আমার প্রিয় পোস্ট
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- :::: বনের নাম রাজকান্দি :::: - সৌম্য
- দেশের সবচেয়ে বড় আম গাছ ( ছবিব্লগ ) - অবিশ্বাসী
- ৪০০ না ঢাকার বয়স ৮০০ বছর!!! - নুরুজ্জামান লাবু
- রাজা আরবাজ খান ও শিল্পী ইভা রহমান - কাক নং ৭৯৯
- আর আমি শালা শুওরের বাচ্চা কগজে কলমে মানবতা আঁকছি। - মিছিল
- [ফিরে দেখা] শহীদ বুদ্ধিজীবী কন্যা রীমা হত্যা মামলা (১৯৮৯-১৯৯৩) - রাইসুল জুহালা
- আল জাজিরার রিপোর্ট - ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদিবাসীরা প্রকাশ করল সত্য - সুদিনের বার্তা
- যদি খুন করতে হয় - কৌশিক
- ক্ষমা কর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল!! সীমাহীন জাতীয় অধঃপতনের অনন্য উদাহরণ হয়ে গেলে তুমি!! - বেঙ্গল মাসুদ
- বেগম খালেদা জিয়া: সাধারণ থেকে অসামান্য একজন হয়ে উঠা- (ফটোব্লগ-১) - রায়হান রাহী
- হিলসাইড রির্সোট-বান্দরবন, পাহাড়ের কোলে ঘুমালাম দু'রাত (ছবি ব্লগ) - মোঃ আমিন
- আমরা আবার প্রমাণ করলাম আমরা আসলেই পারি - আসিফ আহমেদ মামুন
- ক্রিকেট স্লেজিং! মজার মজার সেইসব বিখ্যাত উক্তি - নিস্প্রান আমি
- 'মেহেরজান' : ভুল পরিপ্রেক্ষিত ও ভুল ভালোবাসার গল্প - একরামুল হক শামীম
- সোমালিয়ান জলদস্যুর গল্প এবং ২৬ টি নাবিক পরিবারের পক্ষ হতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি খোলা চিঠি - জাহাজী পোলা
- ফটোগ্রাফিতে মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন কিশোর পারেখ - কাঊসার রুশো
- শত দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি মন ভাল করা খবর: বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী - shapnobilash_cu
- ভারতীয় জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- বড় কোন পরিবর্তনই আপনাকে ভালো কিছু এনে দিতে পারে - অং সান সু চি - শেরিফ আল সায়ার
- নভেম্বর ৩ , ১৯৭৫ - নুরুজ্জামান মানিক
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- নৈতিকতার ভিত্তি এবং উৎস - পারভেজ আলম
- এই রমজানে ঢাকায় তৈরি হয়ে যাক আরো কিছু মন্দির - ফরিদ
- এবার থেকে বাংলায় লিখতে আর সমস্যা হবে না। এসে গেল শাব্দিক... - অমিত কুমার সরকার
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- গুলশান-বনানী, ফ্যাশন-মডেলিং কিংবা একজন কাঁচা কিশোরীকে ঘষে-মেজে 'পণ্য' বানানো - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আলব্দি গণহত্যার দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ - ক্যামেরাম্যান
- যারা উবুন্টু-লিনাক্সে মবিডাটা মডেম ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য। - আজম মাহমুদ
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- ৩৩টি বাংলা ফন্ট একসাথে ডাউনলোড করুন!!! - মুকুট
- পোড়া গলিতে, পোড়া চোখে, পোড়ো মনে - অন্যমনস্ক শরৎ
- ওরে পতাকা, নারে পতাকা, কিরে পতাকা, ক্যান?? - অন্যমনস্ক শরৎ
- কাজী নজরুল ইসলাম - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রসঙ্গ বিজয় বনাম অভ্র :ডা. আব্দুন নূর তুষারের প্রতিক্রিয়া এবং প্রতু্যত্তর - 'লেনিন'
- অভ্রের বিরুদ্ধে শাব্দিক টিমের অভিযোগ এবং জব্বার কাগুর ইউনিবিজয়ের মিল প্রসঙ্গে - 'লেনিন'
- বাংলা কম্পিউটিং এর পুনর্জন্ম এবং এর খল নায়কেরা। কিছু বিষয়ে জবাব সংযুক্ত। - মু আ হাকিম নিউটন
- "রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট": আমার তৈরী করা বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম
......সবার কাছে রিভিউয়ের অনুরোধ - সিউল রায়হান
- কেসলারের ল'অব কোয়েন্সিডেন্ট: বাংলাদেশের বর্তমান নারী এবং সামাজিক অবক্ষয়! - শেরিফ আল সায়ার
- বৈশ্বিক উষ্ণতার অবদান-মুছে গেছে দক্ষিণ তালপট্রি দ্বীপ (নিউমুর আইল্যান্ডস) - সুমিন শাওন
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- আমেরিকান আদিবাসী নেতা 'চিফ সিয়াটল' এর একটা চিঠি - জাতিষ্মর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- সাকরাইন!সাকরাইন!! ঐ ঘুড্ডি বাকাট্টা : এ ফটো স্টোরী - অন্যমনস্ক শরৎ
- নববর্ষের সম্ভাব্য উপাধি
- ক্যামেরাম্যান
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- সামহোয়ারইনব্লগের জন্মদিনে কিছু বর্ণিল মুহূর্তাচারণ - কৌশিক
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দালাল শিক্ষক - ক্যামেরাম্যান
- বুদ্ধিজীবীদের নিধন এবং বিচার প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- সামহয়ারের যে লেখাগুলো ড্রাফট্ থেকে এখনও পোষ্ট করা হয়নি। - অ্যামাটার
- আমার ভাইয়ের মৃত্যূ ও সৌদিদের ক্ষমার অযোগ্য বর্বর আইন ও হাহাকার - পারভেজ রবিন
- বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ কি ইসলাম বিরোধী চেতনা? - তাজা কলম
- গ্ল্যাডিয়েটর - মাহবুব লীলেন
- একান্ত ব্যক্তিগত শোকনামা "পিতা" তোমার জন্যে - কারো অতিপ্রচার বা অপপ্রচারের ধার না ধেরে - মেঘ
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আর্কাইভ : আমার কিছু খুচরো লেখালেখি - আইরিন সুলতানা
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- ওরা সবাই বাই সাইকেল বালিকা......./ ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- ব্লগারদের সঙ্গে আমার স্মৃতি এবং আমার কথোপকথন - একরামুল হক শামীম
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- চলুন,প্রাপ্তিকে আবারো ভালবাসা দিয়ে প্রমাণ করি মানবতা শেষ হয়ে যায়নি - মোসতফা মনির সৌরভ
- জীবনটাকে উপভোগ করে চলে গেল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী - নিজেরআয়না
- রম্য ছড়াঃ নারী নিকের ব্লগার যারা - কালপুরুষ
- কেন যাব - কালপুরুষ
- disgusting attack on blog moderator - আরিল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
প্রসঙ্গ: একাত্তরের বুদ্ধিজীবি হত্যা
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
পাক-বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস কর্তৃক সংগঠিত তালিকাভূক্ত বুদ্ধিজীবিদের হত্যাযজ্ঞের স্বরণে বাঙালি জাতি স্বশ্রদ্ধ চিত্তে সেই ১৯৭২ সাল থেকে ১৪ই ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন করে আসছে । বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, মরহুম তাজউদ্দিন আহমেদ, ১৪ই ডিসেম্বরকে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস ঘোষনা করেছিলেন কারণ, অপহরণ ও পরে নির্বিচারে হত্যা এই ১৪ই ডিসেম্বরেই অর্থ্যাৎ পাক-বাহিনীর আত্ম-সমর্পন এবং বাঙালির বিজয় অর্জন তথা বিজয় দিবসের ঠিক দু’দিন পূর্বে, সংগঠিত হয়েছিল সবচেয়ে বেশী।
২০শে ডিসেম্বর ১৯৭১ –এ, মুজিবনগর সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ১৬ই ডিসেম্বরে আত্মসমর্পনের পূর্বে পাক-বাহিনী এবং তাদের সহযোগীরা মিলে ৩৬০ জন বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে । ১৯৯৪ সালে পুণ:মুদ্রিত বাংলা একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত শহীদ বুদ্ধিজীবি সম্পর্কিত তথ্যকোষ ”শহীদ বুদ্ধিজীবি কোষগ্রন্থ” এ শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সংখ্যা ২৩২ জন উল্লেখ আছে এবং এই তালিকাটি সর্বমোট নয় এমনকি সম্পূর্ণ নয় ।
এই তথ্যকোষে শহীদ আখ্যায়িত হয়েছেন তারা যাদের পাক-বাহিনী এবং দোসরেরা (রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস) বিভিন্ন সময় নির্বিচারে হত্যা করেছিল এবং যারা ২৫শে মার্চ ১৯৭১ থেকে ৩১শে জানুয়ারী ১৯৭২ সময়কাল থেকে নিঁখোজ । লেখক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পী, সংগীত শিল্পী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, উকিল, চিকিৎসক, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি-বেসরকারি কর্মী, নাট্য-কর্মী, জনসেবায় নিয়োজিত কর্মীদের বুদ্ধিজীবি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ১৯৭২ সালে সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ”বাংলাদেশ” নামক প্রামান্য চিত্রে বলা হয়, স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৬৩৭ জন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক, ২৭০ জন সেকেন্ডারি স্কুলশিক্ষক এবং ৫৯ জন কলেজ-শিক্ষককে হত্যা করা হয়।
এ ব্যাপারটি পরিস্কার ছিল যে, পরাজয় সন্নিকটে জেনে, পাক-বাহিনী এবং তার দোসরেরা বুদ্ধিজীবি নিধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং শিক্ষক, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষদের ঘর থেকে ধরে নিয়ে আসে এবং একজনের পর একজনকে হত্যা করে এবং তা বেশীর ভাগই সংগঠিত হয় এই ১৪ই ডিসেম্বরে। এই হত্যাযজ্ঞ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল মূলত জাতি হিসেবে আমাদের মেধাহীন, পঙ্গু করে দেয়া।
দৈনিক পত্রিকাগুলো নিখোঁজ বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ সপ্তাহে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। গোপন তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে, ১৮ই ডিসেম্বরে একদল সাংবাদিক ঢাকার পশ্চিমে, রায়ের বাজার এলাকায় পচনশীল, ক্ষত-বিক্ষত লাশের একটি গণ-কবরের সন্ধান লাভ করে। জাতির মেধাবী ব্যক্তিবর্গের দেহগুলো অত্যাচারের সুস্পষ্ট চিহ্ন নিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, একে-অন্যের নীচে চাপা পড়ে ছিল । লালমাটিয়ায় শারীরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সাংবাদিকরা একটি বন্দীশালা আবিস্কার করে, যা ছিল রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এবং কামালউদ্দিন, চিকিৎসক ফজলে রাব্বী, আব্দুল আলিম চৌধুরী, আবুল খায়ের এবং সাংবাদিক মুহাম্মদ আখতার - পচনশীল লাশগুলো পরিবার কর্তৃক সনাক্ত করা হয় সেদিনই । সাংবাদিক সেলিনা পারভিন এর লাশ সনাক্ত করা হয় পরের দিন। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য, সিরাজুল হক, ফাইজুল মহি এবং চিকিৎসক গোলাম মুর্তোজা, আজহারুল হক, হুমায়ুন কবীর ও মনসুর আলী’র লাশ পরবর্তীতে চিহ্নিত করা হয়। লাশ সনাক্তকরণের সময় শহীদ বুদ্ধিজীবিদের পরিবারের সদস্যদের অনেকেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ছিলেন।
এরকম আরো বধ্যভূমি ছিল মিরপুর এবং রায়ের বাজার এলাকায়, তেঁজগাঁও এর কৃষি বর্ধিতকরণ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মহাখালীর টি.বি. হাসপাতাল সহ সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। অনেক লাশই পরবর্তীতে সনাক্তকরণের পর্যায়ে ছিলনা । এসময় সংবাদপত্রগুলো নিখোঁজ বুদ্ধিজীবিদের (নভেম্বরের শেষের দিকে এবং ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অপহরণ অথবা গেফতারকৃত) নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করছিল।
পাক-বাহিনী এদেশের তরুণ ছেলে-মেয়েদেরকে হত্যা করা শুরু করেছিল সেই ২৫শে মার্চের সময় থেকেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল তাদের প্রথম লক্ষ্য এবং অনেক প্রফেসরদের হত্যা করা হয় । মূলত যুদ্ধের পুরো নয় মাস জুড়েই চলে বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ড। এমনকি পাক-বাহিনীর দোসরদের (রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস) দ্বারা এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয় ১৯৭২ এর জানুয়ারীতেও।
চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান তার অপহরণকৃত ভাই শহিদুল্লাহ কায়সারকে (পাক-বাহিনীরা তাকেও হত্যা করেছিল বলে ধারনা করা হয়) খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। তাকে শেষ দেখা যায় মিরপুরে বিহারী ও পাক-বাহিনীর দোসরদের ক্যাম্পে। পরবর্তীতে তার সম্পর্কে আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। ডা: মনসুর আলীকে ২১শে ডিসেম্বর এবং সাংবাদিক গোলাম রহমানকে ১১ই জানুয়ারী হত্যা করা হয়।
*** *** *** *** *** *** *** ***
ব্লগার খোমেনী ইহসান -এর পুরো পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার একটি মন্তব্য তুলে ধরছি :
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. হুমায়ুন কবির আমার ফুফাতো ভাই। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংসদ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় তার মামা আমিমুল ইহ্সানের (আমার পিতা) শ্বশুর বাড়িতে থেকে তিনি এখানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত করেন ও যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় আসলে হাতির পুল বাজারস্থ বাড়ি থেকে বের হয়ে ১৫ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পথে তিনি নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মতিঝিলে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।
তার নামে শরীয়তপুর জেলার ভেদর উপজেলার চর ভাগা ইউনিয়নে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা, হুমায়ুন কবীর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ স্কুলটি শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ স্কুল। এ বছরের বর্ষায় নদী ভাঙ্গনে স্কুলটি বিলীন হয়ে গেছে। তবে সখিপুরে স্কুলটি স্থানান্তর করা হয়েছে।
আমাদের পরিবারে তৎকালীন সকল সক্ষম পুরুষই মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন। এর মধ্যে আমার বড় জ্যাঠা ডা. আবুল কালাম আজাদ মোল্লা চাঁদুপুরে পাকিস্তানীদের একটি জাহাজ লুট করায় নেতৃত্ব দেন।
*** *** *** *** *** *** *** ***
মফিজউদ্দিনের (লাশ বহনকারী বাহনের চালক) স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আশরাফুজ্জামান খান, ইসলামি ছাত্র সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এবং পাকিস্তান রেডিও’র সাবেক কর্মী, নিজ হাতে সাত জন শিক্ষককে গুলি করেন। মফিজউদ্দনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এমন দূর্ভাগ্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণকারী শিক্ষকদের লাশ উদ্ধার করা হয় রায়ের বাজার বধ্যভূমি এবং মিরপুরের শিয়াল বাড়ির গণ কবর থেকে। তার ডায়রীতে ২০ জন শিক্ষক সহ আরো অনেক বাঙালির তালিকা ছিল। তার ডায়রীতে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষকের নাম ছিল যারা পাক-বাহিনীকে সহযোগীতা করেছিল।
বুদ্ধিজীবি হত্যা পরিকল্পনায় পাক-বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার কাসেম এবং ক্যাপ্টেন কাইয়ুম ছিল মূল হোতা । নভেম্বর মাসের কোন এক সময় তারা মওলানা আব্দুল মান্নানের বাসগৃহে মাদ্রাসা শিক্ষক সংঘের প্রেসিডেন্ট সহকারে বৈঠক করে। এই আলোচনাতেই সম্ভবত বুদ্ধিজীবিদের হত্যার মূল পরিকল্পনা করা হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের তালিকা :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ
* এ.এন.এম. মুনির চৌধুরী
* ডা: জি.সি. দেব
* মুফাজ্জাল হায়দার চৌধুরী
* আনোয়ার পাশা
* জোতীর্ময় গুহ ঠাকুর
* আব্দুল মুক্তাদীর
* এস.এম. রাশিদুল হাসান
* ডা: এ.এন.এম ফাইজুল মাহি
* ফজলুর রহমান খান
* এ.এন.এম মনিরুজ্জামান
* ডা: সেরাজুল হক খান
* ডা: শাহাদাত আলী
* ডা: এম.এ. খায়ের
* এ.আর. খান কাদিম
* মোহাম্মদ সাদিক
* শারাফত আলী
* গিয়াসউদ্দিন আহমেদ
* আনন্দ পবন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ
* প্রফেসর কাইয়ূম
* হাবিবুর রহমান
* শ্রী সুখ রঞ্জন সমদ্দার
এম.সি.এ
* মশিউর রহমান
* আমজাদ হোসেন
* আমিনুদ্দিন
* নাজমুল হক সরকার
* আব্দুল হক
* সৈয়দ আনোয়ার আলী
* এ.কে. সর্দার
সাংবাদিক
* সিরাজুদ্দিন হোসেন
* শহীদুল্লাহ কায়সার
* খন্দকার আবু তালেব
* নিজামুদ্দিন আহমেদ
* এ.এন.এম. গোলাম মোস্তফা
* শহীদ সাবের
* সরকার আব্দুল মান্নান (লাদু)
* নাজমুল হক
* এম. আখতার
* আব্দুল বাশার
* চিশতী হেলালুর রহমান
* শিবসাধন চক্রবর্তী
* সেলিনা আখতার
চিকিৎসক
* মো: ফজলে রাব্বী
* আব্দুল আলীম চৌধুরী
* সামসুদ্দিন আহমেদ
* আজহারুল কবীর
* সোলায়মান খান
* কায়সার উদ্দিন
* মনসুর আলী
* গোলাম মর্তোজা
* হাফেজ উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
* আব্দুল জব্বার
* এস.কে. লাল
* হেম চন্দ্র বসাক
* কাজী ওবায়দুল হক
* আল-হাজ্ব মমতাজউদ্দিন
* ঘাশিময় হাযরা
* নড়েন ঘোষ
* জিকরুল হক
* শামসুল হক
* এম. ওহমান
* এ. গফুর
* মনসুর আলী
* এস.কে সেন
* মফিজউদ্দিন
* আমূল কুমার চক্রবর্তী
* আতিকুর রহমান
* গোলাম সারওয়ার
* এর.সি. দাস
* মিহির কুমার সেন
* সালেহ আহমেদ
* অনীল কুমার সিনহা
* গুনীল চন্দ্র শর্মা
* এ.কে.এম. গোলাম মোস্তফা
* মাকবুল আহমেদ
* এনামুল হক
* এনসুর (কানু)
* আশরাফ আলী তালুকদার
* লেফ: জিয়াউর রহমান
* লেফ.ক. জাহাঙ্গীর
* বাদল আলম
* লেফ: ক. হাই
* মেজর রেজাউর রহমান
* মেজর নাজমুল ইসলাম
* আসাদুল হক
* নাজির উদ্দিন
* লেফ: নুরুল ইসলাম
* কাজল ভাদ্র
* মনসুর উদ্দিন
শিক্ষাবিদ
* জহির রায়হান
* পূর্নেন্দু দস্তিদর
* ফেরদৌস দৌলা
* ইন্দু সাহা
* মেহেরুন্নিসা
শিল্পী ও পেশাজীবি
আলতাফ মাহমুদ
দানবীর রানাদা প্রসাদ সাহা
জোগেষ চন্দ্র ঘোষ
ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত
সামসুজ্জামান
মাহবুব আহমেদ
খুরশিদ আলম
নজরুল ইসলাম
মাহফুজুল হক চৌধুরী
মহসিন আলী
মুজিবুল হক
--------------
তথ্যসূত্র :
১. জেনোসাইড বাংলাদেশ
২. বিদ্রোহী
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): We Want Trial Of The War Criminals, Say NO to the Razakars ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিকে জাগ্রত রাখুন ...
জানজাবিদ বলেছেন:
তথ্য বহুল, তবে বেশীর ভাগই আগে থেকে জানা। "পাক-বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার কাসেম এবং ক্যাপ্টেন কাইয়ুম ছিল মূল হোতা "। এই দুজন সম্পর্কে যদি আরেকটু বেশী জানা যেত? মানে এখন কোথায়, কি অবস্থায় আছে।
আমাদের দেশের যুদ্ধাপরাধীরা অলরেডি আইডেন্টিফাইড, শুধু বিচারের অপেক্ষা। কিন্তু পাকি যুদ্ধাপরাধীদেরও এট লিস্ট আইডেন্টিফাই করতে হবে।
লেখক বলেছেন: জেনোসাইড বাংলাদেশে এদের সম্পর্কে বিষদ তথ্য আপাতত পাইনি....তবে খুঁজে দেখার চেষ্টা করব এবং কিছু জানলে তার আপডেট দিতে চেষ্টা করব।
লেখক বলেছেন: ক্যাপ্টেন কাইয়ুম সম্পর্কে খুঁজতে গিয়ে একজন সম্পর্কে তথ্য পেলাম নেটে, মনে হচ্ছে বেশ বহাল তবিয়তেই আছেন ...২০০৪ -এ তিন তারকা বিশিস্ট জেনারেল হিসেবে অবসর নেন, পরে তাকে পাকিস্তান স্টিল বোর্ডের চেয়্যারম্যান করা হয় এবং একসময় সেখান থেকে তাকে পদত্যাগ করতে হয় ...বর্তমানে অন্য কোন সংস্থার চেয়্যারম্যান হিসেবে আছেন ...
আমি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নই এই কাইয়ুম -ই সেই কাইয়ুম কিনা...তবে মনে হচ্ছে তাই ...
নাঈম বলেছেন:
+
যথারীতি তথ্যবহুল লেখা....
লেখক বলেছেন: এই ধারণা মনে হয় মিথ্যা না, আমার নিজেরও মনে হয়, এইসব রাজাকারদের অতি ভক্তির কারণেই পাক-বাহিনীর পক্ষে আমাদের দেশে এতটা আগ্রাসন সম্ভব হয়েছিল, আর এতো হত্যাযজ্ঞের পেছনেও রাজাকারদের ইন্ধনই বেশী ছিল...নিজেদের পিঠ বাঁচাতেই রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস এইসব কু-বুদ্ধি দিত ... এই সব সূর্যসন্তানেরা বেঁচে থাকলে অন্তত ৩৮ বছর পরেও রাজাকারদের বাংলাদেশে বসেই একথা বলার সাহস হতো না, বাংলাদেশে কোন যুদ্ধপরাধী নেই....
নীল চাঁদ বলেছেন:
হা ক্রমাগত লেখা হোক,
এই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ, হানাদার বহিনীর নৃশংসতা, রাজাকারদের বর্বরোচিত কার্যক্রম এবং সর্বোপরি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে............
যাতে এক সেকেন্ডর জন্যও তাদের বিচারের আন্দোলন ঝিমিয়ে না পড়ে। এটাও একটা যুদ্ধ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়ার যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আমাদরে জয় অনিবার্য।
আইরিনকে ধন্যবাদ। তবে একটা দূঃখজনক ব্যাপার আছে। আমি গত ১৪ই ডিসেম্বর ডঃ আলিম চৌধূরীকে নিয়ে একটা লেখার প্রয়োজনে তার জীবনী টাইপ কিছু খূজতেছিলাম নেটে। কোথাও কিছু পাইনাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক এবং কিছু সাংবাদিকের জীবনী ছাড়া আর কিছু নেই নেটে।
ভোরের তারা বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি করার অনুরোধ করছি
পাই বলেছেন:
ছাত্রসংঘ ও জামাত কে আড়াল করাতে মাইনাস।ডা: আলীম এর স্ত্রী এর সাক্ষাতকারে পড়েছিলাম ছাত্র সংঘের কর্মীরা ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আর তিনি ফিরে আসেন নি।
মুলত নিজামী, গোলাম আজম গং এর মাথা থেকে ই দেশের মেরুদন্ড ভেংগে দেওয়ার পরিকল্পনা আসে।
এর কিছুটা ইংগিত পাওয়া যায় ৯ ই জানুয়ারী ২০০৯ এ ডেইলি স্টারের ক্রোড় পত্র স্টার ম্যাগাজিনে যেখানে সাবেক ছাত্র সংঘ কর্মী মেসবাউর রহমান চৌধুরী এর বিশদ সাক্ষাতকার রয়েছে।
লেখক বলেছেন: আপনি ভুল বুঝেছেন...জামাতী রাজাকারদের আড়াল করার চেষ্টা করিনাই ..তবে এটা দুটো লিংক থেকে অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি । আমার অন্যান্য পোস্টে রাজাকারদের ব্যাপারে কিছু বিস্তারিত পাবেন ।
যদি সম্ভব হয় ডাধ আলীম এর স্ত্রী'র সাক্ষাৎকারটি ব্লগে দিন । নেটে সংরক্ষিত থাকুক। প্রয়োজনীয় অনেক তথ্যের অভাব এখনো নেটে ...
লেখক বলেছেন: লেখাটা কেটে যাওয়ার ব্যাপারটা ধরতে পারলাম না...আমার এখানে তো ঠিক-ঠাক মতই আসছে..একটু রিফ্রেশ দিয়ে দেখবেন ?
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি করার অনুরোধ করছি
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
অথচ, স্বাধীন বাংলাদেশের ৩৭ বছর পেরুনোর পরও সেই ঘৃণ্য অপরাধীরা এই মাটিতে দাঁড়িয়ে সদম্ভে ঘোষণা দেবার দুঃসাহস দেখায়-- 'এইদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই !'
পাই বলেছেন:
ক্ল্যারিফিকেশনের জন্য ধন্যবাদ।চেষ্টা করবো যত ডকুমেন্টস আছে তা ব্লগে আপলোড করার।
আবারো ধন্যবাদ।
'লেনিন' বলেছেন:
তবে বুদ্ধিজীবি হত্যার সবচেয়ে সন্দেহজনক আমার মনে হয় দেশের সূর্যসন্তান জহির রায়হান হত্যা। তিনি একটি শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছিলেন, ভূয়া খবর দিয়ে নিয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়। অনেকেই বলেন এটি রাজাকার নয় বরং ক্ষমতাসীনদের মধ্য থেকে তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার এক দুর-সম্পর্কের বোনের কাছে তার এসব ভিডিও ছিলো সেসবও ধ্বংস করা হয়েছে। কোনো তদন্ত হয়নি।
লেখক বলেছেন: >>>
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
"'লেনিন' বলেছেন: তবে বুদ্ধিজীবি হত্যার সবচেয়ে সন্দেহজনক আমার মনে হয় দেশের সূর্যসন্তান জহির রায়হান হত্যা। তিনি একটি শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছিলেন, ভূয়া খবর দিয়ে নিয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়। অনেকেই বলেন এটি রাজাকার নয় বরং ক্ষমতাসীনদের মধ্য থেকে তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তার এক দুর-সম্পর্কের বোনের কাছে তার এসব ভিডিও ছিলো সেসবও ধ্বংস করা হয়েছে। কোনো তদন্ত হয়নি"
- আপনি যে কথাগুলো বললেন, মানে অভিযোগটা তুললেন তার ভিত্তি কি ? আমি তথ্যসূত্রটা জানতে চাইছি।
জহির রায়হানের ছেলে অনল রায়হান সাপ্তাহিক ২০০০ এ তার পিতার নিরুদ্দেশ হওয়া নিয়ে একটা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন মিরপুরের সেই অঞ্চল ১৬ই ডিসেম্বরের পরেও বিহারীদের নিয়ন্ত্রনে ছিল অনেকদিন। ভারতীয় সেনাবাহিনী পূরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছিল জানুয়ারী ১৯৭২ এর শেষাবধী। ভারতীয় বাহিনী সরে যাওয়ার পর জহির রায়হান একজন ডিআইজি কে (নামটা মনে পড়ছে না, তিনি ছিলেন অভিনেত্রী ইশিতার নানা) সেই এলাকায় যান ্রবং দু'জনেই নিখোজ হন।
আপনি অমি রহমান পিয়ালের নিচের পোষ্ট গুলি পড়েন -
Click This Link
Click This Link
থার্ড নয়ন বলেছেন:
বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িত মৌলানা মান্নান এর ছেলে বাহাউদ্দিন এখন শেখ হাসিনার মিত্র। কার বিচার কে করবে ?৭২ থেকে ৭৫ এর মধ্যে বুদ্ধিজীবী হত্যার কোন তদন্ত কি হয়েছিল। তখন সাক্ষ্য প্রমান জলজ্যান্ত ছিল। তখন চাইলে সঠিক তদন্ত করে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেত। তখন তা করা হয়নি কেন ?
জহির রায়হান মারা যান , ৭২ এর জানুয়ারীতে বিজয়ের অনেক পরে। ঐ হত্যাকান্ডের ও কোন তদন্ত করেনি কেন ততকালীন সরকার ?
বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে ততকালীন ৭২-৭৫ এর সরকারের তদন্তের অনীহা ছিল কেন ?
লেখক বলেছেন: আপনি বাহাউদ্দিন সম্পর্কে পোস্ট দিন ।
৭৫ এর আগ পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ তো চলছিল ...জিয়া সরকার গ্রহণের পর তা সবরকম ভাবেই বন্ধ হয়ে যায় ।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
বিচার শুরু হোক।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. হুমায়ুন কবির আমার ফুফাতো ভাই।তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংসদ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলায় তার মামা আমিমুল ইহ্সানের (আমার পিতা) শ্বশুর বাড়িতে থেকে তিনি এখানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত করেন ও যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। প্রয়োজনীয় কাজে ঢাকায় আসলে হাতির পুল বাজারস্থ বাড়ি থেকে বের হয়ে ১৫ নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজে যাওয়ার পথে তিনি নিখোজ হন। পরবর্তীতে মতিঝিলে তার ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায়।
তার নামে শরীয়তপুর জেলার ভেদর উপজেলার চর ভাগা ইউনিয়নে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা, হুমায়ুন কবীর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ স্কুলটি শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ স্কুল। এ বছরের বর্ষায় নদী ভাঙ্গনে স্কুলটি বিলীন হয়ে গেছে। তবে সখিপুরে স্কুলটি স্থানান্তর করা হয়েছে।
আমাদের পরিবারে তৎকালীন সকল সক্ষম পুরুষই মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন। এর মধ্যে আমার বড় জ্যাঠা ডা. আবুল কালাম আজাদ মোল্লা চাঁদুপুরে পাকিস্তানীদের একটি জাহাজ লুট করায় নেতৃত্ব দেন।
লেখক বলেছেন: ইন্টারনেটে অনেক ব্যক্তিবর্গের প্রয়োজনীয়, বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না । যদি শহীদ বুদ্ধিজীবি ডা.হুমায়ুন আহমেদ সম্পর্কে এখনও কোন পোস্ট দিয়ে না থাকেন, তবে অনুরোধ করব সে সময়কার কথা কিছু লেখার জন্য...
আমরা ব্লগাররা যে যার মত অনেকেই চেষ্টা করছি বিভিন্ন তথ্যমূলক সাইট ঘেঁটে কিছু পোস্ট দেয়ার...কিন্তু কাছে থেকে দেখা, বা শুনে অথবা নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতার বর্ণনা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল নি:সন্দেহে ।
আমি আপনার মন্তব্যটুকু মূল পোস্টের সাথে যুক্ত করলাম ।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এবং পুরো পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
আমি সকল বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই। দোষীরা যেই হোক না কেন তাদের ফাঁসি চাই। এ ক্ষেত্রে দোষীরা বাংলাদেশের বাইরের হলেও তাদের আন্তর্জাতিক আইনে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবি করছি।একই সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি খুব দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানাই।
লেখক বলেছেন: এই শুক্রবারেও বাণিজ্য মেলাতে কিছু ব্লগার জমায়েত হবেন গণস্বাক্ষর সংগ্রহের উদ্দেশ্যে..আমি অথবা অন্য যে কেউ হয়ত খুব শীঘ্রই একটি আপডেট পোস্ট দিব।
জেরী বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
রাকিব খান বলেছেন:
বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই
রিসাত বলেছেন:
বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই
- আপনি যে কথাগুলো বললেন, মানে অভিযোগটা তুললেন তার ভিত্তি কি ? আমি তথ্যসূত্রটা জানতে চাইছি।
জহির রায়হানের ছেলে অনল রায়হান সাপ্তাহিক ২০০০ এ তার পিতার নিরুদ্দেশ হওয়া নিয়ে একটা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন লিখেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন মিরপুরের সেই অঞ্চল ১৬ই ডিসেম্বরের পরেও বিহারীদের নিয়ন্ত্রনে ছিল অনেকদিন। ভারতীয় সেনাবাহিনী পূরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছিল জানুয়ারী ১৯৭২ এর শেষাবধী। ভারতীয় বাহিনী সরে যাওয়ার পর জহির রায়হান একজন ডিআইজি কে (নামটা মনে পড়ছে না, তিনি ছিলেন অভিনেত্রী ইশিতার নানা) সেই এলাকায় যান ্রবং দু'জনেই নিখোজ হন।
আপনি অমি রহমান পিয়ালের নিচের পোষ্ট গুলি পড়েন -
Click This Link
Click This Link
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর ছোট ছেলে শোভন আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ট বন্ধু। অসাধারণ মেধাবী একটা ছেলে। ডা. গোলাম মোর্তজার মেয়ে দ্যুতিও আমার বন্ধু, ও এখন আমেরিকায়। তাই যোগাযোগ কম। সেও অত্যন্ত মেধাবী। এই দুই জনকে দেখে বুঝতে পারি তাদের বাবারা কতটা মেধাবী ছিলেন, এবং আমরা কি হারিয়েছি।
লেখক বলেছেন: বাঙালি জাতি যে মেধা হারিয়েছে তা পূরণ সম্ভব হয়; সেইসব বুদ্ধিজীবিরা বেঁচে থাকলে হয়ত আজকের পরিস্থিতি যথেস্ট ইতিবাচক হতো...
ভাল লাগল আপনার তথ্যগুলো...বুদ্ধিজীবিদের সন্তান, পরিবার-পরিজনরাও দেশের মুখ উজ্জল করুক, তা যেখানেই থাকুন তারা ।
লেখক বলেছেন:
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (২২শে জুলাই, ১৯২৬ – ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১) মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের অংশ হিসাবে তিনি অপহৃত ও পরে শহীদ হন।
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বর্তমান বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ববঙ্গের) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বজলুর রহমান চৌধুরী ও মা মাহফুজা খাতুন। তিনি মাত্র নয় বছর বয়সে পিতাকে হারান। তাঁর মা মামলায় জয়লাভ করে তাঁদের পরিবারের সম্পত্তি রক্ষা করেন। ফলে মোফাজ্জল, তাঁর দুই ছোট ভাই এহতেশাম হায়দার ও লুতফুল হায়দার এবং ছোট বোন রওশন আখতার রাজিয়ার পড়াশোনা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে মামার আশ্রয়ে। ১৯৫৬ সালে সৈয়দা তাহমিনা মনোয়ারা নুরুন্নাহার-কে বিবাহ করেন। তাঁদের ঘরে ১৯৬৪ ও ১৯৬৭ সালে যথাক্রমে সুমন ও শোভন নামে দুই ছেলে হয়।
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী নোয়াখালীর সোনাপুরের আহমদিয়া হাই ইংলিশ স্কুল থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন ও মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান লাভ করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ঢাকা কলেজ (তৎকালীন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ) থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজে বাংলায় (সম্মান) ভর্তি হন। কিছুদিন পর এই কলেজ ত্যাগ করে কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজে ইংরেজি অনার্স পড়া শুরু করেন। কিন্তু বাংলা বেশি ভালবাসতেন বলে শান্তিনিকেতনে চলে যান ও সেখানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুসারে বাংলা (সম্মান) পড়তে থাকেন। ১৯৪৬ সালে তিনি নন-কলেজিয়েট পরীক্ষার্থী হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অংশ নেন ও প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। এ সাফল্যের জন্য তাঁকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় “সুরেন্দ্রনলিনী স্বর্ণপদক” প্রদান করে। পরে ১৯৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে আবারও স্যার আশুতোষ গোল্ড মেডেল দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়, কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ১০০ বছরের ইতিহাসে তাঁর মত এত বেশি নম্বর পেয়ে কেউ বাংলা (সম্মান)-এ ডিগ্রী অর্জন করেনি। ১৯৪৬-১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যায়ে মাস্টার্স পড়া শুরু করেন। ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্র-ভবনের বৃত্তি লাভ করে সেখানে ফিরে যান ও ১৯৪৮ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে “সাহিত্যভারতী” উপাধি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
১৯৪৯ সালের নভেম্বরে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী শান্তিনিকেন্তন ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন ও রেডিও পাকিস্তানের ঢাকা কেন্দ্রে পাণ্ডুলিপি রচয়িতা (script writer) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৫০ সালে জগন্নাথ কলেজে প্রভাষক পদে যোগ দেন। তিনি এসময় সেন্ট গ্রেগরিজ কলেজ (বর্তমান নটরডেম কলেজ)-এও খন্ডকালীন অধ্যাপনা করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
১৯৫৭ সালে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (School of Oriental and African Studies)-এ ভাষাবিজ্ঞান অধ্যয়নের জন্য বৃত্তি লাভ করেন। সেখানে দুই বছর গবেষণা করার পর কথ্য বাংলার শব্দের ছন্দোবিজ্ঞানের ওপর একটি অভিসন্দর্ভ লেখেন, কিন্তু তাঁর গবেষণার ধরন তৎকালীন মার্কিন ধারার ভাষাবৈজ্ঞানিক গবেষণাপন্থার অতিমাত্রায় অনুসারী ছিল বলে এই অভিসন্দর্ভটি প্রকাশের জন্য গৃহীত হয়নি। পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলা একাডেমী থেকে এটি প্রকাশ করা হয়।
১৯৬৪ সালে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভাষাবিজ্ঞান পড়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত তাঁর এ চেষ্টা সফল হয়নি।
১৯৭০ সালে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড রবীন্দ্রনাথ বিষয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে সংবর্ধনা দেয়। একই বছরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা রীডার (পরবর্তীতে এ পদের নাম বদলে সহযোগী অধ্যাপক করা হয়) পদে নিযুক্ত হন।
১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর আল-বদর বাহিনী তাঁকে তাঁর কনিষ্ঠ ভাই লুতফুল হায়দার চৌধুরীর বাসা থেকে অপহরণ করে। এর পর তাঁর আর কোন খবর পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হয় ঐ দিনই তাঁকে হত্যা করা হয়।
** প্রথম আলো ব্লগে আমার এই পোস্টটিতে ব্লগার কবির য়াহমদ এর মন্তব্য থেকে অংশ বিশেষ। (তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া)
পোস্ট লিংকঃ http://www.prothom-aloblog.com/posts/67/13634
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
লেখিকা দয়া করে @থার্ড নয়ন এর উত্তর টা দিন।
লেখক বলেছেন: ইয়াসিন কবীর, আপনার মতামত দিন এ ব্যাপারে...যদি উত্তর আপনার জানা থাকে ।
কেন যেন মনে হচ্ছে, উত্তরের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেন আসলে উত্তরের জন্য নয়...
কালপুরুষ বলেছেন:
এই হত্যাক্ন্ড ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মহান শহীদদের লিস্টে ড: জোহা (ড: সামসুজ্জোহা) স্যারের নাম দেখলামনা। তিনিও পাকবাহিনীর হাতে শহীদ হন।
লেখক বলেছেন: দাদা, যতটুকু বোঝা গেল, তালিকাগুলো এখনো সয়ংসম্পূর্ণ নয় । তবে এভাবে সবাই তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে অন্তত অনেক কিছু জানা যাবে । বিভিন্ন সাইটে একই ধরনের তথ্য আছে, অপর দিকে অনেক বিষয়েই বিষদ বিশ্লেষণের অভাব আছে কিনবা পর্যাপ্ত তথ্যই নেই...তবে বই-পুস্তক, উপন্যাস সেই অভাব পূরণ করেছে মনে হয়..তারপরও অন-লাইনের এধরনের তথ্যগুলোর সহজলভ্য হওয়া খুবই দরকার। আমার মনে হয় তথ্য মন্ত্রনালয়ের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ ।
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
জ্বি, আপনি ঠিক ধরেছেন।যার কাছে আপনারা বিচার চাচ্ছেন সেই কিনা হত্যাকারীদের সাথে।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
অপেক্ষায় রইলাম।
ফারুক আহেমদ রনি বলেছেন:
পোষ্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা এখন একটি পরিবর্তন প্রত্যাশায় আছি।
সাইফুর বলেছেন:
অনেক ভালো পোষ্ট
'লেনিন' বলেছেন:
@ক্যামেরাম্যান : ঐ জহির রায়হান হত্যাকাণ্ডে আমার বাবার বন্ধুর শ্বশুর এক পুলিশ সদস্যও সঙ্গে গিয়েছিলেন তিনিও ফিরে আসেন নি। এমন একটি বিপদজনক এলাকায় একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে এভাবে কেনো যেতে দেয়া হলো তার কি কোনো উত্তর মেলে?
পারভেজ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
তালিকাটা আসলে কতটা তথ্যভিত্তিক। যদি এটা সত্যিকারের তালিকা হয় তাহলে এটা একটা ঐতিহাসিক কাজ হবে।
লোকালয় বলেছেন:
থার্ড নয়ন বলেছেন: বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে জড়িত মৌলানা মান্নান এর ছেলে বাহাউদ্দিন এখন শেখ হাসিনার মিত্র। কার বিচার কে করবে ?৭২ থেকে ৭৫ এর মধ্যে বুদ্ধিজীবী হত্যার কোন তদন্ত কি হয়েছিল। তখন সাক্ষ্য প্রমান জলজ্যান্ত ছিল। তখন চাইলে সঠিক তদন্ত করে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেত। তখন তা করা হয়নি কেন ?
জহির রায়হান মারা যান , ৭২ এর জানুয়ারীতে বিজয়ের অনেক পরে। ঐ হত্যাকান্ডের ও কোন তদন্ত করেনি কেন ততকালীন সরকার ?
বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড নিয়ে ততকালীন ৭২-৭৫ এর সরকারের তদন্তের অনীহা ছিল কেন ?
লেখক বলেছেন: উনাকে বাহাউদ্দিন সম্পর্কে পোস্ট দিতে বলা হয়েছিল ।
৭৫ এর আগ পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ তো চলছিল ...জিয়া সরকার গ্রহণের পর তা সবরকম ভাবেই বন্ধ হয়ে যায় । তাহলে ৭২ থেকে ৭৫ এর কথাই আসছে কেন !
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা (১০ জুলাই, ১৯২০ – ২৭ মার্চ, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবি ও শিক্ষাবিদ। তাঁর অন্যতম পরিচয় তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের একজন।
জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতার জন্ম তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের (বর্তমানের বাংলাদেশ) ময়মনসিংহ জেলায়। তাঁর পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের বরিশাল জেলার বানারীপাড়ায়। তাঁর বাবার নাম কুমুদচন্দ্র গুহঠাকুরতা, এবং তিনি পেশায় ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক।
১৯৩৬ সালে ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে আই.এসসি. কোর্সে ভর্তি হন। এক বছর সেখানে পড়াশোনা করার পর টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন এবং ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে আই.এ.-তে ভর্তি হন, এবং সেখান থেকে ১৯৩৯ সালে আই.এ. পাশ করেন। এরপর তিনি ইংরেজি বিষয়ে ভর্তি হন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে ১৯৪২ সালে তিনি বি.এ. (সম্মান) বা স্নাতক, এবং ১৯৪৩ সালে এম.এ. (মাস্টার্স) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অবস্থায় কর্মরত থাকাকালীন মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যার সময় তিনি ঢা.বি.-এর জগন্নাথ হলে আবাসিক শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন। সেদিন তিনি পাকিস্তানী বাহিনীর দ্বারা গুলিবিদ্ধ ও আহত হন, এবং চারদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন থাকার পর ৩০ মার্চ, ১৯৭১-এ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
** প্রথম আলো ব্লগে আমার এই পোস্টটিতে ব্লগার কবির য়াহমদ এর মন্তব্য থেকে অংশ বিশেষ। (তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া) পোস্ট লিংকঃ http://www.prothom-aloblog.com/posts/67/13634
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















