আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভি রিভিউ: ব্লগার লাল দরজার ডকুমেন্টারী - অপরাজেয় বাংলা - দারাশিকো
- হেলাল হাফিজের ১২ টি প্রিয় কবিতা - রু আদে
- প্রিয় অগ্রজ - অগ্নিকোণ
- মোটর সাইকেল ডায়েরী – এক তরুনের বিপ্লবী হয়ে ওঠা - আরিফ রুবেল
- চাঁদের কিছু দুর্লভ ছবি যা আপনি আগে কখনও দেখেননি
- বল্টু মিয়া
- প্রকাশিত হল চলচ্চিত্র নিয়ে ই-বুক “এক মুঠো চলচ্ছবি”
- কাঊসার রুশো
- গ্যালারী মঞ্চ ( শেষ পর্ব) - জিকসেস
- ব্লগে ৫ বছর : পেছন ফিরে দেখা - একরামুল হক শামীম
- ১৪ ফেব্রুয়ারি "স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস" পালন করুন - প্রপদ
- ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাস (১৯৫৬-১৯৭১, ১৯৮৩-১৯৯৩) - সজল শর্মা
- চে’ গুয়েভারাঃ একটি বিপ্লবী জীবন - বিপ্লবী স্বপ্ন
- ম্যাকে বাংলা লিখা - জাকির সজিব
- হিপি: উদ্ভব, ইতিহাস ও দর্শন - ইমন জুবায়ের
- ঘুণপোকা এবং অনুভূতির ভুভুজেলা - রাজসোহান
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- রুবেল ভার্সেস রুবেল... - ওয়াচডগ৫৭
- গাড়ি ছারা এদেশে সমাজে ওঠা যায় না, সরকারী গাড়ি আসলে কোন কাজে আসে না। - সহজ পৃথিবী
- ঢাকাই চলচ্চিত্র (১৯৫৬-১৯৭১) (প্রথম ভাগ) - সজল শর্মা
- একটি চলচ্চিত্র সমালোচনার প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে - নাদির জুনাইদ
- হুদাই কোপেনহেগেন সম্মলনে , বাংলাদশে ডুবছে না !!! [ একটি কপি-পোষ্টিপোষ্ট ] - কুঁড়ের বাদশা
- জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিনতি সম্পর্কিত তথ্য ভুল - দূর্ভাষী
- বাংলাদেশে ডিজিটাল চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি : সংকট ও সম্ভাবনা - আশরাফ শিশির
- ২৪ বছর ধরে আমি যা ভুল জানতাম..শেখ কামাল কি কারনে মেজর ডালিমের বউকে হাইজ্যাক করেছিল !!!???? - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- গানে গানে প্রতিশোধ : এয়ারলাইন্স কোম্পানি বিপাকে - দূরন্ত
- ইউ-টিউব: এক - কৌশিক
- রঞ্জনা, আমি আর আসবনা... - শিশিরবিন্দু
- বাংলাদেশী মুদ্রার সচিত্র ইতিহাস - তুষারপাত
- রবি ঠাকুর রচিত একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারিত মিউজিক ভিডিও - 'লেনিন'
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- ক্রসফায়ার - অচেনা সৈকত
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- 'আসলে কেউগা আমি? কোনহানতে আইছি হালায় দাগাবাজ দুনিয়ায়?' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফটোশপ টিউটোরিয়াল: স্টারগেট ইফেক্ট - মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ
- গণহত্যার ছবি : নূরুল উলা - হাসিব
- ম্যাকে বাংলা লিখা এবং দেখা - নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর
- ব্ল্যাক আউট: সাহসী ও নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র (২) - ফাহমিদুল হক
দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

ফার্ষ্ট পারসন স্পেশাল নাম্বার (কোন রিভিউ নয়)
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮
আমার মেঝ বোনের মেয়েটির সাথে মাঝে মধ্যে ভাইবেরাদারের নাটক নিয়া আমার বিষদ আলোচনা হয়, সেই ভাগনী আর তার মা গত ১৬ তারিখ দলে বলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী'র থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটা দেখে আসছে। কালকে রাতে সেই বাসায় গিয়ে দেখলাম আমার বোন আর তার ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়া মেয়ে তারা ছবিটা দ্বিতীয়বার দেখার জন্য দল পাকাইতেছে। আমার ভাগনী মোটামুটি ছবির আদ্যোপান্ত সবি আমারে বলে দিল। আমি হলাম সেই কিসিমের দর্শক যে ছোট বেলায় বাড়ীতে ধরা পরনের ভয়ে এক সিনেমা অর্ধেক অর্ধেক কইরা দুই দিনে দুইবারে দেখতাম। এক দিন হাফ টাইম পর্য্যন্ত দেইখা বাড়ী ফিরা আসতাম পরে আরেক দিন শো শুরু হওনের আধা ঘন্টা পরে বাড়ির থেকে বের হইয়া হলে হাফটাইমের পরে ঢুইকা বাকী ছবিটা দেইখা আসতাম। আমার এই ব্যাপারে ভীষন ধৈর্য্য, কেউ আমারে সিনেমার গল্প পুরাটা কইয়া দিলেও সেই সিনেমা দেখতে আমার এতটুকুও বেসুবিধা হইত না।
এই দফায় বাংলাদেশে আসার পর গত দেড় বছরে হলে যেয়ে ছবি দেখছি দেড় খান। হুয়া'র আমার আছে জল পুরাটা আর তার আগে মালয়েশিয়াতে শুট করা নার্গিস আক্তারের ডিরেক্শনে রিয়াজ আর পপি'র কি যেন একটা ছবি! যারে নিয়া দেখতে গেছিলাম তার কারনে অর্ধেক দেইখা আর দেখতে পানি নাই। তার পর মনপুরা দেখতে গিয়া এক দিন টিকেট না পেয়ে ফিরে আসি আর দেখা হয় নাই। এবার না না কারনে খুব ইচ্ছা হইতে ছিল থার্ডপারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিটা গরম গরম দেখি। কিন্তু হলে গিয়া টিকেট না পাওয়ার ভয়ে হলে যেতেও ইচ্ছে করছিল না। যেটা জানি যে এক দিন যেয়ে অগ্রিম টিকেট কাটতে হয় অরেক দিন যেয়ে ছবি দেখতে হয়। আজকেও ভাবছিলাম তাই হবে, হলোও তাই। আজকের কোন শো'রই টিকেট নাই সোল্ড আউট। লাইনে দাড়িয়ে ভাবছিলাম পর দিনের কোন শো দেখা যায়! মজার ব্যাপার হলো এক লোক দেখি পেছন থেকে এসে কি কারনে একটা টিকেট ফেরত দিতে চাইছেন, ব্যাস কুদরতি ভাবে ব্যাবস্থা হয়ে গেল! ঢুকে পড়লাম মোস্তফা সরয়ার ফারুকী'র বহুল প্রতিক্ষীত ছবি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার দেখতে।
ছবিটা দেখার পর বুঝতে পারলাম কেন আমার সিষ্টার ও তার ডটার ছবিটার এমন প্রশংসা করছে। ফারুকী ও তার ব্যারাদারের সকল কর্ম কান্ডে যে জিনিসটা লক্ষ্য করা যায় তা হলো তারা কেমন যেন সকল সময় বদনা হাতে এক প্রকার দৌড়ের উপ্রে থাকেন। এ কারনেই সম্ভবত প্রায়ই তারা ক্যামেরা খানা কান্ধের উপর নিয়া ঘুরতে থাকেন যত্রতত্র। তাদের সকল টিভি প্রডাকশনের মত এই ছবিতেও তার ব্যাতিক্রম হয় নাই। যাই হোক আগেই বলছি এইটা কোন মুভি রিভিউ না। সিনেমা সম্পর্কে আমার ব্যাক্তিগত একটা ধারনা আছে অনেক আগে এই ব্লগে আহা ছবি দেখে একটা পোস্ট লিখতে যেয়ে লিখেছিলাম, আমার কাছে ফিল্ম মানে কেবল পর্দায় বলে দেয়া একটা গল্প বা ঘটনা নয়। ফিল্ম হচ্ছে পৃথিবীর যাবতীয় আর্ট মাধ্যমের এক মিলিত অর্কেষ্ট্রা। আমার ভালোলাগার ছবি সিনেমা হলে থেকে যায় না। ছবি ঘর থেকে বেরিয়ে দর্শকের পিছু নেয়, সঙ্গী হয়।
আজকে ছবিটা দেখতে দেখতে ভাল মন্দ অনেক কিছুই মনে হয়েছে সে সব লেখার আমার কোন ইচ্ছা নাই। মোস্তফা সারয়ার ফারুকীর এই ছবিটাকে আমি আজ স্টার সিনেপ্লেক্সে রেখে আসতে পারিনি। এই রাত বিরেতে ছবিটি নিয়ে কিছু লিখতে যাবার কারন ছবিটির মুল চরিত্র রুবা'র মত এমন এক রুবার সাথে আমার দেখা হয়ে ছিল এই শহরে বেশ ক'বছর আগে।
মিডিয়ার এক ভগিচগি লোকের মরাধরা এক অফিসে সেক্রেটারির কাজ করত মেয়েটি। ঐ লোকই তাকে একটি হষ্টেলে থাকবার ব্যাবস্থা করে দিয়ে ছিলেন। মেয়েটির গল্প ছিল এমন, মা মারা গেলে বাবা আরেকটি বিয়ে করে ফেলেন। এই কষ্ট সামাল দিতে না পেরে মেয়েটি হুট করে মাত্র ১৫/১৬ বছরে বিয়ে করে বাড়ী থেকে চলে যায়। প্রচন্ড জেদি ও স্বাধীনচেতা মেয়েটির শ্বশুড় বাড়ীতে শেষমেষ আর থাকতে পারে না। এক খলাত বোনের বাসায় কিছু দিন অাশ্রয় মিললেও বেশী দিন না। ঘটনা চক্রে এই রকম অসহায় মেয়েদের সাহায্য করতে যে সব আন্কেলরা এগিয়ে আসেন আমার পরিচিত মিডিয়া লোকটিও তেমন এগিয়ে গেলেন মেয়েটির দিকে। পরে ঐ লোকের বহু কেচ্ছা কাহিনীর আলামত পেয়েছি। সে সময় দেখা হলে বিদেশ সম্পর্কে নানা কথা মেয়েটি জানতে চাইত আর বলত, বিদেশে ত একটা মেয়ে ইচ্ছে করলেই স্বাধীন ভাবে নিজের মত করে থাকতে পারে তাই না? আমাদের দেশের মত ত এমন কেউ কাউকে খেতে আসে না! দেইখেন ত হেলাল ভাই কোন ব্যাবস্থা করা যায় কিনা? আমি তখন মেয়েটির দিকে তাকিয়ে অর্থহীন হাসতাম।
এই বার দেশে এসে সেই লোকটির অফিসে যাই, মেয়েটি আর সেখানে কাজ করে না। সেখানে অন্য একটি মেয়েকে দেখলাম। বিকেলে অফিস ছুটির পর লোকটির ঐখানে আড্ডা দিতে আসে ডাক্তার, ব্যাবসায়ী, সাংবাদিক কত কে মহা জন। এক দিন বিকেলে চা খেতে খেতে মেয়েটির কথা বলে তারা এক এক জন হাসতে হাসতে ঘরের ছাদ ফাটিয়ে ফেল ছিল। তারা কোন বন্ধু কে কি করে ছিল কে কি করতে পারেনি ঐ মেয়েটির সাথে অসহ্য সে সব বর্ণনা। ভীষন অস্বস্থি নিয়ে বেরিয়ে চলে আসি সে দিন ওখান থেকে।
এ শহরে পাড়ায় মহল্লায় অনেক লেডিস হস্টেল। জানি না মেয়েটি আজ কেথায় আছে, কেমন আছে? থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ছবিতে নির্মাতা জীবনকে এক বড়ো কারাগারের সাথে তুলনা করেছেন। এই জীবন কারাগারে কত কি কষ্ট সয়ে বেচে থাকে মানুষ, টিকে থাকে মানুষ! এ দেশে সব মেয়েই কি আর তিশার মত, আর রুবার মত অমন ভাগ্যবান! যাদের জন্য ইশ্বর সৃষ্টি করে রেখেছেন এক জন মোস্তফা সারয়ার ফারুকী অথবা তপুর মত এমন কোন ফার্ষ্ট পারসন স্পেশাল নাম্বার!
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ, বিষয় চলচ্চিত্র বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
মনে হইতেছে দেখা লাগবে..
লেখক বলেছেন: মনে আছে তৌকির আর বিপাশা এক বার এক রিয়েলএস্টেটের বিজ্ঞাপন মডেল হইছিল, সম্ভবত বসুন্ধরারই। এইবার বেডারা আর ৩০ সেকেন্ডের এড বানায় নাই দুই ঘন্টা সিনেমার অর্ধেকটায় ভালই বসুন্ধরা আবাসিকের পাবলিসিটি হান্দাইয়া দিসে। হা হা, খ্রাপ না একটেল অলারাও ফুটবল নিয়া পুরা এক সিনেমাই বানাইয়া হালাইছে শুনলাম। বুদ্ধি ভালাই টিভিতে এডের জালায় প্রোগ্রাম দেখনের সুযোগ পাওয়া যাইতে ছিল না এতদিন। এখন আর প্রোগ্রামের মধ্যে এড ঢোকানোর দরকার হইব না পুরা এডটাই এখন প্রোগ্রাম হইয়া যাইব।
লেখক বলেছেন: ওই দিন আপনে ফোনে এই লেখাটার কথা কি কইছিলেন বুঝতে পারি নাই!
অপ্সরা বলেছেন:
এ দেশে সব মেয়েই কি আর তিশার মত, আর রুবার মত অমন ভাগ্যবান! অথবা একের ভেতর দুই , বা দুই এর ভেতর এক!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: এই ছবির গান গুলো শুনতে বেশ লাগে, বিশেষ করে দ্বিধা গানটির প্রতি অকর্ষণ আমার এখনো অটুট আছে। কাল যখন ছবি দেখছিলাম তখন ছবিতে গানের ব্যাবহার দেখে তেমন যুইত লাগে নাই। ইন ফ্যাক্ট কালকে আমি যে প্রিন্টটা দেখেছি ঐটাতে সাকুল্যে দুইটা গানেরই ব্যাবহার দেখেছি বাকী গান গুলো উধাউ, শুনতেই পাইনি। কেন যেনো মনে হচ্ছিল সামহাউ ছবির প্রিন্টটাকে কেটেছেটে সাইজ করা হয়েছে। এমন কি ছবির কিছু স্টিলে যে সব ছবি/শট দেখে ছিলাম ঐ সব দৃশ্য ও ছবিতে খুজে পাইনি! আজিব না! তুমি দেখছ নাকি ছবিটা?
ব্লগার কমল বলেছেন:
আপনার লেখা ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
দেশী পোলা বলেছেন:
হুমাইলাম
লেখক বলেছেন: আচ্ছা।
নির্বাসন বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: হুম
যীশূ বলেছেন:
বুঝলাম।
লেখক বলেছেন: হুমম
অন্যরকম বলেছেন:
......এক দিন বিকেলে চা খেতে খেতে মেয়েটির কথা বলে তারা এক এক জন হাসতে হাসতে ঘরের ছাদ ফাটিয়ে ফেল ছিল। তারা কোন বন্ধু কে কি করে ছিল কে কি করতে পারেনি ঐ মেয়েটির সাথে অসহ্য সে সব বর্ণনা।..... এইটা একটা অন্যতম কারণ! যে কারণে আমাদের দেশে মেয়েরা একা জীবন যাপন করতে পারে না। যে সমস্ত লোকদেরকে পাবলিক প্লেসে অধুনিক, নারীবাদি বলে মনে হয়, তারাই মেয়েদের সবচেয়ে বড় ক্ষতিটাই করে! রিভিউ না লিখেও সিনেমার থীমটা বলে ফেললেন। এজন্য +
লেখক বলেছেন: হুম, ছবিটা দেইখা মেয়েটার কথা মনে হইল কালকে। হায়রে জীবন!
স্পাইডার বলেছেন:
বান্ধবীরে নিয়া দেখছিলাম, ভালোই লাগছে। আমগো সমাজের যা ঘটতাছে তারই চেহারা এটা।
লেখক বলেছেন: হুম
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন:
Apnar ki mone hoy ei shaomajer shob purush khali maye der pichone ghuraghuri kore din katay. Faruki & bhai brother der chinema dakhle tai mone hoy..... Chele or Mayeder jodi porospor er proti attraction na thakto tobe manobjati dhongsho hoye jeto. But some how ei attraction ta khub kharap hoye jay....kintu ei jinish ta public media te published korle ulta result hote paree. Jai hok ei cinema te sex ta k onek bikrito bhabe uposthapon kora hoyese.....
লেখক বলেছেন: এই ছবি নিয়া মোটেই কোন আলোচনা করার ইচ্ছে আমার নাই। ছবিটা দেখে এক জন মানুষের কথা খুব মনে পড়ে ছিল তাই লিখে ছিলাম এই ব্লগটি।
আমাদের দেশে সার্বিক ভাবেই সেক্সটাকে চেপে চুপে বিকৃত করে রাখা হয়। জীবনের যে সময়ে মানব শরীরের যৌবনের ঢেউ এসে লাগে যোয়ারের মত; শরীরে থই থই করে অনুভূতি হুহু করে যখন জীবন ঠিক ওই সময় গুলোই আমরা পার করি কঠিন সীয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে! এই ছবিতে সেটাই বুঝি উঠে এসেছে কোন এক ভাবে!
স্বাধীন শোয়েব বলেছেন:
The main them of this film is good bt it may be expressed in a social ways....which touches the people of the society. bt I see the audience learn nothing from this, they just Njoy Bcoz of the presentation of the message....
লেখক বলেছেন: হুম
নীহারিক০০১ বলেছেন:
আধুনিক সমাজের চিত্র
লেখক বলেছেন: হুম, হবে হয়ত
নাদির জুনাইদ বলেছেন:
লেখাটি ভাল লাগলো। আমাদের দেশের অনেক একলা মেয়েরই রুবার মতো এতো সুবিধা পাবার ভাগ্য আছে বলে মনে হয় না। আমাদের এই সমাজে সাধারণ মানুষকে কতো অসুবিধা পোহাতে হয়, তা আমাদের অজানা নয়। তারপরও আমাদের সমাজে একজন একলা নারীর সমস্যা নিয়ে তৈরি ছবি, এই হিসেবে অনেক-প্রচার-পাওয়া এই চলচ্চিত্র রুবার মতো একজন নারীর নানা সুবিধা পাওয়ার দিকটিই বার বার দেখালো, যেন রুবার মতো আয়েশী জীবন কাটানো একলা নারীরাই আমাদের সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ। আপনার লেখার শেষ অংশটি তাই খুব ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার লেখা আলোচনা/ মন্তব্য পড়ে ভালো লেগেছে।
cinemar link thakle den.........
long weekend e dekhum r apnar moto review likhum---
hummmmmmmmm
লেখক বলেছেন:
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














এই লেখাটি ভোর রাতে ঘুম ঘুম চোখে পোস্ট করে আবার ড্রাফ্ট করে যাই। কাল ছবিটা দেখে কিছু ভাবনা এলমেল করে দিয়েছিল মন। কি লিখতে কি লিখলাম কে জানে!