ইতিহাসের পুনারাবৃত্তি
০১ লা মে, ২০০৯ রাত ১:১২
১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ, ব্যারাকপুরে মঙ্গলপান্ডে একজন ইংরেজ অফিসারকে হত্যার করলে শুরু হয় সিপাহী বিদ্রোহ, এর পরে এটা ব্যপক ভাবে ছড়িয়ে পরে উপমহাদেশে। ঢাকা শহরে সংঘর্ষের আশংকা করলেও মুলত সে আশংকার কোন ভিত্তি ছিলো না, সে সময়ে ঢাকার মান্যগন্য মানুষেরা সবাই ইংরেজদের তোষণে ব্যতিব্যস্ত, এবং ঢাকার অধিকাংশ মানুষকে পরোক্ষ শাসন করতো যে জমিদার, আব্দুল গনি, তিনি ইংরেজদের একনিষ্ঠ সমর্থক। তার নিজস্ব স্বার্থ ছিলো হয়তো। সেটা আমাদের বিবেচনার বিষয় নয়। তবে ঢাকার পরিস্থিতি এমন ছিলো না যে এখানে সহসা সিপাহী বিপ্লবের আগুণ জ্বলে উঠবে।
এরপরও অবশ্য এখানে বসবাসরত ইংরেজদের আতঙ্ক কাটে নি, তারা দেশীয় কালো সৈনিকদের বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার বোধ জাগ্রত ছিলো বলেই ঢাকার অন্যান্য বিদেশী অধিবাসীদের সাথে মিটিং করে তারা নিজেদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। ১৮৫৭ সালের ১৩ই জুন, তারা ঢাকার খ্রীষ্টান অধিবাসীদের সাথে সভা করে যদি বিদ্রোহ শুরু হয়ে যায়, তখন তাদের পরিবারদের নিয়ে ঢাকার কমিশনারের বাসায় আশ্রয় গ্রহন করবেন এমনটাই নির্দিষ্ট করেন। তাদের বিবেচনায় সেটাই ঢাকা শহরে তাদের নিরাপদ আশ্রয় বিবেচিত হতে পারে।
২০শে জুন ১৮৫৭, ঢাকা গেজেটে প্রকাশিত সংবাদে বলা হচ্ছে কোলকাতা জাহাজে চেপে ১০০ সাহসী ইংরেজ সৈনিকের আগমনে এখানে বসবাসরত সকল খ্রীষ্টানের চিত্ত আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিলো। তারা বিদ্রহের আশংকায় মাথার নীচে গুলিভরা পিস্তল নিয়ে ঘুমাতেন, সেই পিস্তলে দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাদের আনন্দ উল্লাস করতে ইচ্ছা করছে এই মুহূর্তে।
ইংরেজ সৈন্য ঢাকায় পৌঁছানোর পরপরই বলা যায়
How a native thinks it is to be done, to the editor of Dhaka News ,
The present mutinies of the sepoys and the most barefaced treachery which some of the regiments have deliberately shown, together with the shameless ingratitude with which some of the fanatic native potentates [ particularly Mohammedans] are assisting them have probably, as in natural to expect, made our rulers to distrust the natives. It is not strange that the musslemans who are easily excited in any thing should do so, but my goodness what led out calculating Hindus to run madly into dangers in which they are sure to be crushed. Not withstanding all the benefits conferred on our country by the British Government, the natives have acted at this conjunction is a way sufficient to lose their credit in the eyes of their rulers.
But out rulers have no reason to distrust the natives of Bengal, they have not shown the least sign of disaffection towards the government. But whatever they might think of the other natives, they may implicitly rely on those who have received an English education and who well known the value of British Government, and who bear mortal hatred to Mohammedan insolence and barbarity, as they seen them on the pages of history. Their gratitude and their interest too bind them to the present government, for the very, well known, that their glory, however little at may be, and their interest to which they are no less alive than their fathers, are intimately connected with the British government. Even if this government were to be followed by a hindu one, they would have no reason to be glad of it. For, supposing such a thing were to happen, they will be the first persons to be persecuted by our orthodox religionists, who are even now, ready to offer them are greatest possible injury, if they could do it with impunity. Such influence has religion over national character.
We are sure as we are sure of any thing in the world, that the British government in India will not be safe, as long as the prejudices of the people are not dispelled by the diffusion of the learning of the west, as long as the pernicious distinction which separates a Hindu and a Christian is allowed to exist. Everyone who has read English history knows what a scene of misery England was before the amalgamation of the races, that is of the Celts, Saxons, and Normans, took place. And we can predict that India will not be happy, as long as the Hindus, Christians and Mohamedans, the three predominant classes in the country are not incorporated into one body, as long as the interest of the one does not become the interest of other. This can be done by an active care on the part of the government to the education of the country. From this time it ought to pay more attention to this department than it has hitherto done; and it ought to encourage education by conferring employment only those who have received a liberal education.
চিঠিটি প্রকাশিত হয় ১১ই জুলাই ১৮৫৭ সালে।
ঢাকা কলেজের একজন শিক্ষার্থী ২রা জুলাই ঢাকা নিউজে লিখিত একটি চিঠিতে তার বক্তব্য প্রকাশ করেছেন।
তবে সেখানেও পদলেহনকারী মনোবৃত্তির সাথে প্রকট ছিলো হালুয়া রুটির ভাগ-বাটোয়ারা প্রসঙ্গে তার বিবেচনা। শিক্ষিত নাগরিকদের ভেতরে এই প্রবণতা এবং সমাজের সবার চাওয়ার বিপরীতে গিয়ে নিজের লোভ ও স্বার্থকে বড় করে দেখবার প্রবনতা এখনও বদলায় নি । এখনও আমাদের পশ্চিমমুখীতার কোন পরিবর্তন হয় নি।
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের আঁচ ঢাকায় লাগে নি, বরং বিপ্লব শুরু হওয়ার পরপরই ঢাকার লালবাগে উপস্থিত সিপাহীরা ইংরেজদের আনুগত্য স্বীকার করে নেয়। তবে উপমহাদেশের তৎকালীন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত ইংরেজ এবং তাদের পরিবার এই সিপাহীদের আনুগত্যকে বিশ্বাস করতে পারে নি। তাদের নিরাপত্তাহীনতার বোধ এমন কি দিল্লীর পতনের পরও অব্যহত ছিলো।
৩০শে জুলাই ঢাকায় বসবাসরত প্রায় সকল ইউরোপিয়ানদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়, এবং সেখানে সিদ্ধান্ত হয় একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করা হবে। যারা ইংরেজ সৈন্যদের পাশাপাশি, তাদের নিজের পরিবার পরিজনের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করবেন।
তাদের সপ্তাহে ৩ দিন অস্ত্রচালনা এবং অশ্বারোহনের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়ে এরপর থেকে।
সে সময় উইলিয়াম ফোর্বস ঢাকার কমিশনার ডেভিডসনকে ১৫ই আগস্ট চিঠি পাঠান, যা ঢাকা নিউজ এ ছাপা হয়েছিলো, সেখানে তারা দাবি জানান, বর্তমানের মিল ব্যারাক এলাকায়, যেখানে উইলিয়াম ফলি বলে একজনের ময়দার কল ছিলো, সেই ৪ তলা ভবনকে সুরক্ষিত করবার জন্য সরকারের তরফ থেকে যেনো অর্থ সাহায্য প্রদান করা হয়। তারা, যদি কখন বিদ্রোহ শুরু হয় পরিবার পরিজন নিয়ে সেখানে আশ্রয় গ্রহন করবেন।
এটার উত্তরে ডেভিডসন জানান, তিনি মনে করছেন এমন আশংকা ভিত্তীহিন, এবং এমন কোনো কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার এখতিয়ার তার নেই।
উইলিয়াম ফলির ময়দার মিল অবশ্য আতঙ্কিত অধিবাসী এবং অনুদানে সুরক্ষিত করা হয়, এবং সেটা পরবর্তীতে সেনা চৌকি হিসেবে ব্যবহৃত হতে বলেই পরবর্তীতে সে এলাকার নাম পরিবর্তিত হয়ে মিল ব্যারাক হয়ে যায়।
চট্টগ্রামের বিদ্রোহী সৈনিকেরা ২১শে নভেম্বর ট্রেজারী লুট করে এবং একজন বরকন্দজকে হত্যা করে পালিয়ে যায় ত্রিপুরার দিকে। সে সংবাদ পাওয়ার পরপরি সিদ্ধান্ত হয় ঢাকার সৈনিকদের নিরস্ত্র করা হবে।
ঢাকার সিপাহীরা কোনো ভাবেই বিদ্রোহে উৎসাহী ছিলো না, এমন কি যেই ট্রেজারী লুট হয়ে যাবে আশংকায় লালবাগে যাওয়ার আগে ইংরেজ সৈন্য এবং তাদের সমর্থক ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী ট্রেজারীর পাহারায় থাকা সৈন্যদের যখন ২২শে নভেম্বর ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠিয়ে নিরস্ত্র করলো, তখন একজন বিরক্ত হয়ে বলেছিলো, আপনার যদি আমাদের বলতেন, তাহলে আমরা গত রাতেই অস্ত্র সমর্পন করতাম, তাহলে এই ঘুম থেকে উঠে আমাদের এমন হাঙ্গামায় পড়তে হতো না।
এরপরে ট্রেজারী ও সেখানের নিরাপত্তায় থাকা সৈনিকদের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রেখে ইংরেজ সৈন্যরা লালবাগের কেল্লার দিকে রওনা হয়।
ট্রেজারীতে নিরস্ত্র সৈনিকেরা তাদের নিরস্ত্র করবার পরেও তারা ট্রেজারীতে চুপচাপ বসে ছিলো, কিন্তু যখন লালবাগ থেকে গোলাগুলির আওয়াজ শোনা গেলো, তার প্রাণ ভয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞান শূন্য হয়ে পালানোর চেষ্টা করলো।
অর্থ্যাৎ এই হঠাৎ করেই তাদের নিরস্ত্র করে ফেলানোর মনঃস্তাতিক একটা চাপ ছিলো তাদের ভেতরে। তারা আশংকা করছিলো, তাদেরও হত্যা করা হবে।
লালবাগের কেল্লার দুরত্ব ট্রেজারী থেকে দেড় মাইল দূরে ছিলো। ইংরেজ অশ্বারোহী সৈনিকেরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই, ইঙ্গরেজদের ভাষ্যমতে ট্রেজারী থেকে কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল সেনাসদস্য দৌড়ে পালিয়ে লালবাগের সৈনিকদের সতর্ক করে দেয়, এবং তারা ইঙ্গরেজদের আগমন প্রতিরোধ করবার জন্য সশস্ত্র হয়েই অপেক্ষা করছিলো তাদের জন্য।
বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে কয়েকজন ইংরেজ সৈন্য নিহত হয়, এবং সৈনিকদের ৪১জন সে সময়ে নিহত হয়। আহত অবস্থায় আটক করা হয় কয়েকজনকে। এবং কয়েক জন বিদ্রোহী সৈনিককে পলায়নরত অবস্থায় আটক করা হয়।
তাদের ৩জনকে ২৩শে নভেম্বর জেলা জজের এজলাসে হাজির করা হয়, এবং বিদ্রোহ সংঘটনের অভিযোগে তাদের ফাঁসির হুকুম হয়।৩০শে নভেম্বর বর্তমানের বাহাদুর শাহ পার্কে তাদের প্রকাশ্য ফাঁসী দেওয়া হয়।
এটা আমরা দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি, আতংকিত ইংরেজগন তাদের শৈর্য্য প্রকাশের জন্য এমনটা করেছিলো। মৃদু হাহাকার শোনা গিয়েছিলো উপস্থিত জনতার কণ্ঠে, এবং এর পর থেকে ঢাকা শান্ত হয়ে যায়।
ঢাকা কলেজের অংকের শিক্ষক ব্রেনাল্ড যেমনটা লিখেছেন তার দিনলিপিতে তার থেকে ভিন্ন বর্ননা পাওয়া যায় হৃদয়নাথের আত্মজীবনিতে। তার বক্তব্য অনুসারে লালবাগের সিপাহীরা এমন অঘটনের আশংকা করছিলো না। তারা নিরাপদ তন্দ্রায় বিভোর ছিলো। এবং অতর্কিতে ইংরেজ বাহিনী হামলে পড়লে তারা প্রাথমিক বিষ্ময়ের ধাক্কা সামলে প্রতিরোধ করে তাদের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে। এবং তাদের সবার কাছে গোলাবারুদের স্বল্পতা ছিলো।
বাংলাদেশের যেকোনো বিপ্লব কিংবা বিদ্রোহের একটা সাধারণ ঐক্য আছে, এখানে প্রাণপনে মরিয়া হয়ে লড়তে থাকা যোদ্ধাদের গোলাবারুদের চিরন্তন সংকট থাকে। তারা প্রতিরোধ করতে পারে না, কারণ প্রতিরোধের এক পর্যায়ে তাদের গোলা বারুদের মজুত ফুরিয়ে যায় এবং তারা চাহিয়াও পায় না গোলাবারুদ এবং নিরস্ত্র অবস্থায় পালাতে গিয়ে নিহত হয় কিংবা যুদ্ধক্ষেত্রেই নিহত হয়।
২৪শে নভেম্বর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয় ৪ বিদ্রোহীর, ২৭শে নভেম্বর ২ জনের এবং ১২ই ডিসেম্বর ১৮৫৭ সালে প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে আরো এক জহকে ফাঁসি দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে ১১ জনের ফাঁসী কার্যকর করা হয়।
এ সময়ে ঢাকার স্থানীয় জমিদার অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে ইংরেজ সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেন, এবং এ কারণে তার সহযোগিতার মুগ্ধ হয়ে ইংরেজ শাসকেরা আব্দুল গনিকে বিশেষ খেতাব দিয়ে পুরস্কৃত করেন। এবং পরবর্তীতে আব্দুল গনি এবং তার পরিবারকে নবাব উপাধি ব্যবহারর অনুমতি প্রদান করে ব্রিটিশ সরকার।
২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারী পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ হলো। সে সময়ে তাদের সমর্থনে রাস্তায় মিছিল হলো, সে মিছিল সংগঠিত করবার অপরাধে স্থানীয় বিএনপি নেত্রী এবং তার সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। বিডিআর পরাজিত হয়েছে, এবং পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পরেই দেশের ৩১ জন বিশিষ্ঠ নাগরিক সামরিক বাহিনীর সমর্থনে বিশেষ প্রেস রিলিজ পাঠিয়েছেন পত্রিকায়। তারা সেখানে বিডিআরের বিপথগামী সদস্যদের হীন, নির্মম ও বর্বর হত্যাকান্ডের নিন্দা জানান।
দেশের বিশিষ্ঠ নাগরিকেরা দৈনিক পত্রিকায় বিবৃতি দিয়েছেন, ১০১ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিল্পী, শুভানুধ্যায়ী এবং এমন অসংখ্য অনেকে সামরিক বাহিনীর প্রতি সহমর্মী হয়েছেন। সরকার তাদের সমর্থনে, তাদের বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে,
সামরিক বাহিনী অপারেশন রেবেল হান্টে নেমেছে।
যেমন ভাবে সিপাহী বিদ্রোহের পরে সৈনিকেরা আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো সুযোগ পায় নি, বিভিন্ন কারণে আত্মহত্যা করা এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মরতে থাকা বিডিআর সৈনিকদেরও পরিণতি একই দিকে যাচ্ছে সম্ভবত।
সিপাহী বিদ্রোহে আটক সৈনিকদের যাদের যাবজ্জ্বীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছিলো, তাদের শুনানী ও সাওয়াল জবাব পড়ে একটা বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেলো। তারা যাই বলুক না কেনো, তাদের শাস্তি নির্ধারিত ছিলোই। তারা এই নির্ধারিত শাস্তি পেতোই।
এমন কি প্রাণভয়ে পালিয়ে যাওয়া মানুষটা যে সকালে লুকিয়ে থাকে সন্ধ্যায় আত্মসমর্পন করেছে, তাকেও জেলে আটকে রেখে বলা হলো তোমার সমর্থনে তোমার কিছু বলবার আছে।
হুজুর আমি ভীত , আতংকিত ছিলাম। তাই পালিয়েছিলাম, পরে আপনার কাছে ফিরবার সময় সৈনিকেরা আমাকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়।
তাদের সাক্ষিরাও একই জবানবন্দী দিলো। ম্যাজিস্ট্রেট, আইনের রক্ষক বললেন, তোমাকে যাবজ্জ্বীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হলো। অভিযোগ- রাষ্ট্রদ্রোহিতা।
ইতিহাস নিজেকে পুনারাবৃত্তি করে। আমরা ইতিহাসের পুনারাবৃত্তি দেখছি এখন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০০৯ সকাল ১০:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ইতিহাস চক্রাকারে আবর্তিত হয়। তবে দুঃখজনক এই যে, আমরা ইতিহাসের শিক্ষা মনে রাখি না।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ইতিহাসের শিক্ষাটা যাদের মনে রাখবার দরকার তারাই আসলে ইতিহাস রচনা করে।সুতরাং তাদের শিক্ষারও প্রয়োজন হয়না।
লেখক বলেছেন: না আপত্তি নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














