আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

সিডর : জীবনের প্রয়োজনে একটি জীবন পাশে দাঁড়াবে কি ?

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

সেদিন সকাল থেকে মন খারাপ করা আবহাওয়া -টিপ টিপ, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি । খবরের কাগজে সিডরের কথা পড়েছিলাম; জানতাম ঝড় হচ্ছে বিশেষত দক্ষিণাঞ্চলের দিকে; গতিবিধির গাণিতিক পরিমাপ জানার পরও চিন্তা শক্তি খুব বেশী কাজে লাগাইনি। রাতে বেশ ঝড়-বৃষ্টি হলো ঢাকাতেও। সকালে অফিস যেতে যেতে দেখলাম আই.ডি.বি'র উল্টা দিকে ফুটপাতের উপর থাকা বিশাল বিশাল সাইনবোর্ডগুলো দুমড়ে-মুচড়ে পরে আছে। যেতে যেতে কিছু বিশাল বিশাল গাছও সমূলে উপড়ে পড়ে থাকতে দেখলাম। সিডর তখনও আমার কাছে অনেকটা বৈশাখী ঝড়ো তান্ডবই ছিল ! এরপর আবারো খবরের কাগজ; তারপর ইন্টারনেট আর টেলিভীষণ সংবাদ - সিংহলী রক্তচুর ২৫০ মাইল বেগের ভয়াবহতা এবার আমাকে বাকরুদ্ধ করে।

একটা মৃত্যুর পর আরো কিছু জীবন জীবন্ত লাশ হয়ে যায়; একটা যুদ্ধের পর শুরু হয় আসল যুদ্ধ - যেমন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পরও এখনও আমরা নিরন্তর যুদ্ধ করে চলেছি; আর একটা ঝড়ের পর শুরু হয় আরেক ঝড়। প্রকৃতির এক তান্ডব ঠেকাতে প্রকৃতির আরেকরূপ, সুন্দরবন, নিজেকে শ্রীহীন করে দিল আজ । তারপরও ২৫০ মাইলের গতিবেগ হাজারো মানুষের জীবন আর মৃত্যুর দুরত্বকে পলকেই পার করে ফেলল , ওলট-পালট হলো দৈনন্দিন জীবনযাত্রা।

পুরো দেশবাসী এখন জেগে উঠেছে সেইসব আর্তনাদরত মানুষের সাহায্যার্থে। সেদিন বাসেও দেখলাম কতগুলো ছেলে ফান্ড কালেকশনের করছে। আমাদের এলাকা থেকে দেখলাম মাইক্রোবাস ভর্তি করে কাপড় সংগ্রহ করা হয়েছে। কেউ কেউ অবশ্য বলল, এগুলো শেষ পর্যন্ত নিজেদের পকেটস্থই হবে! কিন্তু আমি খুব করে তা অবিশ্বাস করতে চাই।

আশংকা অবশ্য একটা থাকেই; কয়েকমাস আগে যখন চট্রগ্রামের ভূমিধ্বস হলো তখনও আমাদের অন্তরে হাহাকার জেগেছিল। আমার খুব মনে আছে প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়ে কোন না কোনভাবে সাহায্য করার ইচ্ছে ছিল কিন্তু সেভাবে কিছুই পারিনি; শুধুমাত্র বাড়ীতে বাড়ীতে যখন ফান্ড সংগ্রহ করার জন্য একটি দল আসল, সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়েছিলাম; কারণ ছিল ওটাই - খানিকটা অবিশ্বাস !

আমার কেন জানি মনে হয়েছিল চট্রগ্রামের ভূমিধ্বস ট্র্যাজেডি আমাদের মন থেকে খুব দ্রুত মুছে গিয়েছিল। খবরের কাগজগুলোতে ছবি/খবর কমে এসেছিল দ্রুত। এই আশংকাটা আমার এবারও হচ্ছে। সামহোয়্যার ইনের এবারের এস.এম.এসের উদ্যোগটা ভাল। আমরা অনেকেই কিন্তু ১-২টার বেশী সিম কার্ড ব্যবহার করি। কিন্তু তারপরও এর ধীর গতি আমাকে "দ্রুত ভুলে যাওয়ার" আশংকায় ঘিরে ফেলছে বারবার।

আমার এক টিচারের উদ্যোগে আমাদের ওরাকল ফোরামের পক্ষ থেকে আমরা ফান্ড কালেকশন করা শুরু করলাম। ব্যাপারটা খুব সহজ হয়নি কেন জানি আমাদের জন্য! তবে খুব সামান্য পরিমান সাহায্য হলেও প্রথমেই সাড়া পাওয়া গেল যাদের কাছ থেকে তাদের মোটামুটি বেকারই বলা চলে। অথচ যারা ভাল সংস্থাগুলোতে আছেন তারা সব জেনেও সাড়া দিতে কেন জানি ঢিলেমী !

বিদেশ থেকে সাহায্য আসছে, দেশের বিভিন্ন সংস্থাগুলো এগিয়ে এসেছে; আমরাও অনেকেই সাহায্য করছি আবার অনেকেই ঠিক বুঝতে পারিনা কোথায় যেয়ে সাহায্য দিতে হবে। কিনবা সাহয্যের পরিমান কম হলে সংকোচে আর এগুনো হয় না। এক্ষেত্রে যেটা জরুরী সেটা হলো ছোট-বড় জোট হওয়া। সবাই ব্লগ পড়েনা তাই ব্লগের এস.এম.এস এর ব্যাপারটা হয়ত সেভাবে ছড়ায়নি। তাই আপনার কলিগ, বন্ধু, শিক্ষক, আত্মীয়দের বার বার জানিয়ে দিন দেখা হলেই, কথা হলেই; মাত্র তো দু'টাকার ব্যাপার। একা একা ৫০-১০০ টাকা নিয়ে প্রথম আলো ত্রাণ তহবিলে যেতে যদি সংকোচবোধ হয় তাহলে আরো কয়েকজনকে বলুন; আপনার ওই ৫০ টাকাই হয়ত কারো এক বেলার খাবার কিবনা কোন ছোট বাচ্চার স্যালাইন কিনতে কাজে লাগবে। তাই হাত গুটিয়ে নিবেন না। লোক দেখানো নয়; মন থেকে সাহায্য করুন।


একটা বিষয় লক্ষ্যনীয়, সব অঞ্চলগুলোতে সাহায্য ঠিকমত পৌছাচ্ছে কিনা। একই জায়গাতেই যদি বিভিন্ন টিম ঘুরে ফিরে যায় তাহলে অন্যান্য অঞ্চল ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি দরকার তথ্যগত সাহায্যও।
কেউ কেউ বলছে, বিদেশ থেকে যে পরিমান অর্থ আসে তা ঠিকমত বিতরন করলে আমাদের আর উঠেপরে সাহায্য করতে লাগবেনা। এটা একটা সত্য, অনিয়ম হবেই; হয়ত কম, হয়ত বেশী। আবার কিছু পরিকল্পনার অব্যবস্থাপনা, দূরদর্শীতার অভাবও থাকবে। তাই বলে কি হাত-পা গুটিয়ে, এই শীতে লেপমুড়ি দিয়ে টিভিতে সিডর দুঃস্থদের আহাজারি দেখে আহা-উহু করলেই হবে ?

ঝড়ের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ এই মানুষগুলোর খাবার লাগবে, কাপড় লাগবে, আহতদের চিকিত্সা দরকার, নতুন ঘর তোলা দরকার এবং তারপর কর্মসংস্থানের দরকার। আসুন না, না হয় অল্প-স্বল্পই কিছু একটা, তবুও একটু সাহায্য করি ওদের ; নিজে সাহায্য করি এবং অবশ্যই আরেকজনকে সাহায্য করতে বলি। খুবই দ্রুত... এখনই সময়।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৯
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: খুব দ্রুত ---এখনি সময়....৫
২. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৬
মানুষ বলেছেন: চেষ্টা চালাচ্ছি নিজের মতো।
৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৮
কালপুরুষ বলেছেন: সাধ্যানুযায়ী সাহায্যের চেষ্টা অব্যাহত।
৪. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
জয়িতা বলেছেন: আমার অনেকখানি মনখারাপ, কিছু করতে না পারার ব্যর্থতাকে আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ মোটামুটি ভালো একটা প্রচেষ্টা হিসেবে নিয়েছে...এবং এই দশ মিনিট আগে সে অনেক কাপড়, খাবার...আসুসাঙ্গিক অনেক কিছু নিয়ে সরনখোলায় পৌঁছেছে।যার কাছে টাকা চেয়েছি সাহায্যের জন্য সেই দিয়েছে, বরং কেউ কেউ প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি দিয়েছে।আসলে আমাদের মহানুভবতার অভাব নেই।
৫. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আচ্ছা আমি সবার কাছ থেকে ওই একটি জায়গার নামই শুনছি - সরনখোলা । সব ত্রাণ কি ওখানেই যাচ্ছে ? অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলোর কি অবস্থা ??
৬. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
জয়িতা বলেছেন: ওইখানকার অবস্থা বেশি করুন..তাই।অন্য জায়গায়ও লোকজন যাচ্ছে।তবে হয়ত প্রয়োজনের তুলনায় এখনও নগন্য।
৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৩
ম স রানা বলেছেন: নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাহায্য করতে হবে।
৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৩
অহেতুক অকারণ বলেছেন: ভালো পোষ্ট আইরিন সুলতানা। আসলে, সব্বাইকে এগিয়ে আসতে হবে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে।
তাহলেই মঙ্গল। তবে অনেক নতুন গজানো সংগঠন আছে যারা এই সব দূর্যোগের সময় ত্রান ব্যবসা খুলে বসে। সেই রকম কিছু যাতে না হয় সেদিকে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
সব্বাইকে একত্রিত করাই আমাদের এই বিপদে সর্বোচ্চ শক্তি। সামনে নার্গিস আসার সম্ভবনা আছে।
আল্লাহ আমাদের মঙ্গল করুন।।
৯. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
শাওন বলেছেন: সবার ছোট্ট ছোট্ট সদ্বইচ্ছাটাই এক সময় বড় হয়ে ওঠে দেশকে জয় করার ।
লেখাটা খুবই ভালো লাগল আইরিনাপু ।
১০. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমার এই পোস্টেই একটু লিখেছি, তথ্যগত সাহায্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। সরনখোলার হয়ত একটা মিডিয়া মডেল হয়ে যাবে; সবাই সাহায্য নিয়ে যাচ্ছে ওখানে , কিন্তু আরো অনেক অঞ্চল আছে, পত্রিকায় আসছে কম-বেশী; ত্রাণ সংগ্রহের পাশাপাশি ঔসব এলাকাগুলোর খোঁজ করতে হবে; ওখানে অনেক বাচ্চা-বুড়ো মুখ চেয়ে আছে আমাদের জন্য...
১২. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৭
ললিতা বলেছেন: ৫
সবার সাহায্য করা উিচত
১৩. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৫
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: এই ভালো পোস্টটিতে পাবলিকের স্বতঃস্ফুর্ত মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না কেন???? হায় রে!!!
১৪. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: @ সারওয়ারচৌধুরী - হয়ত আমার এই লেখাটা তেমন হৃদয়গ্রাহী হয়নি ! হয়ত সবাই এত ব্যস্ত পড়ার সময় পায়নি !! হয়ত আমার একটা আশংকাই ঠিক - আমরা আবারো ভুলে যাচ্ছি খুব দ্রুত -হিউম্যান মাইন্ড ইজ ভোলাটাইল আফটার অল !!!

ঠিক কোনটা 'হয়ত' কাজ করছে জানিনা; তবে আমার এই পোস্টটা কিন্তু অন্যান্য পোস্টের চেয়ে কম 'পঠিত' এখন পর্যন্ত !!!!
১৫. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: নাহ ভুলব না। আমাদের স্বভাব হচ্ছে কোন জিনিস নিয়ে হইচই করা এবং পরে ভুলে যাওয়া। কিন্তু মাঝে মাঝে একটু ধাক্কা দিলে আশা করি কাজ হবে। সেটিই করছেন আপনি, ধন্যবাদ,৫।
সমস্যা হল বাস্তবটা আসলেই খুব ভয়াবহ। কয়জন অনুভব করতে পারছে সেটাও একটি বিষয়। আর সাহায্য/ত্রাণ অনেক জায়গা থেকে আসলেও সব জায়গায় রয়েছে সমন্বয়ের অভাব, ফলে অনেকেই ত্রাণ পাচ্ছেন না। তারপরও আশা করছি সব ঠিক হবে। ঐ এক আশা ছাড়া তো আর কিছু করার নেই!!
চলুন প্রাপ্তিকে ভালবাসে প্রমাণ করি মানবতা এখনও শেষ হয়ে যায়নি
১৬. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: আইরিন, মানুষের আচরণ বিস্ময়কর! অধিকাংশ মানুষ ধরি মাছ না-ছুঁই পানি!
আর ঘৃণ্য রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতা তো আছেই! আমরা এই পক্ষপাতদুষ্টতার কারণে ভালো কে ভালো বলি না!

ইরাক যে-দিন পশ্চিমা ডাকাতদের বৃষ্টির মতো বোমা বর্ষণে জ্বলছিলো আর নারী পুরুষ শিশু আর্ত চিতকারে ভয়ানক অবস্থা! সেদিন পাশবর্তী এক আরব দেশের মিলিয়ন ডলারের আয়োজনে একটি বিয়ে অনুষ্ঠান দেখাচ্ছিল একটি টিভি চ্যানেল!!
১৭. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আজকে পত্রিকায় পড়লাম বরিশালের মুলাদিতে ত্রাণের দাবীতে বিক্ষোভ হয়েছে ; অপর দিকে গৌরনদীর আশ্রায়ন প্রকল্পের বাসিন্দারা ত্রাণের আশায় দিন গুনছে !!!

এসব জায়গাগুলো যাতায়াত সমস্যা আছে বোধহয়, কিন্তু তাই বলে আজ ১৬ দিন অতিবাহিত হলেও এর কোন সুরাহা হলোনা !!!!

যেসব ব্লগারেরা ত্রাণ বিতরনে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করছেন তারা এই ব্যাপারগুলোকে দৃষ্টিগোচরে আনুন ।
১৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৭
আনন্দময় বলেছেন: তবে এবার সবাই েকান নােকান ভাবে এগিয়ে আসছে,এমনকি গরিব মানুষগুলোও।আমার বাসার কাজের মেয়েটাও তার পুরনো কাপড়গুলো ত্রান তহবিলে দিয়েছে।এবং আশে পাশে অনেক গরিব লোকদের দেখলাম এগিয়ে আসতে ভীষন ভালো লেগেছে।এখন এগুলো দুর্গত মানুষগুলো পেলেই হয়।
১৯. ০৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০১
রাতমজুর বলেছেন: প্রতিশ্রুতি মোতাবেক প্লাস

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ