ভবিষ্যতের জন্য তুলে রাখা প্রশ্ন-
০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৬
প্রশ্নগুলো তোলা থাকুক, ভবিষ্যতের জন্য-
খাদিজার জন্ম বনি হিশাম গোত্রে, তার পিতার নাম খোয়ালেদ, কিংবা খালিদ, দাদার নাম, আসাদ, পরদাদার নাম আব্দুল উজ্জা, এবং তার পিতার নাম কুসেয়...............
মোহাম্মদের জন্মও বানি হিশাম গোত্রে- পিতা আব্দুল্লাহ, দাদা আব্দুল মুত্তালিব, দাদার পিতা, হাশিম, তার পিতা আবদ মানাফ, এবং তার পিতা কুসেয়-
সেই বিবেচনায় খাদিজা আদতে জ্ঞাতি সম্পর্কে মুহাম্মদের ফুপু।
বানি হিশাম গোত্র, বংশানুক্রমে কা'বার রক্ষক, এদের সবাই মুর্তিপূজারি নয়, বরং এদের ভেতরে অনেকেই একেশ্বরবাদী, তবে তাদের সাথে কোনোভাবেই ইহুদি কিংবা খ্রীষ্টানের যোগসূত্র ছিলো না।
তারা ইব্রাহিম এবং তার পূত্র ইসমাইলের ধর্ম অনুসরণ করতো।
খালিদ কিংবা তার পিতা আসাদের গোত্রের একজন ওয়ারাকা বিন নওফল,
একেশ্বরবাদী, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে আকৃষ্ট ছিলো না। অন্তত ৫৯৫ সাল পর্যন্ত বিষয়টা সত্য।
খাদিজার বাবা মারা যায় ৫৭৫ সালে, এবং মা মারা যায় ৫৮০ সালে, এবং এরপর খাদিজা নিজেই পিতার ব্যবসার হাল ধরেন।
যদিও ইতিহাসে তাকে দুই বার বিবাহিত বলা হয়েছে কিন্তু তার স্বামীদের সম্পদের উত্তরাধিকারী হিসেবে সে ব্যবসা পরিচালনা করেছে এমন নয়। সুতরাং একটা অনুমান হতে পারে সে ছিলো অবিবাহিত, এবং মুহাম্মদকেই সে প্রথম বিবাহ করেছিলো।
তার সততা এবং গুণমুগ্ধ হয়ে আরবেরা তাকে "তাহিরা" উপাধি দিয়েছিলো, ধনসম্পদের জন্য তার উপাধি ছিলো মক্কার রাজকন্যা।
তার বোনের তিন মেয়ে জয়নব,রুকাইয়া এবং উম্মে কুলসুম, তারা মোহাম্মদের কন্যা নয়, রুকাইয়া এবং উম্মে কুলসুমের সাথে বিয়ে হয় উসমান বিন আফ্ফানের। তার আগে এদের বিয়ে হয়েছিলো আবু লাহাবের সন্তানের সাথে।
জয়নবের বিয়ে হয় আবুল আস ইবনে আর রাবি- মদিনা হিজরতের পরে কুরাইশদের সাথে প্রথম যুদ্ধে যুদ্ধবন্দি হিসেবে ধৃত, এবং পরে মুহাম্মদ তাকে মুক্তি দেন, সে ইসলাম গ্রহন করে এবং মদিনায় হিজরত করে পরবর্তীতে।
এই হিজরতের সময় জয়নব আহত হয় এবং পরবর্তীতে মৃত্যু বরণ করে মদিনায়???
এই হত্যার প্রতিশোধ নিতে মুহাম্মদ অপরাধীকে জীবিত পুড়িয়ে মারবার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে সে আদেশ রদ করে বলেন পুড়িয়ে মারবার একমাত্র অধিকার আল্লাহ'র।
যদি এই ঘটনা সত্য হয়, তবে উসমান সে হিসেবে মুহাম্মদের জামাই নয়- সুন্নিরা এই ইতিহাস অস্বীকার করে জয়নব, রুকাইয়া এবং উম্মে কুলসুমকে মুহাম্মদের মেয়ে হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়- কিন্তু কেনো?
যদি খাদিজা ন্যুনতম ২০ বছর বয়েসে ব্যবসার হাল ধরেন তাহলেও তার বয়েস ৫৯৫ এ হয় ৩৫। এমনও হতে পারে সঠিক বয়েস না জানা থাকলেও সেটা ৩০ থেকে ৩৫ এর আশেপাশে হবে, এর বেশীও হতে পারে, কিন্তু অবিবাহিত খাদিজার মৃত দুই স্বামীর নাম কোথাও পাওয়া যায় না কেনো?
-------------------------------------------------------------------------------
তবে মূল প্রশ্ন এটা না, মূল প্রশ্ন মুহাম্মদ বনি হিশাম গোত্রের প্রতিনিধি হিসেবে ইসমাইলের বংশধর, এবং ঈসা, মুসা এরা সবাই ইসহাকের বংশধর??
বনি হিশাম কোনোভাবেই এই ধর্মের সাথে সংযুক্ত নয়, কিন্তু একেশ্বরবাদের যে ইতিহাস বনি হিশাম চর্চা করেছে সেটার ইতিহাসের সাথে সম্ভবত ঈসা মুসার ইতিহাসের পার্থক্য ছিলো।
কিংবা যে গল্প প্রচলিত ছিলো আরবে সেটা হয়তো মদিনা কিংবা অন্য কোথাও প্রচলিত ছিলো না, মুহাম্মদের সাথে ইহুদিদের শান্তি আলোচনা এবং নবুয়ত নিয়ে আলোচনা ভেস্তে যায় একটা ফেরেশতার কারণে,
জিব্রাঈল এবং মিকাইলের ভেতরে যদি তফাত না থাকতো তবে জেরুজালেম নিয়ে পৃথিবীতে এত রক্তক্ষয় হয় না।
মুসলিম ট্রাডিশনে জিব্রাঈল সকল ইশ্বরের বার্তা নিয়ে আসে মর্ত্যে, মিকাইল শুধু বৃষ্টি বন্যা, এইসব প্রাকৃতিক বিষয়াদি দেখভাল করে,
অন্য দিকে এই মিকাইল ইহুদিদের সকল সুসংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছে, জিব্রাঈল ইহুদিদের শুধুমাত্র দুঃসংবাদ বহন করে আনতো।
-------------------------------------------------------------------------------
মুহাম্মদ মদিনায় হিজরত করার কারণ কি মাতৃভুমিতে পদার্পন? আমিনা মদিনার মেয়ে, পিতৃভুমি মুহাম্মদকে রিক্ত ফিরালেও মাতৃভুমি তাকে হতাশ করে নি।
--------------------------------------------------------------------------
মুহাম্মদ যে ইশ্বরের প্রেরিত পুরুষ হতে পারে এই অনুমান কিংবা বিশ্বাস মুহাম্মদের ভেতরে প্রবিষ্ট করবার হোতা কে? খাদিজা, না ওয়ারাকা বিন নওফল?
-------------------------------------------------------------------------
মুহাম্মদ বাণিজ্য থেকে ফিরে কা'বাকে ৭ বার প্রদিক্ষণ করেছিলো, অন্যান্য বণিকেরাও কা'বায় গিয়ে ৭ বার প্রদিক্ষণ করে আসতো। এটা সে সময়ে অবিশ্বাসী কিংবা বিশ্বাসী, একেশ্বরবাদী কিংবা বহুইশ্বরবাদী সকলের স্থানীয় সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ঠ্য ছিলো।
কিন্তু ইসলাম কেনো এটাকে হ্বজ্জ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলো এবং ঈমাণদার স্বচ্ছল বান্দাদের জন্য ফরজ করলো?
আরবের মাটির তলের তেল শেষ হয়ে যাওয়ার পরে এরা এই একটা ব্যবসা করে অন্তত টিকে থাকতে পারবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মনির হাসান বলেছেন:
এবার উত্তর গুলো আসা শুরু হোক ...
সািদক বলেছেন:
এসব ফালতু প্রশ্ন নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কোনও সুস্থ মস্তিষ্কের ব্লগারের নেই....সুতরাং বেহুদা প্রশ্ন নামের কলঙ্ক ছড়িয়ে সামুকে কলঙ্কিত করবেননা...
সািদক বলেছেন:
যাদের ভাল গেছে, তারা কি পূরোটা পড়ে ও বুঝে + দিয়েছেন??? দিলে কেন দিয়েছেন?
সািদক বলেছেন:
এই পোষ্ট দিয়ে কি "হিট ক্লিকের" পসরা সাঁজিয়েছেন??!!
সািদক বলেছেন:
"জয়নব আহত হয় এবং পরবর্তীতে মৃত্যু বরণ করে""অন্য দিকে এই মিকাইল ইহুদিদের সকল সুসংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছে, জিব্রাঈল ইহুদিদের শুধুমাত্র দুঃসংবাদ বহন করে আনতো"
তুই তোকারি করবার কারণটা কি ধর্মীয় জিঘাংসা থেকে ??" তাহলে মোহাম্মদকে আপনি সম্বোধন করেন কেন?
লেখক বলেছেন: সম্বোধন নিয়ে আলোচনা না করে প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আলোচনা করলে আরও ভালো হতো।
ধর্মীয় দ্বন্দ্ব নিয়া সংকট আমার নাই, কিন্তু এটা বুঝবার দরকার আছে।
অন্যরকম বলেছেন:
এইবার উত্তর খুঁজতে থাকেন!
মনির হাসান বলেছেন:
একজনে ঈমানের তরবারী খাড়ায় গেছে ।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
প্রিয়তে নিব যদি সব উত্তর পাওয়া যায়
সািদক বলেছেন:
ঈমান থাকলে তো??!!
আর যুদি আপনে শয়তানের প্ররোচনায় এইসব প্রশ্ন করা বাদ্দেন আর চোক্কান বন্ধ রাইখ্যা কোনো মতে ইমান দুই হাতে চাইপ্পা ধইরা মরতে পারেন তাইলে ............ ফয়দাই ফয়দা।
আসেন আমরা ফয়দা লুটেরাদের দলে যুগ্দান কৈরা ইহ আর পর দুইকালেই ফয়দা লুটি
অপবাকের নিজের ঈমাণ-আক্বীদা বলে কিছু নাই তো, এইজন্য আপনার মত ডেলিকেট আদমীর ঈমাণ নিয়ে টান দিতেছে, ঘোর কলিকাল।
@অপবাক>> উত্তর কি পাওয়া যাবে?
লেখক বলেছেন: ইতিহাসের দুইটা ধারা, এক ধারার ইতিহাস অন্য ধারার ইতিহাসকে বিকৃত বলছে, হয়তো সত্য এই দুই ইতিহাসের মাঝামাঝি কোথাও।
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
"মুহাম্মদ মদিনায় হিজরত করার কারণ কি মাতৃভুমিতে পদার্পন? আমিনা মদিনার মেয়ে, পিতৃভুমি মুহাম্মদকে রিক্ত ফিরালেও মাতৃভুমি তাকে হতাশ করে নি।"আপনার এই প্রশ্ন শুধু ধর্ম নয় ইতিহাস সম্পর্কেও আপনার সীমাহীন অজ্ঞতার পরিচায়ক। একজন খৃষ্টান পাদ্রী অথবা ইহুদি রেবিও আপনার বেপরোয়া প্রশ্ন শুনে অবাক হবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। বিস্তারিত বর্ণনা করে মন্তব্যের দৈর্ঘ্য বাড়াবো না। মক্কায় যখন মুহাম্মদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয় মুহাম্মদ তা জানতে পেরে প্রস্থান করেন। তাই হচ্ছে সরল কারণ। আর মদীনায় আনসার , ইহুদি ও খৃষ্টানরা বহুদিন যাবৎ একজন নবীর অপেক্ষা করছিলেন । তাছাড়াও তৎকালীন সংঘাতময় পরিবেশে মদিনাবাসীরা সবসময়-ই একজন নেতার অপেক্ষায় থাকতেন। মুহাম্মদের সংঘাত নিরসনের যে দক্ষতা ছিল তা সম্পর্কে মদিনাবাসী জানতেন এবং তাদের আশা ছিল অন্যান্য গোত্রদের সাথে মদিনাবাসীর যুগ যুগ ধরে যে লড়াই চলছিল তা হয়তো মুহাম্মদ মিমাংসা করতে পারবেন। আর ইহুদিরাও তাদের তাওরাতের ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী একজন নবীর অপেক্ষা করতেন সবসময়। তাই মুহাম্মদ যখন মক্কা থেকে প্রস্থান করেন তিনি মদীনাবাসীর আমন্ত্রনেই তা করেছিলেন। কারণ মদিনাবাসী বহুদিন ধরে সেই প্রতীক্ষায় ছিলেন। তাদের আশা ছিল তিনি সংঘাতপূর্ণ মদীনায় লো এন্ড অর্ডার সৃষ্টি করতে পারবেন। নবী হিসেবেও তাকে স্বিকৃতী দেন সেখানকার অনেক ইহুদি ও আলেম পণ্ডিত। বলা যায় মদীনাবাসী নবীকে নিয়ে আসার মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক। তারা আশা করেছিল নবী মুহাম্মদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তাদের সংঘাতময় রক্তক্ষয়ী সংকট নিরসন হবে। "পিতৃভুমি মুহাম্মদকে রিক্ত ফিরালেও মাতৃভুমি তাকে হতাশ করে নি" আপনার এই ধারনাটিও ভুল। বরং আমরা দেখি মদিনাবসীও মুহাম্মদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিল বার কয়েক। অত্যন্ত স্পর্ষকাতর যুদ্ধচলাকালীন সময়েও অনেক মদিনাবাসী তার সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে নবীসহ তার সাথীদের ভয়বহ বিপদের চক্রাজালে ফেলে দেয় বার বার। আভ্যান্তরিণ ষড়যন্ত্র নবী মুহাম্মদের জীবনকে প্রায়-ই ঝুঁকির মধ্যে ফেলছিল। তাই মাতৃভুমি মদীনা তাকে হতাশ করে নি এই কথাটা ঐতিহাসিকভাবে ভ্রান্ত।
লেখক বলেছেন: ধর্মীয় গুরু হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্র মক্কা ছিলো না, সেখানের ১৩ বছরের লড়াই মুহাম্মদকে তেমন কিছু দিতে পারে নি। যা মদিনার ১০ বছরে মুহাম্মদ পেয়েছে।
মদিনার ২টা গোত্রের আকুণ্ঠ সমর্থন মুহাম্মদ পেয়েছে, খাদিজার ব্যপকবিত্ত, পিতৃব্য আবু তালিবের ছায়া তাকে রক্ষা করেছে মক্কায় কিন্তু এর বেশী কিছু প্রাপ্তি তার ছিলো না মক্কায়।
শয়তান বলেছেন:
অপেক্ষায় আছি
লেখক বলেছেন: মদিনার আদি নাম ইয়াতরীব।
আবূসামীহা বলেছেন:
ভাইজান মাথাটা ঠিকমত কাজ করে আপনার? নীচের উদ্ধৃত অংশটা দেখেন আর যে চার্টটা দিয়েছেন তাও দেখেনঃ========
খাদিজার জন্ম বনি হিশাম গোত্রে, তার পিতার নাম খোয়ালেদ, কিংবা খালিদ, দাদার নাম, আসাদ, পরদাদার নাম আব্দুল উজ্জা, এবং তার পিতার নাম কুসেয়...............
মোহাম্মদের জন্মও বানি হিশাম গোত্রে- পিতা আব্দুল্লাহ, দাদা আব্দুল মুত্তালিব, দাদার পিতা, হাশিম, তার পিতা আবদ মানাফ, এবং তার পিতা কুসেয়-
=======
আপনি এই বনি হিশাম গোত্রটা কোথায় পেলেন? আপনার চার্টের মুহাম্মদ (সঃ) এবং খাদিজার পুর্বপুরূষদের কোন জন হিশাম? বনি হিশাম মানে হলে হিশামের সন্তানরা। সে হিসেবে তারা তার গোত্র। আপনার উল্লিখিত চার্টে মুহাম্মদ (সঃ) ও খাদিজার [সঃ) সাধারণ পূর্বপুরূষ [common ancestor] হচ্ছেন কুসাই। তাহলে তারা দুজনে কুসাই গোত্রের লোক হতে পারেন। চোখ বন্ধ করে হৃদয়ে তালা দিয়ে বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে লিখলে সাধারণ ঐতিহাসিক একটা বিষয়কেও তালগোল পাকিয়ে ফেলা যায়।
প্রকৃত বিষয় হচ্ছে মুহাম্মদ (সঃ) এর উপগোত্র হচ্ছে বনি/বনু হাশিম [হিশাম নয়]। আর খাদিজার (রাঃ) উপগোত্র হছে বনি/বনু আসাদ। আর দু'টোই হচ্ছে কুরাইশ গোত্রের শাখা। সে হিসেবে তাঁরা দুজন কুরাইশ গোত্রের লোক।
অন্য বিষয়ে কথা বলে নষ্ট করার মত সময় নেই। নিজের মনটাকে পরিষ্কার করে বিদ্বেষমুক্ত হয়ে অধ্যয়ন করুন। সব কিছু আপনাআপনি পরিষ্কার হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: বনু হিশাম না হয়ে বনু হাশিম হলো, তাতে কি খাদিজার সাথে মুহাম্মদের সম্পর্কটা বদলে যাবে?
হিশামের সন্তানেরা না হয়ে হাশিমের সন্তানেরাই হলো, মানে এই হাশিম আর হিশাম নিয়ে আলোচনা না করে ভেতরে ঢুকেন।
খাদিজা মুহাম্মদের ফুপু, বিদ্যমান বংশলতিকা তাই বলছে,
ত্রিভুজ বলেছেন:
@আবূসামীহাওগুলো জেনে বুঝেই তারা এই বিভ্রান্তিটা তৈরি করেছে। যেমনটা কোরআন এর আয়াত মেনিপুলেশনের সময় করে। জেনে বুঝে যারা নিজেকে বিভ্রান্ত করে রাখে বা অন্যদের বিভ্রান্ত করতে চায় তাদের বিষয়ে কোরআনে খুব সুন্দর কিছু আয়াত দেয়া আছে। তবে সমস্যাটা হচ্ছে এদের কথায় যারা বিভ্রান্ত হয় তাদেরকে নিয়ে।
আপনার মন্তব্যটার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তোমার উপস্থিতি সব সময়ই আনন্দদায়ক।
সামীহার বাবাকে একটু সময় দাও।
ত্রিভুজ বলেছেন:
অন টপিকঃ আপনাকে বুঝানোর মহৎ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী না। এর আগে একবার আপনার অসহায়ত্ব দেখে খুব খারাপ লেগেছিলো.. তারপর থেকে ঠিক করেছি আপনাকে আর বেকায়দায় ফেলবো না। তবে চাইলে আবূসামীহা ভাইয়ের মন্তব্যটা আবার পড়তে পারেন।অফ টপিকঃ রাসেল(........) আর 'অপ বাক' একই ব্যক্তি বলায় একবার খুব রাগ করেছিলেন। কিন্তু আপনার মন্তব্যগুলোর কারণে দু'টো চরিত্র আলাদা করা যায় না। দু'টোরই বৈশিষ্ট এক। খামখা দুইটা আলাদা নিক নিয়ে লিখে কী লাভ হচ্ছে?
লেখক বলেছেন: তুমি তোমার বিশ্বাস এবং অনুমান নিয়ে বসে থাকো।
আবুসামীহা এবং দ্বীপবালক চরিত্র নিয়ে আলোচনা করতে পারো পরবর্তীতে।
দ্বীপবালক বলেছেন:
আমার আগের মন্তব্যটা বুঝে এসেছে, নাকি ওটা মাথায় ধরেনি। ওখানে আমি লিখেছি একজন বনু হাশিমের আর আরেকজন বনু আসাদের। নিজের চার্টটা আরেকটু লক্ষ্য করেন। শুধুশুধি আর সময় নষ্ট করার মানে নাই। খাদিজা (রাঃ) মুহাম্মদের (সঃ) কোন ধরণের ফুফু? তিনি কি তার বাবার বোন? যদি না হন তাহলে সমস্যাটা কী?আগেই বলেছি মাথাটাকে একটু পরিষ্কার করুন।
আসলে আপনাকে জবাব জন্য লিখিওনি। লিখলাম যেন কোন সহজ সরল ভদ্রলোক বিভ্রান্তির হাত থেকে বেঁচে যান।
লেখক বলেছেন: ফুপু হলেও কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা আছে এমন কথা কি বলেছি আমি। বলেছি আলোচনায় মনোযোগ দিতে।
বনু হিশাম বিষয়টা নিয়ে অযথা বাক্যব্যয় করে লাভ নেই আসলে। আপনার জ্ঞানের সীমা যেখান থেকে শুরু সেখান থেকেই করেন না হয়। জ্ঞাতি সম্পর্ক বিষয়টা আপনারে বুঝানোর দায়িত্ব অন্য কেউ গ্রহন করুক না হয়।
নিষিদ্ধ সম্পর্কের তালিকায় এটা নেই, সুতরাং এটা নিয়ে বিচলিত হয়ে কোনো লাভ নেই।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনিও আপনার বিশ্বাস ও অনুমান নিয়ে বসে থাকুন রাসেল সাহেব।
লেখক বলেছেন: কোথাও কেউ একটা মন্তব্য করেছিলো, ত্রিভুজ মুখে দিলে আলোচনা কোথাও আগায় না, এখন দেখা যাচ্ছে বিষয়টা বাস্তব এবং সত্য-
আলোচনা আমার সাম্ভাব্য নাম নিয়ে নয়, আলোচনা এখানে চলছে খাদিজার জীবনি এবং মুহাম্মদের জীবনে তার প্রভাব নিয়ে-
যদি সে আলোচনায় অংশগ্রহন করবার যোগ্যতা তোমার না থাকে, সেটা নিজের অক্ষমতা মেনে নিয়ে দেখো অন্য কোনো আলোচনায় মুখ ঢুকাতে পারো না কি। এই আলোচনাটা একটু বেড়ে উঠুক, খুব বেশী বড় হয়ে গেলে তুমি এসে মুখ দিয়ে আলোচনা ছেঁটে দিয়ো, কেমন?
দ্বীপবালক বলেছেন:
নিজের জ্ঞানের দিকেই লক্ষ্য করেন। বলেছেন "দুজনেই বনি হিশামের লোক।" অথচ দুজনে মূলত কুরায়শ গোত্রের লোক। তাঁদের দুজনের একজন সাধারণ পূর্বপুরূষ [common ancestor] হচ্ছেন গালিব ইবন ফিহর। যার উপাধি ছিল কুরায়শ। সেখান থেকে তাঁর বংশধররা কুরায়শ হিসেবে পরিচিত। এই কুরায়শের কয়েক পুরূষ অধঃস্তন একজন বংশধর হচ্ছেন কুসায়, যিনি মুহাম্মদ (সঃ) এর ৫ম উর্ধ্বতন পুরূষ ও খাদিজার (রাঃ) ৪র্থ উর্ধ্বতন পুরূষ। দুজনের কেউই বনি হিশামের বংশধর না।এই তথ্যটাই যেখানে আপনার মাথায় ধরেনি সেখানে অন্যগুলো কীভাবে ধরবে?
লেখক বলেছেন: চমৎকার সুচনা। মুহাম্মদের ৫ম উর্ধতন পুরুষ এবং খাদিজার চতুর্থ উর্ধতন পুরুষ যদি একই হয়, তবে তারা একই বংশভুক্ত, এখানে ব্লাড লাইন পিতৃতান্ত্রিক।
এই বংশীয় সম্পর্কগুলোকে জ্ঞাতি সম্পর্ক বলে বাংলায়। সেটা মাতা এবং পিতা উভয় বংশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে।
আপাতত আপনি যে উর্ধতন পুরুষের বর্ননা দিলেন, সেই বর্ণনার ভিত্তিতে, পিতৃতান্ত্রিক সম্পর্কের উত্তরাধিকার বিবেচনা করলে,
সেই সম্পর্ক বিবেচনায় খাদিজা মুহাম্মদের ফুপু।
ত্রিভুজ বলেছেন:
'অপ বাক' নিকটা থেকে রাসেলীয় স্টাইলে ব্যক্তিগত আক্রমনের জন্য ধন্যবাদ। এবার দ্বীপ বালকের সাথে আলোচনা কন্টিনিউ করেন।
লেখক বলেছেন: তুমি একা একা মন্তব্য চালিয়ে যেতে পারো।
এরপর প্রাসঙ্গিক না হলে তোমার মন্তব্যের উত্তর আমি দিবো না।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
লেখক ভাইজান ও তার সমর্থকদের বলছি:আপানাদের প্রিয় হিন্দু ধর্মের শ্রী কৃষন নাকী আপন মামিরে পাগল বানাইয়া ফালাইছিল......?? যাক বেশি কিছু কমু না|
আপনাদের আরেক প্রিয় ধর্ম খৃস্ঠানদের যীশু'র মা কিভাবে গর্ভবতী হলেন সেটা নিয়ে এই আমেরিকা-ইউরোপে অনেক মজার মজার গল্প চালু আছে|
সেসব বলে আপনাদের মন খারাপ করতে চাই না| নবীকে খরাপ প্রমান করে নিজেকে পন্ডিত ভাবার কারন নাই|
আমেরিকা-ইউরোপের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষনা শেষে সিদ্বান্ত নেয়া হয়েছে মোহাম্মদকে নিয়ে যারা উল্টা-পাল্টা বলে বা লিখে তাদের প্রচুর কলা পাতা বা কাঠাল পাতা দিয়ে আপ্যায়ন করা ছাড়া আর কিছু করার নাই|
আমার বিশ্বাস বা;লাদেশে এখনো প্রচুর কলা পাতা ও কাঠাল পাতা পাওয়া যায়|
লেখক বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য এরপর মুছে দেওয়া হবে।
আমি আস্তিক বলেছেন:
ভাই তো বিরাট গ্যাণি, তয় ব্যক্কলের মত কিছু প্রশ্ন কইরা পেরেশান দিছেন, কইছেন-
কিন্তু অবিবাহিত খাদিজার মৃত দুই স্বামীর নাম কোথাও পাওয়া যায় না কেনো?
কে কইল পাওয়া যায় না, প্রথম জন আতিক বিন আজিজ
দ্বিতীয় জন আবু হালাহ
চোখে ঠুলি পইরা খালি ওইসব সাইট থিকা মারলে তো এই গ্যান ই হইবো....
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো জেনে।
আমি আস্তিক বলেছেন:
আর পোষ্টে যে প্রশ্নসব তুলছেন , একটাও তো কামের না, এমন সব প্রশ্ন যা লইয়া তর্ক চলতে পারে,মাগার শেষ হইবো না, কারন বেশিরভাগই ঐতিহাসিক, এক একটা লইয়া বহু কথা চালু আছে। এই সব প্রশ্নের আবার নাম ভবিষ্যতের প্রশ্ন, এগুলান তো আজকেই সব শ্যাষ....নাম পাল্টাইয়া রাহেন আকাইমমা প্রশ্ন , হেরপর আবার আমু নে।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
দেখলাম, উত্তর জানা নেই যাদের তারা কেমন পিছলায়...
সপ্ন বলেছেন:
হা হা হা দেখলাম. চুপসে গেলে ন নাকি অপবাক। নাকি হতবাগ হলেন। শুধু শুধু কেন আপনারা ধর্ম কে নিযে টানাটানি করেন বুঝলামনা। জার জার টা তার তার থাকনা।
লেখক বলেছেন: ধর্ম নিয়ে টানাটানি আমি দেখি নি এখানে।
ইতিহাস আর ঐতিহাসিক তথ্য নিয়ে টানাটানি চলছে, সেটার সাথে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব জড়িয়ে আছে।
অলস ছেলে বলেছেন:
আশা করি মাইনাস প্রদান বাবদ একখানা হৈলেও নেকী অর্জন হৈবেক।
লেখক বলেছেন: এইসব কাজে নেকী হয়?
শয়তান বলেছেন:
অলস ছেলের কমেন্টটা বান্ধাইয়া রাখা হউক ।
লেখক বলেছেন: প্রতি পদে নেক আমল করার সুযোগ আছে, সহজ এইসব তরিকা ছেড়ে ইন্টারনেটে আইসা যদি নেকী কমাতে হয় তাহলে বিপদ।
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন:
বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪০ বছর এখন ও পার হয়নি, পেরেছেন কি দেশের ইতিহাস ঠিকমত প্রতিষ্টা করতে, আর এখন হিসাব মিলাতে আসছেন ১৪০০ বছর আগের কোন এক আকামের ইতিহাস। ব্লগে যদি উত্তর না পান, প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবার জন্যে কি কি ব্যবস্থা নিয়েছেন তা নিয়েও একটি পোষ্ট দিবেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা ব্লগের জন্য না নিজের জন্যই লিখে রাখা।
কাগজ কলমে লেখা হয় না অনেক দিন। সুতরাং ব্লগই ভরসা।
তবে একটা নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে এখান থেকে এটাই বা কম কি।
অপ বাক বলেছেন:
অদ্ভুত একটা বিষয় দেখা গেলো, তাবেরীর মতে- খাদিজা পূর্বে দুইবার বিবাহিত ছিলো এবং কোরাইশদের ভেতরে সবচেয়ে ধনী মহিলা এবং কাম্য মহিলা ছিলো।আরও অদ্ভুত হলো, তাবেরীর ভাষ্য মতে-
হামজা বিন আবদুল মুত্তালিব মোহাম্মদের সাথে গিয়েছিলো খাদিজার বাবা খালিদ বিন আসাদের কাছে -
অন্য একটি সূত্রে মতে সেই খালিদ বিন আসাদ মৃত্যু বরণ করেছে ৫৮০ খ্রীষ্টাব্দেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















শেষ প্রশ্নটা নিয়ে কিছু বলব পরে।