আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

বোধহীন শহরে একা এক নির্বোধ বেশ্যা পাথরে খঁোজে প্রাণ

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৫

শেয়ারঃ
0 12 0

১/১১/২০১০। আজ গুলিস্তান পার্কের সামনে গিয়ে ছিলাম টিয়া পাখি'র ছবি তুলতে। আমার ভাগ্য গননার এক টিয়া পাখি'র ছবি দরকার। খবর পেলাম গুলিস্তান পার্কের ওখানে এক জন পাখিঅলা বসেন। যিনি খাঁচার ভেতর থেকে টিয়া পাখি কাঠি দিয়ে বের করে খামে বন্দি ভবিষ্যৎ এর ওপর ছেড়ে দেন। পাখিটি এক কদম দু'কদম করে পা রাখে খামে ভরা কিসমতের ওপর, তার পর ফিরে যায় সে আপন খাঁচায়। গনকের হাতে তখন নাগরিক আপনার অনাগত ভবিষ্যৎ!

আজ দুপুরে আমি যে টিয়াটির ছবি তুললাম তার রং তেমন সবুজ ছিল না। ঠঁোটে ছিল না আদো কোন লালের ছোঁয়া। লেজে ছিল না তেমন কোন পালক প্রাচুর্য্য। ধুসর পাখিটি আমার মোটেও ভালো লাগল না। ছবি তুলে তৃপ্ত আর হতে পারিনি। হাট দিলাম স্টেডিয়ামের পাশ ঘেষে।

এক বুড়ি মা ফুট পাথে একগাদা শিকড় বাকরের ভেষজ পসরা নিয়ে বসে আছেন,

ছবি তুলি আমি: ক্লিক।

এক বাবাজী বসেছেন হরেক রঙের পাথরের আংটি নিয়ে,

ছবি তুলি আমি: ক্লিক।

পথচারীরা ছোট্ট একটা প্রশ্নে শুধু জানতে চায়: ভাই আপনি চ্যানেলের লোক! কোন চ্যানেল?

আমি তাদের নিরাশ করতে চাই না, তারা নিশ্চই নিরাশ হন। আমিত ফ্রীল্যান্সার। আমার ত কোন বেইল নাই! নিজের খেয়ে পথে পথে ঘুরি।

হাটতে হাটতে মনে হল মতিঝিলের শাপলা'র একটা শট দরকার ছিল নিয়ে আসি। হাটি আমি ব্যাস্ত নগরের বানিয্যিক ফুট পাথে। হঠাৎ মনে হলো পথেইত পড়বে, বক পক্ষী গুলোরে একটু দেখে যাই...

প্রিয় পাঠক, আজ থেকে এক বছরের কিছু বেশী সময় আগে আমি একটা ব্লগ লিখে ছিলাম যার শিরোনাম ছিল
আমাদের শহরে অন্ধকার নামছে, আলো কমে আসছে দ্রুত কেউ কেউ লেখাটি পড়েও ছিলেন হয়ত। আজ মনে হচ্ছে সে দিন মনের উত্তেজনায় অনেক ব্লা ব্লা করে ছিলাম অনর্থক।


তথাকথিত মৌলবাদিরা ১ বছর ১ মাস ১৩ দিন আগে মতিঝিল বিমান অফিসের সামনে মৃনাল হকের বলাকা ভাষ্কর্য্যটিকে ভেঙ্গে গলায় দড়ি ঝুলিয়ে দেয়। সে দিন বলাকার গলায় ঝুলে থাকা রজ্জুটি দেখে লিখে ছিলাম, দড়িটা একক ভাবে ঐ বলাকার গলায় নয় ওটা ঝুলছে বাংলাদেশের গলায়! নির্মম পরিহাস হলো এই যে ১ বছর ১ মাস ১৩ দিন পর আজো দড়িটা ঝুলে আছে অই বলাকার গলায়। আর আমাদের প্রাণ প্রিয় বাংলাদেশ অদ্ভুত এক রজ্জু গলায় নিয়ে মহাকাশে পাঠাচ্ছে তার নিজস্ব স্যাটেলাইট।


সে দিন আমরা সকলে বক ধার্মিকরা বক ভেঙ্গেছে শুনে হাতি ঘোড়া কত কি ব্লা ব্লা করে ছিলাম! সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ক্ষোভের ওজন ছিল সহস্র মেট্রিক টন।! আজ পাথরের ওই পাখি গুলোর সামনে যেয়ে দাড়াতে ভীষন লজ্জা হচ্ছিল। তবুও নির্লজ্জ হাতে ফোকাস ঠিক করে এঙ্গেল নির্ণয় করে শাটার স্পিড বাড়িয়ে/ কমিয়ে ক'খানা ছবি তুলেছি: ক্লিক। ক্লিক। ক্লিক।

পাঠক, আমি আমার লজ্জা আজ কেন যেন লুকিয়ে রাখতে পারিনি, বেশ্যার মত সকলের কাছে উন্মুক্ত করেছি।
আমাকে ক্ষমা করবেন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫
গরম কফি বলেছেন: আমরা জেগে আছি মা !
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: আমরা জেগে জেগে ঘুমাই!

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: হুম :(

৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: বকের গলায় বাঁধা "রজ্জু" আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো কতটুকু সুশীল ও গলাবাজ হয়ে গেছি আমরা। বাইয়্যানিয়াতের বাইনচোদরা যখন দড়ি লাগালো তখনতো অনেকে পারলে কি বোর্ডের উপরেই ঝাঁপিয়ে পরে !
কিন্তু ........... এখন দেখলেন তো। যতো আবেগ....... যত চেতনা........যত গলাবাজী সব কম্পুর সামনেই... আমার লজ্জ্বা লাগে, হতাশও লাগে। হয়তো নিজের অক্ষমতা, হয়তো নিজের ভীরুতা............ সব কিছু মিলেই। এটা নতুন কিছু না লাল ভাই............ বছরের পর বছর এমনটিই হয়ে আসছে। হয়তো চলতেই থাকবে.........কে জানে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: ভাইজান এই বগা ভাঙ্গা লালন ভাঙ্গা নিয়ে একটা কনইস্পরিসি থিওরি ইহানিং মনে বাসাবেধেছে ওইটাই নিজে নিজে ভাবছিলাম, ভাবনা গুলো গুছিয়ে বলতে পারবো না। সে কারনেই লিখে ছিলাম "যিনি খাঁচার ভেতর থেকে টিয়া পাখি কাঠি দিয়ে বের করে খামে বন্দি ভবিষ্যৎ এর ওপর ছেড়ে দেন। পাখিটি এক কদম দু'কদম করে পা রাখে খামে ভরা কিসমতের ওপর, তার পর ফিরে যায় সে আপন খাঁচায়। গনকের হাতে তখন নাগরিক আপনার অনাগত ভবিষ্যৎ!" পরে আর হাত চলে নাই, কি হবে বাল এই সব ভাইবা? মনে আছে আপনি কবে যেন এক বার বসুনিয়ার স্ট্যাচুটা আমারে গিয়া দেখতে কইছিলেন, আমার মনে আছে সেইটা। আমি যেতে আসতে প্রায়ই বসুনিয়ার খোজনি, মনটা ভালো লাগে দেখলে ঐ যায়গাটাতে বসুনিয়ার মূর্তিটা অন্তত ভালো আছে। সত্যি বলছি, ইচ্ছে করেই ছবি তলি না কোন দিন, নয়ত আপনাকে পাঠাতাম।

কাল বলাকার গলায় ফাসটা দেখে সহ্য করতে পারছিলাম না, দম আটকে আসছিল। ইচ্ছে হচ্ছিল যে করেই পারি দড়িটা খুলে ফেলি। পারি নি, বেশ্যার মত তিন রাস্তার মাথায় নজ্জাহীন দাড়িয়ে থেকেছি

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮
লাল দরজা বলেছেন: ভাইজান এই বগা ভাঙ্গা লালন ভাঙ্গা নিয়ে একটা কনইস্পরিসি থিওরি ইহানিং মনে বাসাবেধেছে ওইটাই নিজে নিজে ভাবছিলাম, ভাবনা গুলো গুছিয়ে বলতে পারবো না। সে কারনেই লিখে ছিলাম "যিনি খাঁচার ভেতর থেকে টিয়া পাখি কাঠি দিয়ে বের করে খামে বন্দি ভবিষ্যৎ এর ওপর ছেড়ে দেন। পাখিটি এক কদম দু'কদম করে পা রাখে খামে ভরা কিসমতের ওপর, তার পর ফিরে যায় সে আপন খাঁচায়। গনকের হাতে তখন নাগরিক আপনার অনাগত ভবিষ্যৎ!" পরে আর হাত চলে নাই, কি হবে বাল এই সব ভাইবা? মনে আছে আপনি কবে যেন এক বার বসুনিয়ার স্ট্যাচুটা আমারে গিয়া দেখতে কইছিলেন, আমার মনে আছে সেইটা। আমি যেতে আসতে প্রায়ই বসুনিয়ার খোজনি, মনটা ভালো লাগে দেখলে ঐ যায়গাটাতে বসুনিয়ার মূর্তিটা অন্তত ভালো আছে। সত্যি বলছি, ইচ্ছে করেই ছবি তলি না কোন দিন, নয়ত আপনাকে পাঠাতাম।

কাল বলাকার গলায় ফাসটা দেখে সহ্য করতে পারছিলাম না, দম আটকে আসছিল। ইচ্ছে হচ্ছিল যে করেই পারি দড়িটা খুলে ফেলি। পারি নি, বেশ্যার মত তিন রাস্তার মাথায় নজ্জাহীন দাড়িয়ে থেকেছি
৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রিয় লাল ভাই, বসুনিয়ার আবক্ষ শেষবার যখন দেখেছি তখন খুব খারাপ অবস্থায় দেখেছিলাম। ভাগ্য ভালো যে সেটা উপরে ফেলা হয়নি তথাকথিত ইসলাম রক্ষার জন্য বা অন্য কোনো কারনে। বসুনিয়ার সাথে যারা রাজনীতি করেছিলো তাদের সবাই ক্ষমতায় বা ক্ষমতায় ছিলো বা সুফল ভোগ করেছে বা করছে। কিন্তু বসুনিয়ারা যে আন্দোলনে নেমেছিলো তা কি আসলেই সফল হয়েছে ? সেই স্বৈরাচার কিন্তু আজ ক্ষমতার ভাগীদার !! সব কিছু মিলে নিজের কাছেই নিজেকে ছোট লাগে। দেশটা বিচিহীন সুশীল, পশুরুপী কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী আর সুবিধাভোগী মানুষে ভরে যাচ্ছে, যেদিকে তাকাই সেদিকেই তাদের হাসিমাখা চেহারা চোখে পরে। মাঝ খান থেকে স্বপ্ন হাড়িয়ে যায়।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: সৈরাচারের কথা কইলেন ভাইজান, আমি সেই সৈরাচারের সময়ের প্রডাক্ট। কি ভীষণ সময় ছিল তখন, আজকে কয়টা ছবি তুইলা আনছি ঢাকার রাস্তা থেইকা আজকে কয়টা ছবি তুইলা আনছি, আপনের লাইগা পোস্টাইয়া দিমুনে সৈরাচারের আপডেট আছে

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন:

ভাইজান আপনের লাইগা সৈইরাচারের আপডেট!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: যে দেয়ালে এক দিন লেখা থাকত "সৈরাচার নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক"

৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৯
নন্দিনী007 বলেছেন: আপনার লেখায় বেশ্যা শব্দটির ব্যবহার আশা করিনা। শব্দটি পুরুষতান্ত্রিক এবং নারীকে অসম্মান করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যা জামাতের বংশধরদের সাজে তা আপনি কেন করবেন?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: শব্দটি ব্যাবহার করে আমি মোটেও স্বস্থি বোধ করিনি, কিন্তু আমার এ শব্ধটি ব্যাবহারের উদ্যেশ্য বা লক্ষ্য কোন ভাবেই নারী নন। পুরুষ ও বেশ্যা হয়।

আমার এ লেখায় ভন্ডামীর বেসাতি করা আমাদের মত আমাকে উদ্দেশ্য করে আমি ঐ অশোভন শব্দটি লিখেছিলাম। এর বেশী কিছু বলতে পারবো না। শব্দটি ব্যাবহার করে আমি আমাকে অস্বস্তি তে ফেলেছি। এটা আমার শাস্তি।

৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
কৌশিক বলেছেন: এভাবে আমাদের নেংটা করে দিলেন? লজ্জা ঢাকার জায়গা নাই!

অফটপিক - নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর একটা আইডিয়া পাইছি....আপনার সাথে কাজটা করতে চাই..
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: সময় কইরা কল দিয়েন ভাইজান।

৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "কাল বলাকার গলায় ফাসটা দেখে সহ্য করতে পারছিলাম না, দম আটকে আসছিল। ইচ্ছে হচ্ছিল যে করেই পারি দড়িটা খুলে ফেলি।"

নিষ্প্রান বলাকা মুর্তির গলার ফাঁস দেখে যদি আপনার দম বন্ধ হয়ে আসে তাহলে জীবন্ত মানুষকে খুধার তাড়নায় ডাস্টবিনের খাবার খেতে দেখে বা সীমান্তে জীবন্ত মানুষ বিনা অপরাধে গুলি করে মারার সংবাদ শুনে বা সরকারী সংস্থার হাতে বিনা বিচারে জীবন্ত মানুষ হত্যার সংবাদ দেখে বা প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানীর রাজপথে জীবন্ত মানুষ পিটিয়ে হত্যা করতে দেখার পরও বেঁচে আছেন কিভাবে?
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: বেঁচে আছি সে আল্লাহ্ পাকের অশেষ করুণা মুরশিদ।

এই ব্লগে আলোচনা শুধু "নিষ্প্রান বলাকা মুর্তি" নিয়ে হচ্ছে অন্য প্রসঙ্গর জন্য আমার অন্য ব্লগে আপনার নিমন্ত্রন ভাইজান।

৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৩
মনির হাসান বলেছেন: হেলাল ভাই ... ভীষন লজ্জায় ফেলে দিলেন ।


আমরা মনে হয় এসব ডিজার্ভই করি, প্রচন্ড হতাশা থেকে বললাম।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাইরে ঐ দিন পারলে আমি ঠিকই উইঠা গিয়া দড়িটা খুইলা ফেলাইতাম, কোন প্রকারেই উচায় উঠনের কোন কায়দা খুইজা পাই নাই তাই নির্বোধের মত চাইয়া চাইয়া দেখছি, কিন্তু এই বাংলাদেশে কেউ কি কেথিাও নাই! এক দল মাথা খারাপ লোক রাইতের আন্ধারে একটা আকাম করছিল জানি কিন্তু বাকী দেশের লোক আমগ মাথাত ঠিক আছে আমরা কেম্নে দিনের আলোতে এই িজনিস প্রতি দিন দেখে ও দেখি না, আজিব!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ