একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়েয় শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে নিয়মিত ভাবে । ৫টি নির্বাচিত উচচ বিদ্যালয়ের পাস রেট বাড়ানো সহ সামগ্রিক শিক্ষার মান উন্নয়ন । এই বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য যত ধরনের সাহায্য সব করে যাচ্ছে ।
শিক্ষা উপকরন থেকে শুরু করে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, লাইব্রেরী স্থাপন,অন্যান্য কো কারিকুলাম ইস্যুসমূহ ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশের জন্য সাহায্য করে আসছে ।
পঞ্চম শ্রেনীর পিএসসি এবং অষ্টম শ্রেনীর জেএসসি পরিক্ষার্থীরা যাতে ভাল রেজাল্ট করে তার জন্য বিশেষ কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয় । বরাবরের মত এবারও কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয় । স্কুলের শিক্ষকদের দ্বারাই প্রতি বিষয়ের জন্য মাসে ৩০০০/= টাকা করে পেমেন্ট দিয়ে সপ্তাহে ৫ দিন ২ ঘন্টা করে কোচিং ক্লাশ করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে ।
টাকা পেমেন্ট করার সময় যে শিক্ষক পড়ান তাকেই বেসরকারী অফিসে গিয়ে পেমেন্ট গ্রহন করার কথা ।গতবছরের শিক্ষা থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । কারন গত বছর প্রধান শিক্ষকের হাতে অন্য সব শিক্ষকদের পেমেন্ট দেয়াতে অভিযোগ ছিল--প্রধান শিক্ষক নিজে টাকা নিয়ে কোন কোন শিক্ষককে তার পাওনা দেয়নি বা কম দিয়েছে ।
কিন্তু এ কি অবস্থা !!!!!!!!!!!!!! এবার সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রধান শিক্ষকের হাতে টাকা না দেয়াতে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক টাকা না নিয়ে ইচ্ছামত বেসরকারী সংস্থার কর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পেমেন্ট এর মাস্টার রোল ছিড়ে রাগে বের হয়ে যান । তাকেই টাকা দিতে হবে অন্য কোন শিক্ষক টাকা নিতে পারবেনা ।
প্রশ্ন মাত্র তিনটি ???????????------------------
১। এ কেমন আদর্শ??????????
২। শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর কিন্তু এ কেমন কারিগড়?????????????
৩। কিছু শিক্ষকদের যদি এই মানসিকতা যদি হয় তাহলে ছাত্রছাত্রীদের কি শিক্ষা হবে?????????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

