আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি 

২ নভেম্বর মণিপুরীদের মহারাস উৎসব

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৫

তারিখঃ ২ নভেম্বর ২০০৯, সোমবার
সময়ঃ বেলা ১১:০০ থেকে শুরু হয়ে পরদিন ভোর ৬:০০ টা পর্যন্ত
স্থানঃ মাধবপুর জোড়ামণ্ডপ ও আদমপুর সানাঠাকুর মণ্ডপ, কমলগঞ্জ, মৌলবীবাজার

বিস্তারিত তথ্যের জন্য গত বছরের এই পোস্টটি দেখুন -
মণিপুরীদের মহারাস উৎসবে সবাইকে আমন্ত্রন। কবে কখন কি অনুষ্ঠান,কিভাবে যাবেন বা কোথায় থাকবেন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য

এবছর......

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে

নুয়া করে চিনুরি মেয়েক || শুভাশিস সিনহার কবিতা

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৯

ভুমিকায় কবি বলছেন - এ কবিতাগুলো আমার বড়ো আদরের, ভালবাসার। খুবই নাজুক কবিতা, একটু বকাঝকা করলে কেঁদে ফেলবে, চড় মারলে তো বিপদ। চিৎকার চেঁচামেচি জুলুম আর ঝঞ্জাপীড়িত দুনিয়ায় এই নীরব আলুলায়িত কবিতার শরীর ভেতরে যে একটি প্রান্তিক বেদনার আত্মাকে ধারন করে আছে, সেইখানে নিমন্ত্রন।

সাধারন দুস্তবকের অক্ষরবৃত্তের হিসাব থেকে ইচ্ছে...

পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে

হিল্লো মিলেবো জুমত যায় দে, জুমত যায় দে, যাদে যাদে পধত্তুন পিছ্যা ফিরি রিনি চায়, শস্য ফুলুন দেঘিনে বুক্কো তার...

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

এ গানের বাংলা অর্থ হল- ‘পাহাড়ি মেয়েটি জুমে যায় রে, জুমে যায় রে, যেতে যেতে পথে পিছন ফিরে চায়, পাকা শস্য দেখে তার বুকটা জুড়ায়।’

পাহাড়ে জুম ক্ষেতে এখন পাকা ফসল তোলার ভর মৌসুম। জুমিয়াদের ঘরে উঠছে জুমের সেই সোনালি ফসল। আর ফলানো ফসল ঘরে তুলতে পেরে জুমিয়া নারী-পুরুষের মুখে...

পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে

সিলেটের মণিপুরীপল্লী মাছিমপুরে রবীন্দ্রনাথ

১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

১৯১৯ সালে শিলংয়ে বেড়াতে আসেন রবীন্দ্রনাথ। শিলং থেকে সিলেট বেশি দুরের পথ নয়। ৫ নভেম্বর ১৯১৯ বুধবার খুব ভোরে তিনি সিলেটে পৌঁছান। তাঁর সঙ্গে ছিল কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পুত্রবধু প্রতিমা দেবী। আগমনের সঙ্গে সঙ্গে ছেলেরা আতশবাজি ফোটায়। সুরমা নদীর ঘাট থেকে কবিকে শঙ্খধ্বনি বাজিয়ে শোভাযাত্রাসহ সিলেট শহরে আনা হয়।...

পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম থেকে এক ব্রিগেড সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২০

পাকিস্তান আমলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বাঁধ দিয়ে কৃত্রিম কাপ্তাই লেক নির্মাণের পর পার্বত্য এলাকার বহু গ্রাম স্থায়ীভাবে জলমগ্ন হলে স্থানীয় মানুষের মনে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় তার সঙ্গে অন্যান্য বঞ্চনার বোধ যুক্ত হয়ে সত্তরের দশকে পাহাড়ীদের একটি অংশ অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। শান্তিবাহিনী নামে পরিচিত ওই বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের...

পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে

অণুগল্প || জোনাকি

২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

সন্ধ্যে হলে দলংদের বাঁশঝাড়ের ফাঁক দিয়ে মিটমিট আলো জ্বেলে উড়ে যায় আশ্চর্য জোনাকির দল। কয়েকটাকে ধরে বোতলে ভরতে যাবে এমন সময় মা বলে উঠে, এটা পাপ বাবা। জোনাকি ধরলে রাতে খারাপ স্বপ্ন দেখবি। মার কথা গ্রাহ্য করেনা দলং। বোতলের জোনাকি ধানের গোলার আড়ালে লুকিয়ে রেখে ভাবতে বসে, জোনাকি কোথা থেকে...

পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে

সত্তর দশকের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কবিতা

০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০৯

ধনঞ্জয় রাজকুমার
আ মা র ক বি তা

এক.
নিজেদের নিষ্ঠুর যন্ত্রনার অস্তিত্ব আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। এবার তাহলে আমাদের হৃৎপিন্ড ফালি করা ফোটা ফোটা রক্ত দিয়ে কবিতা লিখবো। গভীর রাতে দুঃস্বপ্নের ভেতরে আমরা চিৎকার করে উঠি। কবিতা তুমি বিশুদ্ধ, তুমি পবিত্র, তুমি আমার ঘৃণা - মৃত্যু - পাপ - ঈশ্বর। ঈশ্বরের...

পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে

সুহাসিনী দাস আর নেই

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

সুহাসিনী দাস কিছুক্ষন আগে সিলেটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। সুহাসিনী দাসের জন্ম ১৩২২ বাংলা সনে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর গ্রামে।

গত শতাব্দীর ত্রিশের মধ্যভাগ সিলেটের যে সাধারণ গৃহবধূটি পারিবারিক গন্ডি অতিক্রম করে যুক্ত হন অহিংস গান্ধীবাদী ধারার সাথে, সেই সাধারণ বধূটিই পরবর্তীকালে বিপ্লবী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাস। ১৯৪২ সালে কংগ্রেসের...

পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে

গোপীচাঁদ সিংহের মনশিক্ষা ও দেহতত্ত্বের গান

১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

মনশিক্ষা বা দেহতত্ত্বের গানগুলো বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কাব্যসাহিত্যের মুল্যবান নিদর্শন। অষ্টাদশ শতকে বৈষ্ণব ধর্মের বলয়ে আসার পর থেকে মণিপুরী দের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও শিণ্পকলা প্রবলভাবে বৈষ্ণবদর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়। শ্রীচৈতন্যর ভক্তি আন্দোলন মণিপুরে পৌঁছলে তৎকালীন বাংলা অঞ্চল থেকে বঙ্গদেশ-পালা নামে একশ্রেণীর কীর্ত্তনভিত্তিক নৃত্যগীত সেখানে বিস্তার লাভ করে। এর...

পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে

আদিবাসী শিশুর কি অধিকার নেই নিজ মাতৃভাষায় পড়ার?

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৫০

বিজু পার্বত্য জনপদের প্রধান উৎসব। বিজু উৎসবেও শিশুদের স্কুলে যেতে হয়েছে, ওদের বাবা-মাকে অফিস করতে হয়েছে। পরীক্ষার মতো ভয়কাতুরে বিষয়েও ছাড় পায়নি অনেক পাহাড়ি শিশু। রাষ্ট্রের সব উৎসবে সবাই ছুটি পায়, তবে কেন নিজেদের প্রধান উৎসবে ছুটি পাবে না পাহাড়ি শিশুরা? ঈদ বা পূজার দিন কি কোনো বাঙালি শিশু স্কুলে...

পোস্টটি ৫৮ জনের ভাল লেগেছে



আগের পাতা     পরের পাতা >> ›
মোট সময় লেগেছে ০.১২৭১ সেকেন্ড
সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবী করছি...
আর এস এস ফিড

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ৬৩টি
  • মন্তব্য করেছেন: ১২৭৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ১৪৪৬টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ৪ বছর ১ মাস
  • ব্লগটি মোট  ৬৭২৬৬ বার দেখা হয়েছে

আমার গ্রুপ সমুহ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ