আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

আমেরিকা!!!

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮

শেয়ারঃ
0 1 0


আমেরিকা'র সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক রচনা ও গানাঃ

১. ওরা কেন লড়ে!..........................................................
মাইকেল মূরের ফারেনহাইট ৯/১১ ছবির কথা আমরা অনেকেই কম বেশী জানি হয়তো। সেদিন একটা ছবি দেখলাম স্যান্ডান পুরষ্কার প্রাপ্ত ছাবি WHY WE FIGHT(আমরা কেন যুদ্ধ করি): চলচ্চিত্রকার ইয়োগিনি জেরিসকি'র এ ছবিটি ২০০৫ সালে আমেরিকার বিকল্পধারার চলচ্চিত্র উত্তসব স্যানডান ফিল্ম ফেষ্টিভালের সর্বোচ্চ পুরষ্কার গ্রান্ড জুরি এ্যওয়ার্ড জেতার গৌরব অর্জন করে,

WHY WE FIGHT is an unflinching look at the anatomy of the American war ... WHY WE FIGHT launches a bipartisan inquiry into the workings of the military industrial complex and the rise of the American Empire. Filmmaker Jarecki (THE TRIALS OF HENRY KISSINGER) surveys the scorched landscape of a half-centurys military adventures, asking how and telling why a nation of, by, and for the people has become the savings-and-loan of a system whose survival depends on a state of constant war. The film moves beyond the headlines of various American military operations to the deeper questions of why why does America fight?

দেশের বাইরে যে ব্লগার বন্ধুরা বসবাস করেন যাদের ইন্টারনেট স্পীডের সমস্যা নেই হাতে কখনো দেড় ঘন্টা সময় থাকলে এই লিংকে যেয়ে ছবিটা দেখে নিতে পারেন। দেখলে বুঝতে পারবেন আমেরিকার বিবেক বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ কেন এ ছবিটিকে পুরষ্কৃত করেছে। ইম্পেরিয়াল আমেরিকা খোদ আমেরিকানদের ও যে কত বড় শত্রু এ ছবিটি তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে বলে দেয়।

আমেরিকায় আমি যখনই যাই বিশেষ করে নিউইয়র্কে গেলে রাস্তায়/বাসে/সাবওয়েতে কি কালো কি হিস্পানিক কি বাংলাদেশীদের মাঝে আমি অদ্ভূত এক প্রাণের স্পন্দন দেখতে পাই। এক সময় মনে প্রশ্ন আসতো আমার, তবে এই 'ডোন্ট অরি বি হ্যাপী' আমেরিকার পিছে সবাই এমন লাগে কেন! আজ আর সেটা বুঝতে অসুবিধা হয়না আমার। আমেরিকান মানুষ আর আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ কোনটার কি চেহারা সেটা দেখতে আর বুঝতে এখন আর তেমন অসুবিধা হয় না আমার।

ব্লগে যেটা লখ্য করলাম তা হচ্ছে আমেরিকার রাজনৈতিক চরিত্র বুঝতে আমাদের সবারই রয়েছে কেমন যেন এক চোখে দেখবার অদ্ভুত এক রৈখিক একটা চিন্তা চেতনা। আমেরিকার বিরোধিতা আর আমেরিকার সাফাই গাইতে যেয়ে আমরা সবসময়ই কট্টর একটা অবস্থানে দাড়াইয়া যাই, গোল পাকাই। যারা আমেরিকার নিমক খান সেই নিমকের দাম বজায় রাখতে যেয়ে কি বলতে যে কি বলে যান দিশাবিশা করেন না। আর এক শ্রেণী আছেন যারা বায়তুলমোকারমের বিশেষ গেটের সামনে দাড়িয়ে নাসারাদের বেহুদা মুন্ডুপাত করতে আরম্ভ করেন।

ব্লগে আমার লেখায় আমি যখন আমেরিকার সমালোচনা করি আমি তখন এই দেশটির সাম্রাজ্যবাদী অবস্থানের সমালোচনা করি। দেশটির অযুত-নিযুত ভালো মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তা আমি করি। আমি তখন যেমন ভুলে যাই না মুক্তি যুদ্ধে কন্সার্ট ফর বাংলাদেশের কথা, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি আমেরিকাবাসীদের মহান উদার হৃদয়কে তেমনি ভুলে যাইনা মুক্তি যুদ্ধে আমেরিকার রাষ্ট্রনীতিকে, "বটমলেস বাস্কেট" এর সেই উদ্ধত অমানবিক উক্তি কে। আমি যেমন ভুলি না যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদী আমেরিকানদের উষ্ন আপ্লুত হৃদয়ের কথা তেমনি ভুলিনা আমেরিকার পররাষ্ট্রানীতি'র হিংস্রতার কথা। আমেরিকার অপরিনামদর্শীতা পৃথিবী কে কোথায় নিয়ে যেতে পারে তা দেখে শংকিত হই আর দশ জন নিরিহ মানুষের মতোই।

পুনশ্চঃ গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে আমেরিকার ত্রান দিতে আসা উপলক্ষ্যে বেশ কিছু পোষ্ট/মন্তব্য বাদানুবাদ অবোলোকন করে যুদ্ধবাজ আমেরিকার অতি সাম্প্রতিক যুদ্ধ নিয়ে নিজের লেখা একটি পদ্য সহ এই পোষ্ট টি তৈরি করতে আগ্রহী হলাম।

'আমেরিকা আইসা পড়ছে' বলতে কেউ যদি বুঝে থাকেন আমেরিকা এই যে বাংলাদেশে ঢুকবে তারে আর বের করা যাবে না তাহলে সে ধারনাটা তাদের ভুল হবে। আমাদের বুঝতে হবে এনারা আমাদের মতো ল্যাজে-গোবরে ভাবনার মানুষ নয়। ধান বানতে এসে শিবের গীত গাওয়ার পাত্র এরা নন। দেখবেন এনারা এবার হয়ত এমন সাহায্য আপনাকে করবে আপনি টাশকি খেয়ে যাবেন। আবার যখন ইচ্ছে করবে আপনাকে বলার জন্য, মাথা নিচে পা উপরে দিয়ে থাকতে তখন সে কাজটিও সম্পন্ন করবেন তেনারা চুড়ান্ত পেশাদারীত্বের সাথে।

আমাদের বাঙালিদের অসুবিধা হলো আমাদের কোন হিউমার সেন্স নেই। আমরা বিশ্বাস করি কেবল শুধু 'রিউমার' আর 'চুড়মারে'। আমরা মষ্করাও বুঝিনা। মষ্করা বোঝেনও তারা করেন ও তারা, যারা এ জগতে খোদ উপরঅলার প্রতিনিধি। যাদের নেতা বলতে পারেন 'আল্লাহ আমার মুখ দিয়ে কথা বলেন "God speaks through me."
যারা সময় মতো বাদাম ব্যাবসায়ী রাজা জিমি কার্টারকে আফগানিস্তানে নিয়া জিহাদের ডাক দেয়ায়, আবার সময় পার হইলে জিহাদিদের পোঙ্গায় বাঁশ দেয়। যারা রাষ্ট্রদূত কালা জাহাঙ্গিররে চট্টগ্রাম পাঠাইয়া জামাতিগ সাট্টিফিকেট দেয় আর দুনিয়া জোড়া ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বেড়ায়। যারা লুত্ফুজ্জামান বাবরের বাসায় গিয়া দাওয়াত খায় মাথায় ইষ্টাইল কইরা জেল লাগাইয়া দেয় আবার টাইম পার হইলে সেই বাররেরই মাথা কামাইয়া ঘোল ঢাইলা চালান করার ব্যবস্থাতে পূর্ণ সমর্থন দেয়।
এমনতর হিউমার যাদের অছে তাদের তরে রচিত হয়ে ছিল এমন এক সংগীতঃ
তুমি চোরেরে কও চুরি কর, গৃহস্তরে কও ধর ধর...বুঝেছি বুঝেছি মাওলা তোমার অভিলাষ গো...দুনিয়া চড়াইয়া, খাইবা আমায় গিল্লা, মানুষ হইয়া কেমনে বাঁচব হায়!...

২. আপকালিপ্স এখন!!........................................................
আর কতো যুদ্ধ করলে সৈরাচার নিপাত যাবে!
আর কতো মানুষ মারলে মানুষ মারা বন্ধ হবে?
আর কতো কপাল পুড়লে আগুন জ্বলা বন্ধ হবে!
আর কতো বোমা মারলে গনতন্ত্র মুক্তি পাবে?
তোমরা আমাকে উন্মাদ বলো না,
বোমার আঘাতে বধির ঐ শিশুটির কাছে আমি অপরাধী।
আমেরিকার ঐ লোকটি, পৃথিবীর কোন শিশুকে আর
মুখ দেখাতে পারবে না বলে আত্নহত্যা করেছে;
লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বেহায়ার মতো এখনো বেঁচে আছি!
এমন কাপুরুষ আমি, মরব ত দূরের কথা
ভালো করে বাঁচতে ও শিখিনি
ডরে ভয়ে কুকড়ে সত্য মিথ্যা গুলে খেয়েছি।
মুখে ধীবর হাসি ঝুলিয়ে জঙ্ঘার ফাকে পরিচয় লুকিয়েছি-

আর কতো বোমা ফাটলে, বোমার আঘাত বন্ধ হবে!
আর কতো ক্ষত হলে সভ্যতা রক্ষা হবে?
আর কতো ভয় পেলে ভয় পাওয়া বন্ধ হবে!
আর কতো অন্যায় হলে এ পৃথিবী অন্যায়হীন হবে?
তোমরা আমাকে উন্মাদ বলো না,
বোমার সাথে আকাশ থেকে নেমে আসে যে জল্লাদ
তার পকেটে পৃথিবী'র চুরি যাওয়া সকল মানবতা।
ক্রু'র হাসি নিয়ে যে জানোয়ার ধেয়ে আসে গড়িয়ে বিষের লালা
আর যাই বলো তাকে গনতন্ত্রী বলো না।
সভ্যতার মই বেয়ে বোমার গায়ে মানবতা লিখে
যারা বোতামে রাখে হাত, আরযাই বলো তাদের মানুষ বলো না।

এই লেখাটি লিখেছিলাম ২০০৩ সালে দ্বিতীয় ইরাক যুদ্ধ তামশা শুরু হবার পরপর। টিভিতে যুদ্ধের বিষম গোলাবারুদ বিষ্ফোরন দেখতে দেখতে খুব অসহায় হাতে সে রাতে কলম তুলে নিয়ে ছিলাম। লিখতে যেয়ে বার বার আমেরিকান চিত্র পরিচালক ফ্রান্সিস ফোর্ড কোপোলা'র ভিয়েতনাম যুদ্ধ বিরোধী বিষ্ময়কর চলচ্চিত্র Apocalypse Now (আপকালিপ্স নাউ) এর কথা মনে হচ্ছিল খুব।

* নিজ স্বার্থ হাসিলে শান্তি'র দোহাই দিয়ে এ দস্যু, 'মা' ধরিত্রী'র বক্ষ বিদীর্ণ করে যে পরিমান বারুদ আঘাতে এ পৃথিবীকে ক্ষতবিক্ষত করেছে তার পরিমাপ কি কেউ করে দেখেছেন কখনো?
শান্তি পিয়াসী এই দানবই একমাত্র এ পৃথিবীকে এক দিন উপর্যুপরি এটম আঘাতে করেছিল বিষাক্ত, আর কেউ নয়।
যখনই এসব ভাবতে যাই, আমি অবাক বনে যাই!

৩. আমেরিকা আমেরিকা!!!....................................................

এই মাত্র ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখলাম, পোষ্টের বিষয় বস্তুর সাথে মজার মিল থাকায় ভিডিওটি এই পোষ্টে যুক্ত করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
সুযোগ যখন পেলাম দৈর্ঘ্যে লম্বা এই পোষ্টটি পাঠকের পড়বার সুবিধার জন্য একটু রী'এরেঞ্জ করে দিলাম, সেই সাথে পোষ্টের শিরোনামটিও (*আগে এর শিরোনাম ছিল, "আপকালিপ্স এখন ও আমেরিকা'র সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক রচনা")।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৫. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৬
লাল দরজা বলেছেন: বুঝলাম না কিছুই, সবাই খালি হুম/হাম কইরা গেল। কে জানে কি লিখতে কি লিখলাম পাবলিক কি বিলাখাইল না সরমাইল কেমতে কই! আল্লাহ আল্লাহ...।
৬. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৮
মুকুল বলেছেন: হাত থাকতে মুখে কিসের কথা!
খামছা দিছি টের পান নাই?
হু ম ম...
৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৩
হাসিব বলেছেন: আপোকালিপ্সে নাউ পুরাটাই বাংলা করলে হৈতো
৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৬
লাল দরজা বলেছেন: @ মুকুল, হাসিব, নতুন, অপেক্ষায়......, রাশেদ, কোবরা, কিউপিড৯৫, মৈথুনানন্দ, চতুরভূজ আপনাদের সবাই কে ধন্যবাদ।
আর নাম না জানা যারা পড়েছেন তাদের ও ধন্যবাদ।
"হাত থাকতে মুখে কিসের কথা!"@ মুকুল, ভাই চিমটি টিমটি তেমন টের পাওয়া যায়না ছোট বেলায় একবার ভুলকইরা গন্ডারের দুধ খাইয়া ফেলাইছিলাম! সবসময় ইশারা ধরতারি না
@ হাসিব, ব্রাদার 'আপকালিপ্স' শব্দটা কেমন জানি একটু বেশী কঠিন কঠিন ফিলিংন্স দেয় শুনতে সেইরকম লাগে ঐ কারনেই আরকি...
৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
হাসিব বলেছেন: পাঠকের সাথে যোগাযোগ স্থাপনটাই ব্যাপার । কঠিন করলে একটু ভাব বাড়ে । আর কিছু না ।
১১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৬
লাল দরজা বলেছেন: @ হাসিব, ১০০% এক মত।
আমি ও পানির মতো সহজ(তরল নয়) লেখা/পড়ায় বিশ্বাসী।
১২. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪২
লাল দরজা বলেছেন: @"কুদরত আলী"
লেখা হইতে হবে সোজা
আর মন্তব্য হইতে হবে জট্টিল
এই মতে সহমত
ধন্যবাদ।
১৪. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪২
রাশেদ বলেছেন: পড়তে পড়তে টায়ার্ড হইয়া গেছিলাম, তাই হুমম... দিয়া ভাগছিলাম। হি হি!
১৬. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৮
লাল দরজা বলেছেন: হায়রে রাশু এতোদিন বাদে একটা পোষ্ট নেকলাম টায়ার্ড হইয়া গেল বেইবী(!)...ঠিক আছে চিনির চামচে মাইপা মাঝে মাঝে আমিও ছুটা-ছাটা চামচ-দুইচামচ নেকা পোষ্টামুনে 'কোই বাত নেহি'
@মোসতফা মনির সৌরভ, ধন্যবাদ ভাইজান কষ্টকইরা পইরা গেছেন হের লাইগা।
১৭. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: লাল দরজা, উত্তম রচনা। অনেক দিক ধরা পড়েছে আপনার লেখায়। ইরাক আক্রমণের কয়েকমাস পরেই ডিভি লটারির একটা 'কল' ছিল। দুই ক্ষেত্রেই বাঙালি সরব ছিল, মার্কিনবিরোধিতায় এবং মার্কিনগামীতায়। আপনার লেখায় স্পষ্ট হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ভয়ঙ্কর, আর মার্কিনী দেশে ভিন্নস্বরও অনুপ্রেরণাদায়ী। দুটোই প্রফেশনাল, প্রস্তুতিসমতে। আর আমরা মার্কিনপ্রীতি ও মার্কিনভীতি, দু'টোই করি চোখ বুজে। তবে এক দশক আগেও আমেরিকা ছিল 'স্বপ্নের দেশ'। সেই মনস্তাত্ত্বিক ঠুলি খুলেছে।
১৮. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৯
লাল দরজা বলেছেন: @ ফাহমিদুল হক, ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটা সময় নিয়ে পড়ে আন্তরিক কমেন্ট করবার জন্যে। কষ্টমষ্ট করে কিছু একটা লিখলে কেউ যদি সেটা পড়েন, পড়ে দু'চার কথা'র অনুভূতি ব্যক্ত করে যান ভালো লাগে।
আসলে বাংলায় লিখতে পারায় ব্লগের নেশা ধরে বসেছে অনেকের মতো আমাকেও। এই ম্যারাথন ব্লগনেশার কারনে অনেক সময় কাজ-কর্ম লাঠে উঠে যাবার জোগাড় হয়, ইদানিং আমার যেটা হয়েছে। চেষ্টা করছি অভ্যেস'টা নিয়ন্ত্রনে আনবার জন্য।
অবশ্য এ ব্লগের ছুঁতায় আপনাদের মতো অনেকের সাথেই চিন্তা চেতনা মিলিয়ে দেখবার, ভাগাভাগী করবার, তর্ক করবার সুযোগ পাচ্ছি। সে দিকটা বিবেচনা করলে আনন্দও লাগে প্রচুর।

"এক দশক আগেও আমেরিকা ছিল 'স্বপ্নের দেশ'। সেই মনস্তাত্ত্বিক ঠুলি খুলেছে।" আপনার এই অবজার্ভেশনটা কিন্তু ইন্টারেষ্টিং, পছন্দ হইছে।
আরও একবার লেখাটা পড়ে অনুভূতি প্রকাশের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৯. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৫
রাশেদ বলেছেন: লালুদাআআআআআর বলতি বন্ধ হইয়া গেছে! কেডা অভিচাপ দিলো!
২০. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৭
লাল দরজা বলেছেন: Ami akhon Mac thaika likthay chasta kortachi Bangla likthay partachina. :(
২১. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৪
মৈথুনানন্দ বলেছেন: আপনি কি বুদ্ধের সেই ছবিটার ভক্ত - যাতে শুভেন্দু অভিনয় করেছিলেন?
২৩. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
লাল দরজা বলেছেন: @ Moithunanda, Thanks. Can't write Bangla from this machine(Apple Mac). Thanks for the link, let me see what they are saying there :)
By the way I am a great fan of the master director Buddhadeb Dasgupta and his film. Had a chance to meet him, attended his master film classes. :)
২৫. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৪
লাল দরজা বলেছেন: So is your profile picture. Great fan of 'Apu' or 'Manik' ? :)
২৬. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
মৈথুনানন্দ বলেছেন: true...still tryin' not to grow up...a very hard task to achieve...!
২৭. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১০
লাল দরজা বলেছেন: True true.
"Growing or Dying" that's the big question? ha ha ha...

amaray kau bod-dowa dichay ray... ami bangla likthay parina kan :(
২৮. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৮
লাল দরজা বলেছেন: আমার শাপমোচন হইছে পিসি চালু দিসি এখন আবার বাংলা লেখা যাবে,
ধন্যবাদ রাশু, ধন্যবাদ মৈথুনানন্দ, ধন্যবাদ আর সবাইকে যারা ঘুরান দিয়া গেলেন,
ফাহমিদুল হক, শেখ জলিল, সাইফুর, দ্বিধা, মুকুল, হাসিব, সারওয়ারচৌধুরী, ম. ন. আলম ফরিদ, মোঃ নাজমুল হাসান, আশেক ইব্রাহীম, শাখামৃগ, সুলতানা শিরীন সাজি, জেনারেল, চেনামুখ, প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব, ফকির ইলিয়াস, মোসতফা মনির সৌরভ, সিঁদুরে মেঘ
আরো যারা নাম না জানা সকল ব্লগ ব্রাদার আর ব্লগ সিষ্টারগন, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ শুভেচ্ছা।
৩০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২০
লাল দরজা বলেছেন: @সামী মিয়াদাদ, আপনাকে ও এক খান "হুমমমমম....."
৩২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪১
লাল দরজা বলেছেন: মাঠশালা অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে, কষ্ট করে লেখাটা পড়বার জন্য।
৩৩. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
লাল দরজা বলেছেন: এই মাত্র ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখলাম, পোষ্টের বিষয় বস্তুর সাথে মজার মিল থাকায় ভিডিওটি এই পোষ্টে যুক্ত করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
সুযোগ যখন পেলাম দৈর্ঘ্যে লম্বা এই পোষ্টটি পাঠকের পড়বার সুবিধার জন্য একটু রী'এরেঞ্জ করে দিলাম, সেই সাথে পোষ্টের শিরোনামটিও (*আগে এর শিরোনাম ছিল, "আপকালিপ্স এখন ও আমেরিকা'র সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক রচনা")।
৩৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০২
মুকুল বলেছেন: লালুদা, এইটার ভিডিও আমি দেখেছি কয়েক মাস আগে। আমার বড় ভাইয়ের কাছে আছে। কঠিন জিনিস!
৩৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬
লাল দরজা বলেছেন: মুকুল, ভাইজান আমি একটু আগে দেখছি ভিডিওটা দেইখাই লিংকটা লাগাইলাম। কঠিন মানে মহা কটঠিন জিনিস ব্রাদার
৩৬. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমেরিকার বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। না,আমেরিকার সরকার,সাম্রাজ্যবাদী লবি আর জনগণ এক না। মূর্খ,অর্বাচীন লোক কোন দেশে না আছে? আবার নোয়াম চমস্কি আর অ্যালান গীন্সবার্গের মত মানুষও তো আছেন,আমেরিকার মাটিতে বসেই যারা আমেরিকার নীতির সমালোচক,ফারেনহাইট ৯/১১ ও আমেরিকাতেই বানানো,শন পেনের মত অভিনেতা ইরাকের মাটিতে নেমে তাদের যুদ্ধের নীতির বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। জর্জ বুশ বা ডিক চেনিকে ঘৃণা করতে পারি,হিলারির ইরাক বা ইরান নীতির সমালোচনা করতে পারি,কিন্তু মার্টিন লুথার কিং বা চমস্কির মত মানুষকে কিভাবে ঘৃণা করি?
৩৭. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: তোকে মিস্‌ করি ব্লগে......।
কবে ফিরতেছিস আমাদের এই শহরে?
গল্প,গ্রন্হ আর মীরার মত আমরাও তোর অপেক্ষায় আছি।
শুভেচ্ছা নিস।
ভালো থাকিস।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯

লেখক বলেছেন:


বিবাগী এ মন নিয়ে
জনম আমার
যায় না বাঁধা কিছুতেই
কোন পিছুটানের মায়ায়,
আমায় ডেকো না
ফেরানো যাবে না
ফেরারী পাখীরা
.... ফেরে না।

এই গানটা আমার ভীষন প্রিয়, তোর কমেন্টের জবাব নয় তবুও গানটা খুব মনে পড়ল। ভালো থাকিস, শুভেচ্ছা।

:(

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন: :)

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ