আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

ফার্ষ্ট পারসন স্পেশাল নাম্বার (কোন রিভিউ নয়)

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

শেয়ারঃ
0 3 0

মার মেঝ বোনের মেয়েটির সাথে মাঝে মধ্যে ভাইবেরাদারের নাটক নিয়া আমার বিষদ আলোচনা হয়, সেই ভাগনী আর তার মা গত ১৬ তারিখ দলে বলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী'র থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটা দেখে আসছে। কালকে রাতে সেই বাসায় গিয়ে দেখলাম আমার বোন আর তার ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়া মেয়ে তারা ছবিটা দ্বিতীয়বার দেখার জন্য দল পাকাইতেছে। আমার ভাগনী মোটামুটি ছবির আদ্যোপান্ত সবি আমারে বলে দিল। আমি হলাম সেই কিসিমের দর্শক যে ছোট বেলায় বাড়ীতে ধরা পরনের ভয়ে এক সিনেমা অর্ধেক অর্ধেক কইরা দুই দিনে দুইবারে দেখতাম। এক দিন হাফ টাইম পর্য্যন্ত দেইখা বাড়ী ফিরা আসতাম পরে আরেক দিন শো শুরু হওনের আধা ঘন্টা পরে বাড়ির থেকে বের হইয়া হলে হাফটাইমের পরে ঢুইকা বাকী ছবিটা দেইখা আসতাম। আমার এই ব্যাপারে ভীষন ধৈর্য্য, কেউ আমারে সিনেমার গল্প পুরাটা কইয়া দিলেও সেই সিনেমা দেখতে আমার এতটুকুও বেসুবিধা হইত না।

এই দফায় বাংলাদেশে আসার পর গত দেড় বছরে হলে যেয়ে ছবি দেখছি দেড় খান। হুয়া'র আমার আছে জল পুরাটা আর তার আগে মালয়েশিয়াতে শুট করা নার্গিস আক্তারের ডিরেক্শনে রিয়াজ আর পপি'র কি যেন একটা ছবি! যারে নিয়া দেখতে গেছিলাম তার কারনে অর্ধেক দেইখা আর দেখতে পানি নাই। তার পর মনপুরা দেখতে গিয়া এক দিন টিকেট না পেয়ে ফিরে আসি আর দেখা হয় নাই। এবার না না কারনে খুব ইচ্ছা হইতে ছিল থার্ডপারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটা গরম গরম দেখি। কিন্তু হলে গিয়া টিকেট না পাওয়ার ভয়ে হলে যেতেও ইচ্ছে করছিল না। যেটা জানি যে এক দিন যেয়ে অগ্রিম টিকেট কাটতে হয় অরেক দিন যেয়ে ছবি দেখতে হয়। আজকেও ভাবছিলাম তাই হবে, হলোও তাই। আজকের কোন শো'রই টিকেট নাই সোল্ড আউট। লাইনে দাড়িয়ে ভাবছিলাম পর দিনের কোন শো দেখা যায়! মজার ব্যাপার হলো এক লোক দেখি পেছন থেকে এসে কি কারনে একটা টিকেট ফেরত দিতে চাইছেন, ব্যাস কুদরতি ভাবে ব্যাবস্থা হয়ে গেল! ঢুকে পড়লাম মোস্তফা সরয়ার ফারুকী'র বহুল প্রতিক্ষীত ছবি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার দেখতে।

ছবিটা দেখার পর বুঝতে পারলাম কেন আমার সিষ্টার ও তার ডটার ছবিটার এমন প্রশংসা করছে। ফারুকী ও তার ব্যারাদারের সকল কর্ম কান্ডে যে জিনিসটা লক্ষ্য করা যায় তা হলো তারা কেমন যেন সকল সময় বদনা হাতে এক প্রকার দৌড়ের উপ্রে থাকেন। এ কারনেই সম্ভবত প্রায়ই তারা ক্যামেরা খানা কান্ধের উপর নিয়া ঘুরতে থাকেন যত্রতত্র। তাদের সকল টিভি প্রডাকশনের মত এই ছবিতেও তার ব্যাতিক্রম হয় নাই। যাই হোক আগেই বলছি এইটা কোন মুভি রিভিউ না। সিনেমা সম্পর্কে আমার ব্যাক্তিগত একটা ধারনা আছে অনেক আগে এই ব্লগে আহা ছবি দেখে একটা পোস্ট লিখতে যেয়ে লিখেছিলাম, আমার কাছে ফিল্ম মানে কেবল পর্দায় বলে দেয়া একটা গল্প বা ঘটনা নয়। ফিল্ম হচ্ছে পৃথিবীর যাবতীয় আর্ট মাধ্যমের এক মিলিত অর্কেষ্ট্রা। আমার ভালোলাগার ছবি সিনেমা হলে থেকে যায় না। ছবি ঘর থেকে বেরিয়ে দর্শকের পিছু নেয়, সঙ্গী হয়।

আজকে ছবিটা দেখতে দেখতে ভাল মন্দ অনেক কিছুই মনে হয়েছে সে সব লেখার আমার কোন ইচ্ছা নাই। মোস্তফা সারয়ার ফারুকীর এই ছবিটাকে আমি আজ স্টার সিনেপ্লেক্সে রেখে আসতে পারিনি। এই রাত বিরেতে ছবিটি নিয়ে কিছু লিখতে যাবার কারন ছবিটির মুল চরিত্র রুবা'র মত এমন এক রুবার সাথে আমার দেখা হয়ে ছিল এই শহরে বেশ ক'বছর আগে।

মিডিয়ার এক ভগিচগি লোকের মরাধরা এক অফিসে সেক্রেটারির কাজ করত মেয়েটি। ঐ লোকই তাকে একটি হষ্টেলে থাকবার ব্যাবস্থা করে দিয়ে ছিলেন। মেয়েটির গল্প ছিল এমন, মা মারা গেলে বাবা আরেকটি বিয়ে করে ফেলেন। এই কষ্ট সামাল দিতে না পেরে মেয়েটি হুট করে মাত্র ১৫/১৬ বছরে বিয়ে করে বাড়ী থেকে চলে যায়। প্রচন্ড জেদি ও স্বাধীনচেতা মেয়েটির শ্বশুড় বাড়ীতে শেষমেষ আর থাকতে পারে না। এক খলাত বোনের বাসায় কিছু দিন অাশ্রয় মিললেও বেশী দিন না। ঘটনা চক্রে এই রকম অসহায় মেয়েদের সাহায্য করতে যে সব আন্কেলরা এগিয়ে আসেন আমার পরিচিত মিডিয়া লোকটিও তেমন এগিয়ে গেলেন মেয়েটির দিকে। পরে ঐ লোকের বহু কেচ্ছা কাহিনীর আলামত পেয়েছি। সে সময় দেখা হলে বিদেশ সম্পর্কে নানা কথা মেয়েটি জানতে চাইত আর বলত, বিদেশে ত একটা মেয়ে ইচ্ছে করলেই স্বাধীন ভাবে নিজের মত করে থাকতে পারে তাই না? আমাদের দেশের মত ত এমন কেউ কাউকে খেতে আসে না! দেইখেন ত হেলাল ভাই কোন ব্যাবস্থা করা যায় কিনা? আমি তখন মেয়েটির দিকে তাকিয়ে অর্থহীন হাসতাম।

এই বার দেশে এসে সেই লোকটির অফিসে যাই, মেয়েটি আর সেখানে কাজ করে না। সেখানে অন্য একটি মেয়েকে দেখলাম। বিকেলে অফিস ছুটির পর লোকটির ঐখানে আড্ডা দিতে আসে ডাক্তার, ব্যাবসায়ী, সাংবাদিক কত কে মহা জন। এক দিন বিকেলে চা খেতে খেতে মেয়েটির কথা বলে তারা এক এক জন হাসতে হাসতে ঘরের ছাদ ফাটিয়ে ফেল ছিল। তারা কোন বন্ধু কে কি করে ছিল কে কি করতে পারেনি ঐ মেয়েটির সাথে অসহ্য সে সব বর্ণনা। ভীষন অস্বস্থি নিয়ে বেরিয়ে চলে আসি সে দিন ওখান থেকে।

এ শহরে পাড়ায় মহল্লায় অনেক লেডিস হস্টেল। জানি না মেয়েটি আজ কেথায় আছে, কেমন আছে? থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিতে নির্মাতা জীবনকে এক বড়ো কারাগারের সাথে তুলনা করেছেন। এই জীবন কারাগারে কত কি কষ্ট সয়ে বেচে থাকে মানুষ, টিকে থাকে মানুষ! এ দেশে সব মেয়েই কি আর তিশার মত, আর রুবার মত অমন ভাগ্যবান! যাদের জন্য ইশ্বর সৃষ্টি করে রেখেছেন এক জন মোস্তফা সারয়ার ফারুকী অথবা তপুর মত এমন কোন ফার্ষ্ট পারসন স্পেশাল নাম্বার!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদবিষয় চলচ্চিত্র  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
লাল দরজা বলেছেন:
এই লেখাটি ভোর রাতে ঘুম ঘুম চোখে পোস্ট করে আবার ড্রাফ্ট করে যাই। কাল ছবিটা দেখে কিছু ভাবনা এলমেল করে দিয়েছিল মন। কি লিখতে কি লিখলাম কে জানে!
২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
কৌশিক বলেছেন: মনে হইতেছে দেখা লাগবে..
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: মনে আছে তৌকির আর বিপাশা এক বার এক রিয়েলএস্টেটের বিজ্ঞাপন মডেল হইছিল, সম্ভবত বসুন্ধরারই। এইবার বেডারা আর ৩০ সেকেন্ডের এড বানায় নাই দুই ঘন্টা সিনেমার অর্ধেকটায় ভালই বসুন্ধরা আবাসিকের পাবলিসিটি হান্দাইয়া দিসে। হা হা, খ্রাপ না একটেল অলারাও ফুটবল নিয়া পুরা এক সিনেমাই বানাইয়া হালাইছে শুনলাম। বুদ্ধি ভালাই টিভিতে এডের জালায় প্রোগ্রাম দেখনের সুযোগ পাওয়া যাইতে ছিল না এতদিন। এখন আর প্রোগ্রামের মধ্যে এড ঢোকানোর দরকার হইব না পুরা এডটাই এখন প্রোগ্রাম হইয়া যাইব। :P

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ওই দিন আপনে ফোনে এই লেখাটার কথা কি কইছিলেন বুঝতে পারি নাই!

৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
অপ্‌সরা বলেছেন: এ দেশে সব মেয়েই কি আর তিশার মত, আর রুবার মত অমন ভাগ্যবান!


অথবা একের ভেতর দুই , বা দুই এর ভেতর এক!:(
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: :(

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: এই ছবির গান গুলো শুনতে বেশ লাগে, বিশেষ করে দ্বিধা গানটির প্রতি অকর্ষণ আমার এখনো অটুট আছে। কাল যখন ছবি দেখছিলাম তখন ছবিতে গানের ব্যাবহার দেখে তেমন যুইত লাগে নাই। ইন ফ্যাক্ট কালকে আমি যে প্রিন্টটা দেখেছি ঐটাতে সাকুল্যে দুইটা গানেরই ব্যাবহার দেখেছি বাকী গান গুলো উধাউ, শুনতেই পাইনি। কেন যেনো মনে হচ্ছিল সামহাউ ছবির প্রিন্টটাকে কেটেছেটে সাইজ করা হয়েছে। এমন কি ছবির কিছু স্টিলে যে সব ছবি/শট দেখে ছিলাম ঐ সব দৃশ্য ও ছবিতে খুজে পাইনি! আজিব না! তুমি দেখছ নাকি ছবিটা?

৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
ব্লগার কমল বলেছেন: আপনার লেখা ভালো হয়েছে।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: হুম

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: হুমম

৮. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
অন্যরকম বলেছেন: ......এক দিন বিকেলে চা খেতে খেতে মেয়েটির কথা বলে তারা এক এক জন হাসতে হাসতে ঘরের ছাদ ফাটিয়ে ফেল ছিল। তারা কোন বন্ধু কে কি করে ছিল কে কি করতে পারেনি ঐ মেয়েটির সাথে অসহ্য সে সব বর্ণনা।..... এইটা একটা অন্যতম কারণ! যে কারণে আমাদের দেশে মেয়েরা একা জীবন যাপন করতে পারে না। যে সমস্ত লোকদেরকে পাবলিক প্লেসে অধুনিক, নারীবাদি বলে মনে হয়, তারাই মেয়েদের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটাই করে!

রিভিউ না লিখেও সিনেমার থীমটা বলে ফেললেন। এজন্য + :)
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: হুম, ছবিটা দেইখা মেয়েটার কথা মনে হইল কালকে। হায়রে জীবন!

৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৪
স্পাইডার বলেছেন: বান্ধবীরে নিয়া দেখছিলাম, ভালোই লাগছে। আমগো সমাজের যা ঘটতাছে তারই চেহারা এটা।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: হুম

১০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৮
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: Apnar ki mone hoy ei shaomajer shob purush khali maye der pichone ghuraghuri kore din katay. Faruki & bhai brother der chinema dakhle tai mone hoy..... Chele or Mayeder jodi porospor er proti attraction na thakto tobe manobjati dhongsho hoye jeto. But some how ei attraction ta khub kharap hoye jay....kintu ei jinish ta public media te published korle ulta result hote paree. Jai hok ei cinema te sex ta k onek bikrito bhabe uposthapon kora hoyese.....
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: এই ছবি নিয়া মোটেই কোন আলোচনা করার ইচ্ছে আমার নাই। ছবিটা দেখে এক জন মানুষের কথা খুব মনে পড়ে ছিল তাই লিখে ছিলাম এই ব্লগটি।

আমাদের দেশে সার্বিক ভাবেই সেক্সটাকে চেপে চুপে বিকৃত করে রাখা হয়। জীবনের যে সময়ে মানব শরীরের যৌবনের ঢেউ এসে লাগে যোয়ারের মত; শরীরে থই থই করে অনুভূতি হুহু করে যখন জীবন ঠিক ওই সময় গুলোই আমরা পার করি কঠিন সীয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে! এই ছবিতে সেটাই বুঝি উঠে এসেছে কোন এক ভাবে!

১১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন: The main them of this film is good bt it may be expressed in a social ways....which touches the people of the society. bt I see the audience learn nothing from this, they just Njoy Bcoz of the presentation of the message....
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: হুম

১২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
নীহারিক০০১ বলেছেন: আধুনিক সমাজের চিত্র
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হুম, হবে হয়ত

১৩. ২৭ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮
নাদির জুনাইদ বলেছেন: লেখাটি ভাল লাগলো। আমাদের দেশের অনেক একলা মেয়েরই রুবার মতো এতো সুবিধা পাবার ভাগ্য আছে বলে মনে হয় না। আমাদের এই সমাজে সাধারণ মানুষকে কতো অসুবিধা পোহাতে হয়, তা আমাদের অজানা নয়। তারপরও আমাদের সমাজে একজন একলা নারীর সমস্যা নিয়ে তৈরি ছবি, এই হিসেবে অনেক-প্রচার-পাওয়া এই চলচ্চিত্র রুবার মতো একজন নারীর নানা সুবিধা পাওয়ার দিকটিই বার বার দেখালো, যেন রুবার মতো আয়েশী জীবন কাটানো একলা নারীরাই আমাদের সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ। আপনার লেখার শেষ অংশটি তাই খুব ভাল লেগেছে।
২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার লেখা আলোচনা/ মন্তব্য পড়ে ভালো লেগেছে।

১৪. ২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:১১
মএসএইসভূইয়া বলেছেন: Dekhinai....
cinemar link thakle den.........

long weekend e dekhum r apnar moto review likhum---

hummmmmmmmm
২৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন:

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ