আমার প্রিয় পোস্ট

চোখ মেলে দেখি জানালায় ভোরের পাখি

একদিন এক বাদলা দিনে।

০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৭

                       

---------- :)

মুক্ত মালার ছাতি মাথায় বর্ষা এলা রে
সারা গায়ে গোলাপ পানি ছিটিয়ে দিলো রে.....

ফাকে ফাকে আকাশের ঘেমে ওঠা দেখলেই বর্ষার সম্ভাবনায় একটা মানসিক প্রস্তুতি চলে আসে। রংয়ের পসরা সাজিয়ে ময়ুর মেখম মেলে দেয় উম্মুক্ত নীলের পানে। চাতক তার লম্বা ঠোটে বৃস্টিকে স্বাগত জানাবার ইচ্ছায় অধীর আগ্রহে সময়ের পালা গোনে।

এখানে এখন ময়ুরও রনই চাতকও নেই। এই জনারন্যে ওদের পাবো কোথায়। হয়তো এজন্যই ময়ুরের বদলে আকাশটা নিজেই কেমন পেখম মেলে আছে। বৃস্টি হবে নাকি!! হলে হোক, না হলে না হোক। বিশেষ কিছু যায় আসে না।

বৃস্টি আমার অত বেশী প্রিয় নয়। রাস্তায় হাটতে চলতে যদি গায়ে কাঁদা লাগে তাতে দারুন বিরক্তি ধরে। ছোটবেলায় অবশ্য বৃস্টিতে ভিজতে মজা লাগত।কিন্তু ভয়ে নামা যেতনা। অপেক্ষায় থাকতাম কখন বন্যা হবে, ঘরে পানি উঠবে, পানির মধ্যে পা ভিজিয়ে হাটবো। কাগজ দিয়ে নৌকা বানিয়ে পাল উড়াবো। বন্যা আসে বন্যা যায় বন্যায় দেশ ডুবে মরে কিন্তু আমার ঘরে পানি আর ওঠেনা, পুরন হয়না পা ভিজানোর শখ।
----------- :)
এখনও আষাঢ় আসেনি। এত আগে ভাগেই আষাঢ়ে গল্প শুরু করা উচিত হবে কিনা তাই নিয়ে প্রকৃতিতে দ্বিধাদ্বন্দ কাজ করছে। একবার মেঘকালো হয় আবার ফিকে হয়ে সূর্যের দেখা মেলে। একসময় সত্যিই বৃস্টি নামে। নামলেই ভালো। কাজ বন্ধ করে বসে থাকা যায়। কাঠালের ঘ্রান আসছে। সাথে আরো কিছু দরকার। তাহলে জমবে ভালো। আয়োজন হোক তারপর একসাথে বসা যাবে। আচ্ছা এই ফাকে কি একটু পিছনের দিনগুলোতে ঘুরে আসার অনুমতি দেয়া যায়!

------------ :)
আকাশে গুড় গুড় করছে। যাবো কি যাবো না, বের হবো কি হবো না করতে করতে গাড়িতে চেপে বসি। আস্তে আস্তে আকাশ পরিস্কার হয়ে যায়। সামনের সিটে একজনের এলোকেশ বাতাসে ওড়াওড়ি করছে। ভালই লাগছে । একসময় পথ শেষ হয়ে যায় তবে ভাললাগা শেষ হয় না। অগত্যা একতরফা ভাললাগাকে বিদায় জানিয়ে সুপারভাইজারের কথা মত বাম পা দিয়ে মাটি স্পর্শ করি।

বাস থেকে নেমে রিকশায় উঠি। আঁকা বাঁকা মেঠো পথের সোদা গন্ধ গায়ে মেখে, নির্জন বাঁশের সাঁকো পার হয়ে একসময় আমি সত্যিই পৌছে গেলাম সেই ছায়াকুটিরে, যেখানে আমার শেকড় গ্রন্থিত আছে পরম মমতায়। এক বৃদ্ধার প্রতীক্ষীত চাহনী আর চোখের পানিতে সে শেকর দিনে দিনে শক্তিমান হয়ে ওঠে।

----------- :)
শেষ বিকেলের আলোয় বাশঝাঁড়ের তলায় দাড়িয়ে বুক ভরা নিশ্বাসে তুলে নেই ডাহুকীর একটানা বিরহের সুর, নতুন পানির খুশীতে কোলাব্যাঙের ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ, সবুজ পাতার শিরশির ঝিরঝির আর বিচিত্র ধরনের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। বাশবাগানের মাথার উপর এখনও চাঁদ ওঠেনি।

ঝুপ করা সন্ধ্যা নেমে আসে পশ্চিম লালিমায় আধার মেখে, সাথী হয়ে আসে বৃস্টি। টিনের চালে টুপ টাপ ছন্দের তালে মনের গহীনে নাচতে থাকে সেই বুস্টি দিনের ছড়া

বৃস্টি এলো কাশবনে
জাগলো সাড়া ঘাসবনে
বকের সারি কোথায় রে
লুকিয়ে গেলো বাশবনে

নদীতে নাই খেয়া যে
ডাকলো দুরে দেয়া যে......

সেযুগে মনে হয় ফেরী ছিলনা সবাই খেয়াতে পার হতো। এখনকার যুগে হলে ছড়াটা এ রকম হতে পারতো।

নদীতে নাই ফেরী যে
আজকে হলো দেরী যে...

----------- :)
সেই ক্লাশ থ্রি'র যুগে হয়তো মায়ের চোখ এড়াতে পারলেই বৃস্টিতে নেমে যেতাম। বাধভাঙা উল্লাস অতঃপর অবধারিত পিটুনী। সুযোগ থাকলেও এখন আর বৃস্টিতে ভিজতে যাইনা। নিজেরা স্ব-অধীনতায় বেধে নিয়েছি যান্ত্রিক নগর জীবন। আর বৃদ্ধাদেরকে পাহারা দেই। একদিন আমরা যেমন তাদের অবাধ্য ছিলাম আজ তারা অবাধ্য আমাদের। নিজেকে শেষ করে দিয়ে হলেও আমাদের সুখ সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রানান্ত প্রচেস্টা। তসবিহর দানা গুনতে গুনতে আমার দৃস্টিকে ফাঁকি দিয়ে টুপটাপ বৃস্টিতে কখন যেন নেমে পড়েন।

----------- :)
কাজ শেষ করে ভেজা রান্নাঘর থেকে উঠে আসেন বৃদ্ধা, যথারীতি ঠোটে ঝুলে থাকে অকৃত্রিম হাসির পরশ। টুকটাক এদিক ওদিক করে একসময় খাটের নিচ থেকে কি একটা বের করে বসে পড়েন। আমি কৌতুহলে তাকিয়ে দেখি আর কিছু নয় একটা আস্ত কাঠাল। আহ, কাঠাল। আম জাম লিচু কাঠালের এই মধু মাসে কাঠাল সে বড় লোভনীয়, উপাদেয় এক।

হাতে সরিষার তেল মেখে দাদী কাঠাল ভাঙতে থাকেন। খইয়ের সাথে মিস্টি কাঠালের গোল্লা মুখে পুড়ে আমি ভাঙতে থাকি বর্ষনমুখর সাঁঝের নিরবতা।

------------ :)
দেখতে দেখতে সময় বয়ে যায়। শেষ হয়ে যায় আমার আষাঢ়ে গল্প। স্মৃতি যতই তাড়িয়ে বেড়াক কাজের তাকিদে সবাই উঠে পড়ে। আমাকেও উঠতে হয়।
কোথায় যাবো, বাইরে যে সত্যিই বৃস্টি পড়ছে। আষাঢ় কি তাহলে এসে গেল!!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাদল দিনে ;

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ২৬৯বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: বৃষ্টি আমার কাছে প্রিয়।
লেখাটা ভালো লাগছে।
০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: বৃস্টিভেজা ধন্যবাদ

২. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
comment by: মাহফুজুল হক হান্নান বলেছেন: ময়ূর দেখতে হলে বৃষ্টি হলেই চলে যাবেন চিড়িয়াখানায়। কয়েকটি আগে একটি পত্রিকায় বৃষ্টির ময়ুরের ছবি দেখলাম বিশাল।
লেখাটি পড়ে ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেল। সুন্দর লেখাটির জন্য ধন্যবাদ
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: বৃস্টি হলে তো চিড়িয়াখানায় যাওয়া যাবে না। গায়ে পায়ে কাদা লাগবে যে।

ভরসা এখন পত্রিকা।

বাংলাদেশের ময়ুররা এখন অলস হয়ে গেছে। যখন তখন পাখা মেলার কস্ট করতে চায়না।

৩. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: সুন্দর হয়েছে।
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা থাকল।

৪. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:২৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রতিদিন চোখ মেলে চারপাশে যা দেখি,সেগুলো যে এভাবে লেখা যায়,আপনার লেখাগুলো না পড়লে বুঝতাম না। অনেকদিন পরে একটা লেখা শোকেসে তুললাম।
০৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:০৪

লেখক বলেছেন: বলেন কি ! আপনার শোকেসে ঢুকে পড়লাম!

দিনে দিনে ভিআইপি হয়ে যাচ্ছি নাকি। হা হা হা।



কৃতজ্ঞতা ফারহান, এভাবে উৎসাহ দেয়ার জন্য।

৫. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: আগেই পড়েছিলাম, সময়ের যন্ত্রণায় ভালোলাগাটুকুও জানিয়ে যেতে পারি নি।


আমি কিন্তু সেই দাদীবুড়ির মত সুযোগ পেলেই বৃষ্টিতে নেমে পড়ি।:)






বৃষ্টি নিয়ে লেখা.........................
১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ছুটির ফাকে ফাকে উকি দেয়ার চেস্টা !! খুব খারাপ কথা।

৬. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: আপনি কি খুলনার?
১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: জন্মস্থান.....বাসস্থান.....শিক্ষাস্থান

কোনটা খুজছেন !!

৭. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৯
comment by: শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: আপনার লেখা পড়লেই ক্লাসিক্যাল সাহিত্যের স্বাদ পাই।
থামবেন না যেন!
১৫ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: অনুপ্রাণিত হলাম আপনার কথায়।

৮. ১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
মানে বলতে চাইছিলাম কোন দিক দিয়ে খুলনার সাথে রিলেটেড কিনা। পৈত্রিক নিবাসও হতে পারে, হতে পারে বর্তমান আবাস কিংবা শিক্ষাস্থল......কিংবা শ্বশুর নিবাস:)
১৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: এহ হে! প্রশ্ন আপডেট হচ্ছে দেখছি।


মতিগতি সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। আদ্যোপান্ত তদন্ত শেষ না করে উত্তর দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

কাগজখানা তুলে নেই আগে। তারপর গুডবাই।

৯. ১৮ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
আমার মত নিরীহ মানুষের মতিগতি সন্দেহজনক লাগল আপনার?...........এই দুঃখ আমি কোথায় রাখব?:(


উত্তর শুনে মনে হচ্ছে খুলনা ইউনির।


শোনেন ভাই, আমার বাড়ি খুলনা। আপনার ব্লগে গল্লামারীর পথ পেরোতেই নামে একটা লেখা দেখেছিলাম, তাই মনে হয়েছিল আপনি খুলনার। এজন্যই জিজ্ঞেস করেছিলাম।
এতে বিরক্ত হলে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: হুম..... আপনার মনোকস্টে আমিও ভারাক্রান্ত হয়ে গেলাম।

বাদলধারা, এত তাড়াতাড়িই যদি ক্ষমা প্রার্থনার দিকে চলে যাক তাহলে ব্লগিংয়ে আমাদের সকল সরল আনন্দ, উচ্চাকংখা, আগ্রহে ভাটা পড়বে যে! আপনার বিনয় প্রশংসাতীত তাই বলে নিজেকে কেন এত তুচ্ছ ভাবছেন ।

আপনি বেশ মজার একটি কমেন্ট করেছিলেন। সে কমেন্টের জবাব কিভাবে দেয়া যায় তাই নিয়ে ভাবছিলাম। এবং একসময় জবাব দিলাম বটে তবে শব্দের দুর্বলতায় তা হয়ে পড়ল কৌতুকহীন কাঠখোট্টা ধরনের।... স্যাড, ভেরী স্যাড।

কি আর করা, তুনির থেকে যে তীর বেরিয়ে গেছে তাকে তো আর ফিরিয়ে নেয়া যাবে না। বড়জোর একটা জীবানুনামকের ব্যবস্থা হয় কিনা সে চেস্টা করা যেতে পারে।

আপনার মত একজন সমঝদার, নিয়মিত, ভাবুক পাঠক ( এবং প্রতিশ্রুতিশীল লেখক) পেয়ে আমি যারপরনাই উৎসাহিত এবং অনুরণিত। এখানে বিরক্তির লেশমাত্র নেই। সুন্দরবনের যে নিবিড় উপত্যাকায় কটা দিন কাটিয়ে দিলাম, যার পাখির কুজন আর মায়াবী কোলাহল থেকে জীবনের শব্দমালাকে তুলে আনলাম পাদপ্রদীপের আলোয় সে খুলনাকে ছেড়ে আসতে আমি সত্যিই দুখবোধ করবো। এর মাঝেও আনন্দ হবে তখনই যখন ওখানকার কেউ নিয়মিত আল্পনা এক যাবে আমার ব্লগের পাতায়।

বুঝতে পারছি একজন পাঠকের জন্য মন্তব্যে করতে গিয়ে আরো সতর্ক, মনোযোগী, আন্তরিক হওয়ার দরকার আছে। এই ঐচিত্যবোধকে আরেকবার আমার সচেতন ভাবনায় প্রোথিত করে নিলাম।

আসলে পরিবর্তনশীল সময়ের বৃত্তে বন্দী আমরা। কখন যে কি ভাবনায় থাকি ধরতে পারিনা সবসময়। এই যে এখন আকাশ ঝাপিয়ে বৃস্টি হচ্ছে অথচ কদিন আগেও, হ্যা কদিন আগেও ঝঝালো রোদের ফালি ঝিলিক দিতো বারান্দার খানিক সামনে দাড়িয়ে থাকা নিম গাছটার কচি সবুজ পাতায়। মুহুর্তেই কত পরিবর্তন। এভাবেই মুহুর্তের সাথে সাথে ভাব পাল্টায়, ভাষা পাল্টায়, সুর পাল্টায়। কখনো সুখের আমেজ কখনো দুখের কালো ছায়া, কখনো চিন্তাক্লিস্ট ব্যস্ততা, কখনো নির্জলা বিষন্নতায় কি বোর্ডের আউটপুটও পায় ভিন্ন ভিন্ন আমেজ। একটা বলতে গিয়ে হয়ে যায় অন্যটা। বলতে যাই পৃথিবী গোল হয়ে যায় ’সব রাম ছাগল’ । হা..হা..হা..

যেচে গল্প করলাম কিছুক্ষন। নিশ্চয়ই খুশী মনে একটি কার্যকর ছুটি কাটানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন। আপনার দিনগুলো ভাল কাটুক, কাংখিত সাফল্য ধরা দিক, সময়মতো আবার হ্যাপি ব্লগিংয়ে চলে আসুন। আপনার জন্য শুভ কামনা।


১০. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫০
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
হায় আল্লাহ!! এত্ত বড় কমেন্ট!
আমার দুঃখে ভারাক্রান্ত হলে তো ভালোই, আমার দুঃখ আর আমার একার বহন করা লাগবে না:)।....আরে ভাই, এত ভারাক্রান্ত হবার কী আছে? আমিই আপনার কথা বুঝতে পারি নি।

শোনেন, আমাকে যদি প্রতিশ্রুতিশীল লেখক বলেন, তাহলে কিন্তু তারা সুইসাইড করবে।:) এত লেখকের মৃত্যুর দায় আমি নিতে পারব না।:)

আমার বাড়ি খুলনায় হলেও ইউনিতে যাওয়া হয়নি। আশা করা যায় আগামী বছরের শেষ দিক যাবো, তখন কিন্তু দাওয়াত করতে ভুলেন না, নইলে আবার গাল ফুলিয়ে বসে থাকব।:)
০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

১১. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: প্রচুর ভাল লাগল! প্রিয় পোস্টে রাখ্লাম!:)+++
০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে দেখে প্রচুর আনন্দ পেলাম।

১২. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৫
comment by: তানজু রাহমান বলেছেন: ভাল লাগসে :)
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিচ্চি।

১৩. ০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভরা আষাঢ় এখন পূর্ণ যৌবনা ,

ঢাকায় আজ সকাল থেকেই ঝুম বৃষ্টি , আর সাথে সাথে কপালে চিন্তার ভাঁজ , রাস্তাঘাটে পানি জমে গেছে , অপেক্ষা কখন একটু কমবে আর অফিসে যেতে পারবো । শেষপর্যন্ত বৃষ্টির মাঝেই নেমে পড়তে হয় , ড্রেনের পানিতে আর বৃষ্টির পানিতে রাস্তাঘাট সয়লাব ।প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে টলটলে , স্বচ্ছ(!!!) সে পানি ভেঙ্গে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা । ঠিক গতকালের পুনরাবৃত্তি । বৃষ্টি খুব কষ্ট দিচ্ছে , কিন্তু তার জন্য সুন্দর এ লেখাটির শিল্পমূল্য বিসর্জন দিতে পারি না । তাই প্রিয় পোস্টে +
০১ লা জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: বৃস্টি আমাকেও মাঝে মাঝে কস্ট দেয়। পরক্ষনেই আবার ভুলে যাই সে কস্টের কথা যখন রিমঝিম বাদলধারার ছন্দময় গুঞ্জনে মেতে ওঠে অন্তস্থ পৃথিবী। এ মনের টানকে তো অস্বীকার করতে পারিনা। সকালের গুড়ি গুড়ি বৃস্টির মাঝে ছপাৎ ছপাৎ প্যান্টে কাঁদা মাখিয়ে চলে এলাম।

বৃস্টির কস্টকে মুছে দিলাম ব্লগারদের ভাল লাগা মন্তব্য দিয়ে।

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৪. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪২
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: ++++++
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++@ আকাশচুরি।

১৫. ১৫ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: পড়তে ভালো লাগল।কিন্তু বৃষ্টি অত ভালো না।প্যাক রাস্তা ছাতা নিয়া ঘুরা আর আমার মত ছাতা ছাড়আ ঘুরলে যখন তখন ভিজার সম্ভাবনা।
তারপরও আমার প্রিয় বর্ষা--ঘন গৌরবে নব যৌবনা বরষা.....
তাই প্রিয় পোস্টে রাখলাম-------
১৮ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সীমান্ত। বৃস্টি অত ভালনা _একদম ঠিক তবে লেখালেখির বিষয় হিসেবে বৃস্টির তুলনা হয়না।

১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: লেখাটা খুব চমৎকার।
০১ লা আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেকদিন পরে আপনাকে পাওয়া গেল। ভালো থাকবেন।

 



 


চোখ মেলেছি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১০১৯৮