somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের 'লা ম্যারিওনেটা' : বিদায়ভাষ্য ছিল না আদৌ

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২০১০-এ মারিও ভার্গাস য়োসার সাহিত্যে নোবেল প্রাপ্তিতে প্রতিক্রিয়া হিসেবে লাতিন আমেরিকার আরেক নোবেল জয়ী গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের (Gabriel Garcia Marquez) টুইটার বার্তা ছিল ’এবার আমরা সমকক্ষ’ ("Cuentas iguales ", অর্থ "Now we're even") । গণমাধ্যমগুলোর অবশ্য এ মন্তব্যের পেছনের কারণটুকু বুঝে নিতে বেগ পেতে হয়নি একেবারেই।

পেরুর মারিও ভার্গাস য়োসা এবং কলম্বিয়ার গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের মধ্যে একসময় যেমন তুমুল বন্ধুত্ব ছিল, তেমনি ঘটনাচক্রে তারা পরস্পর মুখদর্শন পর্যন্ত স্থগিত রাখেন। যদিও নিজমুখে এরা কেউই একে অন্যের বিরুদ্ধে সুষ্পষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত করেননি, তথাপি অনেকেই ধারণা করে থাকেন য়োসার স্ত্রী’র প্রতি নজর দেয়াই ছিল মার্কেজের চোখে কালো দাগ বসিয়ে দেয়া য়োসার ঘুষির কারণ। সম্পর্কের ইতি বস্তুত সেদিন থেকেই এবং তা জারি রয়েছে আজ অব্দি। এরকম একটি মুখরোচক ঘটনার কারণেই মারিও ভার্গাস য়োসার নোবেল প্রাপ্তির পরপরই গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের নামও উঠে এসেছে গণমাধ্যমগুলোতে।

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য এটি অবশ্য বাড়তি পাওয়া। সমসাময়িক আলোচনা থেকে দু’জন নোবেলজয়ী সাহিত্যিকের কালজয়ী লেখনীর কথা তারা জানতে পারছেন। ‘একশত বছরের নির্জনতা’ (One Hundred Years of Solitude) -এর মতো একটি ধ্রুপদী উপন্যাসই হয়ত লেখক মার্কেজকে নোবেল এনে দিয়েছিল। তাঁর আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস 'লাভ ইন দ্য টাইম অফ কলেরা' (১৯৮৫ সালে প্রকাশিত)। ১৯৯৯ সালে লেখক যখন লিমফেটিক ক্যান্সারে ভুগছিলেন তখন তার শারীরিক ক্রমাবনতির গুজব বেশ জোরেসোরেই চালু ছিল। এই গুজবটিকে আরো নিশ্চয়তা দিলো ২০০০ সালের ২৯ মে পেরুর দৈনিক লা রিপাবলিকা’তে প্রকাশিত একটি কবিতা। 'লা ম্যারিওনেটা' (La Marioneta) শিরোনামের কবিতাটির লেখক হিসেবে মার্কেজের নাম এই অর্থ বহন করছিল যে, নিজের শোচনীয় অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কবিতাটি বন্ধুদের উদ্দেশ্যে লিখিত একটি বিদায়ী বার্তা। রাতারাতি এই কবিতাটি অন্যান্য দৈনিকগুলোতেও ছাপা হতে থাকে। এমনকি রেডিও চ্যানেলেও বহুবার এর আবৃত্তি প্রচারিত হয়। আন্তর্জালের কল্যাণে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তেও সময় লাগেনি কবিতাটির।

'লা ম্যারিওনেটা' অত্যধিত কল্পনাপ্রবণ ভাবাবেগ ও ক্লিশের মিশেল ছিল যা একজন বড় মাপের লেখকের কাছ থেকে হয়ত অনেকেই স্বাভাবিক অর্থে প্রত্যাশা করেন না। ফলে অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা জন্মে এই কবিতা নিশ্চিতরূপেই লেখকের অন্তিম বাণী। মার্কেজের বন্ধু, ভারতীয় চিত্রনির্মাতা মৃণাল সেন হিন্দুস্থান টাইমস’কে বলেন, এই কবিতা পাঠ করে মার্কোজের সাথে বিশ বছরের বন্ধুত্বের স্মৃতি প্রবাহে ভেসে গিয়েছিলেন তিনি। যদিও এরপর অতিদ্রুতই পরিষ্কার হয় যে, মার্কেজের শারীরিক অবস্থা আদতে ততটা শোচনীয় নয়। এ পর্যায়ে যে চমকপ্রদ তথ্যটি জানা যায় তা হলো, মার্কেজ আদৌ এই কবিতাটির প্রকৃত লেখক নন। কবিতাটির প্রকৃত লেখকের নাম জনি ওয়েলচ (Johnny Welch), যিনি মেক্সিকোর একজন অখ্যাত অন্তর্বচনকারী (ventriloquist; ভেন্ট্রিলকুয়িস্ট- যে ব্যক্তি দূরাগত স্বরের অনুকরণে কথা বলে। কথা দূর হতে অপরের নিকট আসছে বলে মনে হয়। পাপেট শো’তে পাপেট পরিচালনাকারী যেমন করে মুখ না নেড়ে কথা ধ্বনিত করেন)। ওয়েলচ কবিতাটি লিখেছিলেন তার সঙ্গী পুতুল মোফলস (Mofles) -কে নিয়ে। ঘটনাচক্রে তার নামের বদলে নোবেল বিজয়ী লেখক মার্কেজের নাম ছাপা হয়। মেক্সিকোর ইনফোরেড রেডিও চ্যানেলের কাছে দেয়া সাক্ষাৎকারে ওয়েলচ স্বীকার করেন তিনি যদিও কোন বড় মাপের লেখক নন, তথাপি তিনি নিরুৎসাহিতবোধ করেন যখন কেউ কিছু রচনা করে অথচ তার কৃতিত্ব লাভ করে না ("feeling the disappointment of someone who has written something and is not getting credit.")।

কোন কোন ওয়েবসাইট বলছে, মার্কেজ কখনই প্রকাশ্যে এই কবিতাটি নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি। আবার কোথাও বলা আছে, মার্কোজ যথেষ্ট কড়া প্রতিক্রিয়াই জানিয়েছিলেন এই বলে, এখন লজ্জা ছাড়া আর কী-ই বা আমাকে হত্যা করতে পারে যখন এমন একটি বস্তাপঁচা লেখাকে আমার রচিত বলে অনেকেই বিশ্বাস করছে।

বিখ্যাতদের নাম জড়িত থাকলেই যে কোন ’সাধারণ’ মানের সৃষ্টিকেও আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করি তার উদাহরণ এই ঘটনাটি অথবা বিপরীতে অখ্যাতদের নামজড়িত কোন ’অসাধারণ’ সৃষ্টি আমাদের কাছে খুব সহজে তাৎপর্য বহন করে না। একারণেই হয়ত বিভিন্ন ইংরেজি ওয়েবসাইটে কবিতাটি এখনও গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের বলেই উল্লেখিত হয়ে আসছে।

কী বক্তব্য ছিল ছিল সেই তুমুল আলোচিত কবিতাটিতে যা এতোটাই আপ্লুত করলো বিশ্ববাসীকে? পাঠকের সুবিধার্থে কবিতাটির একটি বাংলা অনুবাদ দাঁড় করিয়েছি।

***********************************************
''নাচের পুতুল”
**********************************************

ঈশ্বর যদি ক্ষণিকের জন্য ভুলে যেতেন আমার পুত্তলিকা পরিচয় এবং
আমাকে দিতেন এক খণ্ড জীবন,
যথাসম্ভব আমার ভাবনার সবটুকু থাকতো অব্যক্তই,
তবে যেটুকু বলতাম তার পুরোটা ভাবতাম নিশ্চয়ই।
আমি তো জৌলুসে মজে বস্তুর মূল্য ধার্য করি না
ওগুলো কতটা অর্থবহ আমার কাছে বিবেচ্য তাই।
আমি বরং ঘুমুবো অল্পস্বল্প, স্বপ্ন দেখবো বেশী।
আমি তো জানি প্রতিবার পলক বুঁজলেই
আমরা হারিয়ে ফেলি আলোকের ষাটটি সেকেণ্ড।
যখন অন্যেরা প্রতীক্ষারত, আমি হেঁটে যাবো সেইক্ষণে;
আমি হেঁটে বেড়াবো অন্যেরা যখন অচেতন গভীর ঘুমে।
সবার কথার শ্রোতা হবো আমি,
আর কি করেই বা আমি একটি সুস্বাদু চকলেট আইসক্রিমের আস্বাদ নিতে পারি।

যদি ঈশ্বর এক টুকরো জীবন ছুঁড়ে দিতেন আমার দিকে,
নিতান্তই সাধারণ হতো আমার পরিধেয়,
নিজেকে নিক্ষেপ করতাম সূর্যতলে,
শুধু দেহই তো নয়, উন্মুক্ত করতাম আমার আত্মাকে-ও।
ওহ! আমার ঈশ্বর, যদি হৃদয়াধিকারী হতাম,
তবে লিখে রাখতাম বরফের চাঁইয়ে ঘৃণা যত,
প্রহর যেতাম গুনে কখন সূর্য হবে আবির্ভূত।
আমি ভ্যানগগের স্বপ্নকে লালন করে
তারায় তারায় এঁকে দিতাম বেনেদেত্তি’র কাব্য,
আর সেররাতের সংগীত হতো চাঁদের প্রতি আমার অর্ঘ্য।
আমার অশ্রুজলে গোলাপেরা সিক্ত হতো রোজ,
আমি অনুভব করতাম ওদের কাঁটার যন্ত্রণা,
আর তাদের পাপড়ির শরীরী চুম্বন…
ওহ! ঈশ্বর, যদি পেতাম কেবল এক মুঠো জীবন…
ভালবাসি। প্রিয়জনদের এ কথা না বলে
গত হতে দিতাম না একটিও দিন।
নারী-পুরুষ জনে জনে আমি বোঝাতামই
তারা আমার ভীষণ রকম প্রিয়,
আর আমি বাস করতাম প্রেমে, প্রেমময় সংস্বর্গে।
আমি প্রমাণ করে দিতাম মানুষের কাছে,
কত ভ্রান্তই না তারা ভাবে,
বলে পরিণত বয়সে প্রেমে মজবেনা আদৌ
-ওরা জানেই না প্রেমে না জড়ালেই তো মানুষ বয়সী হয়ে যায়।
আমি শিশুকে দিতাম ডানা, শেখাতাম কী করে উড়তে হয় নিজে নিজে।
বুড়োদের শেখাতাম জরাজীর্ণ বয়সকে সাথী করে মৃত্যু আসে না, আসে বিস্মৃতি থেকে।
মানুষ, আমি শিখেছি অনেক তোমাদের কাছ থেকে।
আমি শিখেছি সবাই যে চায় পর্বত শিখরে নিবাস,
অথচ এতটুকু উপলব্ধি জাগেনি ওদের
ঢাল বেয়ে চড়াতেই সত্যি-সুখের আবাস।
আমি শিখে গেছি, সদ্য ভুমিষ্ঠ শিশুর ছোট্ট বন্ধ মুঠো
পিতার আঙ্গুল নিয়ে যখন প্রথম মন্থনরত,
সে তাকে আটকে ফেলে চিরদিনের মতো ।
আমি শিখেছি, নিচে তাকিয়ে একজন মানুষের অন্য মানুষকে দেখার যে অধিকার
তা কেবল তখনই যখন উঠে দাঁড়াতে সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে অন্য জনার ।
আমি তো শিখেছি অনেক কিছুই তোমাদের কাছ থেকে,
যার অধিকাংশই অকেজো পরিশেষে।
কারণ যখন ওরা আমাকে স্যুটকেসবন্দি করবে,
দুর্ভাগ্যবশত আমি তখন মৃত্যুপথযাত্রী।

'লা ম্যারিনেটা' বা 'দ্য পাপেট' এর ইংরেজি অনুবাদ করেন ম্যাথিউ টেইলর ও রোসা এ্যারেলিস টেইলর (Matthew Taylor and Rosa Arelis Taylor)। ওপরের অনুবাদটি ইংরেজী অনুবাদের ওপর ভিত্তি করেই রচিত। পাঠকের সুবিধার্থে ইংরেজি অনুবাদটি দেয়া হলো।

******************************
''The Puppet
******************************

If for a moment God would forget that
I am a rag doll and give me a scrap of
life, possibly I would not say
everything that I think, but I would
definitely think everything that I say.
I would value things not for how
much they are worth but rather for
what they mean.
I would sleep little, dream more. I
know that for each minute that we
close our eyes we lose sixty seconds
of light.
I would walk when the others loiter; I
would awaken when the others sleep.
I would listen when the others speak,
and how I would enjoy a good
chocolate ice cream.
If God would bestow on me a scrap of
life, I would dress simply, I would
throw myself flat under the sun,
exposing not only my body but also
my soul.
My God, if I had a heart, I would write
my hatred on ice and wait for the sun
to come out. With a dream of Van
Gogh I would paint on the stars a
poem by Benedetti, and a song by
Serrat would be my serenade to the
moon.
With my tears I would water the roses,
to feel the pain of their thorns and the
incarnated kiss of their petals...My
God, if I only had a scrap of life...
I wouldn't let a single day go by
without saying to people I love, that I
love them.
I would convince each woman or man
that they are my favourites and I
would live in love with love.
I would prove to the men how
mistaken they are in thinking that they
no longer fall in love when they grow
old--not knowing that they grow old
when they stop falling in love. To a
child I would give wings, but I would
let him learn how to fly by himself. To
the old I would teach that death
comes not with old age but with
forgetting. I have learned so much
from you men....
I have learned that everybody wants
to live at the top of the mountain
without realizing that true happiness
lies in the way we climb the slope.
I have learned that when a newborn
first squeezes his father's finger in his
tiny fist, he has caught him forever.
I have learned that a man only has the
right to look down on another man
when it is to help him to stand up. I
have learned so many things from
you, but in the end most of it will be
no use because when they put me
inside that suitcase, unfortunately I
will be dying.

---------------------------------
তথ্যসূত্রঃ
http://www.museumofhoaxes.com/marquez.html
Click This Link
Click This Link
---------------------------------
লেখাটি প্রথম প্রকাশিত (২৯শে নভেম্বর ২০১০) হয়েছিল সাময়িকী'তে।
- http://www.samowiki.com/details.php?id=282
১৯টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×