প্লাস-মাইনাস রেটিং এর মুখে ঝাটা মেরে এ পোস্ট খানা লিখলাম। প্রথমেই বলে নেই কর্তৃপক্ষের কাছে আমার কথা গুলো। আমার এসব বলা ব্লগারদেরও জানা উচিত বলে আমি এটি পোস্ট আকারে দিলাম। সম্প্রতি ফেসবুক বন্ধ নিয়ে বহু পোস্ট এসেছিল। তার আগে বুয়েটের এক ছাত্রের গাড়ি দূর্ঘটনা নিয়ে বহু পোস্ট একাধারে আসছিল। এখন আমার দেশ নিয়ে একাধারে বহু পোস্ট আসছে। তাই আমার প্রস্তাব কর্তৃপক্ষ যখন এরকম একটি পরিস্থিতি দেখবেন ব্লগে ঘটছে তখন একটি লিংক পেজ তৈরি করে দিবেন সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে। অর্থাৎ যে বিষয়ের ওপর ঘন ঘন পোস্ট আসছে সেটির জন্য প্রথম পেজের কোনো এক জায়গায় ওই বিষয়ের লিংক থাকবে। ব্লগারগণ সে লিংকে ক্লিক করে সেখানে তাদের পোস্ট গুলো প্রকাশ করবে। এর ফলে প্রথম পেজ একই বিষয়ের ওপর ঘন ঘন পোস্ট থাকবে না। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পোস্ট থাকবে।
তাছাড়া একই বিষয় নিয়ে যারা পোস্ট দিতে চান এবং অন্য ব্লগারদের অভিমত জানতে চান তাদেরও অনেক সুবিধা হবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর কার কি অভিমত। সিএনএন,রয়টার্স, ইয়াহু মত ওয়েব সাইট গুলো এরকম করে থাকে। আমার আইডিয়াটা সেখান থেকেই এসেছে।
এবার আসি আমার দেশ পত্রিকা নিয়ে। কি কারণে পত্রিকাটির ওপর সরকারের খড়গ নেমে এসেছে তা পরিস্কার করে না জানলেও বিষয়টি নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা সমীচিন নয় হয়ত এ নিয়ে পড়ে একটি পোস্ট দিব। আমার দেশ পত্রিকা সরকারের বিরুদ্ধে লেখুক। কিন্তু তা হতে হবে ভিত্তি যোগ্য তথ্যর এর দ্বারা। এর আগে পত্রিকাটি জয়ের দূর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু যে রিপোর্টার এর সহায়তায় সংবাদটি প্রকাশ হয়েছিল তিনি আদালতে না গিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সরকার পক্ষ
তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে না কেন? তার কাছে প্রমাণ যদি থাকে তবে সে বিদেশি মাধ্যমে প্রকাশ করুক। সংসদের বিরোধী দলের নেতা জয়নাল আবেদীন ফারুক একই ভাবে দূনীর্তি অভিযোগ এনেছেন। তিনি তো জামিন পেয়ে বহাল তবিয়তে দিন গুজরান করছেন। বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। মামলা তো তার বিরুদ্ধেও হয়েছিল। কিন্তু আমার দেশ পত্রিকার সংশ্লিষ্টরা কেন রহস্যময় আচরণ করছে। তা আমার বোধগম্য নয়।
দৈনিক সংবাদ,দৈনিক প্রথম আলো এমনকি দৈনিক ইত্তেফাক সরকারের সমালোচনা করছে। কই তাদের কি গ্রেফতার করছে। ছাত্রলীগের রামদা ক্যাডার পত্রিকার পাতায় প্রকাশ করল প্রথম আলো সে রিপোর্টার কে তো গ্রেফতার করেনি? বিদুৎ এর দূনীর্তি নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন ছাপানো হলো তার জন্য তো কোনো মামলা হয়নি। সমালোচনা হতে হবে যৌক্তিক। নিরপেক্ষতার দাবি সেই তুলতে পারে যিনি নিজে নিরপেক্ষ আচরণ করেন। দলবাজদের কাছে নিরপেক্ষতা আশা করা বোকামি।
আমার দেশ পত্রিকা এমনই একটি পত্রিকা যেটি দলবাজিকেও হার মানায়।
এ পত্রিকার হেডিং এর একটি নমুনা দেখুন। প্রশাসনে সংখ্যালঘুরা পদোন্নতি ও গুরুত্ব পাচ্ছে। এমন সাম্প্রদায়িক শিরোনাম মনে হয় দৈনিক ইনকিলাম ও দৈনিক সংগ্রামের মত চরম মৌলবাদী ডানপন্থী পত্রিকাতেও ছপানো হয়নি কোন কালে হেডিং আকারে। নিউজ আকারে হতে পারে। কিন্তু লাল কলমে হেডিং আকারে? যেখানে বিসিএস এ সংখ্যালঘুদের সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে বাদ দিয়ে দেয়। হাত গোনা ২% হবে না সংখ্যালঘু প্রশাসনে । সেখানে এ বিষয়টিকে হাইলাইট করে নিউজ এক মাত্র আমার দেশই লিখতে পারে।
আমি যতদূর জানি দিনকাল বিএনপির মুখপত্র ছিল। যায়যায়দিন বিএনপি এর পক্ষে লিখত। আমার দেশ বিএনপিরে পক্ষে লিখতে গিয়ে এদেরকেও ছাড়িয়ে গেছে।
যাইহোক, আমার শেষ কথা পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া উচিত নয়। কোনো মিথ্যা রিপোর্ট লেখার জন্য পত্রিকার অনুতপ্ত হওয়ার রেওয়াজ চালু আছে। রিপোর্টের ব্যাখ্যা বাং সংশোধন করার সুযোগ যেহেতু আছে। তাই বিষয়টিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখা উচিন। এবং সরকারের উচিত পত্রিকাকে বন্ধ না করে দিয়ে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়া।
পাশাপাশি চ্যানেল ওয়ান সরকার খুলে দিক। এবং অন্যান্য চ্যানেল কে লাইসেন্স দেয়া হোক। যমুনা টিভি,সিএসবি,ওয়ান সবগুলোকে আবার প্রচারে আনা হোক। কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা যেন সরকার থেকে না করা হয় সেটাই আমার দাবি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



