অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
আমি একটা ভবঘুরে । ভবঘুরে এই ইমেজ টা আপনার ভালো না ও লাগতে পারে । কিন্তু ভেবে দেখবেন আমরা আসলে...
আর এস এস ফিড

আমার বিভাগ

আমার প্রিয় পোস্ট

আমি রুষে উঠে যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া | ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া।

ঈভ টিজিং ও একটি অফ-ট্র্যাক ভাবনা।

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৪ |

শেয়ারঃ
6 0



নারী নির্যাতনের কথা শুনলেই আমরা অনেকটা মধ্যযুগীয় কায়দায় একতরফাভাবে পুরুষ ব্যাক্তিটিকে দায়ী করে থাকি। সেটা যে কোন ধরণের নারী নির্যাতনের কথায়ই হোক না কেন। ঘরে বা পরিবারে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলাই হোক আর রাস্তাঘাটে বখাটে ছেলে কর্তৃক ঈভ টিজিং-এর ঘটনাই হোক—এজাতীয় যে কোন ঘটনা ঘটলেই আমরা মোটামুটিভাবে মনে মনে হলেও ঐ দায়ী পুরুষ ব্যাক্তিটির Fourteen Generations উদ্ধার করে থাকি। আমি প্রকৃপক্ষে কোন অবস্থাতেই কোন অপরাধীর পক্ষে সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছিনা বরং এ জাতীয় ঘটনায় পুরুষ ব্যাক্তিটি যদি দায়ী হয়ে থাকে তাহলে তা’ জঘন্য অপরাধ এবং তার উপযুক্ত দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া আবশ্যক; যেন এ ধরণের অপকর্ম ঘটানোর আগে এর শাস্তির কথা ভেবে আর কোন ব্যাক্তির আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হবার যোগাড় হয়। আমি শুধুমাত্র যে দিকটির উপর সচেতন পাঠকের দৃষ্টি নিবদ্ধ করাতে চাচ্ছি, এই লেখাটির শেষাংশ পর্যন্ত গেলেই তার স্বরুপ বের হয়ে আসবে বলেই আমার বিশ্বাস।

সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের এই মুসলিম দেশটিতে ঈভ টিজিং এর হার এত ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যে এটাকে সেই ইসলাম পূর্ববর্তী আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের যুগের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। কিছুদিন আগে দেশের একটি অঞ্চলে এই ঈভ টিজিং-এর বিরুদ্ধে আমাদের সম্মানিত মা-বোনদের আন্দোলন পর্যন্ত করতে হয়েছে—জাতি হিসেবে এর থেকে লজ্জার আর ঘৃনার কিছু আছে বলে আমি মনে করিনা। যাইহোক, তবে সকল ঘটনার জন্য কি কেবল পুরুষই দায়ী? এর জন্য নারীর কি কোন দায়বদ্ধতা নেই? যে অপমানের যন্ত্রনা সইতে না পেরে নারী আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে সেই অপমানের জন্য সে নিজেও কি কখনো দায়ী হতে পারে? মুদ্রার উল্টোপিঠের এই দিকটি নিয়ে ভাববার সুযোগই হয়তো আমাদের নেই। নারীরা আমাদের কাছে যেন দুধে ধোয়া তুলসী পাতা। আর মিডিয়া তো আছেই। তাই, কিছু ঘটলেই বিনা বিচারে আমরা পুরুষ ব্যাক্তিটিকে দায়ী করে থাকি আর তার শাস্তির দাবীতে মিছিল মিটিং করতে ব্যাতিব্যাস্ত হয়ে পড়ি; কখনো কখনো হয়তো প্রকৃত ঘটনায়ই আমরা জানিনা।

নারী সৌন্দর্য্যময়ী। একটা বিশেষ সময়ে নর-নারী বয়োঃপ্রাপ্ত হয় আর তাদের মধ্যে জন্ম নেয় দূর্নিবার আকর্ষন। নারীর সৌন্দর্য্যে গুনমুগ্ধ হয় প্রেম -পিয়াসী পুরুষ। আর বহুগামীতার বার্তাবাহী নারী নিরবে নির্জনে মিলিত হতে চায় প্রেমাভিসারে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। পৃথিবীতে মানুষ পাঠানোর ব্যাবস্থা হিসেবে আল্লাহ তায়ালা নারী-পুরুষের মিলনকে করেছেন আবশ্যক। আর তাই, তাদের মধ্যকার এই সুতীব্র আকর্ষন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তবমুখী। কিন্তু এর জন্য চাই সমাজসম্মত সুস্থ সুন্দর বিধান। নারীর দৈহিক সৌন্দর্য্যের প্রতি পুরুষের আকর্ষন তীব্র ভাবাবেগ সম্পন্ন। এই সময়ে নারী-পুরুষের মনে একে অপরে সান্নিধ্য পাওয়ার বাসনায় নানা ধরনের কু-চিন্তা প্রকট হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য যে আমাদের সমাজের নারীরা তাদের যথাযথ সম্মানের কথা ভুলে গিয়ে পুরুষের সেই নিষিদ্ধ বাসনাকে প্রলুদ্ধ করতে যেন উঠে পড়ে লেগেছে।

অতি সাম্প্রতিককালে নারীদের পোষাক এত আটোসাঁটো যে সেই পোষাকের মধ্য দিয়ে তাদের দেহের প্রতিটা ভাজ একেবারে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পুরুষদেরকে প্রলুদ্ধ করতে এই নারীরা যেন সৌন্দর্য্যের পসরা সাজিয়ে রুপের হাটে বিকিকিনি করতে ব্যাস্ত। এমতাবস্থায় ঈভ-টিজিং বা তার থেকে জঘন্যতর কোন অপরাধের ঘটনা ঘটলে তার জন্য কি কেবল পুরুষই দায়ী? পুরুষের সামনে এমন শরমহীনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য কি নারী বিন্দুমাত্রও দায়ী নয়? আমি আবারও বলছি, নিরীহ নারীর প্রতি নির্যাতনের জন্য পুরুষ এককভাবেই দায়ী। কিন্তু বর্তমান সমাজ বাস্তবতার প্রেক্ষিতে নারীকে আর নিরীহ বলা যাচ্ছেনা; বরং তারা পুরুষের একটি বিশেষ অনুভুতির Incentive রুপেই নিজেদেরকে তুলে ধরতে পারাটাকে স্বার্থকতা বলে মনে করে। অথচ মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন-- “হে নবী, আপনি আপনার পত্মীগনকে ও কন্যাগনকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগনকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে, ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবেনা, আল্লাহ পরম দয়ালু (সুরা আল আযাহাব-৫৯)।” আর পুরুষদেরকে সম্পর্কেও আল্লাহ তায়ালা বলেন-- “মুমিনদেরকে বলুন, তার যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে, এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবগত আছেন (সুরা আন নূর-৩০)।”

পাশাপাশি আছে আধুনিকতার নামে বয়স্ক নর-নারীর অবাধে মেলা মেশার সীমাহীন সুযোগ। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান গুলো যেন আর শিক্ষাকেন্দ্র নেই, সেগুলো এখন বয়স্ক নর-নারীর অবাধ মেলা মেশার মিলনকেন্দ্র। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তো এক ধাপ এগিয়ে। আর সেই সাথে আছে আমাদের বিবেকবর্জিত স্থুল চিন্তাধারার মিডিয়া- হোক তা ইলেক্ট্রনিক বা প্রিন্ট মিডিয়া। ফ্যাশন শো’ বা সাজসজ্জার অনুষ্ঠানের নামে এই মিডিয়াই টেনে আনছে বিদেশী অপ-সংস্কৃতি; অথচ দেশের কথা বললেও দেশী সংস্কৃতির বিকাশে এদের কোন মাথাব্যাথা আছে বলে মনে হয়না। এই সকল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে এক সময়ের মুসলিম ঐতিহ্যধারণকারী নারীরা আজ গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাচ্ছে। ফলস্বরুপ, তাদের উপর নেমে আসছে নিম্নতর অপমানের সুতীব্র যন্ত্রনা। আল্লাহর দেয়া বিধান যদি আজ নারী পুরুষ উভয়েই মেনে চলতো তাহলে আজ নিশ্চয়ই আমাদের মা-বোনদের সম্মান রক্ষার জন্য রাস্তায় নামতে হতোনা।

সর্বশেষ একটি বাস্তব উদাহরণ দিয়ে আমি আমার এই লেখাটি শেষ করছি। আমি যখন কলেজে পড়তাম তখন সুমিদের (ছদ্মনাম ব্যাবহার করছি) এলাকায় মেসে (Mess) থাকতাম। আমি কলেজ ছাত্রী সেই সুমির কথায়ই বলছি যে কয়েক বছর আগে বখাটেদের দ্বারা উত্যক্ত হওয়ার কারণে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। দোষী ছেলেগুলোর উপযুক্ত শাস্তিও হয়েছিলো। ছেলেগুলো বখাটে ছিলো তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু নেপথ্যের ঘটনার জন্য সুমি নিজেও কি কম দায়ী ছিলো? অবশ্যই না। শুধুমাত্র প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার জন্য যদি একটি ছেলের গালে চড় মারতে হয় তাহলে তো পৃথিবী থেকে প্রেম নামক জিনিসটা উঠে যেত। আমার কোন নারীকে ভালো লাগলেই যে সেই নারীর আমাকে ভালো লাগবে এমনটি নিশ্চয়ই নয়। কিন্তু আমার ভালোবাসার কথা বলার জন্য কি আমাকে চড় খেতে হবে? ঘটনার প্রথম দিকটা কিন্তু এরকমই ছিলো। সুমির দূর্ভাগ্য এই যে সেই ছেলেটি ছিলো বখাটে আর তাই সুমির দেয়া চড়ের প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলো যে কোন মুল্যে। আর ঘটনার ধারাবাহিকতায় মৃত্যু হয় সুমির। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে পরবর্তী সকল ঘটনার জন্য ওই ছেলেগুলোই দায়ী। কিন্তু আগুন চাপা না থাকলেও এরকম হাজারো সত্য চাপা থাকে চিরকাল। কেননা এটা যে নারী-নির্যাতনের মামলা!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারীঅপসংস্কৃতিবাংলাদেশ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


২৭টি মন্তব্য

১. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৫২

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার ভাবনাটাও খারাপ না। মেয়েদের উগ্র পোশাক অনেক সময় ইভটিজিং এর কারণ হয়। মেয়েদের পোশাকে শালীনতা খুবই দরকার।

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৫২

kazibondhu বলেছেন: বিশ্লেষন ভালো, ভালো লিখেছেন

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১২

সোহেল_সিএসই_ঢাবি বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
আমিও মাঝে মাঝে এমন ভাবি।
কি বলব ভাই আজকাল মেয়েদের পোষাক এর যা অবস্হা বলার মত না।

ভাল লাগল আপনার লেখাটা।

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।

৪. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১৬

ডট কম ০০৯ বলেছেন: শালীনতা খুবই দরকার

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: আসুন আমরা পরিবারে শালীনতা আনি প্রথমে।

৫. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১৭

মোঃ আনিছ বলেছেন: বিশ্লেষণধর্মী লেখার জন্য ধন্যবাদ। তাছাড়া আমাদের পরিবার থেকেই শুরু করা উচিৎ ইভটিজিং বন্ধ করা। কারণ যারা ইভটিজিং করে বা শিকার হয় তারা আমাদেরই পরিবারের সদস্য। সচেতনতা ও শালীনতা বোধের মাধ্যমে রুখে দেয়া যায় সমাজ থেকে ইভটিজিং।

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: আমি এই শালীনতাবোধের কথাটাই বলতে চেয়েছিলাম।

৬. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১৮

সাধারন কেউ বলেছেন: আপনার লেখা থেকে বুঝা গেল মেয়েরা শালিনতা বজায় রাখলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। উন্নত দেশের মেয়েদের পোশাক ত আমাদের দেশের তুলনাই যথেষ্ট অশালিন। উন্নত দেশে মেয়েরা ত তাহলে ইভটিজিং এর জন্য বাইরে বের হতে পারতো না। আর আপনি যে সুমির উদাহরণ দিলেন আমি ত তার এখানে কোন দোষ দেখি না। সে প্রতিবাদ করেছে।আপনি কি মনে করেন সুমি চড় না দিলে ছেলেটা ভাল হয়ে যেত। আর আমি মনে করি যারা ইভটিজিং এর সাথে জড়িত তারা খুব নিম্নমানের অসুস্থ মানুষ।তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: মেয়েরা শালিনতা বজায় রাখলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এমন কথা আমি বলতে চাইনি। আমি শুধু বলতে চেয়েছি যে কখনো কখনো মেয়েরাও দায়ী। আর শালীনতা বোধের মাধ্যমে এটা দূর করা সম্ভব।

আর প্রেমের প্রস্তাবে প্রতিবাদ করতে গেলে চড় দিতে হয় তা আজ জানলাম।

আর উন্নত বিশ্বের কথা বলছেন? শুধু একটা কথা বলিঃ ধর্ষনের সংখ্যার বিচারে উন্নত বিশ্ব কিন্তু এখনো এগিয়ে।

৭. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩০

রিফাত হোসেন বলেছেন: সাধারন কেউ বলেছেন: আপনার লেখা থেকে বুঝা গেল মেয়েরা শালিনতা বজায় রাখলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। উন্নত দেশের মেয়েদের পোশাক ত আমাদের দেশের তুলনাই যথেষ্ট অশালিন। উন্নত দেশে মেয়েরা ত তাহলে ইভটিজিং এর জন্য বাইরে বের হতে পারতো না। আর আপনি যে সুমির উদাহরণ দিলেন আমি ত তার এখানে কোন দোষ দেখি না। সে প্রতিবাদ করেছে।আপনি কি মনে করেন সুমি চড় না দিলে ছেলেটা ভাল হয়ে যেত। আর আমি মনে করি যারা ইভটিজিং এর সাথে জড়িত তারা খুব নিম্নমানের অসুস্থ মানুষ।তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

সাধারণ সাহেব কি উন্নত দেশে থাকেন হেহেহ বোকা ব্লগার ।

শুধুমাত্র প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার জন্য যদি একটি ছেলের গালে চড় মারতে হয় তাহলে তো পৃথিবী থেকে প্রেম নামক জিনিসটা উঠে যেত।


উন্নত বিশ্বের মেয়েরা ছেলেদের চর মারে না সহজে । অন্তত প্রেম নিবেদন এর ক্ষেত্রে অবশ্যই নয় । পছন্দ হলে কিস করবে বা হ্যাঁ জবাব দিবে কিংবা না করে দিবে ।


উন্নত দেশের ইভ টিজিং দেখছেন কি সাধারণ সাহেব কাছে আসবেন দেখিয়ে দিব । কিন্তু সেখানে মেয়েরা নিজেদেরকে সুন্দর করে সামলে নেয় ।

৮. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: এইসবই আমাদের আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব ভাই ! star one, zee-bangla... দেখে আমাদের মা বোনদের মাথা বিগড়ে যাইতেছে ! শুধু যে তাদেরই বিগড়াইসে ...তা না ...আমাদেরও কিঞ্চিত বিগড়াইসে ! কি আর করমু কন !!!!:``>>

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: হ ভাই, আকাশ সংস্কৃতি আমাদের আকাশেই নিয়ে যাচ্ছে। আকাশে বোধহয় শালীনতাবোধ নাই।

৯. ১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৪১

রিক্তের বেদন২০১০ বলেছেন: আমাদের উচিত এই টাইপ পোলাপান রাস্তায় দেখলে সাহস করে কয়েকজন মিল্লা ধইরা থাপড়ায় কাপড় খুইলা দেওয়া ! আসুন আমরা এই মাত্রার সাহস অর্জন করি !!! X((

১১ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: পাশাপাশি এই টাইপ মেয়ে দেখলেও তাদের সুবুদ্ধির উদয়কল্পে বোঝানো দরকার।

১০. ১১ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:১২

সাধারন কেউ বলেছেন: রিফাত হোসেন বলেছেন: সাধারন কেউ বলেছেন: আপনার লেখা থেকে বুঝা গেল মেয়েরা শালিনতা বজায় রাখলেই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। উন্নত দেশের মেয়েদের পোশাক ত আমাদের দেশের তুলনাই যথেষ্ট অশালিন। উন্নত দেশে মেয়েরা ত তাহলে ইভটিজিং এর জন্য বাইরে বের হতে পারতো না। আর আপনি যে সুমির উদাহরণ দিলেন আমি ত তার এখানে কোন দোষ দেখি না। সে প্রতিবাদ করেছে।আপনি কি মনে করেন সুমি চড় না দিলে ছেলেটা ভাল হয়ে যেত। আর আমি মনে করি যারা ইভটিজিং এর সাথে জড়িত তারা খুব নিম্নমানের অসুস্থ মানুষ।তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

সাধারণ সাহেব কি উন্নত দেশে থাকেন হেহেহ বোকা ব্লগার ।

শুধুমাত্র প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার জন্য যদি একটি ছেলের গালে চড় মারতে হয় তাহলে তো পৃথিবী থেকে প্রেম নামক জিনিসটা উঠে যেত।


উন্নত বিশ্বের মেয়েরা ছেলেদের চর মারে না সহজে । অন্তত প্রেম নিবেদন এর ক্ষেত্রে অবশ্যই নয় । পছন্দ হলে কিস করবে বা হ্যাঁ জবাব দিবে কিংবা না করে দিবে ।

উন্নত দেশের ইভ টিজিং দেখছেন কি সাধারণ সাহেব কাছে আসবেন দেখিয়ে দিব । কিন্তু সেখানে মেয়েরা নিজেদেরকে সুন্দর করে সামলে নেয় ।


জনাব রিফাত আপনার কথা শুনে মনে হল আপনি উন্নত দেশের মেয়েদের ব্যাপারে বড়ই অভিজ্ঞ :P । আর বখাটেদের চড় দিলে মনে হয় আপনার দিলে বড়ই ব্যাথা লাগে ।

১১. ১১ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

তাজা কলম বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না।
বাংলাদেশে ঢাকার তুলনায় মফস্বলেই ইভটিজিং-এর ঘটনা বেশী। মফস্বলের মেয়েরা ঢাকার চেয়ে পোষাকে অনেক রক্ষণশীল। পাকিস্তানের কথাই ধরুন। ওখানকার ইভটিজিং-এর মাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশী। ওখানকার বোরখাওয়ালীরাও বখাটে যুবকদের হাতে বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশী লাঞ্চিত।

অন্যদিকে পাশ্চাত্যে খোলামেলা পোষাক পড়ে বেড়ালেও মেয়েরা ইভ টিজিং-এর মুখে পড়তে হয় না।

ইভ টিজিং-এর মূল কারণ অনুসন্ধান করতে হবে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে যুবকদের দৃষ্টি ভংগি। যে দৃষ্টি ভংগীর কারণে নারীদের সব সময়ই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে চিন্তা করা হয়। নারীদেরকে মানুষ হিসেবে যতদিন পুরুষরা দেখতে শিখবে না ততদিন এই ইভ টিজিং চলবেই।

নারীরা ইভটিজিং-এর কারণে নির্যাতিতা, আর আপনি তাদেরকেই দায়ী করতে চাচ্ছেন । হায়রে মানসিকতা।

১২ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আমাদের সমাজে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে- " পিপিলীকার পাখা গজায় মরিবার তরে"। এখানে পিপিলীকার মৃত্যুর জন্য কিন্তু পিপিলীকার পাখা গজানোকেই দায়ী করা হচ্ছে। তখন কিন্তু বলা হচ্ছেনা যে, পিপিলীকাই তো শিকার, তার মৃত্যুর জন্য তাকে কেন দায়ী করা হবে?

নারীরা ঈভ টিজিং এর শিকার আর এ জন্য ঐ পুরুষগুলোই দায়ী এ নিয়ে আমার কোন দ্বিমত নেই। আমি শুধু বলতে চেয়েছি নারীদের শালীনতার অভাবের কথা। পোস্টটি আরেকবার মনোযোগ দিয়ে পড়ুন আর মুল কথাটি বুঝতে চেষ্টা করুন।

১২. ১১ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪২

সাধারন কেউ বলেছেন: তাজা কলম বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না।
বাংলাদেশে ঢাকার তুলনায় মফস্বলেই ইভটিজিং-এর ঘটনা বেশী। মফস্বলের মেয়েরা ঢাকার চেয়ে পোষাকে অনেক রক্ষণশীল। পাকিস্তানের কথাই ধরুন। ওখানকার ইভটিজিং-এর মাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশী। ওখানকার বোরখাওয়ালীরাও বখাটে যুবকদের হাতে বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশী লাঞ্চিত।

অন্যদিকে পাশ্চাত্যে খোলামেলা পোষাক পড়ে বেড়ালেও মেয়েরা ইভ টিজিং-এর মুখে পড়তে হয় না।

ইভ টিজিং-এর মূল কারণ অনুসন্ধান করতে হবে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে যুবকদের দৃষ্টি ভংগি। যে দৃষ্টি ভংগীর কারণে নারীদের সব সময়ই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে চিন্তা করা হয়। নারীদেরকে মানুষ হিসেবে যতদিন পুরুষরা দেখতে শিখবে না ততদিন এই ইভ টিজিং চলবেই।

নারীরা ইভটিজিং-এর কারণে নির্যাতিতা, আর আপনি তাদেরকেই দায়ী করতে চাচ্ছেন । হায়রে মানসিকতা।

তাজা কলম আমি আপনার মন্তব্যের সাথে একমত

১৩. ১১ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮

নীরজন বলেছেন: ভাইরে........আপনি এত কিছু বলছেন.........এত কিছু বোঝেন যে আপনাকে নতুন করে আর কিছু বোঝাইতে ইচ্ছা করছে না.......

আমি দেখতে অনেক খারাপ, সব সময় সালোয়ার কামিজ পরি আর শালীনভাবে চলার চেষ্টা করি...........তারপরেও তো ভাই টিজিং থেকে বাঁচতে পারলাম না.......অশালীন মন্তব্য এর কথা তো বাদই দিলাম.......সুযোগ পেলেই শরীরে হাত দেয়.....

এই ক্ষেত্রে আপনার মূল্যবান বক্তব্য দিয়ে যদি আমাকে ধন্য করতেন তো কৃতার্থ হইতাম.........

১২ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: দেখুন আপি, আমি কখনোই বলছিনা যে শুধুমাত্র অশালীন পোষাকের কারণে মেয়েরা ঈভ টিজিং এর শিকার। আমি শুধু বলতে চেয়েছি কখনো কখনো মেয়েদের এই অশালীন পোষাকই পুরুষদেরকে প্রলুদ্ধ করে।

আর বখাটেদের বখাটেপনা অবশ্যই দায়ী। শালীন মেয়েরাও এদের থেকে নিস্তার পায় না। এদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির কথাও আমি কিন্তু পোষ্টে বলেছি।

১৪. ১৮ ই মে, ২০১০ রাত ১:৫৮

রিয়াজ় ইমরান বলেছেন: আসলে ভাই আমি এইটা বুঝতেছিনা যারা ব্লগটার বিপক্খে তর্ক করতেছেন তারা পুরা ব্লগটা ভালোমতো পড়ছেন কিনা । কারণ আপনারা আসলে যে প্রসঙ্গ তুলে ব্লগটার বিপক্খে যাচ্ছেন সেটা লেখক ব্লগেই নিস্পত্তি করেছেন ।
আপনারা বলতেছেন যে ইভটিজিং এর কারণ হিসেবে লেখক শুধু মেয়েদের শালীনতার অভাবকেই দায়ী করেছেন । আমি তাদেরকে বলবো আপনারা ভ্রু না কুঁচকে একটু পজিটিভ দ্রিষ্টিভঙ্গি দিয়ে পুরা ব্লগটা আবার পড়ুন ।

৩০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ২৭ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮

অসূর্যস্পর্শী বলেছেন: main thing is both boys and girls have to control their temptation... in qur'an allah first ordered the male to lower their gaze, and then HE ordered the same for women...(surah noor v:30-31)

but in todays society that feel of shame is lost from both hand...

about shumi in da article, if the boy can cum upto her to say 'i love u' definitely she also has the right to slap him on his face.. bt here da big ques is whos gonna decide abt their rights!! for the writer shumi was wrong, bt in my opinion i think she was right..

neway

so better if we follow qur'an completely,, in islam,, even its not acceptable that a non-married boy/ girl would talk abt love stuffs before marriage..

apart from da 'shumi' part... i really love the aritcle.. hopefully all of us would be able to stay away from these shameless behaviours.. (aamin)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: so better if we follow qur'an completely,, in islam,, even its not acceptable that a non-married boy/ girl would talk abt love stuffs before marriage..


এই অংশটুকু লিখে আপনি সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেন। আপনাকে অভিনন্দন । আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিদায়াত দান করুন।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন