আমার প্রিয় পোস্ট
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- :::: বনের নাম রাজকান্দি :::: - সৌম্য
- দেশের সবচেয়ে বড় আম গাছ ( ছবিব্লগ ) - অবিশ্বাসী
- ৪০০ না ঢাকার বয়স ৮০০ বছর!!! - নুরুজ্জামান লাবু
- রাজা আরবাজ খান ও শিল্পী ইভা রহমান - কাক নং ৭৯৯
- আর আমি শালা শুওরের বাচ্চা কগজে কলমে মানবতা আঁকছি। - মিছিল
- [ফিরে দেখা] শহীদ বুদ্ধিজীবী কন্যা রীমা হত্যা মামলা (১৯৮৯-১৯৯৩) - রাইসুল জুহালা
- আল জাজিরার রিপোর্ট - ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদিবাসীরা প্রকাশ করল সত্য - সুদিনের বার্তা
- যদি খুন করতে হয় - কৌশিক
- ক্ষমা কর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল!! সীমাহীন জাতীয় অধঃপতনের অনন্য উদাহরণ হয়ে গেলে তুমি!! - বেঙ্গল মাসুদ
- বেগম খালেদা জিয়া: সাধারণ থেকে অসামান্য একজন হয়ে উঠা- (ফটোব্লগ-১) - রায়হান রাহী
- হিলসাইড রির্সোট-বান্দরবন, পাহাড়ের কোলে ঘুমালাম দু'রাত (ছবি ব্লগ) - মোঃ আমিন
- আমরা আবার প্রমাণ করলাম আমরা আসলেই পারি - আসিফ আহমেদ মামুন
- ক্রিকেট স্লেজিং! মজার মজার সেইসব বিখ্যাত উক্তি - নিস্প্রান আমি
- 'মেহেরজান' : ভুল পরিপ্রেক্ষিত ও ভুল ভালোবাসার গল্প - একরামুল হক শামীম
- সোমালিয়ান জলদস্যুর গল্প এবং ২৬ টি নাবিক পরিবারের পক্ষ হতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি খোলা চিঠি - জাহাজী পোলা
- ফটোগ্রাফিতে মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন কিশোর পারেখ - কাঊসার রুশো
- শত দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি মন ভাল করা খবর: বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী - shapnobilash_cu
- ভারতীয় জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- বড় কোন পরিবর্তনই আপনাকে ভালো কিছু এনে দিতে পারে - অং সান সু চি - শেরিফ আল সায়ার
- নভেম্বর ৩ , ১৯৭৫ - নুরুজ্জামান মানিক
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- নৈতিকতার ভিত্তি এবং উৎস - পারভেজ আলম
- এই রমজানে ঢাকায় তৈরি হয়ে যাক আরো কিছু মন্দির - ফরিদ
- এবার থেকে বাংলায় লিখতে আর সমস্যা হবে না। এসে গেল শাব্দিক... - অমিত কুমার সরকার
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- গুলশান-বনানী, ফ্যাশন-মডেলিং কিংবা একজন কাঁচা কিশোরীকে ঘষে-মেজে 'পণ্য' বানানো - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আলব্দি গণহত্যার দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ - ক্যামেরাম্যান
- যারা উবুন্টু-লিনাক্সে মবিডাটা মডেম ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য। - আজম মাহমুদ
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- ৩৩টি বাংলা ফন্ট একসাথে ডাউনলোড করুন!!! - মুকুট
- পোড়া গলিতে, পোড়া চোখে, পোড়ো মনে - অন্যমনস্ক শরৎ
- ওরে পতাকা, নারে পতাকা, কিরে পতাকা, ক্যান?? - অন্যমনস্ক শরৎ
- কাজী নজরুল ইসলাম - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রসঙ্গ বিজয় বনাম অভ্র :ডা. আব্দুন নূর তুষারের প্রতিক্রিয়া এবং প্রতু্যত্তর - 'লেনিন'
- অভ্রের বিরুদ্ধে শাব্দিক টিমের অভিযোগ এবং জব্বার কাগুর ইউনিবিজয়ের মিল প্রসঙ্গে - 'লেনিন'
- বাংলা কম্পিউটিং এর পুনর্জন্ম এবং এর খল নায়কেরা। কিছু বিষয়ে জবাব সংযুক্ত। - মু আ হাকিম নিউটন
- "রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট": আমার তৈরী করা বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম
......সবার কাছে রিভিউয়ের অনুরোধ - সিউল রায়হান
- কেসলারের ল'অব কোয়েন্সিডেন্ট: বাংলাদেশের বর্তমান নারী এবং সামাজিক অবক্ষয়! - শেরিফ আল সায়ার
- বৈশ্বিক উষ্ণতার অবদান-মুছে গেছে দক্ষিণ তালপট্রি দ্বীপ (নিউমুর আইল্যান্ডস) - সুমিন শাওন
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- আমেরিকান আদিবাসী নেতা 'চিফ সিয়াটল' এর একটা চিঠি - জাতিষ্মর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- সাকরাইন!সাকরাইন!! ঐ ঘুড্ডি বাকাট্টা : এ ফটো স্টোরী - অন্যমনস্ক শরৎ
- নববর্ষের সম্ভাব্য উপাধি
- ক্যামেরাম্যান
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- সামহোয়ারইনব্লগের জন্মদিনে কিছু বর্ণিল মুহূর্তাচারণ - কৌশিক
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দালাল শিক্ষক - ক্যামেরাম্যান
- বুদ্ধিজীবীদের নিধন এবং বিচার প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- সামহয়ারের যে লেখাগুলো ড্রাফট্ থেকে এখনও পোষ্ট করা হয়নি। - অ্যামাটার
- আমার ভাইয়ের মৃত্যূ ও সৌদিদের ক্ষমার অযোগ্য বর্বর আইন ও হাহাকার - পারভেজ রবিন
- বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ কি ইসলাম বিরোধী চেতনা? - তাজা কলম
- গ্ল্যাডিয়েটর - মাহবুব লীলেন
- একান্ত ব্যক্তিগত শোকনামা "পিতা" তোমার জন্যে - কারো অতিপ্রচার বা অপপ্রচারের ধার না ধেরে - মেঘ
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আর্কাইভ : আমার কিছু খুচরো লেখালেখি - আইরিন সুলতানা
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- ওরা সবাই বাই সাইকেল বালিকা......./ ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- ব্লগারদের সঙ্গে আমার স্মৃতি এবং আমার কথোপকথন - একরামুল হক শামীম
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- চলুন,প্রাপ্তিকে আবারো ভালবাসা দিয়ে প্রমাণ করি মানবতা শেষ হয়ে যায়নি - মোসতফা মনির সৌরভ
- জীবনটাকে উপভোগ করে চলে গেল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী - নিজেরআয়না
- রম্য ছড়াঃ নারী নিকের ব্লগার যারা - কালপুরুষ
- কেন যাব - কালপুরুষ
- disgusting attack on blog moderator - আরিল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
অগ্নিশর্মা !!!
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:৪০
![]()
***
ফুটপাতের উপর বালির সারি। একটু পাশ ঘেঁষে লম্বা, একটানা দেয়াল। অন্য পাশে, একটু কোনায়, জঙ্গলের মত। প্রকৃতি এখানে ডাকে! তাই শত ব্যস্ততায়ও এখানটায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলে অসংখ্য পথচারী! জলবিয়োগের ঝরণা ধারার সরু প্রবাহ চলে আসে ফুটপাত অবধি। ফুটপাতের উপর সারি সারি রং-বেরঙের, বড় বড় ছাতি দেখে ভাবার কারণ নেই এগুলো কোন দীর্ঘতম বালুকাবেলায় রোদ পোহাতে থাকা বীচ-আমব্রেলা ! ঘাস-জঙ্গলের আদিম গন্ধ আর বিয়োগকৃত জলের অম্ল-ক্ষারীয় গন্ধে ভারী হয়ে ওঠা বাতাসের মধ্যেও প্রতিটি ছাতির নীচে একটি ছোট টেবিল আর টুল নিয়ে অম্লানবদনে বসে থাকে বসে কেউ। টেবিলের উপর মেলে রাখা রঙিন সব টিকেট। এগুলো হলো একেকটি বাস কাউন্টার, আর এ দৃশ্য ঢাকার একটি বাস স্স্টপেজ এর।
ঘন্টা হয়ে এলো তবু বাসের টিকিটিরও দেখা মিলছেনা। পড়ন্ত বিকেলের রোদ চোখ-মুখ কুঁচকে দিচ্ছে। ভিড় বাড়ছে। স্টপেজে লাইনের কোন বালাই নেই। সব এলোমেলো দাঁড়িয়ে। সবারই মনে হচ্ছে , যে যেই বাসের টিকেট হাতে দাঁড়িয়ে কেবল সেই বাসটাই আসছে না !
এক সময় কাংখিত বাহনটিকে দেখা যায়, ওই যে! একটু দূরের ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে। অপেক্ষমান সবার মাঝে নড়াচড়া চোখে পড়ে। বাস আসছে! কাউন্টার থেকে চিৎকার আসে, ”বাস আইসা পড়সে, খালি বাস, পুউরা খালি...”। সর্পিল গতিতে বাস থামে স্টপেজে। আসলে থেমেও যেন থামেনা। যাত্রীরা বাসের সাথে সাথে হেঁটে হেঁটে এগুতে থাকে। যখন দেখা যায় আশেপাশের সবাই এগুচ্ছে, তখন অন্যরাও ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে। সিট দখলের কোন আশা নেই, কারণ তা আগের স্টপেজগুলোতেই পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। তুমুল প্রতিদ্বন্দিতা চলে কেবল বাসের ভেতরের সেই খালি জায়গা দখলের!
মেয়েটি খুব ক্লান্ত এবং বিরক্ত। বাসে কোন সিট খালি নেই। কিন্তু রাস্তায় আর দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব না। তাই ভিড়ের মধ্যে সেও হুড়মুড় করে বাসে উঠতে লাগল। এক হাতে বাসের দরজার হাতল ধরে শরীরটাকে টেনে ওপরে তুলতে গিয়ে শূণ্যে ধাক্কা খেল কার সাথে জানি। অন্য হাতের মুঠোয় রাখা মুঠোফোনটা ছিটকে পড়ল রাস্তায়। ঝট করে মুখ তুলে পাশে তাকিয়ে দেখল, একটি ছেলে তারই মত ঝুলছে কিন্তু ঘাড় বাঁকিয়ে তাকিয়ে আছে রাস্তায়, তারপর ঝট করে লাফ দিয়ে নামল। মেয়েটিও ততক্ষণে হাতল ছেড়ে শূণ্য থেকে রাস্তায় নেমে এলো।
পড়ে থাকা মোবাইলটার কাছে গেল মেয়েটি। ব্যাটারিটা খুলে পড়ে আছে, তুলে নিলো সেটা।
ছেলেটি বুঝতে পারছেনা ব্যাটারিটা কোথায় পড়ল, এতোটা জোরে মোবাইলটা আছড়ে পড়েছে যে প্রায় ছিন্ন-ভিন্ন! তবে সিমটা আটকে আছে তখনও, তুলে নিল ভাঙ্গা সেটটা। পাঁই করে ঘুরে তাকালো পেছনে।
- ”ধাক্কা দিলেন কেন আপনি! আপনার জন্য আমার মোবাইল সেট ভেঙ্গে গেল!” গজরাতে থাকে ছেলেটি।
- ”মানে! আমি কেন ধাক্কা দিতে যাবো। আপনি ঠিক মত বাসে উঠতে পারেননা ! দেখছেন না একজন মহিলা উঠছে, আপনার কাণ্ডজ্ঞান নেই কোন?” পারলে হাতে ধরা মোবাইলটা প্রায় ছুঁড়ে মারে মেয়েটি।
- আজব ! এই ঠাসাঠাসি বাসে আপনি দাঁড়াতে পারতেন! মহিলা হয়ে ধাক্কা-ধাক্কি করে বাসে উঠতে যাচ্ছিলেন!
- বাস কি কেবল পুরুষদের জন্য নাকি! অভদ্রের মত কথা বলছেন কেন আপনি!
আশেপাশে উৎসুক লোকজন ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখা শুরু করলো ওদের। এর মধ্যে বাস নড়ে উঠল, এবার ছুটবে বলে। কোন জবাব না দিয়ে ছেলেটা সেদিকে তাকিয়ে দুই লাফে উঠে পড়ল বাসে। ভেতরে জানালার পাশে কোন মতে দাঁড়ালো, ভিড়ের চাপে শরীরটা জানালা গলে প্রায় বার হয়ে আসছে। সে অবস্থাতেও এমন শ্যেন দৃষ্টি হানলো রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার দিকে যে মেয়েটার শরীর জ্বলে উঠল রাগে।
***
আজোও বাসে সিট পায়নি মেয়েটি। আজকাল তিন সারি সিট বরাদ্দ থাকে মহিলাদের জন্য, কিন্তু সেগুলোর একটাও খালি নেই। সকাল সকাল বাসে মহিলাদের ভিড় বেশী- কারো কলেজ, কারো ইউনিভার্সিটি, আর কারো বা চাকরী। সকালটা এমনিতেই অফিসের সময়, তাই সবারই তাড়া। ভিড়ের মধ্যে কোন মতে দাঁড়িয়ে মেয়েটি। বাস একেক স্টপেজে থামছে, হয় কিছু লোক নামছে নয়তো উঠছে। আর সেই ওঠা-নামায় চ্যাপ্টা হয়ে যাচ্ছে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন।
মনে হলো কোমরে কারো হাত লাগল। ঘাড় ফিরিয়ে পেছনে তাকানোর মত উপায় নেই। তাই মেয়েটা একটু চেপে গেল সামনে। এবার মনে হলো পিঠে কেউ খোঁচা দিল। কান গরম হয়ে গেল মেয়েটির। একবার নয়, খোঁচাটা আবার দিল কেউ যেন পিঠে। চোখ-মুখ শক্ত হয়ে গেছে ততক্ষণে মেয়েটির। পেছনে তাকিয়ে এক পাশে একটি বুড়ো আর এক পাশে একটি ছেলেকে দেখলো। ছেলেটি এক হাত উপরের হাতল ধরে আছে বলে চেহারা দেখা যায় না। আরেক হাতে ফাইল ধরে রাখা। কিছু বলতে গিয়েও মুখ ঘুড়িয়ে নিল মেয়েটি।
তৃতীয়বারের মত খোঁচাটা লাগতেই রাগে কাঁপতে কাঁপতে শরীরটাকে মুচড়ে পেছন ফিরে ঠাস করে একটা চড় বসিয়ে দিল পেছনে দাঁড়ানো ছেলেটার দৃশ্যমান গালে!
ঘটনায় আকষ্মিকতায় হাতল থেকে হাত ছুটে গেল ছেলেটার। সামনে-পেছনে, দাঁড়ানো কিনবা বসা সবার চোখ ঘুরে পড়ল ছেলেটি আর মেয়েটির উপর। ততক্ষণে ছেলেটির চেহারা দৃশ্যমান হলো মেয়েটির কাছে। আরে ! এতো সেই গতবারের ছেলেটা! যে তাকে ধাক্কা দিয়েছিল! মোবাইলটার শেষ পর্যন্ত কিছু হয়নি, নইলে আরেকটা কিনতে হতো তাকে। !
জ্বলতে থাকা গালে এক হাত দিয়ে, নিজের ভারসাম্য রাখতে রাখতে ছেলেটি তাকায় সামনে। আরে! এতো সেই মেয়েটি! এর জন্য গাঁটের পয়সা খরচ করে আরেকটা মোবাইল কিনতে হলো তাকে!
- ”কি সমস্যা আপনার! ” রাগে গম গম করে উঠলো ছেলেটি।
- ”সমস্যা আমার নয়, বরং আপনার। মেয়ে মানুষ দেখলেই নোংরামি শুরু হয়ে যায় ... ।” কথা শেষ করতে পারে না মেয়েটি।
- ”চড় দিলেন আপনি! আর বলছেন সমস্যা আমার! ফাজলামো করেন আমার সাথে ..”
- ”মুখ সামলে কথা বলুন। আপনি পেছনে দাঁড়িয়ে ভিড়ের মাঝে মেয়েদের গায়ে খোঁচা দেবেন আর ভাবছেন মেয়েরা লোকলজ্জার ভয়ে মুখ বুঁজে থাকবে ...”
- ”উফ! কি উল্টো-পাল্টা বলছেন। আপনি দেখেছেন আমাকে খোঁচা দিতে? দেখেছেন ?” চিৎকার করল ছেলেটি।
- ”দেখতে হবে কেন?” পাল্টা চিৎকার মেয়েটির।
- ”পাবলিক বাসে ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন। আর আহাম্মকি অভিযোগ করছেন! এতো শুচিবাই থাকলে প্রাইভেট কার কিনে নিন।”
এর মাঝে বাস গতি প্রতিরোধক পার হতে গিয়ে ভয়াবহ ঝাঁকি খেল যে সবাই এর-ওর গায়ে প্রায় হুমড়ি খেয়ে পড়তে পড়তে সামলে নিল। মেয়েটি একটু ভারসাম্যহীন হয়ে যাচ্ছিল দেখে পাশের বুড়োটা তাকে ধরতে হাত বাড়াতেই এক ঝটকায় বুড়োর হাত সরিয়ে পাশের সিটের হাতল ধরে নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়ালো সে।
- ”ও ম্যাডাম! পথ-ঘাট চোখ-কান খোলা রেখে চলতে শিখুন। আমি নিজেই দাঁড়াতে পারছিনা আর আরেকজনকে সামাল দেব মানে খোঁচাবো কি করে। ” বুড়োর দিকে আড়চোখে তাকিয়ে ছেলেটা এবার পেয়ে বসলো মেয়েটাকে। পাশের বুড়োটা একটু এদিক-সেদিক তাকিয়ে পেছনের ভিড়ে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করল যেন একটু।
- ”আপনি নিজেকে সংশোধন করুন ...আপনি পথ-ঘাট চলতে জানেন না, মেয়েদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় জানেননা... ” প্রায় তোতলাতে থাকে মেয়েটি।
- ”আপনি ব্যবহার শিখুন আগে। এখন যদি আপনাকে আমি চড় মেরে বসি...?” , ছেলেটির চোখ আবারও জ্বলে উঠলো যেন।
- ”কি...ইই! ” প্রায় কেঁদে ফেলবে যেন মেয়েটি অপমানে।
এতোক্ষণে সহ-যাত্রীরা ধাতস্থ হলো যেন। কেউ মেয়েটার পক্ষ নিয়ে ছেলেটাকে একটু কড়া কথা শোনাতে গেলে পাল্টা ঝাড়ি খেয়ে চুপ হয়ে গেল। কেউ একজন বলল, ”পাবলিক বাসে এমন হয়ে আসলে। ব্যাপারটা নিতান্তই ভুল বোঝাবুঝি মনে হচ্ছে।” ছেলেটিকে কেউ একজন বলল,”ভাই, আপনি না হয় স্যরি বলেন...”।
- ”আমি কেন স্যরি বলব। মেয়েরা একটু নাকি কান্না করলেই মন গলে যায় না! স্যরি যদি বলতে হয় তো উনি বলবেন ”, তেলেবেগুনে জ্বলছে ছেলেটি।
ওপাশ থেকে বাস-ড্রাইভার পেছন ঘুরে বলল, ”ভাই, আপনাদের চিল্লাচিল্লি ইকটু থামান...”। এই বলে সামনে তাকাতেই দেখলো পেছন থেকে একটা ক্যাব হুশ করে ওভার-টেক করেত চাইছে, ওটাকে পাশ কাটাতে এমন কায়দা করলো যে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা আবারও বেসামাল। মেয়েটি সিটের হাতল শক্ত করে চেপে ধরেও ঠিকমত সামলাতে না পেরে প্রায় পড়েই যাচ্ছিল ছেলেটির গায়ের উপর। পিছিয়ে গেল ছেলেটি, ঠোঁটে এবার তাচ্ছিল্যের হাসি। নিজেকে সামলে নিতে নিতে চেহারায় বিব্রতবোধ ঢাকার চেষ্টা করল মেয়েটি।
এতোক্ষনে পাশের সিট থেকে একজন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ”ম্যাডাম, আমি সামনেই নামব, আপনি বরং এখানটায় বসুন।”
***
আজ বেশ ফিটফাট করে পোষাক পড়েছে ছেলেটি। একটা অনুষ্ঠান শেষে ফিরছে। বিকেল থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। অনেকক্ষণ বাস স্টপেজে দাঁড়িয়েও বাস পেলনা । আকাশের যা অবস্থা তাতে দাঁড়িয়ে থাকাটা সমীচিন হবেনা। সাথে ছাতাও নেই । একটা সি.এন.জি স্কুটার দেখার দরকার বোধ করল সে। বাস স্টপেজ থেকে একটু এগিয়ে এলো। কিন্তু বৃষ্টির সময় হলে যা হয়, কোন ড্রাইভার স্কুটার থামালোনা। একবার রাস্তার এপাশে, একবার ওপাশে, একবার মোড়ে- বহুভাবে ছুটল ছেলেটি।কিন্তু হয় কোন স্কুটার থামলোনা, নয়তো কেউ যেতে চাইলোনা, নয়তো দ্বিগুন ভাড়া চাইছে আর নয়তো তার মতো আরো যারা ছুটছে তাদের সাথে ছেলেটি প্রতিযোগীতায় পেরে উঠলনা।
বৃষ্টির তোড় বাড়ছে এদিকে। সামান্য বাতাসও। ডে-লাইট সেভিংস সিস্টেমের কারণে ইদানীং সন্ধ্যের আগমনে দেরী হলেও আজ আষাঢ়ের আকাশ একটু গম্ভীর। রাস্তার ওপাশে দাঁড়িয়ে অন্য পাশের মোড়ে একটি খালি স্কুটার থামতে দেখল ছেলেটি। ত্রস্ত পায়ে রাস্তা পার হতে লাগল, কেউ যাতে ওটাকে তার আগে বাগে না পায়। বৃষ্টির পানি জমে গেছে রাস্তায়, খাঁজে খাঁজে ভরে আছে। ”এসো না, চলো জলে ভিজি...” ফুল ভল্যিউমে গান ছেড়ে পানিতে সয়লাব রাস্তা, ভেজা চাকায় পিশে, ফুল স্পীডে একটি গাড়ি পাশ কাটালো । ছলকে উঠা নোংরা জল ভিজিয়ে দিল ছেলেটিকে! মেজাজটা সামলে সামনের লক্ষ্যবস্তুর দিকে অগ্রসর হলো ছেলেটি। সামনেই সি.এন.জি. স্কুটার; এখনো কেউ ওটার নাগাল পায়নি!
আজ শাড়ী পড়াটা ঠিক হয়নি। বৃষ্টিতে এক হাতে ছাতা, আরেক হাতে শাড়ী সামলানো চাট্টিখানি কথা তো নয়। রাস্তার পানিতে শাড়ীর পাড় অনেকটাই ভেজা। এই অবস্থায় বাসে চড়া যাবে না, বাসায় ফেরার জন্য স্কুটার খুঁজছে মেয়েটি। সামনে একটা স্কুটার দাঁড়িয়ে আছে। ভেজা রাস্তায়, ভেজা স্যান্ডেল, ভেজা পাড়ের শাড়ী আর ছাতা হাতে দ্রুত হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে মেয়েটির। তারপরও কেউ স্কুটারটাকে ভাড়া করার আগেই পেতে হবে ওটাকে!
মোড়ে এসেই স্টার্ট নিতে সমস্যা হলো স্কুটারটার। ড্রাইভারের বার বার চেষ্টা ঘড় ঘড় আওয়াজ ছাড়া কাজে দিচ্ছে না। এসময়ই, তার দু’পাশের গ্রিল দেয়া দরজায় দু’টো মুখ উঁকি দিয়ে এক সাথেই বলে উঠল, ”মিরপুর যাবেন...?” এবং ঠিক একই সময়ই কাংখিত শব্দে চালু হয়ে গেল ইঞ্জিন। ড্রাইভার খানিকটা হকচকিয়ে গেল যেন! দু’পাশে তাকিয়ে মাথা নাড়লো। কিন্তু ড্রাইভারকে এড়িয়ে দু’টো মুখ এখন পরস্পরকে খেয়াল করল এবং এক সাথে বিরক্ত মেশানো সম্বোধন, ”আপনি!”
ড্রাইভার সেটা পাত্তা না দিয়ে বলল, ”মিটার থেকে ত্রিশ টাকা বেশী দিতে হইবো”।
ছেলেটি তৎক্ষনাত বলল, ”আচ্ছা, ঠিক আছে, ,চলেন”।
মেয়েটি স্কুটারের গ্রিল শক্ত করে ধরে বলল, ”মানে! স্কুটার আমি ডেকেছি আগে, আমি যাবো এতে।”
ছেলেটি এক লাফে স্কুটারের ভেতরে বসে বলল, ”কক্ষনো না, আমি ভাড়া ঠিক করেছি আগে, আমি যাব, আপনি অন্য কিছু দেখুন।”
মেয়েটিও কম যায় না। সেও স্কুটারের ভেতর বসে পড়ল, ”আমি নই, আপনি অন্য কিছু দেখুন, নামুন স্কুটার থেকে”, কথায় তীব্র ঝাঁঝ তার।
”কি অভদ্রের মত কথা বলছেন”, মেয়েটির বেপোরোয়া ভাবে ছেলেটি অবাক।
মধ্যস্থতায় এগিয়ে এলো স্কুটার ড্রাইভার। ”আমার গাড়ি মিরপুরেরই। আপনারা দুই জনেই যদি ওইদিক যাইবেন তো, দুইজনরেই নিয়া যাই, বৃষ্টির দিন আরেকটা গাড়ি তো সহজে পাইবেন না আপনারা”।
”আমি কেন উনার সাথে যাবো!” মেয়েটির প্রতিবাদ।
”আমিও উনার সাথে যেতে ইচ্ছুক না”, ছেলেটিও পাল্টা গজগজ করল।
মুখে পান চাবাতে চাবাতে ড্রাইভার বলে ওঠে, ”আজকাল তো মানুষজন শেয়ারে যায়ই... আপনেরা যাইবেন তো একই জায়গায়, উইঠাই যখন পড়সেন তো চলেন ”, আর কথা না বাড়িয়ে ছেলেটি এবং মেয়েটিকে অবাক করে স্কুটার স্টার্ট দিয়ে এগুতে শুরু করল ড্রাইভার। কখন আবার স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায় কে জানে, ড্রাইভার মনে মনে চিন্তিত।
বেগতিক অবস্থা মেনে নিয়ে চুপ করে স্কুটারে বসে আসে দু’জন যাত্রী। কেউ কারো সাথে কথা বলছেনা। ব্যাপারটা অস্বতিকর খানিকটা। ছেলেটি মনে মনে ভাবছে, নীরবতা ভাঙতে সেই আগে কথা বলবে কি না! মেয়েটি মুখ ঘুরিয়ে বাইরের অন্ধকারে বৃষ্টি দেখার চেষ্টা করছে।
”মেয়ে মানুষের তেজ বেশী, বুদ্ধি কম তো! আমিই না হয় কথা বলি। কারো ভদ্রতা জ্ঞান থাকবে না বলে কি আমারো বিবেচনা বোধ নেই নাকি!”, কথা বলার পূর্বে মনে মনে নিজেকে সাহস জোগানোর চেষ্টা করল ছেলেটি। একটু কেশে নিয়ে বলল, ”মনে হয় আমরা দু’জনেই একসাথে স্কুটারের কাছে এসেছিলাম” ।
মেয়েটি মুখ ফিরিয়ে একটি শীতল দৃষ্টি হানল ছেলেটির দিকে। আধো আলোয় মেয়েটির চকচকে চোখ ছেলেটিকে একটু ভড়কেই দিল মনে হয়।
”কি মানে হয় এসবের। আমি কি ফালতু মানুষ নাকি! ”, মনে মনে এমনটা বললেও ছেলেটি মুখে বলে ওঠে, ”দেখুন, আপনি আসলে আমাকে বুঝতে ভুল করছেন। আপনার আর আমার প্রতিটা সাক্ষাতই কেন জানি ভালভাবে হচ্ছেনা, একটা না একটা বাগাড়ম্বর হচ্ছেই। কিন্তু আসলে মনে হচ্ছে আমরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বারবার একে অন্যের সাথে রাগারাগি করছি...”, ওপাশ থেকে কোন সাড়া পাওয়ার আশায় থামলো ছেলেটি।
একেতো অন্য দিনের অপমানের ঝাল , তার উপর একটা অপরিচিত ছেলের সাথে বৃষ্টির মধ্যে বাধ্য হয়ে স্কুটারে চেপে যাচ্ছে - মেয়েটি কঠিন মুখে বসে থাকলেও আসলে বেশ বিব্রত। তবে এখন ছেলেটি যা বলল, তা শুনে একটু স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করল সে। ভাবল, ”আরেক জন যখন ভদ্রতা করছে, সেও না হয় করল, কি এসে যায় তাতে”, এমন একটা ভঙ্গি নিয়ে মেয়েটি বলল, ”ইটস ওকে”।
”এই মেয়ের কি সামান্যতম সৌজন্যতাবোধ নেই। ইঁটস ওকে - এটা কি কোন সুন্দর করে বলা হলো! আজব !”, এগুলো ছেলেটি মনে মনে ভাবল, কিন্তু মুখে বলল, ”আচ্ছা, যেভাবেই হোক, আমাদের বারবার দেখা হয়ে যাচ্ছে, যদিও ঘটনাগুলো খুব প্রীতিকর নয় এখনো, তবুও পরিচয় যখন হয়েছে, আমরা মনে হয় একজন আরেকজনের নাম জানতে পারি।”, সম্মতির আশায় তাকালো ছেলেটি। প্রত্ত্যুত্তরে আবারো কেবল শীতল দৃষ্টি। নাকি চোখের মনি একটু জ্বলে উঠলো!
ব্যাপারটাকে পাশ কাটিয়ে ছেলেটা বলে উঠলো, ”আপত্তি থাকলে আপনার নাম জানতে চাইবোনা, তবে আমার নাম বলি” , সামান্য থেমে মেয়েটির দিকে ফিরে ছেলেটি বলল, ”আমি শর্মা”।
মেয়েটি এক মুহূর্ত ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বলল, ”আমি অগ্নি” ।
দু’জন অপরিচিত মানুষ যখন পরিচিত হয়, তখন তারা স্মিত হাসি বিনিময় করে। কিন্তু ছেলেটি এবং মেয়েটি দু’জন দু’জনের নাম জেনে একে অন্যের দিকে বোকার মত তাকিয়ে থাকল! তারপর ছেলেটিই তোতলাতে তোতলাতে বলল, ”ইয়ে, মানে...অগ্নিশর্মা!!!”
স্কুটার চালাতে চালাতে আচমকা হাসির শব্দে ড্রাইভার একটু ভড়কে গিয়ে পেছনে তাকালো ভ্রু-কুঁচকে।
এই প্রথম ছেলেটি এবং মেয়েটিকে হাসতে দেখা গেল। একজন অট্টহাসি এবং আরেকজন খিলখিলিয়ে উঠল যেন!
(এখনেই শেষ? নাকি এখানেই শুরু!)
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রুবেল শাহ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হাহাহা..না পড়েই, তাই না?
লেখক বলেছেন: যাক, বড় লেখা বলে রেগে অগ্নিশর্মা হননি অন্তত। ![]()
লেখক বলেছেন: ওরে, বোকা..অগ্নিশর্মা'র ইমো হবে এমন ---
নাইলে ![]()
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আমি কিছু করি নাই কিন্তু
লেখক বলেছেন: আমি কিছু দেখি নাই কিন্তু ...
লেখক বলেছেন: না না...নামকরণের স্বার্থকতা তো গল্পের শেষে পাওয়া গেছে....তাই এখানটাতেই শেষ...। ![]()
লোকজন কঠিন থেকে কঠিনতর সাহিত্যচর্চা করে বলিয়া কাহারো লেখায় কমেন্ট করিতে পারিনা।
খুব লুসিড হইয়াছে বর্ণন।
আরেকটু ডিটেলিং যদি করিতেন তাহা হইলে মন্দ হইত না।
এই যেমন কাহিনীর নায়িকার সিজিপিএ একটুর জন্যে তিনের নিচে নামিয়া গিয়াছিল...এই সব আর কি...!
লিটারেচর আমার লাইন নহে। আশা করি মাইন্ড করিলেন না
লেখক বলেছেন: আমি চেষ্টা করি, কিন্তু আমার সব লেখা বড় বেশী ডিটেইল হয়ে যায়..(অবশ্য সব বিষয়ে না
) ...
এই দোষট এখনো কাটায় উঠতে পারলাম না বাউল সাহেব। মাইন্ড করিনাই...লিটারেচর মনে হয় আমারও লাইন নহে।
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
ভাল লিখেছেন । এখানেই শেষ ? +
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। জ্বি, এখানেই শেষ।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
আপনার নতুন লেখা পেয়ে অসম্ভব ভালো লাগছে।স্বাগতম।
আপনি বোধ হয় শাহবাগের মানে, ইউনিভার্সিটির গা ঘেঁসা রাস্তাটার কথা বলেছেন, ইস! কি যে অবস্থা ওখানে।
মিরপুরে আমিও থাকতাম। তাই বাসের কথাও জানি।
আর একটা মজার কথা বলি,
গাউছিয়া মার্কেটকে আমরা বলতাম, গা ছোঁওয়া - ছুঁয়ির মার্কেট-- এটা হল কুকর্ম সমাস।
রিক্সাওয়ালা, থ্যীহুইলার ড্রাইভারদের নিয়ে কত যে বিচিত্র আর বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা আছে----------তা বলার নয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। অনেকদিন ব্লগেও ঠিক মত আসিনা, লিখিও না কিছু...আজকে সুযোগ হলো...
ঢাকার প্রতিটি বাস স্টপেজের হাল কিন্তু কম-বেশী একই ....
কুকর্ম সমাস....!! হাহাহাহা...জানা ছিলনা তো এটা !!! দারুণ....পারফেক্ট
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছা, ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: যাক আগলি লাগে নি তাহলে !!
ধন্যবাদ আপনাকে।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
দুঃখিত, একটা মন্তব্য মুছে দেবেন আর মন্তব্যে কয়েকটা বানান ভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।বিজয়ে টাইপ করিতো তাই মাঝে মাঝেই এরকম হয়।
লেখক বলেছেন: হুমমম..মুছে দিয়েছি..ক্ষমা সুন্দরদৃষ্টিতে দেখা হলো
![]()
ব্যাপারস না । শুভেচ্ছা আবারো।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন+++
লেখক বলেছেন: যাক ! তাহলে পড়েছেন !
শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ।
রিয়াজ উদ্দিন বলেছেন:
অনেক সাহিত্যিকদের মতই লিখতে পেরেছেন।
লেখক বলেছেন: উপসসস!! তাই!!! ধন্যবাদ ধন্যবাদ । ভাল থাকুন।
ট্যাবলেট বলেছেন:
হুঁ হুঁ দারুন প্রেম কাহিনী, যাকে বলে জমজমাট...
লেখক বলেছেন: আচ্ছা !! জমেই গেলাম তবে ...
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য একটা ধন্যবাদ...ভাল লাগার জন্য আরেকটা ধন্যবাদ ।
![]()
লেখক বলেছেন: নাহ ! আমার কাজ ছিল ছেলেটি এবং মেয়েটির একটি নাটকীয় পরিচয় ঘটানো...এর পরের দায়দায়িত্ব তাদের, এবং তারা কিভাবে এগিয়ে যাবে তা ভেবে নেয়ার দ্বায়িত্ব পাঠকের......
আমি বরং এই ফাঁকে সবার ব্লগ-বাড়িগুলো ঘুরে-ফিরে দেখি । ধন্যবাদ আপনাকে। ![]()
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
হুমমমম...
লেখক বলেছেন: হুমমমম...
লেখক বলেছেন: আপনি বাসের সেই বুড়োটা নাতো !!!
![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংকুউউ।
লেখক বলেছেন:
ইয়ে মানে ....
কথা সত্য ...![]()
আমি প্রতিটা লাইন উপভোগ করেছশুধু বুড়া মিয়ার খোঁচা মারাটা ছাড়া।
অগ্নিশর্মা অতঃপর কি সুখে শান্তিতে দিন অতিবাহিত করিতে লাগিল ?
এমন হলে খুব ভাল হয় কিন্তু।
আচ্ছা যাক, ওদের উপরই ছেড়ে দিলাম।
লেখক বলেছেন: হুমম..বুড়োটাকে আসলে হাতে-নাতে ধরা গেলনা, নাহলে তার শিক্ষা হয়ে যেত সেদিনই।
হ্যা, আমার কাজ ছিল ওদের পরিচয় করিয়ে দেয়া..বাকিটা ওরাই ওদের মত এগিয়ে নিক। কিভাবে এগুতে পারে, তা কল্পনার ভার পাঠকের ।
ভাল আছে নিশ্চয়ই? শুভেচ্ছা।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
এখানেই শেষ হোক। পেরেম করা বালা না।
লেখক বলেছেন: কিন্তু এখানেই শেষ হয়ত হবে না রে ভাই ! কে শোনে কার কথা ! ![]()
মহলদার বলেছেন:
প্রথমে ভাবছিলাম আজ বুঝি আপনার এইরকম ঘটনা ঘটেছে। পরে দেখলাম এটা ছোট গপ্পোলেখক বলেছেন: আইলা !! আপনার জ্যান্ত মন্তব্য ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: না ..ইয়ে ...মানে....আসলে ...আপনি হয়ত অন্য বাস যাত্রীদের মধ্যেকার কেউ...চিনতে ভুল হয়ে গেছে....(সব বুড়োদেরই একই লাগে কিনা...)
![]()
![]()
![]()
তাহসিন আলম বলেছেন:
আইলা !!
লেখক বলেছেন: আইলা !! !!
লেখক বলেছেন: শুরু তো ওদের...তুমি এতো খুশী কেন !!! ![]()
নির বলেছেন:
মেয়েটার নাম টা পারফেক্ট হইসে।ভালো লাগসে পড়ে।কাহিনি টা আরো এগোবে কি?
লেখক বলেছেন:
কাহিনী অবশ্যই এগুবে, তবে গল্পটা এখানেই শেষ। পাঠক বুঝে নিক বাকিটা নিজের মত করে।
খোলা_আকাশ বলেছেন:
গল্পটা ভালই লেগেছে। তবে মেয়েদের যাতায়াত সমস্যার কথা চিন্তা করে খারাপ লাগছে।
লেখক বলেছেন: ঠিক, আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থার অনেক দূরবস্থা, তার উপর আবার কিছু উঠকো মানসিকতার সমস্যা আছে । পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: নটে গাছটি মুরোলো ।
নিবিড় বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: নিবিড় কে কি অনেক দিন পর দেখা গেল?? নাকি আমিই অনিয়মিত !
সেই যে সবাই টেলিফোনে লাইভ আড্ডা দিলাম, সেটা মনে পড়ে এখনও।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ নিবিড়। ভাল থাকা হোক।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ইস আরেকটু লম্বা করলেন না কেন? পড়তে তো দারূণ মজা পাচ্ছিলাম ... দুম করে শেষ হয়ে গেল লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে এটা ছোট (!!!) গল্প তো...এই জন্য... ![]()
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
নাহ ইমো টা ঠিক হয় নাই। মাথা থেকে ধুয়া ওঠার একটা ইমো থাকলে ভালো হতো।
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন:
![]()
ধন্যবাদ জায়েদ ভাই।
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এমন বেজার মুখে ধন্যবাদ দিলেন !
আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আরে না না..! ঝরিয়া পড়িল ! তাহা কে বলিল, কে বলিল! উহা তো কেবল প্রস্ফুটিত হইল....
স্বপ্ন নীল বলেছেন:
ব্যাপক্ মজা পাইলাম । শেষটা পড়ে তো হা হা প গে......
লেখক বলেছেন:
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
![]()
সাইফুর বলেছেন:
তার পরের পর্ব কই?
লেখক বলেছেন: না না...এর পরের কোন পর্ব হবে না তো ! গল্প এখানেই শেষ...পরে কি হবে, তা পাঠক বুঝে নিক। ![]()
লেখক বলেছেন: আপনি ওই বাসের ভিড়ে ছিলেন নাকি !!! ![]()
যীশূ বলেছেন:
গতকাল একটা মন্তব্য করেছিলাম, আজ এসেছিলাম আপনার মন্তব্য দেখতে। এসে দেখি মন্তব্য নেই আমারটা, বোধহয় মন্তব্যটা ঠিকমত আসে নাই। যাইহোক গল্প নিয়ে মন্তব্যটা ছিলো এমন, "ব্যাপক সিনেমাটিক। এমন ভাবতে ভালোই লাগে।"
লেখক বলেছেন: নাহ ! মন্তব্য পাইনিতো কোন ! তবে তালিকায় নাম দেখে বুঝেছিলাম, আপনি এসেছেন..ভাবলাম মন্তব্য করার মত লেখাটা হয়নি হয়ত
হুমমম...আসলেই সিনেমাটিক...এভাবে হলে মন্দ হয় না...এভাবে যে হয় না তাও নয়...হাহা...পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আইলা ! আপনি আবার কোন দিকে মোড় নিচ্ছেন ! ![]()
অপ্সরা বলেছেন:
মাইগড এত্ত বড় !!!! কিনতু এত্ত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলো কেনো??খুবি মজা লেগেছে আপুনি।
সত্যি বলছি। তিন সত্যি।
সবচেয়ে মজার "অগ্নিশর্মা" হাহাহাহাহাহা
লেখক বলেছেন: মজা পেলেই মজা ! খাও তিলে-খাজা !
হাহাহা । ধন্যবাদ অপসরা, মজার একটা মন্তব্যের জন্য।
লেখক বলেছেন: হুমমম..আষাঢ় মাস চলছে যে!
শুভেচ্ছা । ভাল থাকা হোক তবে।
লেখক বলেছেন: বড় পোস্টই ভাল, স্ক্রল করলে হাতের ব্যায়াম হয়
মজার পাওয়ার জন্য আমার একটা তিলে খাজা পাওনা রইল কিন্তুক...
রিসাত বলেছেন:
ওরে বাপরে এত্ত বড়ো পোস্ট!
লেখক বলেছেন: আহা ! শুরু করলেই শেষ হয়ে যাবে ঠিক ঠিক ...![]()
লেখক বলেছেন: তাতো অবশ্যই, কোন গল্পই শেষ হয়না....কারণ শেষ থেকেই শুরু হয় আরেক গল্পের...
পড়ার জন্য ধন্যবাদ রিসাত। ভাল থাকুন সবসময়।
লেখক বলেছেন: জীবনের গল্পই ...একটু রম্য করে..সিনেমাটিক ভাবে ...ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: হুমম..ধন্যবাদ আপনাকে।
অপ্সরা বলেছেন:
আইরিন আপু অবশ্যই আমার গল্পটা পড় তুমি প্লিজ।
লেখক বলেছেন: পড়ব অপসরা । শীঘ্রই পড়ব। মোডেম নস্ট হয়ে যাওয়ায় বাসা থেকে ইন্টারনেট এক্সেস করা হচ্ছেনা আজকাল ![]()
লেখক বলেছেন: রঙ এর পর্ব আসবে, বাসার মোডেম নস্ট, ল্যাপটপটাও আজকাল স্লো...
রঙ লেখাটায় মনোযোগ দিতে পারছিনা এসব কারণে...![]()
আমার মেইল আইডি।
আপনার মেইল আই ডি নাই আমার কাছে।মেইল করতে পারিনি।আমি জানি সময় শেষ।তাও যদি মেইল দিতেন আমার আইডি তে।সিভি টা দিতাম,পরে লাগলে আপনি ফরওয়ার্ড করে দিতেন।
সামু তে আসিনা এখন।
লেখা ভাল হয়েছে,বেশ বড়।
ভালো থাকবেন,মেইম দিয়েন।
লেখক বলেছেন: মনে হয় বেশ আগে বলেছিলাম। আপাতত এরকম কিছু আমার জানা নেই। তবে ইমেইল যেহেতু দিয়েছেন, কিছু জানলে অবশ্যই জানাবো। আপনিও ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: একটু বড় ![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
পড়লাম এইবার; একটু হিন্দী সিনেমাটিক; কিন্তুক ভালাই লাগলমাঝের দৃশ্যে মনেহয় বুড়োটাই লুল। ছেলে-ছোকরাদের জি স্পেস এফ থাকে, ঐটা বুড়োর কম্ম।
লেখক বলেছেন: যাক..তুমি তাইলো ওই বাসে ছিলানা এইটা নিশ্চিত হওয়া গেল ![]()
লেখক বলেছেন: কোন রকম বলেন তো ? এমন ---
নাকি এমন
( ??
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: এই গরমেও !!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























