কারো সমালোচনায় যাবার পূর্বে তার সম্বন্ধে ভালভাবে না জেনে; বুঝে সমালোচনায় যাওয়াটা যে অত্যন্ত বোকামী তা হয়তো মুক্তমনার অনেকেরই অজানা। আজকাল হিন্দুরা মুসলামদের সমালোচনায় বিভিন্ন ব্লগ সাইট মাতিয়ে রাখছেন তাতে যুক্ত হয়েছে মুসলামন ঘরে জন্মিত কিছু ধর্মহীন গাধার দল যারা ধর্ম সম্বন্ধে কোন জ্ঞান না রাখলেও অন্য ধর্মের লোকেরা যখন সমালোচনা করেন তখন তারও সমালোচায় মেতে যান। মুক্তমনা নামের ব্লগ সাইটটি আমার বিশ্বাস মতে কোন হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং হিন্দু সম্প্রদায় দ্বারাই পরিচালিত যেখানে মুসলমানদের সমালোচনা করা হয় কঠোর ভাবে আর তাতে সাই যোগান আমাদের মুসলিম সম্প্রদায়ের শংকর প্রজাতির কিছু নাস্তিক লোকেরা। ঐ খানে বিভিন্ন হিন্দু ব্লগার মুসলমান নিক ব্যবহার করে মুসলমানদের বিভিন্ন সমলাচনায় মগ্ন এবং সাধারণ মুসলমাদের পথভ্রষ্ট করার চেষ্টায় সদা সতেষ্ট এবং নিজেরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে গিয়ে রুটি রুজির নেশায় মগ্ন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের মুসলমানদের উপর বিষেদাগারের সুযোগ নিয়ে তারা এই কাজটি করে থাকেন; কেননা বিশ্নে খুব দ্রুত হাইলাইট হওয়া মাধ্যম হচ্ছে মুসলমানদের বিপক্ষে বলা।
ব্লগটিতে ঢুকলেই নজরে পরবে বিভিন্ন প্রকার ইসলাম বিদ্বেষী লেখা। ইসলাম ধর্মের মহানায়ক হযরত মুহাম্মদ সঃ কে নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তি; তাতে স্বআগ্রহে অংশগ্রহণ করেন শংকর জাতের মুসলমানেরা। মুসলমান ঘরে জন্মিত হলেও কোনদিন এই শংকর জাতেরা সম্পূর্ণ কোরাণ পাঠ করেন না; দুই এক লাই পড়েই সমালোচনায় বসে যান তাদের ফুর্তি মাস্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য। আর অন্যান্য ধর্মালম্বীদের কথায় স্বআগ্রহে অংশগ্রহণ করে মেতে পড়েন নিজ ধর্মের সমালোচনায়। আমাদের ধর্মনিয়ে যেহেতু হিন্দু সমাজ একটু বেশীই মাতা-মাতি করে আর সমালোচনা করে তাই তাদের ধর্মের কয়েকটি বিষয়ও সমালোচনায় আসা দরকার। তাই শ্রী কৃষ্ণের সারাংশই তুলে ধরলাম।
কৃষ্ণের জন্ম নিয়ে ঘাটাঘাটি নাইবা করলাম; তার চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ্য নিয়েই দুলাইন দেখা যাক। শিশু শ্রী কৃষ্ণকে পাওয়া যায় গোয়াল ঘরে; তাকে লালন পালন করেন ঘোষ সম্প্রদায়।
কৃষ্ণপূজা হয় দু'হাত উচু করে বা উর্ধে তুলে এক বস্ত্রে অনেক ক্ষেত্রে বস্ত্রহীন। সেটি অবশ্যই মেয়ারা করে থাকেন; (হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ পুজাই মহিলারা করেন এক কাপড়ে)। ঘোষ সম্প্রদায়ের মেয়েদের বিবস্ত্র অবস্থায়ও এই পূজা করতে দেখা যায়।
কেন এই নিয়মাবলীঃ কৃষ্ণ মহাশয় ছোট থেকেই দুষ্ট প্রকৃতির ও নারী দেহের প্রতি বিশেষভাবে আকর্ষিত। আদীযুগে মেয়েরা পুকুরে বা নদীতে গোসল করত বিবস্ত্র অবস্থায় বসন স্বল্পতার কারনে; পোষাকগুলো ঘাটে বা পাড়ে রেখে পানিতে নামতেন। আর ভগবান মহাশয় সেই কাপড় নিয়ে গাছের ডালে বসে থাকতেন। যাতে মেয়েরা বিবস্ত্র অবস্থায় তীরে এলে মেয়েদের শরীর দেখতে পান। মেয়েরা তাদের ইজ্জত বাঁচাতে তার কাছে দুহাতে বুক ঢেকে কাপড় ফেরত চাইলে তখন ভগবানের শর্তছিল দু হাত উচু করে কাপড় চাইতে হবে যাতে বক্ষ দেখতে পান। যেহেতু কৃষ্ণর এইগুলান পচ্ছন্দ ছিল তাই সেই রীতি এখনও। আর মামীকে নিয়ে অধ্যায়টিতে না হয় নাই বা গেলাম।
তা ছাড়া শিব পূজা; কুমারী পূজা সহ বিভিন্ন পূজার পদ্ধতির পেছনেও এ রকম একএকটি যুক্তি আছে যা লিখলে আমরাই খারাপ হব কারণ মুসলমানেরা কাওকে কিছু বললেই আমাদের মুসলামান সমাজই সমালোচনা করেন।
তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ; অন্যের ভাল দেখে ঈর্ষানিন্বত হয়ে তাদের বৃথা সমালোচনা করবেন না; আগে নিজের ত্রুটি গুলো ঠিক করুন।
লিঙ্গে যান কৃষ্ণগ্রন্থ থেকেও পাবেন
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

