্রিয় পোস্ট

অসভ্য দেশের বর্বর খুনী বাহিনী আরও একজনকে হত্যা করলো আজ

২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪১

                       

র‌্যাব যেকোনো উপায়ে মানুষ হত্যা করবেই, এবং বিশেষত নিষিদ্ধ ঘোষিত বামপন্থী দলগুলোর নেতাদের। র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে নিহত বামপন্থীদের তালিকা লম্বা হতেই থাকবে।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা বিপ্লবী নয়, প্রতিবিপ্লবী কিংবা সন্ত্রাসী। তারা পুলিশ থানা লুট করে, তারা বোমাবাজি করে, তারা কোনো ভাবেই দেশটাকে একটা বিপ্লবের মাধ্যমে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।

তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, অধিকাংশ সদস্যদের কয়েকটা নাম আছে, তারা ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। তারা আত্মগোপন করে নেই, বরং তাদের প্রকৃত পরিচয় আড়াল করে তারা লোকালয়েই বসবাস করছে।

তাদের সবগুলো মানুষই অপরাধী এটা মেনে নিলাম তর্কের খাতিরে, তবে অপরাধীর বিচার প্রচলিত আইনে না করে তাদের খুন করে ফেলতে হবে, এই রাষ্ট্রীয় বিধান কেনো?

দুঃখ লাগে এটাই যে নিষিদ্ধঘোষিত বামপন্থী দলগুলোর নেতা এবং কর্মীরা সন্ত্রাসী এবং তাদের ধরে ধরে হত্যা করা হচ্ছে, একই ভাবে জঙ্গীভাবাপন্ন ইসলামী দলগুলোর কার্যক্রমও নিষিদ্ধ, অন্তত বর্তমানের আইনে এমনটাই বিধান। তবে তাদের সদস্যদের কাউকেই র‌্যাব হত্যা করে নি অস্ত্র উদ্ধারের নামে আড়ালে গিয়ে খুন করে নি।

র‌্যাব কি ইসলামীভাবাপন্ন কোনো এলিট রাষ্ট্রীয় খুনীর দল?

ইসলামী জঙ্গীদের ধরে থানায় আটক করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে হত্যা বোমাবাজী, সন্ত্রাসের অভিযোগ থাকে, তবে এই মানুষগুলো র‌্যাবের হাতে নিহত হয় না, তাদের পরম আদরে বিশেষ কারাগারে আটক করে রাখা হয়। পক্ষান্তরে এই বিভাজন দেখে মনে হয় বাংলাদেশ রাষ্ট্র এই মানুষগুলোর প্রতি সহানুভুতিশীল।

আরও আশ্চর্য লাগে এটা দেখে, যখন ক্যামেরার সামনে তারা উপস্থিত হয়, তাদের কোনো অনুশোচনা নেই, দাড়ির জঙ্গল ঝাকিয়ে তারা হাসিমুখে ক্যামেরার দিকে তাকায়, হাত নাড়ে জনতার উদ্দেশ্যে।

তারা কেউ হত্যাকারী নয়, তারা জনতার মহানায়ক।

আজ নিহত হওয়া মানুষটির জন্য সমবেদনা জানানোর কিছু নেই, কষ্ট লাগলো সেই বৃদ্ধার জন্য যিনি গতকাল সারাদিন ছেলেকে হত্যা করা হবে এই সন্দেহে বিভিন্ন সরকারী সংস্থার দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, সংবাদ সম্মেলন করেছেন, সেখানে অভিযোগ করেছে র‌্যাব তার সন্তানকে হত্যা করতে পারে।

তিনি অনুনয় করেছেন অন্তত তার ছেলেকে বেআইনী হত্যা না করে প্রচলিত আইনে তার বিচার করা হোক, যদি সে অপরাধী হয় তবে প্রচলিত আইনে তার শাস্তি হোক।

আমাদের বর্বর খুনী রাষ্ট্র এইসব মানবিকতা বুঝে না, তারা মানবাধিকার সনদে সই করেছে ২ যুগ হলো, তবে রাষ্ট্রীয় মদতে মানুষ খুন করে ফেলবার বদাভ্যাস ত্যাগ করতে পারে নি। তারা এজন্য উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়মিত খুনী বাহিনী তৈরি করেছে।

আমরা কবে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবো, যেখানে এইসব হত্যাকারীদের আমরা বিচারের আওতায় আনতে পারবো এবং অন্তত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইনের প্রতিপালন দেখতে পারবো। কবে সভ্য রাষ্ট্র হওয়ার অন্তত একটা সামান্য সূচক অতিক্রম করবো আমরা।

 

 

  • ৩৭ টি মন্তব্য
  • ৩৭৬বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ১৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: আমাদের দেশের কিছু মানুষের বিবেকবোধ দেখলে আমার হাসিই পায়... একজন সন্ত্রাসীকে মেরে ফেলার জন্য এরা কাউকে বর্বর খুনী বাহিনী বলতে পারে.. কিন্তু যে সন্ত্রাসীকে মারা হয়েছে, তার করা শত খুনেরও কোন প্রতিবাদ এরা করে না....

এদের জন্য ধিক্কার!
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: তোমার বুদ্ধি মনে হয় বাড়বে না।

মানুষের বয়েস বাড়ার সাথে সাথে নাকি বোধ-বুদ্ধি বাড়ে, তোমার যাত্রা উল্টোপথে, তোমার প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক।

মানসাঙ্ক করো। শুনেছি এটা করলে না কি বুদ্ধি খুলে।

২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪৭
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: এ রাষ্ট্রব্যবস্থা যে কতটা নির্মম,হৃদয়হীন এবং ফ্যাসিষ্ট, এই ঘটনা সেটা আবারো প্রমান করলো।জনগনের চোখের সামনে,মিডিয়ায় সংবাদ আসার পরেও,এক বৃদ্ধা মায়ের আর্তি সত্ত্বেও তারা কিভাবে একজন মানুষ'কে দিনে-দুপুরে খুন করে।ধিক্কার জানাই এই রাষ্ট্রকে,সেই সংগে নিজেকে-এমন রাষ্ট্রের নাগরিক বলে।
পোষ্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অন্যপোষ্টে মন্তব্য'টি লিখেছিলাম।এখানে কপি-পেষ্ট করলাম।
আমার নতুন করে মন্তব্য করতে ইচ্ছা করতেছে।এতো নির্মমতা,মায়ের চোখের সামনে সন্তানের মৃত্য!
৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫১
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: আজ কিছু ভাললাগছেনা...মনটা খারাপ...কিন্তু আপনার এই নির্বোধের মট কটাবার্তায় পরিপূর্ণ পোষ্ট টা দেখে আর রাগ সামলাতে পারলাম না। যত্তসব রাবিশ।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: আয়নার কাঁচ উত্তম প্রতিফলক। নিজের ছায়া দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: আমি জানিনা, র‌্যাব কি সত্যিই জঙ্গী ইসলামীভাবাপন্ন কিনা। তবে তারা ধর্মপ্রান অশিক্ষিত/ অর্ধশিক্ষিত জনতাকে ভয় পায়, তা নিশ্চিত বলা যায়। আমার মনে হয়, র‌্যাব অহেতুক মনে করে জঙ্গী ইসলামী গ্রুপের প্রতি দেশের কিছু মানুষের প্রচন্ন সমর্থন আছে।

অগাস্টের বোমা হামলার পর দেশের মানুষের জঙ্গী ইসলামী গ্রুপের প্রতি ঘৃনাটা র‌্যাব কেন আমলে নিল না, তা বুঝি না।
৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: এই যে বুদ্ধিমান অ্যামাটার,আপনার উদ্ভাবনী সৃষ্টিশীল কথাবার্তা শুনি।আমি নির্বোধ,আপনার কাছ থেকে জ্ঞানলাভ করি।
যতসব আবালের দল!
৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০৩
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: আজ নিহত হওয়া মানুষটির জন্য সমবেদনা জানানোর কিছু নেই, কষ্ট লাগলো সেই বৃদ্ধার জন্য যিনি গতকাল সারাদিন ছেলেকে হত্যা করা হবে এই সন্দেহে বিভিন্ন সরকারী সংস্থার দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন.......


========================
নিষিদ্ধঘোষিত দলটির নেতা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যত মানুষের হত্যাকান্ডের জন্যে দায়ী তাদের মায়েরা কি দোষ করছিলো? আর হের মায় যে এহন নাকিকান্না কানলো আগে পোলারে ঠিক চলতে কইবার পারে নাই?

কইষ্যা মাইনাচ্
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: আইনের সহায়তা চাওয়া এবং রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিকের নিরাপত্ত বিধার করার কাজটা করবার জন্য রাষ্ট্রের নির্ধারিত একটা সংস্থা বিদ্যমান।

যখন এই লোকটার হাতে কোনো মানুষ নিহত হয়, তখনও সেই দায়টা বর্তায় রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষী বাহিনীর ঘাড়ে। এবং তাদের হাতে যখন কেউ আটক হয় তখন সেই মানুষটাকে আইনি সুবিচার দেওয়ার দায়টাও বর্তায় সেইসব মানুষের ঘাড়ে।

রাজশাহীতে জেএমবির হাতে নিহত মানুষগুলোর মায়েদের কথা বিবেচনা করে বলা যায় বাংলা ভাই এবং শায়েখ আব্দুর রহমান ঠিক কোন পূণ্যবলে আইনি সংস্থার কাছে জামাই আদরে বিচারের মুখোমুখি হয়, এবং একই আইনী সংস্থার হাতে খুন হয় একই রকম সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তি।

আইনের চোখে সবাই সমান হলে- সবার জন্য একই রকম আইন প্রযোজ্য হওয়া উচিত এবং সেটাই বাঞ্ছনীয় , তবে কতিপয় মানসিক রোগী যখন এই বেআইনী প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে উদ্ভট যুক্তিসম্ভার নিয়ে হাজির হয় তখন বুঝতে বাকি থাকে না, বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থতার ষোল কলা কিভাবে পূর্ণ করতে সক্ষম হলো।

৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:১৯
comment by: হরিসূধন বলেছেন:

আপনার বুদ্ধি এবং .... অসীম তাতে কোন সন্দেহ নাই।

তবে আপনার কাছে আমার প্রশ্ন এই গত ৬/৭ মাসে বিএসএফ
৭৫ জন বাংলাদেশী কে গুলি করে হত্যা করেছে তাদের মধ্যে
বাম পন্হি ছিলো কি না জানি না! তবে সে বিষয়ে একটা পোষ্ট কিন্তু
আপনার দেয়া উচিত ছিলো কি বলেন?

২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ২ কি ৩ দিন আগে এমন কিছু চোরাচালানী গুলি করে দুইজন বিএসএফকে মেরেছে। বিএসএফের সদস্যকে গুলি করে মেরে ফেলার বীরত্ব আছে , জাতিয়তাবাদী চেতনায় এটাকে সমর্থন করা যায়, তবে সংঘবদ্ধ এবং প্রশিক্ষিত একদল মানুষকে উস্কে দেওয়া এবং সীমান্তে চোরাচালানী করা, বাঘের হাঁএর ভেতরে মাথা ঢুকিয়ে বাঘের ল্যাজে পাড়া দেওয়া।


যারা চোরাচালানি এটা তাদের পেশা, তারা যখন সংঘবদ্ধ একটা দলের বিরুদ্ধে সংঘাতে লিপ্ত হয় সেটাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র জড়িত হয় না। বাংলাদেশ তার নাগরিকের নিরাপত্তা বিধানের চেষ্টা করতে পারে, তবে যারা আত্মহত্যাপ্রবণ তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো যেকোনো বিচারেই অসম্ভব।

৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৮
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন:
যারা র‌্যাবে কাজকে সমর্থন করছেন, তাদেরকে বলছি, চলুন সাদা-মাটা (naive) ভাবে একটা কল্পনা করি -
আপনার ছোট ভাই খুবই হ্যান্ডসাম, সৎ এবং একরোখা।
তার কোন এক অসৎ বন্ধু কোন কারণে তার শত্রু হয়ে গেল। কোনভাবে ঐ বন্ধুটি র‌্যাবকে বোঝাতে পারলো যে, আপনার ছোট ভাইটি আসলে মুখোশের আড়ালে চরমপন্থী নেতা "লাল মিয়া"। ছবির অভাবে র‌্যাবও ধরে নিল, ঠিক।

আপনার ভাইয়ের একরোখা আচরণে র‌্যাব যদি বেশি "গ্যানি" হয়ে ক্রসফায়ারের রায় দিয়ে বসে, চিন্তা করুন কি হতে পারে।

একজন নির্দোষ মানুষতে বাঁচাতে রাস্ট্রের আরো বেশি কষ্ট করা উচিত।
৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ব্যাপারটা হচ্ছে, ইসলামের নাম নিয়ে জঙ্গীবাদী তৎপড়তা যারা চালিয়েছিলো, এরা হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা কিছু সংগঠন । এদের মূল ভিত্তি / এদের ইন্ধনদাতা/ এদের অর্থের জোগানদাতা / এদের পৃষ্ঠপোষকতাকারী/এদের উদ্দেশ্য --- সবকিছুর শেকড় খুজে বের করাটা জরুরী ছিলো । এবং সেটা খুব ভালোভাবে করা হয়েছে ।


কিন্তু, এই যে কমিউনিষ্ট চরমপন্থী সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষের জীবনকে অতিষ্ট করে চলছে । হাজারো নিরীহ সাধারন মানুষের হত্যাকারী কমিইনিষ্টদের এই সংগঠন । এদের পুরো ইতিহাস / এদের পুরো কর্মপন্থা / এদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানার আসলে কিছু বাকি নেই ।

অতএব, একটা একটা করে কমিউনিষ্ট সন্ত্রাসী রক্ত পতাকাধারী ধর আর ক্রশফায়ারে ফালায়া দাও.. সাবাস র্যাব... ধন্যবাদ র্যাব.. অভিনন্দন র্যাব...

সন্ত্রাসীর ভবলীলা সাঙ্গোৎসবে মিষ্টি বিলানো জনতার মিছিলে সামিল হলাম..
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: তাই?

একটু জানিয়ে দিলে ভালো হতো। সাধারণ নাগরিক হিসেবে এটা জানতে না পেরে মর্মাহত। কারা উস্কে দিয়েছিলো এইসব ইসলামপন্থী জঙ্গীদের। কাদের অর্থায়নে চলতো এরা?

নেপথ্যে আসলে কারা আছে?

বাংলাদেশে বর্তমানে সচল ২৩টা ধর্মভিত্তিক জঙ্গীদলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান এবং এদের অর্থায়ন কমে নি এখনও।

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: শাহবাজ বলেছেন: মানবতার জয় হোক , সব খুনিরা মানুষ , তাগো ছাইড়া দেয়া হোক .................
১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫৪
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: ও,তাইলে বিডিআর এর যে ২ জনরে বিএসএফ মারলো তারাও চোরাচালানী,নাকি? আর বিএসএফ ভাল হয়া গেল? ভালই,ঐখানেই যান। আর দেশ অসভ্য হয় কেমনে? নিজের আয়নায় সবাইরে দেখেন?
১২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫৫
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: @আহসান হাবিব শিমুল:সবসময় আইনের ধার ধারলে চলে না,আর রাষ্ট্রের আইনকানুন কোন আসমানী কিতাব না যে তা লঙ্ঘন হলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে। সমাজ জঞ্জালমুক্ত করতে ক্রসফায়ার একটা উত্তম সমাধান,কেবল খেয়াল রাখতে হবে এটা যেন কোন নিরীহকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

আমি ফনেটিকে টাইপ করি,আগের মন্তব্যে কয়েকটি বানান ভূল হয়েছে।
১৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৫৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আর বিএসএফ বাঘ হইলে বিডিআর কি? সন্ত্রাসী? কারা কারা জানি বাংলাদেশরে ব্যর্থ রাষ্ট্র কইতে পারলে বড়ই আনন্দ পায়।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: উগ্র জাতিয়তাবাদী চেতনা ধারণ করা সব সময়ই একটা বিভ্রান্তিকর অবস্থান। যারা উপমা বুঝে না তাদের জন্য আসলে উপমা মারাত্মক একটা কল্পনাবিভ্রম তৈরি করে।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ব্যর্থ এই সত্য বুঝতে হলে অন্তত জাতীয়তাবাদী উগ্রতার ভুত মাথা থেকে নামাতে হবে।

আমার দেশ শ্রেষ্ঠ, আমাদের দেশের মানুষ শ্রেষ্ঠ, এরা খুন করলেও ভালো মানুষ, এটা অপরাধ করলেও ভালো, এমন মানুষের সাথে কোনো বিতর্কে যাওয়া পন্ডশ্রম।

অপরাধী বিডিআর বাংলাদেশ কম নেই। সব বিডিআর অপরাধী নয়, তবে কিছু কিছু বিডিআর সত্য সত্যই চোরাচালানের মদতদাতা।

একটা চমৎকার কথা শুনেছিলাম অতিউগ্র বাম এবং অতিউগ্র ডানেরা আসলে একই সারির মানুষ, কে যেনো বলেছিলো এটা মনে নেই। মধ্যপন্থীদের বাদ দিলে বামে কিংবা ডানে যে দিকেই যাও না কেনো যখম মতবাদটা উগ্রপন্থায় পর্যবসিত হয় তখন একই রকম নির্বোধদের দেখা মেলে। তাকে ধন্যবাদ এই উপলব্ধি এবং এই পর্যবেক্ষণ চুড়ান্ত রকমের সঠিক।

১৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০৩
comment by: হরিসূধন বলেছেন:
বন্ধনহীন @ দা এই সব রাজনৈতিক দলই সন্ত্রাসী লালন পালন করে
জনসেবার জন্য! তাই এদের বিচার করা মানুষ্যজাতীর পক্ষে সম্ভব
নয় কোন ভাবেই..। না ধরলে রাজনীতির খেলা চলে, বিচার করলে
বিচার হয় না.... ক্রস করলে মানবাধিকার লংঘন হয়। তাহলে কি
করতে হবে?

বিএসএফ যখন পাখি শিকারের মতো শিকার করে আমাদের দেশের
মানুষ কে তখন এই মানবতাবাদীরা চুপ থাকে!! অথচ ১০০ খুনের
আসামীর জন্য মানবাধিকারের জান্ডা উড়ানো হয়! বড়ই বিচিত্র
বঙভূমির মানবাতাবাদীরা।
১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১১
comment by: হরিসূধন বলেছেন:
ফারহান দাউদ@ দা কি করবেন? অপবাকের মানবতার যুক্তি দেখে
আমি বাক্ শক্তি হারানোর পথে!


অপবাক@
চোরাচালানী বা সন্ত্রাসী যেই আইন তো আছে? সে খানে হত্যা জায়েজ
এখানে ১০০ খুনের আসামী কে কেন নয়? আর আপনার অবগতির জন্য জানাইতেছি যে ঐ দুই বিএসএফ হত্যাকারীরা হলো ভারতীয়
চোরাকারবারী। তয় ভারতীয় বিএসএফ বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকে
যে দুই জন বিড়িআরের সদ্যস কে হত্যা করলো এই কিছু দিন আগে
তারা ও কি চোরাকারবারী ছিলো কি?
১৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অপবাক,নির্বোধ কাকে বলে আপনার লেখা দেখেও খুব ভাল বুঝে গেছি,আর নির্বোধের সাথে তর্ক অর্থহীন,ভারতপ্রেমীদের সাথে তর্ক আরো বেশি অর্থহীন,আমি ক্ষ্যামা দিলাম,নিরেট মাথায় নারকেল মারলে নারকেল ও ফেটে যায়,এই লেখা আর আপনার যুক্তি না দেখলে সেটা বুঝতাম না,বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে আবেগ বিচার বিবেচনার সবচেয়ে বড় বাধা। আবেগবর্জিত বিশ্লেষণ করতে পারলে যেকোনো আলোচনাই চমৎকার হতে পারে।

১৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৩
comment by: আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: @অ্যামাটার,আপনি যে কথাগুলি বললেন,তা বড়জোর রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ উত্তেজিত কোন মানুষের কথা,হলিউড কিংবা বলিউড কোন হিম্যান নায়কের মুখেই মানায়।রাষ্ট্র কোন ব্যাক্তি নয়,একটি আইনী প্রতিষ্ঠান।যখন রাষ্ট্রই প্রকাশ্যে আইন ভংগ তখন তার মর্যাদা,গ্রহনযোগ্যতা হারায়।
তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ডাক্তার টুটুল শতশতএকজন মানুষ মেরে ফেলেছে।এখন তাকে মেরে ফেললেই কি খুনের বিচার হয়ে গেলো?"খুনের বদলা খুন" এই নিয়মে চললে তো ডাক্তার টুটুল আরো ৯৯বার জীবিত করে ক্রস ফায়ার করতে হবে।
আমি যেখানে থাকি,সেখানে আল-জাজিরা ছাড়া আর কোন চ্যানলে নাই দেখার মত এবং সেখানে সর্বক্ষণ দেখি রাদাভান কারাদ্‌জিক-এর ছবি;একজন কসাই যে হাজার-হাজার বসনিয়ান হত্যা করেছে।আপনিই বলেন একে গুলি করে মেরে ফেলা কিংবা যুদ্ধাপরাধী প্রমান করে শাস্তি প্রদান কোনটা বেশি যুক্তিযুক্তি হবে?
১৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৬
comment by: হরিসূধন বলেছেন:
বিড়িআর চোরাকাবারের মদদ দেয়(সব সদস্য না) মেনে নিলাম।
বিএসএফ যে চোরাকাবারে মদদ দেয় না সে বিষয়ে কি আপনি
নিশ্চিত?

৭৫ জন মানুষের মধ্যে অনেকেই কৃষক ছিলো। আপনি তো মনে করেন সবাই চোরাকারবারী!!! জাতীয়তাবাদ সমস্যা আপনাদের
মতো মানুষদের জন্য। জাতীয়তাবাদ না থাকলে তো বাংলাদেশে হয় না! ৭১রে জাতীয়তাবাদ ঠিক ছিলো এখন তা উগ্রতা?আপনি নিজেই উগ্রবাম তা নিশ্চয় আপনি খেয়াল করে নি। দেশের চেয়ে দাদা কে
বেশী ভালোবাসারে কি বলে?
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: অতি উগ্র ডান এবং অতি উগ্র বাম আসলে একই রকমের নির্বোধ মানুষের সংগঠন।

২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: ১৯৭১ এ বাংলাদেশের জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম কতটুকু জাতীয়তাবাদী চেতনার ফলশ্রুতি কতটুকু আক্রান্ত হয়ে নিরাপত্তার লড়াই এটা নিয়ে অনেক মত চলতে পারে।

বাংলাদেশের জন্মের সময় জাতীয়তাবাদ ছিলো, তবে সেটা উগ্র জাতিয়তাবাদ কখনই ছিলো না। উগ্রজাতীয়তাবাদী বাংলাদেশ আসলে ১৯৭১ এর পরের বাংলাদেশ, যেখানে জাতিগত ঘৃণা প্রবল, যেখানে অবাঙালী নাগরিকদের সম্পদ রাষ্ট্র হরণ করে, এবং রাষ্ট্র এই অনাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় না বরং এটাকে প্রকারান্তরে সমর্থন করে। উগ্র জাতীয়তাবাদী মানুষ কিংবা যেকোনো উগ্রপন্থী মানুষের বিবেচনা বোধের ঘাটতি একটা বড় সমস্যা।

১৯৭১ এর আগে ১৯৬৯ এর গণআন্দোলনের সম্পূর্ণ সময়টাতে কোন উগ্রতা প্রকাশ পেয়েছিলো, প্রাক্তন পূর্ব পাকিস্তানে কখন কোন সময় পশ্চিম পাকিস্তানের বাসিন্দাদের প্রতি অহেতুক বিদ্বেষ এবং ঘৃণা প্রকাশ পেয়েছিলো। এমন কোনো সশস্ত্র আক্রমনের সংবাদ আছে, যেখানে বাঙালী জাতয়তাবাদে আচ্ছন্ন মানুষেরা এই কারণেই পশ্চিম পাকিস্তানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, পশ্চিম পাকিস্তানীদের হত্যা করেছে?

ইতিহাস পড়তে হয়, প্রতিটা বিষয়ের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা আছে এবং সংজ্ঞা কাঠামো আছে, জাতিয়তাবাদী চেতনা থাকা, দেশকে উন্নত করতে চাওয়ার আগ্রহ থাকা এক ধরণের অবস্থান আর দেশপ্রেমের নামে উন্মত্ততা এবং অসহনশীলতা উশৃঙখলতাকে সমর্থন করা এবং এমন বেআইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা কিংবা এমন বেআইনী পদক্ষেপকে সহায়তা করবার উন্মাদনা ভিন্ন বিষয়। মাত্রা এবং অপরাধ বিবেচনায়।

১৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৪
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: @ হরিসূধন ভাই, আমি মানব অধিকার নিয়ে কিছু বলতে যাচ্ছি না। আমার আশংকা, র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিরপরাধ মানুষ মারা যেতে পারে এবং মারা যাচ্ছে। হয়ত আপনার কোন নিকট আত্বীয় এখনো র‌্যাবের শিকারে পরিনত হয়নি বলে আপনি ক্রসফায়ারকে সমর্থন করছে।

চিন্তা করুন, বুশের মেয়েগুলো যদি মরে যাওয়া চার হাজার সৈন্যের মধ্যে নিশ্চিত ভাবে থাকতো ইরাকের তেলে জন্য যুদ্ধের কথা বুশের মাথায় আসতো না।

কিছু অনৈতিক কার্ষকলাপ আপনাকে হয়ত কিছুদিন শান্তি দিবে। কিন্তু অনৈতিক কার্ষকলাপের ভিকটিম যদি আপনি হউন, তখনই আপনার বোধ উদয় হবে।

মানব অধিকারের লোকেরা মানব অধিকারের কথা বলবেই। তাদের টার্গেট রাস্ট্র। তারা যদি "কালা জাহাঙ্গীর"কে মানব অধিকারের কথা শুনাতো, আপনিই হাসতেন।
২০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৭
comment by: হরিসূধন বলেছেন:
হাঁ তখন পাকিস্তানীরা আর এখন ভারতীয়রা। আপনি কেন ভারতীয়দের
জঘণ্য হত্যাকান্ডের নিন্দা করেন না? কেন? সেটা কি নরম বাম....?পাকিস্তানীরা একই দেশের মানুষ হয়ে ও আমাদের বন্চিত করেছে .. আর ভারতীয় সাম্রজ্যবাদ আমাদের কে ভৌগোলিক অধিকার থেকে কেন বন্চিত করার চেষ্টায় লিপ্ত? শুধু কি ৭১রের সাহায্যের জন্য জামা কাপড় সহ খুলে দিতে হবে? ৭১রের সাহায্য যে নিঃস্বার্থের ছিলো না তা তো ৩৭ বছরের হিসাব নিকাষেই বলে দেয়। হাঁ কারো অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ও উগ্রতা লা জাতীয়তাবাদ শুধু ডাঃ টুটুলবাদ।


আপনি কি মনে করেন ডাঃ টুটুল উগ্র বামপন্হি না?
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:১৯

লেখক বলেছেন: আপনার বস্ত্রহরণের কাজটা যদি ভারত করে থাকে তবে সেটা নিশ্চিত ভাবেই নিন্দনীয় আচরণ। এই জঘন্য আচরণের নিন্দা জানাই।

আলোচনা এখানে ভারতবিরোধিতার ছিলো না, কেনো এখানে ভারতবিরোধিতা এবং উগ্রজাতিয়তাবাদ প্রবেশ করলো এটা মন্তব্যের ধারাবাহিকতা দেখে বুঝা যায়।
ডাঃ টুটুল উগ্র বামপন্থী কিংবা উগ্র বামপন্থী নয়- এই ধরণের মীমাংসায় পৌঁছানোর চেষ্টা এই লেখা নয়। এই লেখাটা শুধুমাত্র একটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া।

পুলিশের হাতে আটক হওয়া যেকোনো মানুষ সুবিচারের অধিকার রাখে, এমন কি বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় মতাদর্শ অনুযায়ী, যেভাবে বাংলাদেশ নিজেকে আন্তর্জাতিক ভাবে পরিচিত করতে চায়, পুলিশের হাতে আটক কোনো ব্যক্তির উপরে রিমান্ডের নামে, তথ্য সংগ্রহের নাম অত্যাচারও নীতিবহির্ভুত আচরণ।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে তার কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ। এখানে নিয়মিত পুলিশী হেফাজতে অপরাধীকে অত্যাচার করা হয়, এখানে পুলিশ আর র‌্যাবের হাতে আটক মানুষ নির্বিচারে খুন করা হয়।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে অপরাধী কারণ সে একটা সংবিধানকে স্বীকৃতি দিয়েছে, যেখানে সে রাষ্ট্র হিসেবে নাগরিকদের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। যদি বাংলাদেশ তার এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় তবে বাংলাদেশ ব্যর্থ এই জায়গাতে।

ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধান করে এই ব্যর্থতা রদ করা এবং এই ধরণের নীতিহীনতাকে অসমর্থন করা নাগরিক হিসেবে আমার দায়িত্ব মনে হয়, আমি করি। আমি প্রতিবাদ করি এই অমানবিকতা, অমানবিক ব্যর্থতা প্রতিবাদ করি।
ডাঃ টুটুল যদি সন্ত্রাসী কিংবা অপরাধী হয়ে থাকে তার অপরাধ এবং অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শাস্তি বিধানের জন্য একটা আইনী ব্যবস্থা বাংলাদেশে বিদ্যমান। সেটাকে অকার্যকর করে চলমান সংস্কার নাটক দেখাটাও অরুচিকর।

২১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৫৭
comment by: রামন বলেছেন: যে কোন বিচার বর্হিভূত খুনকে ও হত্যাকারীকে নিন্দা জানাই এরং র‌্যাবের ক্রশফায়ারে আসামীর মৃত্যুর জন্য লেখক দেশ,সরকার ও জনগনকে দায়ীকরে যে নির্লজ্জ ও অযুক্তিক পোষ্ঠ দিয়েছে সে জন্য লেখককে উপযুক্ত ধীক্কার ও নিন্দা জানাই।
২২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:২৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বিনা বিচারে একজন মানুষকে হত্যা করার অধিকার কারও থাকতে পারে না। একজন অপরাধী, সে যদি জঘন্যতম অনেকগুলা অপরাধ করেও থাকে, তাহলে রাস্ট্রের উচিত তাকে বিচারের আওতায় এনে তাকে শাস্তি দেয়া, যাতে তাকে দেখে অন্য অপরাধীরা বুঝতে পারে অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না। কিন্তু একজন খুনীর বিচার না করে রেব তাকে মেরে ফেলছে, তাতে রেবের যে লোকটা হত্যাকারীকে গুলি করল, সেও তো একজন হত্যাকারী, তার শাস্তি দেবে কে?

রাস্ট্র যখন নিজে খুনী হয়ে যায় তখন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না আসাটা অস্বাভাবিক। রাস্ট্রের আইনের প্রতি মানুষ শ্রদ্ধা হারাবে তাতে, এটা মানবাধিকার নয়। এখানে অনেকে বলবেন, আমি যে এটা বললাম, কোথায় ছিল আমার এইসব মানবাধিকার মুলক কথা যখন অপরাধী কেউ সাধারন কোন মানুষকে খুন করেছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, অপরাধী খুন করেছে বলেই তাকে বিচার করা হতে হবে। ক্রসফায়ার নামে একটি অবৈধ পন্হায় নয়। আমাদের দেশে অন্যায় করা অনেক সহজ। এই ক্রস ঢায়ারে ভয় দেখিয়ে অনেক কিছু করা যায়। রেবের মানুষজন ফেরেশতা না, তাদের ভুল হতে পারে। যেকোন একদিন তাদের হাতে কেউ একজন মারা পড়তে পারে যার অপরাধের মাত্রা হয়ত ততটা ছিল না। এমনটি হয়েছে ইতিমধ্যেই।
এছাড়া রেবের লোকজন যে কাউকে চাইলেই হত্যা করতে পারে, তাদের হত্যার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। আমরা যদি এই বর্বরতা মেনে নেি্, তাহলে যদি রেব কোন মানুষকে শত্রুতা বসে ক্রসফায়ার করে পরদিন লোকটার নামে নানা থানায় ৬/৭ টি হত্যা মামলা দিয়ে শীর্ষসন্ত্রাসী নামে চালিয়ে দেয়, তাতে কি করা যাবে? এমন কয়টা ঘটনা যে শোনা যায় নি তা কিন্তু না।

এই অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া কোন সুস্থ, স্বাভাবিক দেশে চলতে পারে না। আমরা যেন ১৬০০ শতকের পশ্চিমা কায়দায় চলে গেছি, অপরাধীদের শ্যৃট করে মেরে ফেলা...এই বর্বরতার প্রতিবাদ জানাই।

গতকালকে যে ঘটনাটা হল। লিটনকে গ্রেফতার করা হল। এই খবর প্রকাশ হল, কিন্তু রেব থেকে স্বীকার করা হল না। পরে লিটনের মা চারিদিকে ছুটাছুটি করলেন। লিটনের প্রতি কারো কোন মায়া থাকার কথা না। কিন্তু ওই মা যে ছুটাছুটি করলেন, তিনি কি বলেছিলেন আমার ছেলেকে ছেড়ে দাও, সে নির্দোষ? না, তিনি বলেছিলেন তার বিচার কর, তাকে মেরে ফেল না।
অথচ রেব স্বীকারই করল না। এখন নাটক করে তাকে মারা হল। এই যে রেব একের পর এক নাটকের মত দৃশ্যপট সাজাচ্ছে, এটাও তো একটা প্রতারনা। যে ফোর্স প্রতারনা করে তাকে এলিট বলি কি করে?

আব্দুর রহমানকে ধরেছিল যে রেব, সেই রেবকে আমি শ্রদ্ধা করি। তখন দেখেছিলাম তাদের সাহস। বাংলাভাই এর সাথে বন্দুকযুদ্ধের সময়ও তাদের সাহসের প্রশংশা করেছি। কিন্তু অপরাধী ধরে তাকে গুলি করে মেরে ফেলা কোন সভ্য সমাজে মেনে নেয়া হয়?
আমরা কি সভ্যতা ভুলে যাচ্ছি? অসভ্য হয়ে যাচ্ছি?
২৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৩১
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ফারহান দাউদ, এ্যামাটার, হরিসূধন ইত্যাকার ব্লগারদের চিন্তাভাবনার পরিধি দেখে আরেকবার অসহায় বোধ করলাম ।
২৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৫৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হাসিব মাহমুদ,যেখানে বইসা বড় বড় কথা কপচাও,তখন বেশ ভালই লাগে,আইস,আমাদের সাথে ১টা বছর কাটায়া যাও,কর্পোরেটের ঠ্যাং ধইরা বামের গান গাওয়া তোমার মত লেজওয়ালা নতুন দেখি নাই।
২৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:০৮
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ফারহান, আমাদের দেশে অনেক কস্ট করে জীবন যাপন করতে হয়। আইনশৃংখলার মারাত্বক অবস্থা, অপরাধীরা অপরাধ দ্বিধাহীনভাবে করে। সবই মানলাম। কিন্তু সেটা ঠেকাবার পন্হা কি আরেকটি অপরাধ দিয়ে হবে? আমাদের কি উচিত না দেশের আইন ব্যবস্থাকে আরও সংগঠিত করা? তা না করে রেব দিয়ে ক্রসফায়ার, এটা কি করে মানি? এটা কি রাস্ট্রীয় ব্যর্থতা নয়?
২৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: ভালো করছে...সর্বহারা বা সন্রাসী কেউ আপনার পরিবারের কারো বাঙি ফাটাইলে এইসব আজাইরা পোস্ট করতেন না
২৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: একটা রাষ্টের খুনীর ভুমিকা ভয়াবহ। কোন যুক্তিতেই রাষ্ট্রের খুনের সমর্থন করা যায় না। যদি এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে তাহলে আদালতে নেওয়া হয় না কেন?

একটা বিষয় দেখেছি - এরশাদ শিকদার নামের এক খুনী একের পর এক খুন করেছে - কিন্তু বিচার হয়নি। কেন? নিশ্চয় রাষ্ট্র যন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে না।



 



 


তবু ও মানুষ কাঁদে
অধিকার চায় একটি শিশুর
তবুও মানুষ বাঁচে
কার হাতে অধিকার
মানুষ না যীশুর............

অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্্বৈত্বতার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫৯৩৩০