আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

আবারো মালয়শিয়া !!! (শেষ পর্ব) : হাত ধরেছি হাঁটছি পথে কড়া দুপুর, জোছনা রোদে, ভিজে বিকেল, চুল উড়ে যায়, মন ভিজে যায় দূর্বা ঘাসে... ....ভাসছি আহা...খুঁজছি আহা...ভাবছি আহা...

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১২

শেয়ারঃ
2 0


আমার এবারের যাত্রাটা নিতান্তই অকস্মাৎ পরিকল্পনা ; কারণ বছর দু’য়েকের মাথাতেই আবারো এতোটা পথ উড়াল দিব এটা সত্যিই চমক ছিল আমার নিজের কাছে তা আগেও বলেছি। সেজন্যই এতোসব ঘোরাঘুরির ফাঁকে পুরোন পরিচিতদের সাথেও দেখা-সাক্ষাৎ অথবা ফোনালাপ সেড়ে নেয়াটা বেশ উপভোগ্য ছিল । কেউ কেউ চেষ্টাও করছিল নিজ নিজ কাজের মাঝে আমাকে যতটা সম্ভব সময় দিতে ।

প্রায় চার কি পাঁচ বছর পর দেখা হলো এক পুরোন সহকর্মীর সাথে তাও আবার KL -এ । বেচারীর গল্প করার মত দেশী মানুষ নেই তেমন তাই কথার ঝাঁপি খুলতে সময় লাগে না । দু’জনে মিলে অনেক রান্না-বান্নাও হলো ।

সারাভানান, (মালয় তবে অরিজিন তামিল ইন্ডিয়ান, পেশায় উকিল, যুক্তিতর্কে পেরে ওঠা দায়) একদিন লাঞ্চের দাওয়াত দিলো । ওর কাছে আব্দার জুড়ে দিলাম আমার পুরোন হোস্টেলের সামনে দিয়ে এক চক্কর ঘুরিয়ে আনতে হবে । আব্দার রক্ষার বিনিময়ে লাঞ্চে আমি চমৎকার শ্রোতার ভুমিকা পালন করলাম; সারাভানান বকর বকর করে গেল মালয়শিয়ার কিছু রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে, নিজের পেশা নিয়ে, পরিবার নিয়ে ।

দেশে ফিরে মায়ের হাতের রান্না খেয়ে আমার রোগা স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এ মন্তব্য ছিল লী’র (চাইনিজ মালয়) । চশমার বদলে কণ্টাক্ট লেন্স - ব্যাপারটা চোখ এড়ালো না স্যাম (চাইনিজ মালয়) –এর ।

এক সন্ধ্যে বেলা চট করে ঘুরে আসলাম ইসলামিক ইউনিভার্সিটি । Suria KLCC –র সামনের লেকটার একটা অংশই দেখেছিলাম আগেরবার , এবার ঘুরে ফিরে আশপাশটাও দেখে নেয়া গেল ।

অনেকদিন পর মোসাদ্দেকের সাথে দেখা হয়ে ভাল লাগল । শুরুর দিকে KL এসে খুবই বিষন্ন থাকত ছেলেটা । প্রায়ই তার এক কথা ছিল, ”আপু, কি করব ?” , সেই মোসাদ্দেকের চকচকে চেহারা, ফিটফাট পোষাক বলে দিল এখানকার মানুষ, পরিবেশ, খাওয়া-দাওয়া সব কিছুর সাথেই এখন সে অনেক বেশী স্বাভাবিক।



আমার কারণেই বেশ দেরী হয়ে গেল, তবু মোসাদ্দেক সময় দিতে চাইলেও একটা ফোন আসায় ওকে যেতেই হলো। এ জায়গা আমার অপরিচিত কিছু নয়; একাই কিছুক্ষণ ঘুরব-ফিরব ঠিক করলাম। KLCC -র সামনে ঘুরে-ফিরে ভিডিও করছি, হঠাৎ মাথায় খেলে গেল, কেননা এখান থেকে হেঁটে হেঁটে মাসজিদ জামেক পর্যন্ত যাই! একটা সময় নব্বই সেন্ট বাঁচাতে প্রায় তিরিশ মিনিট হাঁটতাম এই রাস্তায়। হাঁটা শুরু করতেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। রাস্তা পার হয়ে আরেকটা বাস স্টপেজ, বৃষ্টি কমার অপেক্ষায় ওখানে বসে ঝুম বৃষ্টি, পথচারী, গাড়ী, উঁচু উঁচু অফিস বিল্ডিংগুলো দেখতে লাগলাম। বৃষ্টি কমতেই হাঁটা শুরু , অবশ্য মাঝে মাঝে থেমে টুকটাক ভিডিও করে নিলাম । এবারও সেই তিরিশ মিনিটের খুব বেশী লাগেনি । আগের মতই স্ট্যান্ডার্ট চার্টার্ড ব্যাংকের একটু সামনে থেকে বাস নিয়ে ফিরে গেলাম। এগুলো পরে বলতেই কেউ কেউ মৃদু হাসল ; জয় তো বলেই বসল, ”আপু, আপনি পারেনও !” ।



একদিন মাসজিদ জামেক এলাকার একটু ভেতরের রাস্তায় হাঁটছি কোন একটা রেস্টুরেন্টে বসে কিছু খাবো বলে । চোখে পড়ল কয়েকজন মিলে রাস্তায় বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে । হানিফ সংকেতের ইত্যাদি অনুষ্ঠানে দেখেছিলাম এইরকম কিছু অভিনব পন্থায় বিদেশে ভিক্ষাবৃত্তি হয়ে থাকে । নিজেই একটা বিচার-বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করলাম । এরা তো নিজেদের মেধা দেখিয়েই রোজগার করছে, হোক না রাস্তায় । রাস্তায় তো বিশাল আয়োজন করে কনসার্টও হয়, অনেক টাকা দিয়ে হৈ-হু্ল্লোড় করে সেই কনসার্ট দেখা হয় । নামীদামী শিল্পীদের বেলায় অর্থপ্রাপ্তি হয়ে ওঠে সন্মানী। একটা সুস্থ উপায়ে রোজগার করাটাকে ভিক্ষাবৃত্তি নাম দেয়াটা আমাদের এক ধরনের উন্নাসিকতাই কি !

পঞ্চাশ রিংগিতের নোট নিয়ে বেজায় মুশকিলে পরলাম । একখানে দিতে গেলে ফেরত দিয়ে বলল, নোটের গায়ে লেখা তাই এটা চালানো যাবে না ! লেখা বলতে কলম দিয়ে সংখ্যা লেখা, মনে পড়ল দেশে মানি এক্সচ্যাজারের লোকটাই রিংগিত গুনে গুনে কোন কোন নোটের উপর সংখ্যা লিখে রাখছিল । মালয়দের টাকার যত্ন নিতে দেখেছি, এদের এখানে একদম পুরোন, ভাঁজ পরা, ছেঁড়া নোট দেখাই যায় না! সেন্ট্রাল মার্কেটের কাছেই আরেকটা মার্কেটে (চায়না টাউন না কি জানি, মনে পড়ছে না ঠিক তবে এখানে সস্তায় কেনাকাটা করা যায় নাকি) একটা টি-শার্ট কিনে নোটটা চালানোর চেষ্টা করলাম আবার । নোটটা দেখে এই দোকানিও ফেরৎ দিয়ে দিল । এরপর আরেকটা দোকান থেকে সুভ্যেনির হিসেবে ছোট্ট টুইন টাওয়ার কিনলাম। দোকানি বাংলাদেশী ছিল, তাকে নোটটা দেখিয়ে অবস্থাটা খুলে বললাম। দোকানি বলল, দেখি কি করা যায় । দোকানের মালিক চাইনিজ মালয়, সে কাছেই ঘোরাফেরা করছিল । দাম কেটে বাকী রিংগিত ফেরতের জন্য দোকানি মালিকের কাছে নোটটা দিল , মালিক তাড়াহুড়ায় তেমন খেয়াল না করেই বোধহয় বাকী রিংগিত ফেরৎ দিল । দোকানি আমার দিকে তাকিয়ে হাসি দেয় আমিও ধন্যবাদ দিয়ে চলে আসি ।

এদিকেই একটা রেস্টুরেন্টে খেতে বসেছি । বাংলা আলাপ-চারিতাতেই রেস্টুরেন্টে যারা কাজ করছে তাদের অনেকেই বুঝে গিয়ে কথা বলতে এগিয়ে আসল । দেখা গেল বেশীর ভাগই বাঙালী এবং অনেকেই খুব বেশী দিন হয়নি এসেছে। বিশেষত যারা নতুন, তারা খুবই মন খারাপ করল দেশের জন্য । কেউ কেউ বলল, এর চেয়ে দেশেই ভাল ছিল; এখানকার মত দিনরাত রেস্টুরেন্টের মেঝে পরিস্কার করা, বড় বড় গামলা টানাটানি করতে হতোনা অন্তত ।

- তাহলে কি বুঝে আসলেন ?

কেউ কেউ বলল, যা বুঝে-শুনে এতো টাকা খরচ করে এসেছে, সে ভাবে পায় নি । নতুন জায়গায় আসলে স্বভাবতই চট জলদি মানিয়ে নিতে কষ্ট হয় সবারই। তারপরও কেউ কেউ কষ্ট করে, একটু বুদ্ধির জোরে এক সময় মানিয়ে নেয়; তবে ভাগ্য সব সময় তো সবার সহায় হয়না। এই সব শ্রমিক শ্রেণীর সাথে কিছু প্রতারক দালালদের কারণে তথ্য সংক্রান্ত লুকোচুরি হয় বেশী । কি দেশে , কি বিদেশে, বাঙালীরাই বাঙালীদের লুটে-পুটে খাচ্ছি- এসব লুকোচুরিতে যে সব দালালরা থাকে তারা যে বেশীর ভাগই বাংলাদেশী তাতো বলার অপেক্ষা রাখে না !



এখানকার অনেক রাস্তাঘাট যেমন চিনি, আবহাওয়াকে জানি, খাবারের স্বাদের সাথেও পরিচিত তেমনি কিছু কম-বেশী পরিচিত বন্ধু-বান্ধব তো আছেই। তাই খুব স্বাভাবিক চলাফেরা, ঘোরাফেরা, গল্পগুজব, কাজ- কর্মে আমার তো মনে হচ্ছিলই সেই সাথে কেউ কেউ তো বলেই ফেলল যে বছর দু’য়েক পরে মাত্র ক’দিনের জন্য নয়, মনে হচ্ছে আমি যেন অ-নে-ক দিন থেকেই আছি (এবং শুধু আছি নয় বরং ফিরে যাওয়ার নামই নিচ্ছিনা এই টিপ্পন্নীও ছিল সাথে ; বলা বাহুল্য আমি সহাস্যে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করেছিলাম ভাবনার এই অন্ত:মিলের সাথে) ।

রিটার্ন টিকেট ছিলই ; মাঝে এক দিন KL Central গিয়ে তারিখটা একটু পিছিয়েও নিয়েছিলাম কিন্তু সময় কখনও থেমে থাকে না । পঞ্জিকার পাতায় ঠিকই বিদায়ী দিন-ক্ষণ জ্বলজ্বল করে উঠল ।

চতুর্থবারের মত KLIA -তে পা দিয়ে আবিস্কার করলাম, মিলন আর বিচ্ছেদের এক অদ্ভূত জায়গা হলো বিমানবন্দর ! এখানে যে মুখকে অনেক উচ্ছ্বাসে ভিড়ের মাঝ থেকে খুঁজে নেয়া হয়, তাকেই আবার এক সময় ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যেতে দেখতে হয়; অথবা নিজেকেই ।

উইন্ডো সিট আবারো, পাশের সিটটা ফাঁকা । মন খারাপের ছাপ চেহারায় বেশ পড়েছিল বোধহয়, এটা-ওটা দিতে আসা এক ক্রু জিগেষ করল, ”ম্যাম, আর ইউ ওকে ?” । ওদিকে বিমান ছুটলো, উড়লো তারপর ভাসল - ফিরে যাচ্ছি দেশে ।

... ... ...

মধ্য রাতের ঘন্টা পরার একটু আগেই ZIA -র মেঝেতে পা দিলাম । কাস্টমসের কি সিস্টেম নাকি কাজ করছিল না, তাই ম্যানুয়ালি, কাগজে লিখে লিখে সবাইকে চেক আউট হতে হচ্ছিল । এতে অযথা সময় বেশী লাগছিল বলে, বেশ কয়েকজন যাত্রী একটু উচ্চবাচ্যও করল ।

লাগেজ বুঝে নিতে সময় লাগেনি । দিক নির্দেশনা দেখে এগিয়ে গেলাম, অটোমেটেড বেল্টে সবার লাগেজ ঘুরে ঘুরে আসছে - ZIA -তে এই পদ্ধতি আগে খেয়াল করিনি মনে হয়।

বাইরে পা দিয়ে ভাইয়াকে দেখেই বললাম, ”তুই তো শুকিয়ে গেছিস!” । মাঝ রাতের ঢাকা শহর পুরো ফাঁকা, ক্যাব এক টানে বাড়ি পৌঁছে দিল । আম্মা এটা-ওটা খেতে এমন ভাবে সাধতে লাগল যেন আমি এক যুগ পরে দেশে ফিরলাম। টুকটাক , চটজলদি গল্প সেড়ে চোখে রাজ্যের ঘুম কিনবা ক্লান্তি নিয়ে ঘুমুতে গেলাম । সকালেই অফিস, দু’সপ্তাহ পর আবার সেই প্রতিদিনের ছকে বাঁধা ব্যস্ততা শুরু হতে যাচ্ছে ... ।


**************************
ভিডিও পরিচিতি : দু'টো ভিডিও -ই আমার ধারণকৃত । সেদিন একা একা ঘুরে-ফিরে, হেঁটে-ভিজে এই কাজই করলাম । প্রথমটি Twin Tower, KLCC আর দ্বিতীয়টি KLCC থেকে মাসজিদ জামেকের দিকে যেতে প্রায় মিনিট দশেক হাঁটলেই একটা মনোরেল স্টেশন । লম্বা, বাঁকানো কংক্রীটের ট্র্যাকের সাথে গুবরে পোকার মত আটকে থাকা এই ইলেকট্রনিক বাহনটা (মনোরেল) আমাদের দেশে থাকলে রাস্তায় জ্যামে আটকে পরা গাড়ীগুলোকে উপহাস করে কত দ্রুতই না গন্তব্যে পৌঁছে যেতাম !

**************************
প্রথম পর্ব : Click This Link
দ্বিতীয় পর্ব : Click This Link
তৃতীয় পর্ব : Click This Link
চতুর্থ পর্ব : Click This Link
পঞ্চম পর্ব : Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ভ্রমণ কথা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: নাই তো !!!!

৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
কৌশিক বলেছেন: লিংকগুলা লেখার শেষে এবং শুরুর ভিডিওটা যদি দুই-তিন প‌্যারার পরে দিতেন তবে প্রথম পৃষ্ঠায় পোস্টটি ভাল দেখাতো।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন:
আপনার আদেশ শিরোধার্য বসসস ...

৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৮
আমি ও আমরা বলেছেন: লিখাটা আরও প্রান পেয়েছে তোর লেখনী শক্তিতে।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: আমার ভিডিও নিয়ে কেউ কিছু বলে না :(

৬. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
চাঙ্কু বলেছেন: মালেয়শিয়া কুথায় ?? আমি যাইতাম চাই ;)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: কমলাপুরের পাশেই ;) চইলা আসো ...

৭. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
বিবর্ণ বলেছেন: কিছু মনে করবেন না..... ভালো লিখেছেন, তবু কেন যেন একটু ম্যাড়মেড়ে মনে হয়েছে। হয়তো পাঠক হিসাবে এটা আমার অযোগ্যতা।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ভাল লিখলে ম্যাড়ম্যাড়ে কেমন হয় ! আর ম্যাড়ম্যাড়ে লিখলে ভাল কেমনে হয় !!!

এখানে টুকরো টুকরো কিছু বর্ননা আছে শুধু , শেষ পর্বটাই ঝুলে ছিল, শেষ করে দিলাম আজকে ...

খুব আহামরি না হওয়াটা লেখক হিসেবে আমার ব্যর্থতা ... :( :(

৮. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
আবু সালেহ বলেছেন:

আহা কি আনন্দ...
ঘুরছ বেশ..
কি সকাল আর কি দুপুর
কি রোদ্র আর কি বৃষ্টি
সব কিছুই আজ উপেক্ষিত।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন:
ঘোরাঘুরি শেষ :(
ইহা স্মৃতি রোমন্থন ছিল শুধু

৯. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
আবু সালেহ বলেছেন:
আরে ..
ঘোরাঘুরি তো অনেক আগেই শেষ...
সেটা আমিও জানি
১০. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১১
বিবেক সত্যি বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার ঘোরাঘুরির কথা । ভিডিও পরে দেখবো...
১১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৭
র‌্যাভেন বলেছেন:
ITIL ব্লগটা দেইখা মুনে হইলো আপনিতো বিশাল আইটি এক্সপার্ট!
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন:
ওরেরে ....;)

সময় দেয়া হচ্ছে না ঠিক মত ওটাতে আসলে ...

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: যাক, প্রসংগ আসার কারণেই আজকে একটু কাজ করলাম, সাইটের চেহারা-সুরতে পরিবর্তন আনলাম একটু ... :)

১২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:২৩
র‌্যাভেন বলেছেন:
ইউটিউব একাউন্ট থাইকা ওই লিংকা পাইলাম তাই ভিজিট কর্লাম আর ওয়ার্ডপ্রেসে আমার আইপি দেইখা লাব নাই কারন কারো পারসোনাল ব্লগ আমি প্রক্সি ব্রাউজার দিয়া ভিজিট করি ।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ওয়ার্ডপ্রেসে আজকের হিট লিষ্টে সামহোয়্যারের লিংক ট্রেস করেছে শুধু ... সো নো চিন্তা ... ;)

১৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
পারভেজ বলেছেন: শেষ পর্ব থেকেই শুরু করলাম! ডাউনলোড লিংক এতো স্লো, যে ভিডিওতে ক্লিক করতে ভয় হয়! :( ছবি বেশি করে দেয়া যায় না?! আপনি তুষারের ব্লগগুলো পারলে দেখেন! আর হা, একেবারে প্রথম পোস্ট টা থেকেই সময় নিয়ে পড়বো। আমি গিয়েছিলাম ২০০৫ এ, ভিডিও এর ধাক্কায় স্টিল ছবি তোল হয়নি! :( মারাত্মক ভুল ছিল সেটা!
ভাল থাকবেন!
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:
আমি প্রথমবার গিয়েছিলাম ২০০৫ এর নভেম্বরে ...

১৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭
চাচামিঞা বলেছেন: পুরানো কথা মনে করায় দিলেন। অন্যান্য সিরিজ গুলো পরা হয় নাই। তাই আপাতত প্রিয়তে রেখে দিলাম। সময় নিয়ে রসিয়ে রসিয়ে পরতে হবে। আর না পরেই + কারন আপনার লেখার স্টাইল আমি জানি.....:)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: অন্ধভক্তি বিপদজনক প্রমাণিত হতে পারে কিন্তুক :)

১৫. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
চাচামিঞা বলেছেন: এই টেকনো যুগে না হয় কিছুটা অনলাইন বিপদে পরলামি! :)
১৬. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
চাচামিঞা বলেছেন: মালয়শিয়া বেড়ানো অবস্হায় আইরিন সুলতানার একটা ছবি দেখতে চাই।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা .... ক্যামেরায় কেনো জানি আমার ছবিটাই উঠে না...আশেপাশের বাদবাকী সব থাকে ...

১৭. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
চাচামিঞা বলেছেন: খাইসে, আপনি দেখে আমার মতো? আমার ছবি তুললেও ঐ জায়গাটা ব্ল্যাংক উঠে..........বড়ই চিন্তা যুক্ত .......।
১৮. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
নুশেরা বলেছেন: আপনার লেখায় মালয়েশিয়ার উষ্ঞ-আর্দ্র হাওয়ার ছোঁওয়াটা পাওয়া গেল। আগের পর্বগুলো আগ্রহ নিয়ে পড়ব।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: খুশী হলাম .... থ্যাংকসসস

১৯. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
রুধীণ বলেছেন: ভালো লাগলো, মালয়েশিয়া যাইতাম মন চায়!!

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: মনে চাইলে বসে থাকা কেন ! দৌড় দেন নাইলে প্লেন ছুটে যাবে ...

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: কুন ঘটনাটা জানি !

২১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
আসিফ আহমেদ বলেছেন: লেখা ভিডিও সবই ভালো লাগলো।
এত সেন্ট বাঁচিয়ে কি করলেন তারপর?
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: ছুটির দিনে আইসক্রিমওয়ালা আসত হোস্টেলের সামনে, ওখানে ১-২ রিংগিত শেষ...:) অবশ্য তারপরও কিন্তু জমেছিল বেশ ... একটা কম দামী ল্যাপটপ কিনব কিনা এই চিন্তা করেছিলাম সেই সময় ;)

২২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
পথিক!!!!!!! বলেছেন: পড়বোনা....পড়লে যেতে ইচ্ছে করে
সরকারী চাকুরী করলে ...অনেক ইচ্ছে সাধ্য থাকলেও ( যদিও আমার নেই) পূরণ হবার নয়....
সরকার ভ্রমনের জন্য ওয়ার্ডার সাধারণত দেবেই না
তাই মনের দুঃখে পড়বনা............

২৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: পড়বোনা....পড়লে যেতে ইচ্ছে করে
সরকারী চাকুরী করলে ...অনেক ইচ্ছে সাধ্য থাকলেও ( যদিও আমার নেই) পূরণ হবার নয়....
সরকার ভ্রমনের জন্য ওয়ার্ডার সাধারণত দেবেই না
তাই মনের দুঃখে পড়বনা............

তবে একটু বলি...বাংলাদেশের লোক তো সকল জায়গাতেই খারাপ কাজ করে বেড়ায়....আর বইলো না.....মজ্জা গত সমস্যা আছে....ভাল হবার উপায় যেহেতু আমাদের সামনে নেই...
সবই তো ভং ....
লাউ আর কদু.....কিছু হবেনা।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: কথা সত্য ....

২৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪০
চিকনমিয়া বলেছেন: পইড়া গেলাম, এডি ভালা লাগে:)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন: এডি তো শ্যাষ হইলো আজকা ... :)

২৬. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
কালপুরুষ বলেছেন: এই লেখাটা কখন পোস্ট হলো দেখিনি। পড়াও হয়নি। এখন পড়ছি। কদিন ব্লগে অনিয়মিত ছিলাম। ভাল থাকিস।
২৭. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:১৫
রাশেদ বলেছেন: এতো ঘোড়াঘুরি কখন কর! কাম কাজ নাই নাকি! :P
২৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লাগলো.........।
ভালোই তো ঘুরলা..........মালয়েশিয়া তোমার সাথেই ঘোরা হলো....
ব্যাংকক এ গেছিলাম ২ বার .......।খুব ভালো লাগছিলো। জিনিসপত্রের দাম এত সস্তা মনে হইছিলো। দেশ থেকে আসার পঠে তো তেমন কেনাকাটা করি নাই। ঘুরছি শুধু.....।একখনো স্বপ্নে দেখি।:)
মনেহয় কেনাকাটা করতে যাই।

ভালো থেকো।শুভকামনা........
২৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:১৫
দূরন্ত বলেছেন: কবে যে মালয়েশিয়ার পেট্রনাস টাওয়ার দেখতে যাবো...
আপনার লেখাটা ভালো ‍লাগলো। ভিডিওগুলিও ভালো হয়েছে। তবে ভিডিওর সময় আবহাওয়া মনেহয় ভালো ছিল না। এইজন্য একটু অনুজ্জ্বল লাগছে। ছেড়া টাকার ঝামেলাটা মালয়েশিয়াতেও আছে দেখছি....
শুভেচ্ছা রইলো..
৩০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আমার ভ্রমন কাহিনী পড়তে ইচ্ছে হয়না। তবে আপনার লেখাগুলো আগ্রহ নিয়ে পড়ি বলেই ভ্রমন কাহিনীও বাদ যায়না। বলাই বাহুল্য টুকরো ঘটনাগুলোকে লেখার ফ্রেমে বন্দি করার বিদ্যেটা আপনার ভালোই জানা আছে।

ভিডিও এবং লেখা দুটোই ভালো লেগেছে।

৩১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
আসিফ আহমেদ বলেছেন: দুই গিটার ওয়ালার গান গাওয়া দেখে গেলাম :)
৩২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
মানুষ বলেছেন: পড়িলাম। একটা কবিতা মনে পড়িল

মালয় দিপে এক যে বোকা শেয়ালে
লাগলে খিদে মুরগী এঁকে দেয়ালে
চাটতে থাকে আপন মনে খেয়ালে
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন:
ওহে,

ইদানীং থাকো তুমি কোন গোয়ালে ?

৩৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
মানুষ বলেছেন: আমি ব্লগেই থাকি। ব্লগটাকে গোয়াল বলিও না। জনগন খেপলে নিউজ আছে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন:
আমি কি ডরাই মানু
ভিখিড়ি রাখবে !!!

(সামান্য ডরাই... :( আমি খালি তোমার খোঁজখবর করলাম আরকি এট্টু)

৩৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
মানুষ বলেছেন: এখন আবার ব্লগের সব্বাইকে ভিখিরী বলছো? তোমার জন্য অগ্রীম সমবেদনা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: ওহ! এইটা ভুল হইসে.... টাইপো মিসটেক ....আমি ব্লগারদের কিচ্চু বলি নাই কিনতুক ....

:(

৩৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
ম. রহমান বলেছেন: স্টেশনের নাম বুকিট নানাস...ভিডিও দেখে তাই তো মনে হলো...
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: হতে পারে ... MTC পার হয়ে আসতে হয়, এরপর একটু হাঁটলেই LRT station dang wangi ....

৩৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৫
সাইফুর বলেছেন: সুন্দর....সুন্দর....ভালো লাগছে...
আবার পড়লাম....
৩৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:২৬
ডাসট ইন দা উইনড বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর উপস্থাপন, লেখনী......মালয়েশিয়া গিয়েছিলাম গত জুনে....সব আবার মনে পড়ে যাচ্ছে.....কে এল...বুকিট বিনটাং.....গেনটিং হাই....লানকাঐ...অনেক ভালো লাগলো লেখা টা....
৩৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ২:২৯
ডাসট ইন দা উইনড বলেছেন: আবারো যাইবার মুন্চায়....
৪০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:১৬
রিয়াল ফেরদৌস বলেছেন: চলে আসেন , কে নিষেধ করছে ??

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮০৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ