আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাংলাদেশ মানে, অপরাজেয় বাংলা || জাগ্রত চৌরঙ্গী || সাবাশ বাংলাদেশ

আজ বিকেল চারটায় চারুকলার সামনের রাস্তায় শিল্পীরা সাম্প্রদায়িক কুপমন্ডুকতার প্রতিবাদে পথচিত্র বা ট্রাফিক আর্াট অঙ্কনের আয়োজন করে। সংস্কৃতি চর্চার মুক্ত পরিবেশ রক্ষার জন্য আগামী কাল ও পরশু বিকেলে সচেতন শিল্পী সমাজের উদ্দোগে চারুকলার বকুল তলায় আয়োজিত হবে সাংস্কৃতক অনুষ্ঠান।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ছবি ব্লগ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৫

 

  • ৮৪ টি মন্তব্য
  • ১৮৪০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪৪ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: +
২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
comment by: চাঙ্কু বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: বেতাল বলেছেন: প্লাস
৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: মূর্তি নির্মাণ থেকে শুরু করে মুসলিম দেশে সামাজিকভাবে যারা মূর্তিপূজার প্রচলন ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত; তাদের সকল অপচেষ্টা নিপাত যাক!

দেশ মুসলমানদের জন্য "মা" নয়; হিন্দুদের জন্য গোমাতার মত দেশমাতা হলেও হতে পারে।
সুতরাং সকল অপসংস্কৃতি নিপাত যাক!
৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫০
comment by: ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫০
comment by: অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: চাঙ্কু বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।

সহমত।

৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
comment by: এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: সহমত....
সবাইকে বলছি,আমরা পথে নেমেছি,এদের মোকাবেলা করতে,আপনারাও আসুন....
৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৪
comment by: এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: সহমত....
সবাইকে বলছি,আমরা পথে নেমেছি,এদের মোকাবেলা করতে,আপনারাও আসুন....
৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৬
comment by: সাদাকালোরঙিন বলেছেন: মৌলবাদের কালো থাবা থেকে দেশকে বাঁচাতেই হবে।

ইসলামের নামে আর কত দেশকে ধ্বংস করবে ইসলামের জারজ সন্তান জামাতীরা ?
১০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

উটুফজল বরাহটারে লাত্থি কষায়া বিরত রাখেন ।
১১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: চনদন বলেছেন: ফজলে এলাহি বলেছেন: মূর্তি নির্মাণ থেকে শুরু করে মুসলিম দেশে সামাজিকভাবে যারা মূর্তিপূজার প্রচলন ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত; তাদের সকল অপচেষ্টা নিপাত যাক!




আসলে ধর্ম এত বেশি উগ্র হয়ে উঠেছে যে , সে লিঙ্গাগ্র থেকে নাকের ডগায় আর এখন নাকের ডগা থেকে অন্তরের অন্তরেও প্রবেশ করে মানুষের মানবতাকে, সামাজিকতাকে, সংস্কৃতিকেও প্রতিনিয়ত আঘাত করে চলছে।সকল প্রকার ধর্মান্ধ নিপাত যাক!
১২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০২
comment by: তানভীর রাতুল বলেছেন: ফজলে এলাহী এইসব আবলতাবল কি কইতাছেন? মৌলবাদী এলাহী নিপাত যাক
১৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৩
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: উষ্ট্রুলের রানে চাবুক কষানো হৈলো ।
১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৫
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এত জায়গা থাকতে রানে কেন ?

+
১৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: লিপিকার বলেছেন: অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: চাঙ্কু বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।
১৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: উটের তো পাছা নাই । এই জন্য পাবলিকে রানের উপ্রে চাবুক কষে । যাতে আরো জোরে লৌড়ায় । @ বিমা
১৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১০
comment by: রাশেদ বলেছেন: উটুল ভরা যোউবন পাইচে নাকি!
১৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৪
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
১৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বুজছি এইবার @হাসিব ভাই
২০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৫
comment by: আবুল বাহার বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি ।
২১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৫
comment by: নূহান বলেছেন: +
২২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৮
comment by: ওবায়েদ বলেছেন: ফজলে এলাহি বলেছেন: মূর্তি নির্মাণ থেকে শুরু করে মুসলিম দেশে সামাজিকভাবে যারা মূর্তিপূজার প্রচলন ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত; তাদের সকল অপচেষ্টা নিপাত যাক!

দেশ মুসলমানদের জন্য "মা" নয়; হিন্দুদের জন্য গোমাতার মত দেশমাতা হলেও হতে পারে।
সুতরাং সকল অপসংস্কৃতি নিপাত যাক!

মন্তব্যে +
২৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২২
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ফজল এবং ওবায়েদ একমাত্র বেহেস্ত যাবে এখানে । বাকি সবার স্থান হাবিয়া
২৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: ফয়েজ ০৮ বলেছেন: মাগো তোমার সঙ্গে আমরা আছি। তোমার ভয় নেই কেন বলবো? তোমার জন্য মরতে রাজি, আমাদের তুমি আর্শিবাদ করো।
২৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: মানুষ বলেছেন: ধর্মান্ধ নিপাত যাক।

এই সব আবালের সাথে বেহেস্তে যাওয়ার চাইতে দোজখে যাওয়া অনেক আরামের।
২৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৭
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
২৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৯
comment by: দরদী নজরুল বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
২৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৯
comment by: রোবোট বলেছেন: বিমারে+

ফজল এবং ওবায়েদ এর কথা শুনে গা জ্বলে উঠলো। আরে পন্ডিত, ভাস্কর্যকে কেউ পুজা করে না। কোন কিছুর মুল কথা হইলো নিয়ত। কয় বার উঠবস করলেই কি তাকে নামাজ বলে? না খেয়ে থাকলেই কি রোজা হ্য়?

হে আল্লা, এইসব পন্ডিতদের হাত থেকে তুমি ইসলাম ও মুসলমানদেরকে বাচাও।
২৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩০
comment by: রোবোট বলেছেন: ভাই লাল দরজা আপনাকে+
৩০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
comment by: শয়তান বলেছেন: +


ফজলায় কিন্তু নানা পোজ দিয়া প্রোফাইলে ফটুক লাগায় । :)
৩১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: অবশ্যই সহমত। পোস্টটি প্রিয় তালিকায় সংযোজন করলাম ।
৩২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
comment by: রাতমজুর বলেছেন: প্রতিবাদ হলো, এবারে প্রতিরোধ।
৩৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪১
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: শয়তান বলেছেন: ফজলায় কিন্তু নানা পোজ দিয়া প্রোফাইলে ফটুক লাগায় ।


:)




কেমনে তাকায়া রইসে এট্টু দেহেন, এই লোক মাংসের দোকানের কসাই নাইলে রামদা-চাপাতির কারবারি না হৈয়ায় যায়না ...
৩৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪২
comment by: রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: সবার উদ্দেশ্যে বলছি : ধর্ম কিংবা নাস্তিকতা নয়, এই ১,৪৭,৫৭০ ব.কি.মি. আয়তনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রেরণা হলো মুক্তিযুদ্ধ। দেশের সবচেয়ে স্বর্ণালী গৌরব মুক্তিযুদ্ধ, শ্রেষ্ঠ মানুষ মুক্তিযোদ্ধারা। তাই মুক্তিযুদ্ধকে অমর করে টিকিয়ে রাখতে হলে আগে ঐতিহ্য গুলোকে বাঁচাতে হবে। একাত্তরে অনেক ধর্মপরায়ণ মুসলমান ( ! ) পশ্চিম পাকিস্তানি দোসরদের সহায়তা করেছিলো, তারা পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিতো কচি কিশোরী, গৃহবধূ এমনকি বৃদ্ধাদেরও... সেই রক্তলোভী পশুদের ধর্মান্ধতা তখন কোথায় ছিলো ? কোন ধর্মে বলা আছে অত্যাচারিদের হাতে দেশীয় নারী তুলে দেয়া ? ১৯৭১-এ যারা যুদ্ধ করেছিলেন তারা আজকের উগ্রবাদী গোষ্ঠীর মতো উগ্র মেজাজের ছিলেন না। অনেক বুদ্ধিজীবিরাও এক অর্থে যুদ্ধই করেছিলেন... কামরুল হাসান,আলতাফ হোসেন-এর মতো অনেক উদারমনা শিল্পী, কবি, সাহিত্যিকের রক্ত আর কর্মের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। আফসোস, পশ্চিম পাকিস্তানিরা মুসলমান ছিলো ! স্রষ্টার নাম নিয়েও ধর্ষণ করতো !

আমরা মুসলমান বাংলাদেশিরা মূর্তি-পূজা কখনোই সমর্থন করি না, করবোও না। এমন গবেট আমরা না। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যেটা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড... সেখানে অপরাজেয় বাংলার মতো মহান শিল্পকর্ম আমাদের নতুন প্রেরণায় উজ্জীবিত করে... মুক্তি আদায়ের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে... বোমা মেরে অপরকে হত্যা করে সুইসাইড করা শেখায় না... আমি ধর্মের কথা বলছি না। ধর্ম চিরকালই সত্য, সুন্দর। তবে উগ্রতা 'ধর্মান্ধতা' একেবারেই অযৌক্তিক।

তাই আসুন, বিপ্লবী ভাই-বোনেরা... দেখি আমাদের বুকের ওপর পাড়া দিয়ে কে কয়টা স্বাধীনতার কীর্তি ধ্বংস করে !
৩৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
comment by: মোঃ আশিকুর রহমান জিতু বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++আরো দিতে মন চাইছে কিন্তু পরে আপনি অসহ্য হবেন।++++++++++++
৩৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫২
comment by: বর্ণ. বলেছেন: মাইনাস।

মুর্তির সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্বের কোন সম্পর্ক নেই। মুর্তি বাংলাদেশের বিশ্বাসী সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সংস্কৃতি হতে পারেনা। মন্দিরে মন্দিরে মূর্তি থাকুক, কিন্তু বিশ্বাসী মানুষের দেশে রাস্তাঘাটে মূর্তি খুবই দুঃখজনক। আরো দুঃখজনক যে চারুকলা এইসব মূর্তিকে সংস্কৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।
৩৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: ফজল এবং ওবায়েদ হইল মোসাদের এজেন্ট।
৩৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: @বর্ণ *** আগা কাটলেই মুসলমান হওয়া যায় ন।
৩৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: .. বলেছেন: ফালতু পোস্ট। মাইনাস।
৪০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০০
comment by: বর্ণ. বলেছেন: @আমার জন্য লেখা, মুসলমান হইতে হইলে অশ্লীল ও নোংরা গালি দিতে জানতে হয়?
৪১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৩
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: "বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ফজল এবং ওবায়েদ একমাত্র বেহেস্ত যাবে এখানে । বাকি সবার স্থান হাবিয়া"

প্রথমাংশের জন্য অন্তরের অন্তস্থল থেকে- আমীন। আল্লাহ্ কবূল করুন।

আর দ্বিতীয়াংশের জন্য ভয় হচ্ছে, না জানি আপনাদের এই তামাশাকে আল্লাহ্ গ্রহণ করে ফেলেন। আল্লাহ্ ক্ষমা করুন।
৪২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৫
comment by: সবাক বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।
৪৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬
comment by: শঙ্খচীল বলেছেন: মুর্তি কালচার এর সাথে বাংগালী কালচারের কোন সম্পর্ক নাই। মাইনাস।
৪৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৬
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
৪৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: @বর্ণ মুসলমান হইতে হইলে তুমার মত কাঠাল পাতা চাবাইতে হয়
৪৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: বর্ণ. বলেছেন: শঙ্খচীল বলেছেন: মুর্তি কালচার এর সাথে বাংগালী কালচারের কোন সম্পর্ক নাই। মাইনাস।
৪৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: সাথে আছি...
৪৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: জটিল বলেছেন: পেলাচ
৪৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: "তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জান"---সহমত...সাথে আছি।
৫০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৭
comment by: তুমি রবে নীরবে... বলেছেন: শঙ্খচীল বলেছেন: মুর্তি কালচার এর সাথে বাংগালী কালচারের কোন সম্পর্ক নাই। মাইনাস।

--- hahahhaha!! haste haste pore gelam.. shonkhochil, murti culture er sathe bangalicultue er shomporko niye ato matbori korar age ekbar bhabun, murti ja kar? lalon er kintu.. lalon er sathe bangali culture er somporko oshikar korte parben???

jottoshob!!!

jahok, amar ekhane bangla typ kora jachchena dekhe english e dilam.
৫১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
comment by: অরণ্যচারী বলেছেন: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: উটের তো পাছা নাই । এই জন্য পাবলিকে রানের উপ্রে চাবুক কষে । যাতে আরো জোরে লৌড়ায় । @ বিমা

কমেন্টে ১০০+
৫২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: রেড ডোরকে প্লাস। মানুষদের প্রতিবাদকে ডাবল প্লাস।

ফজলে এলাহি,

আপ্নে দয়া কইরা সৌদি আরব থেকে আসবেন কিনা বলেন। কারন , ইসলামি সংস্কৃতির দেশ সৌদি আরব ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু আমেরিকাকে আরেক মুসলিম দেশ ইরাকের বিরুদ্ধে " গায়ে মানে না আপনি মোড়ল" হইয়া হামলা ও ধবংস করার জন্য ঘাঁটি সুবিধা দেয় এবং ইরাক আক্রমনের খরচ হিসেবে ফিরি তেল দেয় । আবার বুশের সঙ্গে সৌদি রাজ পরিবারের ( রাজতন্ত্র জিনিসটা কিন্তু ঈসলাম সমর্থন করে না বলেই জানি ) ব্যবসায়িক সম্পর্ক প্রবল। আমেরিকা, যারা ঈজরাইলের মত একটা দখল্কারী ঈহুদী জাতিরে বিনা বাক্য ব্যয়ে আরবের পবিত্র ভূমিতে টিকায় রেখেছে এবং ফিলিস্তিনের মত একটা মুসলিম জাতি ও দেশকে ধবংস করে দিচ্ছে । সারা আরবে মারামারি কাটাকাটি বাধায় দিয়ে নিজেরা অস্ত্র বেচে ( ইরাক ইরান যুদ্ধে আমেরিকা দুই দেশের কাছেই সমান তালে অস্ত্র বেঁচছে) আর ফ্রি ফ্রি তেল নিয়া যায় ।


সেই আমেরিকারে বুকে ধরে রাখার সংস্কৃতি হইলো সৌদি আরবের সংস্কৃতি ।

এইটার প্রতিবাদ না করলে আপনি বেহেস্তে কেমনে যাইবেন?

তবে, অনুরোধ , বাংলাদেশে আইসেন না ।
৫৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
comment by: মুকুল বলেছেন: ফঝু বিলাইয়ের চেহারাডাও জল্লাদের লাহান! ;)
৫৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১
comment by: ইউনুস খান বলেছেন: ভালো পোস্ট। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৫৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
comment by: মাহমুদ৬৯ বলেছেন: আমরা হারবোনা, আমাদের জিততেই হবে।
৫৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৯
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "মূর্তি নির্মাণ থেকে শুরু করে মুসলিম দেশে সামাজিকভাবে যারা মূর্তিপূজার প্রচলন ঘটানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত; তাদের সকল অপচেষ্টা নিপাত যাক!"

তবে জেদ্দার সেই উটের মুর্তি নির্মাণ যায়েজ আছে নিশ্চয়ই:
Click This Link
Click This Link

জেদ্দায় গত বিশ বছর ধরে থাকা সেই মানুষের হাতের ভাস্কর্য
http://flickr.com/photos/somah/1775795028/

অথবা খরগোসের আদলে ভাস্কর্য
Click This Link

অথবা মাছের ভাস্কর্য
Click This Link

অথবা রিয়াদের বড়লোকী হোটেলের ভেতরের ভাস্কর্য
http://www.daylife.com/photo/06MT3tc6CAet5

কেএফসির ছবি পুজো করতে তাদের বাধে না
Click This Link

অত:পর আমাদের উপর নির্দেশ আসিল আমাদের মতন মুসলিম দেশে সৌদিদের অনুকরনে ছাগলদের সৌন্দর্য প্রতিযোগীতায় নামতে হইবে:
Click This Link
৫৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: জটিল...........থ্যাংকু..............

৫৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আমরা ঠেকে শিখছি এখনও...

পরের প্রজন্মকে যেন এমন ঠেকতে না হয় সেজন্য সামর্থে যতদুর কুলায় ততদুর পর্যন্ত আছি, থাকবো...

তোমার ভয় নেই মা, আমরা প্রতিবাদ করতে যেমন জানি তেমনি জানি প্রতিরোধ করতেও...
৫৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
comment by: সাইবেরিয়ান কোকিল বলেছেন: ফজলুরে +

ঠিকই তো। দেশ আবার মা হয় কেমনে। দেশরে মা কইলে তো দেশের লগে ৭১ এ বেইমানী করতে পারতো না।
৬০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: রাগ ইমন-
সউদী আরবকে বিশ্ব মুসলমান ভালবাসে মক্কা ও মদীনার জন্য; সে দেশের শাসকগোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের জন্য নয়।

দ্বিতীয়ত: আল্লাহ্ সূরা আল বাকারার শেষের দিকে আমাদেরকে দো'আ করতে শিখিয়েছেন যে, সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা যেন আমাদের উপর না চাপানো হয়। সুতরাং যার যার সাধ্যানুযায়ী তার অবস্থান থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে; এটাই বিধেয়। আমার দেশ বাংলা, ভাষা বাংলা, লেখনী শক্তি বাংলা; আমি আমার সাধ্যানুযায়ী সেটুকুই পেশ করতে পারি এবং তাই করছি।

রেজওয়ান-
কারো ভুলের উদাহরণ দিয়ে কি আপনি ইসলামের বিধানকে ভ্রান্ত প্রমাণের অপচেষ্টা করছেন?
সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।

বরং ইসলামের বিধান তো আসবে কুরআন এবং সহীহ্ হাদীসের ভিত্তিতে, সেসবের গবেষণা থেকে। সুতরাং আপনার এসব উদাহরণ পেশ করে কিছু কোন দাবীকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা নিতান্তই দুর্বল, ঠুনকো।
৬১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: কোন এক বেহায়া (এত বড় গালি কখনোই দিইনি) বলেছে, বাংলাদেশের মুসলিমের জন্য নাকি দেশ "মা" নয়।

মা অর্থ বোঝ? তোমরা যখন দেশকে নামাজ, রোজা, খতনা ছাড়া মুসলিম বানাতে পারো, আমি দেশকে মা বানালে দোষ কি? দেশের মধ্যে আমি মায়ের ছায়া দেখি, তাই বাংলাদেশ আমাদের মা। মাকে যেভাবে ভালবাসতে পারি, দেশকেই একইভাবে দেখতে পারি। আর তোমার মতো মউদুদু মুসলিমদের মা পাকিস্থান অথবা চৌদি আরাব।

রাস্ট্র আর দেশের মধ্য পার্থক্য বোঝ প্রথমে। তারপর এখানে লাদালাদি করিও।
৬২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: মেজাজ গরম হয়ে যাওয়াতে তুমি করে বলে ফেলেছি। দুঃখিত।
৬৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "কারো ভুলের উদাহরণ দিয়ে কি আপনি ইসলামের বিধানকে ভ্রান্ত প্রমাণের অপচেষ্টা করছেন?
সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।"

বাংলাদেশ ইসলামি রাষ্ট্র নয়, সব ধর্ম বিশিষ্ট একটি গনতন্ত্রিক রাষ্ট্র। কাজেই এখানে জোর করে ইসলামী রীতিনীতি চাপানোর চেষ্টা অগনতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী।

আমি ইসলামের বিধানকে বলার কে? আমি দেখাতে চাচ্ছি ধর্ম আর সংস্কৃতি এক বিষয় না।

যেমন আপনি মিলাদ পরেন। এইটা কিন্তু পুরোপুরি বাঙ্গালী (এবং পাকিস্তানী) সংস্কৃতি। সৌদি আরবে এইটার নাম নিশানা নাই। কারন ইসলাম ধর্মালম্বীরাই বিভিন্ন সংস্কৃতি পালন করে।

"দেশ মুসলমানদের জন্য "মা" নয়; হিন্দুদের জন্য গোমাতার মত দেশমাতা হলেও হতে পারে।" এটা আপনার নিজস্ব মতামত হতে পারে। সবার উপরে চাপাবেন না। আমার ধর্ম বলে অন্য ধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধার সাথে কথা না বলার জন্যে। আপনার ধর্ম অন্যরকম বলছে কেন সেটাই এখন প্রশ্ন।
৬৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: রাতমজুর বলেছেন: লালভাই, এরা কখনোই সৌদী বা অন্য ইসলামিক দেশকে ফলো করে না, করে সবসময় পাকিস্থানকে।
৬৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: বন্ধনহীন-
"আপনাকে" বলছি, মুসলমানদের মা কোন দেশই নয়। তাছাড়া এখানে পুরো ব্যাপারগুলো ঘটছে একটা সংস্কৃতির পরিবর্তনের পাঁয়তারাকে ঘিরে। তা হলো- মুসলিম সমাজে হিন্দু সংস্কৃতির প্রচলন ঘটানো। তাই লক্ষ্য করুন, যখন দুই বাংলার ভাগ হয়, তখন হিন্দুরাই বলেছিল যে, তাদের মাতাকে দু'ভাগ করে ফেলা হয়েছিল। আগেই বলেছি, গোমাতার মত দেশমাতার পূজা তারা করতে পারে, কিন্তু মুসলিমগণ দেশকে মাতা নয়; বরং জন্মভূমি হিসেবেই দেখে, ভালবাসে এবং তার সুরক্ষার জন্য সাধনা করে থাকে।

মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেদিন মক্কা থেকে হিজরত করে বেরিয়ে যাচ্ছেন- সেদিন বলেছিলেন: হে মক্কা! যদি দেশকে, জন্মভূমিকে মা বলা যেত, তবে তিনি সেদিন উম্মুল কোরা বা গ্রামসমূহের মা উপাধি দেয়া মক্কাকে নিজের জন্যেও 'মা' বলেই ডেকে তাঁর ভালবাসার প্রকাশ ঘটাতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। তাই কোন মুসলিম তার দেশকে 'মা' সম্বোধন করতে পারেন না।
৬৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "যখন দুই বাংলার ভাগ হয়, তখন হিন্দুরাই বলেছিল যে, তাদের মাতাকে দু'ভাগ করে ফেলা হয়েছিল।"

- কোন হিন্দু বলেছিল? দু একজন বা শখানেক লোক বললে সেটা আমলে নেয়া হবে কেন? ওদের ধর্মগ্রন্থে কি তা আছে?

"সউদী কেন, যে কোন মুসলিম দেশের শাসক কিংবা মানুষেরা কি করছে কিংবা শাসকগণ কি করছে সেটার ভিত্তিতে ইসলামের বিধানে কোন রদবদল করার কোন সুযোগ নেই।"

- আপনি কি (আপনার ভাষায়) সৌদিদের এই অমুসলিম কার্যকলাপ সম্পর্কে কোথাও লিখেছেন? তারা মুর্তি রাখতে পারলে আপনার কিছু বলার নেই আর আমাদের দেশে রাখলেই সবাই অমুসলিম হয়ে গেল?

একটি মুর্তি যেটি লালনের নয় দেশের বিমুর্ত বাউলের একটি প্রতিচ্ছবি এটি নিয়ে এত নাটক কেন? একে তো কেউ পুজো করছে না। এটি অন্যান্য সৌন্দর্য বর্ধনকারী একটি কার্যক্রম।

"দেশে তো অনেক ভাষ্কর্য আছে। এখন কি সব ভাষ্কর্যই সরিয়ে ফেলতে হবে? হজ্জ্বযাত্রীরা তো উত্তরবঙ্গ থেকেও আসবেন, সেক্ষেত্রে আমরা কি গাজীপুর চৌরাস্তার 'জাগ্রত চৌরঙ্গীর' সেই দৃপ্ত মুক্তিযোদ্ধার ভাষ্কর্যও ভেঙ্গে ফেলবো? বকশিবাজার থেকে যদি কোনো হজ্জ্বযাত্রী বিমানবন্দরের দিকে আসতে চান তাহলে কি আমরা টিএসসি মোড়ের রাজু মনুমেন্ট ভেঙ্গে ফেলবো? যদি এদের না ভেঙ্গে ফেলি তাহলে লালন কি দোষ করলো?"

আপনি নিশ্চয়ই তালীবানদের বামিয়ান সংস্কৃতি ধ্বংসের পক্ষেও রায় দেবেন? মানুষের মনে ইসলাম পয়দা না করে সবার চোখে ইসলামের ঠুলি পড়িয়ে দিলেই কি ইসলাম ধর্মকে পালন করা হবে? মানুষ মন থেকে পৌত্তলিকত্ব বাদ দিলে তার চারিপাশে হাজার মুর্তি থাক আল্লাহর পথ থেকে তাকে কেউ টলাতে পারবে না।
৬৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: মক্কা বিজয়ের উপলক্ষে উল্লেখ করা হাদিসটির রেফারেন্স উল্লেখ করুন। পড়ে তার পর আপনাকে মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি। একই সাথে আমার মন্তব্য আবার পড়ার অনুরোধ করছি।
৬৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
comment by: ফজল বলেছেন: রেজওয়ান-
মন্তব্য বিশালাকৃতি ধারন করায় পোষ্টে পাঠিয়ে দিলাম। দেখুন- Click This Link
৬৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি
৭০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
comment by: ফজল বলেছেন: রেজওয়ান-
অরিল অথবা জানা কেউ আমার পোষ্ট সরিয়ে দিয়েছে প্রথম পাতা থেকে, যদিও এর আগের পোষ্ট অনুমতি পেয়ে গেছে একই কারণ থাকার পরও। এটাই সা.ই.এর স্বৈরনীতির প্রমাণ।

যাইহোক, বিশাকার মন্তব্যটা এখানেই তুলে দেই। লাল দরজার পোষ্টটাও সমৃদ্ধ হোক ;)

আমার পোষ্টখানা দেখার জন্য আমার ব্লগে আসার অনুরোধ রইলো সবার প্রতি, পরে এ একই বিষয়ে নিজস্ব ধারায় পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছে রাখি ইনশাআল্লাহ্।
________________________________________
রেজওয়ান-
আপনি বলেছেন- Click This Link

"বাংলাদেশ ইসলামি রাষ্ট্র নয়, সব ধর্ম বিশিষ্ট একটি গনতন্ত্রিক রাষ্ট্র। কাজেই এখানে জোর করে ইসলামী রীতিনীতি চাপানোর চেষ্টা অগনতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী।"

জোর করে কোথায়, কার উপর জোর করা হয়েছে এখানে? সরকার? যদি তাই হয় তবে শুনুন- হাদীসে বলা হয়েছে যে, শাসকের সামনে সত্যকথা বলাই সর্বোত্তম জিহাদ। আর আগেই বলেছি যে, মুসলমানদের জন্য দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত সর্বাত্মক সাধনা বা জিহাদ করা আল্লাহ্ ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং মুসলমানগণ তো তাদের উপর তাদের প্রভুপ্রদত্ত আদেশ পালনের প্রচেষ্টা চালাবেই। তাছাড়া বাংলাদেশে তো সেদিন অন্য ধর্মের পূজনীয় মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেনি; বরং আরেকজন মুসলিম সাধুর উপর চরম অবিচার করে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় যে মূর্তি নির্মাণ করা হয়েছে এবং তার দ্বারা মুসলিম সমাজে যে বিপর্যয় সাধনের ষড়যন্ত্র পরিচলিত হচ্ছিল, সেটাকে আন্দোলন করে রুখে দিয়েছে তৌহিদী জনতা।

এতে আপনি অগণতান্ত্রিক বা স্বৈরনীতি বলেন কিভাবে? নাকি আপনাদের স্টাইলে বুঝাতে চাচ্ছেন যে, এখন সেই কওমী মাদ্রাসার কয়েকটি বাচ্ছা ছেলেই দেশ চালাচ্ছে? এবং তাদের কর্মকাণ্ডকে "স্বৈরাচারী" আখ্যা দিচ্ছেন? এখানে যদি কেউ আরেকটু বাড়িয়ে বলতে গিয়ে এটা বলে ফেলে যে, আপনি এখানে "স্বৈরাচার" বলে শাসকের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, তবে যুক্তি মোতাবেক খুব বেশী বলা হবে না বোধ হয়।

"আমি ইসলামের বিধানকে বলার কে? আমি দেখাতে চাচ্ছি ধর্ম আর সংস্কৃতি এক বিষয় না।"

অবশ্যই এক বিষয়! অবশ্যই এক বিষয়; অন্তত ইসলামের ক্ষেত্রে। আপনি আসলে ইসলামকেই বুঝতে পারেননি, এ সত্য কথাটা এখন আর না বলে পারলাম না। ইসলামকে আপনি অন্য সব ধর্মের মত একটি "স্রেফ ধর্ম" হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।

না, ইসলাম শুধুমাত্র একটি তথাকথিত ধর্মই নয়; বরং ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। আর একথা অনস্বীকার্য যে, মানুষের জীবনাচারেরই অপর নাম সংস্কৃতি। তাহলে দেখুন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে এখানে জীবনের কোন দিকটি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়নি?

আপনি খুব ছোট কাজ 'নখকাটা' থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপরিচালনা পর্যন্ত যাবতীয় সমস্ত কিছু সম্পর্কে বিধান পাবেন ইসলামে। অন্য কথায়, মানুষের চিন্তায় আসতে পারে এমন কোন প্রশ্ন নেই যার উত্তর ইসলামে দেয়া নেই। তাহলে পৃথিবীর বুকে সেই ইসলামই যদি সংস্কৃতি না হয়, তবে "সংস্কৃতি" শব্দটিরই অস্তিত্ব থাকার কথা নয়।

আপনি যদি বাঙ্গালী বা বাংলাদেশী সংস্কৃতির কথা বলে থাকেন, তবে বলবো যে, একজন মুসলমান সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আগে মুসলিম, তারপর তার আঞ্চলিক পরিচয়। আগে তার জীবন ব্যবস্থায় বর্ণিত সংস্কৃতির সন্ধান করবে, তারপর তার অধিবাসের সংস্কৃতির হিসেব কষবে।

যার উদাহরণ, ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইসলামের যে নতুন বিধানই নাযিল হতো, সেটা কোন এলাকায় বাস্তবায়িত করার সময় দেখা হত সেখানকার প্রচলিত বিধানের সাথে ইসলামের আকীদা বিশ্বাসের কোন সংঘর্ষ আছে কি না, থাকলে পরিবর্তন করা হতো আর তা না হলে প্রচলিত বিধানই থাকতো।

তাই মুসলিম মাত্রেরই অগ্রাধিকার দিতে হবে ইসলামের সংস্কৃতিকে। তারপর বাঙ্গালী সংস্কৃতি অথবা অন্য কোন আঞ্চলিক সংস্কৃতি।

"যেমন আপনি মিলাদ পরেন। এইটা কিন্তু পুরোপুরি বাঙ্গালী (এবং পাকিস্তানী) সংস্কৃতি। সৌদি আরবে এইটার নাম নিশানা নাই। কারন ইসলাম ধর্মালম্বীরাই বিভিন্ন সংস্কৃতি পালন করে।"

আপনার আজো এ বিষয়টি জানা হলোনা দেখে বিস্মিত হলাম যে, মিলাদ শরীফ বা নবীর জন্মোৎসব পালন করা বিদ'আত বা নব আবিস্কৃত একটি বিভ্রান্তি, পথভ্রষ্টতা। মিলাদ আরবী শব্দ যার অর্থ জন্ম দিন বা তারিখ, আর শরীফ যোগ করা হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মানে। তাহলে নবীর জন্মদিন পালন কিভাবে পথভ্রষ্টতা এবং হাস্যকরও বটে; লক্ষ্য করুন-
আপনি কোন একটি নতুন দোকান দিলেন অথবা আপনার সন্তানের জ্বর হয়েছে অথবা আপনি বিদেশ যাত্রা করছেন অথবা আপনার প্রিয়জনের মৃত্যু হয়েছে, তাহলে এসবের সাথে নবীর জন্মদিন পালনের সম্পর্ক কি? লোকেরা এসব উপলক্ষ্যে নবীর জন্মদিন পালন বা মিলাত শরীফ পালন করে থাকে, তাতে আবার দাঁড়ানো-বসা নিয়ে মারামারি করে আহতও হয়ে পড়ে। কি অদ্ভুত আচরণ! কারো মৃত্যুশোক আর তাতে জন্মোৎসব! অদ্ভুত এই বিভ্রান্তি। আলহামদুলিল্লাহ্ এসব বিভ্রান্তির রুদ্ধদ্বার উন্মোচিত হচ্ছে দিনে দিনে। বাংলাদেশে এখন খুব কম লোকই মিলাদ শরীফ পড়ায়, তাও টাকা দিয়ে সওয়াব কেনার মত তামাশার মাধ্যমে।

পরন্তু ইসলামে জন্মোৎসব পালনেরই কোন বিধান নেই; এটি খৃষ্টানদের সংস্কৃতি, আমাদের দেশে আমদানী করা হয়েছে বা হচ্ছে এখনো। অতএব, ইসলামে মিলাদ শরীফ নামের কোন ইবাদাত, কোন সংস্কৃতি, কোন বিধিবিধানের কোনই অবকাশ নেই। এটা পালন করলে সওয়াব অর্জন করতে গিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হওয়া হবে মাত্র।
সুতরাং আপনার খোঁড়া যুক্তি ভঞ্জিত হলো বলে...।

“দেশ মুসলমানদের জন্য "মা" নয়; হিন্দুদের জন্য গোমাতার মত দেশমাতা হলেও হতে পারে।" এটা আপনার নিজস্ব মতামত হতে পারে। সবার উপরে চাপাবেন না।”

উদাহরণের মধ্যে অশ্রদ্ধা খুঁজে পেলেন কোথায়??? হিন্দুরা কি গরুকে মানে গাভীকে তাদের মাতা হিসেবে পূজা করে না? দেশকে কি তাদের মা হিসেবে মনে করে না? তাহলে এতে অশ্রদ্ধার কি দেখলেন? আপনাকে যদি কেউ বলে (আপনার নাম অনুযায়ী) আপনি এক অদৃশ্য আল্লাহর ইবাদাত করেন, তাতে কি আপনার প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানো হবে? অদ্ভুত!!

“আমার ধর্ম বলে অন্য ধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধার সাথে কথা না বলার জন্যে। আপনার ধর্ম অন্যরকম বলছে কেন সেটাই এখন প্রশ্ন।”

হাঃহ্! আপনার ধর্ম যে কি সেটা নিয়েই আমি হিমশিম খাচ্ছি। এতগুলো প্রমাণ দিলাম ধর্মের প্রাথমিক ব্যাপারগুলো থেকেই....। আল্লাহ্ রক্ষা করুন!
__________________________________________
৭১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: উটের কাবাব দিয়া বানানো শর্মা খাইতে কেমন ?
৭২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "বাংলাদেশে এখন খুব কম লোকই মিলাদ শরীফ পড়ায়, তাও টাকা দিয়ে সওয়াব কেনার মত তামাশার মাধ্যমে।" - আপনার বাংলাদেশে গিয়ে সার্ভে করে আসা উচিঁ যে আপনার উক্তি কতটুকু সত্য। আমাদের অধিকাংশ মৌলবী মহল মিলাদের প্রসাদের জন্যে মুখিয়ে থাকে। আমিতো এর পক্ষে বিপক্ষে কিছুই বলিনি। আমি বোঝাতে চেয়েছি ধর্মীয় বিধান ও আচার আচরনে পার্থক্য থাকতেই পারে।

"হাদীসে বলা হয়েছে যে, শাসকের সামনে সত্যকথা বলাই সর্বোত্তম জিহাদ।" - আপনি সৈদি আরবে থাকেন। আপনি সৌদি শাষকের বিরুদ্ধে কিছু বলেন তো দেখি আপনার সাহস থাকলে?

জেদ্দার উটের মুর্তি:
Click This Link

জেদ্দায় গত বিশ বছর ধরে থাকা সেই মানুষের হাতের ভাস্কর্য
http://flickr.com/photos/somah/1775795028/


অথবা মাছের ভাস্কর্য
Click This Link

তারা মুর্তি রাখতে পারলে আপনার কিছু বলার নেই আর আমাদের দেশে রাখলেই সবাই অমুসলিম হয়ে গেল?

একটি মুর্তি যেটি লালনের নয় দেশের বিমুর্ত বাউলের একটি প্রতিচ্ছবি এটি নিয়ে এত নাটক কেন? একে তো কেউ পুজো করছে না। এটি অন্যান্য সৌন্দর্য বর্ধনকারী একটি কার্যক্রম।

"দেশে তো অনেক ভাষ্কর্য আছে। এখন কি সব ভাষ্কর্যই সরিয়ে ফেলতে হবে? হজ্জ্বযাত্রীরা তো উত্তরবঙ্গ থেকেও আসবেন, সেক্ষেত্রে আমরা কি গাজীপুর চৌরাস্তার 'জাগ্রত চৌরঙ্গীর' সেই দৃপ্ত মুক্তিযোদ্ধার ভাষ্কর্যও ভেঙ্গে ফেলবো? বকশিবাজার থেকে যদি কোনো হজ্জ্বযাত্রী বিমানবন্দরের দিকে আসতে চান তাহলে কি আমরা টিএসসি মোড়ের রাজু মনুমেন্ট ভেঙ্গে ফেলবো? যদি এদের না ভেঙ্গে ফেলি তাহলে লালন কি দোষ করলো?"

আপনি নিশ্চয়ই তালীবানদের বামিয়ান সংস্কৃতি ধ্বংসের পক্ষেও রায় দেবেন? মানুষের মনে ইসলাম পয়দা না করে সবার চোখে ইসলামের ঠুলি পড়িয়ে দিলেই কি ইসলাম ধর্মকে পালন করা হবে? মানুষ মন থেকে পৌত্তলিকত্ব বাদ দিলে তার চারিপাশে হাজার মুর্তি থাক আল্লাহর পথ থেকে তাকে কেউ টলাতে পারবে না।
৭৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@মাসু

দুঃখের বিষয় এইটা যে, এমনকি উষ্টের কাবাব দিয়া শর্মা ভক্ষণও উপাদেয় হয়না বলেই মালুম হয় । হইলে এ সৌদী আরবে উহা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করিতে পারিতো ।

৭৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: লালুদার দেকি রিপ্লাই নাই এই পুস্টে। :)
৭৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: লাল ভাই, আপনার সম্মানার্থে লাল টুফি লাগাইছি
৭৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
comment by: ফজলে এলাহি বলেছেন: রেজওয়ান-
এটা কপিপেস্ট আমার সেই পোষ্ট থেকে, যেটা আরিল প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিছিলো।
______________________________
"আপনার বাংলাদেশে গিয়ে সার্ভে করে আসা উচিঁ যে আপনার উক্তি কতটুকু সত্য। আমাদের অধিকাংশ মৌলবী মহল মিলাদের প্রসাদের জন্যে মুখিয়ে থাকে।"

আমি খোঁজ খবর নিয়েই বলছি, আন্দাজে বলিনি। কেন মৌলবীরা মুখিয়ে থাকে সেটা কি কখনো ভেবেছেন? ভাবেননি, ভাবলে বলতে পারতেন না।

কি দিচ্ছেন মৌলবীদেরকে তাদের শ্রমের মূল্য? মনে পড়ে ছোটবেলায় ফকীরের ভিক্ষার মত করে আমাদের ছোট ছোট মুষ্ঠিতে করে চাল নিয়ে যেতাম মক্তবে কুরআন পড়ার জন্য। তাদেরও কি আপনাদের মত সংসার নেই? বউ বাচ্চা নেই? তাদের ভরণপোষণ করতে হয় না? কেন এত অবিচার ধর্মশিক্ষার প্রতি? কেনই এই বিমাতাসুলভ আচরণ করছেন আপনারা? সেই আপনারাই বলছেন "মৌলবীরা মুখিয়ে থাকে...", আফসোস আপনাদের এহেন অন্ধত্বের জন্য।

"আপনি সৈদি আরবে থাকেন। আপনি সৌদি শাষকের বিরুদ্ধে কিছু বলেন তো দেখি আপনার সাহস থাকলে?"

:) আপনি এমনসব বিষয় তুলে আনছেন যে, এক একটির জন্য এক একটি পোষ্ট দেয়ার দাবী রাখে।

কুরআন থেকে দু'টো উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা বুঝাতে চেষ্টা করছি।
এক) يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا قُوا أَنْفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا
"হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের ও তোমাদের পরিজনদের আগুন থেকে হেফাযত কর।" [সূরা আততাহরীম: ৬]

বলা হয়েছে আগে নিজে, তারপর নিজেদের পরিবার পরিজন। তারপর অন্যদের জন্য সাধনা করা হবে। এখন আমার নিজের পরে আমার পরিজন আমার পরিবারের সদস্যরা, স্বজনরা, তারপর পর্যায়ক্রমে গ্রাম, সমাজ, দেশের মানুষেরা। কেননা, এ দেশ আমার দেশ, এদেশে আমার পরিজন বাস করে, আমি প্রবাস পেরিয়ে বাস করবো ইনশাআল্লাহ্। তাই কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী আমার উপর দায়িত্ব আমার নিজের পর আমার পরিবার, স্বজন, দেশ ও দেশবাসী। তারপর অন্য সকল, অন্য দেশ, অন্য সংস্কৃতি।

দুই) لَا يُكَلِّفُ اللَّهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا "আল্লাহ্ কারো ক্ষমতার বাইরে বোঝা চাপান না।" [সূরা আলবাকারা: ২৮৬]

এখানে বলা হচ্ছে যে, আল্লাহ্ নিজেই সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না বান্দার উপর। তাহলে আমি কেন আমার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে নিয়ে নিজে নিজেই ধ্বংস হয়ে যাবো? হাঁ, পৃথিবীর ইতিহাসে তেমন মুসলিমদের পৃথিবী দেখেছিল একদিন, আজ যদি তেমন খাঁটি মুসলিমদের কয়েকজনও বর্তমান থাকতেন, তবে "আপনাদের" মত বিরোধিতাকারী বা মূর্তি সংস্কৃতির ওকিলদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতো। হাজ্জাজ বিন ইউসুফের দরবারে সায়ীদ বিন যুবায়ের দীপ্ত কণ্ঠে যে জবাবগুলো দিয়েছেন, সেদিনকার সে দরবারের মত বিশ্ব এখনো স্তম্ভিত হয়ে যায় তা শুনে। সায়ীদ (রা)কে শহীদ করার পর তাঁর শরীর থেকে এত বেশী রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল যে, স্বয়ং হাজ্জাজ বিচলিত হয়ে পড়েছিল। ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করায় ডাক্তার জানালো যে, অধিকাংশ মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তদের ভয়ে শরীরের রক্ত জমে যাওয়ার মত অবস্থা হয়ে পড়ে, তাই ক্ষরণ হয় কম। আর এর (সায়ীদ) অবস্থা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত, এ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল মৃত্যুকালেও।

কোথায় সে মুসলমান? আমরা তো তাদের নখের তুল্যও নই যে, আপনার ভাষ্যমত তেমন জিহাদ করবো। :( তবে হাঁ, সাধ্যের আওতায় যতটুকু আছে তার পরিপূর্ণ হক আদায় করা উচিত। এই যে, ব্লগে লিখছি। এটা কি সেসব মুজাহিদদের সাধনার এক বিন্দু সমও হতে পারে? যারা জীবন বাজী রেখে মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন করছে? না, আমি তা মনে করি না, তবে আমার মত দুর্বলদের সাধ্য এটুকু, তাই এটুকু নিয়েই প্রভুর দেয়া দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি ভাই।

আশা করছি জবাব দিতে হয় বলে 'জবাব' দিলাম হিসেবে নয়, বুঝার চেষ্টা করবেন।
৭৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১১
comment by: মেন্টাল বলেছেন: ফজলে এলাহি নামক উটের রানে কষে চাবুক লাগানো হলো।
৭৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ফঝল এইটা পোস্ট করছিলো ... বিশ সেকেন্ডের মধ্যে ৮ টা মাইনাস খাইয়া লগে লগে ড্রাফট করছে । তারপরে অনেক চিন্তা ভাবনা বুদ্ধি কইরা এইখানে লাদায় গেলো ।
৭৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৫
comment by: মেন্টাল বলেছেন: জেদ্দার উটের মূর্তি উটুলের পাছায় ঢুকানো দরকার।
৮০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
comment by: শামীম রিয়াজ বলেছেন: ধন্যবাদ...এবং সাথে প্রতিবাদ। +
৮১. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫
comment by: শয়তান বলেছেন: ফজলায় আজকে কয় পেগ উস্ট্রমুত্র মারছে? ডেইলী দেখি জোস বাড়তেই আছে ;)
৮২. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: "পৃথিবীর ইতিহাসে তেমন মুসলিমদের পৃথিবী দেখেছিল একদিন, আজ যদি তেমন খাঁটি মুসলিমদের কয়েকজনও বর্তমান থাকতেন, তবে "আপনাদের" মত বিরোধিতাকারী বা মূর্তি সংস্কৃতির ওকিলদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতো।"

ইসলাম ধর্মে পৌত্তলিক মুর্তি পুজো নিষেধ। শৈল্পিক স্কাল্পচার সম্পর্কে কিছু বলা হয় নি। সেজন্যেই সারা মুসলিম জাহানে শৈল্পিক মুর্তি দেখা যায়। এখন আপনি কি বলতে চাচ্ছেন সারা মুসলিম জাহানের কোটি মুসলমানরা খাঁটি মুসলমান নয় আর আপনি একেবারে সাচ্চা মুসলিম? তওবা তওবা এমন কথা আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারে না কে সাচ্চা কে মিছা।

এইখানে সৌদি আরবের মুর্তি:
Click This Link

এইখানে মালয়েশিয়ার মুর্তি:
Click This Link

এখানে দুবাইয়ের মুর্তি:
Click This Link
Click This Link

এখানে কুয়েতের মুর্তি:
Click This Link

এখানে বাহরাইনের মুর্তি:
Click This Link

ইন্দোনেশিয়ার হাজারো মুর্তির একটি:
http://www.flickr.com/photos/sebr/2370290682/

পাকিস্তানে মুর্তি:
http://www.flickr.com/photos/asadk/174344040/

ইয়েমেনে বীর সালাদিনের মুর্তি:
http://www.flickr.com/photos/n0mad/526789430/

মিশরে ফারাওদের সব মুর্তি কি ভেঙ্গে ফেলতে হবে?
http://www.flickr.com/photos/xfp/2541289454/

হে অবুঝরা চোখ খোল। সারা মুসলিম বিশ্বের লাখো মুর্তি দেখে যদি শুভবুদ্ধির উদয় হয়।

গুঁড়ো দুধে ভেজাল পাওয়া গেল তার বিরুদ্ধে আপনার কোন পোস্ট দেখলাম না। মনে হয় শিশুদের মৃত্যু রোধ করা থেকে মুর্তি অপসারন আপনার কাছে বেশী জোশের ও দরকারী। হায়রে মানুষ!
৮৩. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: @রেজওয়ান ভাই,

আপনি কোনভাবেই এদের বুঝিয়ে পারবেন না। আপনি জানেন - অতীতেও এদের অনেকই বোঝানোর চেষ্টা করার পরও একই ধাঁচের উত্তর পাবেন। একটি লো ক্লাস প্রোগ্রামিং এ এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করতেও পারবেন না অবশ্য।

এরা সৌদিতে থেকে তাদের অপরাধের বিরুদ্ধে লিখবে না। বলবে আমি দেশের কথা লিখি, আবার দেশে শিশুরা মারা যাচ্ছে,তা কথা লিখবে না - কারন তার ধর্ম চলে যাচ্ছে। এদের ধর্মবিশ্বাসটুকু এতটুকুই ক্ষুদ্র যে তা শিশুদের মৃত্যুর সময়ও এতটুকু মানবিকতা জাগাতে পারে না, যেখানে প্রতিটি ধর্মের মূল কথাই মানবতা।

সুতরাং আমরা এদের বোঝানোর মত অপচেষ্টা না করি, নিজেদের সময় বাঁচাই।
৮৪. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: মাইনাস সকল ধর্ম ব্যবসাহিদের........ ওগো চামচাগো.........

ফজল @ আপনি আন্ধা জেদ্দা এইটা দেখেন নাই.......?
Click This Link

ইরাকে যে সাদ্দামা শয়তানে নিজের এত মুর্তি বানাইছে তখন তো চিল্লাইতে শুনি নাই...............

ভান্ডামির একটা সীমা আছে @ ফজল,

 

 


"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ