আমার প্রিয় পোস্ট

ঘড়ির কাটা নিয়ে জাফর ইকবালের লেখা পড়ে মর্মাহত

১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

শেয়ারঃ
0 0 0

গত শুক্রবারের প্রথমআলো'য় মুহম্মদ জাফর ইকবালের "ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে আনা" ক্যাপশনের লেখাটি পড়ে মর্মাহত হয়েছি। জাফর ইকবাল স্যার আমার অত্যন্ত প্রিয় একজন লেখক। তাঁর লেখার যুক্তি উপস্থাপনগুলি মনে দাগ কাটে। ভাবলাম, ঘড়ির কাঁটা বিষয়ক লেখাটিতে তিনি সরকারকে তিনি কিছু সুপরামর্শ দেবেন যাতে এটা সফলভাবে ও সহজভাবে এদেশে চালু হতে পারে...

কিন্তু না, তিনি এটা চালুর বিরোধিতা করলেন। তিনি ৪/৫টি পয়েন্ট দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে, এটা এদেশে চালুর কোন প্রয়োজনীয়তা নেই।

কিন্তু তাঁর একটি যুক্তিও আমার কাছে গ্রহনযোগ্য হলো না। ফলে এই ব্লগপোস্টের অবতারনা...

ক) আমেরিকায় গিয়ে নাকি তিনি প্রথম এই ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তন দেখেন। তখন এটাকে জীবনের একটা বড় ধাক্কা হিসেবে তাঁর মনে হয়েছে। এটা চালু নাকি একটা বিরাট দন্ডযজ্ঞ।

স্যারের অবগতির জন্য জানাতে চাই, বাংলাদেশে থেকেও আমার মনে হয় না এটা চালু করা কোন বড় সমস্যা। ১৯ জুন রাতে চালু হলে ২০ জুন সকাল থেকে সব পত্রপত্রিকা, টিভি চ্যানেলে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের কথা বললেই হয় (এক ঘন্টা যোগ)। সবকিছু আগের সময় অনুযায়ীই চলবে।

খ) স্কুলের সময় অপরিবর্তিত থাকার কথা বলা হয়েছে। আসলে ৮টার স্কুল ৮টায়ই থাকবে, ৯ টার স্কুল ৯টায়ই থাকবে। সরকার হয়তো একথাটিই বলতে চেয়েছে। তবে ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ করে তারপর স্কুলে আসতে হবে।

সময় পরিবর্তন হবে একমাত্র নামাজের ক্ষেত্রে। এটা খুব সহজভাবে সম্ভব। সকল নামাজের সময়ের সাথে একঘন্টা যোগ করলেই নতুন নামাজের সময় নির্ধারিত হবে। সরকার এখনও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি সেটাই আশ্চর্যের বিষয়...

গ) জাফর ইকবাল স্যার বলেছেন, আমাদের দেশ বিষুব রেখার কাছাকাছি দেশ। এখানে শীত ও গরমকালের মধ্যে দিনের আলোর পার্থক্য কম। তাই ঘড়ির কাটার পরিবর্তন করে কোন বিশেষ ফল লাভ হবে না।

স্যারের অবগতির জন্য জানাতে চাই, গরমকালে দিনের আলো থাকে প্রায় ১৪ ঘন্টা, আর শীতকালে থাকে সর্বোচ্চ ১০ ঘন্টা। এই ৪ ঘন্টার পার্থক্য কি কম? এখান থেকে একঘন্টা এগিয়ে এনে তার সফল ব্যবহার করলে আমাদের কী ক্ষতিটা হবে? সরকারের তো এই খাতে এক পয়সাও খরচ হওয়ার কথা নয়। দুই পয়সা লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ক্ষতি কি?

ঘ) সবশেষে তিনি যে পুরোনো ও নন-টেক যুক্তিটি দিয়েছেন, তাতে কেবল হতাশই হয়েছি। এটা যদি লেখক হুমুয়ুন আহমেদ বলতেন, কিছুই মনে করতাম না। যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরির সাবেক গবেষকের মুখে এটা কতটা মানানসই? তিনি বলেছেন, ঘড়ির কাটার পরিবর্তন না করে সরকার যদি সব অফিস আদালত, স্কুল কলেজ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবাইকে একঘন্টা আগে শুরু করে একঘন্টা আগে শেষ করে দেয়ার নির্দেশ দেয় তবে কাঙ্খিত ফলটি পেয়ে যাবে অনেক সহজে...

স্যারের কথায় একটা ব্যাপারে আশ্বস্ত হওয়া গেল যে "কাঙ্খিত ফল" বলে এখানে একটি বিষয় আছে তাহলে। কিন্তু সেই ফলটি লাভ করতে হলে সরকারের শুধু নির্দেশ দিলেই চলে না। কেউ মানবে তো কেউ মানবে না। আমাদের সরকারের তো তেমন কোন দক্ষতা বা যোগ্যতা নেই যে জনগণকে আইন মানতে বাধ্য করবে। ফলে সমস্যা থেকেই যাবে। তাছাড়া সবচেয়ে ব্ড় ব্যাপার হচ্ছে... লাইফস্টাইলের পরিবর্তনতো হবে না... একটা উদাহরন দিলে আশা করি সহজ হবে...

আমাকে যদি সকাল ৯টার পরিবর্তে সকাল ৮টায় অফিসে আসতে বলা হয় তাহলে কি এটা সহজ কাজ হবে? একঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। খুব কষ্টসাধ্য হবে বৈকি। এখন আমিতো রাত ১২টায় ঘুমাতে যাই। নুতন অফিসের সময় অনুযায়ী আমাকে এখন রাত ১১টায় ঘুমাতে যাওয়া উচিত। কারন সকাল ৬টায় আমাকে ঘুম থেকে উঠতেই হবে।

জাফর স্যারের কথা অনুযায়ী অফিসের শুরু ও শেষ একঘন্টা আগে করা গেলেও আমার রাতের ঘুমাতে যাওয়ার সময় কিন্তু এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ঘড়ির কাটায় পরিবর্তন হলে আমি তখন আপনা আপনি রাত ১১টায় (পূর্বের সময়) ঘুমাতে যাবো।

ডিএসটি চালু হলে বা গরমকালে ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ করা হলে লাইফস্টাইলে কোন পরিবর্তন হবে না। সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে আগের মতই চলবে। বিমানের সময়্ও অপরিবর্তিত থাকবে।

এটা বহু বছর ধরে পরীক্ষিত একটা পদ্ধতি। উন্নত দেশগুলি এর থেকে কাঙ্কিত ফল লাভ করছে। আমরা এখনো শুরু করতে পারিনি...

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমেরিকায় অনেকদিন যাবত চলতেছে এই জিনিস। এখনও বিশাল সংখ্যার মানুষ মনে করে এতে কোন লাভ হয় না। বাংলাদেশে দেখা যাক কি হয়?

"এটা যদি লেখক হুমুয়ুন আহমেদ বলতেন, কিছুই মনে করতাম না। যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরির সাবেক গবেষকের মুখে এটা কতটা মানানসই?" :)

বেল এ কাজ করলে সে কোনও ভুল করতে পারবে না, যদিও এখানে ভুল হয়নি, উনি ওনার মতামত ব্যক্ত করেছেন মাত্র।
২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ নাজিম ভাই। জাফল ইকবাল স্যার গণিতে পাকা। টেকনিক্যাল বিষয়ে অত্যন্ত সাউন্ড.... এটাই বোঝাতে চেয়েছি। উনার মত মানুষ এটা না বুঝলে আমরা কীভাবে বুঝবো?

আমেরিকার বিশাল সংখ্যক মানুষ মনে করতে পারে যে এটাতে কোন লাভ নাই। এ বিষয়টা খুবই টেকনিক্যাল। বুঝতে খটকা লাগে।

সবাইকে বুঝতে হবে এমতো কোন কথা নাই। কেউ কেউ বুঝলেই যথেষ্ট। যারা দেশ চালায়, তারা বুঝলেই হয়।

সবার মতামত নিয়ে কি দেশ চালানো যায়?

মতামতের জন্য আবারো ধন্যবাদ
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

লেখক বলেছেন: লিংক কই পাই... পড়ছি তো কাগজে। আইচ্ছা দেখি...

৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৬
ফালতু মিয়া বলেছেন: ঘড়ির কাটার পরিবর্তন না করে সরকার যদি সব অফিস আদালত, স্কুল কলেজ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবাইকে একঘন্টা আগে শুরু করে একঘন্টা আগে শেষ করে দেয়ার নির্দেশ দেয় তবে কাঙ্খিত ফলটি পেয়ে যাবে অনেক সহজে...সহমত। কেন এতে আপনার কোন সন্দেহ আছে? ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে নেয়ার চেয়ে অফিস সময় একঘন্টা এগিয়ে নিলে তো ল্যাঠা চুকে যায়। খামাখা ঝামেলা করার দরকার কি?
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১৮

লেখক বলেছেন: আপনার বুদধি অনেক অনেক বেশী।
আপনি ফালতু কথা বলতেই পারেন না...

৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৩
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি জানি না লাভ হবে না ক্ষতি। তবে, আমার মতে সময় এগিয়ে দিলে সেটার মানুষ খুব একটা টের পাবে না। ২ দিন পরে সব আগের মত হয়ে যাবে। ৮ টা তেই ত ক্লাসে যাব। ২ টা তেই ত আসব। সময়ের পরিবর্তনটা টের পাব না।



অঃটঃ মনে হল, কার মুখে যেন একটা জোক শুনছিলাম, এক ঘণ্টা সময়ে এগিয়ে দিলে যদি ১০০ মেগাওয়াট ইলেক্ট্রিসিটি সেইভ হয়, তাহলে সময় ৫ ঘণ্টা এগিয়ে দিলেই পারে। ৫০০ মেগাওয়াট সেইভ হবে। দেশের সমস্যা সমাধান।


খেক খেক খেক খেক (জাস্ট কিডিং)
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:২৮

লেখক বলেছেন: খেক খেক খেক। অনেক ধন্যবাদ। আমার ব্লগে স্বাগতম

৮. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
নোমান মীর বলেছেন: ভাই।
স্যার যা লিখছে ঠিকই।
আমরা কর্কট ক্রান্তীয় অঞ্চলে আছি।
দিন রাতের পাথক্য খুব কম।
ঘড়ির কাটা যেখানে আছে সেখানে থাকাই ভালো। সরকার পারলে ব্যাটারি ( বিদুত ) সাপ্লাই দিক।
যতসব আকাম চিন্তা করছে এই ছরকার।
তবে আমি আশা করছিলাম স্যার সরকারের পক্ষে থাকবে।
এই ছরকারের কাজ কমের বিরোধিতা করা স্যারের ঠিক না। শত হলেও মহাজট ছরকার।




১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ৪ ঘন্টা পার্থক্য ভাই। একেবারে কম না...

আকাম চিন্তা করে ছরকার? এইটাতো ভাই ছরকার করে নাই। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের কোন মেধাবী জুনিয়র কর্মকর্তা হইতে পারে...

পরধান মন্ত্রী আইজ পর্যন্ত কোন কতা কয় নাই এই বিষয় নিয়া। তার মানে তিনিও কিছুই বুঝেন নাই বিষয়টা... হাহা হাহা

আবার জাফর স্যারও হয়তো বিষয়টা বুঝেন নাই...

৯. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: জাফর ভাই আম্রিকায় ছিলেন।
তিনি জানেন এর উপকারিতা বিষয়ে।
তারপরও তার এই লেখার মাজেজা বুঝলাম না।
১০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: জ্বি ভাই আমিও আপনার সাথে একমত। জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমরা যদি প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি ইনশ আল্লাহ আমরা সফল হবো। অপচয়ের হাত থেকে বাঁচবো। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জণ করতে পারবো।
১১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫২
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: তিনি বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলেছেন বলে মনে হচ্ছে। এখানে(লন্ডনে) এটা সিস্টেমেটিক্যালি হয়ে থাকে। অনেক দেশেই এই সিস্টেম চালু আছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা হতে পারে সময় পরিবর্তন নিয়ে বিপত্তি হতে পারে। কারণ দেশে এখনো ডিজিটাল টাইমের সেন্ট্রালাইসড কোন সিস্টেম নাই যেটা উন্নত দেশে আছে বলে খুব সহজ। সময় সবখানে একসাথে অটোমেটিক পরিবর্তন হয়ে থাকে।

এটা নিয়ে মর্মাহত হওয়ার মতো তো কিছু দেখিনা। উনি উনার মতো করে বলেছেন। তাছাড়া সময় পরিবর্তনের কারণে যে দেশে অনেক উন্নতি হয়ে যাবে কিংবা খুব ডেলাইট কাজে লাগাবে, আমি মনে করিনা। কাজের ড্রাইভিং ফোর্স কিন্তু মানুষ সো একঘন্টা পরিবর্তন মানুষকে পরিবর্তন করতে পারে না। মানুষের পরিবর্তন হওয়া উচিত।
বিষুব রেখা নিয়ে যেটা বলেছেন সেটা ঠিকই বলেছেন। কেন বলি..... আমাদের এখানে শীতে সূর্য্য ডুবে ৩-৪টায়, সামার এ ডুবে প্রায় ৯-১০ টায়। সো এখানের সাথে বাংলাদেশের সময় পরিবর্তনের যুক্তিকথা এক না।
এটা আমার চিন্তা, আপনি আবারআমার কথায় মর্মাহত হয়েন না।:)
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৫

লেখক বলেছেন: ডিজিটাল সিস্টেমের সেন্ট্রালাইজড কোন সিস্টেমের কথা বলেছেন।

ভয় খাইছি ভাই... আপনার কথার আগামাথা কিছুই বুঝি নাই ভাই...

মানুষের পরিবর্তন হওয়ার কথা বলেছেন.... মানুষ কি আপনা আপনিই পরিবর্তন হয়ে যাবে? তাহলে তো সরকার বা সুশসন বলে কোন শব্দের প্রয়োজন ছিল না...

শীত গরমের দিনের আলোর পার্থক্য আমাদের দেশে ৪ ঘন্টা। এটা মোটেও কম নয়।

একঘন্টা কাজে লাগানো মানে দেশের মোট উৎপাদনশীলতা কমপক্ষে ৫% বাড়ানো। আমি বাজি ধরে আপনাকে একথাটি বলতে পারি। যারা জিডিপির হিসাব নিকাশ করেন বা বুঝেন, তারা এটি আরও ভালভাবে বলতে পারবেন...

মতামতের জন্য ধন্যবাদ

১২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৫
জেড ইসলাম বলেছেন: আপনি বলেছেন:
আমাকে যদি সকাল ৯টার পরিবর্তে সকাল ৮টায় অফিসে আসতে বলা হয় তাহলে কি এটা সহজ কাজ হবে? একঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। খুব কষ্টসাধ্য হবে বৈকি। এখন আমিতো রাত ১২টায় ঘুমাতে যাই। নুতন অফিসের সময় অনুযায়ী আমাকে এখন রাত ১১টায় ঘুমাতে যাওয়া উচিত। কারন সকাল ৬টায় আমাকে ঘুম থেকে উঠতেই হবে।
বাহ.. বাহ.., আপনার বুদ্ধির প্রশংসা করতে হয়। আপনার মত বুদ্ধির ঢেকিরই এইদেশের কান্ডারী হওয়া উচিৎ, হয়েছেও তাই।
আপনাকে এখন সকাল ৯টার পরিবর্তে ৮টায় অফিসে আসতে বলা হলে একঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হবে, তাহলে নতুন সময়সুচি অনুযায়ী আপনি কি আগের সময়ের চেয়ে একঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠবেন না ? নাকি সুয্যি মামা আপনার জন্য একঘন্টা আগে উদয় হবে ? সেটা অবশ্য হতে পারে যদি আপনি বর্তমান ডিজি-টাল কইন্যার মত চিন্তাধারার হয়ে থাকেন।
এই পদ্ধতি চালু করা আর মরা গাছে পানি দেওয়া একই কথা।
১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনার বুদ্ধির প্রশংসা না করে পারলাম না। আপনার পদ্ধতিতে আপনার ঘুমের মোট সময় এক ঘন্টা কমে যাবে না? আপনি অংকে এতো কাচা কেন? জাফর স্যার তো অংকের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ান...

ডিএসটি চালু হলে ঘুমের সময় যদি একই থাকে তবে ঘুম থেকে উঠতে কোন কষ্ট হবে না....

বিষয়টা নিয়ে একটু সময় নিয়ে ভাবুন, আশা করি বুঝতে অসুবিধা হবে না...

১৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১৯
মনুমনু বলেছেন: জাফর ইকবাল স্যার এর সাথে একমত।
আপনার সাথে মত নাই।
বিষুবিয় অন্চলে মেরু অন্চলের নিয়ম কার্যকর না হবার ই আশন্কা।
আজব ভুমিরে ভাই। নিজস্ব ফর্মূলা বানাইতে গরজ নাই। ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমও নিজস্ব ফর্মূলায় বানানো দরকার, কিন্ত বিটিশ নিয়মে চলছে । ঘড়ির কাটার ব্যপারটাও হতাশাজনক।
স্যারকে প্লাস
১৪. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৫
মনুমনু বলেছেন: জেড ইসলাম বলেছেন ..এই পদ্ধতি চালু করা আর মরা গাছে পানি দেওয়া একই কথা।
একমত।
আসেন ভাই গলাগলি কইরা কান্দি। হালায় কেডায় যে এই বুদ্ধি বাইর করল ।
১৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৯
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ডিজিটাল সিস্টেমের সেন্ট্রালাইজড কোন সিস্টেমের কথা বলেছেন।

ভাই ঘড়ির কথা বলেছি। এনিওয়ে নেভার মাইন্ড। মানুষের পরিবর্তন নিয়ে বললাম এক ঘন্টা আগানো পেছানোতে মানুষ খুব কর্মঠ হহয়ে যাবে না কিন্তু।

একঘন্টা কাজে লাগানো মানে দেশের মোট উৎপাদনশীলতা কমপক্ষে ৫% বাড়ানো। >>>>>> মানুষ আটঘন্টার পরিবর্তে কিন্তু নয়ঘন্টা কাজ করবে না। কাজের সময় সমানই থাকবে সো উৎপাদনশীলতা কিসের উপর পরিমাপ করলেন বুঝলাম না।
একঘন্টা আগানোর প্ল্যানটা মুলত ডেলাইট সেভিংস এর জন্য। মানে বিদ্যুত খরচ বাঁচাতে। এটা আর্গুয়েবল।
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: গরমকালে সূর্য উঠে ৫টার দিকে। অফিসের সময় ধরা যাক সকাল ৯টায়।
তাহলে সূর্য উঠা থেকে অফিস পর্যন্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে ৪ ঘন্টা।

শীতকালে কিন্তু সূর্য উঠে ৭টার দিকে। তখন কিন্তু ঘুম থেকে উঠেই পরিমরি করে অফিসে যেতে হয়।

গরমকালে ৮টায় অফিস হলে বিছানায় গড়াগড়ি দিয়ে সময় নষ্ট করার তেমন সময় থাকবে না। অর্থাৎ একঘন্টা সময় কাজে লাগলো।

এখন আমি যদি ৮ ঘন্টাই কাজ করি তবে প্রডাকটিভিটি বাড়বে না, একথা সত্য। কিন্তু সবাই তো আমার বা আপনার মত নাও হতে পারে। ওভারটাইমের সুযোগ যেহেতু একঘন্টা বেড়ে যাচ্ছে সেখানে অন্তত অর্ধেক মানুষই ওভারটাইম করতে চাইবে। স্বল্প আয়ের লোকেরা ওভারটাইম করতেই চাইবে। এতে করে কি দেশের এক্সপোর্ট অর্ডারগুলো কিছুটা আগেই সম্পন্ন হয়ে যাবে না? উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি বলতে আমি এটাকেই বোঝাতে চেয়েছি...

মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ

১৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
ভাদাইম্যা পোলা বলেছেন: আমার এক বন্ধু বলেছিল, আগে মানুষ এক ঘন্টা দেরী করে অফিসে যেত এখন যাবে দুই ঘন্টা দেরীতে।
প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড। জাস্ট ফর ফান। :)
১৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ১৩ নাম্বার কমেন্টটা যুঁথসই হইছে।
ওয়েল সেইড@মনুমনু
১৮. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
রিয়াজ উদ্দিন বলেছেন: জাফর স্যার বুঝেন নাই। এই কথা ঠাহা মিথ্যা।
সবই বুঝতে পেরেছেন। কলাম লিখে তার একটা ব্যাখ্যা তিনি দিলেন।
জয় গুরু।
১৯. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
জেড ইসলাম বলেছেন: মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: জ্বি ভাই আমিও আপনার সাথে একমত। জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমরা যদি প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি ইনশ আল্লাহ আমরা সফল হবো। অপচয়ের হাত থেকে বাঁচবো। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জণ করতে পারবো।

ভাই মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান, আপনি কোন গ্রহ হইতে এই দুনিয়ায় অবতরন করিয়াছেন ? এই শয়তানের দেশে আপনি কিভাবে সেই ফেরেশতা খুজিয়া পাইয়াছেন, যাহারা প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করিয়া আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জণ করিবে ?
এদেশের মানুষের জন্য আপনার উক্তিটি আমার নিকট বড্ড আহাম্মকি মনে হইয়াছে।
২০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
রিয়াজ উদ্দিন বলেছেন: জাফর স্যার বুঝেন নাই। এই কথা ঠাহা মিথ্যা।
সবই বুঝতে পেরেছেন। কলাম লিখে তার একটা ব্যাখ্যা তিনি দিলেন।
জয় গুরু।
২১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪২
জেড ইসলাম বলেছেন: সবসময়ই একটা চিন্তা মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকে, এই দেশের মানুষগুলি এত বেকুব, গর্ধভ হয় কি করে !!!
এই বেকুব আর গর্ধভ রামছাগল মানুষগুলির জন্যই দেশের এই করুন অবস্থা।
২২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
বিবেক হীন বলেছেন: জাফর স্যার ঠিক। আপনি ভুল বলছেন।
২৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৫
মিলটন বলেছেন: আমীন ভাই অনেক দিন পরে। দেখা যাক ১৯ তারিখ থেকে কি হয়। আমি এটা অনেক আগে একটা ফান পোষ্ট দিয়েছিলাম।
২৪. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮
স্বাধীনতার চরমপত্র বলেছেন: আপনি কিছুই বুঝেন নাই। বলেন তো কী ধরণের প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি কাজে দেবে? এবং কোন সেক্টর এ কতটুকু সাশ্রয় করা সম্ভব? শুধু ঘুম দিয়ে বিচার করলেই হবে? সবকিছু হিসেব করে একটা পোস্ট দেন। কে কী বলল তাতে কী? এখন আমার প্রশ্নগুলার উত্তর দেন।
২৫. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
হোলা বিলাই বলেছেন: কই কই জানি হুনছি ডিএসটি তামশা যারা করতেআছে তারা এটা বনধের চিনতা করতাছে
একারনেই এটা বাঙলাদেশে চালু হইতাছে মনে হয়, বাল ছরকার তো আবার রদা জিনিষে মজা পায় বেশি

খালি ছরকারি অফিছের আর রাসতার বাতি ঠিকমত ব্যবহার হইলেই ২০০ মেওয়াট বাচবো
২৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
একজন সুখীমানুষ বলেছেন: জাফর স্যারের সাথে আমি একমত। আমি তার লেখাটি পড়েছি। তার কথাগুলি যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: হুমমমমমমম....

২৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
নোমান মীর বলেছেন: স্বাধীনতার চরমপত্র আপনাকে বলিছ.....
লাভের গুর পিপড়ায় খেয়ে ফেলবে। কাজের কাজ কিছু হবে না।
নামাজের সময় নিরধারনে বিভ্রান্তি হবে। সবচেয়ে সমস্যা হবে আসর ও মাগরিবের নামাজে।
কারণ এই দুই নামাজের সময় কম। তারপর চিরস্খায়ী নামাজের সময় সমস্যা হবে।
ব্যাপারটা এমন যে।
১ ঘন্টা আগালে যা হবে তা হল....নতুন কিছু হবে
নতুন কিছু কররে সবাই নতুন কিছু করো
পা দুটি উপের দিয়ে মাথা দিয়ে হাটো
২৯. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
রোহান বলেছেন: লিখাটায় কিন্তু আসল কথা ছিলো ঘড়ির সময় আগিয়ে আনার জটিলতাগুলো তুলে ধরা। মাঝের গুরুত্তপুর্ণ পয়েন্টগুলা না বইলা আপনি হুদাই জাফর ইকবাল রে নিয়া ফান করলেন... কি আজব??!!

দেখেন ঘড়ির কাঁটা এগোনো - পেছানো নিয়ে আমাদের মতো একটা দেশে অবশ্যই আগে থেকে প্রচারণা থাকা দরকার। আমি নিজেই গতকাল আমার ড্রাইভার কে বললাম, সে কিছুই জানে না। মিডিয়া এমনকি খোদ বিটিভিতেও তেমন প্রচারণা নেই। হটাৎ করে নিশ্চয় গ্রামের একটা লোক ২০ তারিখ সকালে উঠে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে গেছে এটা বুঝতে পারবে না তাই না? আপনি আমি কিংবা শহুরে শিক্ষিত সমাজের কিছু অংশ এটা পরিস্কার বুঝছি কিন্তু এই দলে আর কয় জন!! যখন শিক্ষিত সমাজ কিংবা মিডিয়া নিজেই কনফিউজড তখন সাধারন মানুষের জন্য এটাতে অ্যাডাপ্টেড হওয়া আরও কঠিন নয় কি?
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ধরেছেন। সরকার যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা ডিএসটি চালু করবে তো এরজন্য যা যা দরকার তা-ই করবে। প্ত্রপত্রিকা, টিভি, মোবাইল ফোন ইত্যাদিকে কাজে লাগাতে পারে। যদি না করে তবে তা সরকারেরই সমস্যা বা অযোগ্যতা হবে।

আমি তো ভাই এ প্রসংগে আসি নাই। আমাকে যদি বলেন তো আমি ২০ তারিখের মধ্যে ৯০ শতাংশ মানুষের কাছে বার্তাটি সহজভাবে পৌছানোর ব্যবস্থা করতে পারি কোন খরচাপাতি ছাড়াই...

প্রশ্ন হচ্ছে, ডিএসটি আদৌ চালু করতে পারবে কিনা সরকার। যেভাবে সকল মহলের মতামত প্রকাশিত হতে চলেছে, এতে সরকার তার জনপ্রিয়তা হারানোর ভয়ে শেষে না আবার বাদ দেয়...
মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ...

৩০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: জনাব জেড ইসলাম, আপনিও কিন্তু এদেশের ই মানুষ।
৩১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
আবু তাশফীন বলেছেন: জাফর ইকবালের পড়াটি না পড়েই বলছি,

আমাদের অন্ধ অনুকরনের যে বাতিক, সরকারের সিদ্ধান্তটি সেরকম মাত্র। এর সুদূরপ্রসারী ফলাফল নিয়ে মনে হয়না এরা চিন্তা ভাবনা করেছে।

সময় পরিবর্তনের মানে - ডে লাইট সেভিং। মেরু থেকে দূরের দেশগুলোতে দরকার কারণ শীতকালে দিনের সময় খুব কম বলে। বাংলাদেশে সে সময়টা অতো কম নয়। আপনি বলেছেন ১০ ঘন্টা। তাহলে আমার মতে, সারা বাছরের জন্য ৯-৫ টা অফিস অথবা বা ৮-৪ টা অফিস কি যথেষ্ঠ নয়? শীতকালে সূর্যাস্তের সময় কতো? সময় আগে-পিছে নিয়ে কি কোন পার্থক্য সৃষ্টি হবে?
৩২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
দিগন্ত বলেছেন: Click This Link

একটু পড়ে নিন। চিন ১৯৮৬ সালে ডিএসটি শুরু করেছিল, ১৯৯২ সালে বাতিল করেছে। কারণ জানতে ইচ্ছুক ...
৩৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
রোহান বলেছেন: শীত গ্রীস্ম ভেদে অফিস সেগমেন্ট দুটো করলেই হয়, ৯টা - ৫টা আর ৮টা - ৪টা....

৩৪. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
ফজলুল করিম বলেছেন: অনেক আলোচনা হয়েছে।
সোজা কথা আমাদের কাজ ১ ঘন্টা আগে শুরু করতে হবে। আমাদের টাইমিং ঠিকই থাকবে।

দিনের আলো বেশী ব্যবহার। আমার জানা নেই দেশের কোন অফিস, ব্যাংক, র্মার্কেট, কোন প্রতিষ্ঠান, ব্যাবসা প্রভৃতি কারা কত % দিনের আলো ব্যবহার করে। সকল বড় বড় কোম্পানী/অফিস/মার্কেট ০%

দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা বর্তমান সময়ে কাজ শুরূ করে ৭ টায়। অর্থাৎ তারা অন্তত ৫টায় ঘুম থেকে উঠে বাসার সকল কাজ সেরে ৬টা বা ৬:১৫ এর মধ্যে বাহির হয় অফিস এর উদ্দেশ্যে। নতুন নিয়মে সময় একই কিন্তু ১ ঘন্টা আগে। তাদের কথা বিবেচনা করা উচিত।

দেখা যাক ১৯ তারিখের পর আরও কত নতুন নতুন সমস্যা বা উদ্বেগ তৈরী হয়।
৩৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০১
বর্তমানবাংলা বলেছেন: ভাই ভোর ৪.৩০ টায় অফিসে আসতে হয়
আর কাজ শেষে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরি ১১টায় ভাবেন বো প্রথম কয়দিন আমার কি অবস্থা হবে

১৯ তারিখের পরে ৪.৩০ এ অফিসে আসতে হলেও বর্তমান সময় হিসেবে ৩.৩০ কেমন লাগবে

৩৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৪
বর্তমানবাংলা বলেছেন: ও হ্যাঁ রেগুলার সেভ এব অবশ্যই পরিপাটি পোসাক তাতে প্রায় এক ঘন্টা যায়
৪০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
মামদো ভুত বলেছেন: জাফর স্যার মহাজ্ঞানী
কিন্তু ভন্ড
নিজের ভাইকে নিয়ে কিছু বলেনা
অাহসান হাবীব একই কথা
লুইস হুমায়ুন কে নিয়ে কোন ব্যঙ্গ করে না
৪১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮
সিংহ বলেছেন: 100% agree with article writer. Don't know why Jafor Iqbal and some of his disciples are opposing it.
৪২. ১৫ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
হুনার মন্দ বলেছেন: আবু তাশফীন''এর কথার সাথে আমি পুরোই একমত। এই যুক্তিটা আমার কাছে অখন্ড মনে হইছে। এখন বাংলাদেশে সন্ধ্যা হয় ৭ টার দিকে। আর সকালে ফযরের আযান দেয় ৪টার দিকে। আরো সময় লাগবো!!! আরো্ ডে-লাইট লাগবো!!!! এইটা শুধুমাত্র "ডিজিটাল বাংলাদেশ"-প্রোপাগাণ্ডার কারণেই হইতাছে। পরবর্তী নির্বাচনের ম্যান্ডেট রেডি করতাছে সরকার। বিরোধীদলও কিছুই কয় না। আমার প্রশ্ন হইতাছে বাংলাদেশে এক সংসদেই যেই পরিমাণ বিদ্যুত অপচয় হয়...সরকারী অফিস আদালতেই যেই পরিমাণ অর্থ এবং সম্পদ অপচয় হয় তা ঠিক না কইরা ডে-লাইট লইয়া অন্তত এই কয়েক মাসে ফালাফালি অর্থহীন। কারণটা আবু তাশফীন দারুন ভাবেই কইছে। জাফর ইকবাল সঠিক বলেছেন। তিনি বাংলাদেশে এই বিষয়টার প্রচলন নিয়াই বলছেন। আর গ্রামীন মানুষজন এমনিতেই ডে-লাইটে কাজ করে। সকালের আযান আর সন্ধ্যার আযান...এইটাই তাগো দিনের সীমা। জাফর ইকবালরে যারা চেনে না...বা হুআ'র ভাই হিসেবে চিনে হেরাই খালি উল্টাপাল্টা ব্যক্তিগত আক্রমন কইরা জিততে চায়। ধিক্কার তাগোরে।
৪৩. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: জাফর স্যারের সাথে আমি একমত। বাংলাদেশের মত
গরীব দেশে এই জিনিসটা টেকনিক্যালি কতটা উপযোগি আমার
মনে সত্যিই প্রশ্ন জাগে। স্পেশালি সা'ভিস রিলেটেড সেক্টরগুলোতে
আমাদের চেঞ্জ আনতে হবে এই ডেলাইট সেভিং টাইমের জন্য,
কিন্তু প্রবলেম হল আমরা অন্যদের ফেলে দেওয়া টেকনলজি ব্যবহার
করি গরীব দেশ বলে, তাই যখন এই চেঞ্জের কথা আসছে
তখন এই টেকনজির জন্মদাতা টাকা নিবে(পুরোনো সিস্টেম বলে) আর ও ইত্যাদিইত্যাদি। যাউকগা আপনি একবার চিন্তা করুন ট্রেনের সিগন্যালম্যান কিন্তু
এত শিক্ষিত নাঃ যে দিন টাইম চেঞ্জ সেদিন রাতে কেউ যদি
বাহির হন একটু সাবধানে থাইকেন।
৪৪. ১৫ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: মামদো ভুত বলেছেন: জাফর স্যার মহাজ্ঞানী
কিন্তু ভন্ড

----------------------------------------------------

একমত।
৪৬. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
সাইফুর বলেছেন: আমীন ভাইই..অনেক দিন পরে দেখলাম আপনাকে
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: আ্যারে ভাইজান, কেমন আছেন? আমনে কোন কতা কননা কিল্লাই। আমার এই পোস্ট তো মন্তব্যের বন্যায় ভাসতাছে। আমিও জবাব দিতে দিতে টায়ার্ড। সবাইকে ধন্যবাদ দিয়া একটা পোস্ট দিমু ভাবতাছি...

৪৭. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৪
রাফা বলেছেন: ধন্যবাদ ,সহমত।উন্নত দেশে এটি পরিক্ষিত এবং সাক্সেসফুল।আশা করি বাংলাদেশও সফল হবে।
১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: কেমন আছেন? অনেকদিন পর...

যদি সরকার শেষ পর্যন্ত চালু করতে পারে তো সফল হবে। না হলে নয়...

৪৮. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:২৮
রাফা বলেছেন: ভালো আছি ; অনেকদিন পর নয় নিয়মিতই আছি ,আমার ব্লগে পদার্পন করলেই বুঝতে পারবেন ।ধন্যবাদ
৫০. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
ভাদাইম্যা পোলা বলেছেন:

আজকের প্রথম আলোর রস+আলো থেকে
৫১. ১৫ ই জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
অ্যালন বলেছেন:
ভাইরে..য়ুপোকার য়পকার বুঝিনা..৬মাস্পর্পর টায়িম পাল্টানোতে য়নেক ঝামালাতে পরি..য়েক্মাসের মত লাইগা জ্বায় সেটোইতে..:(
৫২. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪১
তৃষ্ণার্ত পথিক বলেছেন: বাংলাদেশের এখনো সেই বয়স হয় নাই। জাফর স্যারের কথাগুলি আমার যথেষ্ট যুক্টিযুক্ত মনে হয়েছে।
১৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের কবে বয়স হইবে?

৫৩. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৮
আলেকজান্ডার ডেনড্রাইট বলেছেন: জাফর মশাই এতসব ভুল ভ্রান্তিকর ঘড়ির কাটা বদলের পরিবর্তে বিশেষ একটি দাবি করিয়াছেন লিখার শেষে।
"উহার পরিবর্তে সাপ্তাহিক ছুটির দিন কবে হইবে, উহা নির্ধারণ করা হউক।"
উহার মাঝে ধর্ম প্রাণ ম্লেচ্ছ প্রজাতি ধর্মদ্বেষের গন্ধ খুজিয়া পাইবেন বলিয়া বোধ হয়।
৫৬. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৪
মানুষ এনেছে গ্রন্হ বলেছেন:
আমেরিকায় শীত কালে দিন ছোট হয়ে যায়, এমন কি সাড়ে চারটায় সন্ধা ঘনিয়ে আসে আবার গরমের দিন রাত নটায় সুর্য ডোবে । সেই কারনে ডে লাইট সেটিংস দিয়ে সুবিধা হয়। উইকিপিডিয়া অনুযায়ী ক্যালিফোর্নিয়ায় গবেষণায় মাধ্যমে জ্বালানী বা বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিতর্কিত।

বাংলাদেশে ডেলাইট সেভিংস উর্বর মস্তিস্কের ফসল। যার বদলে প্রয়োজনে অফিস আদালত ইত্যাদিতে সময় পরিবর্তন হয়ে থাকে সেটি আবার পরিবর্তন একই ফলাফল আনতো ।

জাফর ইকবাল স্যারকে তার সৎ মতামতের জন্য শ্রদ্ধা ।
৫৭. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩২
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন: জাফর স্যার এর সাথে একমত । আপনার সাথে নই।
৫৮. ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
কারণ মুহম্মদ জাফর ইকবাল বাঙালি জাতিকে ভালো মতোই চিনেছেন, আপনি চিনেন নাই।
আমিও যেহেতু তার মতো দেশেই থাকি-- তার সাথে একমত।
৫৯. ১৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২১
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ সবার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য। সময় হলে এ নিয়ে আরও লেখার ইচ্ছে আছে....
৬০. ১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:২৭
হুনার মন্দ বলেছেন: লেখক সাহেবের কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে। আগামী দুই মাসে নতুন সময় সেটিং হিসেবে প্রতিদিন ৮টা থেকে ৪টা অফিস হইলে এবং সকাল ৪.৩০টায় হইলে সন্ধ্যা ৬.৪৫ হইলে প্রতিদিন বাড়তি কয়ঘন্টা সেইভ হয়? আর সাধারণ নিয়ম হিসাবের সাথে এর পার্থক্যটা কি বইলা আপনার মনে হয়?

আর যারা জাফর ইকবাল'রে ভন্ড বলছেন...তারা হুমায়ূনের ব্যাপারটা নিয়া মূলত প্রশ্ন করছেন। আমার একটা প্রশ্ন আছে তাগো প্রতি: এইটা তাগো ফ্যামিলির একেবারেই ইন্টারনাল ব্যাপার। আপনার বড় ভাই এইরকম একটা বিষয় ঘটাইলে তার কথা কি পাবলিকরে বইলা বেড়াইতেন? যতদূর জানি, হুমায়ূন তার নতুন বউরে তার ফ্যামিলির থাইকা দূরে রাখছে। শুধু হুমায়ূনের কারণে যদি সে ভন্ড হয়...তাইলে দ্যাশের কোন মহাপুরুষটা আছে যে ভন্ড না! আরেকটা বিষয়, কাজী নজরুল ইসলাম'রেও এই ক্যাটাগরিতে ফালাইয়া দেওন যায় (ওনাগো যুক্তি অনুসারে), কারণ নজরুল তো বিয়ার রাইতেই বউরে রাইখা পলাইছিলো!!! ওই সময় একটা মাইয়ার জামাই যদি বাসর রাইতেই পলায় তা তার পরিবার ও সমাজ ক্যামনে দ্যাখে সেইটা তো আপনাদের জানার কথা। তাইলে আপনাদের যুক্তি ও অবস্থান কই দাঁড়াইলো?

আর সপ্তাহের ছুটির ব্যাপারটায় কি ধর্মীয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ না সময় ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সময়ক্ষণ কাজে লাগানো? ইসলাম কি বলছে নাকি জুম্মার দিন সারাদিন ছুটি কাটাও! কখনোই না। কাজের মধ্যেই ইবাদত করতে হয়। কাজও একটা ইবাদত। সহজ যুক্তিতেই তা বলে। এর মধ্যে ধর্ম বিরোধিতাকে টেনে আনা গোয়ার্তুমি।

ধন্যবাদ।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার উল্লেখিত বিষয় এখানে অবান্তর.... হা হা হা

ডিএসটি নিয়াই কথা কন ভাই...

জাতীয়তাবাদী দোকানমালিক সমিতি এখন উইঠা পইরা লাগছে দোকান বন্ধের সময় রাত ৯টা করতে।

তারা কর্মচারীগো ১০ ঘন্টার জায়গায় ১১ ঘন্টা খাটানোর ফন্দি বাইর করছে... দেখা যাক কি হয়...

৬১. ১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
কক বলেছেন: ঘড়ির কাটা ১ ঘন্টা আগালে ঘোড়ার ডিম হবে।
৬২. ১৬ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
হুনার মন্দ বলেছেন: আর আরেকটা বিষয়: দেশের কয় পার্সেন্ট মানুষ ওভারটাইম করে ভাই? ১%? ৫%? এর বেশি কোনভাবেই না। কারণ ম্যাক্সিমাম অফিসে এখনও ওভারটাইম বইলা কোন বিষয় নাই। ব্যাংক দ্যাখেন, এজেন্সীগুলা দ্যাখেন, এনজিওগুলা দ্যাখেন? মূল বিদ্যুত বাচাইতে চাইলে শপিং মলগুলার অধিক আলোর উপরে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে..বাস্তবায়ন করতে হবে। এইগুলা কয়টা শহরে আছে? এক বসুন্ধরা যদি একমাস একঘন্টা আগে বন্ধ হয় তাই চিন্তা করে কত সেইভ হইবো? কিন্তু তা না! আর ওইটাই যদি টার্গেট থাকে..তাইলে শপিং মল গুলা বন্ধের টাইম ১ ঘন্টা আগাইয়া দিলেই তো হয়! অথবা আলোকসজ্জা কমাইয়া দিলেই তো হয়। সবাই তো আপনের-আমার মতো না! বললেই বোঝে না! তাই প্রয়োজনে সরকার জোর করতে হইবে।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: এখন আর নিষেধাজ্ঞা দরকার নাই ভাই, এমনিতেই হবে ও হচ্ছে। দিনের আলো থাকতে থাকতে ৮টা বাজতেছে।
এখন আবার জাতীয়তাবাদী দোকান মালিক সমিতি রাত ৯টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চাইতেছে.... খবর শুনছেন?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: সরকারতো ঘড়ির কাটা আগানোর চিন্তা বাদ দিছে। এবার দেখেন বিদ্যুতের অবস্থা। গতবারের চেয়ে কতটা খারাপ দেখেন

৬৩. ১৬ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
বাঙ্গাল বলেছেন: চলছে চলুক, যখন যার মুল্লুক
নিন্দুকের মুখে চুন, সিন্দুকে ভরা নুন(?)

১১ টা মাইনাস মোটে?... যুক্তিবাদী জাফর প্রেমিকের দল কোথায় গেলিরে... ঝাকে ঝাকে আয়...
৬৫. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: জাফল ইকবাল স্যার গণিতে পাকা। টেকনিক্যাল বিষয়ে অত্যন্ত সাউন্ড.... এটাই বোঝাতে চেয়েছি। উনার মত মানুষ এটা না বুঝলে আমরা কীভাবে বুঝবো?
৩১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: হুম

৬৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৪
নাহিনরানা বলেছেন: আবার কবে ঘড়ির কাটা বদল হবে?
৩১ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: permanently finished

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কারে বা জানাই বলো
বেদনা আমার,
বুঝিল না কেহ আমারে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই