চৈত্রের ফাটলে প্রতীক্ষার তেষ্টা
নোনা স্বেদেও ভেজেনা খরখরে ক্যানভাস
আহ!
অস্ফুট কাঙ্খায় গুড়ো গুড়ো আশ্বাস
লু হাওয়ায় জ্বালা ধরে চোখে
শুকনো বুকে
এই চৈত্রেও তাই আজানু প্রার্থনা বোশেখের।
একটা উড়নচণ্ডি ঝড়ের কাল গুনে গুনে
কালো মেঘেরা পাড়ি জমায় আরো দক্ষিণে
বাতাসের গহ্বরে বৃষ্টির লুকোচুরি টের পাও কি?
শহরে লেলিহান দাবানল,
দক্ষিণে নোনা কোলাহল
একটা লণ্ডভণ্ড রাতের পর
পরিশ্রান্ত কাকভেজা সকাল
হা করে চেয়ে থাকা বিকাল
প্রকৃতি বৈরী প্রতিশোধে
মানুষই তো নিচ্ছে নির্যাস শুষে;
রয়েছে যেটুকু বাকি।
এরপরও মেঘেরা চমকায়
বোশেখের বার্তায়
বাতাসের হলকায়
আবারো ধেয়ে আসে ধুলিঝড়
আস্তর পড়ে যায়
টেবিলে, মেঝেতে, পর্দায়
তারপর?
চাঞ্চল্য মনে,
ক্লেদাক্ত শরীরে,
আসন্ন কালবোশেখীর সম্ভাবনায়।
পাষণ্ড শহরেই মেঘেরা গলে
জলছাদে বৃষ্টির ট্যাপ-ড্যান্স চলে
বেরসিক ঝড়ে
শহুরে জানালাও কাঁপে
একটু প্রেম ছুঁয়ে দেখবে বলে
অদূরের দু’টো বহুতল ভবন ফুঁড়ে
বেড়িয়ে আসে দুটো হাত; সমবাঞ্ছায়, ;
পেলব হাত,
পেশল হাত,
একই বৃষ্টিধারায় ভালবাসা মাপে।
আর শহুরে রাত
বছরের প্রথম বর্ষণে
ভিজে যায়...ভিজে যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

