আমি তাই লিখতে বসেছি। বসেছি মানে বসতেও হয়েছে। প্রবাল গ্রুপের সাপ্তাহিক পর্যালোচনা আজ আমাকে করতে হবে।
একটা গ্রুপ প্রান পায় তার সদস্যদের অংশগ্রহনে। প্রবাল গ্রুপ এক্ষেত্রে কিছুটা হলেও সফলতার দাবীদার সাপ্তাহিক পর্যালোচনা পোস্ট নিয়ে। সত্যিকার অর্থে যারা লেখালেখি করতে চান তাদের জন্য উৎসাহ দেয়া, ভাল বলার পাশাপাশি পারলে কিছু ভুল ধরিয়ে দেয়া, কিছু পরামর্শ দেয়াও জরুরী।
প্রবাল গ্রুপের সদস্য সংখ্যা এখন ১৫। তবে সবার অংশগ্রহন চোখে পড়ছে না এখনও। কয়েকজন আছেন যারা সদস্য হয়েই আছেন কেবল। হয়তো ব্যস্ত আছেন, হয়তো লেখার ভাব আসেনি, হয়তো প্রবাল গ্রুপ উপযোগী কোন কিছু লিখতে পারেননি এখনও। এবং হয়তো শিঘ্রই দেখা যাবে তাদের। আবার কয়েকজন আছেন বেশ ভালই সক্রিয়। নিয়মিত লিখছেন। তাদের কথাই না হয় বলি।
বিসিএস কোটা সংক্রান্ত বিষয়ে আবাবিল পোস্ট দিয়েছেন। অনেকগুলো বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।বিকল্প বলার দরুন ধরে নিতে হবে তিনি কোটা প্রথার সম্পূর্ন বিপক্ষে। বিকল্প প্রস্তাবগুলো জরুরী নিসন্দেহে। পোস্টের উপস্থাপনা সুন্দর হয়েছে তবে পুরো লেখাটা একটু কাট ছাট ধরনের মনে হয়েছে। কোটার পক্ষে বিপক্ষে দুটো বক্তব্যই আসতে পারতো।
অর্থহীন গল্পের নামে আসলে অর্থপূর্ন গল্প পোস্ট করেছেন উম্মু আব্দুল্লাহ। বাচনভঙ্গি সুন্দর, উপস্থাপনা নাটকীয়। চা পড়ে যাবার পরে ঠান্ডা মাথায় চৌধুরী সাহেবের পতিক্রিয়ার যে চিত্র অংকন করেছেন তা এক কথায় আমার কাছে অসাধারন মনে হয়েছে।সাবলিলতার মাঝে কেবল সমাপ্তিতে একটু তাড়াহুরার সন্ধান পাওয়া যায়। সার্বিক বিবেচনায় সেটাকে অগ্রাহ্য করার যথেস্ট সুযোগ আছে বলেই আমার বিশ্বাস।
বাতিঘরের ছবিটা ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়। শিশুরা এমনিতেই সুন্দর। নিস্পাপ, নির্ভার শৈশবের কোন তুলনা হয়না।
আমি একটি চিঠি পেয়েছিলাম। আমার চিঠি। গ্লোবালাইজেশনের যুগে চিঠি এখন ব্যাকডেটেড ব্যাপার তবুও আন্তরিকতার মাত্রাকে তুলে ধরার জন্য এখনও পর্যন্ত চিঠির একটা কদর আছে। সত্যের সাথে তাই সামান্য কল্পনার আশ্রয় নিতে হয়েছে এটা অস্বীকার করব না। তবে ঘটনা খুবই স্বাভাবিক। মামা ভাগ্নের গলাগলি এখনও টিকে আছে এখনও। এর মধ্য দিয়েই টের পাওয়া যায় মাতৃভাষার মুল্য।
শামসুজ্জামান শাহীন নিশ্চয় তার পরবর্তী লেখার তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন নিয়ে ব্যস্ত আছেন। হয়তো এ সপ্তাহেই পাওয়া যাবে নতুন পোস্ট। আমরা ধৈর্য ধরতে রাজি আছি। সবুরে মেওয়া ফলে জানা আছে না!
চতুরভুজ ব্যস্ত তার শিল্প নিয়ে। হাতের কাছে যদি ইন্টারনেট থাকে তাহলে বোধ হয় সপ্তাহে একদিন ঢু দেয়া যায় অবশ্য শিল্পিদের জন্য কনসেনট্রেশন একটা বিশাল ব্যাপার। এটা আমি অন্তত মাঝে মাঝে ফিল করি।সুতরাং নো ডিস্টার্ব।
দ্বীপবালকও কি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ! ফ্রন্ট পেজেও দেখছি না কিছুদিন।
তউন্মাদ,জাগারণ,ইছামতীর পাড়ে, পিক্সেল,
এখন পর্যন্ত কোন পোস্ট করেননি।পোস্ট না করতে পারলেও মাঝে মাঝে কমেন্ট করে জেগে থাকার ঘোষনা দেয়া যায়।
মাহমুদ রহমানকে ফ্রন্ট পেজে পাওয়া যায় কিন্তু গ্রুপে কোন পদচারনা নেই।
বিহংগ, সন্ধ্যাবাতি পুরাতন ব্লগার। গ্রসদস্য হয়েছেন এটাই হয়তো তাদের অনেক দেয়া।
সবাই ভাল থাকুন। এক সপ্তাহে পৃথিবীর বয়স আরো বেড়ে যাবে, , পদ্মার পানি আরো খানিকটা বয়ে যাবে, নতুন অনেক মুখের আবির্ভাব ঘটবে, কিছু সংবাদ আমাদের দুখ কি আনন্দ দেবে, ধানের দাম বেড়ে যাবে, রক্ত ঝরবে পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে আমাদের নিত্যদিনেও ঘটে যাবে অনেক কিছু। তার মধ্যেও সবাই ভাল থাকুন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



