১. মন মহুয়ার বনে হাজারো সপ্ন খেলা করে চলেছে, ফুলে ফুলে উড়ে বেড়ানো প্রজাপতির মত। প্রজাপতির ডানার মত রঙ্গিন সব সপ্ন। হাজার কিংবা কোটি প্রহর কেটেছে সপ্ন দেখে। সপ্ন বাজির খেলায়, কিছু পরিপূর্নতা পেয়েছে, আবার কিছু হয়েছে বিলিনতায় বিবর্ন, তাই বলে কিন্তু সপ্ন দেখা থামেনি, আজো সেই ছেলেবেলার শ্যামল গ্রাম থেকে শুরু করে, নাগরিক কোলাহল, কলরব, আর শতমুখি ব্যাস্ততার মাজে সপ্ন দেখে চলেছি, আগামির পূরন প্রতাশায়।
২. এমন কিছু সপ্ন ছিল, যা পুরন না হবার কষ্ট, রক্ত রন ঘটায় আমার বুকের পাঁজরে প্রতিনিয়ত। সপ্ন ছিল প্রিয়তমাসির হাতটি ধরে অমূল্য সুখের ঘর সাজাবার। কিন্তু হায়, নিয়তির র্নিমম পরিহাসে, ধুলোর পরদা জমেছে সে সপ্নে, হয়েছে বিবর্ন। স্মৃতির পাতায় যোগ হয়েছে শুধু একপ্রস্থ বিষন্নতার অধ্যায়। প্রাচুর্য়তার মোহে পাড়ি দিযেছেসে দূর বহুতদূরে। অপরাধ শুধু একটাই আমার মানেব্যাগ জুড়ে ছিল সপ্ন, ছিলনা অর্থ নামক অবিনাষি রতœ। আজ মনের গভিরে জাগ্রত হয় একটাই প্রশ্ন ইদানিং ভালবাসা কি অর্থের মাপে সাধারনে পরিনত হয়েছে। আর আমার অপৃর্ন হৃদয়, তারি বিহনে, নিরবে বিজনে, স্মৃতি দীপ জ্বালে, আমার শূন্য ঘরে। তার দেওয়া চিঠিগুলো প্রতিদিন আমায় ভাবনার বেড়াজালে জড়িয়ে নিত, আর বিষন্ন আমি ভেবে যেতাম কতটুক ভালবাসা নিয়ে লিখেছিল চিঠির কথাগুলো, যা সে ভুলে গেল খুব সহজে, আমাকে দিয়ে গেল একরাশ ধুলোমলিন সময় আর, সপ্নগুলোকে করে গেল বিষন্নতায় বিবর্ন।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



