আমার প্রিয় পোস্ট

টপরেটেড পোস্ট লেখার বুদ্ধি পাইছি-- গ্রামীণ আর সব মোবাইল কোম্পনীগো গালি দিমু

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৯

শেয়ারঃ
0 0 0

এখন একটা চমেতকার পোস্ট লেখতেছি। আমি সিওর, এইটা টপ রেটেড হইবো। কারণ এইহানে আমি গ্রামীণ ফোন রক্তচোষা, মোবাইল কোম্পানীগুলা সব টেকা বিদেশে লইয়া গিয়া আমাদের তলা ফুটা কইরা ফালাইতেছে--- ইত্যাদি নানান রকম কেচ্ছা কাহিনী লিখমু।
'দিনমজুর' নামক একজন লিখলেন-- 'একটি মোবাইল কল মানে....'। সেখানে তিনি একটা ছোট্ট পাটিগণিত দিল। ১,৩০০ কোটি টাকা মোবাইলগুলা মাসে আয় করে। আর ব্যয় করে সব মিলিয়ে ১০০ কোটি। সহজ হিসাবে ১,২০০ কোটি টাকা মাসে লাভ।
ব্যাস, এই কথা হুইন্যা হগল ব্লগারগো মাথা খারাপ হইয়া গেল। এত টেকা একলা খাইবো কিল্লাইগ্যা, সহ্য হইল না। হগলতে মিল্যা কমেন্ট কইরা মোবাইল কোম্পানীগুলার চৌদ্দগুস্টি উদ্ধার কইরা 'পাচাইতে' 'পাচাইতে' 'টপ-রেটেড-পোস্ট' বানাইয়া ছাড়ল।
এরই মধ্যে 'হাসিব' নামক আরেকজন আইলেন। তিনি লেখলেন-- গ্রামীণের বিজনেস প্লানে "না" বলি....
একই রকম ঘটনা ঘটলো। এক্কেবারে 'টপ রেটের সেরা' হইয়া গেল।
এখন আমিও আরেকখান এইরকম পুস্ট দিমু ভাবতাছি। কিভাবে লেখমু ভাবতাছি। মাথাডা গরম আছে। বাসার টিএন্ডটি ফোনডার আউটগোয়িং বন্ধ রাখছি ৩ মাস ধইরা। তারপরেও ১৭৩ টাকা বিল আইতাছে। অথচ বাসার মোবাইলে ১০০ টেকার মইধ্যে কাম সারা। দুই ঘন্টার মত আউটগোয়িং কলও করতে পারতেছি। টিএন্ডটি ফোনডা আনতে ২৩,০০০ টেকা খরচ হইছিল। খালি খালি মাসে মাসে টেকা দিতাছি। এখন আমি কী করমু? ফোনডা কেউ কিনবার চায় না। ৫,০০০ টেকায় একজনেরে হাদছি। কয় যে- পরে জানাইবো... এখন আমি কী করি। বেচা না হইলে যে মাস শেষ না হইতেই আবারও ১৭৩ টাকা...
এই সমস্যার সমাধান হউক, মাথাডা এখন গরম, তারপর মোবাইল কোম্পনীগুলার চৌদ্দগুস্টি নিয়া একটা টপ রেটেড পুসট দিমু।
দয়া কইরা অপেক্ষায় থাইকেন...

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪০
দিনমজুর বলেছেন: দুঃখিত,

আসলে টপ রেটেড হওয়ার জন্য আমি লালয়িত নই, রেটিং নিয়েও আমি চিন্তিত নই। তবে এটা ঠিক দেশের ও বিশ্বের অনেককিছু নিয়ে আমি চিন্তিত এবং চাই এসব নিয়ে অন্যরাও ভাবিত হোক। সে উদ্দেশ্যে পোস্ট দেয়া এবং সে জায়গা থেকে চাই আমার লেখাগুলো অনেকেই পড়ুন।

আমার যুক্তিতে ভুল থাকলে ধরিয়ে দিবেন, ভুল বুঝতে পারলে তা স্বীকার করার মত মানসিকতা ধারণ করি। তবে, আবারো বলছি- রেটিং নিয়ে আমি চিন্তিত নই, এ ধরণের আলোচনা উপস্থাপনের তাই প্রতিবাদ জানাই।

আপনি কিন্তু, আমার ঐ পোস্টে আর কোন মন্তব্য করেননি, হয়তো আমার উত্তর দেখার ইচ্ছা জাগে নি! আমার ঐ কমেন্ট এখানেও দিচ্ছি।
২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩
কেএসআমীন বলেছেন: আরও একটা পুস্ট দেখলাম। হমপ্রগ (ইমরোজ) এর লেখা। শিরোনাম - চোরের তান্ডব নৃত্য। এখানে বলা হয়েছে যে, গ্রামীণ ফোন নাকি জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর হওয়ায় তাদেরকে কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। বছরের ১ কোটি টাকা স্পন্সর করলে ৬ কোটি টাকা ট্যাক্স না দিয়া হাতাইয়া লয়.....
ভাইরে, আমিও একটা ছোডখাড পেরাইভেট কোম্পানীতে কাম করি। মালিকরে কমু আমাগো জাতীয় দলের স্পনসর হইতে...
ব্লগারগো মাথায় এত বুদ্ধি.... তো... আগে কেন ব্লগে আইলাম না। হায় আফসোস...
৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৫
দিনমজুর বলেছেন: দিনমজুর বলেছেন :
২০০৭-১১-২৪ ১০:৫৯:১২
@েকএসআমীন
আমি শুধু মোবাইল কোম্পানী(অপারেটর) গুলোর লাভের কথা বলিনি।
আমি শুধু বলতে চেয়েছি, কত টাকা এ দেশ থেকে চলে যাচ্ছে।
অপারেটর কোম্পানী গুলো এখানে ব্যবসা করছে, তাদের সরাসরি ইনকাম সোর্স এদেশের মানুষ। তারা হিউজ বিনিয়োগ করেছে, কিন্তু সেটা খরচ হচ্ছে কোথায়? ঐ টাকার কতটুকু এদেশে থাকছে।
ভেন্ডর কোম্পানী গুলো তাদের ইকুয়েপমেন্ট বিক্রি করছে। এর দাম কত?
গ্রামীন ব্যবহার করে এরিকসন, বাংলালিংক সিমেন্স, এরিকসন ও হুওয়ায়েই ইকুয়েপমেন্ট। নেটওয়ার্ক তৈরিতে যে ইকুয়েপমেন্ট লাগে সেগুলো হচ্ছে বিটিএস, বিএসসি, এমএসসি, এইচএলআর, আইএন প্রভৃতি। প্রতিটির দাম আকাশচুম্বি। একটু উদাহরণ দেই।
সিমেন্স এর একটা বিটিএস এর দাম ৫০ লক্ষ টাকা, এরকম বিটিএস বাংলালিংক কিনছে মাত্র দুটো বিভাগের(ঢাকা ও খুলনা) জন্য মোট প্রায় ১৭০০ টা। মাত্র দু বছরে সারা দেশে তাহলে তাদের কটা বিটিএস আছে, চিন্তা করুন?
আর গ্রামীন ফোন, তাহলে সারা দেশে তার নেটওয়ার্ক বিস্তার করতে কতটা বিটিএস বসিয়েছে? এর বাইরে অন্য ইকুয়েপমেন্ট তো আছেই। ট্রান্সমিশনও প্রতি বিটিএস সাইটে, বিএসসি সাইটে করতে হয়? বিটিএস এর চেয়ে বিএসসির দাম বেশি, তার চেয়ে এমএসসির। এর বাইরে আছে সফটোয়ারের দাম। একটা উদাহরণ দেই, আইএন এর একটা সফটোয়ার আপগ্রেডেশনের জন্য ভেন্ডর কোম্পানি একটি আইএন এর চেয়ে বেশি দাম(কয়েক লাখ ইউরো) নেয়। টোটাল বিনিয়োগ টা অনুমান করতে পারছেন?
এখন কথা হচ্ছে, এই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ওরা এখানে খাটিয়েছে কেন? কারণ, তারা খটিয়েছে এটা জেনে যে, সে মুনাফা করতে পারবে,- নিশ্চয় আমার আপনার দূরদূরান্তে বসে আরামছে মোবাইলে কথা বলতে পারবো, সেজন্য না।
এবং এটুকু বুঝুন এই কলের মাধ্যমেই, গ্রামীন ফোন ইতিমধ্যেই তার প্রায় পুরা বিনিয়োগ তুলে নেওয়ার কাছাকাছি এসেছে। তারমানে, এই ক'বছরে আমাদের দেশের মানুষের পকেট থেকে কত বিলিয়ন টাকা তারা হাতিয়ে নিয়েছে হিসাব করুন!!
(হিসাবটা আমি দিব সামনের কোন এক পোস্টে, ডাটা কালেক্ট করতে সময় লাগছে- অনেক কিছু এসব কোম্পানির বিজনেস সিক্রেট কি-না!!!!)

আর, বাংলালিংক যদি লসেও থাকে, তাতে আমাদের কি কোন লাভ হয়েছে? তারাও কিন্তু এই মানুষের পকেট থেকেই তো টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে!
কেনাবেচার যে কথা হচ্ছে, সেটা বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির একটা অতি সাধারণ ও স্বাভাবিক ঘটনা। এবং বুঝুন, বাংলালিংক কম্পিটিশনে টিকতে না পারলে হয়তো বিক্রি করে দিবে, এবং এর মাধ্যমে তার বিনিয়োগকৃত টাকা তুলেই নিয়ে যাবে, সে টাকা তো আর এদেশে থাকছে না!!! আর গ্রামীন যেহেতু লিডিং, তারা মনোপলির দিকে যাবে। এগুলো সবই ব্যবসা। আর আমরা হচ্ছি সেই ব্যবসার মূল সোর্স মানে মূল অর্থ যোগান দাতা।

আর, টেলিটক নিয়ে যে প্রশ্ন করছেন, সেটাতো আমাদেরও প্রশ্ন, যেখানে এই মোবাইল কোম্পানী গুলো এত কমে কলরেট অফার করছে, সেখানে তারা এত অবকাঠামোগত সুবিধা নিয়েও কেন এর কম কলরেট রাখতে পারে না?

েকএসআমীন বলেছেন :
২০০৭-১১-২৫ ১৭:৪৩:৩৭
@দিনজমুর, আপনার দীর্ঘ মন্তব্য পড়লাম। ভাল লাগলো। কারণ আপনি যা যা উল্লেখ করেছেন সবই সত্য। তারা একটি বিটিএস বসাতে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করছে। এরকম নাকি ১৭০০ টা আছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করছে। এত টাকা ইনভেস্ট করবে কেন? অবশ্যই লাভের আশায়... সবই সত্য কথা। লাভ (বা লাভের আশা) না থাকলে তো তারা এই বিপুল বিনিয়োগে আসতো না। বাংলালিংকও এসেছে লাভের আশায়। কিন্তু তারা লাভের "ল"ও দেখছে না। ব্যবসায় লাভ-লোকসান আছেই। বাংলাদেশে গ্রামীণ ফোন লাভ করছে... টেলিনরের অন্যান্য অপারেশন অতটা লাভ করতে পারছে না।
এখন আপনার প্রশ্নটা কি সেটাই আমার বোধগম্য নয়। আপনি সম্ভবতঃ বলতে চাচ্ছেন যে, তারা লাভের টাকা সব তাদের দেশে দিয়ে যাচ্ছে...
আসলে তারা কি মাসে ১২০০ কোটি টাকা তাদের দেশে নিয়ে যাচ্ছে? বাংলালিংক, ওয়ারিদ, সিটিসেল যদি লোকসান দেয় তবে কীভাবে লাভের টাকা তাদের দেশে নিয়ে যাবে? বরং তাদের দেশ থেকে আরও পূঁজি আনতে হবে। তাই নয় কি? গ্রামীণ ফোন লাভ করছে.... কত লাভ করছে তা নিশ্চয়ই তাদের ব্যালান্স সীটে উল্লেখ করছে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিতেই তাদের দেশে নিয়ে যাচ্ছে... নাকি অবৈধভাবে নিয়ে যাচ্ছে? বিনিয়োগের কত পার্সেন্ট তারা তাদের দেশে নিয়ে যেতে পারছে?
একটা কথা পরিষ্কার করা উচিত যে, গ্রামীণ ফোন আসাতেই আমরা সস্তায় এখন কথা বলতে পারছি। হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছি। টেলিটক আর সিটিসেল থাকলে পারতাম না। এখন গ্রামীণের কলচার্জ অন্যদের চেয়ে একটু বেশী আছে... এটা কাছাকাছি থাকলেই হয়...


দিনমজুর বলেছেন :
২০০৭-১১-২৬ ০১:৫৭:০৮
@কেএসআমীন
আপনি একটু কষ্ট করে মূল পোস্টটি ও উপরের মন্তব্যটি আবার পড়েন। হয়তো পরিষ্কার হতেও পারে- আমি কি বলতে চেয়েছি তা। এখানে আরেকটু পরিস্কার করার চেস্টা করছিঃ
১। এখানে দু'ধরণের কোম্পানী আছে- অপারেটর(জিপি, বিলিংক, একটেল ইত্যাদি) ও ভেন্ডর(সিমেন্স, এরিকসন, হুওয়ায়েই ইত্যাদি)।
২। অপারেটর একটি দেশী ও বাকিগুলো প্রধানত বিদেশী।
৩। দেশী, বিদেশী সব অপারেটরই ইকুয়েপমেন্টের জন্য বিদেশী কোম্পানীর উপর নির্ভরশীল।
৪। এই ব্যবসার মূল লক্ষ ও উত্স অর্থের যোগানদাতা গ্রাহক(আমাদের দেশের জনগণ)।
৫। শুরুতে প্রতিটি অপারেটর হিউজ বিনিয়োগ করে, তার বিনিয়োগকৃত অর্থের রিটার্ণের সম্ভাবনা ও মুনাফার সম্ভাবনা ক্যালকুলেশন করেই, কারণ তারা এখানে ব্যাবসা করতে এসেছে- কোন দাতব্যালয় খুলতে নয়।
৬। সেই তুলনায় ভেন্ডরের বিনিয়োগ কম বা নেই বললেই চলে। (হুওয়ায়েই এর অবশ্য ইনিশিয়াল বিনিয়োগ বেশী)। ইকুয়েপমেন্ট বিক্রির টাকাটা তাদের পকেটে।
৭। অপারেটর তার বিনিয়োগের বড় অংশ বলতে গেলে সিংহভাগ খরচ করে ইকুয়েপমেন্ট কিনতে। সেটা চলে যায় বিদেশী ভেন্ডর কোম্পানীতে।
৮। লার্জ স্কেলের কোম্পানীতে লাভ-লোকসানের হিসাব একটু অন্যরকম। এমন অনেক ইনভেস্ট তারা করে, যার মুনাফা হয়তো তাদের হাতে আসবে ১০/ ১৫ বছর পরে বা তারও আরো পরে। তাদের ইনকাম ফোরকাস্টিং এর একটা বিষয় থাকে। জিপিও কিন্তু বিগত বছরগুলোতে বিনিয়োগের অনেক পিছনে পিছনে দৌঁড়িয়েছে। তারপর বর্তমানে এসে বিনিয়োগকৃত টাকা প্রায় তুলে ফেলার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এই বছরগুলোতে তাদের অবস্থানকে অর্থনীতির ভাষায় লস বলা হয় না। তেমনি, বিলিংকের বর্তমান কন্ডিশনকেও লস বলা যায় না।
৯। বিলিংকের সমস্যা হচ্ছে, বর্তমান কম্পিটিশনে তারা পুঁজির দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে।
১০। এই কোম্পানী গুলো যে টাকা ইনভেস্ট করছে, তা কিন্তু এ দেশে কোন উত্পাদন খাতে নয়, এটাকে বলে সেবা খাত।
১১। সেবা খাত দেশের উত্পাদনে ভূমিকা রাখে প্যাসিভলি।
১২। তাদের বিনিয়োগের এমাউন্টটা অনেক বিশাল, কিন্তু সেটা এদেশে কোন সরাসরি কাজে লাগছে না, কিছু কর্মসংস্থান ছাড়া। সিংহভাগই চলে যাচ্ছে, ভেন্ডর কোম্পানীর হাত ধরে বিদেশেই।
১৩। আমরা টেলি সেবা কিনছি চড়া মুল্যে। চড়া মূল্য নির্ধারিত হয়, ২৫ পয়সা/ মিনিট কথা বলা দিয়ে না, এদেশ থেকে কত অর্থ আমরা হারাচ্ছি- তা দিয়ে। লামছাম একটা হিসাব দিয়েছি। হিসাবটা এজাম্পসানের উপর বেস করে, কিন্তু প্রকৃত চিত্র - আমরা আরো বেশী অর্থ হারাচ্ছি। গ্রামীনের ইনভেস্টমেন্ট দেখুন আর হিসাব করুন বছর দিয়ে ভাগ করুন। তাহলে বুঝতে পারবেন, কত টাকা চলে যাচ্ছে।
১৪। একটা দেশের জিডিপি গণনা করা হয়, তার উত্পাদন ও তার ইনকাম দিয়ে, অবশ্যই তা থেকে খরচ বাদ দিয়ে। হিসাব করুন এই বিনিয়োগ আমাদের জিডিপিতে কি প্রভাব রাখছে? ঋণাত্মক প্রভাব।
১৫। এখানে এই সেবার প্যাসিভ ভূমিকাও গৌন। কেননা, সেবাখাতের প্যাসিভ ভূমিকা উল্লেখযোগ্য তখনই হয় যখন সেদেশ উত্পাদনের সাথে জড়িত থাকে ও ঐ সেবাটি উত্পাদনে ভূমিকা রাখে। আমাদের বাংলাদেশে শিল্প কই?
১৬। দেখা গেছে, টোটাল টক আওয়ারের ৮০%, আনঅফিসিয়াল/ ননবিজনেস কল। প্রকৃতপক্ষে এই হার আরো বেশী হবে, কেননা অফিসিয়াল/বিজনেস কলগুলোরও একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আনঅফিসিয়াল/ ননবিজনেস।
১৭। হুওয়ায়েই এর ইনিশিয়াল ইনভেস্টের কথা এ প্রসঙ্গে বলি। তাদের অফারটা হচ্ছে অনেকটা এরকম, আমাদের ইকুয়েপমেন্ট দিচ্ছি, সেট করেও দিচ্ছি, এখন কোন টাকা লাগবে না, ইকুয়েপমেন্ট লাগানো মানেই কল, আর কল মানেই টাকা, তারপর তোমরা সেই টাকা থেকে আমার ইকুয়েপমেন্টের টাকাসহ(দুবছর পর) সার্ভিস চার্জ দিয়ে দিও। (একটেলের সাথে এগ্রিমেন্ট) দ্রষ্টব্য। এরা এত নিশ্চিত যে, মাগনাতেও ইকুয়েপমেন্ট বেচতে দ্বিধা বোধ করে না। এই নিশ্চিন্ত হবার সোর্স কিন্তু ঐ একটাই - কল, মানে আমাদের কষ্টার্জিত টাকা।


৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ভাই পক্ষে বিপক্ষে সবপক্ষেই কথা বলা যায়
৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০১
বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: আমীন ভাই, সবাই যখন লেখছে আপনি বাদ থাকবেন কেন। তয় আয় ব্যয়ের হিসাব ঠিকমত দিয়েন। আবার কইয়েননা সবাই লচে আচে!!
আর কিচু গালি ইউজ কইরেন। গালি ছাড়া আজকাল জমেনা
৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৩
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ দিনমজুর, আপনার দীর্ঘ মন্তব্যে দ্বিমত পোষন করার বিষয় খুব একটা দেখছি না। আপনার প্রশ্নটা এখন কী? গ্রামীণ ব্যবসা করার জন্যই এদেশে এসেছে, এতে কোনই সন্দেহ নেই। তারা মোবাইল ব্যবসা বোঝে তাই ব্যবসা করছে। ওদের অন্যায়টা কী সেটা সংক্ষেপে দুই তিন লাইনে বললে উত্তর দেয়া সহজ।
আমার কথা হচ্ছে, আপনি যে সহজ পাটিগণিত দিয়েছেন সেটা হাস্যকর, আপত্তিকর, সরল ব্লগারদের কাছে বিভ্রান্তিকর। যেখানে আপনিই বলছেন একটি বিটিএস এর দাম ৫০ লাখ টাকা। বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ। আমি ভাবি এত খরচ করেও তারা ২৫ পয়সা মিনিটে কলচার্জ রাখে কীভাবে? এটা আরও বাড়ানো উচিত। কমপক্ষে ৫০ পয়সা....। সস্তায় মোবাইল ফোনের অপব্যবহার যেন না হয়। সরকার যেন আরও ট্যাক্স পায় এই খাত থেকে। এগুলোই হচ্ছে গঠনমূলক কথা...
আমার কথা হচ্ছে
৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১২
কেএসআমীন বলেছেন: দিনমজুর ভাইয়ের একটা পয়েন্ট পাইলাম। আমাদের কষ্টার্জিত টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। ঠিক বলেছেন। এখন এই দায়দায়িত্ব কি মোবাইল ফোন কোম্পনীগুলা নিব? এইটা আমাদের সরকারের নীতিমালার ব্যাপার। দেশের টাকা ক্যামনে দেশে রাখতে হয় সেইটা গ্রামীণ ফোন দেখাইয়া দিব না সরকাররে। পত্রিকায় দেখি আপনারা সবাই বলেন। মোবাইল ফোন আরও সহজলভ্য হোক, সেটের উপর ট্যাক্স কমাক, কলচার্জ কমাক, বাত্তসরিক একটা ১১০০ টাকার ট্যাক্স ছিল, সেইটাও এখন নাই কোন এক মামলাকারীর কারণে।
এখন বলেন, ফোন সস্তা হইলে আর কলচার্জ কম হইলে তো দিনমজুরদের হাতেও মোবাইল যাইব। আগামী ২/৩ বছরে ৫ কোটি মোবাইল ছাড়াইয়া যাইব। তখন কী কইবেন? সেইজন্যই সরকারের একটা নীতিমালা থাকা উচিত। আসুন সরকাররে কই... তোমরা এই কর... সেই কর... তা হইলে আমাগো ভালা হইবো। (যদিও সম্ভাবনা ক্ষীণ)। মোবাইলগুলার ব্যবসাই হইল লাইন বাড়ানো, সারাক্ষন বগর বগর...
৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০২
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন: দিন মজুর ভাই ,
আপনে যাই কন আমি কিন্তু খুব খুশি ।

আগে ডাহার বাইরে যাওয়ার চিন্তাই করতাম না ;

আর অহন স্বপ্ন দেহি,
জিপিআরএস সহ একটা ল্যাপটপ লইয়া জঙ্গলে যামুগা ।
৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০১
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ নিপু ভাই, দিনমজুরের মূল বক্তব্য বোঝার চেষ্টা করতেছি এখনও। ওনি বলছেন মোবাইল কোম্পানীগুলার খরচ/ইনভেস্টমেন্ট অনেক। এত খরচ হইলে কম খরচে সার্ভিস দেয় ক্যামনে?
১১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১২
কেএসআমীন বলেছেন: আরে গুরুজি, সর্দারজী, আফনের কাছে তো এইটা আশা করি নাইক্কা। আফনের টেক্সট কই.... ৫ এর জায়গায় ১ দেন, দুস্ক নাইক্কা.....
১২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৮
গুড ফর নাথিং বলেছেন: এই সমস্যার সমাধান হউক, মাথাডা এখন গরম, তারপর মোবাইল কোম্পনীগুলার চৌদ্দগুস্টি নিয়া একটা টপ রেটেড পুসট দিমু।
দয়া কইরা অপেক্ষায় থাইকেন...

অপেক্ষায় থাকলাম।
১৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কিন্তু কেউ একটা কথা বললো না।এইজন্য মনে হয় দেশের সব বুদ্ধিজীবিগুলো কুকুরের মতো। কারন এরা আসলে কথা বলে, বলে দুই নম্বর কথা। দিনমজুরের কথা ঠিক থাকলেও এটা আপেক্ষিক ভাবে সত্য হলেও এটা আসলে কতটা ঠুনকো সেটা একটা উদাহরন দিয়ে বুঝাই।

আমাদের দেশের প্রধান রপ্তানী পন্য হচ্ছে গার্মেন্টস। বাইরে থেকে হিউজ টাকা আসছে এখান থেকে। আসার পর এ টাকার কিছু অংশ যায় শ্রমিক দের লকেটে আর বেশীর ভাগ চলে যায় কাচামালের পিছনে। আর এই কাচামাল বলতে সুতা, ডাইং ক্যামিকেলস, রং ইত্যাদি।যারা এর পিছনে জড়িত তারা নিতান্তই জানেন এসব কাচামাল গুলো আসে ইন্ডিয়া অথবা চীন। কিন্তু বাংলাদেশে এসব কাচামাল বানানের সুযোগ থাকলেও কিন্তু এদেশে কেউ এটা এত কম দামে বানায় না।তাহলে রপ্তানী থেকে আনা টাকাগুলোও বাইরে চলে যাচ্ছে। মানে আমরা যতো ব্যাবসা করবো চীন আর ইন্ডিয়ার ততো লাভ। থাইল্যান্ডও আছে এই লাইনে। সেক্ষেত্রে টেলিকমও। বিটিটিবি এর আরএসইউ, এমএসইউ তে এমন এমন কেবিনেটও আছে যেগুলো দেখা এ্যাকটেলের মতো কোম্পানী রিজেক্ট করে দিয়ে হোয়াওয়েকে ফিরিয়ে দেয় আর টেলিটক টিএন্ডটির লোক টাকা খেয়ে বা বাইরে ট্রেনিং এর নামে ট্যুর নিয়ে এসব নেয়ার ব্যাবস্হা করে। এককালে হোয়াওয়ের কাছের থেকে মাল নেয়ার মানেই একটা ট্যুর হচ্ছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ বললো না দেশে একটা সিলিকন ইন্ডাস্ট্রি গড়ার। কারন বলবে কেন যেখানে বিটিআরসির আমলারা টাকা না খেতে না পারছে সেখানে তারা একাজ করতে দেবে কেন। এককালে গ্রামীনে ফোন করলে ৭ টাকা আর টিএন্ডটি রিসিভ করলে ৫ টাকা লাগতো। সবাই গ্রামীনকে বকতো।পরে এক সময় জানা গেলো বিটআরসি নাকি ইন্টারকানেক্টিভিট চার্জও রাখে আর টিএন্ডটিও নাকি সেরকম কিছু রাখে।যখন ব্যাপারটা ওপেন সিক্রেট হলো তখনই তারা এটা কমাতে চেস্টা করলো। আসলে দেশটা চলে গেছে ব্যাবসায়ী নামের রাজনীতিবিদের হাটে। তাই এরা চুরি করা আর অন্যদেরকে চুরি করার সুযোগ করে দিতে সাহায্য করে। অবশ্য একটা কথা বাংলালিংক এখন দুই নম্বর কোম্পানি হলেও লাভ করে নি, মানে যা ইনভেস্ট করেছে তা দেশেই নিয়ে গেছে। তবে হ্যা তাদের রিসেন্ট একটা পলিসি আছে যেটঅ ওপেন সিক্রেট ব্যাপার, সেটা এখানে নাই বলি। তবে এদেরকে যে প্রায় বিনে পয়সায় লাইসেন্স করে দেয়ার ব্যাবস্হা করা হয়েছিলো(ঘুষটাকে উহ্য রাখি আর আরাফাত ভাইয়ের ওয়ারিদের জন্য বাসার কাচের গ্লাস ভাঙ্গাকে উহ্য রাখি), সেটা দিন মজুর ভাইয়ের ওভার লুক করে যান, কারন এরাই এসব তারেক ভাই আরাফাত-নাসিমের জন্য কেদে মরে।

আসেন সমস্যার গোড়াটা ধরে দেশের টাকা দেশে রাখার চেস্টা করি!
১৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩০
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা কথা বলি ২০০৪ সালে ১০০০০টাকা জমা দেই একটা লাইন নিবো। আমি কোনো ঘুষ দেইনি বলে আজও ডিমান্ড নোট নিয়ে লাইন ম্যানের পিছে পিছে ঘুরি। সেদিন গেলাম গুলাশানের টিএন্ডটি রাজস্ব অফিসে শুধু ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্সের রেট জানায় দিলো। তারা এটা কোথায় পাবো সেটা তো বলটে পারলোই না, ওয়ান পয়েন্টের এক ছাগলা হুজুর বললো সবার সব কিছু জানার দরকার নাই। যেখানে কোম্পানী গুলো তাদের রেট গুলো সব ওয়েবে জানিয়ে দিচ্ছে সেখানে এরা দার্শনিক কথা বলে পান চিবিয়ে। তখন মন চায় বলটে দেশে এত বেকার ছেলে, আর কোন ছাগলদের একাহনে বসিয়ে রেখেছে কাজের জন্য !
১৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
কেএসআমীন বলেছেন: উদাস কবি'র দুইখান কমেন্ট পড়ে হাসলাম অনেক। আমার দুঃখটা কেউই বুঝল না। আমি জানতে চাই দিনমজুর আর কোথাকার মাতারি যে কথা বলতে চায়, তার সারমর্মটা কী? প্রত্যেক তর্ক বিতর্কের একটা এংগেল থাকে। আমি এখনও বুঝে উঠতে পারছি না। আপনি পারলে একটু বুঝান।
আপনি কিসে আছেন ভাই?
১৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি সবকয়টা টেলিকমেই কাজ করছি। তবে হ্যা যে কোম্পানীতে আছি সে কোম্পানীতে আমি দেখি আসলে বিদেশীদের কাছে কিভাবে দেশী কুকুরেরা দেশ বিক্রী করে বাইরে গিয়ে রাজনীতি করছে!
১৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫২
কেএসআমীন বলেছেন: টপ রেটার (টেরর নয়) হাসিব এর পোস্টটা পড়ছেন? এসএমএস বাণিজ্যের সরল হিসাব দিল। সিমপ্রতি একটা এসএমএস না হইয়া যদি ১০০টা হইতো, তাইলে মোবাইল কোম্পনীগুলা আরও বেশী টাকা পাইতো না? তারপরে ৫৪৫৫ নাম্বার থেকে প্রাপ্ত টাকাও গ্রামীণ ও অন্য মোবাইল কোম্পানীগুলা সিডর আক্রান্তদের দেয়ার কথা। এসএমএস এর বাইরে সামহোয়্যারইন, কজমো, আওয়াজ- এরাও আলাদাভাবে সাহায্য করতাছে। তাইলে হেরার দোষটা কি? আমার জানতে খুব ইচ্ছা। গ্রামীণের বিজনেস প্লানের কথা বলা হইলো.... এখানে বাকি ৫টা মোবাইল ফোনও তো জড়িত আছে নাকি? উদ্যোগটাতো সামহোয়্যারইন নিছে নাকি? গ্রামীণের বদনাম হইলো কিল্যাইগ্যা? গ্রামীণের ব্যাপারে আমারও অনেক কমপ্লেন আছে, সেইগুলা স্পেসিফিক্যালি কমু আরেকদিন... কিন্তু ভালা কাম করলে আমরার অনেক ছিদ্রান্বেষী যখন খোচাখুচি করতে শুরু করে তখন.........................
১৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই আমি অতকিছু জানি না, বন্যার সময় গ্রামীন প্রায় ২.৮ কোটি, সিডর এর জন্য টেলিনর থেকে ২.৫ কোটি, সিইও সবার একদিনের বেতন থেকে ১ কোটি, আর এসএমএসের টা এখনো ডেডলাইন শেষ হয় নাই। আর বিটিআরসি এখনো ইন্টারকানেক্টিভিটি এর উপর অর্জিত আয় থেকেও কিন্তু কিছু কাটছে না বা দিচ্ছে না।আরও বিভিন্নভাবে অর্থ সাহায্য দিচ্ছে, তবে সব গুলোই যাচ্ছে চিফ এ্যাডভাইজারের তহবিলে।আর কোনখানকার কোন হাসিব কি হিসাব দিলো আমি সেইটাও জানি না!
১৯. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: যদিও আমি ঐখানে কমেন্ট করছি বাট সেইটা জাস্ট ফান নাথিং সিরিয়াস!
২০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৪
কেএসআমীন বলেছেন: না না উদাসী ভাই। আপনি হাসিবের চোরের তান্ডব নৃত্যটা একটু দ্যাখেন। তারপর স্থির থাকতে পারেন কিনা সেটাও দ্যাখেন।
আমি আমাদের অফিসের একাউন্টস চীফের সাথে বাইদিবাই কথা বলি এ ব্যাপারে। তিনি যা বললেন তা ৯৫% সত্য হতে পারে। যেকোন দানখয়রাত সাধারনত আয়কর মুক্ত হয়। যেমন রিলিফ, ত্রাণ তহবিলের দান। তেমনি জাতীয় কোন ইভেন্ট স্পন্সর করলে ঐ দানকৃত অর্থের উপর কোন আয়কর দিতে হয় না (এটা আয়কর মুক্ত)। আমার অতি প্রিয় ব্লগার বন্ধু হাসিব এই আয়কর মুক্তকে গ্রামীণের সকল আয়ের উপর আয়কর মুক্তির পর এ থেকে কত টাকা অতিরিক্ত আয় হয় তার একটা সরল পাটিগাণিতিক হিসাব দিয়েছেন.... মজিদ সাহেবকে তাড়াতাড়ি খবর দেয়া হোক....
২১. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৮
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: হাসিব ভাই দূরে থাকেন বইলা চোখে অনেক কিছু দেখেন না! কাছে আসলে দেখতে পাইতেন! উনার কথা বইলা দোষ নাই!
২২. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২২
কেএসআমীন বলেছেন: দূরে থাইক্যা ক্যামনে মন্তব্য করলো। আমরা তো কাছে থাইক্যাই পারি না... তাইনে কই থাকে? গ্রামীণের ৬ কোটি টাকার দুইনম্বরী আয় জানলো কীভাবে? নাকি কল্পনাশক্তি প্রবল?
২৩. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কেমনে কি? টিএন্ডটি আমার লাইন দিলো না সেই দুঃখ হজম কইরা লই! তারপর এইটা দেখুম আমি!
২৪. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫০
কেএসআমীন বলেছেন: @উদাসী, টিএন্ডটি'র লাইন কি আফনের এখন লাগবো? লাগবো বইলা মনে অয় না। লাগলে আমি ব্যবস্থা কইরা দেই.....
২৫. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৩
দিনমজুর বলেছেন: আরো ফিগার সহ আরেকটি পোস্ট দেয়ার কথা বলেছিলাম। এখনও সব ফিগার যোগাড় করতে পারিনি। তবে একটি তথ্য এখন দিচ্ছিঃ বিলিংকে ১০ টি আইএন মিলিয়ে প্রিপেইড কলের একটা হিসাব। এই ১০টি আইএন থেকে পাওয়া যায়, বিলিংকে বর্তমানে গড়ে প্রতি মিনিটে কল হয় ১.৫ লক্ষ টি। তার মানে ১ দিনে কল হয়= ১.৫ লক্ষ*৬০*২৪= ১০.৮০ কোটি কল। যদি ধরি প্রতি কলের স্থায়িত্ব গড়ে ১মিনিট, তবু গড়ে কলরেট ১.৫০ টাকা ধরলেও হয়= ১০.৮০কোটি*১.৫০টাকা= ১৬.২০কোটি টাকা, মাসে= ৩০*১৬.২=৪৮৬ কোটি টাকা; এটা শুধু এক বিলিংকের এবং শুধু প্রিপেইড কলের হিসাব। (অন্যান্য হিসাবও সামনে দিবার চেস্টা করবো।) পোস্টপেইডের হিসাব, অন্য কোম্পানীর হিসাব ধরা হলে, বুঝুন প্রতিদিন আমরা কত কোটি টাকা ঐ কোম্পানীগুলোকে দিচ্ছি!!!

@কেএসআমীন
আমি যা বলতে চাই, তা খুব পরিস্কার। সেটা হলো, আমরা এই মোবাইল কোম্পানীগুলোকে গুনে গুনে প্রতি মিনিটে কোটি টাকা তুলে দিচ্ছি। আমি আলোটা ফেলেছি আমাদের দেশের পারসপেকটিভে। আর আপনি, বারবার বলতে চাচ্ছেন- এটাই তো ওদের বৈধ ব্যবসা, ওদের দোষ কি? দোষের কথা আমি তুলিনি। ওরা ব্যবসা করতে আসছে, ব্যবসা করে যাবে- যেমনি করে মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেট গুলো ব্যবসা করে যায়, মুনাফার উদ্দেশ্যে- এটি আমরা জানি। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য শুধু এটাই বলা যে, ওদের এই ব্যবসার ফলে আমরা প্রতি মাসে হিউজ টাকা হারাচ্ছি, আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছে, বৈদেশিক রিজার্ভ কমছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। রিজার্ভ কমা ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার অনেক কারণের এটাও অন্যতম প্রধান কারণ।
আপনি বারবার আমার হিসাবটিকে রাবিশ হিসাবে দেখাতে গিয়ে বলছেন, আমি নাকি দাবি করেছি- "১,৩০০ কোটি টাকা মোবাইলগুলা মাসে আয় করে। আর ব্যয় করে সব মিলিয়ে ১০০ কোটি। সহজ হিসাবে ১,২০০ কোটি টাকা মাসে লাভ।"- মোটেও কিন্তু তা বলিনি। আমি বলছি- আমাদের দেশ থেকে মানে আমাদের জনগণের পকেট থেকে কত টাকা বের হয়ে যাচ্ছে(১৩০০-১০০=১২০০ কোটি টাকা)। সেই টাকাটা কিন্তু ওদের পকেটে বলতে- শুধু অপারেটর বুঝাইনি, ভেন্ডর কোম্পানীও বুঝিয়েছি। আপনি আবার পড়েন। আর - এর দায়দায়িত্ব ঐ কোম্পানীগুলোকে নেওয়ার কথা একবারো বলিনি- নিতে হবে আমাদেরই, আমাদের সরকারগুলোকেই।

@তারিক হাসান খান নিপু
আপনার মতো অনেকেই খুশী, যার ল্যাপটপ কেনার সামর্থ আছে, জঙ্গলে গিয়ে জপিআরএস ইনজয় করা যার কাছে সৌখিনতা- তারা এসব সুবিধায় খুশী হবে- আরো এফোর্ডেবল সুবিধা চাবে- তাদের জন্য বসুন্ধরা হবে আরো কত কি হবে; এ আর নতুন কি!!!!!
কিন্তু- এর মাসুল দিতে হচ্ছে তাদেরকে - ৯০ টাকায় তেল, ২৫টাকায় মোটা চাল সহ চড়ামূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনবার মত যাদের চালচুলো নেই।

@উদাসী স্বপ্ন
আপনার তুলনায় একটা ভুল হলো। একটা রপ্তানী আর একটা আমদানী। একটার প্রভাব ন্যাশনাল ইনকামে ধনাত্মক আর একটার প্রভাব ঋণাত্মক। একটার মূলধন আমাদের পুঁজিপতিদের আরেকটির মূলধন বিদেশী দের। কোন একটি উত্পাদন শিল্পে, বা ব্যবসায়, মুনাফা= মোট বিক্রয়মূল্য(উত্পাদী/ সেবা)- খরচ(অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতি, যন্ত্রের ডেপ্রিসিয়েশন, কাঁচামাল,ওয়েজেস, ট্যাক্স প্রভৃতি)। গার্মেন্টস শিল্পে, এটা ঠিক- আমাদের সুই, সুতা সব কিছুই আমদানী করতে হয়, এর পর সেগুলো দিয়ে পোষাক তৈরি করে রপ্তানী করি। যেহেতু রপ্তানী মূল্য> খরচ(কাঁচামাল আমদানী করতে খরচ সহ অন্যান্য), ফলে মুনাফা হয়। যেহেতু, মুনাফা হচ্ছে- এটা আমাদের ন্যাশনাল ইনকামে যোগ হচ্ছে। (এখানে কিন্তু আমরা শুধু শ্রমটিই তথা দর্জিগিরি বিক্রি করছি, আমরা যদি সুই, সুতাও তৈরি করতে পারতাম আমাদের মুনাফা নিশ্চিতভাবেই বেশী হত)।
অন্যদিকে, আমদানী মানে- এ দেশ থেকে টাকা বাইরে যাওয়া, ফলে এটির প্রভাব সরাসরি ন্যাশনাল ইনকামে ঋণাত্মক। অবশ্য আমদানীর প্যাসিভলি পজিটিভ রোল থাকতেও পারে যদি তা উত্পাদনে সরাসরি ভূমিকা নেয়, যেমন ঐ সুই, সুতা আমদানী।
এখন দেখি, মোবাইল শিল্প আমাদের ইকোনোমিতে কি ভূমিকা রাখছে। এখানে ইনভেস্টর বিদেশী, তারা সেবা বিক্রি করছে, আমরা সেবা কিনছি। সেবা কিনছি নগদ অর্থ দিয়ে, যেহেতু কিনছি বিদেশী দের কাছ থেকে, সেহেতু এটা আমদানী- এবং এর ফলাফলও নেগেটিভ। এর প্যাসিভ পজিটিভ রোলও গৌন। আমার উক্ত পোস্টটিতে এই নেগেটিভ ফলাফলের মাত্রাগত একটা হিসাব দেয়ার চেস্টা করেছিলাম, বেশ কিছু এজাম্পশন ছিল তাতে- কিন্তু ফাঁক ছিল না বলেই মনে হয়।

আমরা লুজার হচ্ছি এটা স্বীকার করলেই তো পরের আলোচনা- কিভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায় তার আলোচনা শুরু করা যায়, আর এতে যেতে হলে কারণটাও অনুসন্ধান করা দরকার বটে। আর আমি কিন্তু কোনকিছু ওভারলুক করিনি। ঐ পোস্টের আমার অন্যান্য মন্তব্যগুলো পড়েন, তাহলে বুঝতে পারবেন। আমিও মনে করি- এর কারণ এই সরকারব্যবস্থা তথা বিভিন্ন সরকারগুলো। তারা দেশী ও বিদেশী উভয় গুরুর কাছেই নতজানু(লোভে-লাভে), কিন্তু- আমাদেরো তো এগিয়ে আসা দরকার- দরকার সচেতনতা ও আত্মউপলব্ধি যার দ্বারা ঐ সরকারগুলোকে বাধ্য করতে পারি নতজানু না হতে, নচেত তাদেরকে উচ্ছেদ করতে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
২৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৫
দিনমজুর বলেছেন: @কেএসআমীন
সরি, একই মন্তব্য দুবার এসেছে, একটি মুছে দিয়েন।
২৭. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫১
দিনমজুর বলেছেন: সরি, একটা কারেকশনঃ
উত্পাদী= উত্পাদিত দ্রব্য হবে
২৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০০
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ। কিছুটা বুঝতে পারছি এখন। ঠিক কথা। মোবাইলের অযথা ব্যবহার আমাদের কমাতে হবে। ঐযে বিজ্ঞাপনে বলে "রাত ভোর হয়ে যায় কথায় কথায়" এইটা কী? আসুন বিটিআরসি'কে বলি এই বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে...
পোলাপান সারারাত কথা কইবো আর এদিকে বাপের পকেট কাটা।
আপনি একমত কিনা জানি না। মোবাইল সস্তা হওয়ায় আমাদেরকে আরও ক্ষতি সইতে হবে। রিক্সাওয়ালাদের হাতে হাতে মোবাইল কি দরকার আছে? এখন বলুন ৫ কোটি মোবাইল যখন হবে, তখন আরও কী পরিমান ইকুইপমেন্ট আসবে দেশে....
যদি গ্রামীণ ও অন্যান্যরা তাদের নিজস্ব অর্থে বিদেশ থেকে ঐ ইকুইপমেন্ট কিনে ভাল। আমাদের দেশ থেকে ডলার নিলে আমাদের তলা ফুটা হইবেই। এখন সরকার এই মোবাইলগো লগো কী চুক্তি করছে কে জানে!
দোষটা পুরাপুরি সরকারের পলিসির। অপারেটররা ব্যবসা করতে আইছে, ব্যবসা করবোই। এটা তাদের পবিত্র পেশা। ফাঁকি দিচ্ছে কিনা সেটা আমাদের সবার দেখার বিষয়।
২৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০০
সাইফুর বলেছেন: আমীন ভাই আর দিনমজুর ভাইয়ের ডিসকাশান দেখছি...চলুক...
ভালো লাগছে যে গালিগালাজ ছাড়াই মতামত হচ্ছে
৩০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৫
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ সাইফু ভাই। কাজকাম কেমন চলছে? আসলে দিনমজুর ভাই লোক ভাল। একাডেমিশিয়ান মানুষ। উনি তো মাতারি নন। উনার এংগেল অব স্টেটমেন্ট বুঝতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের ব্লগাররা বুঝতে পারেনি। আমি ১০০ পার্সেন্ট সিওর। তারা মনে করেছে মোবাইল কোম্পনীগুলা সব লইয়া গেল রে....। আসলে তিনি বলতে চেয়েছেন যে, আমাদের কী পরিমান পকেট কাটা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। যদি তাই হয়, সেক্ষেত্রে তো আমি সবার আগে একমত...
সরকার মোবাইল ফোনে প্রতি সিমে বছরে ১১০০ টাকা ট্যাক্স ধার্য করেছিল। এটা ধরে রাখতে পারেনি কেন? কে বা কারা মামলা করলো তাই....। বছরে আমরা যদি ১০ হাজার কোটি টাকা মোবাইলে ঢালি তবে সরকার অন্তত ৩,০০০ কোটি টাকা নিতে পারে এর থেকে। তাইলে দেশের উন্নতি হবে। আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেন এতদিনে ঢাকায় চালু হইতো।
৩১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৬
দিনমজুর বলেছেন: @কেএসআমীন
আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না,
আপনি - আমি যদি দূর- দুরান্তের আত্মীয়-স্বজনের সাথে কথা বলার অধিকার রাখি, তবে একই প্রয়োজনে একজন রিকশওয়ালার মোবাইল রাখার অধিকার আছে বৈকি।
আর, "যদি গ্রামীণ ও অন্যান্যরা তাদের নিজস্ব অর্থে বিদেশ থেকে ঐ ইকুইপমেন্ট কিনে ভাল। আমাদের দেশ থেকে ডলার নিলে আমাদের তলা ফুটা হইবেই। " এটা দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন, ব্যাখ্যা করবেন কি? নিজস্ব অর্থ ও আমাদের দেশ থেকে ডলার নেয়া মানে কি?
বিষয়টি কেন বুঝতে পারছেন না- তারা খরচ করবে(ইনভেস্ট) তাদের চলমান পুঁজি(এটা গ্লোবাল, মুনাফা ও ব্যয় দ্বারা গতিশীল) থেকে আর মুনাফার জন্য হাত বাড়াবে আমাদের পকেটে- প্রতি পালস কল হিসাবে। এটাই ব্যবসা। এবং এটাই ব্যবসার নিয়ম।
৩২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০০
নাজিরুল হক বলেছেন: টপ রেটেড হওয়ার অপেক্ষায় আছি
৩৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৭
কেএসআমীন বলেছেন: @দিনমজুর, আপনার বক্তব্য পরষ্পর বিরোধী, কন্ট্রাডিকটরী, সেটাই সমস্যা। রিক্সাওয়ালারা মোবাইল চালালে মোবাইল নেটওয়ার্ক বড় হবেই। বড় হলে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বেই। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। আর সেই ইনভেস্টমেন্ট তারা তুলতে চেষ্টা করবেই। এটাই তো ব্যবসার নীতি। আমি যদি একটা পানের দোকান দেই ২০,০০০ টাকা দিয়া, তো এই টাকাটা ২/৩ বছরে উঠে আসলে মনে করবো ব্যবসা মোটামুটি বেশ ভাল। ৫/৬ বছর লাগলে মোটামুটি --- বেশী লাভজনক নয়। আর যদি ১০/১২ বছর লাগে তবে একটু কঠিন ব্যবসা।
কারণ যে পূজি ব্যবসায়ীরা খাটায়, তার একটা খরচ আছে যা গড়ে ১০% এর কম হওয়ার কথা নয়।
আমাদের সবার যদি ফোন করার অধিকার থাকে (আজাইরা প্যাচাল না) তো ভাল। কিন্তু এখনতো প্যাচালই বেশী হয়, কারণ মোবাইল কলের খরচ ২৫ পয়সায় গিয়ে ঠেকেছে। বিটিআরসি বলে দিয়েছে এর নীচে যাওয়া যাবে না।
আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবে বলি, আমিতো খুব সহজ করেই বলেছি......
দেশী বিনিয়োগ আর বিদেশী বিনিয়োগের মধ্যে তো একটা পার্থক্য আছে..... বিদেশী বিনিয়োগে টাকাটা তাদের দেশ থেকে আসে। যেমন গ্রামীনের ক্ষেত্রে নরওয়ে থেকে টাকা দিয়ে যদি মেশিনারিজ কিনে তবে তো আমাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় হাত পড়ে না। এই সহজ কথাটাই বলতে চাইছিলাম। ফরেন ইনভেস্টমেন্ট সব দেশই চায়। আমাদের দেশে এটা একদম কম। কেউ আইতে চায় না। গ্যাঞ্জাম... আপনিও ভাল জানেন...
৩৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০২
কেএসআমীন বলেছেন: মোবাইলে বিদেশী বিনিয়োগ না হয়ে যদি আমাদের দেশী বিনিয়োগ হয় (যেমন টেলিটক) তাহলে কিন্তু আমাদের কষ্টার্জিত মুদ্রাই বিদেশে চলে যাবে। এবং যাচ্ছে। এখন বলুন কোনটা লাভজনক? এই একটা পয়েন্টে আমরা আলোচনা চালিয়ে যেতে পারি। আমি কোন বিনিয়োগ এক্সপার্ট নই। একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে ছোটখাট চাকরি করি। কিন্তু কোন বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা রাখতে চাই.....
৩৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৭
দিনমজুর বলেছেন: @কেএসআমীন,
আপনি আমার হিসাবটির মূলটিই ধরতে পারছেন না।
দেখি আরো একটু সহজ করতে পারি কিনা!!
অপারেটর আর ভেন্ডর কোম্পানীর পার্থক্য আগেই বলেছি। ভেন্ডর তারা ইকুয়েপমেন্ট বিক্রি করে, এবং যেহেতু সব ভেন্ডর কোম্পানী বিদেশী- যেকোন অপারেটর ওদের কাছ থেকেই ইকুয়েপমেন্ট কিনে।
এখন আসি, অপারেটর কোম্পানীর ব্যবসা দেখি। দেশী হোক আর বিদেশী হোক, তাদের নেটওয়ার্ক স্টাবলিশ করতে ইনিসিয়ালি হিউজ ইনভেস্ট করতে হয়। আর তারা রিটার্ণ পায়, কল বেচে। প্রথম দিকে- এই টাকার প্রায় সিংহভাগ চলে যায়, ভেন্ডর দের কাছে। একসময়, এই কলের টাকা থেকেই তারা প্রাইমারি ইনভেস্টমেন্ট তুলে ফেলে। রানিং নেটওয়ার্ক চালাতেও নেটওয়ার্কের নানারকম আপগ্রেডেশন করতে হয়, ফলে ভেন্ডরদের সবসময়ই টাকা দিতে হয়, কিন্তু কল বাবদ যে টাকা আসে, প্রাইমারি ইনভেস্টমেন্ট উঠে আসলে- কল বাদ টাকাটা যেহেতু তখন হিউজ, প্রোফিটও হিউজ.
এখন দেশী বিনিয়োগ আর বিদেশী বিনিয়োগের পার্থক্যটি সম্পর্কে বলি।
দেশী হোক আর বিদেশী বিনিয়োগ হোক, বিদেশী ভেন্ডর ইকুয়েপমেন্ট কেনা বাবদ একটা বিশাল এমাউন্ট বিদেশে নিবেই। আর, দেশের জনগণ কল বাবদ প্রতি মিনিটে টাকা দিবেই। জনগণের এই দেয়া টাকাটা হিউজ, যা ভেন্ডর গুলোকে দেয় টাকার চেয়েও অনেক বেশী। ফলে, দেশী বিনিয়োগ হলে, এক্সট্রা টাকা টা দেশে থাকবে, বিদেশী বিনিয়োগ হলে এক্সট্রাটা বিদেশে যাবে।
৩৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বিটিআরসি ২২ তারিখের বিডটা দেখছেন নিকি?
৩৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
দিনমজুর বলেছেন: একটা উদাহরণ দেই।
ধরুন ভেন্ডর কোম্পানী "এ", এটা বিদেশী। অপারেটর "ট" হল দেশী আর "জ" হল বিদেশী।
শুরুতে বাংলাদেশে ইনভেস্ট করতে হয়েছে ১০০টাকা, উভয়কেই।
এই টাকার ৯৫ টাকা কিনতে হয়েছে ইকুয়েপমেন্ট, ফলে "এ" নিয়ে গেছে ৯৫ টাকা।
প্রতি বছর ৫ টাকা করে এক্সট্রা খরচ করতে হয়, নেটওয়ার্ক মেইনটেন ও এক্সপান্ড করতে। এর মধ্যে ৪ টাকাই নেয় "এ"।
"ট" যেহেতু দেশের ১০০ টাকার ৯৫ টাকা দেশ থেকে "এ" এর হাতে মানে বিদেশে চলে যাচ্ছে।

প্রতি বছরে কল বাবদ পাওয়া যায় ২০ টাকা। তাহলে ইনিসিয়াল ইনভেস্টমেন্ট উঠে আসতে সময় লাগে সাড়ে ৬ বছরের একটু বেশী (২০*৬.৫=১৩০), আর খরচ(১০০+৬.৫*৫=১৩২.৫ টাকা)।

এই ৬.৫ বছরের হিসাবঃ
"জ" কোম্পানী ১০০+৬.৫*৫ টাকা বিনিয়োগ করে। তার ৯৫+৬.৫*৪ টাকা নিয়ে যায় "এ" কোম্পানী। যেহেতু "জ" বিদেশী কোম্পানী, সেহেতু বিদেশের টাকাই বিদেশে যাচ্ছে। আর, কল বাবদ দেশের মানুষ দিচ্ছে, ২০*৬.৫ টাকা। এই টাকা পুরাটাই যাচ্ছে দেশ থেকে বিদেশে।
ফলে, বিদেশে বিনিয়োগে প্রথম ৬.৫ বছরে দেশের বাইরে যাচ্ছে ১৩০টাকা।

এবার দেখি, "ট" কোম্পানীর ক্ষেত্রে। ৬.৫ বছরে ভেন্ডর গুলোকে তারা দিচ্ছে ৯৫+৬.৫*৪=১২১ টাকা। এটা দেশ থেকে বাইরে যাচ্ছে। কলবাবদ ৬.৫ বছরে আসছে ১৩০ টাকা। "ট" যেহেতু দেশী, এই টাকাটা দেশেই থাকছে।
ফলে, দেশী বিনিয়োগের ফলেও প্রথম ৬.৫ বছরে দেশ থেকে টাকা বাইরে যাচ্ছে ১২১ টাকা।

এরপর আসি প্রথম ৬.৫ বছরের পরের হিসাবে,
"জ" কোম্পানী প্রতি বছর খরচ করে ৫ টাকা, ভেন্ডর "এ" নিয়ে যায় ৪ টাকা। যেহেতু "জ" বিদেশী এতে আমাদের দেশ থেকে কোন টাকা বাইরে যাচ্ছে না। কল বাবদ বছরে তারা পাচ্ছে ২০ টাকা। এই ২০ টাকা যাচ্ছে দেশের বাইরে।
"ট" কোম্পানী ৬.৫ বছরের পর থেকে প্রতি বছর খরচ করে ৫ টাকা, এর ৪ টাকা চলে যায় ভেন্ডর "এ" কোম্পানীর হাত ধরে দেশের বাইরে। কল বাবদ প্রতি বছর ইনকাম ২০ টাকা। কিন্তু "ট" দেশী হওয়ায় তা দেশেই থাকছে।
ফলে দেশী বিনিয়োগে প্রতি বছর দেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছে ৪ টাকা।

সুতরাং, প্রথম ৬.৫ বছরে বিদেশী বিনিয়োগে দেশ থেকে বাইরে চলে যায় ১৩০ টাকা, যেখানে দেশী বিনিয়োগে দেশ থেকে যায় ১২১ টাকা। ৬.৫ বছরের পর থেকে- প্রতিবছর বিদেশী বিনিয়োগে দেশ থেকে বাইরে যায় ২০ টাকা যেখানে দেশী বিনিয়োগে দেশ থেকে টাকা বাইরে যায় ৪ টাকা।
৩৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
কেএসআমীন বলেছেন: @দিনমজুর, ভাই আপনার কাছে মাফ চাই। আমি দেখতে চাই, সিটিসেল ও টেলিটক এখন কী করে। তাদেরকে বিদেশে টাকা পাচার করতে হচ্ছে না। সুতরাং তারা আরও সাশ্রয়ী রেটে নানাবিধ সুবিধা সহ আমাদেরকে মোবাইল ফোনের সার্ভিস দেবে। তারা নিজেরাও অর্থনৈতিক ভাবে আরও সমৃদ্ধ হবে... এই প্রত্যাশা।
৩৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৫
কেএসআমীন বলেছেন: ২২ তারিখের ঘটনাটা কী উদাসী ভাই ???
৪০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮
অলস বলেছেন: ভাইজানেরা, আপনেরা পারেনও। এত্তো বড় বড় পোস্ট/কমেন্ট কি আপনেরা নিজেরা লেখেন? নাকি কাউরে বেতন দিয়া রাখসেন?
৪১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩২
কেএসআমীন বলেছেন: আপনি ভাল বলেছেন "অলস"। অলস মন্তব্য...
৪২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭
সন্নাসী বলেছেন: অনেকদিন আগে পড়েছিলাম কোন একাটা টেলিকম কোম্পানি (বিদেশি মালিকানার) দেশের ব্যাংক থেকে সিন্ডিকেটেড ঋণ নিচ্ছে। মানে টেলিকম কোম্পানিগুলির বিনিয়োগের পুরোটাই তাদের নিজের দেশ থেকে আনা নয়, দেশের পুঁজির ব্যাবহারও ওরা করছে।

আবার ধরেন টেলিকম কোম্পানিগুলি যদি তাদের মুনাফা থেকে প্রাপ্ত অর্থ পুনবিনিয়োগ করে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে, সম্প্রসারনে সেক্ষেত্রেও সরাসরি কোম্পানির মালিক পক্ষের বিদেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ছে না। মানে দেশে কোনো বিদেশি ডলারের আমদানি হচ্ছে না।

এবার চলেন একটা কল্পিত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করি। ধরুন গ্রামীন বা আরো কোম্পানিগুলি এইভাবে দেশীয় ব্যাংক ঋণ আর তাদের মুনাফা থেকে বিনিয়োগ করতে থাকলো। ১০/২০ বছর পর যখন মাত্র একটা বা দুইটা বা তিনটা কোম্পানি থাকবে টেলিকম সেক্টরে (এইটা একটা অবসম্ভাবি ব্যাপার, বড় পুঁজির চরিত্রই এইটা যে সে ছোটো পুঁজির জন্য যায়গা ছেড়ে দিবে না। পুঁজির টিকে থাকার তাগিদেই merger and acquisition হবে, ছোট পুঁজি বড় পুঁজির পেটের নিচে ঢুকবে পুঁজির কার্যকারিতা ঠিক রাখতে, বিশেষ কইরা যখন বাজার স্যাচুরেটেড হয়ে যাবে, মানে সম্ভাব্য সবার হাতে একটা করে মোবাইল ফোন থাকবে।) তখন যে বিশাল ব্যাবসাটা এই টেলিকম কোম্পানিগুলা চালাইবো আর যে বিশাল মুনাফা আয় করবো তার পুরাটাই বলতে গেলে এই বিদেশিগো মালিকানায় থাকবো। মানে দাড়ায় দেশের টাকায় এই টেলিপুঁজিটা বরো হইবো, পুরা ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার দারাইব কিন্তু মালিকানা থাকবো বিদেশিদের হাতে।
এখন ধরেন ঐ সময় যদি কোম্পানিগুলা তাগো মুনাফার টাকা এই দেশে না বিনিয়োগ কইরা তাগো দেশে ফেরত নিতে চায়,যেটা পুরাপুরি আইনসিদ্ধ একটা ব্যাপার। যদি মুনাফার কয়েক হাজার কোটি টাকা ফি বছর দেশের বাইরে চলে যায়, আপনে আমি কি কিছু কইতে পারুম নিজের বাল ছিড়ন ছাড়া (মাফ চাই)?

বিদেশি মোবাইল কোম্পানিগুলা অনেক বিনিয়োগ আনছে। আবার উপরের যে দুইটার কথা বল্লাম সেটাও ঘটতেছে। তাইলে ব্যাপারটা দারাইল আমাগো পকেটের পয়সা খরচ করে মোবাইল কোম্পানি গুলা দারাইব ( মনে রাইখেন ব্যাংক ঋণের টাকা কিন্তু একসময় শোধ হইয়া যাইব কোম্পানির লাভ থাইক্কাই) আর আমাগো পকেট খালি করতেই থাকবো। কিন্তু বারতে থাকবো নরওয়ে বা দুবাই বা মালয়েশিয়ার ফরেইন রিজার্ভ (ওরা কিন্তু মুনাফা দেশে নিবো ডলারে নয়তো ইউরোতে, আমাগো ফরেইন রিজার্ভ থাইক্কা)।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিরে মনে পড়তেছে। দেশ শাসনের খরচ বাবদ হেরা নাকি আমাগো কাছ থিকা ট্যাক্স নিতেন(নাকি ভুল কইলাম, আমি ইতিহাসে দুব্বল)।

কেউ কি জানেন কোন মোবাইল কোম্পানি কত FDI নিয়া আসছে দেশে? জানলে আরেকটু ক্লিয়ার হওয়া যাইত।
৪৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৫
সন্নাসী বলেছেন: দিনমজুর ভাই, আপনার ভেন্ডর কোম্পানির হিসাবটা আমি গোনায় নেই নাই ইচ্ছা কইরা। FDI হোক আর আমার দেশি পুঁজি হোক (দেশি মালিকনার দেশি পুঁজি বা বিদেশি মালিকানার দেশি পুঁজি) প্রযুক্তি কিনতে তো দেশের ডলার/ইউরো বিদেশে যাবেই।
৪৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
সাইফুর বলেছেন: অনেক জ্ঞানী মানুষ আছেন ব্লগে..
পড়ছি এগুলা...
ভালো লাগছে
৪৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০১
কেএসআমীন বলেছেন: সন্নাসী ভাইজান, ধন্যবাদ। আপনার গুরুগম্ভীর মতামতের জন্য। প্রশ্ন একটা আমাদের বয় (বিওআই) এর গুড বয়'রা কী করেন। বিদেশী মোবাইলগুলারে পারমিশন দেওয়ার আগে ঐগুলা ঠিক কইরা লয়নাই কেন? লাভের কত পার্সেন্ট নিতে পারবো, দেশী ব্যাংক থিক্যা টেকা নিতে পারবো কিনা, শেয়ার বাজারে কত পার্সেন্ট শেয়ার ছাড়তে হবে,,, ইত্যাদি ইত্যাদি। দোষ তো দেখি আমাগো "গুড বয়"গো। তাদের কেউ দোষ দেয় না। একজন 'গুড বয়' নাকি উত্তরাতে কী না কি কেলেংকারী করছিল???? উত্তরা কেলেংকারীর নায়ক এখন কোথায়? আপনের বাড়িতে দাওয়াত দিয়া একজনকে বেইজ্জতি করতে পারেন না। দাওয়াত দেওনের আগেই সব শর্ত/চুক্তির বিষয় এক্সপার্ট দিয়া চেক করাইয়া নিতে হইবো। ভারতে অনেক বিদেশী মোবাইল কোম্পানী আছে, যেমন হাচ, ভোডাফোন। তাদের দেশে তো আমাগো মতন কথায় কথায় গালি দেয় না।
৪৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩
কেএসআমীন বলেছেন: আসুন আমরা এখন থেইক্যা নিজেগো গালি দেই। পারলে কিছুটা শুধরাই।
৪৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
কেএসআমীন বলেছেন: হমপগ্র যে ৬ কোটি টাকার একটি মামলার কথা বললো, বিস্ময়ের বিষয়, এটা নিয়ে কাউকেই মন্তব্য করতে দেখলাম না। এমনকি টেলিকম নীতিনির্ধারকদের (ভিআইপি ব্লগার) কেউ না।
৪৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৫
সন্নাসী বলেছেন: আমার কমেন্টের বক্তব্যের বিষয়ে আপনার মতামত চাই। বিওআই বা বাড়িতে দাওয়াত দিয়া একজনকে বেইজ্জতি করা বিষয়ে আমার মন্তব্য জানাব পাবেন আশাকরি।@কেএসআমীন
৪৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪০
কেএসআমীন বলেছেন: সন্নাসী দাদা, আপনার পয়েন্টে আপনি ১০০% কারেক্ট। বিদেশী কোম্পনী এসেছে ব্যবসা করতে। তারা সরকারী নীতি অনুযায়ী কাজ করছে কিনা সেটা দেখা দরকার। সরকার যদি নীতি নির্ধারণে ভুল করে থাকে সেটাও আমাদের দেখিয়ে দেয়া দরকার। যদিও এতে কোন লাভ হবে না। আমরা ব্লগাররা বলতে পারি বা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারি সরকার কোথায় ভুল করছে। কোন পয়েন্ট কীভাবে হতে হবে.....
আমরা যদি দেশকে ভালবাসি তবে এগুলোই হচ্ছে গাইডলাইন। বর্তমানে ৬ টা কোম্পানীকে লাইসেন্স দেয়া হলো। সর্বশেষ আসলো ওয়ারিদ। সন্নাসী দাদা, আপনিই বলুন, এটার কি প্রয়োজন ছিল? আমি বলবো অবশ্যই না। আরেকটি বিদেশী কোম্পানীকে আমন্ত্রনের দরকার ছিল না। কেন তারা আসলো, কিভাবে আসলো, কাকে কত দিয়ে আসলো তার কিছু কিছু আমরা আপনারা জানতে পেরেছেন নিশ্চয়ই।
৫০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
সন্নাসী বলেছেন: কেএসআমিন ভাই, ১০০% কারেক্ট বলছেন যেহেতু ধরে নিলাম আপনি আমার সাথে সহমত। ধন্যবাদ।

নীতি নির্ধারনে সরকারের অবস্থাননিয়ে আরেকটু পরিষ্কার করে বল্লে আলোচনা করতে সুবিধা হইত। মোটা মাথায় যেটা বুঝি সরকারের নীতি নির্ধারনি ক্ষমতাটা একক কোন বিষয় না। এইখানে নীতিসহায়তা বা অর্থনৈতিক সহায়তার নামে অনেক শক্তির অনেক ব্ল্যাক কেমিস্ট্রি আছে। সরকারের ভেতরের মানুষেরা যেকারনেই হোকনাকেন তাদের প্রভাবে প্রভাবিত হবেই। খোলা বাজারের গুরুদেবরা তো সবকিছু খুইলা দিয়নের কথা বলবই। পুঁজির প্রবাহ যাতে ঠিক থাকে আর প্রবেশ পথ যাতে উন্মুক্ত থাকে তার জন্য তো মুক্ত বাজারের নানা কান্ডারীরা (দুই একটা উদাহারন দেই... বিশ্বব্যংক, আইএমএফ ইত্যাদি) সারা দুনিয়ায় তাগো সব নিয়া হাজির (নীতি, অর্থ, কন্সালটেন্সি)।
মজাটা হইতাছে তারা কয় সব কিছু উদার করতে, আরো খোলামেলা করতে, আমাগো সরকারও খুলে। আর এতো খুললে তারপর কি হইতে পারে তাতো আমার প্রথম মন্তব্যেই কিছুটা কইছি।

জনগন যে কিছু বুঝে না তা না। গ্যাস রপ্তানী নিয়া তো সব সরকারই কম টাল্টিবাল্টি করে নাই। কিন্তু জনগন তো ঠিকই বুঝছিল। ফুলবারি কয়লা খনির ব্যাপারেও জনগন কিন্তু না বুইঝা ছাইরা দেয়নাই। তবে সব জায়গায়ই যে বুঝতে পরবো এমন না। অনেক সময় বুঝতে পরলেও কিছু হয়না, প্রতিবাদ বিফলে যায়। অবশ্য অনেক আভ্যন্তরিন দূর্বলতাও আছে যার কারনে পূঁজির এই মাতুব্বরগো পরিকল্পনা সফল হয়। দেখেন না আমাগো পাটকলগুলার কি দশা। মানুষতো কম ফাইট করল না।
চিত্রটা মনে হয় খুব পরিষ্কার আকতে পারলাম না। আরো আলোচনা চলতে পারে এই নিয়া।
৫১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০২
কেএসআমীন বলেছেন: সন্নাসী দাদা, ধন্যবাদ। আমিতো একমত। সমস্যাটা আমাদেরই। অন্য কারো না। আমাদের সমস্য আমাদেরই ঠিক করতে হবে। বুশ সাহেব আইসা ঠিক কইরা দিব না... । গ্যাস রপ্তানীর কথা কইলেন। অনেকদিন ভুইলা ছিলাম, এখন আবার পোড়া ক্ষতে জ্বালা ধরাইলেন। সিএনজি নিয়া একটা পুস্ট দিছিলাম। সময় থাকলে দেইখেন...
৫২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭
কেএসআমীন বলেছেন: নাফিস সাহেবকে এই পোস্টটা উৎসর্গ করতে চাই...
৫৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
কেএসআমীন বলেছেন: নাফিস ভাইকে ধন্যবাদ
৫৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
ত্রিভুজ বলেছেন: মন্তব্যগুলো থেকে অনেক কিছু জানা গেল.. সংগ্রহে রাখলাম।
৫৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: বছর তিনেক এই সেক্টরে কামলা খাটার পর যা দেখেছি তা নিয়ে একটা পোস্ট দেবো ভাবছিলাম। অনেক উপাদান এখানেই পেয়ে গেলাম। অপারেটর ভেন্ডর অনেকগুলোর সাথেই কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলবো দিনমজুর ও কেএসআমীন দুজনেরই দৃষ্টিভঙ্গি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঠিক। আমাদের একতা বড় সমস্যা হচ্ছে বিদেশী বিনিয়োগ বা অংশীদারিত্ব এর ক্ষেত্রে আমাদের মহান দেশ -পরিচালক পলিসি প্রণেতাগন কখোনোই শর্তগুলো
যথাযথ করতে পারেন না / করেন না। টেলিকম , তেল-গ্যাস, আর-এম-জি সবজায়গায় একই অবস্থা।

কেএসআমীন,উদাসী স্বপ্ন্‌ ,দিনমজুর,সন্নাসী সবাইকে ধন্যবাদ ভালো একটা আলোচনা দেবার জন্য।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: আপনি নিঃসঙ্গ পথিক নন, আমরা আছি আপনার সাথে...

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কারে বা জানাই বলো
বেদনা আমার,
বুঝিল না কেহ আমারে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই