একটা দড়ির দু'দিক থেকে টানছে দু'দল ছেলে। তাইনা দেখে বনের বানর লাফায় খেলা ফেলে।
সরকার পাবলিকরে ভাল বান্দরই বানান বাইল!
যে দিন এইটা ভাঙ্গে(!) ঐ দিন দুপুরে আমি আমার শুটিং ইউনিট নিয়া উত্তরা যাওয়ার পথে ঢাকনার ফাকে যাইতে যাইতে যতদূর দেখা যায় দেখতে ছিলাম। এত দিন ঢাকা চিটাগাং কুষ্টিয়ায় শিল্পী আবদুল্লাহ খালিদ, বদরুল আলম বেনু, ম. হামিদ সহ আরো অন্নান্যদের কথা শুনতে শুনতে আমার ইউনিটের ড্রাইভারটা শুদ্ধা জেনে গেছে যে কোনটা শিল্প কর্ম, কোনটা ভাষ্কর্য্য ইত্যাদি। এয়ারপোর্টের সামনে দিয়ে যেতে যেতে ড্রাইভার মামুন বলে উঠল, আন্কেল এইডা মনে হয় রাজ মিস্ত্রির কাম। আমরা তখন হাসতে হাসতে ঐ এলাকাটা ক্রস করি।
তবে কি এই হিন্দি সিনেমার রাবন মার্কা লোহালক্করটার লাইগা এমন তোলপাড়!
সরকার আইজকা হুজুরগ নোটিশ জারি করছে, খবরদার জুম্মাবার ঐখানে যাইও না। এখন আমার জিগাইতে মন চায়, ঐ দিন যে এই বেবী মাওলানা গুলি এমন দড়িটানাটানি খেলতে পারল হেইটা কেম্নে সম্ভব হইছিল? সিভিল এভিয়েশন পুরা সরকারী না অর্ধেক সরকারী আমার জাননের দরকার নাই। কিন্তু এইটা যে ক্ষমতাবানগ তত্বাবধানের জিনিস সেইটাত সত্য। এমন গুরুত্ব পূর্ণ একটা যায়গায় কতিপয় লোকজন সরকার ফৌছিবার পূর্বে দড়ি ধরে মারোটান বিনা বাধায় খেইলা ফেলাইল! হালায় পাগল না পেট খারাপ?
সরকার ইলেকশনের আগে একটা ইসু দিয়া পাবলিকরে হয়রান রাখতে চাইছিল, সেইখানে তাগো তেমন কামিয়াবী হাসিল হয় নাই। দেশের পলিটিশিয়ানরা তারচে বড় সেয়ানা। কিন্তু ফাকে পড়ছে ছাপোসা শিল্পীরা। চুপও থাকন যায় না আবার কইলেও কি মাত্রায় কতটুকু কারে কইব? বাটে পইড়া হালায় শিল্পীগ হইছে যত যন্ত্রনা। আর এই সুযোগে বাংলাদেশের কৃষ্টি আর সংস্কৃতির শত্রুরা গলাবাজী করে যাচ্ছে বেসুমার। এই ব্লগে এ কদিন যথেষ্ট দেখেছি। কইতে কইতে বহুত দেলের খায়েশই তারা কইয়া ফেলাইছে।
ক্ষমতাসীনগ এই নোংরা খেলায় সকল সময় আলটিমেট ক্ষতি হয় সার্বভৌম বাংলাদেশ ও বায়লাদেশের মানুষের। আর লাভ হয় বাংলাদেশ বিরোধীতাকারী পরাজিত পাকিস্তানের বেনামী এজেন্ট এক দল ধর্ম ব্যাবসায়ীর।
দূর্ভাগ্য, ক্ষমতার খেলাধুলায় এবারো ক্ষতাসীনরা এদের আরো একবার প্রশ্রয় দিয়ে গেল। একবারও দেশটার ভবিষ্যতটা দেখল না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


