আমার প্রিয় পোস্ট
- বগালেক কি সত্যি আগ্নেয়গীরি? জানতে চাইলে দেখে আসুন নিজের চোখে? - সৌম্য
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- Elmina Castle...Where thousands of African slaves died. - প্রীটি সোনিয়া
- ছোটগল্পঃ হেমিংওয়ের বরশি - মোস্তাফিজ রিপন
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের অসাধারন কিছু ছবি - সু-শান্ত
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
দিন গেল তোমার পথ চাহিয়া.......(প্রবাসী প্রিয় মানুষটিকে উৎসর্গ)
২৯ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
২০০৬ সাল। বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে "কিংকং" চলছে। আমি , ভাইয়া আর ভাবী গেলাম দেখতে। কিংকং এর অকাল মৃত্যুতে আমি আর ভাবী গভীর শোকে আচ্ছন্ন। তারপর খেয়েদেয়ে ঘুরেফিরে বের হলাম ৯টা/১০টার দিকে। বের হয়ে কোন ক্যাব, সিএনজি স্কুটার কিছুই পাইনা....ভাবী বাসেও চড়বেনা। অতঃপর ভাইয়ার নেতৃত্বে হাটা ধরলাম। বসুন্ধরা সিটি থেকে আসাদগেট পর্যন্ত হাটা। এই রাতের কথা আমি কখনো ভুলবোনা। সারাপথ ভাইয়া একটার পর একটা কৌতুক বলছিলো আর আমি আর ভাবী হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম। পথের মাঝে আমার আবার আইসক্রীম খাওয়ার শখ হলো...তিনজন মিলে আইসক্রীম খেতে খেতে হাটছিলাম.....এক পর্যায়ে প্রিন্স প্লাজার সামনের রোড আইল্যান্ডে তিনজন বসে পড়লাম.....বসেই ভাইয়া গলা ছেড়ে গান ধরলো..."ওরে নীল দরিয়া আমায় দেরে দে ছাড়িয়া...."
আমার ভাইয়া এমন একজন মানুষ যে আশেপাশে থাকলে মনে হয় যেন কোন দুশ্চিন্তা নাই, দুঃখ নাই....হতাশা নাই।
ইউনিভার্সিটিতে ফার্স্ট ইয়ারে আমাদেরকে পিকনিকে নিয়ে গেল। সেখান থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত। মাঝে মহাখালীর দিকে জ্যামে আটকা পড়ে আমাদের অবস্থা বারোটা। ছেলেদেরকে স্যাররা বললো শাহবাগ নেমে যেতে। আর মেয়েদেরকে ডিপার্টমেন্ট নিয়ে যাবে.....সেখান থেকে যার যার ভাই বা বাবা এসে নিয়ে যাবে। ভাইয়া আমাকে ফোন করে বলল সে শাহবাগে দাঁড়িয়ে থাকবে, স্যারকেও বললাম আমার ভাই শাহবাগ দাঁড়িয়ে আছে, আমাকে নামিয়ে দিলে চলবে। স্যার আমাকে একা নামায় দিতে রাজি হলেননা কিন্তু পরে এক ছেলে ক্লাসমেটের সাথে যেতে দিতে রাজি হলেন। আমার সেই অসীম পরোপকারী ক্লাসমেট নেমেই নিজের গন্তব্যে চলল। আমি রাত প্রায় ১১ টার দিকে একা একা শাহবাগের রাস্তা ক্রস করলাম....সামনে হেটে যাচ্ছি....ভাইয়া নেই...মোবাইল বের করতেও ভয় পাচ্ছিলাম...ভয়ে দুশ্চিন্তায় আমার চোখে পানি জমে যাচ্ছিলো......পাঁচ ছয় মিনিট পর একটু দূরে পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে তাকিয়ে দেখলাম ভাইয়া এগিয়ে আসছে। আমি বাচ্চা মেয়ের মত ভাইয়ার দিকে দৌড়ে গেলাম, দৌড়াতে গিয়ে পাও মচকে ফেললাম......ভাইয়া বাসায় পৌঁছে মাকে বলল, "মা তোমার মেয়ের যা সাহস! আমাকে দেখে উষ্টা খাইতে খাইতে শেষ!"
রোজার ঈদ বা কুরবানীর ঈদের আগের দিন রাত ১২ টা বা ১ টার দিকে একগাদা গোলাপ, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস নিয়ে আসাটা ছিলো ভাইয়ার রুটিন কাজ। গত দুবছর এই দৃশ্যটা দেখা যায়নি। আমাদের বাসায় এখন আর ছুটির দিনে কেউই বেলা ১টা ২টা পর্যন্ত ঘুমায়না। বাবাও অনেকদিন কাউকে ঝাড়ি দেননা। কেউ আমার কোলে মাথা রেখে বলেনা....."মনারে মাথাটা চুলকায় দে। পিঠটা চুলকায় দে।" কিংবা কেউ আমার মাথায় চাটি মেরে বলেনা, "তোর মাথাত দেখি ঠক্ ঠক্ শব্দ হয়, মাথাত কিছু নাই।"
ভাইয়ার সাথে আমার অনেক মজার মজার স্মৃতি আছে। ভাইয়া অনেক অনেক লেখাপড়া করার জন্য আমেরিকা পাড়ি দিয়েছে দুই বছর হয়ে গেল। সারাদিন সারারাত সে ব্যাস্ত। সে আর আসবেনা......আমেরিকা থেকে চলে যাবে অস্ট্রেলিয়া। তারপর হয়ত কোন এক সময় দেশে আসবে বেড়াতে। এসে হুলুস্থুল করে আবার চলে যাবে। অনেক অনেক গিফ্ট নিয়ে আসবে কিন্তু কোলে মাথা রেখে বলবেনা..."মাথা চুলকায় দে"।
আমি এই ক্ষুদ্র জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি। হারিয়ে যাওয়া যে জিনিসটাকে আমি সবসময় আকুল হয়ে খুঁজি সেটা হলো ভাইয়ার আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করা। আমি রেগে গেলে সে আরও রাগাতো। যখন কেঁদে দিতাম তখন আদর করত। হয়ত কিছু বছর পর আমিও ব্যাস্ত হয়ে পড়বো......ভাইয়া দেশে আসলে আনন্দ করব, ঘুরে বেড়াব। কিন্তু আগের মত কি আর সব ফিরে আসবে?......আসবেনা।
এ দেশের জন্য তার অনেক মমতা অনেক টান। ১৬ই ডিসেম্বর, ২১ শে ফেব্রুয়ারী, ২৬শে মার্চে তাদের ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশিরা মিলে যখন অনুষ্ঠান করে তখন কন্ঠ যা তা হলেও সে প্রান দিয়ে গান গায়, পহেলা বৈশাখের দিন ভাবীকে বলে পান্তা ইলিশ করতে। কিন্তু ইলিশ না পেয়ে বেচারারা পান্তা-স্যামন খেয়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটালো। কিন্তু সে-ই বলে যে এ দেশে তার প্রতিভার মূল্যায়ন হবেনা....একটা ভালো, উন্নত, সুখী জীবনের জন্য তাকে সেখানে সেট্ল হতেই হবে।
আমার ভাইয়া বা ভাইয়ার মত যারা আছেন তারা কি বুঝেন যে শিকড় উপড়ে ফেলতে চাইলে দেশমাতার কেমন কষ্ট হয়!
ভাইয়া আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ....কখনো কখনো আমার বাবা মায়ের চাইতেও প্রিয়। তাকে রাগ করে অনেক কথা বলতে ইচ্ছা করে কিন্তু এত বেশি ভালোবাসি যে বলতে গেলে আর পারিনা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
রুপার পালকি বলেছেন:
ভাইয়ার প্রতি ভালোবাসার আবেগ হৃদয় ছুয়েছে। খু-উ-ব ভাল লেগেছে।ভাইয়া কি পড়বে এটা ? ভাইয়ার জন্যও শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: হয়ত পড়বেনা.........
আপনাকে ধন্যবাদ
ইউনুস খান বলেছেন:
মা তোমার মেয়ের যা সাহস! আমাকে দেখে উষ্টা খাইতে খাইতে শেষ!আপনার ভাইয়া আসলেই খুব মজার ছিল।
জানিনা এখন কেমন আছে?
ভাইয়ার জন্যও শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: খুবই মজার মানুষ আমার ভাইয়া। সে ভালো আছে। শুভকামনা জানিয়ে দিব।
আপনাকে ধন্যবাদ
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো লেখাটা...ভাল থাকবেন আপনারা....শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আমি এই ক্ষুদ্র জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি।
মন বিষন্ন কর লেখা। প্রিয় পোস্টের তালিকায় নিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দাদাভাইকে মন খারাপ করে দেওয়ার জন্য আমারো মন খারাপ হইলো.....![]()
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
মনটা আগে থেকেই খারাপ...বুবুকে ( আমার ব্লগে আয় ) গিফ্ট পাঠালাম...এখনো এসেমেস আসলো না...তাহলে কি লজিস্টিক্স আজকে পৌঁছতে পারেনি? আজকে যদি আমার উপহারটা ও না পায় তাহলে আমার খুউব খুউব খারাপ লাগবে।
লেখক বলেছেন: ![]()
বুবু পতা!
লেখক বলেছেন: না বুবু ভালো। উপহার পাবে ইনশাল্লাহ্!......![]()
স্বপ্নদুয়ার বলেছেন:
মন ছুয়েঁ যাওয়া একটা লেখা! খুবই ভাল লাগল! +++ কিন্তু আমেরিকা ছেড়ে কেন অষ্ট্রেলিয়া আসতে চাচ্ছেন উনি? যা হোক, আমি সিডনীতে বসবাস করছি। আপনার ভাইয়া অষ্ট্রেলিয়া আসলে আমাকে একটা মেইল দিতে বলবেন প্লিজ। রিপ্লাই মেইলে আমি আমার মোবাইল নম্বর তাকে দিয়ে দিব।
আপনার ভাইয়ার জন্য শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: সে গেলে মেলবোর্ন অথবা ক্যানবেরাতে যাবে।
আমার ভাবী অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেন। এইজন্যই ভাইয়া সেখানে যাবে।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। ভাইয়া গেলে আপনাকে মেইল করতে বলবো।
রুবেল শাহ বলেছেন:
এই অসহ্য স্মৃতি গুলো আমাকেও প্রচন্ড রকম ভোগায়--পিছু ছাড়েনা কোন ভাবেই----------
কিছু কিছু স্মৃতি এভাবেই দগ্ধ করে----
আমি ও এই ক্ষুদ্র জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছি। আমার ভাইকে আমি হারিয়েছি----------- অনেক দিন আগে। পৃথিবীর সব কিছুই ঠিক আছে অথচ আমার রাতুল নেই, ও থাকলে কি এমন ক্ষতি হত প্রকৃতির ?
মন বিষন্ন করা লেখা, প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: চমৎকার কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ
এই আমি বলেছেন:
আপু,যাদের ভাইয়া আছে তারাই হয়তবা বুঝতে পারবে ভাইয়া কি ?আমারও দুইটা ভাইয়া আছে..যাদেরকে আমি খুব বেশী ভালবাসি.........
ভাইয়া দুইটা একদিনের জন্য কেথাও গেলেও অনেক কষ্ট হয়। তবে আমার ভাইয়ারা আমার সাথেই থাকে।
আপনার লেখাটা অনেক ভাল লাগল প্রিয়তে রেখ দিলাম।
ভাল থাকবেন আপু..............আপনার ভাইয়াও সবসময় ভাল থাকুক............
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন। আপনার ভাইয়াদের জন্যও শুভ কামনা রইলো।
অনেক ধন্যবাদ
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
আপনার ভাইয়াকে বলেন ব্লগে আসার জন্য, সুখ-দুঃখের কথা বলি
লেখক বলেছেন:
.......আচ্ছা বলবো.....
ধন্যবাদ
এই আমি বলেছেন:
আপু আমাকে অবশ্যই তুমি করে বলবেননননননননননননন....................
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। তোমাকে অবশ্যই তুমি করে বলবো......![]()
এই আমি বলেছেন:
i m ur little sister
লেখক বলেছেন: Ok My dear little sister............![]()
শাহানা বলেছেন:
ভালো লাগল আপনার ভাইয়ের প্রতি অনুভূতি দেখে।
লেখক বলেছেন: আপু আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ওকে। আমার মেইল অ্যাড্রেস জানো?........
লাবণ্য লাকি বলেছেন:
লিপিকার বলেছেন: কখনও কি ভেবে দেখেছেন আপনার স্বামী কেন এমন করে?.....সে কি মাদকাসক্ত?
তার কি অন্য কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে?
সে কি মানসীকভাবে অসুস্থ?
সে কি কোন কারণে আপনার উপর ক্ষিপ্ত?
যে লোক তার স্ত্রীকে বলে বাবাকে কুত্তারবাচ্চা বলে গালি দিতে সে কি সুস্থ মানুষ হতে পারে?
আপনি কি আইনি সহায়তা নিতে কোন কারণে ভয় পাচ্ছেন?
..............................
আপনি কোন কলেজ থেকে কোন সালে ইন্টার পাস করেছেন?
আপনি বাসা থেকে নেট ইউজ করেন, ব্লগিং করেন, স্বামীর বিরুদ্ধে লেখেন এটা আপনার স্বামী জানে? জানলে সে আপনাকে কি করতে পারে ভেবে দেখেছেন?
আপনার বেবি কেমন আছে?
আপনার বাচ্চাকে আপনার স্বামীর মত করে বড় করবেননা.....এবং অবশ্যই আপনার মত করেও বড় করবেননা।
আপনার স্বামীর মাঝে বহু ত্রুটি আছে এবং আপনার মাঝেও ত্রুটি আছে।
চেষ্টা করবেন যেন আপনার সন্তান ত্রুটিমুক্ত একজন মানুষ হয়।
আশা করি আমার কথা বুঝতে পেরেছেন.....
আপনার ভবিষ্যত অনেক সুন্দর হবে এই কামনা রইলো।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
আপনার জবাবটি লিখুন
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
লেখক বলেছেন: উত্তর-
১.হ্যাঁ ভেবে দেখেছি। উত্তর পাইনি।
২.না, মাদকাসক্ত হবার মতো বিলাসিতা তার নেই। সে খুবই কৃপণ!
৩.আমারতো মনে হয় একাধিক মেয়ের সঙ্গে তার রিলেশন আছে। মজার ব্যাপার ওর পরিচিত সেই মেয়েগুলো একজনও ফেলনার নয়। আমি যাদের জানি। এখনও ওর বন্ধু বলেই জানি।
৪.ইয়েস! এখনও পর্যন্ত ওর প্রতি আমার যকটুকু করুণা তার কারণ আমার মনে হয় ও মানসিকভাবে অসুস্থ। ও ভীষণ জিনিয়াস অথচ এখন আর তার কোনও নিদর্শনই পাওয়া যায় না। সারাদিন বিশ্রি বিশ্রি কথা।
৫.আমার বাবা মা তাকে সম্মান এবং উপঢৌকন দেয়নি। কিছুই দেয়নি।
৬.মন্তব্য
৭.আইনী সহায়তা নেবার জন্য ওই আমাকে নামকরা একজন ব্যরিস্টারকে পরিচয় করিয়ে দেয়। ও চায় আমি ওকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করি, এতেই নাকি ওর আনন্দ। তখন আর এগুবার সাহস পাই না।
৮.ফরিদপুর সারদা সন্দিরী কলেজ থেকে২০০৭এ
৯.হ্যাঁ জানে, সে নাক গলায় না। শুধু সময় নষ্টকরি বলে মাঝে মাঝে মারে। তার ধারণা সে যা করছে এই পরিস্থিতিতে সবাই তাই করতো। অতএব সে ঠিক পথে আছে।
১০.সে অসুস্থ! পাতলা এবং সবুজ পায়খানা। ঠাণ্ডা লেগেছে। নিউমোনিয়ার টীকা চলছে।
আর কিছু?
বাবা এসছে কাকার গাড়ি নিয়ে আমাকে বাড়িতে নিতে। আমি যেতে পারছি না। ওও চায় আমাকে ঠেলে পাঠাতে। কিন্তু আমার মনে হয় ও না খেয়ে আত্মহত্যা করে মরবে।...ভয়ে বারবার যাবো যাবো বলেও যেতে পারিনি।
নেট ইউজ করি জানে, তবে ইউজ করতে দেয় না। ফোনে কারও সাথে কথা বলতে দেয় না, আবার কোনওদিন ফোন চেকও করে না। তার মেইল আর তার চ্যাটিং নিয়ে সে থাকে।
লেখক বলেছেন: আসলে আপনার জন্য অনেক খারাপ লাগছে। একটা মেয়ে অবশ্যই আরেকটা মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারে। আপনি ২০০৭ সালে ইন্টার পাশ করেছেন তার মানে আপনিত নিজেইতো একটা বাচ্চা মেয়ে.............পুরো জীবনটাই সামনে পড়ে আছে। আপনি লেখাপড়াটা আবার শুরু করুন।
লেখক বলেছেন: ওক্কে........চিডি যায়না। পরে আবার টেরাই করুমনে।
চিডির বিষয়....." আমি ভালো আছি (I am Good.........
)
লেখক বলেছেন: ওয়াও! আইচ্ছা পাডাইতেছি....
চিডির বিষয়......"আপনি ভালো আছেন?(Are you good?...
)



















অসম্ভব সুন্দর একটা লেখা। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
অনেক অনেক ভাল লাগল।