নিহত ইব্রাহীম খলিলের বাবার নাম আবু তাহের। সে মিরপুর বাংলা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের পরিক্ষার্থী। তার বাসা কল্যাণপুরে। --------------- প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থীর বয়স ২৪বছর (!!!!!)।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন আল-আমীন জানান, তারা ৭ বন্ধু মিরপুরের দারুস সালাম ও শ্যামলীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। শবে বরাতের নামাজ শেষ তারা গাবতলীর পর্বত সিনেমা হলের সামনে রিকশা থেকে নেমে পায়ে হেঁটে আমিন বাজারের ট্রাক স্ট্যান্ডের পেছনে কোলার চর বালুর মাঠে বসে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় এলাকাবাসী তাদের ডাকাত বলে সন্দেহ করে বেধড়ক পিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় তার ৬ বন্ধু।
আসলে কে যে ভালো সেটি বুঝে ওঠা মুশকিল। ১৭ তারিখে আব্দুল্লাহ পুর বাস স্ট্যান্ড এ দাড়িয়ে আছি ধামরাই যাব বলে। প্রচন্ড গড়মে প্রান হাসফাস দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকায়। হঠাৎ নজরে আসল একটি ছেলে ফলো করছে আমাকে। একটু তাকালাম, সঙ্গে সঙ্গে চোখ ইশারা দিল; কিছু বলতে চায়; না দেখার ভান করলাম। কিছু সময় পর আবার তাকাতেই আবারো ইশারা। গরমে উটকো ঝামেলা এড়াতে সরে এসে দাড়ালাম, ছেলেটিও সরে এসে দাঁড়ালাম; সেলেটিও সেরে আসল এবং আবার ইশারা দিল। আমি আরেকটু সরে আসলাম; যাতে না দেখা যায়; ও এবার সাহস করে আমার সামনে দিয়ে গেল এবং আস্তে করে ধাক্কা দিয়ে।
আমি আবারও চলে আসলাম সিএনজি পাম্বের পার্শ্বে; ছেলেটিও সরে আসল। এবং দাঁড়িয়ে থেকে ইশারা করল। এবার আমি পাম্পের কর্মচারীকে বলতে কর্মচারী এগিয়ে গেল। কথা বলল; অস্বীকার করল ও যে আমাকে ফলো করছে; আমি এগিয়ে আসতেই; বলে আঙ্গেল আপনি ভুল বুঝছেন; আমি আপনাকে ফলো করিনি। কর্মচারীরা জিজ্ঞাসা করল তা হলে এখানে কেন; উত্তর এমনিতেই; কয়েকটি ধমক দিলাম; কিন্তু স্বাভাবিক উত্তর; কোন ভয় নাই; পাম্পের ছেলেরা মারার প্রস্তুতি নিলে নিষেধ করলাম। নিষেধ শুনল; ছেলেটি পরিচয় দিল কলেজে পরে; কাধে ব্যাগ; জিন্স প্যান্ট; টাইট শার্ট কানে হেডফোন। ওর বাবা কে ফোন করতে বললাম; উত্তর বাবা ফোন ব্যবহার করেন না; মাকে মা ও করেন না; জবাব দিল উত্তরা কলেজে পড়ে; কলেজের আইডি কার্ড নাই; কলেজের ফোন নাম্বার নাই; ১২:৩০ এর সময় কলেজ ছেড়ে এখানে কেন প্রশ্ন করতেই ক্লাস হয় নাই। ব্যাগ চেক করতেই পাওয়া গেল ৩খানা বই যাহা এ কালে খুলে পড়া হয়েছে বলে মনে হয় নাই। পার্ম্পের এক মুরুব্বি বলল; বাবা ছেড়ে দেন বাচ্চা মানুষ; হয়তো সে ছিনতাই কারী বা ড্রাগ সেলার; মুরুব্বি বুঝিয়ে সুজিয়ে ছেড়ে দিল।
এরা কিভাবে ছিনতাই করেঃ
প্রথমে ইশারা করবে। সারা দিলে কথা বলবে; বন্ধুত্ব করবে; এই ফাকে তার বন্ধুরাও চলে আসবে। ডেকে নিয়ে যাবে আশে পাশে কোন চিপায় নিয়ে গিয়েই সবকিছু কেড়ে নিয়ে কয়েকটি উত্তম মাধ্যম দিয়ে ছেড়ে দিবে।
কিভাবে ড্রাগ সাপলাই করেঃ
ইশারায় সারা দিলেই সামনে আসে; টাকার অংক অন্যদিকে তাকিয়ে টাকার অংক বলে; টাকা টি হাতে বের করে রাখলেই পুরিয়া ধরিয়ে দেয়; অথবা সাইটে ডেকে নিয়ে টাকা নিয়ে বোত ধরিয়ে দেয়।
কিভাবে অপহরণ করেঃ
ভাব জমিয়ে নিয়ে যাবে কোন বাসায়; অর্থের লোভ; মেয়ের লোভ; বা নেশার লোভে। অর্থের লোভ যেমন- অল্প দামে বিদেশী মুদ্রা বিক্রি; স্বর্ণের গনা বিক্রি; হাত ঘরি বিক্রি; মেয়ের লোভ তার সুন্দরী বান্ধবী, বডি ফিগার বর্ণনা দিয়ে; নেশার লোভীরা খুবজ সহজেই নেশার অফার দেয়ার সাথে সাথে কাজে লাগে।
উঠতি বয়সীরা আমাদের দেশের অনেক অপরাধের সঙ্গেই জড়িত; এবং প্রতিদিন জড়িয়ে পরছে তাদের বাবা মায়ের গাইডেই অভাবে। যখন এই সব অপরাধ করতে গিয়ে একসিডেন্ট হচ্ছে তখনই হয়ে যাচ্ছে মেধাবী, আর ধোকাবাজ মিডিয়া অর্থ যেদিকে সেদিকেই পাল তুলছে।
উল্লেখিত ঘটনায় আমার প্রশ্ন- পর্বত থেকে আমিন বাবার বাসস্ট্যান্ড অনেক দুরে; পায়ে হেটে মাঝ রাতে কেন গেল ওখানে। কোন মেধাবী ছাত্র কী মাঝ রাতে ওখানে যাবে? আর ওদের বাবা মায়ই বা কেমন অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ুয়া ছেলে মধ্যরাত অবধি বাসায় আসে নাই; কোন মসজিদে তারও কোন খোজ নেন নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

