রাষ্ট্র শুধুমাত্র তদারকির কাজ করতে চাইছে, তারা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানগুলোকে লোকসানী বিবেচনা করে ব্যক্তিমালিকানাধীন খাতে ছেড়ে দিচ্ছে, ঢালাও বেসরকারীকরণের জন্য সম্পদের প্রকৃত মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। মূলত রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় নীতি নির্ধারকদের গাফলতিতে। সেখানে পরিবর্তন না এনে ঢালাও বেসরকারীকরণ মূলত সরকারের অনাগ্রহই প্রকাশ করে।
বিশ্ব জুড়ে পাটের বাজার যখন চাঙ্গা হচ্ছে এবং গত বছর প্রকাশিত একটি গবেষণায় যখন এটা নিশ্চিত করে বলা হয়েছে পাট শিল্প ধ্বংস হয়েছিলো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহনের সময় একটা ঘোষণা ছিলো রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান নিলামে উঠবে না, এবং কোনো কল কারখানা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে না।
এরপরও ১২টি প্রতিষ্ঠান বেসরকারীকরণ করা হলো।
চট্টগ্রামের ঢাকা কার্পেট ফ্যাক্টরী, সিরাজগঞ্জের কাওমী জুট মিলস, খুলনার দৌলতপুর জুট মিলস।
যদিও দেশে কাপড় কিংবা সুতার চাহিদা কখনই কমে যায় নি, কিন্তু ৬ টি সরকারী টেক্সটাইল মিল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রামস্থ ডাইং এন্ড প্রিন্টিং ইউনিট, চট্টগ্রামের ভালিকা উলেন মিলস।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


