আমার প্রিয় পোস্ট
- একদা এক ধরাধাম গুরু ন্যাড়া বাবা যেভাবে পরমেশ্বরের অস্তিত্ব প্রমান করিয়াছিলেন - টেলি সামাদ
- প্রতিক্রিয়া - অপ বাক
- ২৮শে অক্টোবর - ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। - এস্কিমো
- ইহার নামই জামাত!!রাজনীতির জন্য যারা ইসলাম কে ব্যবহার করে,আবার ছুড়ে ফেলে!!! - এ. এস. এম. রাহাত খান
- আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামঃ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ১৯৭৫ - ৮২ - বাংলাদেশের ইতিহাসের কালো অধ্যায়ে থেকে নিজেদের মুক্ত করুন। - এস্কিমো
- এই ভালো পেসিমিস্ট আছি! - জামাল ভাস্কর
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৬
আমি এইব্লগে খুব কমই লগ-ইন করি। তাই কারো কোন প্রশ্ন থাকলে আমার বর্তমান ঠিকানায় মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ।
আগের পোস্টে জিমেট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবার জিআরই নিয়ে আলোচনা করা যাক। জিমেট না জিআরই দিতে হবে সেটা আগের পোস্টেই বলেছি।
জিআরই।
GRE মানে Graduate Record Examination। এটা ETS(Educational Testing Service) administer করে। জিমেট এডমিনিস্টার করে পিয়ারসন ভিউ। আগেই বলেছি জিআরই জিমেট থেকে ইজি। বিশেষ করে ম্যাথ পার্টটা পান্তাভাত! জিআরই তে টোটাল স্কোর ১৬০০। ম্যাথ বা কোয়ান্টিটেটিভ ৮০০ আর ভারবাল বা ইংলিশ ৮০০। জিআরই আর জিমেটের মধ্যে অনেকাংশেই মিল রয়েছে।
জিআরই পরীক্ষা হয় প্রমেট্রিক সেন্টারে। কমবেশি ৩.৫ ঘন্টার পরীক্ষা। জিমেটের মত এটিও কম্পিউটার এডাপ্টিভ। ম্যাথ আর ভারবাল ছাড়াও আরো একটা সেকশান রয়েছে যেটাকে এনালিটিকাল রাইটিং এসেসমেন্ট বা জিমেটের মত সংক্ষেপে Essay বলা হয়। এই স্কোরটা আপনার ১৬০০ স্কোরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না। রেজিস্ট্রেশান করতে হবে অনলাইনে ইটিএসের ওয়েবসাইটে। যুক্তরাষ্ট্রে টেস্ট ফি ১৪০ ডলার তবে দেশে ১৭০ ডলার। উল্লেখ্য জিমেট, জিআরই, টোফেল যেকোন পরীক্ষার জন্যই পাসপোর্ট লাগবে আর রেজিস্ট্রেশানের সময় খুব খেয়াল রাখতে হবে যেন পাসপোর্টের নামের বানান আর রেজিস্ট্রেশানের নামের বানান একই হয়। নাহলে পরীক্ষা দিতে দিবেনা। বার্থডেটাও একই হতে হবে।
জিআরই সেকশান কি কি থাকে।
জিআরই তে তিনটা সেকশান নিয়ে কিছু কথা বললাম।
১। Essay: জিমেট আর জিআরই রচনা একই রকম হয়। দুটাতেই আপনাকে দুটা রচনা লিখতে হবে। একটা এনালিসিস অফ ইস্যু আরেকটা এনালিসিস অফ আর্গুমেন্ট। তবে জিমেটে যেখানে দুটার জন্যই ৩০ মিনিট করে সময় থাকে সেখানে জিআরই তে ইস্যুর জন্য ৪৫ মিনিট আর আর্গুমেন্টের জন্য ৩০ মিনিট সময় থাকে। জিআরই-র রচনাগুলো আপনি যদি সায়েন্স পড়তে চান তাহলে খুব গুরুত্বপূর্ণ না, তবে আর্টস, হিউমেনিটিজ পড়তে চাইলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোটামোটি ৪-এর উপরে পেলেই চলবে ৬-এর মধ্যে। জিমেটে যেভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচের কথা বলেছিলাম জিআরই তেই একইভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচ ব্যবহার করে ভাল করা যাবে। তার জন্য সাইফুর'স জিমেট/জিআরই Essay বইটা দেখুন। পরীক্ষা প্রথমে শুরু হয় রচনা দিয়ে। রচনাগুলো লেখার পর ১০ মিনিটের ব্রেক আছে।
২। ম্যাথ বা কোয়ান্টিটেটিভ:
আপনার পরীক্ষার ২য় সেকশানটা ম্যাথ বা ভারবাল যেকোনটাই হতে পারে। ম্যাথ স্কোর টোটাল ৮০০। বাংলাদেশের ছেলেদের জন্য ৮০০ তে ৮০০ পাওয়া খুবই কমন। এখানে জিমেটের মতই হাইস্কুল লেভেলের এরিথমেটিক, এলজেব্রা, জিওমেট্রি, ওয়ার্ড প্রবলেম এসব আসে। মোট ২৮টা প্রশ্নের ৪৫ মিনিট সময় থাকবে। তিন ধরণের প্রশ্ন থাকে। প্রবলেম সলভিং, কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসন আর ডাটা ইন্টারপ্রিটেশান। প্রবলেম সলভিং জিমেটের মতই, আরেকটু হয়ত ইজি। কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসনে দুইটা এক্সপ্রেশান থাকবে, যেগুলোর মধ্যে কোনটা বড়, কোনটা ছোট বা সমান এসব বের করতে হয়। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাকটিস করলে এটা সবচেয়ে সহজ হয়ে যায়। যারা আন্ডারগ্র্যাডে স্ট্যটিসটিকস নিয়েছেন তাদের জন্য ডাটা ইন্টারপ্রেটেশন ডালভাত। না নিলেও ক্ষতি নেই। এখানে সাধারণত পাইচার্ট, বার-ডায়াগ্রাম এসবের উপর ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন থাকে। বলা যায় এটা সবচেয়ে সহজ পার্ট যদি আপনি নার্ভাস না হয়ে যান। কম্পিউটার এডাপ্টিভ হওয়াতেপ্রথম ৮/১০ টা প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেগুলোর জন্য একটু বেশি সময় দিতে হবে। ইদানিংকালে এভারেজ, মিডিয়ান, স্ট্যান্ডারড ডিভিয়েশান, প্রবাবিলিটি এসবের উপর প্রশ্ন আসতেছে। এদিকে একটু নজর দিতে হবে। ম্যাথ কিভাবে পড়বেন সেটা প্রেপ সেকশান বলব।
৩।ভারবাল:
জিআরই-র ভারবাল কঠিন। এতে কোন সন্দেহ নেই। জিআরই-র ভারবাল স্কোর ডিপেন্ড করে আপনি ভোকাবুলারিতে কিরকম সেটার উপর। ভাগ্যের ব্যাপার হচ্ছে সায়েন্সের প্রোগ্রামগুলোতে ভারবাল স্কোরটা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করেনা। মোটামোটি ভারবালে ৮০০-র মধ্যে ৫০০-৫৫০ পেলেই ভাল প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়। তবে হিউমেনিটিজ বা আর্টেসের সাবজেক্টগুলো্তে ভারবাল গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অন্তত ৬০০+ পাওয়া উচিৎ স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য। যাদের ইংলিশ স্কিলস ভাল না তারা কিভাবে ভাল করবেন সেটা জিমেটের পোস্টে বলেছি। তাই ইংলিশ ভাল করার জন্য ৫/৬ মাস কষ্ট করুন যেভাবে বলেছি সেভাবেই। ভারবালে মোট ৩০টা প্রশ্ন থাকে, সময় থাকে ৩০ মিনিট। উল্লেখ্য ম্যাথ এবং ভারবালের মধ্যে কোন ব্রেক নেই (জিমেটে আছে)। ভারবালে ৪ ধরণের প্রশ্ন থাকে। সেন্টেন্স কম্পলিশান, এন্টনিমস, এনালজি, রিডিং কম্পরিহেনশান। চারটার মধ্যে তিনটাই সরাসরি আপনার ভোকাবুলারী স্কিলসের উপর ডিপেন্ড করে। তাই ভোকাবুলারীটা জিআরই-র ভারবালের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেন্টেন্স কম্প্লেশান হচ্ছে আমরা ছোটকাল থেকে যে শুণ্যস্থান পূরণ করতাম সেই একই জিনিস, শুধু ইংরেজীতে। তবে বেশিরভাগ প্রশ্নে দুটা শুণ্যস্থান থাকে। এনটনিমস আর এনালজি পুরোপুরি ভোকাবুলারির উপর ডিপেন্ড করে। রিডিং কম্প্রিহেনশান নিয়ে যারাই জিআরই পরীক্ষা দেয় তাদেরই খুব চিন্তিত দেখা যায়। তবে জিমেটের রিডিং কমপ্রিহেনশানের চেয়ে জিআরই-র কম্প্রিহেনশান অনেকটাই সহজ। কিভাবে পড়বেন সেটা বিস্তারিত বলতেছি।
কিভাবে প্রস্তুতি নেবেন।
যেসব ম্যাটেরিয়েলস লাগবে:
১। কাপলান জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক।
২। ব্যারন্স জিআরই।
৩। জিআরই বিগবুক।
৪। পাওয়ারপ্রেপ সফটওয়্যার।
৫। পার্টিসিপেশান ইন টেস্টমেজিক ফোরাম।
৬। সাইফুর'স GRE/GMAT Essays.
৭। ওয়ার্ড পাওয়ার মেড ইজি/ ওয়ার্ড স্মার্ট।
প্রথম তিনটা বই নীলক্ষেতে পাওয়া যায়। শেষের দুটাও। বিগবুকের সফট কপি এস্নিপসেও পাওয়া যায়। পাওয়ারপ্রেপ জিআরই-র অফিসিয়াল ইটিএস ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। টেস্টমেজিক ফোরামের এড্রেস হল http://www.urch.com/forums/gre/ ফোরামে পার্টিসিপেট করলে আপনার পড়ালেখার আগ্রহ বাড়বে আর অনেক নতুন টেকনিক শিখতে পারবেন যা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।
জিআরই প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেন্জ হল ওয়ার্ড শিখা। প্রথমে হল ওয়ার্ড কোনগুলো বা কোথ্থেকে শিখবেন। ডিকশনারীর সব শব্দ মুখস্ত করা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। আপনার যদি আগে থেকেই ওয়ার্ড স্মার্ট বা
ওয়ার্ড পাওয়ার মেইড ইজি পড়া থাকে তাহলে অনেক এগিয়ে আছেন। না থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার এখন সবচেয়ে বেশি লাগবে হচ্ছে জিআরই-তে ভাল করার অদম্য ইচ্ছা যেটা আপনাকে ওয়ার্ড শিখার জন্য ড্রাইভ করবে। এজন্য আপনি ফোরামে যে ডিব্রিফিংগুলো লেখা হয় সেগুলো নিয়মিত পড়বেন, তাহলে আপনার পড়ালেখারআগ্রহ বাড়বে। তবে সারাদিন ফোরামে বসে থাকলেও খুব ক্ষতি হবে, পড়ালেখা হবেনা। প্রতিদিন ১ ঘন্টা বা ৪৫ মিনিট সময় ফোরামে দেওয়া যায়।
ওয়ার্ড শেখা:
আমি আগেই বলেছি জিআরই-তে ভাল করার জন্য ওয়ার্ড শেখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারনসের বইয়ে ৩৫০০টা শব্দ আছে। এই শব্দগুলো আপনাকে জানতেই হবে। এগুলো না জানলে আপনি কোনমতেই পরীক্ষায় ভাল করবেননা। তার আগে আপনি ওয়ার্ড-পাওয়ার মেইড ইজিটা পড়ুন। সেটা পড়ে শেষ করতে যে কোন এভারেজ ছাত্রের ১৫ দিন মত লাগার কথা যদি প্রতিদিন ২/৩ ঘন্টা সময় দেন। এর পরেই আপনার শুরু হবে ব্যারনসের ওয়ার্ড শিখার পালা। এটা আপনার প্রেপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। ৫০টা ওয়ার্ড লিস্টের মধ্যে ৩৫০০ ওয়ার্ডের ১০০০ থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড আপনার জানা থাকার কথা। না জানা থাকলেও কোন সমস্যা নেই। এই ওয়ার্ড লিস্টগুলো আপনাকে ২ মাসে সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এজন্য আপনাকে ফ্ল্যাশকার্ড বানাতে হবে। যাতে আপনি সবসময়ই আপনার সাথে কয়েকটা ফ্ল্যাশ কার্ড রাখতে পারেন এবং ১ মিনিট সময় পেলেও একটু চোখ বুলাতে পারেন। ওয়ার্ড শিখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল রিভিউ করা। আপনি প্রতিদিন যতসময় নতুন ওয়ার্ড শিখার জন্য দিবেন অন্তত ততটুকু সময় পূর্বের শিখা ওয়ার্ড রিভিউ করার জন্য দিতে হবে। নাহয় কোনদিনই আপনি মনে রাখতে পারবেননা। তাছাড়া এই ওয়ার্ডগুলো যাতে কনটেক্স্ টে পান সে ব্যবস্থা করতে হবে। ইউসেজ না জেনে শুধু শুধু গাদাগাদা ওয়ার্ড শিখে কোন লাভ নেই। এজন্য নিয়মিত ইংরেজী পত্রিকা, জার্নাল, ম্যাগাজিন পড়তে হবে। সেখানে আপনি যখন শিখা ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাবেন তখন আর কোনদিন শব্দগুলো ভুলবেননা। আপনি যদি মুসলিম হন তবে এই ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ইংরেজীতে কোরআনের আল্লামা ইউসুফের তরজমাটা নিয়মিত পড়া। (মওদুদীরটা পড়বেননা। ভুলভাল আছে।) এখানে জিআরই অলমোস্ট ৯০-১০০% শব্দগুলোই এসেছে। জিআরই-র ওয়ার্ডগুলো সবগুলোই একসাথে কনটেক্সটে থাকার অন্য কোন সোর্স আমার জানা নেই, থাকার কথাও না। এডিশনালি, আপনি ফাযায়েলে আ'মাল বইয়ের ইংরেজী ভারশানও পড়তে পারেন। অন্য ধর্মের হলে আপনি টাইম, নিউজউইক, ইকনমিস্ট, রিডার'স ডাইজেস্ট পড়তে পারেন। নীলক্ষেতে এসবের পুরাতন কপি বিক্রি হয়, এককপি মনে হয় ১০টাকা নেই। এভাবে রিলিজিয়াসলি ওয়ার্ড শিখলে সেটা শুধু জিআরই-র জন্যই নয়, আপনার সারা জীবনে আপনাকে অনেক উপরে নিয়ে যাবে। তাছাড়া শুধু ব্যারনসের ওয়ার্ডগুলো শিখতে পারলে আর মনে রাখতে পারলে আপনি ভারবালে ৬৫০+ পাওয়া গ্যারন্টিড। আর জিআরই-তে ১৪০০-র বেশি পেলেই আপনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফান্ডিংসহ পড়াটা বলা যায় একেবারে হাতের কাছেই।
রিডিং কম্প্রিহেনশান:
জিআরই-র রিডিং কম্প্রিহেনশান নিয়ে সবাই ভুগে। সময় কম হওয়াতে আর পেসেজগুলো বোরিং হওয়াতেই সমস্যা। তবে জিআরই-র বিগবুকে এক্সপ্ল্যানেশান না থাকাটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে সেটা হল জিমেটের অফিসিয়াল গাইডটা কিনতে হবে। সেখানে প্রায় ৩০-৩৫টা রিডিং কম্প্রিহেনশান বিস্তারিত এক্সপ্লানেশান দেওয়া আছে। সেগুলো আপনাকে প্রথমবার কোন টাইমিং ছাড়া করতে হবে। তারপর ব্যাখ্যা বিস্তারিত পড়তে হবে। পরে আবার টাইমিংসহ করতএ হবে। এগুলো জিআরই-র পেসেজ থেকে টাফার এবং ইটিএসেরও বানানো। তাই এগুলো ভালমতে করলে জিআরই-র কম্প্রিহেনশান ডালভাত হয়ে যাবে।
ওয়ার্ড শেখা আর জিমেটের রিডিং কম্প্রিহেনশান করার জন্য আপনার ২-২.৫ মাস সময় লাগবে। এরই ফাকে ফাকে কিন্তু আপনাকে ফোরামে পার্টিসিপেট করতে হবে। আর ব্যারনসের বইটা প্রথম থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ করতে হবে। ম্যাথের জন্য কাপলানের জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক করতে হবে। এতে আপনার অন্যান্য সেকশানগুলোও ক্রমান্বয়ে হয়ে যাবে। রচনার জন্য টাইপিং স্পিড ভাল করতে হবে। সাইফুর'সের বইটা ফলো করবেন। ২.৫ মাস হয়ে যাওয়ার পর এখন আপনার আর ১ মাস লাগার কথা ভালমতে প্রেপ নেওয়ার জন্য। এসময়ে আপনি প্রথমে শুরুতে পাওয়ারপ্রেপ টেস্ট-১ দিবেন। দিয়ে আপনার বিস্তারিত স্কোর ডেটসহ কয়টা ভুল হয়েছে, কোন কোন প্রবলেম ভুল হয়েছে এসব লিখে রাখবেন। এরপরে বিগবুক শুরু করবেন। বিগবুকে মোট ২৭টা টেস্ট আছে। সেগুলো টাইমড কন্ডিশনে সল্ভ করতে হবে। তারপর ভুলগুলো কেন হয়েছে সেটা বুঝতে হবে। কোন প্রশ্ন না বুঝলে ফোরমে পোস্ট করতে হবে। বিগবুক হচ্ছে জিআরই-র বাইবেল। বিগবুক যদি ভালমতে করেন তাহলে আসল জিআরই আপনার জন্য ইজি হয়ে যাবে। প্রতিদিন ২টা করে টেস্ট করবেন। ১৪ দিনে শেষ হবে। এরপরে আপনি পাওয়ারপ্রেপ-২ দিবেন। দেখবেন আপনার স্কোর অনেক ইমপ্রোভ করেছে। এই টেস্টে আপনি যা পাবেন আসল পরীক্ষায়ই আপনি তার কাছাকাছিই পাবেন। পাওয়ারপ্রেপ ১ আর ২ দেয়া হয়ে যাওয়ার পর আনইনস্টল করে, ডিলিট করে রিইনস্টল করুন এবং আরেকবার দুটাই দেন। পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আপনার ভুলগুলো ভালমতে এক্সপ্লানেশান পড়তে হবে, স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে হবে। ইনশাআল্লাহ এভাবে পড়লে আপনি জিআরই তে ১৪০০-র উপরে পাবেন।
আসলে জিআরই/জিমেটের স্ট্র্যাটেজি, প্রেপ এসব নিয়ে লিখতে গেলে অনেক লিখতে হয়। আমার সময় নেই ভাই। আপনাদের প্রেপের সময় অনেক প্রশ্ন মনে উদয় হবে। সেগুলো এখানে পোস্ট করলে আমি জবাব দেবার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।
পরের পোস্টে ইউনিভার্সিটি কিভাবে সার্চ করবনে, স্কলারশিপ কিভাবে ট্রাই করবেন, এডমিশান, ভিসা, রেকমেন্ডেশান, ইন্টারভিউ ইত্যাদি নিয়ে
লিখার ইচ্ছে আছে। আলসেমীর জন্য লিখতে ইচ্ছে হয়না। তাছাড়া ব্যাপক ব্যস্ত আছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তানজু রাহমান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কি কইলেন, কিছুই তো বুঝলাম না!!
তাসনুভা. বলেছেন:
ভাইয়া...অনেকদিন থেকেই আপনার এই পোষ্টটির অপেক্ষায় ছিলাম...অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে...ভাল থাকবেন...সুস্থ থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তাসনুভা, আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন খুব।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পড়লাম। আপনার কি মনে হয় নভেম্বরে মাঠে নামলে এপ্রিলে এক্সামে বসা সম্ভব।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই সম্ভব। ৪/৫ মাস সময়ে খুব ভালমতে প্রেপ নেওয়া যায়। ওয়ার্ড শেখা থাকলে তো ১ মাসই এনাফ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বাই দ্যা বাই, নরাধম ভাই কেমন আছেন? আমার কথা মনে আছি কি?
লেখক বলেছেন: আরে কি বলেন, মনে থাকবেনা কেন? অবশ্যই মনে আছে। আমি আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি। আপনার কি খবর?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আমার খবর ভালই। আছি কোন মতে
লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন, খুব ভাল।
লেখক বলেছেন: চিকনা, আছ কেমন? তোমরারেও মিস করতাছিরে।
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম!!
আহা, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম!!
লেখক বলেছেন: নিক নাই রে ভাই। কেমনে ফিরা আমু??
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আপনার লেখা অনেক তথ্যবহুল। তবে ভাল স্কুলে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য একাধিক পেপার পাবলিকেশন অনেক জরুরী। শুধু জিআরই স্কোরই যথেষ্ট না।
লেখক বলেছেন: সেটা পিএইচডি'র জন্য। মাস্টার্সের জন্য না। তাছাড়া এডমিশান আর স্কলারশিপ একটা হলিস্টিক প্রসেস। কোন একটা নির্দিষ্ট জিনিসের উপর ডিপেন্ড করেনা। সবকিছু প্যাকেজ হিসেবে কাজ করে। জিআরই/জিমেট, জিপিএ, পাবলিকেশান, ওয়ার্ক-এক্সপেরিয়েন্স(এমবিএ হলে), রেকমেন্ডেশান, এসওপি সবকিছু মিলিয়েই হয়। তবে জিআরই-জিমেট একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। এগুলো মোটামোটি না হলে এপ্লিকেশান প্যাকেজ এরা খুলেওনা (কিছু ব্যতিক্রম আছে)।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
খুবই উপকার পেলাম। ইচ্ছা করতেছে এখনই পড়া শুরু করি।আপনার মংগল হোক।
পরের পোস্টগুলোর অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার উপকার হয়েছে জেনে আমার আসলেই খুব ভাল লাগতেছে। দেশের মানুষের কাছ থেকে এত ফেভার পেয়েছি, ধরতে গেলে আমার সবকিছুই দেশের কোটি কোটি মানুষের অবদান। তাই কারও একজনের অতি সামান্য উপকারে আসতে পারলেও কি যে ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: ফারহান দাউদ, আমি আলহামদুলিল্লাহ ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন? ভাল থাকুন অনেক।
রাগিব বলেছেন:
এক ভারতীয় দাদার সাথে কথা হচ্ছিলো। ব্যাটা জিআরইতে (আগের সিস্টেমে) ২৪০০ এর মধ্যে মাত্র ২৩৮০ পেয়েছে। ভার্বালে ৮০০তে "মাত্র" ৭৮০ পেয়েছে।জিআরই দিয়েই ভর্তি নির্ধারিত হয় কথাটা পুরোপুরি ১০০% ঠিক না। জিআরই ও টোফেল স্কোর ব্যবহার করা হয় ক্যান্ডিডেটদের কেটেছেটে বাদ দেয়ার জন্য। মূল বাছাই হয় অনেক ফ্যাক্টর ব্যবহার করে ... কোথা থেকে পাস করেছে, ঐদেশে সেটা ভালো বিশ্ববিদ্যালয় কি না, স্টেটমেন্ট কেমন লিখেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলাদেশ থেকে দেয়া রেকোমেন্ডেশন সাধারনত কেউ পড়ে দেখে না, কারণ জানা কথা ওগুলো ফেইক/ছাত্রের নিজের লেখা।
লেখক বলেছেন: রাগিবভাই, অনেক ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অনেক বিষয় জানতে পারলাম। অনেক ধন্যবাদ ভাইজান।
লেখক বলেছেন: শামীম মিয়া,
জানার কোন শেষ নেই।
জানার চেষ্টা বৃথা তাই!
বেঁচে আছি বলেছেন:
@রাগিব: রেকোমেন্ডেশন তাহলে কিভাবে যোগাড় করা যাবে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
নাইস ওয়র্ক! অয়েল্কাম বেক নরু!
রাগিব বলেছেন:
বেঁচে আছি বলেছেন: @রাগিব: রেকোমেন্ডেশন তাহলে কিভাবে যোগাড় করা যাবে। --
আসলে বাংলাদেশী তথা ভারতীয় উপমহাদেশের শিক্ষকেরা ঠিকমত রেকোমেন্ডেশন দেয়না, বরং ছাত্রকে বলে লিখে নিয়ে আসতে। এই ঘটনা মোটামুটি বিদেশের সবখানেই সবাই জানে। তাই রেকোমেন্ডেশন লেটারের উপরে জোর দিয়ে বেশি লাভ নেই। আর বাংলাদেশে আমাদের কিছু করারও নেই, শিক্ষকদের মনোভাব পাল্টানোর আগে ছাত্রদের তো আর কিছু করার নেই। শুধু এটাই খেয়াল রাখতে হবে, রেকোমেন্ডেশনের চাইতে বিদেশে গুরুত্ব দেয় স্টেটমেন্ট অফ পারপাসের উপরে।
লেখক বলেছেন: একমত।
বিডি আইডল বলেছেন:
রেকমের ব্যাপারে অনেক জায়গায় দূর্নাম আছে..কিন্তু ভালো রেকমের গুরুত্ব নেই এটা ঠিক নয়...আর বেশীর ভাগ সময়ই ভর্তি এবং ফান্ডের ব্যাপারে প্রফস এর মন গলানোই যথেষ্ট
লেখক বলেছেন: সাইয়েন্সের জন্য সত্য।
তামিম ইরফান বলেছেন:
নারু ভাই আপনে এই নিকে আছেন!!!!!!!.........আমি ভাবছিলাম আপনে ,মনে হয় চইলা গেছে.................সেদিনও বিমা ভাইয়ের সাথে আপাম কে নিয়া কথা হইতেছিলো.......আপনেরে অনেক মিস করতেছি।
লেখক বলেছেন: তামিম, তোমার কি বিয়া হইয়া গেছে? সিরিয়াল ব্রেক করছ সেটা মাফ করলাম কিন্তুক না খাওয়াইলে কাভি মাফ নেহি! (হিন্দি জানিনা।)
এক্স ফাইলস্ বলেছেন:
অনেক কাজের পোস্ট... প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
মুর্শেদ বলেছেন:
@রাগিব ভাই আনেকদিন পরে আপনাকে ব্লগে পেয়ে ভাল লাগলআচ্ছা,আপনি দীর্ঘিদিন দিন ধরে কোন পোষ্ঠ দিচ্ছেন না কেন?
কি খুব ব্যাস্ত না কি? আপনার পোষ্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
নিরক্ষর বলেছেন:
হ্যারি ভাই! আপনি আবার ফিরে আসুন। আর আপনারে ব্যান করল ক্যান?
লেখক বলেছেন: নিরক্ষর, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমি একটু ব্যস্ত আছি তাই আসতে পারতেছিনা নিয়মিত। ব্যান করছে কারন সামহয়ারের মহিলা ড়াজাকারদের নিয়া একটা পোস্ট দিছিলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ নরাধ্ম ভাই ।
জি আর ই তে এক্সপেরিমেন্টাল সেকশান বলে একটি সেকশন আছে, যেটা সম্ভবত নতুন । যদিও ইটিএসের সাইটে বলা হয়েছে, নতুন ধরনের প্রশ্নের জন্য এটি এক্টি এক্সপেরিমেন্ট, তবে অনেক সমালোচকের ধারনা, এটি করা হয়েছে, পরীক্ষা টিকে কঠিনতর করার জন্য । যদি এ বিষয়ে একটু আলোকপাত করতেন, তবে বেশ ভালো হতো ।
আরেক্টি ব্যাপার, কোয়ান্ট ও ভারবালে, কিছু নতুন ধরনের প্রশ্ন এড করা হয়েছে বলে শুনেছি । যেমন, (ভারবালে) এম সি কিউ এর বদলে, টেবিল হিসেবে অপশন গুলো থাকে । এ ব্যাপারে যদি একটু আলোকপাত করতেন, উপকৃত হতাম ।
লেখক বলেছেন: ভারবাল ও কোয়ান্টে নতুন প্রশ্নগুলো এখনও এক্সপেরিমেন্টাল। ইটিএসের ওয়েবসাইটে প্রশ্নগুলোর সেমপল আছে। তবে আপনি যদি বিগবুক ভালমতে পড়েন তাহলে প্রশ্নগুলোর প্যাটার্ণ দেখে কোনটা এক্সপেরিমেন্টাল সেকশান সেটা হয়ত বুঝতে পারবেন। তাছাড়া সব সেকশানকেই সমান গুরুত্ব দেওয়াই ভাল।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
@ লেখক, গুরুদেব রাগিব ভাই এর মন্তব্য ভাল করে খেয়াল করুন। আপনার প্রচেষ্টা সাধুবাদ পাবার যোগ্য । কিন্তু রাগিব ভাইয়ের কথা গুলো মহা সত্য।@ সিহাব, আইইউটি গ্রাডরা তো সব কানাডা যায় দেখি।আপনার খবর কি? পরীক্ষামূলক অংশটা পরবর্তী কালের জি আর ই প্রশ্ন গুলো কতটা কঠিন করা হবে সেটা জন্য একটা যাচাই মূলক অংশ।
ম্যাথ-ভার্বাল-ম্যাথ............এ বিন্যাসে প্রশ্ন এলে দুটো ম্যাথের একটা হল পরীক্ষা মূলক যেটা আপনাকে জানতে না দিয়ে আপনার ব্রেন এর উপর চাপ দিয়ে ঠিকই উত্তর গুলো দিতে বলবে। তবে ভয়ংকর হতে পারে যদি বিন্যাস টা হয়....
ভার্বাল-ম্যাথ-ভার্বাল
যদি এনালাইটিক্যাল অংশ অতিরিক্ত হয়, সেটা ঊল্লেখ্ করে দেয়া হবে এবং বিনা দ্বিধায় সেটা বাদ দিয়ে আসতে পারবেন, কিন্তু এতটা সৌভাগ্য খুব কম পরীক্ষার্থীরই হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাশেদ বলেছেন:
ওহে নারু!
লেখক বলেছেন: রাশুদা, আছ কেমন? কোথায় থাক?
শাদা-অন্ধকার বলেছেন:
স্যলুট আপনাকে। অপেক্ষায় ছিলাম এই পোষ্ট টার জন্য।আমার graduation রেজাল্ট ভালো নয়। >৬০%। সেক্ষেত্রে জি আর ই এবং টোফেল স্কোর দিয়ে কি মাস্টার্স বা পিএইচডি'র ফান্ড পাওয়া সম্ভব?
আমি অনার্স মাস্টার্স করেছি বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি তে, ঢা.বি থেকে এ বছরে। জানালে উপকৃত হবো।
লেখক বলেছেন: এখানে আসলে আপনার ক্লাস র্যাংকিং কিরকম সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। কত পারসেন্ট সেটার চেয়েও। মলিকুলার বায়োলজিতে খুব ভাল স্কলারশিপ সহজেই পাওয়া যায়। জিআরই-তে ভাল করেন, টোফেল তো খুব ইজি। এসওপি, এপ্লিকেশান প্যাকেজ যদি ভাল হয় তাহলে স্কলারশিপ অবশ্যই পাবেন ইনশাআল্লাহ। আমার এ বিষয়ে পরের পোস্টে নজর রাখেন, বিস্তারিত বলার ইচ্ছে আছে।
পারভেজ বলেছেন:
অনেক ওয়েট করালেন ভাই,যা হোক, শেষ পর্যন্ত পাইলাম। আচ্ছা আপনার লিখা ২টি কি আমি আমার ব্লগে দিতে করতে পারি?
লেখক বলেছেন: পারভেজ, আমি আসলে বুঝতে পারতেছিনা আপনার ব্লগ বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছেন। একটু বুঝিয়ে বলবেন?
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
ভাইয়েরা, কমেন্টের জবাব একটু সময় পেলেই দিব। দোয়া রাইখেন।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা....অনেক ধন্যবাদ।
কাইয়ু০০৭ বলেছেন:
প্রিয়ত। ধন্যবাদ
বেঁচে আছি বলেছেন:
প্রকৌশল বিদ্যার জন্য পশ্চিম ইউরোপ-এর দেশ অথবা অষ্ট্রেলিয়া যেতে পারেন। GRE ছাড়াও ভাল প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাওয়া সম্ভব। আচ্ছা এখন নাকি USA তে সেটল হওয়া কঠিন। এ ব্যাপারে জানতে চাই।
লেখক বলেছেন: সেটল হওয়ার কি দরকার? লেখাপড়া করে কয়েক বছর চাকরি করে অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে যাবেন। বসবাসের জন্য বাংলাদেশের মত ভাল দেশ আর আছে নাকি?
বেঁচে আছি বলেছেন:
আমি চাকরি করার কথাই বলতে চেয়েছিলাম।তবে ওখানে পাশ করতে পারলে কি নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। জানি আমার কথা শুনে আপনি আশাহত হবেন।বাংলাদেশে আমার যাবার কোন ইচ্ছা আপাতত নাই। ইউরোপ না আমেরিকা কোথায় সেটল করা সহজ তার তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিব। তাই যারা আমেরিকায় আছেন তাদের পরামর্শ নিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে থাকার বিষয়ে তেমন জানিনা। অনেক ধন্যবাদ।
দেবদারু বলেছেন:
উপকারী পোস্ট........অসংখ্য ধন্যবাদ..............++
লেখক বলেছেন: দেবদারু, অনেক ধন্যবাদ। কেমন আছেন?
ওপেল বলেছেন:
ভাই,আবার নতুন করে শুরু করলাম। দোয়া রাইখেন।
লেখক বলেছেন: দোয়া করতে হবে? টাকা ছাড়া তো দোয়া করা যায়না।
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন:
ইংরেজীতে কোরআনের আল্লামা ইউসুফের তরজমাকই পাওয়া যাবে?
কোন ওয়েবলিঙ্ক আছে কি?
লেখক বলেছেন: থাকার কথা। গুগলে সার্চ দেন।
নরাধম বলেছেন:
নাজিম উদ্দিন, অনেক ধন্যবাদ। পোস্টটাকে আরো ডিটেইলসে দেওয়া দরকার মনে হয়। সময় পেলেই দিব ইনশাআল্লাহ।
আট আনা বলেছেন:
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
কলুর বলদ বলেছেন:
দাদা CGPA এর গুরুত্ব কিরকম?? খুব হাই CG লাগবে নাকি মোটামুটি হলে চলবে??(৪ এর স্কেলে কত থাকলে চলবে?)
লেখক বলেছেন: এরকম কোন কাট-অফ পয়েন্ট তো নাই। নির্ভর করে অন্যান্য ক্রেডেনশিয়ালের উপর। তবে যত বেশি তত ভাল।
নুভান বলেছেন:
খুবই হেল্পফুল পোষ্ট, ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
যুগান্তকারী বলেছেন:
প্রিয়তে সরাসরি,সাথে প্লাসাইলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সজিব আহমেদ বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
ভাইরে কিভাবে যে ধন্যবাদ দেবো বুঝতে পারতেসি না ... ++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
খুব দরকারী পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
হাসমত০০৯ বলেছেন:
সরি ।অতি অদভুত কিছু লেখার জন্য । এম এস ওয়ার্ড থেকে কপি পেস্ট দিয়েছিলাম ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কুম্ভকর্ণ বলেছেন:
আমি সাধারণত এই ব্লগে লগ-ইন করিনা। কারো কোন প্রশ্ন থাকলে দয়া করে নিচের ব্লগে রেখে যাবেন। ধন্যবাদ।
Click This Link
সাদী বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট। খুব ই ভাল লাগল।
dvWfu বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম.....ধন্যবাদ এমন পোস্টের জন্য।
ক্ষুদ্র মানব বলেছেন:
মনে হলো যেন কোথাও ক্লাস করলাম, অনেক দিন পর। আমি পুরো ব্যাপারটা নোট করলাম। যুদ্ধের প্রস্তুতির মত শুরু করতে চাই। অনেক ধন্যবাদ ভাই।
অপ্রয়োজন বলেছেন:
এক ইউনিভার্সিটির (ইউ এস) গ্রাডুয়েট এ্যডমিশন কো-অর্ডিনেটর এর সাথে কথা বলেছিলাম এসব নিয়ে (জিপিএ, জিআরই ... এসবের গুরুত্ব ইত্যাদি নিয়ে)। সেটা এখানে পোষ্ট করেছিলাম:Click This Link
এই টপিকে বেশ ভালো কিছু পয়েন্ট পাবেন, এ্যডমিশনের ব্যপারে।
মেহেদি২৪ বলেছেন:
খুবই কাজের একটা পোস্ট। খুব ভালো লাগলো।
এবং আব্দুল্লাহ বলেছেন:
মওদুদীরটা পড়বেননা। ভুলভাল আছমওদুদীর অ্যাড দেওয়ার জন্য ধইন্যবাদ। ইফ মওদুদী ইস ইউর চুলকানী দেন ফরগেট অ্যাবাউট হিম।
সাইয়্যেদ কুতুব চলবে?
Click This Link
চুরি যাওয়া আগুন... বলেছেন:
vai aapnar sange kichu katha chilo. Aapnar sahajjo ekanto joruri. Please response me...OR
রিমন০০৭ বলেছেন:
গুড
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয় সন্ধান, কন্টাক্ট আর এসওপি, রেকমেন্ডেশান, এপ্লিক্যাশান, ভিসা, ইন্টারভ্যুভাই এগুলা একটু বললে হেল্প হত বেশি। এদিক দিয়ে একেবারে কিছুই জানি না।
অবস্িকউর বলেছেন:
খুবই কাজের একটা পোস্ট। খুব ভালো লাগলো..ভাই কানাডা যেতে চাই।এর জন্য কি কি করব?হেল্পান প্লিজ।
তারার মেলা মিটিমিটি বলেছেন:
ভাই আপনি ভুল করছেন এবছর থেকে জি আর ই সিস্টেম বদলে যাচ্ছে।
কম বয়স বলেছেন:
আপনার পোস্ট আমার অসম্ভব উপকারে আসবে, এবং একইভাবে এখানে করা বিভিন্ন মতামত এবং টিপস।অসংখ্য ধন্যবাদ +
হুবাস্ট্যাঙ্ক বলেছেন:
ভাই, নতুন সিস্টেম এর কাপলান এর বই কি পরিবর্তন হইছে না আগের টাই আছে। নতুন সিস্টেম নিয়া একটা পোস্ট দিয়েন।
সত্যযুগের মানুষ বলেছেন:
নতুন সিস্টেমে ম্যাথে ৭৫০-৮০০, এবং ভার্বালে ৫৩০-৬৩০ পাইছি। কোন university তে apply করলে ভালো হয়? EEE dept, CGPA 2.96
আমি বন্য বলেছেন:
ভালও পাি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















