গত কাল একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন- Click This Link "ধর্মীয় জ্ঞানী'রা নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দিবেন কি?" উদ্দেশ্য ছিল আমার জানা ও জানার মধ্যে পার্থক্য।
১) কোন নাস্তিকের জানাজা পরানো যায়েজ কি?
মুসিলম ব্যতিত অমুলিমের জানাজা পড়ানো যায়েজ নয়। কারণ নাস্তিক কোন ধর্মেই বিশ্বাস করে না; বিশ্বাস করে না সৃষ্টি কর্তায়; বিশ্বাস রাখে না আল্রাহ রাসুলে। তাই তার জানাজা পড়ানো যায়েজ নয়।
কিন্তু আমাদের সমাজে অনেক নাস্তিকই মারা যাচ্ছেন; আজ অবধি কোন মৌলভী কি তার জানাজা পড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন? আজ অবধি কোন মৌলভীকে পেলাম না যিনি জানাজা পড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এক্ষেত্রে অজুহাত আসে যে উনি তো মুসলমান ঘরে জন্ম নিয়েছেন। ঠিক আছে মানলাম; কিন্তু সেই ক্ষেত্রে কি- এমন নাস্কিকের জানার ক্ষেত্রে প্রথমেই অস্বীকৃতি জানাতে হবে; কিন্তু জানার অভাবে যদি সৎকার্য না হয় তা হলে কেও একজন তার জানাজা পরাবে এটি হচ্ছে অন্য মুসলিম ঘরে জন্মিতদের জন্য এক শিক্ষা। আজকের মৌলভীরা কোন নাস্তিক মারা গেলে সেখানে আগে দৌড়ায় কারন তারা বকশিস একটু বেশীই প্রদান করে থাকে।
২) কোন বেনামাজীর ঘরে/হাতে খাওয়া যায়েজ কি?
বে-নামাজী অর্থ জিনি মুসলিম ঘরে জন্মিত কিন্তু স্বেচ্ছায় নামাজ ত্যাগ করে থাকেন। তার হাতে বা তার বাড়ীতে নিমন্ত্রণ খাওয়ার ক্ষেত্রেও অস্বীকৃতি জানাতে হবে; এতে যদি উনি নামাজ পরেন না এর জন্য অনুতপ্ত হয় বা সে নামাজ আদায় করবে মর্মে স্বীকৃত হয় তবেই তার ঘরে খাওয়া জায়েজ। এটি হচ্চে একটি বেনামাজির জন্য শিক্ষা। আজ অবধী কোন মৌলভী কি এই কাজটি করেছেন?
৩) কোন ঘুষখোরের দান গ্রহণ যায়েজ কি?
ঘুষখোরের হালাল টাকায় দান গ্রহণ যোগ্য কিন্তু না নেয়াই উত্তম। আর ঘুষের টাকার দান কোন অবস্থাতেই গ্রহণ যোগ্য নয় যদি না কেও জীবন মৃত্যুর সম্মুখীন হন; সম্ভব হলে ধার স্বরূপ কিন্তু দান গ্রহন না করাই ভাল; কারণ এর মাধ্যমে সে উৎসাহিত হবে। আজ কাল দেখা যায় একজন ঘুষখোর মসজিদ নির্মন করে; সেই ঘুষ খোরের মসজিদে ঈমামতিও করেন মৌলভীরাই, সেই ঘুষখোর প্রদত্ত বেতন ভাতাদিও গ্রহণ করছেন। এখানে খোড়া অজুহাত সে যদি ভাল হয়। আজ অবধি কজনকে দেখা গেছে ভাল হতে আর ভাল হতে হলে তো তার অবৈধ পথে আয়ের সব টাকা দান করতে হবে; যেখানে দেখছেন যে তার পক্ষে তার ঘুষের সমস্ত টাকা দান করা সম্ভব না; তা পরও তার দান গ্রহণ করছেন; মসজিদ করছেন; মাদরাসা করছেন। আজ অবধি কজন মৌলভী আছেন যারা ঘুষখোরের দান গ্রহনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন?
আর ঘুষের টাকায় যারা দান করেন নাম কামান তাদের দুই ধরনের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।
১) সে অবৈধ পথে টাকা রোজগারের
২) এবং সেই টাকায় সে নাম কামিয়েছেন তার সেই সাথে সেই নাম কামানোয় যারা সহযোগিতা করেছেন তাদেরও জাবাব দিহি করতে হবে স্ব-জ্ঞানে ঘুষ খোরের সহযোগিতা করার জন্য।
৪) কোন মিথ্যুককে সমর্থন করা যায়েজ কি?
কোন মিথ্যুককে সমর্থন করা আর নিজে মিথ্যা বলা একই কথা। কিন্তু আমাদের সমাজের মৌলভীরা এবং আলেম উলামরাও এই কাজটি করে আসছেন। যেমন কোন বড় রাজনৈতিক দলের কোন শীর্ষস্থানী নেতা একটি মিথ্যা বললেন; স্ব দলীয় আলেম সমাজ শুধু রাজনৈতিক ফায়দার জন্য বা নিজেস্ব কিছু সুবিধার জন্য তাকে সমর্থন করছেন।
উপরোক্ত ৪টি প্রশ্নের উত্তরে এবং আমাদের সমাজের মৌলভী সমাজের অবস্থাতে সহজেই অনুমানেয় যে ইসলাম কে ধ্বংশ করার জন্য উনারা নিজেরাই যথেষ্ট সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কোন হাত নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




