somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলমানদের নিয়ে সামালোচনার আগে নিজ ঘর নিয়ে আলোচনা করুন

১১ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কারো সমালোচনায় যাবার পূর্বে তার সম্বন্ধে ভালভাবে না জেনে; বুঝে সমালোচনায় যাওয়াটা যে অত্যন্ত বোকামী তা হয়তো মুক্তমনার অনেকেরই অজানা। আজকাল হিন্দুরা মুসলামদের সমালোচনায় বিভিন্ন ব্লগ সাইট মাতিয়ে রাখছেন তাতে যুক্ত হয়েছে মুসলামন ঘরে জন্মিত কিছু ধর্মহীন গাধার দল যারা ধর্ম সম্বন্ধে কোন জ্ঞান না রাখলেও অন্য ধর্মের লোকেরা যখন সমালোচনা করেন তখন তারও সমালোচায় মেতে যান। মুক্তমনা নামের ব্লগ সাইটটি আমার বিশ্বাস মতে কোন হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং হিন্দু সম্প্রদায় দ্বারাই পরিচালিত যেখানে মুসলমানদের সমালোচনা করা হয় কঠোর ভাবে আর তাতে সাই যোগান আমাদের মুসলিম সম্প্রদায়ের শংকর প্রজাতির কিছু নাস্তিক লোকেরা। ঐ খানে বিভিন্ন হিন্দু ব্লগার মুসলমান নিক ব্যবহার করে মুসলমানদের বিভিন্ন সমলাচনায় মগ্ন এবং সাধারণ মুসলমাদের পথভ্রষ্ট করার চেষ্টায় সদা সতেষ্ট এবং নিজেরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে গিয়ে রুটি রুজির নেশায় মগ্ন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের মুসলমানদের উপর বিষেদাগারের সুযোগ নিয়ে তারা এই কাজটি করে থাকেন; কেননা বিশ্নে খুব দ্রুত হাইলাইট হওয়া মাধ্যম হচ্ছে মুসলমানদের বিপক্ষে বলা।

ব্লগটিতে ঢুকলেই নজরে পরবে বিভিন্ন প্রকার ইসলাম বিদ্বেষী লেখা। ইসলাম ধর্মের মহানায়ক হযরত মুহাম্মদ সঃ কে নিয়ে বিভিন্ন কটুক্তি; তাতে স্বআগ্রহে অংশগ্রহণ করেন শংকর জাতের মুসলমানেরা। মুসলমান ঘরে জন্মিত হলেও কোনদিন এই শংকর জাতেরা সম্পূর্ণ কোরাণ পাঠ করেন না; দুই এক লাই পড়েই সমালোচনায় বসে যান তাদের ফুর্তি মাস্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য। আর অন্যান্য ধর্মালম্বীদের কথায় স্বআগ্রহে অংশগ্রহণ করে মেতে পড়েন নিজ ধর্মের সমালোচনায়। আমাদের ধর্মনিয়ে যেহেতু হিন্দু সমাজ একটু বেশীই মাতা-মাতি করে আর সমালোচনা করে তাই তাদের ধর্মের কয়েকটি বিষয়ও সমালোচনায় আসা দরকার। তাই শ্রী কৃষ্ণের সারাংশই তুলে ধরলাম।

কৃষ্ণের জন্ম নিয়ে ঘাটাঘাটি নাইবা করলাম; তার চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ্য নিয়েই দুলাইন দেখা যাক। শিশু শ্রী কৃষ্ণকে পাওয়া যায় গোয়াল ঘরে; তাকে লালন পালন করেন ঘোষ সম্প্রদায়।
কৃষ্ণপূজা হয় দু'হাত উচু করে বা উর্ধে তুলে এক বস্ত্রে অনেক ক্ষেত্রে বস্ত্রহীন। সেটি অবশ্যই মেয়ারা করে থাকেন; (হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ পুজাই মহিলারা করেন এক কাপড়ে)। ঘোষ সম্প্রদায়ের মেয়েদের বিবস্ত্র অবস্থায়ও এই পূজা করতে দেখা যায়।
কেন এই নিয়মাবলীঃ কৃষ্ণ মহাশয় ছোট থেকেই দুষ্ট প্রকৃতির ও নারী দেহের প্রতি বিশেষভাবে আকর্ষিত। আদীযুগে মেয়েরা পুকুরে বা নদীতে গোসল করত বিবস্ত্র অবস্থায় বসন স্বল্পতার কারনে; পোষাকগুলো ঘাটে বা পাড়ে রেখে পানিতে নামতেন। আর ভগবান মহাশয় সেই কাপড় নিয়ে গাছের ডালে বসে থাকতেন। যাতে মেয়েরা বিবস্ত্র অবস্থায় তীরে এলে মেয়েদের শরীর দেখতে পান। মেয়েরা তাদের ইজ্জত বাঁচাতে তার কাছে দুহাতে বুক ঢেকে কাপড় ফেরত চাইলে তখন ভগবানের শর্তছিল দু হাত উচু করে কাপড় চাইতে হবে যাতে বক্ষ দেখতে পান। যেহেতু কৃষ্ণর এইগুলান পচ্ছন্দ ছিল তাই সেই রীতি এখনও। আর মামীকে নিয়ে অধ্যায়টিতে না হয় নাই বা গেলাম।
তা ছাড়া শিব পূজা; কুমারী পূজা সহ বিভিন্ন পূজার পদ্ধতির পেছনেও এ রকম একএকটি যুক্তি আছে যা লিখলে আমরাই খারাপ হব কারণ মুসলমানেরা কাওকে কিছু বললেই আমাদের মুসলামান সমাজই সমালোচনা করেন।
তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ; অন্যের ভাল দেখে ঈর্ষানিন্বত হয়ে তাদের বৃথা সমালোচনা করবেন না; আগে নিজের ত্রুটি গুলো ঠিক করুন।

লিঙ্গে যান কৃষ্ণগ্রন্থ থেকেও পাবেন
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪২
১৭টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×