বনের বুক চিরে রাস্তা - শেষ যার টেকনাফের সমুদ্র সৈকত
রাস্তার দু'পাশে উন্নত শিরে দাঁড়িয়ে আছে সারি বাঁধা পাহাড়
কোথাও কেউ নাই-শুধুই নিস্তব্দতা,
সেই নিস্তব্দতাকে মাঝে মাঝে ভেঙ্গে দেয় মনুষ্য সৃষ্ট যানগুলো
চমকে তাকায় কাঠবিড়ালী, বানরেরা লাফ দেয় এ ডাল থেকে ও ডালে
শোনা যায় পাখির ডানা ঝাপটানি
দূরে ভেসে আসে কাঠ কাটার শব্দ, চোখে পড়ে পাহাড় কেটে মানুষের বসবাস
আর আমার ভাবনাগুলো শুধুই এলোমেলো ছুটোছুটি করে।
এপাড়ে পাহাড় - ওপারে পাহাড়, মাঝখানে বহমান নাফ নদী,
মেঘ - বাতাস সীমানা মানে না, ওদের ভিসা পাসপোর্ট কিছুই লাগে না
ছুটে চলে বার্মা-বার্মা থেকে বাংলায়
কেমন আছেন সু চি? কেমন আছে সামরিক যাতাকলে নিষ্পেসিত হওয়া গনতন্ত্র?
নাফ নদীর তীরে দাঁড়িয়ে রদ্ধশ্বাসে ভাবছি-
কারার লৌহ কপাট খুলবেই, মুক্তি পাবেই গনতন্ত্র, নিপাত যাবেই স্বৈরতন্ত্র
চোখের সামনে ভেসে ওঠে নূর হোসের মুখ, অনুভব করি সু চির যন্ত্রনাকাতর দিনগুলোর কথা।
হঠাৎ চমক ভাঙ্গে, থামী পড়া এক তরুনী ডাকছে ''ইক্কে আও''
তার খিল খিল হাসি ছড়িয়ে পড়ছে পাহাড়ে, পাহাড় থেকে আবার নাফ নদীতে
আমার ভাবনা গুলো আবার ঘুরপাক খায়
ঐ কিশোরীর হাসি মুখই কি টেকনাফের মানুষের প্রতিচ্ছবি!
নাকি ঘুনপোকা হানা দিয়েছে শান্তির দুয়ারে-প্রতিনিয়ত কেটে চলেছে!
সমুদ্রের ঢেউগুলো সাদা ক্যাপ পড়ে তীব্র গতিতে ছুটে আসছে তীরে
আমার মনে হচ্ছে-
এখনই বাঁজবে ডামাডোল, হানবে আঘাত-হানবে আঘাত
বন্দী হবেই সন্ত্রাসী, কালোবাজারী আর দুর্নীতিবাজ
মুখোস হবেই উম্মোচন,পরোয়া আর করবে না তাদেরকে জনগণ
আমার ভাবনাগুলো শুধুই এলোমেলো ঘুরপাক খায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


