somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় : দুইটি সামান্য কথা!!!

১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আসসালামু আলাইকুম,
হাতে গুনিয়া দুই চারিটি বাদ দিয়া দিলে বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হইতেছে সার্টিফিকেট বিক্রির দোকান।
আপনি আলুর দোকানে গিয়া টাকা দিবেন-- আলু পাইবেন।
পটলওয়ালাকে টাকা দিবেন --পটল পাইবেন।
কিন্তু ঢাকা বিশ্বিদ্যালয়কে আলু-পটল-সহ আমার ১৪ গোস্ঠীকে কলে পিষিয়া দিলেও একখানা সার্টিফিকেট বাগাইতে পারিবো না।
দেশের মোড়ে-মোড়ে এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
আমাদের মিরপুরে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রহিয়াছে। যাহার নিচতলাতে রোড-সিমেন্টের দোকান।
দোতলায় কাপড় সেলাইয়ের দোকান , মিষ্টির দোকান
আর তৃতীয এবং চতুর্থ তলায় হইতেছে বিশ্ববিদ্যালয়।
এইটা ২ বছর আগের কথা। বর্তমান অবস্থা কেমন তাহা দয়া করিয়া অনুমান করিয়া নিন।
একটা কোচিং সেন্টারের সহিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো তফাৎ দেখি না।
এইটার নাম উচ্চশিক্ষা নহে।
এইভাবে অলিতে-গলিতে উচ্চশিক্ষা বিতরণ করা যায় না।
চট্টগ্রামে গিয়া দেখি আরেক কাহানি!
কী কাহানি?
সেইখানে শাখা-কাহানি।
মানে হইতেছে : বস টেইলার্স যেমন আগে বিজ্ঞাপন দিতো আমাদের কোথাও কোনো শাখা নাই।
কিন্তু বিভাগগুলিতে তাহাদের শাখা ছিলো বা সেই নামে টেইলারিঙস-এর দোকান ছিলো।
ওইখানে এখন সেই অবস্থা।
এশিয়ান য়ুরিপিয়ান আমেনিকান--কতোরকম বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শাখা দেখিলাম তাহা বলিবার নয়।
আমাদের এক বন্ধু কহিলেন : এই শাখা-কাহানি এখন সারা দেশেই ছড়াইয়া গিয়াছে।
আমার প্রশ্ন এইসব দোকানে কাহারা জ্ঞান বিক্রয় করিয়া তাকে আর কাহারাই-বা সার্টিফিকেট খরিদ করিতে যায়?
উত্তর সরল :
তাহারাই যায় যাহাদের পিতা-পিতামহের অনেক টাকা রহিয়াছে কিন্তু মাথায় মগজ নাই।
অর্থাৎ যাহারা পোপ জন পল টু-র মতো ফেলটু-মার্কা ছাত্র-ছাত্রী।


তাহাদের প্রতি কাহারোই মানবিক হওয়া উচিত নয়। অন্তত আমি নহি।
সরকারের উচিত এইসব বেসরাকরি বিশ্বিদ্যালয়ের প্রতি কঠিনসব শর্তাদি আরোপ করা।
যাহাতে উচ্চশিক্ষার নামে এইসব পান-বিক্রয়ের দোকান (সার্টিফিকেট) খুব দ্রুত উঠিয়া যায়।
নতুবা মেধাবী কিন্তু উচ্চবিত্ত নহে--এমন ছাত্রছাত্রীগণের কান্নার শেষ থাকিবে না।
এইসব মেধাবী মধ্যবিত্ত/নিম্নবিত্ত ছাত্রছাত্রীগণই দেশকে এখনও টিকাইয়া রাখিয়াছে। শুধু আজ হইতে নহে। সেই ব্রিটিশ আমল হইতে।
সকলে ছহি-ছালামতে থাকিবেন।
১৮টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×