আমার প্রিয় পোস্ট
- আমেরিকা!!! - লাল দরজা
- নভেম্বর রেইন, আমার প্রিয় দুঃখ গান - লাল দরজা
- চীয়ার্স!!! মালে বাড়ি আর শুটকীর হাড়ী - লাল দরজা
- এক দিন লেইখা ছিলাম রে: ইরানী ছবি ও আমার কিছু চলচ্চিত্র ভাবনা - লাল দরজা
- জ্যাজ, কালো মানুষের আনন্দ বেদনার সংগীত - লাল দরজা
- ছক পূরণ : নিছক পা-সর্বস্ব স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা - ইশতিয়াক জিকো
- ম্যাকে বাংলা লিখা এবং দেখা - নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর
- ব্ল্যাক আউট: সাহসী ও নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র (২) - ফাহমিদুল হক
দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

জ্যাজ, কালো মানুষের আনন্দ বেদনার সংগীত
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৩
বলা হয়ে থাকে জ্যাজ সংগীতই হলো বিশ্ব সংস্কৃতিতে আমেরিকার এক মাত্র স্বকীয় সংযোজন। এ পৃথিবীকে যৌনাচার, বোমাচার আর মিথ্যাচার ছাড়া আমেরিকা যদি ভালো কিছু দিয়ে থাকে তা হচ্ছে, "জ্যাজ সংগীত"। দাসত্বের শৃংঙ্খল থেকে যদি কোন মরমী সৃষ্টি সুবিশাল এই প্রকৃতির লীলাভূমে হয়ে থাকে তা হচ্ছে, "জ্যাজ সংগীত"।
গৃহযুদ্ধের পর পর আমেরিকার চার মিলিয়ন কালো মানুষের মুক্তি এসে ছিল। এর অনেকেই তখন মনে রেখে ছিল আফ্রিকান সংগীত, তার তাল লয়। কাগজে কলমে মুক্তি পেলেও এরা তখনো ছিলেন এক প্রকার অস্পৃশ্য, অবাঞ্চিত, অসহায়, একা। যেন সাদা মানুষের ব্যাবহারের অযোগ্য। তেমনি উচ্ছিষ্ট এদের আনন্দ বেদনা-প্রার্থনা।
সাদা মানুষের অযোগ্য ফেলে দেয়া পিয়ানো বাঁজিয়ে কালো মানুষেরা দুঃখের যে সুর তুলে ছিল, তার নাম 'জ্যাজ'। ভাঙ্গা এবরো থেবরো ট্রাম্পেট আর ক্লারিনেটে যে দুঃখের সুর এক দিন বাঁজিয়ে ছিল, তার নাম 'জ্যাজ'। রং চটা মলিন সেক্সোফোনে যে করুন দুঃখ বেজেছে এক দিন, তাকেই আমরা 'জ্যাজ' বলে জানি। শোষকের আঙ্গিনায় পড়ে থাকা ভাঙ্গা বাদ্যযন্ত্রে নিজের কষ্টকে উচ্চারণ করে করে এক দিন সৃষ্টি হয়ে ছিল আধুনিক দুনিয়ায় আমেরিকান সংস্কৃতির এক অনন্য অবদান। জ্যাজ।
আফ্রিকান রিদমের সাথে ইউরোপিয় উচ্চাঙ্গ সংগীত কখন যে মিলে মিশে একাকার হয়, বুঝে ওঠার আগেই এক বিপুল ভালোলাগায় আক্রান্ত হয়ে যেতে হয়। আনন্দ প্রার্থনা আর বেদনার বিষয় গুলো মিলে মিশে অদ্ভূত মূর্ছনা যেনো এক। কখনো বলে পৃথিবীর কথা, জননীর কথা। কখনো ফুটে ওঠে প্রেম অথবা মৃত্যু। কখনো ক্ষোভ। এ সকল কিছুর সম্মিলিত নাম 'জ্যাজ'।
গত রোববার ৬ জুলাই রাতে কানাডার সাস্কৃতিক রাজধানী মন্ট্রিয়লে শেষ হলো বাৎসরিক আন্তর্যাতিক জ্যাজ উৎসবের ২৯ তম আসর। ৬দিনের ঝটিকা কর্ম সফর শেষে সোমবার বিকেলে এম ট্রাকে করে ফিরলাম প্রিয় শহর মন্ট্রিয়লে। বোনাভেঞ্চার ট্রেন ষ্টেশন থেকে ট্যাক্সি ছুটছিল ভয়েজার বাসটার্মিনালের উদ্দেশ্যে। মোট ১২ ঘন্টা ট্রেন জার্নি শেষে গন্তব্য কানাডা'র রাজধানী অটোয়ায় ফিরতে তখনো ঘন্টাদুয়ের পথ বাকী। পরিচিত নগরীতে তখন সোনালী রোদের উজ্জল অপূর্ব এক সন্ধ্যা। ট্যাক্সিওয়ালাকে জিজ্ঞেস করে জানলাম কাল রাতেই শহরে জ্যাজ ফেষ্টের পর্দা পড়ে গেছে এ বছরের মতো। মনে হলো এমন রোদেলা বিকেলে কোথা হতে যেনো সেক্সোফোনের করুন এক সুর ভেসে এলো আমার জন্য! এমন বিকেলে প্রিয়তমা নগরীকে হৃদয় নিংরানো সম্ভাষন জানিয়ে বললাম, বঁজ্যু মরিয়াল।
জীবনে প্রথম সামনাসামনি জ্যাজ কনসার্ট দেখার ভাগ্য হয়ে ছিল ১৯৮২ সালে। শিল্পকলা একাডেমিতে আমেরিকান এক জ্যাজ দল পারফর্ম করে ছিল সেবার। বহু কষ্টে ইউসিস থেকে টিকেট জোগাড় করে আমেরিকান ব্যান্ডের কন্সার্ট দেখতে গিয়ে বলে ছিলাম এ কেমন ঝিমাইন্না গান! বলাই বাহুল্য সে সময় আমার মতো বালকের জ্যাজের মরমী পরিচয় বোঝারো কথা নয়।
এর সাত বছর পর মন্ট্রিয়লে এসে জ্যাজকে আবিষ্কার করি ভিন্ন এক জনপদে তার স্বমহিমায়। তখনো জ্যাজ আমার তেমন লাগতনা ঠিকই কিন্তু ডাউন টাওনের এক গ্রীক রেস্তোরায় কাজ করে বাড়ী ফেরার পথে প্রতিরাতের উৎসব শেষে পথে পড়ে থাকা বীয়ারের ক্যান পানির বোতল কাগজের টোঙ্গা পায়ে হটিয়ে হটিয়ে যখন এপার্টমেন্টে ফিররতাম তখন নিজেকে বড় বেশী কৃতদাস কৃতদাস মনে হতো। হয়তো সেই থেকে আস্তে আস্তে জ্যাজ নিজের অজান্তেই আমারো সংগীত হয়ে উঠছিল। এর ক'বছর পর সিনেমা আর টেলিভিশন পড়তে যেয়ে মিউজিকলজি কোর্সে পড়বার ভাগ্য হয় আমার জ্যাজের আদি ইতিহাস।
প্রতি বছর জুনের শেষ আর জুলাইয়ের শুরু মিলিয়ে টানা দু'সাপ্তাহ জুড়ে আন্তর্য্যাতিক জ্যাজ উৎসব নামে বিশাল এক গৃষ্ম গানের মেলা বসে মন্ট্রিয়লের ডাউন টাওনে। এটি বিশ্বের সবচে বৃহৎ জ্যাজ সংগীতের উৎসব হিসেবে পরিগনিত এখন। এ বছর ইনডোর আউটডোর মিলিয়ে মোট ৭২৫ টি শো হয়েছে সারা উৎসবে। এবছর দর্শনীর বিনিময়ে করা ইনডোর শো গুলিতে সব মিলিয়ে সর্বমোট টিকেট বিক্রি হয়েছে ৬ মিলিয়ন ডলারের এক লক্ষ আঠাশ হাজারটি। এ বছর জ্যাজ উপলক্ষ্যে সাধারন দর্শকরা ব্যায় করেছেন মোট দশ মিলিয়ন ডলার। এবছর এ উৎসবের মোট বাজেট ছিল ২৫ মিলিয়ন ডলারের কিছু বেশী।
![]()
বরাবরের মত এবারো জ্যাজ ভিন্ন একই উৎসবে বসেছিল বিশ্ব লোকজ সংগীতের আসর। (ভারতীয়রা আরবীরা বেশ ক'বছর ধরেই এ উৎসবে পার্ফম করে যাচ্ছে নিয়মিত। বাংলাদেশের কোন উৎসাহী নাগরিক শিল্পী ইচ্ছে করলে আমাদের নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতি এ ধরনের একটি আন্তর্যাতিক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা করতে পারেন। আমাদের দেশীয় বাউল ফকিরদের উপস্থাপনা এমন একটি আন্তর্যাতিক মঞ্চের দর্শকদের অবিভূত করবেই, এতে ভিন্ন ভাবনার কোন অবকাশ নেই।) এ উৎসব সম্পর্কে যে কোন তথ্যের জন্য এই http://www.montrealjazzfest.com ওয়েব সাইটটি ঘুরে দেখতে পারেন।
মন্ট্রিয়ল জ্যাজ ফেষ্টিভাল, তথা সমগ্র কুইবেকের জ্যাজের জনক বলে যাকে ধরা হয় সেই চার্লি বিডেল ১৯৭৯ সালে È-"Jazz de Chez Nous" নামে প্রথম যখন এই উৎসবটির সূচনা করেন তখন জ্যাজ এখানকার জন্য একেবারেই একটি ভিন্ন সংস্কৃতির ব্যাপার ছিল। চার্লিবিডেলকে তখন বলা হয়ে ছিল এরকম কিছু কখনো সফল হবে না। অথচ সবাইকে অবাক করে দিয়ে উৎসবের প্রথম বছরই ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হন তিনি। পরবর্তী বছর উৎসবের নামকরণ হয় Monttreal International Jazz Festival এ নামে। তার পর থেকে এ উৎসব মন্ট্রিয়ল মূলধারার শিল্পাঙ্গনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে আজঅবধি। আগামী বছর এ উৎসব শুরু হচ্ছে ১ জুলাই থেকে চলবে ১২ জুলাই ২০০৯ পর্য্যন্ত।
এ বছরের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে, জ্যাজ জায়েন্ট মন্ট্রিয়লের প্রক্ষ্যাত পিয়ানিষ্ট অসকার পিটারসনের নামে।
শুভেচ্ছা সবাইকে। হ্যাপি ব্লগীং ![]()
ছবি সৌজন্য: লিংন্ক ১, লিংন্ক ২ ও লিংন্ক ৩
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, পড়বার জন্য। ![]()
ইমরান মামা বলেছেন:
ধন্যবাদ এই চমৎকার লেখাটার জন্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সাথে সাথেই কষ্ট করে লেখাটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য ![]()
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: + ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
জ্যাজ এখনো আমার কাছে প্রিয় সঙ্গীত। ট্রামপেট-এর সাথে ব্রাশ ও অর্কেস্ট্রার রিদমিক ঝনঝনানি সহজেই মোহাবিষ্ট করে রাখে। সেই যুগে জন হেনড্রিক্স, লুই আর্মস্ট্রং সঙ্গীতে ঝড় তোলা ব্যক্তিত্ব।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: হ্যা, মজা আসে আবার মজা বাইর হইয়া ও যায়
আপনের গরু রচনার লগে দেখা হইছিল এন. ওয়াই এ, হসি মুখে কইল কানাডা সফরের কথা। ![]()
লেখক বলেছেন: কি লিংন্ক দিলেগো বাপু দু'লাইন করে বেজে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে !!!
লেখক বলেছেন: ধন্যাবাদ আপনাকে পড়বার জন্য।
হাসান বিপুল বলেছেন:
দিনে এমন একটি পোস্ট পড়লে, ওই দিন আমার ব্লগবাস সফল মনে হয়।পত্রিকায় কাজ করি বলে টুকটাক লিখতে হয়। লেখার বেলায় আমার পছন্দের স্টাইল হলো দৃশ্যকল্প তৈরি করার মতো লেখা। যে কারণে আমার পছন্দের লিরিসিস্ট জন ডেনভার।
একই কারণে আপনার নীচের প্যারাটি আমার পছন্দ-
"প্রতিরাতের উৎসব শেষে পথে পড়ে থাকা বীয়ারের ক্যান পানির বোতল কাগজের টোঙ্গা পায়ে হটিয়ে হটিয়ে যখন এপার্টমেন্টে ফিররতাম তখন নিজেকে বড় বেশী কৃতদাস কৃতদাস মনে হতো।"
অভিনন্দন আপনার মন থেকে বের করা এ লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: ওরে খাইছেরে, আপনার মন থেকে লেখা মন্তব্য পইড়া আবেগ আক্রান্ত হইলাম ভাইজান। ধন্যবাদ আপনাকে, আগ্রহ নিয়ে লেখাটা পড়বার জন্য।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
তথ্যগুলা টুকরো টুকরো ভাবে জানতাম।আপনার পোষ্টে বেশ সাজানো-গোছানো আকারে উপস্থাপিত।ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান ![]()
ফারহান দাউদ বলেছেন:
দারুণ লেখা।
লেখক বলেছেন: দারুণ কমেন্ত ![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
অনেক কিছু জানা এবং অনেক নতুন কিছু জানলাম জ্যাজ নিয়ে!
লেখক বলেছেন: কি অবস্থা ভাইজান খবরসবর কিরাম?
পড়বার জন্য ধন্যবাদ।
রাত বারোটা পর্যন্ত মাঠে বসে জ্যাজ শোনা..........।
৬ জুলাই মন্ট্রিয়লে গেছিলাম জ্যাজ দেখতে......।তোদের কে খুব মিস্ করতেছিলাম।
দেশে যাবার গোছাগুছি শেষ কর তাড়াতাড়ি।
বাসায় আয় একদিন।
তোর এখনকার প্রিয় বান্ধবী (তোর নতুন ক্যামেরাটা কেমন আছে?)
লেখাটা ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: খালা আপনে ভালো আছেন? শুভেচ্ছা ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
দারুন।
লেখক বলেছেন: দারুন!
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
লাল দরোজা ভাই, আপনি কি আমাকে কিছু প্রয়োজনীয় লিংক দিতে পারেন ফিল্ম এন্ড মিডিয়া প্রডাকশন টিউটোরিয়াল জাতীয় সাইটের।
আমি আপাতত পয়সার অভাবে আমার কোর্সটা বন্ধ রেখেছি। আগামী বছর হয়ত আবার শুরু করব। কিন্তু তার আগে একটু ঝালাই করে নিতে চাচ্ছিলাম।
লেখক বলেছেন: আপনি থাকেন কোথায়, ঠিক কি ধরনের কি খুজছেন? খোজ খবর দিতে ত অসুবিধা নাই। চার দিনের মাথায় আবার উড়াল দিব একটু দৌড়ের উপর আছিরে ভাই। চট করে দেয়ার মতো কোন লিংন্ক মাথায় নাই। আগে অনেক লিং টিঙ সেইভ করে রাখতাম মোটামুটি বিশাল তথ্য ভান্ডারই করে রেখে ছিলাম। এক বার ব্রাউজারটা কি কারনে যেনো ডিফল্ট সেটাপে চলে যায়, সকল তথ্যভান্ডারে হাওয়ায় হাওয়ায় হইয়া গেছে
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আমার কোর্সটা বেসিক ধরনের Certificate in Film Productionleads to a FETAC (NCVA) Level 5 award in TV & Film Production.
তো এ সম্পর্কিত লিংক ই খুজছিলাম। আমাদের যা পড়াবার কথা
Operating Film and Video Equipment
Lighting
Editing and Continuity
Scriptwriting
Communications and Personal Development
Film Criticism and Appreciation
Sound Recording and Production
Art History
Introduction to Digital Imaging
Advanced Scriptwriting
Film Production Budgeting and Scheduling
Factual and Documentary Filmmaking
Practice and History of Photography
Web Development
Motion Graphics and Visual Effects
Work Experience / Internship
The Legal and Business Environment of Film
DVD Authoring / Portfolio Assembly
Interactive Narratives
Thesis / Major Project
আমি আপাতত কোর্সে নেই। হয়ত আগামী বছর সাধ্যে কুলালে করব। এখন এগুলো সম্পর্কে একটু ঝালাই করতে চাচ্ছিলাম। কোন নির্ভরযোগ্য লিংক পাচ্ছি না। আপাতত ক্রিয়েটিভ রাইটিং শর্ট কোর্স করছি, এ বিষয়ে বইপত্তর যোগার আছে, ক্লাস আ্যাসাইনমেন্ট আর লেকচারশীট তো আছেই। কিন্তু আমি আসলে সামগ্রিক বিষয়ে ভাল ধারনা নেবার জন্য কিছু লিংক চাচ্ছিলাম।
আপনার ব্যস্ত সময়ে বিরক্ত করার জন্য অত্যন্ত লজ্জিত বোধ করছি। ফ্রি হলে একসময় আমার কথাটা মনে রাখলে অনেক খুশি হব।
লেখক বলেছেন: লজ্জার কোনই কারন নাই। আপনাকে মনে থাকবে। আসলে গাট্টিবোচকা, যোগার যন্ত্র, বান্ধাবান্দি, বাজার সদাই নিয়া হচ পচ অবস্থা আছি, আর রাজকীয় আলসেমী ত আছেই। ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: খুব ধন্যবাদ দেয়া হলো ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ![]()
লাল দরজা বলেছেন:
অতিশয় ভাল পোলাডা কোথায়? পোষ্টের পর পোষ্ট লিক্ষ্যা আঙ্গুল বেকাইয়া ফেলতেছি তার খরব নাই! কই গেল আমার কুট্টি ভাই, আসেন আইসা আপনের জিলবাটা দেখাইয়া যাগো বাই লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা এখন বুঝলাম, ওপাড়াতে ছেলে/মেয়ে সব নাইতে নেমেছে! কেন এপাড়াতে পানির অভাব? পানি পাওয়া যাচ্ছে না!
ওই পাড়ার যখন ডেভলাপাররা বিল্ড করতে ছিল তখন জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেছিলাম বহু চেষ্টা চরিত্র করেও পারি নাই। আমারে মনে হয় বাগে ধরছিল! এর পর আর ওমুখো হই নি। এক জীবনে মানুষের আর কতটুকুন জমিইবা লাগে! এ্যাতো দৌড়ঝাপের দরকারইবা কি? আমি ত পেরেশান হয়ে যাই। লেখাটা লেইখা আপনেগ কথা ভাবছি, সব সময় ব্যাস্ততায় মাথা ভনভন করতে থাকে লিখতে চাই খুব করে পেরে উঠি না। । যাক শুভেচ্ছা থাকল সবাইকে যারা পাড়া বদলিয়েছে, মাঝে সাঝে বেড়ানোর যায়গা বাড়ল। এটা আমার পজেটিভ থিংন্কিং
হ্যাপি ব্লগিং টু য়্যু মাই ডিয়ার ব্রাদার।
মুকুল বলেছেন:
পাড়া বদলায় নাই ঠিক। বলা যায়, নতুন নতুন বিচরণ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। শত ফুল ফুটুক। বহু বর্ণের গন্ধের ফুলে বাগান ভরে উঠুক।
লেখক বলেছেন: নতুন নতুন বিচরন ক্ষেত্র, কখনো তিতাস তো কখনো বাখরাবাদ! কখনো রমনায় কখনোবা চন্দ্রিমায়, কখনো বলধায় তো কখনো বোটানিক্যালে! ফুলে ফুলে একেবারে ঢলে ঢলো অবস্থা বুঝি
মাল্টিপল চয়েস এর জামানা এটা। এ সত্য উপলব্ধি করিতে হইবেক ![]()
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
এত্তপরে দেখলাম এই পোস্ট !!!!!দারুন লাগলো পড়ে লালুদা । চমৎকার লিখসেন । ছোট বেলায় খালুর এলপি তে জ্যাজ শুনছিলাম তখন ভাল্লাগেনাই । ইদানিং আবার শুরু করেছি ... তবে শুধু ইন্সট্রুমেন্টাল ।
লুইস আর্মস্ট্রং, থেলুনিউস মংক, ডিউক এলিঙটন, গ্লেন মিলার ...
লাল দরজা বলেছেন:
আমিও অনেক পরে জ্যাজের রশ খাইয়া স্বাদ পাইছিলাম কি আর করা, স্কুলে থাকতে ফার্মগেইট ফুটপাথের থেকে একটা পুরানো ইংরেজী গানের কঠিন একটা ক্যাছেট কিনছিলাম। মিক্সড গানের এ্যালবাম, ব্যান্ড বা আর্টিষ্টের নাম আর মনে নাই। এখনো রেডিওতে কালে ভদ্রে বেজে উঠলে সে সব গানের কোন একটি, পুরোনো দিনের ঝাপসা স্মৃতি মনে করে মনটা কেমন যেনো কাতর হয়ে যায়। ভেবে দেখবেন মিউজি কিন্তু টাইম মেশিনের মত, মনকে বহন করে নিয়ে যেতে পারে সময় থেকে সময়ে! ষাটের দশকের গান, সত্তরের দশকের গান, নব্বই দশকের গান; ফিফটিজ, সিক্সটিজ, এইটিজ্। বিষ্ময়কর না ব্যাপারটা!
লেখাটা কষ্ট করে খুজে পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে, শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ![]()
রাশেদ বলেছেন:
জে জে কেল এর গান শুনছেন? কেমন লাগে আপ্নের? আমি দুইটা অ্যালবাম রেকর্ড করছিলাম, দেশে পইড়া আছে। লেখক বলেছেন: না স্যার শুনি নাই, দুইডা লিংন্ক লাগাই দেন না বড় ভাই![]()
লেখক বলেছেন: ভীষম ভালো
থ্যাংন্ক ইউ স্যার
লেখক বলেছেন: নারে পছন্দ হইছে ত।
হাতে তিন চাইর দিন আছে সময়, গাট্টি বোচকা কিচ্ছু বান্দি নাই মঙ্গলবার বোলো আমি আবার দেশে যাইতেছি, কি দিয়া কি করুম কইতে পারি না সারা বাড়ী ঘুইরা ঘুইরা ব্লগাইতেছি খালি! দুনিয়ার ক্যাছেট কপি করতে হবে যন্ত্রপাতি হিসাবকিতাব করতে হবে, কি যে করুম আল্লাহ পাক জানেন
লেখক বলেছেন: এইখানে Click This Link দাদা ভিজিট কইরেন, জানি না মনে আছে কিনা ঐতিহাসি একটা পোষ্টের কথা! গত সাপ্তাহে সেই ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন কইরা আইছি ![]()
রাশেদ বলেছেন:
কমেন্ট দিচি। আরো দিচ্চি।
লেখক বলেছেন: ![]()
মানবী বলেছেন:
জ্যাজ সঙ্গীত ভালো লাগে তবে খুব বেশি আপ্লুত করেনা। জ্যাজের জন্মশহর নিউঅরলিন্সের পথে(বিশেষ করে ডাউন টাউনের) হেঁটে যাবার সময় কানে ভেসে আসা লাইভ জ্যাজের আবেদন অবশ্য অনন্য। জ্যাজপ্রেমীদের স্বর্গ ভূমি 'নিউ অরলিন্সে' গেলে বুঝা যায় সকলের মাঝে এই সঙ্গীতের বিপুল জনপ্রিয়তার কারন!*এই পোস্টটিও মুছে যাবে কিনা বুঝতে পারছিনা!!!*
লেখক বলেছেন: দিদি'র কমেন্ট কি সাম হয়্যারের পোকা বার বার খেয়ে নিচ্ছিল! আপনি কোন পোষ্ট মুছে যাবার কথা বলছেন, কমেন্ট না পোষ্ট?
জ্যাজ শুনতে এক বার নিউ অরলিন্সে ঘুরতে যাওয়া যাইতে পারে, আইডিয়াটা মাইন্ডের ভেতর কাপি করিয়া পেষ্ট করে রাখা হইল
ফাইলের নাম দিলাম ( মানবী_জ্যাজ.অরলিন্স )
লেখক বলেছেন: হায় হায় এ্যাতো তারাতারি লগ আউট করলেন ক্যান মানবী, আমার কমেন্টটা পইড়াও গেলেন না! ![]()
লেখক বলেছেন: টিপাটিপির আর দেখছেন কি দাদা, টিপা কয়ক কারে বুঝনে মামায় চক্ষু টিপিলে
,
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
অফটপিক আপডেটঃগুগল বুক সার্চ বেশ কিছু বই পেয়েছি ফিল্ম প্রডাকশন নিয়ে।
ডিজিটাল ফিল্ম নিয়ে আপনার ভাবনা কি জানতে পারি?
লেখক বলেছেন: ডিজিটাল ফর্ম নিয়ে যারা কাজ করবেন আগামী দিনে তারা হবেন সিটিজেন ফিল্ম মেকার। এই ফরমেটটি এখনো ফাইন ফর্মে গিয়ে পৌছেনি, যে দিন তা পৌছুতে পারবে সে দিন চলচ্চিত্র শিল্পে আরেক রেঁনেসা শুরু হবে।
প্রথাগত চলচ্চিত্র নির্মাণ থেকে বিপনন পুরো সিষ্টেমটাতেই নব জাগরন হবে। হয়ত জয়পুর হাটের এক স্থানিয় প্রডাকশন চাহিদা মাফিক রোজার ঈদে নিউইয়র্কের জ্যাক্সন হাইটের ঈগল থিয়েটারে মুক্তি পেতে পারে স্বল্প ব্যায়ে একযোগে। এতে করে যেমন দর্শক পারবেন চুড়ান্ত ভাবে তার চাহিদা পুরণ করতে তেমনি নির্মাতা ও পারবেন চুড়ান্ত ভাবে তার নির্মান কে দর্শকের কাছে পৌছে দিতে।
ফিল্মের কারিগরি প্রতিবন্ধকতা নুন্যতম হবে, ফিল্মরে সাথে দর্শকের নিবিড়তা বাড়বে, আগামী দিনের চলচ্চিত্র হবে ইন্টারএক্টিভ। ফিল্ম কেবল অন্ধকার হল ঘরে থেকে প্রজেকশন রুমে ক্যান বন্দি হয়ে পড়ে থাকবে না, চলচ্চিত্রের বিষয়/ চরিত্র হেটে হেটে দর্শকের সাথে বাড়ী চলে আসবে
অদ্ভুত শোনালও ডিজিটাল মাধ্যমটি সেইরকম এক রেঁনেসা আনছে বলেই ধারণা করা যেতে পারে।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
জ্যাজ যতটুকু শুনেছি, ভালো লেগেছে। তবে আপনাদের মতো করে শোনা হয়নি। স্পিলবার্গের টার্মিনাল ছবিটার কথা মনে পড়ছে।
ডিজিটাল চলচ্চিত্র সম্পর্কিত এই লেখাটি দেখেছিলেন: Click This Link
লেখা উত্তম হইয়াছে।
লেখক বলেছেন: ফাহমিদুল ভাই, এ লেখাটা অনেক আগেই পড়ে গেছি। আলোচনায় াঙমগ্রহন করতেও চাই ছিলাম পরে আর হযে ওঠেনি। এ বছরের শুরু থেকে ভীষন ব্যাস্ততা যাচ্ছে, ব্লগে চোখ বুলাই ঠিকই কিন্তু নির্লপ্ত থাকবার চেষ্ট করি। অন্য দিকে ব্যাস্ত থাকায় এক্টিভলি কোন প্রসঙ্গে আগ বাড়াচ্ছি না। আমার অসুবিধা হলো এক সাথে কয়েকটা বিষয়ে মনোযোগ দিমে পারি না, অতটা ডায়নামিক নইযে। আপনি সহ আরো কারো কারো লেখা পড়ে সব সময় আপনাদের সাথে দু'চার কথা আলাপ করতে ইচ্ছা জাগে কিন্তু পেরে উঠি না। সে কাজ টা আপনি ঠিকই পারেন, মাষ্টার মশায় সে জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপনাকে। ভালো থাকবেন, শুভেচ্ছা![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হুমম...কিন্তু ডিজিটাল পরিস্থিতি এখনও পাল্টায়নি, আমাদের দেশে তো নয়ই। নুরুল আলম আতিকের ডুবসাতার নিয়ে কি কি হচ্ছে দেখেন না! এটাকে ঠিক কি করবেন তারা কে জানে, যদি টিভিতে না দেন, ৩৫ এ ব্লোআপ না করেন, তা হলে কি হবে একটি এইচডিভিতে শ্যুট করা ছবির ভবিষ্যৎ?
লেখক বলেছেন: এ বিষয়ে আরো কিছু বলার আছে, ঠিক এ মুহুর্তে লিখতে ইচ্ছে করছে না, পরে কখনো পারলে জানিয়ে যাবো ![]()
লেখক বলেছেন: রন্টি একটা ব্যাপার প্রথমেই পরিষ্কার থাকতে হবে আপনি যে ছবিটা তৈরী করবেন সেটা কি দর্শকের সিনেমা হবে নাকি ডিরেক্টরের ফিলম হবে? সিনেমা যদি দর্শকের ভাল লাগার জন্য হলভরে দর্শক সিনেমা ঘরে যাবার জন্য তৈরী হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে দর্শকের চাহিদাকে প্রায়রিটি দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে যদি বাংলাদেশের দর্শক হয়ে থাকে তাহলে হয়ত আপনাকে বেদের মেয়ে জোসনা অথবা কোটি টাকার কাবিন জাতিয় কর্মকে সিনেমা বলে তা তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশের মেজরিটি দর্শক এখনো ঐ জাতিয় কাজকেই সিনেমা বলে জানে। আমি অনেক অক্ষর জ্ঞ্ান যুক্ত দর্শককেও হাল আমলের টিভি মাধ্যম কত্ৃক প্রযোজিত ছবি গুলোকেও হামেশা নাটক বলে সম্বোধন করতে শুনি।
কনভেনশনাল পদ্ধতিতে তৈরি করতে গেলে অবশ্যই নির্মাতাকে পয়সা টাকার কথা চিন্তা করতে হবে। সনাতন পদ্ধতির ফিলম নির্মান হচ্ছে অত্যন্ত ব্যায়বহুল একটি প্রক্রিয়া। এ পদ্ধতিতে ছবি তৈির করবার আগেই হিসেব করতে হবে লগ্নি ফেরতের কথা। এ ক্ষেত্রে সিনেমা শিল্প(আর্ট) সে জাতীয় কথাবার্তা আজকের দুনিয়ায় মাথা থেকে সাময়িক ভাবে নামিয়ে রাখতে হবে। এটা হচ্ছে প্রখর বাস্তবতা।
আর সিনেমা যদি ডিরেক্টরের হয় সে ক্ষেত্রে ত এর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোন ঝামেলা হবার কথা নয়! আপনার খুশি আপনার সিনেমা যদি পারেন আপনে সরাসরি ফিলমে তোলেন না ভিডিওতে তুলে ফিলমে ব্লোআপ করেন। দর্শকের তাতে কিছু যায়আসে না। সে ক্ষেত্রে দর্শক আপনার সিনেমাকে গ্রহন করল কি রিজেক্ট করল, সিনেমার ভবিষ্যত নিয়ে কোন কান্দাকাটি করা যাবে না। দর্শক আপনার কাজ গ্রহন করলে আপনি সার্থক না করলে আপনি ব্যার্থ। এখানে নির্মাতা ছাড়া আর কারো কোন দায় দায়িত্ব নাই![]()
আসল কথা হলো প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আমাদের দর্শক তৈরি করতে হবে। এই ক্ষেত্রে সহজ লভ্য আর স্বাশ্রয়ী নতুন মাধ্যম ও পদ্ধতি ব্যাবহার করে সিনেমার অপরুপ অপর রূপ দর্শকদের দেখাতে হবে। দেশে বিভিন্ন শহরে ডিজিটাল প্রজেক্শনের সুবিধা যুক্ত ছোট ছেট প্রেক্ষাগৃহ নির্মান করে প্রদর্শনের বিকল্প ব্যাবস্থা গগে তুলতে হবে। আমি জানি এইচডি বা অন্য যে কোন ভিডিও ফর্মেটে স্বল্প বাজেটে অসাধারন সব কাজ করা সম্ভব। কিন্তু সে জন্য চাই এ সমস্ত কাজের গন্তব্যের জন্য একটা নূন্যতম অবকাঠামো। এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশের মঞ্চ নাটকের আন্দোলন ও পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এর ব্যাপক বিস্তারের কথা স্মরন করা যেতে পারে।
আপাতত এ টুকুই । আরো কথা আছে, অন্য সুযোগে বলা যাবে আশা করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, কষ্ট করে লেখাটা খুজে পড়বার জন্য। আসলে ব্লগে প্রায় প্রতি দিন আমরা সকলেই কত বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ভাবে নিজের কথা পরের কথা দেশের কথা দশের কথা লিখি, আমরা ক'জনেই বা তার কতটুকু পড়েতে সময় সুযোগ পাই! কষ্ট করে একটা কিছু লিখে ফেলতে পারলে আর কেউ আগ্রহ নিয়ে তা পড়েছে জানলে ভালো লাগে। ধন্যবাদ আবারো আপনাকে, শুভেচ্ছা।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য।আসলে ডিজিটাল হলের চিন্তাটি আমাদের দেশে বোধহয় জাগিয়ে তোলার সময় এসেছে। বাংলাদেশে এখন হল বলতে কিছু নেই। পুরনো ভাল ভাল হলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, এসব জায়গায় এখন মার্কেট উঠেছে। যেগুলো চলছে তাতে রিক্সাওয়ালা ছবি ছাড়া কিছু চলে না। শাহরুখ খানের হিন্দী ছবি চালালেও সেখানে কেউ যাবে বলে মনে হয় না। হাতে গোনা কটা হল আর স্টার সিনেপ্লেক্স হয়ে গেছে আমাদের একমাত্র সম্বল। এখন ৮/১০ টা প্রিন্ট নিয়ে কোন ছবি যাত্রা শুরু করলে তার ভবিষ্যতে ফ্লপ ছাড়া আর কি লেখা থাকবে? যেখানে হলই নেই।
সিনেমার পরিবেশ ভাল করতে হলে হলগুলো আবার সাজাতে হবে। এখন আমাদের ভাবতে হবে হলগুলো আমরা সনাতন করব, নাকি ছোটছোট ডিজিটাল হল। ডিজিটাল হল করা সনাতনগুলোর চেয়ে কম ব্যয়বহুল আর গুনেমানে ভাল হবে বলেই ধারনা করি। যেকোন শহরে বহুতল মার্কেটের একটা ফ্লোরে ছোটখান হল দাড় করানো যায়। দেশের কর্পোরেটগুলো সানন্দে এগিয়ে আসবে সেগুলোকে স্পন্সর করতে সেটাও আমার ধারনা।
এখানে আমাদের এগিয়ে যাবার সুযোগ। অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তিকে চাল করে ইতিহাস গড়ারও সুযোগ বটে।
আমি জানি না হবে কিনা। কিন্তু আমাদের যেহেতু সিনেমাজগৎকে উন্নত করতে হলে হলগুলো নতুন করে সাজাতে বা নতুন নতুন হল করতেই হবে তাহলে ডিজিটাল কেন নয়? এমন যদি হত কোন তুখোর ব্যবসায়ীর নজরে আসত বিষয়টি। এটি কিন্তু ব্যবসায়েরও চমৎকার সুযোগ। মানুষ দেখবে হলে গিয়ে।
যাহোক। দেশে আগে ভাল এইচডি ক্যামেরাই ছিল না। এখনও নেই মনে হয়। প্রোডাকশন হাউজগুলো সব বেটা বা ডিভি দিয়েই চলে। অন্তযাত্রার ক্যামেরা বোধহয় পরিচালকের ব্যাক্তিগত ছিল। ডুবসাতারের টা জানি না। এইচডির সাথে ডিওএফ এডাপটার দিয়ে চমৎকার শ্যুট করা যাচ্ছে।
হয়ত দেশে কিছুদিনের মধ্যে এ নিয়ে একটা জাগরনই তৈরি হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে চিন্তায় মিলছে, ধন্যবাদ। ছোট খাটো পরিসরে ভিডিও প্রজেক্ষনের সুবিধা সম্বলিত কিছু পরীক্ষামুলক সিনেমা হল বড় বড় শহর গুলির জন্য চিন্তা করাইত যায়। টে

















ভালো থাকুন.......শুভেচ্ছা।