somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্বকাপ ফুটবল একটি বড় জুয়ার আসর

১১ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা সময় ছিল যখন আমার এই বাংলাদেশে আবাহনী ও মোহামেডানের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে সবাই বাড়ির ছাদে ওই দুই ক্লাবের দলীয় পতাকা উড়াত। দুই দলের খেলার দিন দর্শকরা মারামারি করত হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বহু। কি উগ্র ভালবাসা ছিল দুদলের সমর্থকদের মাঝে এই চির প্রতিদ্বণ্ডি দুই দলকে ঘিরে । কিন্ত আজ সময় বদলেছে। মানুষের ভাবনা চিন্তাও বদলে গেছে। এ বদলানো ভাবনা চিন্তায় ভুমিকা রাখেনি কোনো চিন্তাবিদ কলামিস্টের লেখা, রাখেনি কোনো সাহিত্যিকের উপন্যাস বা নাটিকা। এটা কীভাবে ঘটল সেটা জানে একমাত্র ইশ্বর।

এখন কেউ আবাহনী-মোহামেডানের পতাকা উড়ায় না। উড়ায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা। পতাকা উড়াতে গিয়ে ঘটে মৃত্যু। দু দলের সমর্থক দের মাঝে ঘটে বাকযুদ্ধ, মারামারি হাতাহাতি।

কি লাভ এসব আদিখ্যেতা দেখিয়ে। নিজ দেশ বিশ্বকাপে খেললে একটি কথা ছিল। তাছাড়া ঝাকঝমক পূর্ণ এ বিশ্বকাপের অধিকাংশ খেলা হচ্ছে পাতানো ও সাঝানো। কোন দল কোন পর্ব পর্যন্ত উঠবে এবং কাপ জয় করবে তা নির্ধারন করে ওই সব জুয়ারিরা আর তাদের হয়ে কাজ করে ফিফার ওই সব কর্তা ব্যক্তিরা যারা প্রতিবারই ফিফার কর্মকর্তা হিসেবে নিজেদের পদে বহাল থাকে। সবার পালা বদল ঘটলেও ফিফার ওই কর্তাব্যক্তিদের পালা বদল কখনই ঘটে না। তাদেরকে সেই সব পদ থেকে সরানো যায় না। কারণ কোটি কোটি ডলারের জুয়ার ব্যবসাটা হয় এই বিশ্বকাপকে ঘিরে। আর তাদের সেই কালো টাকার লগ্নী করার সিকিউরিটি হিসেবে এসব কর্মকর্তারা প্রতি বিশ্বকাপে ফিফার নেতৃত্ব দেয়।

আমার নিজেরও একটি প্রিয় দল আছে । কিন্তু এসব খবর জানার পর প্রিয় দলের খেলা দেখার বদলে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়ি। রাত জেগে কখনই বিশ্বকাপ দেখতে পারেনি। প্রিয় দল চ্যাম্পিয়ন হল কিন্তু সে খেলা দেখতে পাড়েনি কারণ চোখে সেদিন ঘুম এসে গিয়েছিল। তাই বিশ্বকাপ নিয়ে আমার মধ্যে কোনো উৎসাহ নেই। আমার বিশ্বকাপ ও ক্রিকেট খেলা দেখার নিয়ম হচ্ছে টিভি ছেড়ে রেখে অন্য ঘরে চলে যাই। কেউ গোল দিলে বা উইকেট বা চার ছয় মারলে পড়লে দৌড়ে এসে স্লো মোশনে তা উপভোগ করি।

এভাবেই আমি বিশ্বকাপ ফুটবল ও ক্রিকেট উপভোগ করি।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×