তো সে সময়ে তিনি ব্রিটেনে পড়তেন, শোনা যায় বেশ নারীবাদী ছিলেন। পার্টিতে তাকে হালকা মদ্য পান করতে দেখা যেতো। বয় ফ্রেনড বিষয়ে কোন খবর পাওয়া যায়নি। তিনি পশ্চিমা ধাচের গনতন্ত্র পসনদ করতেন। নারী আর পুরুষের সাম্য চাইতেন সর্বোপরি শরিয়া আইনে বিশ্বাসই করতেন না। আরো জানা যায় নাচার ব্যাপারে তার তীব্র দুর্বলতা ছিল। এ বেনজির ক্ষমতার লোভে ধর্মান্ধদের সাথে আতাত কইরা ক্ষমতায় গেসে, শরিয়া আইনের নামে বৈষম্যমুলক আইন প্রবর্তনে সাহায্য করসে। একজন ভন্ড জীবন গ্রহন করসে ক্ষমতা যাবার জন্য, জারদারীরে সমানে চুরির সুযোগ দিসে।
যে মৌলবাদিরা তার ক্ষমতা আরোহনে সাহায্য করসিল আজকে তারাই আবার তারে মারেসে কেননা তার প্রয়োহন ফুরাইয়া গেসে। আমি মুর্খ্য মানুষ বেশী বুজিনা তয় ক্ষমতার রাজনীতি করলে এরকমই রেজালট হইবেক। নিজের আর্দশের সাথে গাদ্দারি কইরা রাজনীতি করলে অপমৃত্যু হইবেক। কেননা সমজোতা ভালো জিনিষ মাগার নীতি বিসর্জন আপোষ খারাপ। বেনজীর যা সৃষ্টি করসে বা বাড়তে সাহায্য করসে সেটাই তারে শেষ করসে। বান্গালীদের একটা জিনিষই শিখার আচে সেটা হচ্ছে ধর্ম বেইষদ মৌলবাদিদের রাজনীতি বন্ধ করতে একনই সবার আগাই আসতে হবে।
নাইলে যে বাক স্বাধিনতার জোরে এ সাপ গুলান ফনা তোলে সে বাক স্বাধিনতাই আর একদিন থাকবোনা । তাই আসেন জামাত শিবিরের আর তাগো সার্পোটার গো বিচার কইরা মৌলবাদী রাজনীতির কবর দি শেষ বারের মত। প্রথম ধাপ মৌলবাদি আর ঘৃনা আর ধর্মান্ধদের আর ধর্ম বিদ্বেষীদের রাজনীতির পরোকাষ্টা জামাত শিবিরের বিচার এবং দ্বিতীয় ধাপ ধর্ম বেইস রাজনীতি নিষেধ ঘোষনা করা।
সাবধান ভাইরা
তোমারে বধিবে যে মগবাজারে বাড়িতেছে সে
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



