ছোট বেলায় পরীক্ষার খাতায় জানা প্রশ্ন গুলির উত্তর লেখার পর দেখা যাইত ৫/১০ নম্বরের কিছু একটা কমন পড়ে নাই! পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে খাতা রিভিশন দিয়া না জানা পশ্নটা কয়বার পইড়া টইড়া আধা বুইজা না বুইঝা বানাইয়া বুনাইয়া একটা কিছু লেইখা দিয়া ১০০ র এন্সার পুরা কইরা আইতাম। এতে সুবিধা ছিল উত্তর যদি ধারে কাছে দিয়া যাইত তখন ২/৪ নাম্বার মিরাক্যালী মিলা যাইত
ক্লাশ এইটের বিজ্ঞান পরীক্ষায় প্রশ্ন আইছিল, কেচোকে প্রকৃতির লাঙ্গল বলা হয় কেন? সহপাঠী ইদ্রিসের প্রশ্ন এইটা কমন পড়ে নাই। ছাত্র হিসাবে ও সে তেমন ভাল ছিল না। একে ওকে জিজ্ঞেস করে, েকউ আর তাকে হেল্প করে না। অগত্যা ইদ্রিস নিজের মেধা এস্তেমাল করে। বানাইয়া লেখার ধারনাটা তারও জানা ছিল সে বানানো শুরু করিল, কেচো কালো হইলে কি হইবে উহা ঝিলিক দেয়। রোদে কেচোর দেহ চিক চিক করিয়া ওঠে। এই কারনে কেচোকে প্রকৃতির লাঙ্গল বলা হয়!
ব্লগে মডারেট মুসলিমের কন্সেপ্ট লইয়া বর্তমানে পেচানো পেচানো গবেষণা চলছে। এমন অবস্থায় আমার ইদ্রিসের কথা মনে হইল, প্রশ্ন যদি হয় মডারেট মুসলিম বলিতে তুমি কি বুঝ? তবে তার সহজ উত্তর হইবে, যে মডারেটরের ধর্ম ইসলাম তাকে বলা হয় মডারেট মুসলিম। তেমনি যে মহারেটরের ধর্ম হিন্দু তাকে বলা হবে মডারেট হিন্দু। ব্যাপারটা দ্যাট সিম্পল! খামোখা এই সোজা ব্যাপারটা লইয়া হুদাই সকলে ত্যানা প্যাচাইতে আরম্ব করছে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


