ছাগুর ছাত্র সংগটন ইসলামী ছাত্রশিবির এর কিছু নিয়ম কানুন দেখলে বুজা যায় না এদের আসল চরিত্র। তয় আমি এদের একজনকে দেখেছি আসল সুন্দর রুপে, যে রুপ দেখে ভূলতে পারি নি তারে, তয় ছাগুর কথা কইলেই মোর তার কথা মনে পড়ে...
তিনার নাম "আ জ ম ওবাইদুল্লাহ", এককালের নাকি দেশ কাপাঁনো ছাত্র নেতা!!
ওনার আরও কিছু গুন আছে, যেনে রাখা ভাল, উনি খুব ভাল গান রচনা, গবিতা ও সাহিত্য চর্চা করেন, এতে ওনার সুনাম ছাগুদের মুখে মুখে!!
ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিদের লিষ্টে উনার নামটা বেশ সম্মানজনক অবস্তায় আছে, উনি নাকি একজন সফল এবং দৃঢ আদর্শের নেতা ছিলেন শিবিরের। পরবর্তিতে এই লোক জামাতের প্রতিষ্টিত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিয্ট্রার ছিলেন। বেশ কিছুদিন ঐ পোষ্টে থেকে উনি আদর্শিক ভাবে অনেক সম্পদের মালিক হইয়া গেলেন। ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে উনার অনেক প্রভাব ছিল যার পরিনতিতে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির করলেই আর ঐখান থেকে পাশ করলেই চাকরি নিশ্চিত!! সবই উনার অবদান, উনি মেধার খুব মুল্যয়ন করতেন আর শিবির করাটা এমন এক মেধা সেকেন্ড ক্লাস পাইলে ও অনেক প্রথম ক্লাস পাওয়া ছাত্রদের টপকিয়ে শিক্ষক হওয়া যায় ... সবি সৎ, সফল নেতা ওবায়েদ সাহবের জন্য। ওনারা আবার বলেন এটা ইসলামিক সিষ্টেম ... ইসলামটাকে ওনারা ওনাদের বাপের তৈরি ধর্ম মনে করেন!!
যা হোক, অনেক সম্পদের মালিক হওটা বেশ সমালোচনা হওয়ার কিছু প্রমান ফাঁস হওয়ায় ছাগুরা পড়লেন বিপদে, ওনার চাকরি সমায়ীক স্হগিত করে বললেন "তদন্ত চলতেছে"। অবস্হার একটু পরিবর্তন বুজে, ঝুপ বুজে খুপ মারার মতন, তিনাকে উনারা আবার ও স-সম্মানে ফিরাইয়া আনিলেন তবে আগের পোস্টে নয়, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স ডিভিশনের চ্যায়ারমেন করে!! এইটা একটু ডিমোশন টাইপসের পোস্ট হলেও উনাদের তো আবার লজ্বা সরম কিছু নাই...একটা পদবি হইলেই হয়...ইসলাম এর দোহাই দিয়ে সব সমান করা যায়। এইবার উনি দ্বিগুন উদ্দমে কাজ শুরু করলেন। ছাত্রদের উপর এমন কিছু নিয়ম চালু করলেন, মনে হচ্ছিল উনি সবাইকে শিবির করাই চাড়বেন!! মেয়েদের আবার ক্যাম্পাসে পর্দা করতে হবে।
একটা উদাহরন দেই, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স ডিভিশনের একটা কাজ হল বৃত্তি প্রদান করা রেজাল্টের উপরে। আর এর জন্য ওবায়েদ সাহেব সবার একটা ইন্টারভিউ নেন যাতে অভিভাবক নিয়ে যেতে হ্য়। একবার আমার এক বন্ধু কোন অভিভাবক ছাড়া একাই গেলেন একটা পাতলা শর্ট জামা পরিধান করে। সে আমদের মধ্যে খুবই সুন্দরী বটে, সচরাচর সে একটু বেশি অধুনা স্মার্ট ড্রেস পরিধান করে
বার হয়ে তার কিছু মন্তব্য ছিল এরকম, "প্রথম ৫ মিনিট আমাকে দাড় করিয়ে রেখে পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্ক্যন করল, স্ক্যন করার পর তার লু চেহারা দেখে একটু ভুই পাইছিলাম।" এর পর আর কি হল বেশি কিছু বলল না তাবে এটাই শেষ কথা বলল "তার কাছ থেকে বেশি সুবিধা পাওয়ার উপায় আমার জানা হয়ে গেছে"
পরে জানলাম সে পেল সেমিষ্টার ফির ৬৫% বৃত্তি আর তার রেজাল্ট হল ৩.২৬। নিয়ম ছিল এরকম, ৩.৫০ এর বেশি পাইলেই কেবল ৫০% এর বেশি দেওয়া হবে তবে চারিত্রিক কোন ব্ল্যাক রিপোর্ট থকলে তাও পাবে না। আমার বন্ধু খুবই ভাগ্যবান, কেউ জানত না তার এই গুনাবলীই ওবয়েদ সাহেব চাইছিলেন!!
এই হল ছগুদের চরিত্র, আমার অনুরোধ যাই করেন ইহলামকে এইখানে ব্যাবহার করবেন না, ইসলাম নাম নিয়ে এসব করবেন না, ইসলাম আপনাদের বাবার কিংবা গোলাম আজম, নিজামির ধর্ম নয়। ইসলাম কে নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

