আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি 

বিষু উৎসবঃ বর্ষবরণ নানান জাতিতে নানান রূপে

১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১২

আগামীকাল সূর্যোদয়ের পরপরই শুরু হবে মণিপুরীদের বিষু উৎসব। বাংলাদেশের মৌলবীবাজার, সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার মণিপুরী বসতিগুলোতে চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে সাতদিন ব্যাপী এই উৎসব পালিত হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়ারা বছরের শেষ দিনটিতে 'বিষু' বা 'চেরৌ' আর...

পোস্টটি ৪১ জনের ভাল লেগেছে

বুড়ো-বুড়ি ও শেয়ালের গল্প : একটি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী লোকগল্প

০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৫

অনেকদিন আগের কথা। গ্রামের এক প্রান্তে এক বুড়োবুড়ি দম্পতি বাস করতো। তাদের কোন ছেলেমেয়ে ছিল না তাই নিজেরাই কৃষিকাজ করে যা পেতো তাই দিয়ে খেয়েপরে বাচঁতো।

সামনে কচুমুখি লাগানোর সময়। বুড়োবুড়ি ঠিক করলো বাড়ির পেছনের ছোট্ট জমিতে মুখির চাষ করবে। বুড়োবুড়ি দুজনে কোদাল নিয়ে কাজে লেগে গেল। পাশের জঙ্গলের এক...

পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে

আমাদের সামনের রাস্তায় যেদিন থেকে বাস চলা শুরু করলো...

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৪

আমাদের সামনের রাস্তায় প্রথম যেদিন বাস চলল সেদিন আমরা ভাবলাম পৃথিবীটা আক্ষরিক অর্থেই ছোট হয়ে আসছে, খুশী হলাম, এবং মাত্র আধমাইল দুরবর্তী আদমপুর বাজারে যাবার বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে বুঝলাম প্রখর রৌদ্রে বসে থাকার মধ্যেও আনন্দ আছে। তাছাড়া বাসগুলোতে নতুন নতুন হিন্দী গান বাজছিল বলে আরেক ধরনের রোমাঞ্চ অনুভব...

পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভাষা আন্দোলনের কথা

০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:৫৮

পৃথিবীর ইতিহাসে কেবল দু'টি ভাষার জন্যই জনগণকে লড়াই করতে হয়েছে, বুকের রক্ত ঝরাতে হয়েছে - ভাষা দু'টি হলো বাংলা এবং বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী। তামিল ও কন্নাড়া ভাষাকে প্রাদেশিক ভাষা করার দাবীতেও আন্দোলন হয়েছে, তবে কেবল বাংলা ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার আন্দোলন পুরোপুরিভাবে জাতিগত অস্তিত্তের সাথে সম্পর্কিত ছিল। বাংলার মতোই বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদেরকে...

পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে

সাতজন সমকালীন বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কবির কবিতা

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

সমরজিৎ সিংহ
মা তৃ ভা ষা

এ রাত তোমার নামে উৎসর্গ করলাম
এই রাতে আমার শিয়রে বসে থাকো
আমি মানি, ভুল হয়েছে আমার
ভুলে রেখে এসেছি তোমাকে
আহা জন্মভুমি...

পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে

ষোড়শ শতকের একটি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী বৃষ্টি ডাকার গান ও তার বাংলা অনুবাদ

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯

দল বেঁধে এ গান করলে খরার সময় দেবতাদের রাজা সরালেল বৃষ্টি নামিয়ে দেবেন এটা মণিপুরীদের প্রাচীন লৌকিক বিশ্বাস। লৌকিক ধর্মের বিভিন্ন দেবতার স্তুতি করে বৃষ্টি আবাহন করার এ গানটি বরন ডাহানির এলা নামে পরিচিত। মণিপুরীদের বৈষ্ণবধর্ম গ্রহনের বহু আগে, ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে...

পোস্টটি ১৯ জনের ভাল লেগেছে

বিশ্বাস : একটি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী প্যারাবল

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫১

একদিন এই জন্মের সাথে প্রবল অভিমান করে, এই রক্তকে ঘৃনা করে, এই নিঃশ্বাস এবং প্রঃশ্বাসের সাথে তুমুল রাগ করে, কোদাল হাতে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে গটগট করে হাঁটা শুরু করে দিলাম, আমার জন্মের মাটি খুঁড়ে দেখবো বলে, যেতে যেতে একটি দেশ পেলাম, একটুখানি জিরোলাম, তারপর আবার হাঁটা, যেতে যেতে...

পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে

পৌরেই

১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের লোকমুখে প্রচলিত শ্লেষাত্মক বা হাস্যরসাত্মক উপমা বা তুলনাগুলোকে পৌরেই বলা হয়। পৌরেইগুলোকে বাংলা প্রবাদ প্রবচন বা বাগধারার সাথে মেলানোর একটা চেষ্টা করা যায়, কিন্তু সেটা সম্পূর্ণত মিলবে না। পৌরেই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে আগেকার কাহিনী। মানে ইতিহাস। প্রতিটি পৌরেই এর পেছনে কালিক ও স্থানিক নানান...

পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে

উতং চাক

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২



পৌষ সংক্রান্তিতে মণিপুরী দের প্রধান খাবার আইটেম হলো উতং-চাক। পৌষ মাসের শেষে এবং মাঘ মাসের প্রথম দিকে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈদের ঘরে ঘরে ঐতিহ্যবাহী উতং-চাক তৈরীর ধুম পড়ে। "উতং" হচ্ছে বাঁশের চোঙা আর "চাক" হলো ভাত। বাঁশের চোঙার ভেতর যে ভাত রান্না করা হয় তাই উতং-চাক। তবে উতং-চাকে সাধারনত...

পোস্টটি ১৬ জনের ভাল লেগেছে

মাতৃবন্দনা - গোকুলানন্দ গীতিস্বামীর একটি গীতিকবিতার বাংলা অনুবাদ

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬


এই কবিতাটি রচিত হয়েছে আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে বাংলাদেশের একটি অবিকশিত আদিবাসী ভাষায়। ভাষাটির নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী এবং রচয়িতার নাম গোকুলানন্দ গীতিস্বামী। গোকুলানন্দ গীতিস্বামীকে (১৮৯৬-১৯৬৫ খ্রীঃ) ধরা হয় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সাহিত্যের পথিকৃৎ হিসাবে। তিনিই সর্বপ্রথম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভেতর জাতীয়তাবোধ ও মাতৃভাষার প্রতি চেতনা জাগ্রত করেন।

মাতৃবন্দনা
রচনাকালঃ ১৯২০ খ্রীস্টাব্দ

মাগো...

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে



‹ First আগের পাতা      পরের পাতা >> ›
মোট সময় লেগেছে ০.১৩৯১ সেকেন্ড
সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবী করছি...
আর এস এস ফিড

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ৬৩টি
  • মন্তব্য করেছেন: ১২৭৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ১৪৪৬টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ৪ বছর ১ মাস
  • ব্লগটি মোট  ৬৭২৬৬ বার দেখা হয়েছে

আমার গ্রুপ সমুহ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ